Tag: বাংলাদেশ

  • বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

    বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

    রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    তিনি বলেন, বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ব্যথিত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, এসব দোকানের ইনস্যুরেন্স করা থাকে না, সেজন্য তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আমাদের ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।

    এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট কাজ করেছে। এছাড়া কাজ করেছে সেনাবাহিনীর দুই শতাধিক কর্মী। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজিবি, পুলিশ, ওয়াসাও একসাথে কাজ করেছেন।

    আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।  পুরোপুরি তদন্তের পরই কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বলা যাবে।

    আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের আট জন কর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন।

  • বঙ্গবাজারে পুড়ে গেছে ৬টি মার্কেটের ছয় হাজার দোকান

    বঙ্গবাজারে পুড়ে গেছে ৬টি মার্কেটের ছয় হাজার দোকান

    রাজধানীর বঙ্গবাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও এনেক্সকো টাওয়ারের পরিচালক জহিরুল ইসলাম এমনটা দাবি করেছেন, রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়বাহ আগুনে ছয়টি মার্কেটের পাঁচ থেকে ছয় হাজার দোকান পুড়ে গেছে। দোকান মালিকসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিগস্ত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষ এ মাসে মালিকরা মালামাল রির্জাভ করে রেখে ছিল ব্যবসায়ীরা। সবার স্বপ্ন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সব শেষ হয়ে গেলো।

    মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে তিনি এসব কথা গুলো বলেন।

    জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কোনো অবস্থা নেই। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ কর্মরত ছিলেন। ঈদের আগে সব দোকানে মালামাল তোলা হয়েছিল। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখন বলা যাবে না।’

    এর আগে আজ ভোর ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, ভোর ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৬টা ১২ মিনিটে। পর্যায়ক্রমে একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ৫১টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে।

    এদিকে বঙ্গবাজারের আগুন ছড়িয়ে পড়ে মহানগর শপিং কমপ্লেক্সে। সেই আগুনে পুড়েছে হেড কোয়ার্টারের ভেতরের চারতলা পুলিশ ব্যারাক ভবন।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার জানান, পুলিশ হেড কোয়ার্টারের ভেতর পুলিশ ব্যারাকের চারতলা ভবনে আগুন লেগেছে। এতে ওই ভবনের সবকটি কক্ষ পুড়ে গেছে। ১১টা ১৫ মিনিটে জলকামান এসেছে। ফায়ার সার্ভিস পানি দিয়েছে। ভবনটি মহানগর শপিং কমপ্লেক্স লাগোয়া।

    প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টায় কয়েকটি মার্কেটের কয়েক হাজার দোকান পুড়িয়ে নিয়ন্ত্রণে আসে বঙ্গবাজার মার্কেটের আগুন। দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: মাইন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে

    বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে

    অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে রাজধানীর বঙ্গবাজার। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪৭টি ইউনিট। একইসঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনীর সম্মিলিত দলও। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোরের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় ।

    পানি স্বল্পতা এবং উৎসুক জনতার ভিড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিজি। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিট দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের ডিজি।

    মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রিমা খানম জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৮ ফায়ার কর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল ও শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

    তবে বঙ্গবাজার দোকান মালিক সমিতির নেতারা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ৫ থেকে ৬ হাজার দোকান পুড়ে গেছে। এতে হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

  • কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছেছে বাংলাদেশ-ফ্রান্সের সম্পর্ক

    কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছেছে বাংলাদেশ-ফ্রান্সের সম্পর্ক

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন এটি একটি উদ্দেশ্যমূলক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকে আরো প্রসারিত হয়েছে।

    সোমবার (৩ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসডুপে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

    মেরি মাসডুপে বলেন, ফ্রান্স সব সময়ই বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অংশীদার। আমাদের টেকসই উন্নয়নে অভিন্ন লক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত একটি উদ্দেশ্যমূলক এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকে সম্পর্ক আরো প্রসারিত হয়েছে।’

    সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    সাক্ষাতে শেখ হাসিনা বলেন, ফ্রান্স বরাবরই বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অংশীদার। টেকসই উন্নয়নে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য দ্বারা দুই দেশ বাস্তব ভিত্তিক এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও প্রসারিত হয়েছে।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার সম্পর্ক গত পাঁচ দশকে বিভিন্ন খাতে বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • পাঁচ সিটির নির্বাচনি তফসিল: ভোট হবে ইভিএমে ও সিসি ক্যামেরা থাকবে

