Tag: বাংলাদেশ

  • বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন গুতেরেস

    বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন গুতেরেস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে বর্ণনা করেছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সরকারি দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।

    সেখানে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ জাতিসংঘের অনেক কর্মযজ্ঞে  উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। সেই কারণেই আমরা বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে বিবেচনা করি।

    জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, বিশেষ করে সে দেশের সেনাবাহিনী তরুণ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিয়োগ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ।

    দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে মহাসচিব জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিযোজন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতার প্রশংসা করেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান নিম্ন আয়ের দেশের কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করলে গুতেরেস এ বিষয়ে বিশ্বসংস্থার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এ জন্য বাংলাদেশকে পুরস্কৃত করা উচিত, শাস্তিদান নয়।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতসহ চলমান বিশ্বের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মহাসচিবকে তার নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাফায় সংঘাত এড়াতে সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব যেভাবে নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন, শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী তার প্রশংসা করেছে।

    এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের আলোকপাত বজায় রাখা, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময় পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে জাতিসংঘের জোরদার ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    জাতিসংঘ মহাসচিব গত দশকে বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করলে ড. হাছান তাকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ অনেক আগেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, মানবিক সূচকসহ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত কয়েক বছরে অনেক সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়েও ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান গত ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের দৃঢ় অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নে সহায়তার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান।বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের অর্ধশত বছরপূর্তিতে গুতেরেসকে বাংলাদেশ সফরের সাদর আমন্ত্রণ জানান তিনি।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা ও মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ এখন বিশ্বব্যাপী আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “এখন বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত। এটি সম্ভব হয়েছে সুশাসন, আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতার কারণে; গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিনিয়োগ; নারীর ক্ষমতায়ন; এবং আইসিটির কারণে, যা ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’-এর রূপান্তর ঘটিয়েছে।”

    আজ সোমবার (২৭ মে) সকালে গণভবনে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের এক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রায় অংশীদার হিসেবে থাকুন।”

    তিনি বলেন, “আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ‘স্মার্ট নেশন’ হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করি। এখানে, আমাদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বাড়াতে এবং আমাদের রপ্তানি ভিত্তি সম্প্রসারণে আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ ২০২৬ সালে ‘স্বল্পোন্নত’ থেকে ‘উন্নয়নশীল’ দেশে পরিণত হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “তার সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের জন্য প্রধান অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী। উভয় দেশের অনেক ক্ষেত্রেই নিবিড় সম্পৃক্ততা রয়েছে, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে।”

    তিনি বলেন, “আমাদের যৌথ লক্ষ্য হলো আমাদের জনগণের জন্য পারস্পরিক সুবিধা ও সমৃদ্ধি অর্জন করা। এটি আমাদের ক্রমবর্ধমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে মিথস্ক্রিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে আমাদের রপ্তানির বৃহত্তম একক-দেশীয় গন্তব্য, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের বৃহত্তম উৎস এবং জ্ঞান ও প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।”

    আগামী দিনে এ অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে এবং পারস্পরিক সুবিধার জন্য একটি মসৃণ ও অনুমানযোগ্য সরবরাহ শৃঙ্খল তৈরির মাধ্যমে আমাদের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদার হয়ে উঠবে।”

    নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জাহাজ নির্মাণ, অটোমোবাইলস, ফার্মাসিউটিক্যালস, হালকা ও ভারী যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক সার, আইসিটি, সামুদ্রিক সম্পদ এবং চিকিৎসা সরঞ্জামসহ সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলোতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ করার আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, “ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল আমাদের দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

    মার্কিন ব্যবসায়ী নেতাদের বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ অন্বেষণ এবং বিনিয়োগ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সরকার ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) এবং ২৮টি হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠা করছে। এর মধ্যে কয়েকটি চালু রয়েছে।”

    সম্ভাবনাময় আইটি সেক্টরের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আইটি সেক্টরে এক মিলিয়নেরও বেশি ফ্রিল্যান্সিং আইটি পেশাদার রয়েছেন। বাংলাদেশ আইটি খাতে বিনিয়োগের জন্য সঠিক গন্তব্য।”

    শ্রমিকের সহজলভ্যতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “এখানে প্রতিযোগিতামূলক মজুরিতে তরুণ, দক্ষ ও প্রাণবন্ত কর্মশক্তি পাওয়ার একটি বিশাল সুবিধা রয়েছে।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশে এ অঞ্চলের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ নীতির মর্যাদা রয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিত থাকুন, আমরা বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ১৭০ মিলিয়ন মানুষের বাজার এবং অবস্থান (ভৌগোলিক) দেশটিকে তিন বিলিয়ন মানুষের বাজারের কেন্দ্রস্থলে রেখেছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে এর ক্রমবর্ধমান কানেকটিভিটি বাংলাদেশকে এ অঞ্চল এবং এর বাইরে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের জন্য একটি আদর্শ জায়গা করে তুলেছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গেও অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নত করাও আমাদের লক্ষ্য।”

