Tag: স্বাস্থ্য

  • কিডনি সুরক্ষায় যত্নশীল হোন

    কিডনি সুরক্ষায় যত্নশীল হোন

    কিডনি হল মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা আমাদের শরীর থেকে বর্জ্য এবং অতিরিক্ত তরল ফিল্টার করতে সাহায্য করে। আপনার কিডনিকে সুস্থ রাখতে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাসগুলি গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, একটি সুষম খাদ্য বজায় রাখা, হাইড্রেটেড থাকা, নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধূমপান এবং অত্যধিক অ্যালকোহল সেবন এড়ানো, এবং ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো চিকিৎসা পরিস্থিতি পরিচালনা করা, যা কিডনি রোগের কারন হতে পারে। তাই নিয়মিত চেক আপ করানো উচিত।

    কিডনির ভালো যত্ন নেওয়ার জন্য সেরা উপায়গুলির মধ্যে একটি হল স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্য খাওয়া। তো চলুন, জেনে নেই কিডনির সুরক্ষায় সেরা কিছু খাবার-

    কম পটাসিয়ামযুক্ত ফল: আপেল, বেরি, আঙ্গুর এবং আনারসের মতো ফলগুলিতে পটাসিয়াম কম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

    শাকসবজি: ফুলকপি, বাঁধাকপি, রসূন, মরিচ এবং পেঁয়াজের মতো শাকসবজিতে পটাসিয়াম কম এবং ফাইবার বেশি, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এবং কিডনি স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

    শস্যদানা: শস্যদানা যেমন বাদামী চাল, গমের রুটি এবং কুইনো ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজগুলির একটি দুর্দান্ত উৎস, যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

    মাছ: স্যামন, টুনা এবং ম্যাকেরেলের মতো মাছ ওমেগা-3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা প্রদাহ কমাতে এবং কিডনির স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

    পানি: কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করা অপরিহার্য কারণ এটি শরীর থেকে টক্সিন এবং বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

    সুতরাং, আপনার কাছে আছে, স্বাস্থ্যকর কিডনির জন্য সেরা কিছু খাবার। আপনার ডায়েটে এই খাবারগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে মনে রাখবেন এবং সুস্থ কিডনির জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করবেন।

    তথ্যসূত্রঃ হেলথলাইন.কম , এভেরিডেহেলথ.কম

  • ফুসফুসকে ভালো রাখতে যা খাবেন

    ফুসফুসকে ভালো রাখতে যা খাবেন

    ফুসফুস সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে খাদ্য। বয়স বাড়ার কারণে, অত্যধিক পরিবেশ দূষণ এবং বিভিন্ন অসুখ-বিসুখের ফলে যাদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে গেছে, তাদের খাবারের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ভিটামিন এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ যেসব খাদ্য গ্রহণে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তার কিছু উদাহরণঃ:

    চর্বিযুক্ত মাছ: যেকোনো সামুদ্রিক মাছেই ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তবে বেশি পরিমানে পাবেন সামুদ্রিক মাছে যেমন ইলিশ, টুনা, সার্ডিন, স্যামন, ট্রাউট, হেরিং, কড মাছের তেলে। যা ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    বেরি: ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং অন্যান্য বেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

    আপেল: আপেলের মধ্যে রয়েছে কোয়ারসেটিন, যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা সিগারেটের ধোঁয়া এবং দূষণের কারণে ফুসফুসকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

    ফল শাকসবজিঃ বেদানা, আপেল, আঙুর, কমলালেবু, পেয়ারা, গাজর, বিনস, শসা, কুমড়ো ইত্যাদি ফল ও শাকসবজি ফুসফুসের স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এগুলোতে থাকা ভিটামিন-সি, ভিটামিন-এ, ফ্ল্যাভোনয়েড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফুসফুসের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন শাকসবজি খান এবং খাবারের পরে ফল খান।

    আঁশযুক্ত শস্যঃ বাদামী চাল এবং পুরো গমের রুটির মতো গোটা শস্যে আঁশ বেশি থাকে, যা ফুসফুসের ভাল কার্যকারিতার সাথে যুক্ত।

    রসুন এবং পেঁয়াজঃ রসুন এবং পেঁয়াজে এমন যৌগ রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

    বাদামঃ বাদাম ভিটামিন ই এর একটি ভাল উৎস, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

