Tag: ঢাকা

  • ঢাকা শহরের চতুর্দিকে বৃত্তাকার রেলপথ হবে: রেলপথ মন্ত্রী

    ঢাকা শহরের চতুর্দিকে বৃত্তাকার রেলপথ হবে: রেলপথ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ জুন, ২০২৪: ঢাকা শহরের চতুর্দিকে বৃত্তাকার রেলপথ হবে, বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। তিনি বলেন, “ঢাকা শহরের চতুর্দিকে বৃত্তাকার রেলপথ, নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-চট্টগ্রাম সেকশনে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন, নারায়ণগঞ্জ থেকে লাকসাম বা কুমিল্লা পর্যন্ত কার্ডলাইন নির্মাণ করা হবে।”

    আজ সোমবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব কথা জানান মন্ত্রী। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আলী আজম।

    রেলপথ মন্ত্রী বলেন, “আগামী ২০৪৫ সাল পর্যন্ত রেলওয়ের মাস্টার প্ল্যানে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬২ কোটি টাকার ২৩০ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।”

    তিনি বলেন বলেন, “নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন (ওভারহেড ক্যাটেনারি ও সাব-স্টেশন নির্মাণসহ) প্রবর্তনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং বিশদ ডিজাইন শীর্ষক প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা যাচাইয়ের জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান টুমাস তার্কিশ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসালটিং কোম্পানির সঙ্গে গত ১৬ জুলাই চুক্তি করা হয়েছে। প্রকল্পটির মাঠ পর্যায়ের কাজ চলমান রয়েছে। জ্বালানি ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কমানোর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়েতে সহায়ক শক্তি ইউনিট (এপিইউ) সম্বলিত ৪০টি লোকোমোটিভ বাংলাদেশ রেলওয়েতে সংযুক্ত করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।”

    একই সংসদ সদস্যের আরেক প্রশ্নের জবাবে জিল্লুল হাকিম বলেন, “উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা নির্ধারিত হলে ভাঙ্গা থেকে পায়রা হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের বিনিয়োগ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।”

    স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুর ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জিল্লুল হাকিম জানান, “দেশে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৬ হাজার ৮৪০ দশমিক ৬১ একর জমি বেদখলে আছে। যার মধ্যে পাকশিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৩৫ দশমিক ১২ একর, লালমনিরহাটে ১ হাজার ৪৬৮ দশমিক ১০, চট্টগ্রামে ২১৬ দশমিক ৮৯ এবং ঢাকায় ১২০ দশমিক ৫০ একর ভূমি। অবৈধ দখলদারদের নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে বেদখলকৃত রেলভূমি দখলমুক্ত করে টেন্ডারের মাধ্যমে লিজ দেওয়া হচ্ছে।”

    স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হুছামুদ্দীনের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী জানান, ৩৫০টি মিটারগেজ ও ৩০০ ব্রড গেজ কোচ এবং একশ মিটারগেজ ও ৪০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ প্রক্রিয়াধীন আছে।

    সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য ফরিদুন্নাহার লাইলীর প্রশ্নের জবাবে জিল্লুল হাকিম জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের ৩০৬ ইঞ্জিনের মধ্যে ১৬১টি মেয়াদোত্তীর্ণ। বাকি ২৩৩টি ইঞ্জিন সচল রয়েছে।

  • ঢাকায় এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না: ডিএমপি কমিশনার

    ঢাকায় এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না: ডিএমপি কমিশনার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জুন, ২০২৪: ঢাকায় এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না, বলে জানিয়ে্ছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, “ঢাকায় এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়া যাবে না। কেউ যদি অন্য হাটে গরু নামিয়ে নেয় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে ছিনতাই মামলা দেওয়া হবে”।

    আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুরে ডিএমপি সদরদপ্তরের হাট ইজারাদাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, “যদি কেউ এক হাটের গরু অন্য হাটে নেওয়ার চেষ্টা করেন পুলিশ এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। ঢাকার বাইরে থেকে যে গাড়িতে গরু আনবেন ব্যবসায়ীরা তারা গাড়ির সামনে গরুর হাটের নাম লিখে ব্যানার ঝুলিয়ে দিবেন”।

    হাবিবুর রহমান বলেন, “ঢাকার ভেতরে গরু হাটে যারা কাজ করবেন তাদের সমন্বয়টা ভালোভাবে হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে। তাদের মধ্যে যেন সমন্বয় থাকে। ঢাকার ১৯টি হাটের জন্য ১৯টি সমন্বয় সভা করতে হবে। থানার ওসি, ডিসি ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা সমন্বয় করবেন”।

    তিনি বলেন, “১৯টি হাটের পৃথক পৃথকভাবে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ করতে হবে। প্রত্যেক গ্রুপে একজন করে পুলিশ, সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, ভোক্তা অধিকার, হাট ইজারাদার প্রতিনিধি যুক্ত থাকবে। এতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে যেকোনো সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে”।