    গত ১৫ বছরে বেশ কয়েকটি মেগা-অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মেগা প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পদ্মা নদীর ওপর সেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল, এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকায় একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র ইত্যাদি।”

    আইনি ও আর্থিক অবকাঠামোও উন্নত করা হচ্ছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “এগুলো আমাদের অভ্যন্তরীণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাড়িয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির একটি।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ এখন ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, যা ২০৩০ সালের মধ্যে ২৫তম হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ প্রবৃদ্ধি একটি প্রাণবন্ত বেসরকারি খাতের কারণে, যেখানে মার্কিন ব্যবসাগুলোর একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।”

    সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর তার ব্যক্তিগত উদ্যোগের কারণে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বহুগুণ বেড়েছে।”

     

    নজরুল ইসলাম বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার বিষয়ে খুবই আগ্রহ প্রকাশ করেন। এক্ষেত্রে তারা কিছু জটিলতার কথা উল্লেখ করে সেগুলো সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।”

    স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান স্টিভেন কোবোস, ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশপ।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন।

    সঞ্চালনায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

  • বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন করেছে বিসিবি

    বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন করেছে বিসিবি

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৭ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচনের কথা ছিল জিম্বাবুয়ে সিরিজের শেষ দিনে। দল ঘোষণার পর জার্সি উন্মোচন হবে এমনটাই জানা গিয়েছিল প্রাথমিক খবরে। কিন্তু দল ঘোষণার পর জার্সি উন্মোচনের  বিষয়টি আসেনি। মাঝে বাংলাদেশ দল খেলেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ। সেই সিরিজটাও হেরেছে লজ্জাজনকভাবে। এরটর হঠাৎ করেই  ২৭ মের প্রথম প্রহরে বিশ্বকাপের জার্সি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে স্কোয়াডের গ্রুপ ছবি আকারে প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৪ সালের বাংলাদেশ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জার্সি।

    চিরায়ত নিয়ম মেনে জার্সিতে প্রাধান্য পেয়েছে গাঢ় সবুজ রঙ। পুরো জার্সিতেই বাঘের ডোরাকাটা আবছা ছাপ রাখা হয়েছে। কাঁধে লাল রেখাও নেমে গিয়েছে বাঘের চামড়ার আদলে। মাঝে হালকা হলুদ আর হাতের বর্ডারে থাকছে সোনালি রঙের ছাপ। জার্সিতে বাংলাদেশ এবং স্পন্সরের নাম রাখা হয়েছে সাদা রঙে। একই রঙে থাকছে বিশ্বকাপের লোগোটাও।

    এর আগে সর্বশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে টাইগারদের স্কোয়াড ও জার্সি উন্মোচন করা হয়েছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বেলায় সেটি হয়নি। তবে এবার স্যুট-বুটেড হয়ে আনুষ্ঠানিক ফটোসেশন হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আগামী ২ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ যৌথভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করবে। ২০ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অভিযান শুরু হবে ৭ জুন থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে। ১০ জুন বাংলাদেশ লড়বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। পরবর্তীতে ১৩ জুন নেদারল্যান্ডস এবং ১৭ জুন নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করবে বাংলাদেশ।

    দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের কাছে শেষ ম্যাচে হার ও ক্রিকেট জগতে নবাগত যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ বিশ্বকাপে কেমন করে সেটাই্ এখন দেখার বিষয়।

    তবে বাংলাদেশ ভালো করবে এমন আশা সবার। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে সে দৃষ্টান্ত রেখেছে বাংলাদেশ। কেননা যুক্তরাষ্ট্রের আবহাওয়ার সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে অনেক সময় পেয়েছে দলটি।

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ব: সেতুমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ব: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৫ মে, ২০২৪: শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ব, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। কিন্তু সেই বিজয়কে সুসংহত করায় এখনো আমাদের অনেক কাজ বাকি। বিজয়কে সুসংহত করার পথে বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে কিছু সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি তৎপর। আজকের এই দিনে আমাদের অঙ্গীকার-বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে সমূলে উৎপাটিত করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ব। সেটাই হবে নজরুলের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সার্থকতা।”

