Tag: হেরেছে

  • টাইব্রেকারে ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উরুগুয়ে

    টাইব্রেকারে ব্রাজিলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উরুগুয়ে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৭ জুলাই, ২০২৪: এবার কোপা আমেরিকা ফুটবলে প্রথম থেকে ছন্দে ছিলোনা ব্রাজিল।প্রতিপক্ষের তুলনায় একজন বেশি নিয়েও কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে উঠতে পারলো না পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। টাইব্রেকারে তাদেরকে ৪-২ গোলে হারিয়ে উরুগুয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছে। নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ছিল।

    প্রথম টাইব্রেকার শট নিতে আসেন ফেদে ভালভার্দে। কোনো ভুল করেননি তিনি। বামপ্রান্তে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অ্যালিসন বেকারও। কিন্তু বলের নাগাল পাননি। ব্রাজিল প্রথম শটটাই মিস করে, এদের মিলিতাওয়ের শট ফিরিয়ে দেন উরুগুয়ে গোলরক্ষক সের্হিও রোচেত। উরুগুয়ে দ্বিতীয় শটেও সফল হয়। আন্দ্রেস পেরেইরা ব্রাজিলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন দ্বিতীয় শট নিতে এসে।

    তৃতীয় শটেও গোল পায় উরুগুয়ে, ব্রাজিল আবার মিস করে। ফলে অনেকটা ছিটকেই যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কিন্তু অ্যালিসন উরুগুয়ের চতুর্থ শট ফিরিয়ে ব্রাজিলের আশা বাঁচিয়ে রাখেন। গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিও হতাশ করেননি। কিন্তু পঞ্চম শট নিয়েই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দেয় উরুগুয়ে। কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় ব্রাজিল।

    ম্যাচে কার্ড জটিলতায় মাঠের বাইরে ছিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন ১৭ বছর বয়সী তরুণ স্ট্রাইকার এন্দ্রিক ফেলিপ। কিন্তু সেভাবে খেলেতে পারেননি তিনি।

    একদিকে ফর্মের তুঙ্গে থাকা উরুগুয়ে, অন্যদিকে নিজেদের সেরা ফর্ম খুঁজে ফেরা ব্রাজিল। তবে দুই দলই মাঠের পারফরম্যান্সে মলিন। গোলের সুযোগ হাতছাড়া করলো সমানভাবে। ১০ মিনিটের মাথায় দারউইন নুনিয়েজ সুযোগ পেয়েছিলেন উরুগুয়ের হয়ে লিড নেওয়ার। তবে তিনি হেড দেওয়ার চেষ্টায় ঠিকমতো মাথা ছোঁয়াতে পারেননি।

    ব্রাজিলও বড় সুযোগ মিস করে ২৮তম মিনিটে। এন্দ্রিকের বাড়ানো বল ডি বক্সের ভেতর পেতে পারতেন রাফিনহা। কিন্তু এই সেলেসাও উইঙ্গার বলের কাছেই পৌঁছাতে পারেননি। উরুগুয়ে বিপদমুক্ত হয়ে একটু পরই পাল্টা আক্রমণে যায়। এবারও দৃশ্যপটে নুনিয়েজ, তবে এবার তার হেড চলে যায় গোলপোস্টের ওপর দিয়ে। প্রথমার্ধের শেষদিকে ব্রাজিল ও উরুগুয়ে আরও কয়েকবার গোল পেয়েও পায়নি! এভাবে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণেও বিরতির আগ পর্যন্ত কেউ গোলের দেখা পায়নি।

    গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ‍ওঠে দুই দলই। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে শারীরিক শক্তির প্রয়োগ বেশি করতে দেখা যায় উরগুয়েকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রদ্রিগোকে বাজেভাবে ফাউল করে লালকার্ড দেখেছেন উরুগুয়ে ডিফেন্ডার। ৭২ মিনিটে উরুগুয়ের অর্ধে বল নিয়ে আক্রমণে যাচ্ছিলেন রদ্রিগো। এমন সময় পেছন থেকে এসে রদ্রিগোকে থামানোর জন্য পায়ে আক্রমণ করেন নাহিতান নন্দেজ। এতে প্রথমে তাকে হলুদ কার্ড, পরে ভিএআর দেখে লালকার্ড দেখানের সিদ্ধান্ত নেন রেফারি। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় উরুগুয়ে।

    দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে আক্রমণে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। ৫৩ মিনিটেই দুইবার গোলচেষ্টা চালায় তারা। প্রথমটি রুখে দেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা। পরেরটি চলে যায় গোলবারের বাইরে দিয়ে। ৬৮ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড লুকাস পাকেতার একটি আক্রমণ ব্লক করে দেয় উরুগুয়ের রক্ষণভাগ। উরুগুয়ে ১০ জনের দলে পরিণত হলে আক্রমণের ধার বাড়াতে থাকে ব্রাজিল। ম্যাচের শেষদিকে ব্রাজিলের আক্রমণের ধারা অব্যাহত থাকে তবে গোলের দেখা মেলেনি নির্ধারিত সময়ে।

    ইউরোতে জয় পেয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস

    এদিকে ইউরোর দুই খেলায় জয় পেয়েছৈ ইংল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডস। প্রথম খেলায় টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারায় ইংল্যান্ড। অপর দিকে তুরস্কের রূপকথা থামিয়ে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছে নেদারল্যান্ডস। শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালে তারা ২-১ গোলে তুরস্ককে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছায়।

  • বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশকে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

    বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশকে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২১ জুন, ২০২৪: প্রথম ওভারে বাংলাদেশ হারায় তানজিদ হাসান তামিমের উইকেট। শূন্য রানে বাংলাদেশের প্রথম উইকেট হারালেও অধিনায়ক শান্তর ৪১ এবং তাওহীদ হৃদয়ের ৪০ রানের সুবাদে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১৪০ রান। অল্প পুঁজি নিয়ে মাঠে নামার পর ভালো করতে পারেননি বোলাররাও। ডেভিড ওয়ার্নার ও ট্রাভিস হেডের ঝড়ে সহজ জয় পেয়েছে অজিরা।

    শুক্রবার অ্যান্টিগায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে বৃষ্টি আইনে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২৮ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ১৪১ রান জয়ের লক্ষে নেমে বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ ‍হওয়ার আগে ১১ ওভার দুই বলে ২ উইকেট হারিয়ে ঠিক ১০০ রান করে অজিরা।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ৩ বলে শূন্য রানে ফেরেন তানজিদ। তার বিদায়ের ওভারেই একটি চার হাঁকান শান্ত।

    পরের ওভারে জশ হ্যাজলউড দেন মেডেন। প্রথম বাউন্ডারির মতো ছক্কাও আসে শান্তর ব্যাট থেকেই। নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে প্রথম বলেই ছক্কা হজম করেন হ্যাজলউড। পরের ওভারে স্টার্ককে দুটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন লিটন দাস।

    পাওয়ার প্লের শেষ ওভার করতে এসে সবমিলিয়ে ১২রান হজম করেন প্যাট কামিন্স। ছয় ওভারে ৩৯ রান করে বাংলাদেশ। প্রথম উইকেট হারানোর চাপ তারা কিছুটা সামলে উঠেছিল লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্তর জুটিতে। কিন্তু এই স্বস্তি খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি বাংলাদেশের জন্য।

    অ্যাডাম জাম্পার বলে সুইপ করতে গিয়ে মিস করেন লিটন। তার পেছনের পায়ে লেগে বল চলে যায় স্টাম্পে। ২৫ বলে ১৬ রান করে আউট হন লিটন। ভাঙে শান্তর সঙ্গে তার ৪৮ বলে ৫৮ রানের জুটি। এরপর রিশাদ হোসেনকে পাঠানো হয় ব্যাটিংয়ে প্রমোশন দিয়ে। কিন্তু গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে তুলে মারতে গিয়ে ব্যাটের আগায় লেগে ক্যাচ যায় জাম্পার হাতে।

    এরপর শান্তও ফেরেন সাজঘরে। জাম্পার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি। এর আগে পাঁচটি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৬ বলে ৪১ রান করেন শান্ত। হৃদয়ের সঙ্গী হন সাকিব আল হাসান। ১০ বলে ৮ রান করে স্টয়নিসের বলে তার হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

    সাকিব আউট হওয়ার এক বল পর স্ট্রাইক পান হৃদয়। মার্কোস স্টয়নিসকে টানা দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি। কিন্তু পরের ওভারের শেষ দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন প্যাট কামিন্স। প্রথমে তার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে বল স্টাম্পে চলে আসে ৩ বলে ২ রান করা মাহমুদউল্লাহর। পরের বলে আপার কাট করতে গিয়ে থার্ডম্যানে ক্যাচ দেন মাহেদী হাসান।

    কামিন্স নিজের পরের ওভারে এসে পূরণ করে নেন হ্যাটট্রিকও। ‍দুটি চার ও সমান ছক্কায় ২৮ বলে ৪০ রান করে স্কুপ করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দেন হৃদয়। স্রেফ দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করেন কামিন্স। বাকি চার বলে সাত রান নেন তানজিম হাসান সাকিব ও তাসকিন আহমেদ।

    রান তাড়ায় নামা অস্ট্রেলিয়ার সামনে প্রথম ওভার করতে এসে ৫ রান দেন মাহেদী হাসান। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে সুযোগ পেয়ে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু তানজিমের বল পয়েন্টে দাঁড়িয়ে নিতে পারেননি তাওহীদ হৃদয়। এরপর ঝড়ের শুরু অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারের।

    চতুর্থ ওভারে তাসকিন ১৫ ও পরের ওভারে মোস্তাফিজ দেন ১৪ রান। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ১০ রান দেন তানজিম। ছয় ওভারে তারা তোলে ৫৯ রান। এরপর দুই বল হতেই নেমে আসে বৃষ্টি।

    বৃষ্টির বিরতির পর ফিরে বাংলাদেশকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন রিশাদ হোসেন। তার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরত যান ট্রাভিস হেড। এর আগে ২১ বলে তিন চার ও দুই ছক্কায় ৩২ রান করেন তিনি। নিজের পরের ওভারে এসেও উইকেট পান রিশাদ।

    এবার তার বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন মিচেল মার্শ। কিন্তু এরপর অজিদের ঝড় থামেনি। আগে থেকেই উইকেটে থাকা ওয়ার্নারের সঙ্গে এবার যোগ দেন ম্যাক্সওয়েল। ১২তম ওভারে বৃষ্টি নামার আগে ১৪ বলে ৩০ রান করেন দুজন।

    ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৫ বলে ৫৩ রান করে ওয়ার্নার এবং ৬ বলে ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ১১ ওভার ২ বলের সময় বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়, এরপর আর শুরু না হলে বৃষ্টি আইনে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া।

