Tag: বাংলাদেশ

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার বালিতে শেষ হয়েছে ১৮তম এশিয়া মিডিয়া সামিট ২০২৩। গতকাল বুধবার শেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয় ।

    গতকাল সন্ধ্যায় বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্টিটিউট ফর ব্রডকাস্টিং ডেভেলপমেন্টভূক্ত সদস্য দেশগুলোর নেতৃবৃন্দ স্বাক্ষরিত এই স্মারকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল, বিভ্রান্তিকর এবং অসত্য তথ্যের কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নানা উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছেন।

    সমঝোতা স্মারকে তথ্যের যথার্থতা, স্বচ্ছতা এবং সততার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহারে নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করার কথা রয়েছে। সেখানে বলা হয়, ভুল, বিভ্রান্তিকর এবং অসত্য তথ্যের প্রচার রোধকল্পে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মালিক এবং অংশীজনদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্যও এআইবিডি সদস্যরা উদ্যোগ নেবেন।

    একইসঙ্গে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের নিজস্ব আইন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, যথাযথ প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতার নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রয়োজনে যৌথ আঞ্চলিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও ঐক্যমত্য হয়ে স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিরা।

    মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই সামিটে এশীয় প্রশান্ত অঞ্চলের ৪০টি দেশ ও অঞ্চলের পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি যোগ দেন।

    সূত্র: বাসস

     

  • তিন দিনের সফর শেষে কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    তিন দিনের সফর শেষে কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: তিন দিনের সরকারী সফর শেষে আজ সকালে কাতার থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি কাতার অর্থনৈতিক ফোরাম (কিউইএফ) ২০২৩-এ যোগদান করেন।

    প্রধানমন্ত্রী  ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমান হামাদ  আন্তর্জাতিক  বিমানবন্দর থেকে  স্থানীয় সময় রাত ১০:২৫ টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ০১:২৫ টায়) ছেড়ে  আসে।  পরে ফ্লাইটি  ভোর ০৫:৫৮ টায়  হযরত  শাহজালাল  আন্তর্জাতিক  বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানির আমন্ত্রণে তৃতীয় কাতার অর্থনৈতিক ফোরামে (কিউইএফ) যোগ দিতে গত ২২ মে শেখ হাসিনা তিন দিনের  সরকারী সফরে  দোহায়  পৌঁছান।

    সফরকারী শেখ হাসিনা কাতার ইকোনমিক ফোরামে যোগদান ছাড়াও আমিরি দিওয়ানে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানির সঙ্গে সাক্ষাত, কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল সানির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    এছাড়াও, কাতারের জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবি এবং  সৌদি আরবের বিনিয়োগ মন্ত্রী খালিদ এ আল-ফালিহ ও সৌদি অর্থনীতি ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ফয়সাল আলিব্রাহিম  একসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।

    শেখ হাসিনা কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশেও ভাষণ দেন এবং দোহায় কাতার ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষায়িত স্কুল আওসাজ একাডেমি পরিদর্শন করেন।

    সূত্র: বাসস

  • কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

    কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শেখ হাসিনার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: কাতারের র‌্যাফেলস টাওয়ারের দ্বিপাক্ষিক সভা কক্ষে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল সানির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সময় কাতারের প্রধামন্ত্রী বলেছেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী।

    দু্ই দেশের সরকার প্রধানের বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, বৈঠকে কাতারের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে (শেখ হাসিনার) বলেন, তারা (কাতার) বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে চান।

    বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনার জন্য শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী।

    বাংলাদেশ কাতার থেকে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ক্রয় করে বিষয়টি উল্লেখ করে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই আপনি (কাতারের প্রধানমন্ত্রী) জ্বালানি দিয়ে আমাদের সহায়তা করুন’।

    জবাবে মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বলেন,  কাতার বাংলাদেশের জন্য যতটা সম্ভব করবে।

    ২০২৩ সালের ফিফা বিশ্বকাপের পর কাতারে বাংলাদেশি শ্রমিকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা সম্পর্কে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের সম্পদ এবং বন্ধু এবং কাতার তাদের যতটা সম্ভব তাদের দেশে রাখবে।

    পরে কাতারের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর অবস্থানস্থলে  সাক্ষাৎ করেন।

    বৈঠকে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের বিষয়ে নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি আলোচনায় আসে।

    প্রেস ব্রিফিং-এ ড. মোমেন বলেন, শেখ হাসিনা কাতার থেকে বৃহত্তর পরিমাণে জ্বালানি সংগ্রহের জন্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলেছেন।

    কাতার থেকে এলএনজি আমদানির জন্য ২০১৭ সালে স্বাক্ষরিত বিদ্যমান ১৫-বছরের চুক্তিটি ২০৩২ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে, তবে, ২০২৫ সালের পরে বৃহত্তর পরিমাণে জ্বালানি পেতে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে, তিনি বলেন।

    মোমেন বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দরদাম সংক্রান্ত সমস্যা ঠিকঠাক করে অবিলম্বে চুক্তিতে সই করতে বলেছেন।

    বাংলাদেশকে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ হিসেবে বর্ণনা করে এবং যে দেশটি দুঃসময়ে কাতারের পাশে দাঁড়িয়েছিল উল্লেখ করে, তারা (কাতার) প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে চুক্তি স্বাক্ষরের সময় তারা কাতারের পক্ষে যত দূর সম্ভব সব ধরনের ছাড় দেয়ার কথা বিবেচনা করবে।

    এছাড়া র‌্যাফেলস টাওয়ারে কাতার ইকোনমিক ফোরামের ফাঁকে রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তাকে উদ্ধৃত করে মোমেন বলেন, বৈঠকে কাগামে শেখ হাসিনাকে বলেন, তিনি সবসময় বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শোনেন এবং তিনি বাংলাদেশ সফর করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে নিয়ে খুব গর্বিত।’

    রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্টকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ দেশ এবং আপনি (শেখ হাসিনা) খুব ভালোভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। আমি এটা দেখতে চাই।’

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী কাগামেকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

    পল কাগামে বলেন, তিনি বাংলাদেশ ও রুয়ান্ডার মধ্যে একটি সেতু তৈরি করতে চান, বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে বিমান যোগাযোগ স্থাপন করতে চান।

    সম্প্রতি রুয়ান্ডায় একটি বাংলাদেশি কোম্পানির ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা খোলার উল্লেখ কওে প্রেসিডেন্ট তার  দেশে বিভিন্ন খাতে আরও বাংলাদেশি বিনিয়োগ আমন্ত্রণ জানান।

    শেখ হাসিনা পল কাগামের প্রশংসা করে বলেন, তার ভালো নেতৃত্বের কারণে আফ্রিকায় রুয়ান্ডা খুবই ভালো অবস্থানে রয়েছে।

    তিনি কাগামেকে বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ সমস্যা তৈরি করেছে এবং যা বাংলাদেশ, রুয়ান্ডার মতো  দেশগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে। ‘আমরা যদি একে অপরকে সহযোগিতা করি, তবে, আমরা এই ধরণের পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারবো,’ তাঁকে উদ্ধৃত করেন বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী।

    শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রশংসা করে কাগামে বলেন, সহযোগিতা জোরদার করার এখনই সময়।

    সূত্র : বাসস

  • শেখ হাসিনার সরকারের সময় গণমাধ্যম স্বাধীন : হাছান মাহমুদ

    শেখ হাসিনার সরকারের সময় গণমাধ্যম স্বাধীন : হাছান মাহমুদ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকারের সময় গণমাধ্যম স্বাধীন তাই অর্থনৈতিক উন্নয় বিশ্বের কাছে একটি উদাহরণ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ গণমাধ্যমের স্বাধীন বিকাশ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের এক অনন্য উদাহরণ।

    তিনি আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে ১৮তম এশিয়া মিডিয়া সামিট উদ্বোধনী দিনে ‘অর্থনৈতিক পুণর্গঠনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের অধিবেশনে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন।

    এশিয়া-প্যাসিফিক ইনস্টিটিউট ফর ব্রডকাস্টিং ডেভালপমেন্ট (এআইবিডি) আয়োজিত সম্মেলনের এ অধিবেশনে কম্বোডিয়ার তথ্যমন্ত্রী খিউ কানহারিত, মায়ানমারের তথ্যমন্ত্রী মং মং ওন , সামোয়ার যোগাযোগ তথ্য ও প্রযুক্তিমন্ত্রী তোলুপ পৌমুলিনুকু ওনেসেমো এবং ফিজির সহকারী মন্ত্রী সাকিউসা তুবুনা বক্তব্য রাখেন। এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘অর্থনীতিকে আরও টেকসই করতে গণমামধ্যমের ভূমিকা’।

    হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা মহামারি এবং ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী এবং দেশে দেশে অর্থনীতি পুণরুদ্ধারে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে প্রেক্ষিত তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের গণমাধ্যম এ ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং নীতি দেশের নাগরিকদের কাছে তুলে ধরে মানুষকে সচেতন রেখেছে।  দেশে বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধা নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে। একইসাথে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিয়েছে, আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রায় দেড় হাজার পত্রিকা এবং কয়েক ডজন টেলিভিশন ও রেডিওকে লাইসেন্স দিয়েছে যাতে এই গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ে মানুষকে সচেতন করে দেশের অর্থনীতি পুণর্গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

    আমাদের দেশ এবং এশীয় তথা বিশ্বের সমৃদ্ধ ভবিষ্যত গড়তে সরকার এবং গণমাধ্যম হাতে হাত রেখে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন হাছান মাহমুদ।

    সূত্র : বাসস

  • শেখ হাসিনা কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন

    শেখ হাসিনা কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার সকালে দোহায় তৃতীয় কাতার অর্থনৈতিক ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন।

    ফোরামটি ২৩-২৫ মে লুসাইল শহরের ফেয়ারমন্ট এবং র‌্যাফেলস হোটেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    গতকাল সোমবার শেখ হাসিনা কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানির আমন্ত্রণে ফোরামে যোগ দিতে দোহায় আসেন।

    বিশ্বব্যাপী চলমান বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ও সংকট এবং এর ফলে উদ্ভূত বিরূপ অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করাই হচ্ছে এই ফোরামের মূল উদ্দেশ্য ।

    আজ মঙ্গলবার দিনের শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দোহায় কাতার বিশ্ববিদ্যালয়র শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এছাড়া কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জসিম আল থানি, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগামে, কাতারের জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সা’দ বিন শেরিদা আল কাবি এবং সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রী খালিদ এ. আল-ফালিহ’র সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রী কাতার ইকোনমিক ফোরামের আনুষ্ঠানিক নৈশভোজে যোগ দেবেন।

    সূত্র : বাসস

  • বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’

    বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’

    শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য এক দশকেরও বেশি সময় জেল খেটেছেন এবং পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডনে প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনেই ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ শান্তির এই বাণী ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে এই কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, জীবনব্যাপী আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন শান্তির অন্বেষণে নিবেদিত। ছাত্রজীবনে তিনি কলকাতার ভয়াল দাঙ্গার মধ্যে অসহায় বিপদাপন্ন মানুষকে উদ্ধারের জন্য জীবন বাজি রেখে নির্ভয়ে ছুটে গিয়েছেন। নবীন রাজনীতিবিদ হিসেবে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলীয় শান্তি সম্মেলনে প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৫৬ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদের স্টকহোম সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’ শান্তির এই প্রতিপাদ্যই সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূলমন্ত্র হিসেবে গৃহীত হয়েছে। তিনি সবসময় এশিয়া-আফ্রিকা-ল্যাটিন আমেরিকাসহ সকল মুক্তিকামী মানুষদের সমর্থন যুগিয়েছেন এবং অবিচল কণ্ঠে শোষিতের পক্ষে নিজের অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন উপলক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং সেই সঙ্গে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করছে জেনে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা এনে দিয়ে দেশবাসীর কাছে তিনি যেমন বঙ্গবন্ধু ও জাতির পিতা হিসেবে বরেণ্য হয়েছেন, তেমনি শান্তির স্বপক্ষে আপসহীন অবস্থান তাঁকে বিশ্ববাসীর কাছেও মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। শান্তি ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ সর্বোচ্চ সম্মান জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করেছে। নেলসন ম্যান্ডেলা, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, জওহরলাল নেহেরু, গামাল আবদেল নাসের, পাবলো নেরুদা, মার্টিন লুথার কিং, ইয়াসির আরাফাত, লিওনিদ ব্রেজনেভ প্রমুখ জুলিও কুরি পদকপ্রাপ্ত বিশ্ববিশ্রুত নামের তালিকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নামের সংযোজন প্রমাণ করে বিশ্ববাসীর চোখে আমাদের জাতির পিতার সম্মান ও মর্যাদা হিমালয়সম উচ্চতায় অধিষ্ঠিত।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জুলিও কুরি শান্তিপদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত সকলকে, বিশেষ করে এ স্মরণিকা প্রকাশের সঙ্গে জড়িত সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এ স্মরণিকা বিশ্ব শান্তির প্রবক্তা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আরো নিবিড়ভাবে জানার ক্ষেত্রে উপযোগী হবে বলে তিনি  বিশ্বাস করেন।