    আজ শনিবার (২৫ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা জানান।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “জাতীয়তাবাদের অবিসংবাদিত কবি, অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি, বিদ্রোহ ও বেদনার কবি, যৌবনের কবি আমাদের জাতীয় কবি। জাতীয় কবির জন্মতিথিতে আমরা যে কবিকে বঙ্গবন্ধু প্রতিবেশী দেশ থেকে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে এনেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পনায় কবির মৃত্যুর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সবুজ চত্বরে তাঁকে সমাহিত করা হয়। আজকের দিনে আমরা এটাই বলব -আমাদের বাঙালি জাতির স্বাধিকার সংগ্রাম, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম।”

    বিএনপির নেতাকর্মী আটক নিয়ে দলটির নেতাদের বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানোর অ্যাজেন্ডা আমাদের নেই। যে দুর্বৃত্ত, অগ্নিসন্ত্রাস, খুন করে, অস্ত্র ব্যবসা করে, অপরাধীকে অপরাধের মানদণ্ডে তাদের জেল জুলুম হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এখানে কোনো বিএনপি বা অন্য দলের ব্যাপারে আমরা নির্বাচনের পর নতুন করে আমরা কোনো চিন্তা ভাবনা করিনি-কাউকে নির্যাতন করব, জেলে পাঠাবো রাজনৈতিক দলের।”

    কবিতা ও গান স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আমরা তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।

    এ সময় আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে সেখানে উপস্থিত ছিলেন— দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর প্রমুখ।

  • বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল: খুরশিদ আলম

    বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল: খুরশিদ আলম

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, “ এ বছর ৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হবে। যারা অপ্রচার চালাচ্ছে তাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে তাকানোর সময় নেই। মানুষের আয় বেড়েছে। অনেকে না জেনে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। “

    আজ শনিবার (১৮ মে) দুপুরে পঞ্চগড়ের চেম্বার ভবন মিলনায়তনে এক কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    গ্রাহকদের ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রংপুর বিভাগে ‘গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।  বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

    খুরশিদ আলম আরও বলেন, “সাংবাদিকদের শুধু তথ্য দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে তিনজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি না হয় আমরা তিনজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুণ।”

    এসময় তিনি আরও বলেন, “ব্যাংকিং সেক্টরে যারা কাজ করছি তারা সবাই দেশের জন্য কাজ করছি। খেলাপিঋণ আদায়ে আপনারা সচেতন হোন। গ্রাহকদের সঙ্গে ভালো আচরণ করুন।”

    ‘গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪’ কর্মসূচিতে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে বলে জানান ডেপুটি গভর্নর।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুল আমিন ও রুহুল আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লিজা ফাহমিদা ও শায়েমা ইসলাম, ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফিউজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এফআইসিএসডি স্ট্রাটেজিক কম্যুনিকেশন টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক মাহেনুর আলম। দিন ব্যাপী এই আয়োজনে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবারে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন দেখানো হয়। এতে রংপুর বিভাগের প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

  • তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৯ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে

    তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৯ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা  – ৭ মে, ২০২৪: তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ৯ রানে হারিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। এর ফলে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম তিনটিতে জিতে সিরিজ নিজের করে নিলো বাংলাদেশ।

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে  ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান করে বাংলাদেশ। ওই রান তাড়া করতে নেমে ১৫৬ রানের বেশি করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে।

    প্রথম দুই ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিল বাংলাদেশ। এদিন টস জেতেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। তিনি বেছে নেন আগে বল করার। তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাসের জুটিতে প্রথম ৩ ওভারে ২২ রান আসে বাংলাদেশের।

    কিন্তু চতুর্থ ওভারে গিয়ে লিটন দাস রীতিমতো পাগলামি শুরু করেন। ব্লেসিং মুজারাবানির দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে স্কুপ করতে গিয়েও সেটি ঠিকঠাক করতে পারেননি। টানা তৃতীয় বলে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন। ১৫ বল খেলে ২ চারে কেবল ১২ রান করেন তিনি।

    পরের ওভারে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হয়ে যান। নিজের মুখোমুখি হওয়া দ্বিতীয় ও রাজার করা প্রথম বলে রিভার্স সুইপ করে চার হাঁকান শান্ত। দুই বল পর স্ট্রাইকে ফিরে হয়ে যান বোল্ড। রাজার আর্ম বলের লাইন মিস করেন ৪ বলে ৬ রান করা শান্ত।

    এরপর উইকেটে এসে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গী হন তাওহীদ হৃদয়। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে বাংলাদেশ তোলে ৪২ রান। দুজনের ২৬ বলে ৩১ রানের জুটিতে আশা খুঁজে পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এই জুটি ভেঙে যায় ফারাজ আকরামের বলে।