    আগামীকাল ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

    রাতের খেলায় জিতেছে ভারত

    সুপার এইটের গতকাল রাতের ম্যাচে টস জিতে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান পেয়েছে ভারত। তাড়া করতে নেমে ১৩৪ রানেই গুটিয়েছে আফগানরা। ফলে ভারত জেতে ৪৭ রানে। ভারতের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন জাসপ্রিত বুমরাহ। আফগানদের ব্যাটিংয়েল সর্বোচ্চ ২৬ রান আসে আজমতউল্লা ওমরজাইয়ে কাছ থেকে। এছাড়া আর কেউই দাঁড়াতে পারেননি।

    আজ রাতের খেলায় অংশ নিবে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা। খেলা শুরু হবে রাত ৮-৩০ মিনিটে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ৪ রানে

    দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বাংলাদেশ হেরেছে ৪ রানে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১১ জুন, ২০২৪: শেষ ২ বলে জয়ের জন্য যখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ রান ঠিক তখনি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের একটি নিশ্চিত ছয় ক্যাচে পরিণত করেন মার্করাম। কেশভ মহারাজের ৫ম বলে লো ফুলটস পান মাহমুদউল্লাহ।ঠিক সেই সময় উড়িয়ে মারা ছাড়া আর কোন বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের এই গ্রেট ফিনিশারের হাতে।ছয় হতে হতে ক্যাচে পরিণত হয় বলটি। তারপর শেষ বলে তাসকিন এক রান নিতে পারে। বাংলাদেশ পরাজয় বরণ করে ৪ রানে।

    শুরুতে বোলারদের দাপট। এরপর ব্যাটিংয়ে শুরুতে বিপদে পড়লেও দলকে টেনে তোলেন তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু অল্প রান তাড়া করেও দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের। হারা ম্যাচ জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা আর বাংলাদেশে জেতা ম্যাচ হেরেছে।

    সোমবার নাসাউ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে জিতে ব্যাটিং করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করে প্রোটিয়ারা। ওই রান তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানের বেশি করতে পারেনি বাংলাদেশ। এই জয়ে প্রথম দল হিসেবে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে প্রোটিয়ারা।

    ১১৪ রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারে কিছুটা চাপে পড়া বাংলাদেশকে দ্বিতীয় ওভারেই ভালো কিছুর বার্তা দেন তানজিদ হাসান তামিম। টানা দুই বলে কাগিসো রাবাদকে বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। কিন্তু শেষ বলে গিয়ে আউটও হয়ে যান তানজিদ। রাবাদার বলে শট খেলতে গেলে তার ব্যাট ছুয়ে যায় ডি ককের হাতে। ৯ বলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন তানজিদ।

    এরপর লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংসের হাল ধরেন ওপেনিংয়ে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু তাদের ২৫ বলে ২০ রানের জুটি ভেঙে যায় পাওয়ার প্লের ঠিক পরের বলে। ১৩ বলে ৯ রান করে কাভারে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন দাস। বল হাতে স্রেফ এক ওভার করা সাকিব আল হাসান ব্যাটিং এ ভালো কিছু করতে পারেননি।

    এনরিখ নরকিয়ার অফ স্টাম্পের বাইরের বাউন্সারে পুল করতে যান তিনি। কিন্তু ৪ বলে ৩ রান করে ক্যাচ দেন মিড অফে দাঁড়ানো মার্করামের হাতে। আগের ম্যাচে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত করা তাওহীদ হৃদয় এদিনও ইনিংসের তৃতীয় বলেই ছক্কা হাঁকান।

    কিন্তু নরকিয়া পরের ওভারে এসে শান্তর উইকেট তুলে নিলে ফের চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ২৩ বলে ১৪ রান করে বাংলাদেশ অধিনায়কও শিকার হন নরকিয়ার বাউন্সারের। এরপর উইকেটে এসে হৃদয়ের সঙ্গী হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    তিনি কিছুটা ভাগ্যের ছোঁয়া পান। তার বল স্লিপে অল্পের জন্য ধরতে পারেননি ইয়ানসেন। হৃদয়-রিয়াদের জুটিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে থাকে বেশ ভালোভাবে। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে বদলে যায় ম্যাচের মোড়।

    ১৭তম ওভারে বর্টম্যানের বল রিয়াদের প্যাডে লেগে বল চলে যায় বাউন্ডারির বাইরে। কিন্তু এর আগেই আউট দেন আম্পায়ার। পরে রিভিউ নিয়ে মাহমুদউল্লাহ বাঁচলেও বল ডেড হয়ে যাওয়ায় চার রান পায়নি বাংলাদেশ।

    এরপর আরও একবার আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত যায় বাংলাদেশের বিপক্ষে। ১৮তম ওভারে রাবাদার অল্প আবেদনে সাড়া দিয়ে তাওহীদ হৃদয়কে এলবিডব্লিউ আউট দেন আম্পায়ার। কিন্তু পরে রিভিউতে দেখা যায়, আম্পায়ারস কলের শিকার হয়ে ফিরতে হচ্ছে হৃদয়কে। দুই চার ও সমান ছক্কায় ৩৪ বলে ৩৭ রানে আউট হন তিনি।

    তার বিদায়ের পর উইকেটে এসে টানা তিনটি ডট বল খেলেন জাকের আলি। ১৮তম ওভারে হৃদয়ের উইকেট নিয়ে স্রেফ ২ রান দেন রাবাদা। শেষ দুই ওভারে ১৮ রান দরকার হয় বাংলাদেশের। ১৯তম ওভারে কোনো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ ও জাকের।

    শেষ ওভারে ১১ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। বল হাতে নেন কেশভ মহারাজ। নিজের প্রথম ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে ১ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। শেষ ওভারে এসে প্রথম বলেই দেন ওয়াইড।

    এরপর দ্বিতীয়টিতে সিঙ্গেলস নিয়ে দেন রিয়াদ। তৃতীয় বলে ফুলটস পেয়েও বাউন্ডারি হাঁকাতে ব্যর্থ হন জাকের। ওই বল থেকে আসে দুই রান। পরের বলে জাকের ৯ বলে ৮ রান করে আউট হয়ে যান ক্যাচ দিয়ে। পঞ্চম বলে স্ট্রাইক পাওয়ার পর ফুলটস পেয়ে যান রিয়াদ। লং অনের উপর দিয়ে তুলে মারেন তিনি।

    কিন্তু অল্পের জন্য বাউন্ডারির ঠিক সামনে থেকে দারুণ এক ক্যাচ নেন মার্করাম। শেষ বলে ফুলটস পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি তাসকিন আহমেদ। বাংলাদেশকে ম্যাচটা হারতে হয় স্রেফ ৪ রানে। লেগ বাইতে মাহমুদউল্লাহর না পাওয়া চারের গুরুত্ব আরেকটু বেশিই হয়তো টের পাওয়া গেছে ম্যাচের শেষে!

    এর আগে টস হেরে প্রথম ওভার বল করতে এসে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা ও চার হজম করেন তানজিম হাসান সাকিব। কুইন্টন ডি ককের কাছে বাউন্ডারি হজমের পরও অবশ্য মনোবল হারাননি তিনি। ওভারের শেষ বলেই পেয়ে যান উইকেটের দেখাও। অফ স্টাম্পের সামান্য বাইরে থাকা বলে এলবিডব্লিউ হন রেজা হেনরিকস।

    দ্বিতীয় ওভারে আসা তাসকিন আহমেদকেও ছক্কা হাঁকান ডি কক। কিন্তু পরের ওভারে এসে তাকে ফিরিয়ে দেন তানজিম। তৃতীয় বলে ডি কককে বোল্ড করেন তিনি বেশ বাইরে থেকে অনেকটুকু ভেতরে ঢোকা বলে। ১টি চার ও ২ ছক্কায় ১১ বলে ১৮ রান করেন ডি কক।

    তানজিমের পর তাসকিনও উইকেটের দেখা পান। ৮ বলে চার রান করা এইডেন মার্করামের অফ স্টাম্প ভাঙেন তাসকিন। পাওয়ার প্লের মধ্যেই বাংলাদেশকে আরও একটি উইকেট এনে দেন তানজিম। তার বাউন্সার ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারেননি ক্রিস্তিয়ান স্টাবস। কাভারে সামান্য এগিয়ে দাঁড়ানো সাকিব আল হাসান ক্যাচ নেন তার।

    পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি তাদের সর্বনিম্ন সংগ্রহ প্রথম ছয় ওভারে। কিন্তু পাওয়ার প্লের পরই প্রেক্ষাপট বদলাতে থাকে। বাংলাদেশের তিন পেসারের ওপর নির্ভরতা কমাতে বাধ্য হয়। নিয়ে আসে স্পিনারদের।

    এরপরই ধীরে ধীরে পরিস্থিতি সামলে উঠতে থাকেন হেনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলার। দুজনের জুটি বড় হতে থাকে, আসে রানও। পেসারদের বিপক্ষে কঠিন সময় কাটানো ব্যাটাররা খুঁজে পান স্বস্তি। রিশাদ হোসেন তার প্রথম দুই ওভারে দেন ২০ রান। তাকে টানা দুই বলে ছক্কা হাঁকান ক্লাসেন।

    সাকিব এক ওভারে ৬ রান দেন। এর মধ্যে শান্ত বোলিংয়ে নিয়ে আসেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। প্রথম দুই ওভারে ৭ রান দিয়ে আস্থার প্রতিদান দেন তিনি। তার করা প্রথম বলেই ডেভিড মিলারের ক্যাচ উইকেটের পেছনে ছাড়েন লিটন দাস। বাইরের দিকে যাওয়া বলটি ধরা অবশ্য বেশ কঠিন ছিল।

    এর মধ্যে জুটি বড় হতে থাকে মিলার ও ক্লাসেনের। ১৮তম ওভারে গিয়ে অবশেষে এই জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। তার ভেতরে ঢোকা দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড হয়ে যান ক্লাসেন। ৭৯ বলে ৭৯ রানের জুটি ভাঙে, যেটি নাসাউ কাউন্টিতে সর্বোচ্চ রানের জুটি। ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় ৪৪ বলে ৪৬ রান করে ফেরেন ক্লাসেন।

    ইনিংসের শেষ অবধি ব্যাট করতে পারেননি ডেভিড মিলারও। রিশাদের করা ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি। এর আগে ৩৮ বলে একটি চার ও সমান ছক্কায় ২৯ রান করেন মিলার। তার বিদায়ের পর আর তেমন রান হয়নি। শেষ ওভারে চার রান দেন মোস্তাফিজ।

    বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে স্রেফ ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তানজিম হাসান সাকিব। এক রান বেশি দিয়ে দুই উইকেট পান তাসকিন। ৪ ওভারে ৩২ রান দিয়ে রিশাদ নেন এক উইকেট। কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মোস্তাফিজ দেন ১৮ রান, ৩ ওভারে ১৭ রান দেন রিয়াদ। সাকিব একমাত্র ওভারে ৬ রান দিয়েছেন।

     