    সর্বোত্তম ফুসফুসের কার্যকারিতা সমর্থন করার জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং সুষম খাদ্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। উপরন্তু, ধূমপান এড়ানো এবং বায়ু দূষণের সংস্পর্শ ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।
    তথ্যসূত্রঃ হেলথ লাইন ও বোল্ড স্কাই

  • ভারতে বাড়ছে করোনা, কয়েকটি রাজ্যে চিঠি

    ভারতে বাড়ছে করোনা, কয়েকটি রাজ্যে চিঠি

    এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ভারতে ফের বাড়ছে করোনা। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮৪১ জনের শরীরে; যা গত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমানে ভারতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩৮৯-এ ঠেকেছে।

    ঝাড়খন্ড এবং মহারাষ্ট্রে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও, কেরালায় দুইজন সুস্থ হয়ে ওঠেছেন। সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ধরা পড়েছে কেরালা, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং গুজরাটে।

    ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এনডিটিভি জানায়, দৈনিক গড় আক্রান্ত এক মাসে ছয় গুণ বেড়েছে। এক মাস আগে যেখানে দিনে গড়ে শনাক্ত হতো ১১২ জন; সেখানে এখন ৬২৬ জন গড়ে শনাক্ত হচ্ছেন।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসারে, বর্তমানে করোনায় আক্রান্তের হার শূন্য দশমিক শূন্য এক শতাংশ। আর করোনা থেকে সেরে ওঠাদের হার ৯৮ দশমিক আট শূন্য।

    মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অনুসারে, দেশব্যাপী টিকাকরণ অভিযানের অধীনে ২২০ কোটি ৬৪ লাখ ডোজ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে প্রকোপ বাড়তে থাকায় ছয় রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্র। এতে বলা হয়েছে, সংক্রমণের আকস্মিক বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে মনোযোগ দেওয়া উচিত।

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব বুধবার মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটকে চিঠি লিখে পরীক্ষা, চিকিত্সা, শনাক্তকরণ এবং টিকা দেওয়ার ওপর জোর দিতে বলেছেন। সূত্র: এনডিটিভি

  • স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করুন

    স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করুন

    নিয়মিত রান্নায় সয়াবিন তেল দেশের ভোজ্যতেল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৩ সালে, সরকার বাধ্যতামূলক করেছে যে সয়াবিন তেল সহ ভোজ্যতেলকে ভিটামিন এ দিয়ে সুরক্ষিত করতে হবে। আজ, সয়াবিন তেল বাংলাদেশের ভোজ্য তেল উৎপাদনের একটি প্রধান উপাদান, যেখানে ১০ মিলিয়নেরও বেশি পরিবার ভর্তুকিযুক্ত সয়াবিন তেল পাচ্ছে। কিন্তু এর পূর্ব থেকেই সরিষা বীজের তেল বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবহৃত রান্নার তেল হিসেবে গ্রাম থেকে শহরে সর্বদা ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে সময়ে সচেতন মানুষদের মধ্যে আবারও ধীরে ধীরে সরিষা তেলের জনপ্রিয়তা ফিরে আসছে।

    সয়াবিন তেল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য পরিচিত। এটি ভিটামিন ই এর একটি ভাল উৎস, যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ তেলে তামা, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপকারী খনিজও রয়েছে। তুলনামূলকভাবে, সরিষার তেলে লিনোলিক অ্যাসিড এবং অলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা হৃদরোগের জন্য উপকারী। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। উপরন্তু, সরিষার তেলে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে, যা রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে উপকারী।

    কি খাবেন সরিষার তেল নাকি সয়াবিন তেল ?

    এ বিষয়ে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চীফ কনসালটেন্ট, পুষ্টিবিদ সামিরা খালেক সুকৃতি বলেন, “আমাদের দেশে যত ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহার হয় তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সরিষার তেল। সয়াবিন তেলে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা পাম অয়েলসহ বিভিন্ন কিছু মেশায়। অধিক মুনাফার জন্য তারা এ কাজ করে। কিন্তু সরিষার তেলে সে সুযোগ নেই। কারণ সরিষার তেলে এমন কিছু মেশালে ভালোভাবে মিক্সড হয় না। এ কারণে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো। সানফ্লাওয়ার অয়েলের সঙ্গেও অন্য তেল মেশানো যায়।’

    তিনি আরো বলেন- ক্যাস্টর অয়েল নিয়মিত খাওয়ার জন্য উপকারী নয়। রান্নায় নিয়মিত ব্যবহারের জন্য সানফ্লাওয়ার অয়েল ভালো, যদি সেটি খাঁটি হয়।

