Tag: পরাজয়

  • সুপার ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাকিস্তানের পরাজয়

    সুপার ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাকিস্তানের পরাজয়

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৭ জুন, ২০২৪: বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেট শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছিলো।তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ জয় পায় যুক্তরাষ্ট্র। এই সিরিজ শেষে ক্রিকেটে নবীন এই দলটির কাছে বাংলাদেশের পরাজয়ের পর সমালোচনার পড়তে হয় দলের খেলোয়াড়দের। এমন কি কোচ, নির্বাচক ও কর্মকর্তারাদেরও বিদ্রুপের সামনে পড়তে হয়। বলা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট খেলতে ভুলে গেছে। কিন্তু দল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যে অনেক শক্তিশালী তা পাকিস্তানকে হারানোর পর সবাই বিশ্বস কতে শুরু করেছে। প্রতিটি বিভাগে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের থেকে ভালো খেলে জয় পেয়েছে।সম্ভবত বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় চমক এটাই।

    চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল রাতে প্রথম অঘটনটা ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়েছে তারা। স্বাগতিকদের কাছে হার পাকিস্তানের জন্য অপ্রত্যাশিতই। কারণ শক্তিমত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ঢের এগিয়ে বাবর আজমের দল।

    রুদ্ধশ্বাস এক লড়াই গড়ালো সুপার ওভারে। তাতে পাকিস্তানকে হারিয়েই দিলো যুক্তরাষ্ট্র। টানা চমক জাগানো পারফরম্যান্সের পর এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম অঘটনের জন্ম দিলো যৌথ আয়োজকরা।

    সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাটিং করে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের হয়ে বল করেন মোহাম্মদ আমির। প্রথম বলেই বাউন্ডারি হজম করেন বাঁহাতি এই পেসার। ওই ওভারে তিনটি ওয়াইড দেন আমির, ওই তিন ডেলিভারিতে আবার বাড়তি ৪ রান নেয় যুক্তরাষ্ট্র। সবমিলিয়ে ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তোলে ১৮ রান।

    পাকিস্তানের হয়ে ১৯ তাড়া করতে নামেন ইফতিখার আহমেদ এবং ফখর জামান। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বল হাতে নেন সৌরভ নেত্রাভাকার। প্রথম বলেই তিনি দেন ডট। পরের বলে বাউন্ডরি হাঁকান ইফতিখার। তৃতীয় বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ব্যাটিংয়ে আসেন শাদাব খান।

    চতুর্থ বলে হয় ওয়াইড। পরের বলে লেগ বাই থেকে চার। পঞ্চম বলে শাদাব নেন ২ রান। শেষ বলে ছক্কা হলে ম্যাচ আবার টাই হয়ে যেতো। কিন্তু শাদাব নিতে পারেন মাত্র এক রান। ১ উইকেটে ১৩ রানেই থামে পাকিস্তান।

    এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারের লড়াইয়েও ছিল টানটান উত্তেজনা। পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে বাবর আজমের ৪৩ বলে ৪৪ আর শাদাব খানের ২৫ বলে ৪০ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেটে তুলেছিল ১৫৯ রান।

    যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ছিল ১৬০ রানের। শেষ বল পর্যন্ত তারা জিইয়ে রাখে লড়াই। শেষ বলে যুক্তরাষ্ট্রের দরকার ছিল ৫ রান। হারিস রউফের বলে নিতিশ কুমার হাঁকালেন বাউন্ডারি। ম্যাচ হয়ে গেলো টাই।

    হারিস রউফের শেষ ওভারে ১৫ লাগতো যুক্তরাষ্ট্রের। ডানহাতি এই পেসার একটি চার একটি ছক্কাসহ ওভারে দেন ১৪। তাতেই টাই করে ফেলে যুক্তরাষ্ট্র।

    ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে জয় বলতে গেলে নিশ্চিত ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। ৪২ বলে তাদের যখন দরকার ৫৬ রান, হাতে তখনও ৯ উইকেট। সেখান থেকে অবিশ্বাস্যভাবে দলকে লড়াইয়ে ফেরান পাকিস্তানি বোলাররা।

    যুক্তরাষ্ট্রের মোনাঙ্ক প্যাটেল ৩৮ বলে ৫০, আন্দ্রিয়াস গুস ২৬ বলে ৩৫ আর অ্যারন জোন্স খেলেন ২৬ বলে ৩৬ রানের অপরাজিত ইনিংস।

    স্কটল্যান্ড হারিয়েছে নামিবিয়াকে

    এদিকে বৃহস্পতিবার দিবগত মধ্যরাতের নামিবিয়াকে ৫ উইকেটে (৯ বল রেখে) হারিয়েছে স্কটল্যান্ড। প্রথমে ব্যাটিং করে নামিবায়া ১৫৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ৫ উইকেট হারেয় জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্কটল্যান্ড।

    আজকের খেলা:

    আজ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কে কানাডার মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ড।

  • টানা নয় ম্যাচ হেরে বিপিএলে রেকর্ড ঢাকার

    টানা নয় ম্যাচ হেরে বিপিএলে রেকর্ড ঢাকার

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বিপিএলের চট্রগ্রাম পর্বের খেলা চলছে।আর এখানেও আজকের ম্যাচে হেরেছে দুর্দান্ত ঢাকা। দলটি এখন যেন জিততেই ভুলে গেছে! অথচ আসরের প্রথম ম্যাচে দলটি একটি জয় পায়। আজ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষেও আসহায় আত্মসমর্পণ করলেন নাঈম শেখ-সাইফ হাসানরা। অল্প পুঁজি নিয়ে লড়াই করতে পারেননি বোলাররাও। ফলে টানা নবম ম্যাচে হেরেছে ঢাকা। যা বিপিএল ইতিহাসে কোনো দলের টানা হারের রেকর্ড।

    আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান তুলেছে ঢাকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। জবাবে খেলতে নেমে ১৫ ওভার ২ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় খুলনা।

    ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরেন এনামুল হক বিজয়। টাইগার্স অধিনায়ককে বোল্ড করেন শরিফুল ইসলাম। ব্যর্থ হয়েছেন আরেক ওপেনার এভিন লুইসও। এই দুই ওপেনারকেই ফিরিয়েছেন শরিফুল।

    ১৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর পারভেজ হোসেন ইমন ও শাই হোপের ব্যাটে বিপর্যয় সামাল দেয় খুলনা। ৩০ বলে ৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন ইমন। হোপের ব্যাট থেকে এসেছে ২৮ বলে ৩২ রান। শেষদিকে আফিফ হোসেনের ২১ বলে অপরাজিত ৪৩ রানের ইনিংসে সহজেই জয় পায় খুলনা।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ঢাকার। ১১ বল খেলে ৫ রান করে নাঈম সাজঘরে ফিরলে ভাঙ্গে ১৮ রানের উদ্বোধনী জুটি। তিনে নেমে পুরোপুরি ব্যর্থ সাইফ হাসান। এই টপ অর্ডার ব্যাটার গোল্ডেন ডাক খেয়েছেন।উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি অ্যাডাম রসিংটন। ১২ বলে ১৮ রান করে এই ওপেনার সাজঘরে ফিরলে ২৭ রানের মধ্যেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় ঢাকা।

    এরপর অ্যালেক্স রস ও ইরফান শুক্কুর দলের হাল ধরেন। তবে দুজনই সমান ২৫ রান করে আউট হয়েছেন। দলীয় শতক স্পর্শ করার আগেই ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে অলআউটের শঙ্কায় পড়েছিল ঢাকা। তবে শেষদিকে মোসাদ্দেকের ২৬ রানের ইনিংসে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় তারা।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন পারনেল।

  • বিপিএলে টানা তৃতীয় ম্যাচে পরাজয় দেখলো বরিশাল

    বিপিএলে টানা তৃতীয় ম্যাচে পরাজয় দেখলো বরিশাল

     

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪: দেশের বড় সুপাস্টারদের নিয়ে দল গঠন করলেও হরের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারছেনা ফরচুন বরিশাল। এই দলে রয়েছে তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজের মতো জাতীয় বড় তারকারা রয়েছে দলটিতে।

    সিলেটে আজ শনিবার বিপিএলের প্রথম খেলায় হাইস্কোরিং ম্যাচে বরিশালকে ১০ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। চার ম্যাচে শুভাগতহোমের দলের এটি তাদের তৃতীয় জয়।

    লক্ষ্য বেশ বড়ই ছিল, ১৯৪ রানের। তবে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই জিইয়ে ছিল। বড় রান তাড়ায় তামিম ইকবাল তেমন ভালো করতে পারেননি। ৩০ বলে তিনি করেন ৩৩ রান।

    বরিশালে যোগ দেওয়া পাকিস্তানি ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ১৭ বলে ৫ চার আর ২ ছক্কায় খেলেন ৩৯ রানের ইনিংস। তবে বরিশালের মূল ক্ষতিটা করে দিয়েছেন আইরিশ পেসার কুর্তিস ক্যাম্ফার। ২০ রানে ৪ উইকেট শিকারের সঙ্গে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচও নেন তিনি।

    শেষদিকে মেহেদি হাসান মিরাজের ১৬ বলে ৩ চার আর ২ ছক্কায় ৩৫ রানের ইনিংসে জয়ের আশা জেগেছিল বরিশালের। অনেক্ষণ ক্রিজে থাকলেও আহামরি কিছু করতে পারেননি মুশফিকুর রহিম। ২২ বলে ২৩ রান করেন তিনি। ৩ ওভারে স্রেফ ২০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন ক্যাম্পার। দুই উইকেট পান বিলাল খান।

    এর আগে আভিশকা ফার্নান্ডোর ৫০ বলে ৯১ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে ৪ উইকেটে ১৯৩ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

    টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে মুখে হাসি ফুটেছিল তামিমের। তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ২১ রানেই ২ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। ঝোড়ো শুরু করে তানজিদ তামিম ৫ বলে ১২ করে সাজঘরে ফেরেন, ৮ বলে ৪ রান করে তাইজুলের ঘূর্ণিতে বোল্ড হন ইমরানুজ্জামান।

    এরপর হাল ধরেন আভিশকা ফার্নান্ডো। শাহাদাত হোসেন দিপু ২৯ বলে ৩১ রানে আউট হন, নাজিবুল্লাহ জাদরান ১৯ বলে ১৮ রানের ধীর ইনিংস খেলেন।

    তবে আভিশকা আর শেষদিকে কুর্তিস ক্যাম্ফার ঝড় তুলে চট্টগ্রামকে বড় পুঁজি এনে দিয়েছেন। আভিশকা তার ৫০ বলে ৯১ রানের ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে হাঁকান ৭টি ছক্কা। ৯ বলেই ৩ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় অপরাজিত ২৯ করেন ক্যাম্ফার।

    তাইজুল ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। একটি করে উইকেট শিকার কামরুল ইসলাম রাব্বি আর ইয়ানিক কারিয়াহর। দুজনই অবশ্য খরুচে ছিলেন। রাব্বি ৪৩ আর কারিয়াহ খরচ করেন ৩৩।