Tag: অর্থনীতি

  • আমাদের দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী

    আমাদের দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৪ জুলাই, ২০২৪: আমাদের দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা বলেন, আমরা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা নিচ্ছি এবং পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা নিচ্ছি। ২০১০ সাল থেকে ২১ সাল পর্যন্ত যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছিলাম, যে লক্ষ্য স্থির করেছিলাম, এটা আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ১৯৭৫ সালে জাতির পিতা স্বল্পোন্নত দেশ রেখে গিয়েছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় এদেশের মানুষের জীবনে কোনো উন্নতি হয়নি, পরিবর্তন ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী করতে পেরেছি।“

    আজ রবিবার (১৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২১-২২ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন,  “আমরা কেন গার্মেন্ট সেক্টরের ওপর নির্ভর থাকব? আমরা পণ্য যখন উৎপাদন করব যখন ডিজাইন, রং এবং এক একটা সময় এক একটা জিনিসের চল আসে, সেটার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের ফ্যাশন ডিজাইন পরিবর্তন করতে হবে। আমরা কোন দেশের কোন বাজারে ঢুকতে পারব, সেটা সরকার থেকে করে দেব। তবে ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের পার্টনার নিজেদের খুঁজে নিতে হবে। সেদিকে আপনাদের নিজেদের দৃষ্টি দিতে হবে। নিজেদের উৎপাদক যেমন বাড়াবো, রপ্তানি বাড়াবো। আবার নিজের দেশের ক্রয়ক্ষমতা বাড়িয়ে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থান আমরা রেখে যাব। শুধু সীমিত কয়েকটা পণ্যের ওপর আমরা আর নির্ভরশীল থাকতে চাই না।“

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করা হয়েছে। পণ্য শুধু বিদেশে রপ্তানি নয়, পণ্য দেশের বাজারেও বাজারজাত করতে হবে ব্যবসায়ীদের।“

    তিনি বলেন, “চতুর্থ শিল্প বিপ্লব যখন আসবে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের জনশক্তি তৈরি করতে হবে। উপযুক্ত জনশক্তি যাতে তৈরি হয় সেজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। যাতে আমাদের যুব সমাজ এগিয়ে আসে। বাংলাদেশকে এই যুবসমাজ এগিয়ে নিতে পারবে। “

    সরকারপ্রধান বলেন, “দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করাই লক্ষ্য বর্তমান সরকারের। সরকারের প্রচেষ্টায় এরইমধ্যে ৫৮ জেলা ভূমিহীন গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।“

    পুরস্কার পেয়েছে যেসব প্রতিষ্ঠান:

    ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য সর্বোচ্চ বিদেশি মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে রিফাত গার্মেন্টস। তৈরি পোশাক (ওভেন) খাতের এই প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি পদক দেওয়া হয়েছে।

    তৈরি পোশাকের ওভেন খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে উইন্ডি অ্যাপারেলস, রৌপ্য পদক পেয়েছে অ্যাপারেল গ্যালারি লিমিটেড ও ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে মেসার্স চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস।

    তৈরি পোশাকে নিটওয়্যার খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে লিবার্টি নিটওয়্যার লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে ডিভাইন ইন্টিমেটস লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে ফ্ল্যামিংগো ফ্যাশনস লিমিটেড।

    সুতা খাত থেকে স্বর্ণ পদক পেয়েছে বাদশা টেক্সটাইলস লিমিটেড, রৌপ্য পদক পেয়েছে স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে কামাল ইয়ার্ন লিমিটেড।

    টেক্সটাইল ফেব্রিকস খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে নাইস ডেনিম মিলস লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে হা-মীম ডেনিম লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে ফোর এইচ ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং।

    হোম ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাত থেকে স্বর্ণ পদক পেয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে মমটেক্স এক্সপো লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে এসিএস টেক্সটাইলস (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

    টেরিটাওয়েল খাত থেকে স্বর্ণ পদক পেয়েছে নোমান টেরিটাওয়েল মিলস লিমিটেড এবং রৌপ্য পদক পেয়েছে এসিএস টাওয়েল লিমিটেড।