    সয়াবিন ও সরিষার তেলের পুষ্টিগুন ও ক্যালরি

    পুষ্টিগুন ও ক্যালরির বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সামিরা বলেন, ‘ক্যালরির দিক থেকে মোটামুটি সব তেল প্রায় সমান। তেল যেহেতু ফ্যাটের অধীন, এক গ্রাম ফ্যাট থেকে ৯ ক্যালরি পাওয়া যায়। ফলে তেলের ক্ষেত্রে ক্যালরির ডিসটেন্স কিন্তু বেশি হচ্ছে না।

    আমাদের দেহে দুই ধরনের ফ্যাট রয়েছে, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এক্ষেত্রে সয়াবিন তেলের চেয়ে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো, অলিভ অয়েল আরো ভালো। কিন্তু তেল ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। অনেকে মনে করেন, অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে বেশি পুষ্টি হবে। কিন্তু যখন আপনি অলিভ অয়েল বেশি তাপে রান্না করবেন গুণগত মান নষ্ট হবে। অলিভ অয়েল দিয়ে আপনি হালকা ডিম ভাজতে পারেন কিন্তু খুব বেশি তাপে রান্না করলে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণ পাবেন না।’

    আমাদের দেশে তেল-মসলা বেশি খাওয়া হয়। এ জন্য সয়াবিন তেল ব্যবহার করা হয়। চাইলে সরিষাবাটা তেল দিয়েও রান্না করা যায়। সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে বরং পরিমাণে কম লাগে। এতে শরীরে ক্যালরি বাড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। জানান এই পুষ্টিবিদ।

  • করোনার বুস্টার ডোজ আপাতত বন্ধ

    করোনার বুস্টার ডোজ আপাতত বন্ধ

    করোনার টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে সাময়িকভাবে তৃতীয় ও চতুর্থ বুস্টার ডোজ দেয়া বন্ধ হচ্ছে।

    বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে টিকা বিষয়ক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর এ তথ্য জানান।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, বুস্টার ডোজ নিতে ততটা বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেকে নিতে চাচ্ছেন না। বিশেষ করে চতুর্থ ডোজে তেমন সাড়া মিলছে না। তারপরও বুস্টারের যত টিকা ছিল তা শেষ।

    তিনি জানান, এসব টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আনা হয়। ইতোমধ্যে চাহিদা দেয়া হয়েছে, আসতে ৩-৪ সপ্তাহ লাগবে। আসা মাত্রই আবারও দেয়া হবে। এ দফায় ৩০ লাখ টিকা আসবে। চাহিদা অনুযায়ী আরও টিকা দেয়া যাবে।

    আহমেদুল কবীর বলেন, দেশে এখন পর্যন্ত ১৫ কোটি মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১৪ কোটির কাছাকাছি। তৃতীয় বা প্রথম বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ছয় কোটি এবং চতুর্থ ডোজ বা দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ছয় লাখের বেশি মানুষ।

  • বদহজম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

    বদহজম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

    হোটেল রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন দাওয়াত বা অনুষ্ঠানে রান্না সুস্বাদু হলে অনেকেই বেশি খেয়ে ফেলেন। যার ফলে তাকে ভুগতে হয় বদহজমের সমস্যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ডিসপেপসিয়া। পেট ফাঁপা, পেটে গ্যাস হওয়া, পেট ব্যথা করা, পেটের উপরের দিকে জ্বালা-পোড়া করা, মুখে আম্লিক স্বাদ লাগা এবং বমি হওয়া এগুলোই ডিসপেপসিয়া বা বদ হজমের লক্ষণ। বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ কিছু উপায় জানবো আজ।

    • প্রাচীনকাল থেকেই হজমজনিত সমস্যা দূর করার কাজে আয়ুর্বেদিক প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে জিরা। অগ্নাশয় এর এনজাইম নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে হজমে সহায়তা করে জিরা। এক চামচ ভাজা জিরা এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করুন।
    • এক গ্লাস ঘোলের মধ্যে এক চামচের চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ গোলমরিচের গুরা মিশিয়ে পান করুন।
    • আপনারা অনেকেই দেখবেন, রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে খাওয়ার শেষে মৌরি বীজ দিয়ে যায়। এর কারণ হলো, ইহা হজম শক্তির বৃদ্ধি করে এবং মৌরি বীজ চাবিয়ে খেলে বদহজম থেকে মুক্তিও পাওয়া সম্ভব। এই বীজ থেকে নিঃসরিত তেল অন্ত্রের পেশি সংকোচন, বদহজম, বমিভাব ও গ্যাস কমাতে পারে। দুই-তিন চা চামচ মৌরী বীজের গুঁড়া দিয়ে তৈরিকৃত চা-ও পান করতে পারেন।
    • পুদিনা বদহজম, আন্ত্রিক পেশী সংকোচন ও বমি ভাব প্রশমিত করতে পারে। বদহজম দূর করতে দিনে দুই তিনবার পুদিনার ক্যাপসুল (পেপারমিন্ট অয়েল সাপ্লিমেন্ট) সেবন করতে পারেন। পুদিনা চা পছন্দ করলে দেড় চা চামচ শুষ্ক পুদিনা পাতা এক মগ পানিতে ফুটিয়ে নিন। তারপর চা বানিয়ে গরম বা ঠান্ডা অবস্থায় পান করতে পারেন বুক জ্বালা থাকলে পুদিনা সুপারিশকৃত নয়।

    বদহজম এড়াতে পরামর্শঃ

    যদি দুগ্ধজাত খাবার গ্যাস বৃদ্ধি ও পেটফাঁপার অনুভূতি দেয়, তাহলে আপনার সম্ভবত ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে। আপনার বদহজমের প্রবণতা থাকলে খাদ্যতালিকা থেকে ল্যাকটোজ বাদ দিয়ে দিন।

    • ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খাবার খাবেন। খাবার চিবিয়ে না খেলে শরীরের ভেতর বাতাস ঢুকে গ্যাস বৃদ্ধি ও পেটফাঁপা হতে পারে।
    • ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে তিন ঘন্টা আগে খাবার খেয়ে নিন। কারণ ঘুমের সময় খাবার ভালোভাবে হজম হয় না।
  • খুব শীঘ্রই বিএসএমএমইউ’তে চালু হবে ‘বঙ্গবন্ধু ক্যান্সার সেন্টার’

    খুব শীঘ্রই বিএসএমএমইউ’তে চালু হবে ‘বঙ্গবন্ধু ক্যান্সার সেন্টার’

    জাপানের টোকিওতে অবস্থিত বিশ্বমানের ক্যান্সার গবেষণায় পথিকৃৎ ‘ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টার’-এ প্রথমবারের মত কোন বাংলাদেশী গবেষক ও চিকিৎসক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ লেকচার প্রদান করার সম্মাননা পান।
    এ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ‘বাংলাদেশের ক্যান্সার পরিস্থিতি ও ক্যান্সার চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক লেকচার প্রদান করেন।
    মঙ্গলবার জাপানে ক্যান্সার ‘রোগের চিকিৎসা ও ক্যান্সার প্রতিরোধে গবেষণা’ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এই কথা জানান।
    এসময় অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে সুদক্ষ চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল টিমের সহযোগিতায় বাংলাদেশের চিকিৎসা ও গবেষণা বিষয়ক কর্মকাণ্ড ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। শুধু দেশের গণ্ডিতেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশকে তুলে ধরতে ও গবেষণা কার্যক্রমে সকলকে সম্পৃক্ত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যেই আমেরিকা, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্সটিটিউটের সাথে আমরা সম্মিলিতভাবে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছি। আজ জাপানের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের সাথে গুরুত্বপূর্ণ এ আলোচনা-সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
    গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের ‘ডিভিশন অব প্রিভেনশন’- এর প্রধান ড. মানামি ইনোউয়ে, ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল হেলথ পলিসি রিসার্চ-এর প্রধান ড. তমোহিরো মাৎসুদা, সেকশন হেড (ডিভিশন অব প্রিভেনশন) ড. সারাহ কে আবে, হামামাৎসু ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. শাফিউর রহমান, ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল হেলথ পলিসি রিসার্চের স্টাফ সায়েন্টিস্ট ড. লরেলিন গ্যাটেলিয়ার, হিতোৎসুবাশি ইন্সটিটিউট ফর এডভান্সড স্টাডি’র রিসার্চ এসোসিয়েট ড. রাশেদুল ইসলাম ও ইউনিভার্সিটি অব টোকিও’র পিএইচডি ফেলো ড. তাজবীর আহমেদ।