    তার বলে এগিয়ে এসে ঠিকঠাক টাইমিং করতে পারেননি তানজিদ। মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ২২ বলে ২১ রান করে। এই জুটি ভেঙে যাওয়ার পর হৃদয়ের সঙ্গী হয়ে দলকে টেনে নেন জাকের আলি অনিক। শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও আস্তে আস্তে হাত খোলেন জাকের ও হৃদয়।

    ৩৪ বলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পান তাওহীদ হৃদয়। ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্লেসিং মুজারাবানিকে স্কুপ করে চার হাঁকান হৃদয়। কিন্তু পরের বলেই তার ইয়র্কারে হয়ে যান বোল্ড। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ বলে ৫৭ রান করেন হৃদয়। জাকেরের সঙ্গে তার জুটি ছিল ৫৮ বলে ৮৭ রানের।

    হৃদয়ের এক বল পর মুজারাবানির আরেক ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে যান জাকেরও। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন তিনি। শেষ ওভারে ১৬ রান নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও রিশাদ হোসেন। রিয়াদ ৯ ও রিশাদ ৬ রানে অপরাজিত থাকেন।

    জিম্বাবুয়ের হয়ে ৪ ওভারে স্রেফ ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন মুজারাবানি। একটি করে উইকেট পান ফারাজ আকরাম ও সিকান্দার রাজা।

    রান তাড়ায় নেমেও জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের চেহারায় খুব একটা বদল আসেনি। আগের দু ম্যাচে আগে ব্যাট করে রান করতে পারেননি দলের টপ অর্ডার ব্যাটাররা, পারেননি এদিনও। পাওয়ার প্লের ভেতর ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে।

    শুরুটা করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তার বলে পুল করতে গিয়ে ঠিকঠাক টাইমিং করতে পারেননি জয়লর্ড গাম্বি। ৮ বলে ৯ রান করে থার্ড ম্যানে দাঁড়ানো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ দেন গাম্বি। এরপর ৮ বলে ৫ রান করা ব্রায়ান বেনেটের ক্যাচ নিজের বলে নিজেই নেন তানজিম হাসান সাকিব।

    তৃতীয় উইকেটটি আবার তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৭ বলে ৭ রান করা ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করেন তিনি। তিন উইকেট হারিয়ে ফেলার পর চাপে পড়া দলকে আরও একবার টেনে তুলতে ব্যর্থ হন জিম্বাবুয়ের জন্য লম্বা সময় ধরে ভরসা হওয়া অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। রিশাদ হোসেনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৫ বলে কেবল ১ রান করেন তিনি।

    একপ্রান্তে উইকেট যাওয়ার মিছিলে আরেক প্রান্ত আগলে ছিলেন তাদিওয়ানাসে মারুমি। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৬ বলে ৩১ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার বলে দারুণ এক ক্যাচ নেন সাইফউদ্দিন।

    আগের ম্যাচের অভিষিক্ত জনাথন ক্যাম্পবেল এ ম্যাচেও ঝড়ো শুরু করেন। ২ চার ও সমান ছক্কায় ১০ বলে ২১ রান করেন তিনি। টানা তৃতীয় বলে তানভীর ইসলামকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে বাউন্ডারির কাছে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি।

    ক্যাম্পবেলের বিদায়ের পর জিম্বাবুয়ের হয়ে শেষ লড়াইটুকু লড়েন ফারাজ আকরাম। বাংলাদেশের মনে ভয়ও ধরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ওয়েলিংটন মাসাকাদজার সঙ্গে নবম উইকেট জুটিতে পঞ্চাশের বেশি রানের জুটি গড়েন আকরাম ও ওয়েলিংটন। শেষ ছয় ওভারে ৭৫ রান দরকার ছিল জিম্বাবুয়ের।

    সেখান থেকে শেষ ওভারে ২১ রানের সমীকরণে নিয়ে আসেন তারা। যদিও শেষ ওভারের প্রথম বলেই ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে ইয়র্কারে বোল্ড করেন সাইফউদ্দিন। পরে টানা দুই বলে বাউন্ডারি হজম করার পর স্লোয়ার বাউন্সারে ডট দেন তিনি।

    এরপর সিঙ্গেলস নিয়ে আকরামকে স্ট্রাইক দেন মুজারাবানি। শেষ বলে দুই রানের বেশি নিতে পারেননি তিনি। ১৯ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন আকরাম।   এদিকে সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ঢাকায়।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।

  • প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৮ উইকেটে

    প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৮ উইকেটে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৪ মে, ২০২৪: অষ্টম উইকেটে রেকর্ড ৬৫ বলে ৭৫ রানের সুবাদে ১২৪ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের । শুক্রবার রাতে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়েকে অতি সহজেই ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ১৫ ওভার ২ বলে জয়েল লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

