Tag: রেমিট্যান্স

  • ড. ইউনূসের সরকারকে সমর্থন জানিয়ে রেমিট্যান্স পাঠানো বাড়িয়েছেন প্রবাসীরা

    ড. ইউনূসের সরকারকে সমর্থন জানিয়ে রেমিট্যান্স পাঠানো বাড়িয়েছেন প্রবাসীরা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি– ১৪ আগস্ট, ২০২৪: ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর দায়িত্ব নেয়া অন্ত‍‍র্ব‍‍র্তীকালীন সরকারকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের পতন আন্দোলনে ছাত্রদের পক্ষে ১৯ জুলাই বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ মিছিলও করেন প্রবাসীরা।

    এর জেরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৫৭ বাংলাদেশি সাজা ভোগ করছেন। এমন বাস্তবতায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে সমর্থন জানিয়ে বৈধ মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো বাড়িয়েছেন প্রবাসীরা।

    ফেসবুকে সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশিরা দী‍‍র্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যাংকিং মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন। প্রবাসীরা বলেন, নতুন সরকার তাদের কাঙ্খিত এই সরকারকে অ‍‍র্থনৈতিকভাবে সাপো‍‍র্ট দিতে এবং দেশের বৈদেশিক মূদ্রার রিজা‍‍র্ভ বাড়াতে প্রবাসীরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছে। তাই হুন্ডিতে টাকা না পাঠিয়ে বৈধ উপায়ে ব্যাংকিং মাধ্যমে সকল দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিকে টাকা পাঠাতে অনুরোধ করেছেন প্রবাসীরা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসের প্রথম ১০ দিনে দেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৮ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।

    আর গেল জুলাই মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯০ কোটি মার্কিন ডলার। যা ছিল গেল ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এছাড়া চলতি বছরের জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৬ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার। দেখা যাচ্ছে, জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে রেমিট্যান্স কম এসেছে ৬৩ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।

  • বিদায়ী বছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার

    বিদায়ী বছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১ জুলাই, ২০২৪: বিদায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। আজ সোমবার (১ জুলাই) এ তথ্য জানা গেছে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে।

    বিদায়ী অর্থবছরে এর আগের অর্থবছরের চেয়ে ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বেশি প্রবাসী আয় এসেছে। আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছিল ২১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।

    বিদায়ী বছরে প্রবাসী আয় বাড়াতে নানা উদ্যোগ নেয় সরকার। সর্বশেষ গত মে মাসে প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম বাড়ানো হয়। এতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ে। এর মধ্যে শেষের মাস জুনে এসেছে ২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার।

    সদ্যবিদায়ী জুন মাসে রেকর্ড ২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন রেমিট্যান্স এসেছে দেশে, যা ৪৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৮ টাকা ধরে) এর পরিমাণ প্রায় ২৯ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা। সবশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই মাসে আড়াই বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল প্রবাসী আয়। ওই মাসে এসেছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

    সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের মে মাসে আসে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার প্রবাসী আয় আসে। সে হিসাবে মে মাসের তুলনায় জুনে ২৮ কোটি ৮২ লাখ ডলার বেশি এসেছে। আর গত বছরের একই মাসের তুলনায় বেশি এসেছে ৩৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত বছরের জুন মাসে এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

    আগের অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলার। এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৩১ কোটি ডলার। অর্থবছরের হিসাবে সর্বোচ্চ ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল।

  • মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ জানুয়ারি, ২০২৪: মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলে “স্বাধীনতা-সংগ্রামে বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে প্রবাসীরা বিরাট অবদান রাখেন। প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসীদের বিরাট অবদান রয়েছে। সেটা ছাড়াও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।”

    আজ মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে গণভবনে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আপনারা যারা প্রবাসে কাজ করেন, ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে যুক্ত হতে পারেন। সবার জন্য এ সুবিধা করে দিয়েছি। রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সব অনলাইন করে দিয়েছি। সহজে এখন টাকা পাঠাতে পারবেন।”

    প্রধানমন্ত্রী  বলেন, “৭ জানুয়ারি নির্বাচন হয়ে গেছে। আমি জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, কারণ জনগণই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে এসেছে। কারণ বিএনপি যখন নির্বাচনে আসবে না, কেউ যাতে নির্বাচনে না আসে, কেউ যেন ভোট না দেয় এর জন্য লিফলেট বিতরণ শুরু করল। এই লিফলেট বিতরণের পরে ঘটনা উল্টো হয়ে গেল, মানুষজন আরও উৎসাহিত হলো, আমাদের ভোট দিতেই হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, সরকার জনগণের সেবক। আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, সেবক হিসেবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে এসেছি। টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। মানুষ এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “সেই ক্ষেত্রে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচন স্বচ্ছ, সুষ্ঠু, কোনোরকম দুর্ঘটনা যেন না ঘটে, একটা অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে হয়– সেই প্রচেষ্টাই আমাদের ছিল। যার কারণে একের পর এক নির্বাচনে সংস্কার আমরা নিয়ে আসি। কারণ সেনা শাসকরা যখন একের পর এক ক্ষমতা দখল করে তখন তারা নির্বাচনে ভোট কারচুপি করা শুরু করেছিল। সেই জায়গা থেকে মানুষের অধিকার মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়ার সেই আন্দোলন-সংগ্রামটাই আমরা করেছি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ উপলব্ধি করেছে সরকার জনগণের সেবক। সেই ঘোষণা জাতির পিতা দিয়েছিলেন, আমি জাতির পিতার কন্যা হিসেবে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সেই ঘোষণাটাই দিয়েছি– আমি প্রধানমন্ত্রী না, জাতির জনকের কন্যা হিসেবে মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করবে, যেন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারি।”

    তিনি বলেন, “আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, যেটা ২০২৪ সালে কার্যকর করার কথা ছিল, সেটা আমরা দুই বছর বাড়িয়ে নিয়েছি। করোনাভাইরাসের অতিমারি, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, এরপর ফিলিস্তিনের ওপর হামলা, শিশু-নারী হাসপাতালে আক্রমণ করা। আমরা সবসময় ফিলিস্তিনের পক্ষে আছি। এভাবে একটা জাতিকে ধ্বংস করা, নারীদের ধ্বংস করা, এটা এক ধরনের গণহত্যা। আমরা সাহায্য পাঠিয়েছি, আগামীতে পাঠাব। এরপর আবার ইয়মেনে আক্রমণ। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। মিয়ানমার যখন অশান্ত হলো, তারা আশ্রয় চাইল, আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি, আমরা যুদ্ধে যাইনি। কারণ আমরা শান্তি চেয়েছি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ এই যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা, আন্তর্জাতিকভাবে আমি যেখানেই গিয়েছি সেখানেই বলেছি, এই অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে ওই টাকা শিশুদের খাদ্য, শিশুদের চিকিৎসা, শিশুদের শিক্ষায় ব্যয় হোক। আজ শিশুরা কষ্ট পায়, নারীরা কষ্ট পায়, মানবজাতি কষ্ট পায় সে ধরনের কাজ করতে হবে কেন। আমরা এর ঘোর বিরোধিতা করি, আমরা কখনো যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “বিএনপি অফিসে তারাই তালা দেয়, তারাই ভাঙে। তারা এখন পথ হারানো পথিক হয়ে গেছে। জানি না তাদের সাংগঠনিক কোনো যোগ্যতা আছে কি না, একটাই আছে আগুন দেওয়া।”