    ডিএমপি কমিশনার বলেন, “হাটে অজ্ঞানপার্টি ও মলমপার্টির ব্যাপারে ডিবির টিম সজাগ থাকবে। হাট ও হাটের আশপাশে এমন ব্যক্তি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে হাট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করবেন”।

    ঢাকার পুলিশপ্রধান বলেন, “কোরবানির হাটকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয় ঢাকাবাসীর জন্য। পশু হাটকে কেন্দ্র করে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘরমুখো মানুষ যারা যাতায়াত করবেন তারা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন”।

    হাটে বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য হাট ইজারাদারদের পরামর্শ দেন ডিএমপি কমিশনার।

    হাটে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ থাকবে। মোটা অংকের টাকা লেনদেনে পুলিশের সহয়তা নিতে পারেন ব্যবসায়ীরা।

  • টানা নয় ম্যাচ হেরে বিপিএলে রেকর্ড ঢাকার

    টানা নয় ম্যাচ হেরে বিপিএলে রেকর্ড ঢাকার

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বিপিএলের চট্রগ্রাম পর্বের খেলা চলছে।আর এখানেও আজকের ম্যাচে হেরেছে দুর্দান্ত ঢাকা। দলটি এখন যেন জিততেই ভুলে গেছে! অথচ আসরের প্রথম ম্যাচে দলটি একটি জয় পায়। আজ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষেও আসহায় আত্মসমর্পণ করলেন নাঈম শেখ-সাইফ হাসানরা। অল্প পুঁজি নিয়ে লড়াই করতে পারেননি বোলাররাও। ফলে টানা নবম ম্যাচে হেরেছে ঢাকা। যা বিপিএল ইতিহাসে কোনো দলের টানা হারের রেকর্ড।

    আজ শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৮ রান তুলেছে ঢাকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। জবাবে খেলতে নেমে ১৫ ওভার ২ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় খুলনা।

    ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরেন এনামুল হক বিজয়। টাইগার্স অধিনায়ককে বোল্ড করেন শরিফুল ইসলাম। ব্যর্থ হয়েছেন আরেক ওপেনার এভিন লুইসও। এই দুই ওপেনারকেই ফিরিয়েছেন শরিফুল।

    ১৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর পারভেজ হোসেন ইমন ও শাই হোপের ব্যাটে বিপর্যয় সামাল দেয় খুলনা। ৩০ বলে ৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন ইমন। হোপের ব্যাট থেকে এসেছে ২৮ বলে ৩২ রান। শেষদিকে আফিফ হোসেনের ২১ বলে অপরাজিত ৪৩ রানের ইনিংসে সহজেই জয় পায় খুলনা।

    এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ঢাকার। ১১ বল খেলে ৫ রান করে নাঈম সাজঘরে ফিরলে ভাঙ্গে ১৮ রানের উদ্বোধনী জুটি। তিনে নেমে পুরোপুরি ব্যর্থ সাইফ হাসান। এই টপ অর্ডার ব্যাটার গোল্ডেন ডাক খেয়েছেন।উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি অ্যাডাম রসিংটন। ১২ বলে ১৮ রান করে এই ওপেনার সাজঘরে ফিরলে ২৭ রানের মধ্যেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায় ঢাকা।

    এরপর অ্যালেক্স রস ও ইরফান শুক্কুর দলের হাল ধরেন। তবে দুজনই সমান ২৫ রান করে আউট হয়েছেন। দলীয় শতক স্পর্শ করার আগেই ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে অলআউটের শঙ্কায় পড়েছিল ঢাকা। তবে শেষদিকে মোসাদ্দেকের ২৬ রানের ইনিংসে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় তারা।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন পারনেল।

  • বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ঢাকা

    বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ঢাকা

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪: বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণে এক থেকে চারের মধ্যে থাকছে। এই অবস্থার কোন উন্নতি দেখা দিচ্ছে না। বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের।

    আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (আইকিউএয়ার) বলছে সকালে রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় দেখা গেছে। সকাল ১০টার সময় ঢাকার স্কোর ছিল ২৬৮।

    এ স্কোর স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। ওই সময় দূষণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ঘানার আকারা। এ নগরীর স্কোরও ২৬৮।

    নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। সংস্থাটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এই ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে সংস্থাটি।

    আইকিউএয়ারের র‍্যাংকিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র‍্যাংকিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিনশর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

    এদিকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, বায়ুদূষণ কমাতে আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচি হিসেবে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঢাকার আশপাশের এক হাজার অবৈধ ইটভাটার মধ্যে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, “আদালতের হিসেবে ২ হাজারের মতো অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। আমরা প্রথমে ঢাকার আশপাশে স্থায়ী চিমনিগুলো চিহ্নিত করছি। ১০০ দিনের কর্মসূচিতে দিনে গড়ে তিন থেকে চারটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। অথ্যাৎ ১০০ কর্ম দিবসে লক্ষ্য হচ্ছে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। ঢাকার চারপাশে এক হাজার অবৈধ ইটভাটা রয়েছে৷ আসলে এ ধরনের ইটভাটার জন্য সম্পূর্ণ অবৈধ। আরেকটা আছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি।”

    ঢাকাকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক ।