Tag: পদ্মা সেতু

  • পদ্মা সেতু যতদিন থাকবে ততদিন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে স্ব-গৌরবে: সেতুমন্ত্রী

    পদ্মা সেতু যতদিন থাকবে ততদিন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে স্ব-গৌরবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুলাই, ২০২৪: পদ্মা সেতু যতদিন থাকবে ততদিন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে স্ব-গৌরবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের । তিনি বলেন, “পদ্মা সেতুর নাম শেখ হাসিনার নামে করতে চেয়েছিলাম। সংসদসহ সারা বাংলাদেশে দাবি উঠেছিলো। শেখ রেহানাও একই সুরে কথা বলেছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পদ্মা সেতু হবে পদ্মা নদীর নামে। আমার নাম এখানে ব্যবহার করা যাবে না। যতদিন পদ্মার ওপর পদ্মা সেতু থাকবে ততদিন শেখ হাসিনার নাম উচ্চারিত হবে স্ব-গৌরবে।”

    আজ শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে সেতু বিভাগ আয়োজিত পদ্মা সেতু প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে নিজের অনুভূতি এভাবেই প্রকাশ করেন তিনি এ কাথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক আমাদের হতাশ করে চলে গেল। পদ্মা সেতু থেকে অপবাদ নিয়ে সরে গেল। ২০১২ সালের জুলাই মাসে জাতীয় সংসদে দাড়িয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ঘোষণা দিলেন, আমরা আমাদের টাকায় পদ্মা সেতু করবো। তখন আমাদের আশপাশে প্রথম ও দ্বিতীয় সাড়িতে অনেকে বসা ছিল। তারাও এটা নিয়ে নানান কথা বলেছেন। কিন্তু আমরা করে দেখিয়ে দিয়েছি।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “পদ্মা এলাকায় ঘন কুয়াশা। আমরা যখন পিলারের উপর প্রথম স্প্যান বসাই, প্রধানমন্ত্রী তখন দেশের বাইরে। আমরা চেয়েছিলাম প্রধানমন্ত্রী এলেই স্প্যান বসাতে। তখন যোগাযোগ করা হলে প্রধানমন্ত্রী বললেন, পদ্মা সেতুর কাজ আমার জন্য এক সেকেন্ডও থেমে থাকবে না। প্রধানমন্ত্রী মুখ থেকে শোনা এই একটা কথাই আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা।”

    তিনি আরও বলেন, “ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক অর্জন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বাঙালি জাতির ইতিহাসে আরেকটি অর্জন নিজের টাকায় পদ্মা সেতু। শেখ মুজিবের কন্যা বলেই হয়তো সম্ভব হয়েছে।”

    এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন, সেতু বিভাগের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

  • পদ্মা সেতুর বরাদ্দ থেকে ১৮৩৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কম খরচ হয়েছে

    পদ্মা সেতুর বরাদ্দ থেকে ১৮৩৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কম খরচ হয়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ জুলাই, ২০২৪: পদ্মা সেতু প্রকল্পে জন্য বরাদ্দ করা হয় ৩২ হাজার ৬০৭ কোটি টাকা। এই টাকা থেকে এক হাজার ৮৩৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কম খরচ হয়েছে। মূল সেতুর ১৩ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা খরচে সাশ্রয় হয়েছে প্রায় ৫২৬ কোটি টাকা। তবে নদী শাসনে বেশি লেগেছে প্রায় ১৭১ কোটি ২৭ লাখ টাকা।

    আজ শুক্রবার (৫ জুলাই) পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বিষয়টি জানান।

    শফিকুল ইসলাম বলেন, “নানা অনিশ্চয়তার মধ্যেই আমাদের কাজটি সম্পন্ন করতে হয়েছে। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সংস্থা সরে যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর চেষ্টায় আমরা সেতুর কাজ শেষ করতে পেরেছি। আমাদের সর্বশেষ বরাদ্দ থেকে এক হাজার ৮৩৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা কম খরচ হয়েছে। আমরা ওই টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা দেব।”

    তিনি আরও বলেন, “এটি অনেক বড় একটি প্রকল্প। আমাদের কিছু ক্লেইম ছিল। নদীশাসন ও কারিগরি কিছু কাজ বাকি ছিল। বড় কাঠামো তৈরির পর ডিফেক্ট লায়াবিলিটি পিরিয়ড থাকে। এ সময়ে অবকাঠামোর ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকলে (যেমন কোথাও রং উঠে গেছে, কোথাও কিছুটা কাজ বাকি থেকে গেছে ইত্যাদি) তা সংশোধন করা হয়। ঠিকাদারদেরও বেশ কিছু ক্লেইম ছিল। এ কারণে বারবার আমাদের মিটিং করতে হয়েছে। অর্থাৎ সব কাজ এ সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে, গত ৩০ জুনই সম্পন্ন হয়েছে।”

    ২৩ বছর আগে ২০০১ সালের ৪ জুলাই মাওয়ায় পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সরকারে ফিরে ২০০৯ সাল থেকে আবার পুরোদমে কাজ শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল দরপত্র আহ্বান করা হয়। পরের বছর ২০১১ সালের ২৮ এপ্রিল পদ্মার বুকে চলন্ত ফেরিতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর হয়। পরে জাইকা, আইডিবি ও এডিবির সঙ্গে ঋণচুক্তি হয়।

    কিন্তু ২০১২ সালের ২৯ জুন বিশ্ব ব্যাংক ঋণচুক্তি বাতিল করে। ২৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে কাজ চলমান রাখেন এবং ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর মূল পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন তিনি। বিশ্বকে তাক লাগিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর স্বপ্ন জয়ের পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • পদ্মা সেতুসহ অনেক আইকনিক স্থাপনায় চীন আমাদের সহায়তা করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    পদ্মা সেতুসহ অনেক আইকনিক স্থাপনায় চীন আমাদের সহায়তা করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ জুলাই, ২০২৪: পদ্মা সেতুসহ অনেক আইকনিক স্থাপনায় চীন আমাদের সহায়তা করেছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “চীন আমাদের বড় উন্নয়ন অংশীদার। আমাদের অবকাঠামো উন্নয়ন—যেমন কর্ণফুলী টানেল, পদ্মা সেতুসহ অনেক আইকনিক স্থাপনায় চীন আমাদের সহায়তা করেছে। আমাদের উন্নয়ন অভিযাত্রায় চীন ভূমিকা পালন করে আসছে। উন্নয়ন অভিযাত্রা যেন বেগবান হয়, সফরে এটাই প্রাধান্য পাবে।”

    আজ বুধবার (৩ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, “আমরা সবার সঙ্গে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রেখেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। প্রধানমন্ত্রী কয়েকদিন আগে ভারত সফর করে এসেছেন, সে সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “চীনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে পরে বলবো, এখনো বলার  মতো সময় হয়নি। এটা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বিস্তারিত আমরা জানাবো।”

    প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর নিয়ে ভারতের কোনো আপত্তি আছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “ভারতের কখনো কোনো আপত্তি নেই।ভারতের প্রধানমন্ত্রীর (নরেন্দ্র মোদী) সঙ্গে বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তখন আমাদের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছিলেন, ‘আমি তো চীনে যাচ্ছি’। এভাবেই সেখানে আলোচনাটা এসেছিল।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৮-১১ জুলাই চীন সফর করবেন।

  • পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারি ঋণের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি পরিশোধ

    পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারি ঋণের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি পরিশোধ

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ জুন, ২০২৪: পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে দেশের অর্থনৈতিক ধারায় এসেছে ব্যপক পরিবর্তন। নানা ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করে। তাই আজ অর্থ বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য গৃহীত সরকারি ঋণের সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি বাবদ আরও ৩১৪ কোটি ৬৪ লাখ ৮৬ হাজার ৯৬৩ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

    এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেতু বিভাগ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার (জুন ২৭) দুপুরে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি পরিশোধের চেক হস্তান্তর করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ সময় সংশ্লিষ্ট সচিব ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    ২০২৩ সালের ৫ এপ্রিল প্রথম দুই কিস্তি বাবদ ৩১৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৭ হাজার ৪৯ টাকা পরিশোধের মাধ্যমে পদ্মা সেতু নির্মাণে সরকারের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ শুরু হয়। ৮ কিস্তিতে এখন পর্যন্ত বাবদ মোট ১ হাজার ২৬২ কোটি ৬৬ লাখ ছয় হাজার ৫৪৮ টাকা সরকারকে পরিশোধ করেছে সেতু বিভাগ।

    পদ্মা সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩২ হাজার ৬০৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা। নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় পুরো অর্থ বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে ঋণ হিসেবে দেয় অর্থ বিভাগ।

    গত ২০২২ সালের ২৬ জুলাই সরকারের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সংশোধিত ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ১ শতাংশ সুদসহ ৩৫ বছরে ঋণের টাকা ফেরত দেবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে চারটি কিস্তি করে সর্বমোট ১৪০টি কিস্তিতে সুদ-আসল পরিশোধ করা হবে।

    চুক্তি অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে সেতুটির ঋণ পরিশোধ শুরু হয়েছে এবং এ ঋণ পরিশোধের জন্য ২০৫৬-৫৭ অর্থবছর পর্যন্ত সময় পাবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

    ২০২২ সালের ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমত্তা পদ্মা নদীর বুকে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দেশের বৃহত্তম সেতুর উদ্বোধন করেন। পদ্মা সেতু সরাসরি দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমের ২১ জেলাকে রাজধানীর সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

    সেতু বিভাগ জানায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে এ বছরের জুন পর্যন্ত ১৫ শতাংশ ভ্যাট বাবদ পরিশোধিত হয়েছে ২২৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা। এছাড়া, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গতকাল বুধবার (২৬ জুন) পর্যন্ত সংগৃহীত টোলের পরিমাণ ১ হাজার ৬৫৩ কোটি ৭১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৫০ টাকা।

  • দুই বছরে পদ্মা সেতু থেকে আয় ১৬৪৮ কোটি টাকা: সেতুমন্ত্রী

    দুই বছরে পদ্মা সেতু থেকে আয় ১৬৪৮ কোটি টাকা: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৫ জুন, ২০২৪: দুই বছরে পদ্মা সেতু থেকে আয় ১৬৪৮ কোটি টাকা, বলে জানিয়েছেন আওয়মী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “গত দুই বছরে এই সেতু থেকে এক হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে এক কোটি ২৭ লাখ গাড়ি চলাচল করেছে।”

    আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১১৪তম বোর্ড সভা শেষে এই তথ্য জানান তিনি।

    পদ্মা সেতুর আজ দুই বছর পূর্তি। ২০২২ সালের ২৫ জুন এই সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর জন্য সুফল ভোগ করছে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ। যান চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ২৭ লাখ যানবাহন পারাপার হয়েছে। মোট টোল আদায় হয়েছে প্রায় এক হাজার ৬৪৮ কোটি টাকারও বেশি। অর্থ বিভাগের সঙ্গে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ছয় কিস্তিতে অর্থ বিভাগকে ৯৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।”

    আগামী ২৭ জুন সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি বাবদ ৩১৪ কোটি টাকার চেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে অর্থ বিভাগকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

    তিনি বলেন, “ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে জানানো হয়, এটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক দেশের বৃহত্তম প্রকল্প। প্রকল্পটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা হতে শুরু হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় আট হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মূল দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। র‌্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কি. মি.।”

    গত বছর ৩ সেপ্টেম্বর প্রকল্পের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যান চলাচলে জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ইতোমধ্যে ওঠা-নামার জন্য মোট ১৬টি র‌্যাম্প (এয়ারপোর্ট দুটি, কুড়িলে তিনটি, বনানীতে চারটি, মহাখালীতে তিনটি, বিজয় সরণিতে দুটি, ফার্মগেটে একটি ও এফডিসি গেট সংলগ্ন একটি) যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা আপাতত প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৭৪ দশমিক ৮১ ভাগ।

    এছাড়া ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কর্পোরেশন (সিএমসি)। প্রকল্পটি হযরত শাহজালাল বিমান বন্দর হতে শুরু হয়ে ঢাকা-ইপিজেড পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৭ হাজার ৫শত ৫৩ কোটি টাকা। ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়েটির অ্যালাইনমেন্টের মধ্যে ২১ কিলোমিটারে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৪৪ ভাগ।

    এ সময় পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

  • ঈদের ১৩ দিনে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৪২ কোটি টাকা

    ঈদের ১৩ দিনে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৪২ কোটি টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৩ জুন, ২০২৪: ঈদুল আজহার আগে ও পরে, গত ১০ জুন থেকে ২২ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত; ১৩ দিনে পদ্মা সেতুতে মোট টোল আদায় হয়েছে ৪২ কোটি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫০ টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ ।

    এর মধ্যে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২১ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা। আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫০ টাকা।

    পদ্মা সেতু কতৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১০ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্ত দিয়ে এই টোল আদায় হয়েছে। ১৩ দিনে দুই প্রান্ত দিয়ে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ১১০টি যানবাহন পদ্মা সেতু পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮২৫টি যানবাহন আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৪০টি যানবাহন পদ্মা সেতু পার হয়েছে।

    জোনা গেছে, ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি টোল আদায় হয়েছে ১৪ জুন। ওই দিন ৪ কোটি ৮২ লাখ ১৮ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়। এছাড়া গত ২২জুন ৩ কোটি ৭৮ লাখ, ৯২হাজার ২৫০ টাকা, ২১ জুন টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫৭ লাখ, ৬২ হাজার ৫০ টাকা, ২০ জুন টোল আদায় হয় ২ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার ১৫০ টাকা। এর আগে ১৫ জুন টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৮২ হাজার ৯০০ টাকা, ১৬ জুন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৭১ হাজার ১৫০ টাকা, ১৭ জুন ঈদের দিন ১ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৫৫০ টাকা, ১৮ জুন ২ কোটি ৭১ লাখ ২২ হাজার টাকা এবং ১৯ জুন ২ কোটি ৭০ লাখ ৬৩ হাজার ৫৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এর আগে ১০ জুন টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা, ১১ জুন ২ কোটি ৮২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা, ১২ জুন ৩ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৪৫০ টাকা এবং ১৩ জুন টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৬৮ লাখ ২১ হাজার ৭০০ টাকা।

    এর মধ্যে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২১ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা। আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫০ টাকা।

    ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধনের পর থেকে দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। উদ্বোধনের পরের দিন ২৬ জুন থেকে যানবাহন পারাপারের জন্য সেতু খুলে দেওয়া হয়।

  • ঈদের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায়

    ঈদের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায়

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: এবার ঈদের ৫ দিনের ছুটিতে পরিবার পরিজনের সঙ্গে অধিকাংশ মানুষই ছুটেছে নাড়ির টানে, বাড়ির পানে। তাই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঈদযাত্রায় মুখরিত ছিল পদ্মা সেতু। স্বাভাবিক কারণে টোল প্লাজায় দেখা গেছে যানবাহনের সারি। এই পাঁচ দিনের ঈদের ছুটিতে পদ্মা সেতু থেকে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    এবার ছুটির ৫ দিন (১৪ জুন থেকে ১৮ জুন) পর্যন্ত সেতু পাড়ি দিয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ২৫৩টি যানবাহন। যা থেকে নগদ টোল আদায় হয়েছে ১৭ কোটি ২ লাখ ৯৪ হাজার ১৫০ টাকা। ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম (ইটিসিএস) ও ক্রেডিটসহ টোলের পরিমাণ ১৭ কোটি ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮শ টাকা। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আমিরুল হায়দার চৌধুরী।

    সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ছুটির ৫ দিনে সেতুর মাওয়া প্রান্ত হয়ে পাড়ি দেয় ১ লাখ ৬৬১টি যানবাহন, জাজিরা প্রান্ত হয়ে পাড়ি দেয় ৫৯ হাজার ৫৯২টি যানবাহন। এতে মাওয়া প্রান্ত হয়ে নগদ টোল আদায় হয় মোট ৯ কোটি ৫৪ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫০টাকা। আর জাজিরা টোলপ্লাজায় নগদ টোল আদায় হয় ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা।

    এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় হয় ১৪ জুন (শুক্রবার)। এদিন ৪৪ হাজার ৩৩টি থেকে নগদ ৪ কোটি ৮ লাখ ৩০ হাজার ১০ টাকা টোল আয় হয়। যা একদিনে টোল আদায়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    এদিকে ৫ দিনে সবচেয়ে কম যানবাহন পাড়ি দিয়েছে ১৭ জুন। এদিন সেতু পারি দেয় ১৭ হাজার ৪৪১টি যানবাহন। ক্রেডিট ইটিসিএস ২৪ হাজার ৫০০ টাকাসহ টোল আদায় হয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকা।