Tag: বিক্ষোভ

  • প্যারিসে ইসরায়েলি দূতাবাসের সামনে ১০ হাজার মানুষের বিক্ষোভ

    প্যারিসে ইসরায়েলি দূতাবাসের সামনে ১০ হাজার মানুষের বিক্ষোভ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৮ মে, ২০২৪: গাজা উপত্যকার রাফা শহরে ইসরায়েলের ভয়াবহ গোলাবর্ষণ চালিয়েছে। এই ঘটনায়র প্রতিবাদে  বিসোমবার প্যারিসে ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে প্রায় ১০ হাজার লোক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

    ফরাসি রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ইসরায়েলি দূতাবাস থেকে কয়েকশ’ মিটার দূরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয় এবং সেখানে ‘আমরা সবাই গাজার শিশু’, ‘মুক্ত গাজা’ এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনপন্থী শ্লোগান দেয়।

    হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, রাফাতে হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলের হামলার একদিন পর এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেখানে ইসরায়েলের  হামলায় ৪৫ জন প্রাণ হারিয়েছে। এই হামলার ঘটনায় ইসরায়েল আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দার মুখে পড়েছে।

    সমাবেশের আয়োজনকারী অ্যাসোসিয়েশন ফ্রান্স-প্যালেস্টাইন সলিডারিটি গ্রুপের ফ্রাঁসোয়া রিপ বলেছেন, ‘এটি একটি বড় ধরনের গণহত্যা।’

    এদিকে প্যারিস পুলিশ সার্ভিস জানিয়েছে, বিক্ষোভ-সমাবেশে প্রায় ১০ হাজার লোক অংশগ্রহণ করেছিল।

    সমাবেশে একটি বড় ব্যানারে লেখা ছিল ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, যুক্তরাষ্ট্রের জো বাইডেন এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ‘মানবতাকে হত্যা করছে।’

    এদিকে ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়েছে ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র।

    ইসরায়েল বার বার বিভিন্ন দেশের যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি আমলে নিচ্ছেনা।

    সাত মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় প্রায় ৩৬ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে বহু স্থাপনা, হাসপাতাল ও ধর্মীয় উপাসনালয়। সেখানে দেখা দিয়েছে দুর্ভিক্ষ।

    প্যারিসে ইসরায়েলি দূতাবাসের সামনে ১০ হাজার মানুষের বিক্ষোভ

    সূত্র: বাসস

  • যুক্তরাষ্ট্রে থামছেনা ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    যুক্তরাষ্ট্রে থামছেনা ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৫ মে, ২০২৪: যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের বাধার পরেও কোনভাবেই থামাতে পারছে না ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। এবার মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে শিক্ষার্থীরা। অ্যান আরবর স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মঞ্চের সামনে বিক্ষোভ করেন ফিলিস্তিনপন্থীরা।

    অনুষ্ঠানে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী মাথায় ঐতিহ্যবাহী কেফিয়েহ আর স্নাতক টুপি পরে প্ল্যাকার্ড ও ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে মঞ্চের সামনে দিয়ে হেঁটে যান। এ সময় দর্শকেরা বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দিতে দেখা যায়। ক্যাম্পাস পুলিশ দ্রুত বিক্ষোভকারীদের ঘিরে ফেলে স্টেডিয়ামের পেছনের অংশে নিয়ে যায়। এর পরেও থামানো যাচ্ছে না দেশেটিতে ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিক্ষোভ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে।

    ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়েছে । সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায় এক বিক্ষোভকারীকে লনের ওপর দিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

    এর আগে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর গুলি চালিয়েছে পুলিশ। যদিও ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাবশত’ বলছে পুলিশ।

    যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় চলমান বিক্ষোভ এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জাপান, ভারত, লেবানন, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড ও মেক্সিকোতে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

    শুক্রবার জার্মানির বার্লিনের হামবোল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা, অবশ্য পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। আয়ারল্যান্ডের ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিনের শিক্ষার্থীরা শুক্রবার ফিলিস্তিনের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। মেক্সিকোর বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় ইউএনএএমের ক্যাম্পাসে তাঁবু টানিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করা।

    সুইজারল্যান্ডের লুসান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী একটি ভবনের প্রবেশ পথ বন্ধ করে দিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে । বিক্ষোভ থেকে শিক্ষার্থীরা ইসরায়েলকে একাডেমিক বয়কট আহ্বান জানাচ্ছে।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিলিস্তিনের পক্ষে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকার কিছুটা হলেও বিচলিত হয়ে পড়েছে।

  • ইসরায়েলে চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

    ইসরায়েলে চলছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক  – ৭ এপ্রিল, ২০২৪: গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে আক্রমণ করে ২৫৩ জন ইসরায়েলের জনগণকে জিম্মি করে। এর মধ্যে বেশ কিছু  বিদেশি রয়েছে। হামাসের আক্রমণে প্রাণ হারায় অনেক ইসরায়েলি সেনা। এর পর থেকে ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে আসছে। ৫ মাস ধরে চলা এই হামলায় গাজায় সৃষ্টি হয়েছে দুর্ভিক্ষ। বিশ্বের প্রতিটি দেশ যুদ্ধবন্দের আবেদন জানিয়েছে। এখেন দেশটিতেই সরকারবিরোধী আন্দোলন করছে জনগণ।

    ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জিম্মি এলাদ কাতজিরের মরদেহ উদ্ধার করার পর আবারও তেল আবিবসহ ইসরায়েলের অন্যান্য শহর জুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।

    জিম্মি-মুক্তি-চুক্তি এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে প্রায় লাখ খানেক মানুষ তেল আবিবের সবাবেশে সমাবেত হয়েছেন।  তারা স্লোগান দিচ্ছেন ‘এখনই নির্বাচন’ এবং ‘এলাদ, আমরা দুঃখিত’।

    গতকাল (৬ এপ্রিল) গাজা থেকে এলাদের মরদেহ উদ্ধার করে আইডিএফ। গত ৭ অক্টোবর নির ওজ নামের একটি এলাকা থেকে তাকেসহ আরও কয়েক জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে গিয়েছিল হামাস। গত জানুয়ারিতেও হামাস প্রকাশিত এক ভিডিওতে এলাদকে জীবিত দেখা গিয়েছিল।

    বিক্ষোভকারীরা গাজায় হামাসের হাতে থাকা প্রায় ১৩০ জিম্মিকে মুক্ত করতে ইসরায়েল সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরাও এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দেন।

    এলাদের বোন কারমিট পালটি কাতজির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তার ভাইয়ের মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে বলেছেন, তারা একটি নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হলে এলাদ জীবিত ফিরে আসতেন। আমাদের নেতৃত্ব কাপুরুষ এবং রাজনীতি দ্বারা চালিত যে কারণে এই চুক্তিটি এখনো হয়নি। খবর বিবিসি

    বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েলের প্রায় ৫০টি জায়গায় সমাবেশ করেছে। এর মধ্যে তেল আবিবের বিক্ষোভের মধ্যে একটি গাড়ি ঢুকে পড়েছিল। এতে পাঁচজন আহত হন।

  • নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ চরমে

    নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ চরমে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪: গাজায় ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর আগ্রাসনে সেখানে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর ঘটনা এবং গাজা থেকে বন্দীদের ফিরিয়ে আনার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সেখানকার জনগণ। তাদের দাবি দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী  বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ। পাশাপাশি তারা আগাম নির্বাচনের কথাও বলেছে।

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যখন ইহুদিবাদী সেনারা ভয়াবহ আগ্রাসনে লিপ্ত এবং হামাসকে নির্মূল করা ছাড়া কোনমতেই নেতানিয়াহু এই যুদ্ধ বন্ধ করবে না বলে যখন অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছে তখন তার পদত্যাগের দাবিতে এই বিক্ষোভ মিছিল হলো। গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধা হামাসের হাতে এখনো একশ’র বেশি ইসরাইলি বন্দী রয়েছে।

    ইসরাইলের প্রভাবশালী পত্রিকা ইয়েদিওথ আহরোনথ জানিয়েছে, কাপলান স্কয়ার থেকে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে পুলিশ আটক করেছে। এ সময় পুলিশ সমাবেশকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এবং বিক্ষোভকারীরা যে সমস্ত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে জড়ো হয়েছিল সেগুলো কেড়ে নেয়। পুলিশের সাথে বেশ কিছু বিক্ষোভকারীর হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়।

    তেল আবিবের সমাবেশে অংশ নেয়া লোকজন এখনই নেতানিয়াহুর পদত্যাগ এবং নির্বাচন দিতে হবে বলে স্লোগান দেয়। তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেম, হাইফা, সিজারিয়া, কেফার সাভা, রেহভোত এবং বীরশেবা শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। এসব বিক্ষোভ সমাবেশেও হাজার হাজার মানুষ অংশ নিয়েছে।

    সারা বিশ্ব যুদ্ধের বিপক্ষে থাকলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী  বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তা আমলে নিচ্ছে না। এখন দেশের জনগণ নেতানিয়াহুর বিপক্ষে গেছে। বিষয়টি অবশ্যই দেশটির ভাবমূর্তিকে অনেকটাই নষ্ট করছে।

  • গাজায় যুদ্ধ বন্দের দাবিতে ওয়াশিংটন ও লন্ডনে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

    গাজায় যুদ্ধ বন্দের দাবিতে ওয়াশিংটন ও লন্ডনে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪:  তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় চলছে ইসরায়েলি অভিযান। এতে গাজায় প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ২৪ হাজার মানুষ। যাদের মধ্যে অধিকংশই নারী ও শিশু। এই অবস্থায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্য দিকে সারা বিশ্ব গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি উঠেছে। বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের। যদিও যুদ্ধবিরতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য নীরব ছিল।

    গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবিতে এবং  ইসরাইলের প্রতি মার্কিন ও ব্রিটিশ সমর্থনের বিরোধিতা করে ‘বিশ্বব্যাপী  প্রতিবাদ দিবসের’ অংশ হিসেবে গতকাল শনিবার ওয়াশিংটন, লন্ডন এবং অন্যত্র হাজার হাজার ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভকারী মিছিল করেছে।

    গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের ৯৯তম দিনে সংহতি প্রদর্শনে ওয়াশিংটনে জড়ো হওয়া বিশাল জনতার বেশিরভাগ তরুণ বিক্ষোভকারী ফিলিস্তিনের ঐতিহ্যবাহী কেফিয়াহ পরেছে এবং জনতা ফিলিস্তিনি পতাকা নেড়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

    বিক্ষোভকারীরা ‘এখনই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করুন’ বলে শ্লোগান দেয় এবং তাদের হাতে বহন করা ব্যানার ও পোস্টারে লেখা ছিল ‘মুক্ত প্যালেস্টাইন’ চাই এবং ‘গাজার যুদ্ধ শেষ করুন’।

    হোয়াইট হাউসের কয়েক ব্লক পরে একটি মঞ্চে, বেশ অনেক ফিলিস্তিনি-আমেরিকান, যারা মূলত গাজার বাসিন্দা কিন্তু এখন মিশিগান থেকে টেক্সাস পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন, তারা গাজায় নিহত বা আহত তাদের বন্ধু এবং আত্মীয়দের আবেগঘন বিবরণ দিয়েছেন।

    তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ইসরায়েলের জন্য সামরিক ও আর্থিক সহায়তা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    একজন বক্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে চাপ দিয়ে ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন সহজেই এই উন্মাদনা বন্ধ করতে পারেন’। এ সময় ব্যাপক করতালি দিয়ে বিক্ষোভকারীরা এই বক্তব্যে সমর্থন জানায়।

    ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি ভয়াবহ বিমান হামলা ও স্থল অভিযানের প্রতিবাদে লন্ডনে সপ্তমবারে শরিবার ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ হয়েছে। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার অজুহাতে প্রতিশোধ নিতে ইসরায়েল গাজায় ধ্বংসাত্মক অভিযান শুরু করে।

    ইসরায়েল হামাসকে ধ্বংস করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তিন মাসের বেশী সময় ধরে গাজায় নির্বিচার এবং অবিরাম বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। এতে অন্তত ২৩,৮৪৩ জন নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী এবং শিশু। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সর্বশেষ এই মৃতের সংখ্যা প্রকাশ করেছে।

    লন্ডন বিক্ষোভের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শনিবার প্রায় ১,৭০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    ২৭ বছর বয়সী স্বাস্থ্যসেবা কর্মী মালিহা আহমেদ, যিনি তার পরিবারের সাথে মিছিলে ছিলেন, তিনি এএফপিকে বলেছেন,‘আমরা ফিলিস্তিনের জনগণকে দেখাতে চাই যে আমরা তাদের সাথে আছি এবং আমাদের সরকারের বিরুদ্ধেও কথা বলতে চাই।’

    মালিহা আহমেদ বলেন, ‘ইসরায়েলকে যা করছে তা চালিয়ে যেতে দেওয়ার জন্য তারা (ব্রিটিশ সরকার) একটি খুব বড় ভূমিকা পালন করছে এবং এটি গ্রহণযোগ্য নয়।’

    আরেকজন মিছিলকারী, ৩৭ বছর বয়সী দীপেশ কোথার বলেছেন, ‘বসে বসে বিশ্বকে কিছুই না করতে দেখা খুবই হতাশাজনক।’

    তিনি বলেন,‘তাই আমরা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানাতে এবং সারা বিশ্বের সরকারের প্রতি আমাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে বেরিয়ে আসি।’

    ইরান-সমর্থিত গ্রুপগুলোর গাজার সাথে সংহতি প্রকাশ করে লোহিত সাগরে জাহাজে হামলার পর এই সপ্তাহে ইয়েমেনে হুথি ঘাঁটির বিরুদ্ধে মার্কিন ও ব্রিটিশ বিমান হামলার কারণে শনিবারের বিক্ষোভগুলো বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

    একটি ব্রিটিশ সংগঠিত জোটের ডাকা এই ‘বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ দিবসে’ ৩০ টি দেশে বিক্ষোভ হয়েছে।

    এই জোটের অংশ পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ অভিযানের কেট হাডসন বলেছেন, এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠানটি ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং সমস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি স্থায়ী রাজনৈতিক নিষ্পত্তি দাবি করছে।’

    তিনি বলেন, ব্রিটিশ সরকারকে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলের নৃশংস যুদ্ধের প্রতি সমর্থন বন্ধ করতে হবে এবং এর যুদ্ধাপরাধের নিন্দায় বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে যোগ দিতে হবে।

    সূত্র: বাসস