    হিমায়িত পণ্য খাত থেকে স্বর্ণ পদক পেয়েছে ছবি ফিশ প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে প্রিয়াম ফিশ এক্সপোর্ট লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে এমইউসি ফুডস লিমিটেড।

    কাঁচাপাট খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে মেসার্স তানফিয়া জুট ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে মেসার্স ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স।

    পাটজাত দ্রব্য থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে জনতা জুট মিলস এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে আকিজ জুট মিলস। চামড়াজাত পণ্য থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে পিকার্ড বাংলাদেশ এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে এবিসি ফুটওয়্যার।

    ফুটওয়্যার থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে বে-ফুটওয়্যার, রৌপ্য পদক পেয়েছে এডিসন ফুটওয়্যার এবং এফবি ফুটওয়্যার পেয়েছে ব্রোঞ্জ পদক।

    কৃষিপণ্য থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে ইনডিগো করপোরেশন, রৌপ্যপদক পেয়েছে মনসুর জেনারেল ট্রেডিং এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে সিএসএস ইন্টারন্যাশনাল।

    কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো, রৌপ্যপদক পেয়েছে প্রাণ অ্যাগ্রো এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে প্রাণ ফুডস লিমিটেড।

    হস্তশিল্পজাত পণ্য খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে কারুপণ্য রংপুর, রৌপ্যপদক পেয়েছে বিডি ক্রিয়েশন এবং ক্ল্যাসিকস হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস পেয়েছে ব্রোঞ্জ পদক।

    মেলামাইন খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে ডিউরেবল প্লাস্টিক, প্লাস্টিক পণ্য থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে অলপ্লাস্ট, রৌপ্যপদক পেয়েছে আকিজ বায়াক্স ফিল্মস এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল।

    সিরামিকের সামগ্রী খাত থেকে স্বর্ণ পদক পেয়েছে শাইনপুকুর সিরামিকস, রৌপ্য পদক পেয়েছে আর্টিসান সিরামিকস এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে প্রতীক সিরামিকস।

    হালকা প্রকৌশল খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে এমঅ্যান্ডইউ সাইকেলস, রৌপ্যপদক পেয়েছে মেঘনা বাংলাদেশ এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ।

    ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রৌপ্যপদক পেয়েছে বিআরবি কেব্ল ইন্ডাস্ট্রিজ।

    অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে মেরিন সেফটি সিস্টেম, রৌপ্যপদক পেয়েছে মেসার্স এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে তাসনিম কেব্লস।

    ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল, রৌপ্যপদক পেয়েছে ইনসেপটা ফার্মা এবং র স্কয়ার ফার্মা পেয়েছে ব্রোঞ্জ পদক।

    কম্পিউটার সফটওয়্যার থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে সার্ভিস ইঞ্জিন লিমিটেড এবং গোল্ডেন হারভেস্ট ইনফোটেক পেয়েছে রৌপ্যপদক।

    ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন তৈরি পোশাক শিল্প (নিট ও ওভেন) থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে ইউনিভার্সেল জিনস, রৌপ্যপদক পেয়েছে প্যাসিফিক জিনস এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে শামা ডেনিমস।

    ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন অন্যান্য পণ্য ও সেবা খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে স্টার প্যাকেজিং অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ, রৌপ্য পদক পেয়েছে পদ্মা স্পিনিং অ্যান্ড কম্পোজিট এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে ফারদিন অ্যাকসেসরিজ।

    প্যাকেজিং ও অ্যাকসেসরিজ খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে এমঅ্যান্ডইউ প্যাকেজিং, রৌপ্যপদক পেয়েছে মনট্রিমস লিমিটেড ও ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে মেসার্স ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং।

    অন্যান্য প্রাথমিক পণ্য থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে হেয়ার স্টাইল ফ্যাক্টরি, রৌপ্যপদক পেয়েছে রায় ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল।

    সেবা খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে মেসার্স এক্সপো ফ্রেইট লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে মীর টেলিকম লিমিটেড।