    সূত্র : বাসস

  • আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই: তথ্যমন্ত্রী

    আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, আমরা মনে করি, আমাদের যারা উন্নয়ন সহযোগী, তাদের সহযোগিতায় দেশ আজ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের এক অত্যন্ত ‘প্রোফাউন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টনার’। রবিবার (২১ মে) একটি দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট উদ্ধৃত করে সাংবাদিকরা দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এই কথা বলেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, যে পত্রিকা লিখেছে তাদের জিজ্ঞেস করুন। আমার এ বিষয়ে কোনও কিছু জানা নেই। আরেকটি কথা হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। গত ৫১ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়তা করে আসছে। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীকেও প্রশিক্ষণসহ নানা সহায়তা দিয়ে আসছে এবং সেই সহায়তা অব্যাহত আছে। আমরা মনে করি, আমাদের যারা উন্নয়ন সহযোগী, তাদের সহযোগিতায় দেশ আজ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের এক অত্যন্ত প্রোফাউন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টনার।

    মন্ত্রী বলেন, আর নিষেধাজ্ঞা আর পাল্টা-নিষেধাজ্ঞা এগুলো দিয়ে কোনও লাভ হয় না। সেটি ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে অনেকেই স্যাংশন দিয়ে রেখেছে। ইরানের সরকার তো পড়ে যায় নাই, বহাল তবিয়তে আছে। বহু বছরের স্যাংশনেও ছিল, কিউবাকে টলানো যায় নাই, সরকারও পরিবর্তন হয় নাই। মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বহু বছর ধরে বহু স্যাংশন, সেখানকার সরকার তো পরিবর্তন হয় নাই। রাশিয়ার বিরুদ্ধে বহু স্যাংশন, সেগুলো অমান্য করেই ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং অনেকেই তাদের কাছ থেকে পণ্য আমদানি করছে। অর্থাৎ এগুলো দিয়ে আসলে লাভ হয় না।

  • দুইদিনের সফরে সোমবার কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    দুইদিনের সফরে সোমবার কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    দুইদিনের সফরে সোমবার (২২ মে) কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দোহায় অনুষ্ঠিতব্য ‘তৃতীয় কাতার ইকোনমিক ফোরাম’-এ যোগ দেবেন তিনি। এ উদ্দেশ্যে আগামীকাল বিকেল ৩টায় ঢাকা ত্যাগ করবেন তিনি।

    রোববার (২১ মে) প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব ইমরুল কায়েস রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ফোরামে অংশ নেবেন।

    আগামী ২৩ থেকে ২৫ মে কাতারের দোহায় ‘থার্ড কাতার ইকোনমিক ফোরাম: এ নিউ গ্লোবাল গ্রোথ স্টোরি’ শীর্ষক ফোরাম অনুষ্ঠিত হবে। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানির আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ফোরামে অংশগ্রহণ করবে। ফোরামে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদসহ প্রযুক্তি, অর্থ ও ব্যবসা খাতের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন।

    সফরে কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আলে সানির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এর আগে গত মার্চে এলডিসি ৫ সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য কাতারে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ইকোনমিক ফোরামটির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে বিরূপ অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়া সমাধানের পথ খুঁজে বের করার কাজ চলছে।

  • ধীরে ধীরে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু

    ধীরে ধীরে ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু

    রাজধানী ঢাকায় দ্রুত গতিতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে আরও ৫২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫১ জনই ঢাকার। তবে এই সময়ে ডেঙ্গুতে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

    শনিবার (২০ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ১৬২ জন ডেঙ্গু রোগী আছেন। ঢাকার ৫৩টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ১৪২ জন এবং অন্যান্য বিভাগে ২০ জন ভর্তি রয়েছেন এখন পর্যন্ত।

    চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪১৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৮৭২ জন এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছেন ৫৪২ জন।

    চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ২৪০ জন। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়াতে ইসলামিক স্কলারদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়াতে ইসলামিক স্কলারদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে রেখে একটি আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নত জাতি গঠনে অবদান রাখতে হজযাত্রী এবং আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
    তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের (হজযাত্রীদের) এবং আলেম-ওলামাদের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি যাতে আমাদের শিশুরা এটি থেকে দূরে থাকতে পারে এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রস্তুত হতে পারে।’
    রাজধানীর আশকোনা এলাকায় আজ হজ অফিসে হজ কর্মসূচি-২০২৩ (১৪৪৪ হিজরি) উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
    তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং এটি সর্বদা মানুষের কল্যাণের ধর্ম যা মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে।
    ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস করে এমন কিছু লোকের কারণে ইসলামকে নিন্দিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে যারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তাদের কোন ধর্ম নেই।
    শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, যারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি করছে তারা সব ধর্মেই আছে।
    তিনি বলেন, ‘যদি কেউ মনে করে যে তারা নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে বেহেশতে যাবে, তা কখনই হবে না। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা বলেননি এবং আমাদের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তা বলেননি।’
    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের ইসলাম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং এই অল্প কিছু মানুষই ইসলামের নিন্দার কারণ হয়ে উঠছে।’
    তিনি বলেন, এই জঘন্য কাজটি থেকে এই লোকদের থামাতে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।
    তিনি আরো বলেন,‘আমাদের সবাইকে আমাদের শিশুদের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’
    প্রধানমন্ত্রী তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য হজযাত্রীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের (হজযাত্রীদের) কাছে আমার সবচেয়ে বড় দাবি হল, আপনারা আমার বাংলাদেশের জনগণের জন্য দোয়া করবেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’
    তিনি হজযাত্রীদের বাংলাদেশ ও এর জনগণকে মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষার জন্য প্রার্থনার আহ্বান জানান।
    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে কোনো দুর্যোগ বা সংকট -তা মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ- বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণের যাতে ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য প্রার্থনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটে কারণ এখানে অগ্নিসংযোগ, সহিংসতা এবং পরিবহনে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়।
    তিনি হজযাত্রীদের দোয়া করতে বলেন যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বর্তমান অগ্রগতি অব্যাহত থাকে।
    প্রথম হজ ফ্লাইটটি শনিবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
    এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ২২১ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করতে যাচ্ছেন। কভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে গত বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৭,৫৮৫।
    কভিড-১৯ মহামারীর আগে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে ১২৭,১৯৮ জন হজ পালন করেছিলেন।
    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৭ জুন হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো.ফরিদুল হক খান এমপি’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান।
    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী, হাবিব হাসান এমপি, বাংলাদেশে সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসেফ ইসা আল দুলাইহান এবং হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি শাহাদাত হোসেন তসলিম।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে হজ ব্যবস্থাপনার ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    সরকার প্রধান বলেন, তাঁর সরকার দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজ বাংলাদেশকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে যেখানে দেশের মানুষ অন্তত খাবার খেতে পারছে।
    বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি।’
    হজের সময় হাজীদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা আল্লাহর মেহমান হিসেবে আল্লাহর ঘরের পাশাপাশি মক্কা-মদিনা শরীফে যাচ্ছেন। ‘আমরা প্রার্থনা করি যেন আপনারা নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং সুন্দরভাবে হজ পালন করতে পারেন এবং সেই সাথে আপনারা সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন।’
    তিনি বলেন, হজযাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে তারা ‘ই-হজ ব্যবস্থাপনা’ চালু করা হয়েছে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন হজের যাবতীয় কার্যক্রম যেমন প্রাক-নিবন্ধন, নিবন্ধন, ফেরত, মক্কা রোড সার্ভিস, ই-হেলথ, ই-ভিসা, ফ্লাইট, হেল্প ডেস্ক, কল সেন্টার, এজেন্সি প্রোফাইল ম্যানেজমেন্ট এসব ই-হজ ব্যবস্থাপনার অধীনে করা হচ্ছে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসএমএসের মাধ্যমে এবং কল সেন্টার থেকে প্রতিটি হজযাত্রীকে হজ সংক্রান্ত সকল তথ্য জানিয়ে দেয়া হচ্ছে এবং হজযাত্রীরা ১৬১৩৬ নম্বরে ডায়াল করে সবকিছু জানতে পারবেন।
    তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারা হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন-২০২১ প্রণয়ন করেছেন, যা হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করেছে। সূত্র : বাসস