    আজকে পাকিস্তুন খেলবে কানাডার বিপক্ষে

    নিউ ইয়র্কের বোলিং ফ্রেন্ডলি উইকেটে কানাডার বিপক্ষে খেলতে নামাবে পাকিস্তান। ম্যাচ শুরু হবে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে।

  • পাকিস্তানকে ৬ রানে হারিয়েছে ভারত

    পাকিস্তানকে ৬ রানে হারিয়েছে ভারত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১০ জুন, ২০২৪: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল রাতের খেলায় পাকিস্তানকে ৬ রানে হারিয়েছে ভারত। এই পরাজয়ের ফলে ভারতের সুপার এইট পর্বে খেলা অনেকটাই নিশ্চিত হলেও পাকিস্তানের জন্য তা হয়ে পড়েছে কঠিন। কেননা পাকিস্তান প্রথম খেলায় সুপার ওভারে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পরাজিত হয়।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করে ভারত ১১৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান সংগ্রহ করে। ফলে জাসপ্রিত বুমরাহ দুর্দান্ত বোলিংয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে ভারত জয় পেয়েছে ৬ রানের ব্যবধানে।

    ১২০ বলে ১২০ রানের জয়ের লক্ষে পাকিস্তান খেলছিল বেশ বুঝেশুনেই। কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের। তৃতীয় ওভারে রিজওয়ানকে সাজঘরে ফেরানোর ফন্দি এঁটেছিলেন বুমরাহ। কিন্তু শিভাম দুবে ক্যাচ মিস করায় হতাশই হতে হয় তাকে। যদিও পঞ্চম ওভারে বাবরকে ফিরিয়ে ভারতকে প্রথম ব্রেকথ্রু এনে দেন ডানহাতি এই পেসারই। লেংথ ডেলিভারিটি খেলা নিয়ে প্রথমে দ্বিধায় ছিলেন বাবর। শেষ পর্যন্ত খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। স্লিপ ঝাঁপিয়ে পড়ে তার ক্যাচ নেন সূর্যকুমার যাদব। ১০ বলে ২ চারে ১৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান পাক অধিনায়ক।

    রিজওয়ানের সঙ্গে থিতু হওয়া উসমান খানকে ফেরাতে ১১তম ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় ভারতকে। নিজের প্রথম বলেই উসমানকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন অক্ষর প্যাটেল। আম্পায়ার আবেদনে সাড়া না দিলেও রিভিউ নিয়ে সফল হয় ভারত। ১৩ রান করা উসমানের জায়গায় এসে ফখর জামানও আউট হন ১৩ রানে। দেখে মনে হয়েছিল দ্রুত ম্যাচ শেষ করার জন্য নেমেছিলেন। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়ার শিকার হয়ে ফিরতে হলো ৮ বলে ১ চার ও ১ ছক্কা মেরে।

    রিজওয়ান যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ পর্যন্ত ম্যাচ ছিল পাকিস্তানের হাতেই। কিন্তু রানের চেয়ে বেশি ডট খেলে দলের ওপর চাপ বাড়িয়েই যাচ্ছিলেন এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত তার ইতি ঘটে অদ্ভুত এক শটে। ১৫তম ওভারে বুমরাহর হালকা ওপরের লেংথের ডেলিভারি বুঝে ওঠার আগেই ক্রস ব্যাট চালান তিনি। কিন্তু বল ব্যাটে লাগাতে না পেরে উল্টো হারিয়ে ফেলেন নিজের স্টাম্প। ৪৪ বলে ১ চার ও ১ ছক্কায় তার ৩৩ রানের ইনিংসটি জন্ম দেবে অনেক প্রশ্নের।

    সেই ওভারে মাত্র ৩ রান দেন বুমরাহ। এরপর দ্রুতই শাদাব খানকে সাজঘরে ফেরান পান্ডিয়া। ১৯তম ওভারে বুমরাহ আসেন নিজের শেষ ওভারটি করতে। সেখানেও ৩ রান খরচ করেন তিনি। শিকার করেন ইফতিখারকেও। শেষ ওভারে পাকিস্তানের জয়ের জন্য ১৮ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের,হাতে ৪ উইকেট। কিন্তু অর্শদীপ সিং প্রথম বলেই তুলে নেন ইমাদ ওয়াসিমের উইকেট (১৫)। এরপর নাসিম শাহর কাছে দুটি চার হজম করলেও পুরো ওভারে ১১ রানের বেশি দেননি বাঁহাতি এই পেসার।

    এমন হারের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন নাসিম। বুমরাহর মতো আজ নায়ক হয়ে উঠতে পারতেন তিনিও। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত বিফলে যায় তার দারুণ বোলিং ফিগারটি।

    বিশ্বকাপের গত আসরে এই পাকিস্তানের বিপক্ষেই ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংসটি খেলেছিলেন কোহলি। কিন্তু এবার তাকে খোলস ছেড়ে বের হতে দেননি নাসিম। তার প্রথম বলে কোহলি চার মারলেও তৃতীয় বলে সাজঘরে ফেরেন উসমান খানকে ক্যাচ দিয়ে। অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের ডেলিভারি খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন ৪ রান করা এই ব্যাটার। পরের ওভারে ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে (১৩) নিজের শিকারে পরিণত করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি।

    দুই ওপেনারকে হারানোর পরও পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৫০ রান তুলে ফেলে ভারত। ঋষভ পন্ত ও অক্ষর প্যাটেলের ব্যাটে চাপে কাটিয়ে ওঠার আভাস দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু  অষ্টম ওভারে নাসিমকে তেড়ে মারতে গিয়ে উল্টো নিজের স্টাম্প হারিয়ে ফেলেন অক্ষর। ১৮ বলে ২০ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এরপর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। কেউই ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক। সর্বোচ্চ রান করা ঋষভকে শেষ পর্যন্ত নত স্বীকার করতে হয় আমিরের কাছে। ৩১ বল খেলে ৬ চারে ৪২ রান করেন ভারতীয় উইকেটরক্ষক।

    ইনিংসের এক ওভার বাকি থাকতেই নিজেদের সবকটি উইকেট হারিয়ে ফেলে ভারত। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন নাসিম ও রউফ। এছাড়া আমির দুটি ও শাহিনের শিকার একটি উইকেট। পেসারদের এমন জ্বলে ওঠার দিনেও পাকিস্তানকে হতাশায় ডোবালেন ব্যাটাররা। এই হারে সুপার এইটে যাওয়ার সমীকরণ আরও জটিল হয়ে গেল তাদের জন্য। কেননা দুই ম্যাচ খেলে এখনো পয়েন্টের খাতাই খুলতে পারেনি। সমান ম্যাচে পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে এ গ্রুপের শীর্ষে আছে ভারত। একই পয়েন্ট যুক্তরাষ্ট্রেরও। বাকি দুই ম্যাচের মধ্যে একটি ম্যাচ জিতলেই সুপার এইটে খেলবে স্বাগতিকরা।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    ভারত: ১১৯/১০ (ঋষভ ৪২, অক্ষর ২০; নাসিম ৩/২১, রউফ ৩/২৩, আমির ২/২৩)

    পাকিস্তান: ১১৩/৭ (রিজওয়ান ৩১, ইমাদ ১৫, বাবর ১৩; বুমরাহ ৩/১৪, পান্ডিয়া ২/২৪)

    ফল: ভারত ৬ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা: জাসপ্রিত বুমরাহ।

    দিনের অপর খেলায় স্কটল্যান্ড হারিয়েছে ওমানকে

    ওমানের বোলারদের উপর দিয়ে ভয়াবহ তাণ্ডবলীলা চালালেন স্কটল্যান্ডের ব্যাটাররা। ১৫১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে স্কটল্যান্ড জয় তুলে নিয়েছে মাত্র ১৩.১ ওভারে। ৭ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জিতে অস্ট্রেলিয়াকে টপকে বি-গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে তারা।

     আজ বাংলাদেশ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশ প্রথম খেলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অল্প রান তাড়া করতে গিয়েও হারিয়েছে ৮ উেইকেট। বাংলাদেশ জয় পায় ২ উইকেটে। এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই খেলায় জয় পেলেও সুনামের সঙ্গে খেলতে পারেনি।তাই আজকের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেবারিট হলেও বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া যায়না। আজ সোমবার (১০ জুন) নিউেইয়র্কে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে এই দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ খেলাটি।

  • সৌদি প্রো লিগের ফাইনালে হেরেছে রোনালদোর দল আল নাসর

    সৌদি প্রো লিগের ফাইনালে হেরেছে রোনালদোর দল আল নাসর

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১ জুন, ২০২৪: সৌদি প্রো লিগে পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো খেলেন আল নাসরের হয়ে। ইতোমধ্যে দেড় মৌসুম কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। এই সময়ের মধ্যে দারুণ কিছু অর্জনও নিজের করে নিতে পেরেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সে সবই ছিল ব্যক্তিগত অর্জন। দলকে গেল দেড় বছরে কিছুই দিতে পারেননি পর্তুগালের এই তারকা ফুটবলার।

    সৌদি কিং’স কাপের ফাইনালে হারটা মেনে নিতে পারছিলেন এই পর্তুগিজ তারকা। টাইব্রেকারে হেরে যাওয়ার পর এভাবেই রোনালদোর কান্নায় সিক্ত হয় জেদ্দার কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামের আঙিনা।

    সৌদি প্রো লিগের পর এবার কিংস কাপের শিরোপাও ঘরে তুললো আল হিলাল। গতকাল শুক্রবার ফাইনালে আল নাস্‌রকে টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে আল হিলাল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ শেষ হয় ১-১ সমতায়। টাইব্রেকারে রোনালদো গোল করেন ঠিকই। তবে আল নাস্‌রের শেষ দুটি শট ঠেকিয়ে আল হিলালের নায়ক গোলকিপার ইয়াসিন বোনো।

    আলেকসান্দার মিত্রোভিচের গোলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় আল হিলাল। ব্রাজিলিয়ান ম্যালকমের ক্রসে খুব কাছ থেকে হেড করে বল জালে জড়ান সার্বিয়ান এই ফরোয়ার্ড। ৮৮তম মিনিটই আয়মান ইয়াহিয়ার গোলে সমতা ফেরায় আল নাস্‌র। এরপর অতিরিক্ত সময়ে কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি। তাতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

    গতকাল আল হিলালের শিরোপা উদযাপনে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র। ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন দলের বাইরে এই ব্রাজিলিয়ান। এর আগে লিগ শিরোপা উদযাপনেও নেইমারকে দেখা গিয়েছিল।

  • চট্রগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ হেরেছে ১৯২ রানে

    চট্রগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ হেরেছে ১৯২ রানে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩ এপ্রিল, ২০২৪: দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে খুব একটা ভালো করতে পারছেনা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলে নেই তামিম। মুশফিক আহত, সাকিব ফিরলেও ব্যাটিং খুব একটা ভালো করতে পারলেননা। আর লিটন ফর্মে নেই। মুমিনুল কিছুটা নিজের যোগ্যতা দেখাতে পারলেও বাংলাদেশ পরাজয়েল হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি। তাই টেস্টের জন্য ব্যাটিং দিকটি নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টকে ভাবতে হবে।

    ম্যাচ শেষে ব্রডকাস্টকে দেওয়া সাক্ষৎকারে অধিনায়ক শান্ত বলছিলেন ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে, ‘আমরা ভালো খেলিনি, বোলাররা উইকেটে নিজেদের প্রমাণ করে দেখালেও ব্যাটাররা ভালো ব্যাটিং করেনি। সবাই ক্রিজে সেট হয়েছে কিন্তু বড় রান করতে পারেনি, এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। নিশ্চিত করতে হবে যারা সেট হবে তারা যেন বড় রান করে।’

    অবশ্য বোলারদের দিক থেকে প্রচেষ্টার কমতি ছিল না। হারের ব্যবধানটাও তাই কিছুটা অন্তত কমে এসেছে। শ্রীলঙ্কার ৫১১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে মিরাজের হাফসেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ গিয়েছে ৩১৮ পর্যন্ত। মিরাজ অপরাজিত ছিলেন ৮১ রানে। চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশের পরাজয় ১৯২ রানে। সিরিজটা বাংলাদেশ হেরেছে ২-০ ব্যবধানে।

    শ্রীলঙ্কার কাছে ষষ্ঠবারের মতো হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবলো বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশকে ১৯২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে ১২ বারের মতো সিরিজ জিতে নিলো লঙ্কানরা।

    সর্বশেষ ২০০৯ সালে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল শ্রীলঙ্কা। সেই সময় দুই ম্যাচের সিরিজের দুটি ম্যাচই জিতেছিল লঙ্কানরা। এর ১৫ বছর পর আবার সেই লঙ্কানদের কাছে ধবলধোলাই হতে হলো বাংলাদেশকে।

    এখন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৩টি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে কেবল একটি সিরিজ ড্র করতে পেরেছে টাইগাররা। বাকি সবগুলো সিরিজই জিতে নিয়েছে লঙ্কানরা।

    চট্টগ্রামে দুই ম্যাচের সিরিজের শেষ টেস্টে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ৫১১ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশ অলআউট হয়ে গেছে ৩১৮ রানে।

    লক্ষ্য তাড়ায় আজ ৭ উইকেটে ২৬৮ রান নিয়ে পঞ্চম দিনের খেলা শুরু করেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। ব্যাটিংয়ে নেমে টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি হাঁকান মিরাজ। ডানহাতি এই ব্যাটারের ফিফটি হাঁকানোর পরই ১৪ রানের মাথায় আউট হয়ে যান তাইজুল।

    এরপর ২৫ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরত যান হাসান মাহমুদ। সর্বশেষ ব্যাটার হিসেবে নেমে ২ রানে

  • বাংলাদেশের মেয়েরা তিনটি ওয়ানডেই হেরেছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে

    বাংলাদেশের মেয়েরা তিনটি ওয়ানডেই হেরেছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৭ মার্চ, ২০২৪: তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খুব সহজেই জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। কোন প্রতিরোধ করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। দেশের মাটিতে এই পরাজয় সত্যিকার অর্থে ক্রিকেটে মেয়েদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পিছিয়ে থাকার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে।

    তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ব্যাটিং ভরাডুবিতে টানা দুই হারে আগেই সিরিজ হেরেছিল বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে ৮৯ রানে অলআউট হয় নিগার সুলতানা জ্যেতিরা। জবাব দিতে নেমে ১৮৯ বল এবং ৮ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া।

    আজ বুধবার (২৭ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে দুই ওপেনার এলিশা হিলি ও ফিব লিচফিল্ড। তবে ইনিংস বড় করতে পারেনি লিচফিল্ড। ২৭ বলে ১২ রান করে আউট হন তিনি। এরপর হিলিকে সঙ্গ দেন এলিস পেরি।

    ৩৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন এলিশা হিলি। শেষ পর্যন্ত এলিস পেরির ২৮ বলে ২৭ রান এবং বেথ মুনির ২২ বলের অপরাজিত ২১ রানে ভর করে ১৮.৩ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া নারী দল। বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা খাতুন এবং রাবেয়া খাতুন একটি করে উইকেট নেন।

    এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ডাক মেরে ফেরেন সুমাইয়া আক্তার। ১৪ বলে ৫ রান করে আউট হন আরেক ওপেনার ফারজানা হক। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি মুর্শিদা খাতুনও (৮)।

    তবে টাইগ্রেস শিবিরে হাল ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু রিতু মনি (১) ও ফাহিমা খাতুন (০) আউট হলে, ৩৯ বলে ১৬ রান করে তাদের সঙ্গ দেন নিগার সুলতানা।

    এরপর রাবেয়া খান (৪), নাহিদা আক্তার (০), স্বর্ণা আক্তার (১০) এবং সুলতানা খাতুন ১০ রানে আউট হলে ৮৯ রানে অলআউট হয় টাইগ্রেসরা। ১৪ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন মারুফা আক্তার।

    অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কিম গার্থ এবং অ্যাশলেঘ গার্ডনার তিনটি করে উইকেট নেন।