    নারী উদ্যোক্তা বা রপ্তানিকারকদের জন্য সংরক্ষিত খাত থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছে পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস, রৌপ্যপদক পেয়েছে বি-কন নিটওয়্যার ও ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস।

    এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম।

  • অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ মে, ২০২৪: অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে, বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে। সেগুলো হলো প্রথমত, উচ্চ মূল্যস্ফীতি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সরকারের নানা চেষ্টার পরও কোনো ফল আসেনি, মূল্যস্ফীতি কমানো যায়নি।  দ্বিতীয়ত, দেশে অভ্যন্তরীণ ঋণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বৈদেশিক যে ঋণ রয়েছে, অভ্যন্তরীণ ঋণ তার দ্বিগুন। এটা আরও বড় সমস্যা ডেকে নিয়ে আসবে। এবং তৃতীয়ত, প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে, আগামীতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

    আজ রবিবার (৫মে) হোটেল লেকশরে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম সিটিজেন প্লাটফর্ম ফর এসডিজিএস আয়োজিত ‘নতুন সরকার, জাতীয় বাজেট ও জনমানুষের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে মূল প্রবন্ধে তিনি একথা বলেন।

    দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য  বলেন, “এই তিন সমস্যা আগামীত বাজেট বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে  দেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মূল্যস্ফীতি পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। ফলে বাল্য বিয়েও বাড়ছে। বিশ্বে মূল্যস্ফীতির পতন ঘটেছে, কিন্তু দেশে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।”

    জিডিপিতে ঋণের বোঝা আরও বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের যে সুনাম ছিল আমরা কখনো খেলাপি হই না, সে সুনাম আর থাকছে না। ইতোমধ্যে আমরা ৫ বিলিয়ন ডলারের দেনা এখনও আমরা দিতে পারছি না। আমাদের গর্বের জায়গায় চিড় ধরেছে। জিডিপিতে সরকারি ঋণ ৩৭ শতাংশ, ব্যক্তিখাতের ঋণ ৫ শতাংশ- সব মিলিয়ে ৪২ শতাংশ ঋণের বোঝা আছে সরকারের।”

    জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হবে জানিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, “সরকার ত্রৈমাসিক জিডিপির তথ্য দিচ্ছে। তাতে যা দেখা যাচ্ছে, গড় প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে বাকি সময়ে ১০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি করতে হবে- যা প্রায় অসম্ভব।”

    বিশেষ সম্মানিত অথিতির  বক্তব্যে একে আাজাদ বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সরকারের একটও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কিন্তু জবাবদিহিতা ও সঠিক ব্যবস্থা না থাকলে ও দুর্নীতি রোধ না করা গেলে এই ভাল উদ্যোগ ব্যহত হবে।”

    কেভিড-১৯ এর আগে অর্থনীতি ইতিবাচক ধারাতে ছিল, অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আট শতাংশে উঠেছিল। করোনা মহামারী, যুদ্ধ পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে অর্থনীতিতে দূর্বলতা সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতির এ সব দুর্বলতা স্বীকার করে উত্তরণে উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সেন্টার ফট পলিসি ডায়ালগের (সিপিবি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

    অনুষ্ঠান বক্তব্য রাখেন সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান, সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সিনিয়র রিসার্চ  ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।

  • শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে: স্পিকার

    শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে: স্পিকার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে, বলে জানিয়েছেণ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে। শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে। তাই শ্রমিকদের জন্য কর্মবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

    আজ রবিবার (২৮ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।

    স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, “স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমিকদের কল্যাণে কলকারখানা জাতীয়করণ করেন। কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশ আজ স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। দেশে ব্যাপক শিল্পায়ন হচ্ছে, রপ্তানি বাণিজ্য বিকাশ লাভ করছে এবং তৈরি পোশাক শিল্প, ওষুধ শিল্প ও আইসিটি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন ও শ্রম আইন বিধিমালায় শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ গুরুত্বপূর্ণ শ্রমিক অধিকার। উন্নত কর্মপরিবেশ শ্রমিকের কর্মদক্ষতা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বৃদ্ধি করে। তাই শোভন কর্মপরিবেশ তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অতিবাহিত করেন। তাই শ্রমিকদের কর্মস্থলে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও আরামদায়ক পোশাকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ অনুকূল রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।”