    রান তাড়ায় লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যর্থ হন। তবে অভিষেকেই আলো ছড়িয়ে দলকে জয় এনে দিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি জিম্বাবুয়ের জন্য। দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। দুই বলে কোনো রান করার আগেই মাহেদী হাসানের বলে বোল্ড হন ক্রেইগ আরভিন। তবে আরেক প্রান্তে ব্রায়ান বেনেট ভরসা জোগাচ্ছিলেন।

    ৪ ওভার শেষে দলটির ৩১ রান ছিল। কিন্তু তাদের হুট করে খেই হারানোর শুরু হয় পঞ্চম ওভারের শেষ বলে। দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা সাইফউদ্দিন নিজের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পান। ৪ চারে ১৪ বলে ১৭ রান করে আউট হন জয়লর্ড গাম্বি। ফ্লিক করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে দাঁড়ানো তাসকিনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

    মাহেদীর করা পরের ওভারের প্রথম দুই বলে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। প্রথমটি ছিল রান আউট। শন উইলিয়ামসের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝিতে আউট হন ব্রায়ান বেনেট। ৩ চারে ১৫ বলে ১৬ রান করেছিলেন তিনি। উইকেটে এসে জিম্বাবুয়ের বড় ভরসা সিকান্দার রাজা ফিরে যান প্রথম বলেই।

    মাহেদীর বলে প্যাডেল সুইপ করতে গেলে রাজার গ্লাভসে লেগে বল চলে যায় প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো লিটন দাসের হাতে। রিভিউ নিলেও সিদ্ধান্ত বদলায়নি। তিন বলে তিন উইকেট হারানো জিম্বাবুয়েকে আরও বেশি চাপে ফেলে দেন তাসকিন আহমেদ।

    পাওয়ার প্লের ঠিক পরের ওভারে এসে শেন উইলিয়ামস ও রায়ান বার্লকে সাজঘরের পথ দেখান তিনি। প্রথমে বোল্ড হন উইলিয়ামস। পরের বলে পয়েন্টে রিশাদ হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন বার্ল। দুজনেই আউট হন প্রথম বলে, শূন্য রানে। পরের ওভারে এসে ৬ বলে ২ রান করা লুক জংয়েকে আউট করেন সাইফউদ্দিন।

    ৪১ রানে ৭ উইকেট হারানোর পর জিম্বাবুয়ে আর কত রান করতে পারবে- এটাই ছিল প্রশ্ন। কিন্তু দলটির মূল লড়াই শুরু হয় ওখান থেকেই। ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে সঙ্গে নিয়ে  মাদানদে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব নেন। শুরুতে তারা ধীরস্থিরভাবেই খেলছিলেন। কিন্তু শেষদিকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তারা।

    শরিফুলের করা ১৭তম ওভারে ১১ ও রিশাদ হোসেনের করা পরের ওভারে ১৬ রান নেন মাসাকাদজা ও মাদানদে। এরপর ১৮তম ওভারের প্রথম বলে তাসকিনকেও ছক্কা হাঁকান মাসাকাদজা। এক বল পরই অবশ্য তার সঙ্গী মাদানদেকে বোল্ড করেন তাসকিন।   তার ইয়র্কার মাদানদের দুই পায়ের মাঝখান দিয়ে স্টাম্পে আঘাত করে।

    অষ্টম উইকেটে জিম্বাবুয়ের রেকর্ড ৬৫ বলে ৭৫ রানের জুটি ভেঙে যায় এতে। ৬ চারে ৩৯ বলে ৪৩ রান করে আউট হন মাদানদে। তার বিদায়ের পর জিম্বাবুয়ের রান হয়নি খুব একটা। শেষ বলে রান আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৩৪ রান করেন মাসাকাদজা। বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন তাসকিন। সমান ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট পান সাইফউদ্দিনও।

    রান তাড়ায় নেমে দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ব্লেসিং মুজারাবানির ইনসুইঙ্গারে বোল্ড হন ৩ বলে ১ রান করা লিটন দাস। চাপে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ ৩ ওভারে করে ১০ রান।

    এরপর বৃষ্টি নামায় খেলা বন্ধ থাকে। বিরতির পর খেলা শুরু হলে তানজিদ হাসান তামিম হাত খোলেন। দারুণ সব শটে রান করতে থাকেন তিনি। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আসা মুজারাবানির দেন ১৬ রান, ছয় ওভারে বাংলাদেশের রান হয় ৪২।

    এরপর আরেক দফা বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ওই বিরতির পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারিয়ে ফেলে স্বাগতিকরা।  ২৪ বলে এবার ২১ রান করে লুক জংয়ের বলে শন উইলিয়মসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত।

    তার বিদায়ের পরও আক্রমণাত্মকই থাকেন তানজিদ হাসান তামিম। তার সঙ্গে যোগ দেন তাওহীদ হৃদয়। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তানজিদ। আগে ওয়ানডে খেললেও এদিনই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় তানজিদের। শেষ পর্যন্ত ৮ চার ও ২ ছক্কার ইনিংসে ৪৭ বলে ৬৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তানজিদ। ৫ চার ও ১ ছক্কায় ১৮ বলে ৩৩ রান আসে হৃদয়ের ব্যাট থেকে।

  • বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

    বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে, বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, “রুহুল কবির রিজভী সাহেবরা যে কথা বলেন, তারা সে বাংলাদেশ দেখতে অভ্যস্ত। আজকে বাংলাদেশ এমন এক জায়গায় গেছে যে পেছনে তাকানোর সময় নেই। আজকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আজকে বিশ্ব হাতের নাগালের মধ্যে। কাজেই রুহুল কবির রিজভী সাহেবরা যে দুঃখ-কষ্টের বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছিলেন সেই দুখঃ-কষ্টের বাংলাদেশ আজকে আর নেই। আজকের বাংলাদেশ একটি সুন্দর বাংলাদেশ, হাস্যোজ্বল বাংলাদেশ। রুহুল কবির রিজভী সাহেবরা যে যত স্বপ্নই দেখুক সে স্বপ্ন পূরণ হবে না। বাংলাদেশ আর পিছনে তাকাবার বাংলাদেশ নেই।”

    আজ সোমবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে তিনি একথা বলেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, “আমরা গ্রামের মানুষ। আমরা যারা সরকারের লোক এবং সরকারে রয়েছি, আমরা কিন্তু রমজানের আগেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। রমজানের আগেই বাজার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার নির্বাচনী এলাকা মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরে বাংলা নগরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সুলভমূল্যে কেনাকাটার ব্যবস্থা করেছিলাম। ঢাকার মানুষ যে বাজার পরিস্থিতির মুখোমুখি ছিল মফস্বলের মানুষ কিন্তু সেই পরিস্থিতির মুখে ছিল না। ঢাকা শহরে এক পরিস্থিতি, মফস্বলের আরেক পরিস্থিতি। তৃণমূল কৃষক যে দামে বিক্রি করে ভোক্তার কাছে এসে তা ৫০-৬০ গুণ বেড়ে যায়। এটা আমরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।”

    তিনি বলেন, “সিন্ডিকেট একটা পপুলার শব্দ। সিন্ডিকেট আমার কাছে মনে হয়েছে বড় ব্যাপার। তবে সিন্ডিকেট কাঁচাবাজারের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়। মাঝখানে যারা মালামালটা কেনে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হওয়া দরকার। সে কাজটা সরকার করবে, সেটা সরকারের দায়িত্ব। আমরা যারা সরকারের আছি আমাদের দায়িত্ব। সুলভ মূল্যের বাজারের কারণে ঢাকা শহরে ১৫ রোজার পরে বাজার ফল করেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জিনিসপত্র, কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

    তিনি বলেন, “দেশের মানুষ দুটি বড় উৎসব পালন করলো। ঈদুল ফিতরের পর বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। দুই উৎসব আনন্দের মধ্যে দিয়ে পালন করেছে। ধন্যবাদ জানাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সবাইকে।”

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বলেন, “সচিবালয়ে আজকে আমারও ভালো লাগেনি। অনেক ভিড়ের সচিবালয়ে আজকে ভিড় কম। ঢাকার রাস্তায় অস্বাভাবিক। আসলে আমার জানামতে দুই পর্ব মিলে এতো ছুটি হয়নি। এখন স্বল্প সময়ের মধ্যে মানুষ বাড়িতে যায়। সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে। এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।”

  • বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে এগোতে দেওয়া হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে এগোতে দেওয়া হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মার্চ, ২০২৪: বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে এগোতে দেওয়া হয়নি, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ তো এক কদম এগোতে পারেনি। আমি বলি, এক কদম এগোতে দেওয়া হয়নি।”

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আজ বুধবার (২৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন প্রশ্ন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন বিএনপি নেতারা বলেন, ২৫ মার্চ নাকি আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাহলে যুদ্ধটা করলো কে? বিজয় কে আনলো? মুজিবনগর সরকার গঠন করে শপথ নিয়ে তারা যুদ্ধ পরিচালনা করলেন। সরকারপ্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তার গ্রেফতারের পর উপ-রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে সেই সরকারের অধীনে এ দেশে যুদ্ধ হলো।”

    তিনি বলেন, “যারা বলছেন, পালিয়ে গেলো- তাহলে যুদ্ধটা করলো কে? আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে জিয়াউর রহমান তো বেতনভুক্ত কর্মচারী হিসেবে চাকরি করেছেন। সামরিক অফিসার হিসেবে তিনি এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যে মেজর থেকে মেজর জেনারেল হলেন, সেটা কে দিয়েছেন? আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে। এই অকৃতজ্ঞরা ভুলে যায়।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “স্বাধীনতাযুদ্ধে আমরা প্রতিবেশীসহ অনেক দেশের সহায়তা পেয়েছি। আবার পেয়েছি, অনেক বড় বড় দেশের বৈরিতা। অবশ্য, সে দেশের নাগরিকদের সমর্থনও পেয়েছি। যারা আমাদের স্বাধীনতায় সহায়তা করেছে, তাদের আমরা সম্মানিত করেছি, স্বীকৃতি দিয়েছি। একমাত্র বাংলাদেশই এটা করেছে। এতে বাংলাদেশও সম্মানিত হয়েছে।”

    বিএনপি সত্যিকার অর্থে ভারতীয় পণ্য বর্জন করতে পারে কিনা, এই প্রশ্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে বলে দিয়েছেন;  ভারতের পণ্য ব্যবহার করবেন না। যে নেতারা বলছেন ভারতীয় পণ্য বর্জন করবেন না, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে? তাদের বউদের কাছ থেকে শাড়িগুলো এনে কেন পুড়িয়ে দিচ্ছেন না? আমি জানি, বিএনপির বহু মন্ত্রীর বউরা ওখানে গিয়ে শাড়ি কিনে এনে এখানে বিক্রি করত। আমি বিএনপি নেতাদের বলব, তাদের বউরা যেন ভারতীয় শাড়ি না পরেন। যেদিন ওগুলো এনে অফিসের সামনে পোড়াবেন, সেদিন বিশ্বাস করব; আপনারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেউ বলছে, গণতন্ত্র নেই। দেশের কোনো উন্নতিই হয়নি। স্বাধীনতার পরও এমন কিছু কার্যক্রম আমরা দেখেছি। জাতির পিতাকে সময় দেয়নি। স্বাধীন হওয়ার পরই শুরু হয়ে গেলো সমালোচনা। নতুন বিপ্লবসহ নানা ধরনের কথা। এদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধীরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল- মানুষের মন থেকে জাতির পিতাকে মুছে ফেলা। সফল হয়নি। যার কারণে তাকে থামিয়ে দিতে হত্যার পথ বেছে নেয়।”

    তিনি বলেন, “একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বিজয় এনে দেওয়া জাতির পিতার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিল বলে সম্ভব হয়েছে। সেই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলা, সবই তিনি করেছেন। এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধু নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি, এর ২৯ বছর ছিল জাতির দুর্ভাগ্যের। স্বাধীনতার পরপরই মাত্র তিন বছরে একটি স্বল্পোন্নোত দেশ হিসেবে গড়ে তোলেন শেখ মুজিব। আইন, নীতিমালাসহ সবকিছু করে দিয়ে যান। একটি সংবিধান আমাদের উপহার দিয়েছেন। এতে আমাদের প্রতিটি অধিকারের কথা বলা আছে।”

    আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, দলের স্বাস্থ্য সম্পাদক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি প্রমুখ।

  • শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজ জয়

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ মার্চ, ২০২৪: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের ২-১ জয়লাভ করেছে বাংলাদেশ। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই চাপে ছিলে। ৫০ ওভারের শেষ বলে ২৩৫ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা।২৩৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দুই অপেনার ব্যাটসম্যান খুব ভালো শুরু কলে। তারপর একদিকে আগলে থাকেন মুশফিকুর রহিম। আরেকদিকে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে জয়ের কাজটা সহজ করেন রিশাদ।

    সোমবার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২৩৬ রান রান তাড়া করতে নেমে ৫৮ বল হাতে রেখেই জয় পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

    সোমবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের শেষটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করেছে লঙ্কানরা।

    টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ধাক্কা দেন তাসকিন আহমেদ। নিজের প্রথম দুই ওভারে তিনি ফেরান লঙ্কান দুই ওপেনারকে। ৮ বলে ১ রান করা পাথুম নিশাঙ্কা তার বলে এলবিডব্লিউ হন, যদিও রিপ্লেতে দেখা গেছে রিভিউ নিলে বাঁচতে পারতেন তিনি।

    তাসকিনের পরের ওভারে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন আভিশকা ফার্নান্দো। ৬ বলে ৪ রান করে ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন তিনি। তার বিদায়ের পর কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা চাপ সামলে উঠার চেষ্টা করছিলেন জুটি গড়ে। কিন্তু এবার বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আগের দুই ম্যাচে একাদশে সুযোগ না পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান।

    পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ৪০ রান তুলে দুই উইকেট হারিয়ে এমনিতেই চাপে ছিল শ্রীলঙ্কা। ১১তম ওভারের দ্বিতীয় বলে সামারাবিক্রমাকে ফেরান মোস্তাফিজ। ১৫ বলে ১৪ রান করা এই ব্যাটার ক্যাচ দেন মুশফিকের হাতে। এরপর আবার আসালঙ্কাকে নিয়ে হাল ধরার চেষ্টা করেন মেন্ডিস।

    এবার তাদের জন্য বাধা হন রিশাদ হোসেন। আগের দুই ম্যাচে বেঞ্চে থাকা এই লেগ স্পিনার নিজের প্রথম বলেই পেয়ে যান উইকেটের দেখা। রিশাদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে দুর্বল শট খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দেন ৫১ বলে ২৯ রান করা মেন্ডিস। নিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে এসে এটিই রিশাদের প্রথম উইকেট।

    ৪৬ বলে ৩৭ রান করে আসালঙ্কাও ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে, তাকে ফেরান ওই মোস্তাফিজই। এরপর শ্রীলঙ্কার জন্য ত্রাতা হন লিয়ানাগে। দুইশ রান হওয়ার শঙ্কায় থাকা লঙ্কানদের সেটি ছাড়িয়েও নিয়ে যান বেশ খানিকটা দূরে। তার ওই রান করার সঙ্গী হন মাহিশ থিকসানা। লিয়ানাগের সঙ্গে ৭৮ বলে ৬০ রানের জুটি ছিল তার। মোস্তাফিজ চোট নিয়ে মাঠ ছাড়ায় ৪৮তম ওভার করতে আসা সৌম্য সরকার ফেরান তাকে। ৪০ বলে ১৫ রান করেন তিনি।

     

    আরেকদিকে শেষ অবধি দলের হাল ধরেন থাকেন লিয়ানাগে। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম সেঞ্চুরির দেখাও পেয়ে যান তিনি। আগের ছয় ইনিংসে তিনটিতে হাফ সেঞ্চুরি ছিল তার। ১০২ বলে ১১ চার ও ২ ছক্কায় ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটার।

    রান তাড়ায় নামা বাংলাদেশকে শুরুতেই অবশ্য ধাক্কা খেতে হয়। নিজেদের বোলিং ইনিংসের শেষ দশ ওভারে বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন। এর মধ্যে ছিলেন সৌম্য সরকারও। শেষ অবধি এই ওপেনারের কনকাশন সাব করতে হয়।

    তার জায়গায় ব্যাট করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম অবশ্য আলো ছড়িয়েছেন। এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে ৫০ বলে ৫০ রানের জুটি ছিল তার। ২২ বলে ১২ রান করে ড্রাইভ করতে গিয়ে এক্সট্রা কাভারে আভিশকা ফার্নান্দোর হাতে ক্যাচ দেন বিজয়। লাহিরু কুমারার বলে আউট হয়ে যান তিনি।

    পরের ওভারে এসে নাজমুল হোসেন শান্তকে ফেরান কুমারা। তার বলে উইকেটে পেছনে ক্যাচ দেন ৫ বলে ১ রান করা এই ব্যাটার। পরে কুমারাই নেন তাওহীদ হৃদয় ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উইকেট। ২৫ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি ছোঁয়া তানজিদ খেলেন ৮১ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৮৪ রানের ইনিংস।

    সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও মুশফিকুর রহিম। কিন্তু মিরাজকে ফিরিয়ে হাসারাঙ্গা চাপ বাড়ান বাংলাদেশের ওপর। ৬২ বলে ৪৮ রানের জুটি ছিল তাদের। মিরাজ ফেরার পর উইকেটে আসেন রিশাদ।

    উইকেটে এসে প্রথম বলেই হাসারাঙ্গাকে ছক্কা হাঁকান রিশাদ। ওই ওভারের বাকি চার বলে আরও একটি চার ও ছক্কা। হাসারাঙ্গা আবার ৪০তম ওভার করতে আসেন। ওই ওভারে ২৪ রান নেন রিশাদ। দলের জয়ও তখন অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। পরের ওভারের দ্বিতীয় বলে থিকসানাকে চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন মুশফিক।

    ২৫ বলে তার সঙ্গে রিশাদের জুটি ছিল ৫৯ রানের। ১৮ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন রিশাদ। অন্যদিকে ৩৬ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। এই জয়ে সিরিজটিও নিজেদের করে নিলো বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডে তারা জেতার পর দ্বিতীয়টিতে জিতেছিল সফরকারীরা।

    ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছেন রিশাদ, আর ম্যান অফ দ্যা সিরিজ হয়েছেন শান্ত।