    পাঁচ সিটির নির্বাচনি তফসিল: ভোট হবে ইভিএমে ও সিসি ক্যামেরা থাকবে

    পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সব সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ও সিসি ক্যামেরা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

    সোমবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সভা শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এই তথ্য জানান।  তিনি আরও জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হবে ২৫ মে। খু লনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১২ জুন।  রাজশাহী ও সিলেটে ভোট হবে ২১ জুন।  ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করা যাবে বলেও তিনি জানান।

    গাজীপুরসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনের ভোট গ্রহণে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে ১২ জুন এবং রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ২১ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই পাঁচ সিটিতেই ভোটগ্রহণ করা হবে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

    সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত ১৭তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে কমিশন সচিব মো জাহাংগীর আলম বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করেন। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, পাঁচ সিটির ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব নির্বাচনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরাও। ঘোষিত তারিখে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সব সিটি নির্বাচনে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তারা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

    তিনি জানান, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭ এপ্রিল। মনোনয়ন বাছাই করা হবে ৩০ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ৮ মে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৫ মে।

    ইসি জানায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সর্বশেষ ভোট হয়েছে ২০১৮ সালের ২৭ জুন। নির্বাচিত করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সময়গণনা শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের ১১ মার্চ থেকে। অর্থাৎ আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গাজীপুর সিটির ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    গাজীপুরের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই সিটিতে করপোরেশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৬ মে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ১৮ মে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ মে। এই দুই নগরে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ জুন।

    কমিশন সূত্রে জানা গেছে,  এবং তৃতীয় পর্যায়ে রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে খুলনা ও রবিশালের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ জুন এবং রাজশাহী ও সিলেটে ২১ জুন।

    তৃতীয় পর্যায়ে রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই সিটি করপোরেশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৩ মে। মনোনয়ন বাছাই করা হবে ২৫ মে, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ জুন ও ভোট ২১ জুন।

  • বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নতুন দেশের অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নতুন দেশের অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ অন্বেষণ এবং সেখানে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র এবং নতুন দেশ (জনশক্তি পাঠানোর জন্য) খুঁজে বের করতে হবে। আমরা এমন ধরনের প্রশিক্ষণের (কর্মীদের জন্য) ব্যবস্থা করব, যা একটি দেশের প্রয়োজন।’

    বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা কিভাবে ভালো থাকবেন এবং বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করবেন সে বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা (প্রবাসী) যদি হুন্ডির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠান, তবে তা হয়তো আপনাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছায় এবং তারা তা ব্যয় করে কিন্তু এতে যিনি এই অর্থ পাঠাচ্ছেন তার কোনো সঞ্চয় হয় না।

    প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন। খবর বাসসের

    সরকার ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন দেশে কর্মী পাঠানো শুরু করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে হবে এবং সে জন্য আমরা কর্মীদের জন্য বহুমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।’

    তিনি বলেন, ‘যদি আমরা যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে পারি, তাহলে আমাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অর্জনের বড় সুযোগ রয়েছে।’

    বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

  • অপরাধ ও অপপ্রচারের সাথে সাংবাদিকতার মহৎ পেশাকে মেলাবেন না: তথ্যমন্ত্রী

    অপরাধ ও অপপ্রচারের সাথে সাংবাদিকতার মহৎ পেশাকে মেলাবেন না: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সাংবাদিকরা সমাজের অনুন্মোচিত বিষয় তুলে আনে, সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়। সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। অপরাধ ও অপপ্রচারের সাথে সাংবাদিকতাকে মেলাবেন না।’

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ইফতার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আহসান সোহেল সভায় শুভেচছা বক্তব্য রাখেন। সংগঠনের সহসভাপতি দীপু সারোয়ারসহ বর্তমান ও অতীত নির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক গ্রেফতার হওয়া প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে একটি ১০ বছরের ছেলেকে ১০ টাকা দিয়ে ফুসলিয়ে তাকে দিয়ে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কথা বলানোর চেষ্টা এবং সে না বললেও তার বক্তব্য হিসেবে সেটি প্রচার করা শুধু বাংলাদেশের সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থী নয়, সারাবিশ্বে যে সাংবাদিকতার নিয়ম-নীতি রয়েছে, সেগুলোরও পরিপন্থী।’

    তিনি বলেন, ‘এখানে স্পষ্টত: জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ লংঘিত হয়েছে এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি কটাক্ষ করা হয়েছে। এ সব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলেই মামলা হয়েছে, এর সাথে সাংবাদিকতাকে না মেলানোর অনুরোধ জানাই। তবে কারো কোনো হয়রানি যেন না হয়, সেদিকে আমরা নজর রাখছি।’

    সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ে, সরকারের সমালোচনা করে প্রায় প্রতিদিন দেশের পত্র-পত্রিকায় লেখা হয়, টেলিভিশনে রিপোর্ট প্রচার হয়- এ নিয়ে কোনো মামলা তো দূরের কথা, কোনোদিন কাউকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশ্নও করা হয়নি। অথচ এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পত্রিকা থেকে বিদেশি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে তাদের সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বলে তাদেরকে উস্কানি দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট এই অসত্য অপপ্রচার আসলে দেশবিরোধিতা।’

    হাছান মাহমুদ তার বক্তৃতায় রাজধানীর পল্লবীতে শুক্রবার বিএনপির ইফতারে সাংবাদিক নির্যাতনের নিন্দা জানান এবং মনে করিয়ে দেন, ‘সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সবসময় তা বজায় রাখতে চায়। কিন্তু গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আর অপরাধ এক জিনিস নয়। দেশের সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো,  সম্পাদক, প্রকাশক, শিক্ষক, শিল্পী, সুশীল সমাজও স্বাধীনতাকে কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছে, বিবৃতি দিয়েছে, কারণ এখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।’

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে অভিযোগ খন্ডন করে উদাহরণ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘এ ধরনের আইন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হয়েছে। যুক্তরাজ্যে সাইবার সিকিউরিটি ল’জ এন্ড রেগুলেশন ২০২২, যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার ল’ এন্ড পানিশমেন্ট এবং এ ধরণের আইন বিশ্বের বহু দেশে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরণের অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ২০ বছর কারাদন্ড। এবং ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর কারণে যদি কারো মৃত্যু হয় তবে সেই অপরাধের শাস্তি হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড। তারা আমাদের আইন নিয়ে বিবৃতি দেওয়ার চেষ্টা করে অথচ এ দেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য বহু দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনেক বেশি কঠিন।’

  • ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    প্রথম আলো অনলাইন মাধ্যমে ২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবসে একজন শিশুর ছবির সাথে ভিন্ন একজনের বক্তব্য সংযোজন করে যে ফটো কার্ড প্রচার করা হয়, সেটি সেই সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বার্তা কক্ষের পেশাদারী ব্যর্থতার বড় দৃষ্টান্ত। সেই ফটো কার্ডটি দ্রুত প্রত্যাহার করা হলেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কাজটি হয়েই গেছে। তারা বলেন,  শিশুর ছবির সাথে ভিন্ন পরিচয়ের ব্যক্তির উদ্ধৃতিটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি ও ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।  শিশুটিকে সাংবাদিকের আর্থিক সাহায্য দেয়া এবং তাকে সাংবাদিকতার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টিও পেশাদারী সাংবাদিকতার দিক থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    গণমাধ্যম একটি সভ্য সমাজের অন্যতম দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। সমাজের সঠিক চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরাই গণমাধ্যমের কাজ, আর গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ জনমানসে গভীর প্রভাব বিস্তার করে বলে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকা এই নৈতিক দায়িত্ব উপেক্ষা করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেশের সুনাম ক্ষুণড়ব করার চেষ্টা করছে। মহান স্বাধীনতা দিবসে তারা এ-দেশের স্বাধীনতাকে বিদ্রুপ করে একটি বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

    সম্প্রতি উক্ত পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রেক্ষাপটে একজন শিশুর ছবি এবং সেই ছবির নিচে ক্যাপশনের পরিবর্তে একজন দিনমজুরের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাপশনে উল্লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাকে পরিষ্কারভাবে উপহাস করা হয়েছে। একজনের ছবির ক্যাপশনে অন্য আরেকজনের উদ্ধৃতি প্রকাশ গণমাধ্যমের নৈতিকতা পরিপন্থী। তদুপরি, উদ্ধৃতিটির ভাষামান বিবেচনা করলে তা কোনোভাবেই দিনমজুরের বক্তব্য বলে মনে হয় না। বরং এটি ওই দিনমজুরের কণ্ঠে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় বক্তব্য বলেই প্রতীয়মান হয়। অন্য একটি গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে ইতোমধ্যে জানা সম্ভব হয়েছে যে ওই শিশুকে উৎকোচের বিনিময়ে প্রলুব্ধ করে ছবিটি তোলা হয়েছে। বস্তুত এক্ষেত্রে শিশুটিকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে তার অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণড়ব করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে চলমান অর্থনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বানোয়াট ছবি ও বক্তব্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার এক কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে মহান স্বাধীনতাকে যেভাবে বিদ্রুপ করা হয়েছে, সেটি অনাকাক্সিক্ষত ও নিন্দনীয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

    পরবর্তীকালে যদিও পত্রিকাটি তাদের ভুল স্বীকার করে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে, কিন্তু আনুপূর্বিক ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় এটিকে নিছক একটি ভুল হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বরং এই ঘটনা যে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণের অপতৎরতার অংশ, এরূপ মনে করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। কেননা এ ধরনের প্রতিবেদন জনমনে রাষ্ট্র সম্পর্কে একটি বিরূপ ধারণার জন্ম দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের ঘটনা আমরা আগেও প্রত্যক্ষ করেছি। স্বাধীনতার অব্যবহিতকাল পরে ১৯৭৪ সালে বাসন্তী নামের এক নারীকে জাল পরিয়ে সাজানো ছবি তুলে দুর্ভিক্ষের কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। ‘দৈনিক প্রথম আলো’র তৎপরতা ১৯৭৪-এর ঘটনার ধারাবাহিকতা বলে প্রতীয়মান হয়। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল অনুরূপ ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, আলোচ্য পত্রিকাটি গণমাধ্যমের নৈতিকতা জলাঞ্জলি দিয়ে ২০০৭ সালে অনির্বাচিত সামরিক শাসনের পক্ষ নিয়ে বি-রাজনীতিকরণের পক্ষে নির্লজ্জভাবে কলম ধরেছিল। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বাংলাদেশের উনড়বয়ন সহযোগীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমাদের সনির্বন্ধ অনুরোধ, এই চক্রান্তে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত সত্য অনুধাবন করুন ও প্রয়োজনবোধে তুলে ধরুন।

    আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্ববাসী। তবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বানোয়াট তথ্য পরিবেশন কোনো ক্রমেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হতে পারে না। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমরা যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। তবে এ প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ কোনো আইনের যেন অপপ্রয়োগ না হয় সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

     

    বিশিষ্ট নাগরিকদের তালিকা

    ০১। অধ্যাপক আব্দুল মানড়বান, সাবেক চেয়ারম্যান, ইউজিসি

    ০২। অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক, সাবেক উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৩। অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৪। অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবীর, সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয় ও বিশিষ্ট রসায়নবিদ

    ০৫। অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি

    ০৬। অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, সাবেক উপাচার্য, জগনড়বাথ বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৭। অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, সাবেক প্রো-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৮। অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন, সাবেক প্রো-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৯। অধ্যাপক ড. আব্দুল মানড়বান চৌধুরী, উপাচার্য, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

    ১০। অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহাম্মদ, সাবেক ডিন, বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ১১। অধ্যাপক ড. অহিদুজ্জামান, সাবেক উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১২। অধ্যাপক এ কে এম সাইদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৩। অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর, সাবেক উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ

    ১৪। অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক উপাচার্য, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৫। অধ্যাপক ড. আব্দুল মানড়বান আকন্দ, সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৬। অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর আলী, সাবেক প্রো-উপাচার্য, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৭। অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, সাবেক ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৮। অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন

    ১৯। অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন

    ২০। অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া, সাবেক ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ২১। জনাব মোজাম্মেল বাবু, প্রধান সম্পাদক, একাত্তর টেলিভিশন

    ২২। জনাব নাইমুল ইসলাম খান, এমিরেটাস এডিটর, দৈনিক নতুন সময়

    ২৩। জনাব মো. মনজুরুল ইসলাম, প্রধান সম্পাদক, ডিবিসি নিউজ।

    ২৪। জনাব শ্যামল দত্ত, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব

    ২৫। অধ্যাপক চৌধুরী জুলফিকার মতিন, সাবেক অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

    ২৬। অধ্যাপক মলয় কুমার ভৌমিক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ও বিশিষ্ট নাট্যকার

    ২৭। অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও সভাপতি, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি

    ২৮। অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র দাশ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশিষ্ট প্রাণিবিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক

    ২৯। অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার, বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ

    ৩০। অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী

    ৩১। অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ডিন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩২। অধ্যাপক ড. নোমান, সাবেক ডিন, আইন অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩৩। অধ্যাপক ডাক্তার কামরুল হাসান খান, সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩৪। প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা কেন্দ্র, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ

    ৩৫। ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হুদা, প্রেসিডেন্ট, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ

    ৩৬। ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন শিবলু, সাধারণ সম্পাদক, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ

    ৩৭। ডাক্তার নুজহাত চৌধুরী, সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩৮। ডাক্তার মামুন আল মাহতাব, সদস্য সচিব, সম্প্রীতির বাংলাদেশ

    ৩৯। জনাব পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, নাট্যব্যক্তিত্ব ও আহ্বায়ক, সম্প্রীতির বাংলাদেশ

    ৪০। জনাব তারানা হালিম, নাট্যব্যক্তিত্ব

    ৪১। জনাব গোলাম কুদ্দুস, সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট

    ৪২। ডাক্তার এহতেশামুল হক দুলাল, সদস্য-সচিব, প্রকৃচি

    ৪৩। ডাক্তার জামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স এসোসিয়েশন

    ৪৪। ডাক্তার মনিরুজ্জামান, সভাপতি, প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স এসোসিয়েশন

    ৪৫। অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান, সাবেক উপাচার্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৬। অধ্যাপক ড. এমরান কবীর চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৭। অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদ, ডিন, বায়োলোজিক্যাল সায়েন্স, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৮। অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, চেয়ারম্যান, সিইসি বিভাগ এবং সভাপতি শিক্ষক সমিতি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৯। অধ্যাপক ড. কবির হোসেন, সভাপতি, শিক্ষক সমিতি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ৫০। অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার, সাবেক সভাপতি, শিক্ষক সমিতি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করলেন সম্পাদক প্রকাশক আইনজীবী

    স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করলেন সম্পাদক প্রকাশক আইনজীবী

    তিন শতাধিক পত্রিকার প্রকাশকদের সংগঠন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ (বিএসপি), সম্পাদকদের সংগঠন বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম এবং দেশের আইনজীবীদের অন্যতম শীর্ষ সংগঠন ঢাকা বার এসোসিয়েশন গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দৈনিক প্রথম আলো প্রকাশিত ‘শিশুর নামে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে অসত্য প্রচারে’র বিরূদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।

    ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো: মিজানুর রহমান (মামুন) ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জোবায়ের বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রথম আলো পত্রিকায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় সমিতির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

    সম্পাদক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা দি ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রতন এবং সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ তালুকদার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলো’য় যেভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করে রাষ্ট্র ও জাতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের চেষ্টা করা হয়েছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’ সেইসাথে রাতের বেলা গ্রেফতার এড়িয়ে সুনির্দিষ্ট মামলায় দোষীদের বিচারের কথা বলেন তারা।

    সংবাদপত্র পরিষদ সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু ও সাধারণ সম্পাদক এম জি কিবরিয়া চৌধুরী পরিষদের পক্ষে বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা এ ধরনের মিথ্যা পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রথম আলো প্রকাশিত প্রতিবেদন সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার নীতিমালা ও নৈতিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং এর বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশা করি।’

    উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সংগঠন এডিটরস গিল্ড এর আগে স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী পোস্টের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

  • এবার প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নিন্দা

    এবার প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নিন্দা

    ঢাকা আইনজীবী সমিতি ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘শিশুর নামে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে অসত্য সংবাদ পরিবেশনে’র বিরূদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রতিবাদে বলা হয়-

    “প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় প্রতিবাদ”

    প্রথম আলো পত্রিকায় গত ২৭.০৩.২০২৩ ইং তারিখে প্রকাশিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষে সভাপতি জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (মামুন) ও আমি সাধারণ সম্পাদক – খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জোবায়ের, উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    দৈনিক প্রথম আলোর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে একটি ছোট্ট শিশুকে মাত্র ১০ টাকা হাতে তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা গল্প সাজিয়ে আরেকটা বাসন্তী গল্প বানানোর চেষ্টা করেছিল প্রথম আলো। কিন্তু সচেতন মানুষদের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে সেই মিথ্যাটি আর প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি প্রথম আলো। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।