    এ সময় ২৯টি ফ্যাক্টরিকে গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ দেওয়া হয়। স্পিকার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আইএলওয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পোটিআইনেন, জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশীর কবির, বিজেএমইএ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. তরিকুল আলম, বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি মানসুর আহমেদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচএম ইব্রাহীম এমপি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

  • জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস

    জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারি করোনা পরবর্তী পরিস্থিতি এবং চলমান ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করে বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়ন বজায় রাখা এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট পাস হলো জাতীয় সংসদে।

    আজ সোমবার (২৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল চলতি অর্থবছরের বাজেট পাসের জন্য প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

    জাতীয় সংসদে গত ১ জুন ‘উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা’ এ প্রতিপাদ্য সংবলিত  বাজেট তিনি প্রস্তাব করেন।

    বাজেট পাসের প্রক্রিয়ায় মন্ত্রীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ব্যয় নির্বাহের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদে মোট ৫৯টি মঞ্জুরি দাবি উত্থাপন করেন। এই মঞ্জুরি দাবিগুলো সংসদে কণ্ঠভোটে অনুমোদিত হয়। এসব মঞ্জুরি দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে বিরোধীদল ও স্বতন্ত্ররা মিলে ১০ জন সংসদ সদস্য মোট ৫০২টি ছাঁটাই প্রস্তাব তোলেন। এর মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, এ দুটি মঞ্জুরির দাবিতে আনা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। পরে কণ্ঠভোটে ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হয়ে যায়।

    ছাঁটাই প্রস্তাবে আলোচনা করেন, জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, রুস্তম আলী ফরাজী, রওশন আরা মান্নান, শামীম হায়দার পাটোয়ারী, পীর ফজলুর রহমান, গণফোরামের মোক্কাবির খান ও স্বতন্ত্র সদস্য রেজাউল করিম বাবলু।

    এরপর সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে নির্দিষ্টকরণ বিল-২০২৩ পাসের মাধ্যমে ২০২৩- ২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুমোদন করেন। এর আগে গতকাল ২৫ জুন সংসদে অর্থবিল ২০২৩ পাসের মাধ্যমে বাজেটের আর্থিক ও কর প্রস্তাব সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুমোদন করা হয়।

    এদিকে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। নতুন অর্থবছরের জিডিপি হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

    এবারের বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

    রাজস্ব হিসেবে ৫ লাখ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে আরও ৭০ হাজার কোটি টাকা।

    ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা, যা আগামী অর্থবছরের চেয়ে ৬৭ হাজার কোটি টাকা কম। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।

    নতুন অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার যেভাবেই হোক আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লাগাম ৬ শতাংশের মধ্যে টেনে রাখতে চায়। নতুন অর্থবছরের জিডিপি হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। মোট জিডিপির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।

    চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৮ হাজার ৬৭১ কোটি টাকা বেশি বৈদেশিক ঋণ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেওয়া হবে। ঋণগ্রস্ত বেশি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য বেশি টাকা গুনতে হবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে।

    বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা, যোগাযোগ অবকাঠামো, ভৌত অবকাঠামো, আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

  • কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

    কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: কোরবানির গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ঢাকায় গত বছরের চেয়ে ৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর ঢাকার বাইরে বাড়ানো হয়েছে ৫ টাকা। তবে এই ক্ষেত্রে পশুর চামড়া অবশ্যই লবণযুক্ত রাখতে হবে।

    তবে খাসি ও বকরির চামড়ার দাম থাকছে গত বছরের মতোই।

    আজ রবিবার (২৫ জুন) সচিবালয়ের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চামড়ার দাম নির্ধারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভায় এ দাম নির্ধারণ করা হয়।

    এসময় বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪৭ থেকে ৫২ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ছিল ৪০ থেকে ৪৪ টাকা।  আর খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা।