  • পঞ্চম টেস্টে ইংল্যান্ডকে ইনিংস ও ৬৪ রানে হারিয়েছে ভারত

    পঞ্চম টেস্টে ইংল্যান্ডকে ইনিংস ও ৬৪ রানে হারিয়েছে ভারত

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৯ মার্চ, ২০২৪: ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ৫ ম্যাচ টেস্ট সিরিজের শেষ টেস্টে জয় পেয়েছে ভারত। তৃতীয় দিনেই ইনিংস ও ৬৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ডকে। ফলে সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতলো ভারত। তবে ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি দুই দেশের দুই খেলোয়াড়ের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিনের শততম ম্যাচ এবং পেসার জেমস এন্ডারসনের ক্যারিয়ারের ৭শ উইকেট শিকারের টেস্ট এটি। যদিও শততম টেস্টে অশ্বিন দুই ইনিংস মিলিয়ে উইকেট নিয়েছেন ৯টি। অন্যদিকে এন্ডরসন এক ইনিংসে উইকেট নিয়েছেন মাত্র ২টি।

    প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ২১৮ রানের জবাবে অধিনায়ক রোহিত শর্মা ও শুভমান গিলের জোড়া সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় দিন শেষে ৮ উইকেটে ৪৭৩ রান করেছিলো ভারত। ২ উইকেট হাতে নিয়ে ২৫৫ রানে এগিয়ে ছিলো টিম ইন্ডিয়া।

    আজ, টেস্টের তৃতীয় দিন বাকী ২ উইকেটে মাত্র ৪ রান যোগ করে ৪৭৭ রানে অলআউট হয় ভারত। এতে প্রথম ইনিংস থেকে ২৫৯ রানের লিড পায় টিম ইন্ডিয়া। কুলদীপ যাদব ৩০ ও জসপ্রিত বুমরাহ ২০ রানে আউট হন। কুলদীপকে আউট করে বিশ্বের তৃতীয় বোলার ও প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে ৭শ উইকেট পূর্ণ করেন এন্ডারসন। ইংল্যান্ডের শোয়েব বশির ১৭৩ রানে ৫ উইকেট নেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচে দ্বিতীয়বারের মত ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন বশির। ৬০ রানে ২ উইকেট নেন এন্ডারসন।

    পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে অশ্বিনের ঘূর্ণিতে ২১ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় ইংল্যান্ড। জ্যাক ক্রলি শূণ্য ও বেন ডাকেট ২ রান করে অশ্বিনের শিকার হন।

    দুই ওপেনারের পর ইংল্যান্ডের মিডল অর্ডারকে দুই  স্পিনার অশ্বিন ও কুলদীপ যৌথভাবে  ধ্বসিয়ে দেন।। ওলি পোপ ১৯, অধিনায়ক বেন স্টোকস ২ ও বেন ফোকস ৮ রান করে  শিকার হন  অশ্বিনের। শততম টেস্ট খেলতে নামা ইংল্যান্ডের জনি বেয়ারস্টোকে ৩৯ রানে বিদায় দেন কুলদীপ। এতে ১১৩ রানে ষষ্ঠ উইকেট পতনে হারের মুখে ছিটকে পড়ে ইংল্যান্ড।

    অশ্বিনের তোপের পর ইংল্যান্ডের লেজ ছেঁটে ফেলেন বুমরাহ ও কুলদীপ। টম হার্টলি ২০ ও মার্ক উডকে শূণ্যতে শিকার করেন বুমরাহ। এক প্রান্ত আগলে লড়াই করা জো রুটকে শেষ ব্যাটার হিসেবে শিকার করে ইংল্য ইনিংস ১৯৫ রানে গুটিয়ে দেন  কুলদীপ। ১২টি চারে ১২৮ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন রুট।

    ভারতের অশ্বেন ৭৭ রানে ৫ উইকেট নেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩৬তমবারের মত ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়ে স্বদেশি অনিল কুম্বলেকে টপকে যান অশ্বিন। ১৩২ টেস্টে ৩৫বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন কুম্বলে। এছাড়াও শ্রীলংকার মুত্তিয়া মুরালিধরন, অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্ন ও কুম্বলের পর চতুর্থ বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের শততম টেস্টের ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার নজির গড়েন অশ্বিন।

    দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট ও ৩০ রান করায় ম্যাচ সেরা হয়েছেন কুলদীপ। ৭১২ রান করে সিরিজ সেরা খেলোয়াড় হন ভারতের যশ্বসী জয়সওয়াল।

    ইংল্যান্ডের ভারত সফর শেষ হলো বাজেভাবে। মূলত ভারতের দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও কুলদিপ যাদবের ঘূর্ণির সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করল ইংলিশরা।

    অধিনায়ক বেন স্টোকসের অধীনে এবারই প্রথম সিরিজ হারলো ইংল্যান্ড। তবে সবমিলিয়ে গত ১২ টেস্টে এটি তার সপ্তম সিরিজ হার। অন্যদিকে ঘরের মাটিতে এটি ভারতের টানা ১৭তম টেস্ট সিরিজ জয়। যা চলছে সেই ২০১২ সাল থেকে।

     

    সংক্ষিপ্ত স্কোর:

    পঞ্চম টেস্ট, ধর্মশালা (তৃতীয় দিন)

    ইংল্যান্ড: ২১৮ (ক্রাউলি ৭৯; কুলদিপ ৭২/৫, অশ্বিন ৫১/৪) এবং ১৯৫ (রুট ৮৪; অশ্বিন ৭৭/৫)

    ভারত: ৪৭৪ (গিল ১১০, রোহিত ১০৩, পাডিক্কাল ৬৫, জয়সওয়াল ৫৭, সরফরাজ ৫৬; বশির ১৭৩/৫)

    ফলাফল: ভারত এক ইনিংস ও ৬৪ রানে জয়ী

    সিরিজ: ভারত ৪-১ ব্যবধানে জয়ী।