    এর আগের বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, যা ঢাকার বাইরে ছিল ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা। খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা এবং বকরির চামড়া ছিল ১২ থেকে ১৪ টাকা।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া বেচাকেনা হচ্ছে না। সিন্ডিকেটের কারণে পানির দরে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাঁচা চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য কোরবানির পর সাত দিন স্থানীয়ভাবেই সংরক্ষণ করতে হবে। এই সাত দিন বাইরে থেকে ঢাকায় এবং ঢাকা থেকে বাইরে কোনো চামড়া পরিবহন করতে দেওয়া হবে না। এজন্য সরকারের জননিরাপত্তা বিভাগ, বিজিবি এবং পুলিশের সর্বোচ্চ নজরদারি থাকবে। চামড়ার চোরাচালান ঠেকাতে সীমান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তদারকি বাড়ানো হবে।

  • আবারও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম

    আবারও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গতকাল বুধবার বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩০.০১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । এর আগের দিন ২০ জুন মঙ্গলবার যা  ছিল ২৯.৯৫ বিলিয়ন ডলার। পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রেমিট্যান্সের এই  প্রবাহ এখন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১-২০ জুনের মধ্যে রেমিট্যান্স হিসেবে দেশে ১.৫৩ বিলিয়ন ডলার এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১.১০ বিলিয়ন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ১৩.৪৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে।

    এ বিক্রয় সাধারণত সরকারি এলসি’র অর্থপ্রদান এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। সরকার মার্চ ও এপ্রিলের জন্য এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা এসিইউ’কে ১.১ বিলিয়ন আমদানি বিল পরিশোধ করার পরে ৮ মে রিজার্ভ ২৯.৭ বিলিয়ন ডলারে  নেমে আসে।

    ১০ মে এটি আবার বেড়ে ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে, যা এর মাত্র একদিন আগে ২৯.৭৮ বিলিয়ন ডলার ছিল। ২৫ মে থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, রিজার্ভ আবার ২৯.৯৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

    সূত্র: বাসস

  • এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। মন্ত্রী বলেন, দেশে কোরবানির পশুর কোনো ঘাটতি বা সংকট নেই। গত চার-পাঁচ বছরের মতো এবারও দেশে উৎপাদিত গবাদিপশু দিয়েই কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। বিদেশ থেকে পশু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে সীমান্ত পথে যাতে অবৈধভাবে গবাদিপশু আসতে না পারে সে জন্য কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    আজ বুধবার (১৪ জুন) সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আযহা ২০২৩ উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কোরবানির পশুর অবাধ পরিবহন নিশ্চিত করা সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

    তিনি বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য মোট গবাদিপশুর সংখ্যা এক কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৩টি, যা গত বছরের চেয়ে চার লাখ ১১ হাজার ৯৪৪টি বেশি। এ বছর কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা এক কোটি তিন লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯টি। সে হিসেবে এ বছর পশুর ২১ লাখ ৪১ হাজার ৫৯৪টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এ বছর কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মধ্যে ৪৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫২টি গরু-মহিষ, ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ছাগল-ভেড়া এবং দুই হাজার ৫৮১টি অন্যান্য প্রজাতির গবাদিপশু রয়েছে।

    কোরবানি সামনে রেখে কোনো প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য, স্টেরয়েড, হরমোন ও অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া নিরাপদ পদ্ধতিতে গরু হৃষ্টপুষ্ট করার কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ বছর ৭২ হাজার ৫৬৩ জন খামারিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে গবাদিপশু হৃষ্টপুষ্টকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, এ সময় পশু খাদ্যে ভেজাল বা নিষিদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক ও হরমোনের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত সার্ভিল্যান্স ও প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এ বছর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সারাদেশে ৮৭ হাজার ৯৫টি খামার পরিদর্শন করে। এসব খামারে স্টেরয়েড বা হরমোনের অপপ্রয়োগ বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোরবানির হাটে এ বছর কোনোভাবেই রোগাক্রান্ত বা অসুস্থ পশু বিক্রি করতে দেওয়া হবে না।

    গত বছরের মতো এবারও সারাদেশে পশুর প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করবে জানিয়ে শ ম রেজাউল করিম ।

    মন্ত্রী বলেন, এ বছরও সড়কপথ, রেলপথ এবং নৌপথে গবাদিপশু পরিবহনের সময় পশু ও পশু বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ কোরবানির পশুর ট্রাক ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর যৌথভাবে কাজ করবে।

    এবারও কোনো খামারি নিজ বাড়ি থেকে পশু বিক্রি করলে তাকে হাসিল দিতে হবে না। কোনো খামারি তার পশু দূরবর্তী হাটে নিতে চাইলে, রাস্তাঘাটে জোর করে নামাতে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, স্থানীয় সরকার ইউনিট তথা পৌরসভা, উপজেলা বা ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি করপোরেশন এ বিষয়টি নিশ্চিত করবে। হাটে আনার পথে কেউ পশু বিক্রি করলে তার কাছ থেকে ইজারা গ্রাহক জোর করে চাঁদা বা হাসিল আদায় করতে পাবে না।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বিগত বছর ছয়টি পশুর হাটে ৩৩ কোটি টাকার ডিজিটাল লেনদেন হয়েছে। এ বছর ঢাকা ও চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোতে ক্যাশলেস বা নগদ টাকাবিহীন লেনদেনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে কিউআর কোড, স্মার্ট অ্যাপ, এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেলস মেশিন, মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস), এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে লেনদেন করা হবে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তায় ২৬টি জেলায় ১০টি ব্যাংক ও তিনটি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডারের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    তিনি আরও বলেন, এ বছর স্বাস্থ্যসম্মতভাবে গবাদিপশু কোরবানির জন্য পশুর চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণ বিষয়ে ৩১ হাজার ৭৯৯ জন পেশাদার ও অপেশাদার কসাইকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে সড়কের ওপরে যত্রতত্র কোরবানির পশু জবাই না করে যথাসম্ভব নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করার জনসচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিগত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গবাদিপশু বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

  • ভারতে একটি বন্য হাতিকে দুইবার আটক করা হয়

    ভারতে একটি বন্য হাতিকে দুইবার আটক করা হয়

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারতে একটি বন্য হাতি যে কিনা চাল খেতে অভ্যস্ত এবং এই কারণে সে লোকালয়ে এসে স্থানীয় দোকানগুলিতে সে হানা দিত। এই কারণে হাতিটিকে দুইবার আটক করে কর্তৃপক্ষ। একাধিকবার তার ওপর ঘুম পাড়ানি ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে এবং খাবারের সন্ধানে সে যাতে মানুষের বসতির কাছে না যায় সে জন্য ২৮০ কিলোমিটার দূরের অরণ্যে তাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কিন্তু এর পরেও সে ফিরে আসতে চাইছে নিজ আবাসভুমে। মালয়ালম ভাষায় এই হাতিটির নাম আরিকোমবান, যার অর্থ “চালের গজদন্ত।” ।

    এদিকে হাতিটির জন্য একটি স্থায়ী আবাস খুঁজতে ভারতের বন কর্তৃপক্ষ এখন দৌড়ঝাঁপ করছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কেরালা এবং তামিলনাড়ু থেকে আরিকোমবানকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে। ঐ দুটি রাজ্যে আইনি লড়াই এবং প্রাণী অধিকার নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত হয়েছে এই হাতি।  কেরালার বন্য প্রাণী অধিকার কর্মী শ্রীদেবী এস. কার্থা বলেছেন, “আরিকোমবান হয়ে উঠেছে অবিচারের মুখে প্রতিরোধের মূর্ত প্রতীক । তাকে ঘিরে ঘটনাগুলি প্রমাণ করেছে যে একটি হাতিকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া কতখানি নৃশংস হতে পারে,”। এসময় তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের মানুষের বিবেকবুদ্ধিকেও জাগিয়ে তুলেছে এই হাতি।”

    এবছরের শুরুর দিকে কেরালার ইদুক্কি জেলার চিন্নাকানালের অরণ্যে আরিকোমবানের আদি আবাসস্থলের কাছাকাছি স্থানীয়দের গ্রামবাসীদের একটি দল হাতিটিকে সরিয়ে নেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছিল। তাদের অভিযোগ, মানুষের সাথে হাতিটির ঘন ঘন সংঘর্ষ হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে বেশ ক’জন মানুষ এরই হাতির কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় উপজাতিরা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছেন। এরপর কেরালার বন বিভাগ ঘোষণা করেছিল যে আরিকোমবানকে ধরে তারা পোষ মানানোর পরিকল্পনা করছে। আরিকোমবানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে প্রাণী অধিকার কর্মীরা উচ্চ আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেন।

    পিপল ফর অ্যানিম্যালস-এর সদস্য মিসেস কার্থা ছিলেন আদালতে আবেদনকারীদের একজন।

    তিনি বলছেন, হাতিটি যে মানুষ হত্যা করেছে এমন কোন প্রমাণ সরকার দাখিল করতে পারেনি। গত এপ্রিল মাসে আদালতের নিয়োগ করা একটি কমিটির বিশেষজ্ঞরা সিদ্ধান্ত নেন যে হাতিটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়াই ভাল হবে।

    দু’দিন ধরে ১৫০ জন কর্মকর্তা আরিকমবানকে আটক করার লক্ষ্যে চিন্নাকানাল অরণ্য-জুড়ে ব্যাপক অভিযান চালান। এরপর ২৯শে এপ্রিল হাতিটিকে ধরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে পেরিয়ার টাইগার রিজার্ভে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু মাত্র এক মাসের মধ্যে ঐ সংরক্ষিত অরণ্য ছেড়ে আরিকোমবান প্রতিবেশী রাজ্য তামিলনাড়ুতে ঢুকে পড়ে। তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার জন্য তামিলনাড়ুর বন কর্মকর্তারা একই ধরনের অভিযান চালান।

    হাতিটিকে তামিলনাড়ুর কাম্বুম শহরে দেখা যায় ২৭শে মে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওতে দেখা গেছে, আরিকোমবান ঘনবসতিপূর্ণ শহরের মধ্য দিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে, বাড়িঘর এবং যানবাহনের ক্ষতি করছে। এসময় তিন ব্যক্তি আহত হয়। এদের মধ্যে একজন, ৬৫-বছর বয়সী আহত এক ব্যক্তি দু’দিন পর মারা যান।

    আরিকোমবানকে আটক করার চেষ্টায় কর্তৃপক্ষ সেখানে কারফিউ জারি করে। এরপর আরিকোমবানকে ঘিরে শুরু হয় আইনি লড়াই। একজন রাজনৈতিক নেতা হাতিটিকে তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার জন্য কেরালা হাইকোর্টে আবেদন করেন। কিন্তু তামিলনাড়ুতে আরিকোমবান যেসব ক্ষয়ক্ষতি করেছিল তার জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করে মাদ্রাজ হাইকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। কেরালার বন মন্ত্রী এ. কে. সাসেন্দ্রন বলছেন, আরিকোমবানকে পোষ মানানোর জন্য সরকারের যে পরিকল্পনা ছিল এই সঙ্কট তার পক্ষে যুক্তিকেই প্রমাণ করেছে। হাতিটিকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেয়ার জন্য তিনি প্রাণী অধিকার কর্মীদের দায়ী করেন।

    কিন্তু কাম্বুম শহরের ঘটনায় দেখা গেছে যে আরিকোমবান মোটেও মানুষের জীবনের জন্য হুমকি নয়, বলছিলেন মিসেস কার্থা, “[সেখানে] তার ওপর আঘাত করা হয় এবং তাকে তাড়া করা হয়। কিন্তু এরপরও সে মানুষের ওপর কোন ধরনের আক্রমণ চালায়নি।”

    গত ৫ই জুন তামিলনাড়ুর বন কর্মকর্তারা ঘুম পাড়ানি ওষুধ ব্যবহার করে আরিকোমবানকে ধরে ফেলেন। পশ্চিমবঙ্গের শিলিগিুড়িতে একটি সড়ক। হাতি চলাচলের পথের ওপর বসতবাড়ি নির্মাণের ফলে অনেক সময় সমস্যা তৈরি হয়

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • রপ্তানী করে চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

    রপ্তানী করে চলতি অর্থ বছরে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানী করে বাংলাদেশ ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি ৫ লাখ টাকা বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে জুলাই-এপ্রিল সময় পর্যন্ত নিটওয়্যার ওভেন, তৈরী পোশাক, হোম টেক্সটাইল, ফুটওয়্যার খাত, হিমায়িত খাদ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে।’

    মন্ত্রী গতকাল সোমবার সংসদে সরকারি দলের সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, চলতি অর্থবছরে নীটওয়্যার তৈরী পোশাক খাতে রপ্তানী আয় ২ লাখ ৬ হাজার ৯১ কোটি টাকা, ওভেন তৈরী পোশাক খাতে ১৭ লাখ ৩০ হাজার ৮৬৩ কোটি টাকা, হোম টেক্সটাইল খাতে ৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা, ফুটওয়্যার খাতে ৩ হাজার ৮৪৪ কোটি টাকা, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানী খাতে ৩ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা, পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানী খাতে ৭ হাজার ৫৭৬ কোটি টাকা, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানী খাতে আয় হয়েছে ৯ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

    সূত্র: বাসস

  • ইউসিবি ও উপায় এর সাথে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউসন সিস্টেম লিমিটেডের ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি

    ইউসিবি ও উপায় এর সাথে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউসন সিস্টেম লিমিটেডের ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গ্রাহকদের সেবার মান উন্নয়নে, দ্রুত বর্ধনশীল মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় এবং ইউসিবি এর সাথে সম্প্রতি ত্রিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিসন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল)। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    উক্ত ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপায় এর চিফ কমার্শিয়াল অফিসার জিয়াউর রহমান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এসইভিপি ও হেড অব ট্রান্সেকশন ব্যাংকিং মো. সেকান্দার-ই-আজম এবং জেজিটিডিএসএল-এর কোম্পানি সচিব মো. শহিদুল ইসলাম।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌ. মনজুর আহমদ চৌধুরী এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপায় এর পরিচালন পর্ষদ সদস্য এটিএম তাহমিদুজ্জামান। অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেজিটিডিএসএল এর মহাব্যবস্থাপকগণ সহ প্রকল্প পরিচালক প্রকৌ. লিটন নন্দী, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এসাসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, প্রকল্প দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সিবিএর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সিলেটস্থ ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ভিপি ও শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল ইসলাম ও সভ্যসাচী গুপ্ত এবং উপায় থেকে হেড অব গভার্ণমেন্ট সেল্স হাসান মো. জাহিদ।

    ইউসিবি, উপায় ও জালালাবাদ গ্যাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় কারিগরী সংযোগ স্থাপন শেষে দ্রুতই এ সেবাটি চালু করা হবে। এ চুক্তির ফলে জালালাবাদ গ্যাসের সম্মানিত গ্রাহকগণ POS ও GPRS পদ্ধতিতে জেজিটিডিএসএল কাস্টমার অ্যাপ, উপায় কাস্টমার অ্যাপ এবং উপায় এজেন্ট অ্যাপ-উভয়ের মাধ্যমেই প্রি-পেইড গ্যাস মিটারে রিচার্জ করতে পারবে।

    ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ‘উপায়’ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ । বর্তমানে উপায় বিস্তৃত পরিসরে এমএফএস সেবা প্রদান করছে ইউএসএসডি এবং মোবাইল অ্যাপ উভয়ের মাধ্যমে। উপায় এর মাধ্যমে গ্রাহকরা সব ধরনের আর্থিক লেনদেন যেমন: ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, মার্চেন্ট ও ই-কমার্স পেমেন্ট, রেমিট্যান্স, বেতন ও সরকারি ভাতা গ্রহণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি, মোবাইল রিচার্জ ছাড়াও সেতুর টোল প্রদান, ট্রাফিক ফাইন পেমেন্ট এবং ভারতীয় ভিসা ফি পেমেন্টের মতো সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

    ত্রি-পক্ষীয় চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবার মান বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা ।