Tag: বিএনপি

  • বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

    বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে: নৌপ্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২১ মে, ২০২৪: বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে, বলে জানিয়েছেন নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি বিএনপির জন্মলগ্ন থেকেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, দেশকে তলিয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেছে। কারণ তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিশ্বাস করো না, তারা মুক্তিযুদ্ধকে মানে না। আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াক, তারা চায় না। এজন্য তাদের অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন যে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দরকার নেই। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে সাহায্য পাওয়া যায় না। বিএনপি একটি সাহায্য নির্ভর রাজনীতিক দল।”

    আজ মঙ্গলবার (২১ মে) সকালে দিনাজপুর জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলা ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

    নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি বুঝতে পারছে ভোটে এলে তাদের সম্মান থাকবে না। কাজেই তারা এখন ভোট বর্জন শুধু না, দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত। সমগ্র পৃথিবী আজ যুদ্ধের মধ্যে জড়িয়ে গিয়েছে। এরকম একটি অর্থনৈতিক বিরাজমান পরিস্থিতিতে কোথায় তারা দেশের জন্য কথা বলবে, তা না করে তারা দেশকে কীভাবে নিচে নামানো যায় সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। এটা খুবই দুঃখজনক।”

    তিনি আরও বলেন, “এখন আর জাল ভোট দেওয়ার প্রচলন নেই। ভোটে মানুষের আগ্রহ আছে, প্রচারণায় দেখা গেছে। এখন কাজের মৌসুম এবং প্রচণ্ড গরম, বৃষ্টি হচ্ছে। প্রচারণা ভালো হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। ভোটকেন্দ্র দখল করা, ভোটের যে কারচুপি, অনৈতিক কাজকর্ম ভোটের মধ্যে ছিল তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। চলমান যে ভোটগুলো হচ্ছে তার বড় অর্জন মানুষ অনৈতিক জায়গাগুলো পছন্দ করছে না। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও এসবের মধ্যে নেই। প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যাচ্ছে, ভোটাররা যাকে ভালো মনে করবে তাকে নির্বাচন করবে। আমার ভোট আমি দেব যাকে খুশি তাকে দিব।”

    আজ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৫৬ টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

  • বিএনপির শাসনামলে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে নিয়ে জনগণকে শোষণ করত: আইনমন্ত্রী

    বিএনপির শাসনামলে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে নিয়ে জনগণকে শোষণ করত: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৭ মে, ২০২৪: বিএনপির শাসনামলে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে নিয়ে জনগণকে শোষণ করত, বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।তিনি বলেন, “বিএনপি তাদের শাসনামলে যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার-আলবদরদের সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের দালাল হয়ে বাংলাদেশের জনগণকে শোষণ করত, অত্যাচার করত। এখন জনগণের যে উন্নয়ন হচ্ছে, তা মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির সহ্য হচ্ছে না। সেজন্য তাদের মাথা খারাপ হয়েছে।”

    আজ শুক্রবার (১৭ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে বনগজ- কৃষ্ণনগর সড়কের তিতাস নদীর ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ বোরহান উদ্দিন, উপজেলার আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সামদানি ফেরদৌস, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মোমিন বাবুল, ধরখার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফিকুল ইসলাম সাফিসসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডোনাল্ড লুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না পেরে বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ডোনাল্ড লুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না পেরে বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৬ মে, ২০২৪: ডোনাল্ড লুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে না পেরে বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি ব‌লেন, “যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্যএশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন। এ নিয়ে বিএনপির মাথা আরও খারাপ হয়ে গেছে। অনেক চেষ্টা করেছিলেন দেখা সাক্ষাৎ করতে। তাদের আশায় গুড়ে বালি দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বার্তা দিয়ে গেছে তারা সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, গভীর করতে চায়। আমরাও সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১৬ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে এ মন্তব্য ক‌রেন তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, “আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপির নেতারা কোনোকিছুই দেখতে পান না। সব রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন। জিয়াউর রহমান বারবার আওয়ামী লীগকে ভাঙার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা যখন ফিরে এলেন এবং দলের দায়িত্ব নিলেন তখনই সকল নেতাকর্মী উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে।”

    তি‌নি ব‌লেন, “শেখ হাসিনার আগমন ঠেকানোর জন্য জিয়াউর রহমান সব প্রচেষ্টা নিয়েছিলেন। তারপরে শেখ হাসিনার আগমনের দিন সমাবেশ না হওয়ার সকল প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। তারপরে ১৯৮১ সালের ১৭ মে তার আগমনে জনসমুদ্র সৃষ্টি হয়।”

    হাছান মাহমুদ ব‌লেন, “শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান এবং এরশাদ দুজনই শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছেন। একবার নয় বহুবার তারা হত্যার অপচেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনা কখনই তার লক্ষ্য জনগণের অধিকার আদায় থেকে বিচ্যুত হননি।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, “আগে দেখতাম গয়েশ্বর রায় খেই হারায়, রহুল কবির রিজভী আবোলতাবোল বলে। এখন দেখি সিনিয়ররাও খেই হারিয়ে ফেলেছে, আবোলতাবোল বলছেন। যখন কেউ আশার আলো দেখে না তখন খেই হারিয়ে ফেলে।”

    তি‌নি ব‌লেন, “বিএনপির দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র কাজ দেয়নি। আমি বিএনপিকে অনুরোধ করব তারা গণতন্ত্রের স্বার্থে নিজের দলকে নিশ্চিহ্ন হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে শক্তিশালী  বিরোধী দলের ভূমিকায় নির্বাচনে অংশ নেবে।”

  • কর্মীরা হতাশ তাই বিএনপি ঝিমিয়ে পড়েছে: সেতুমন্ত্রী

    কর্মীরা হতাশ তাই বিএনপি ঝিমিয়ে পড়েছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৩ মে, ২০২৪: কর্মীরা হতাশ তাই বিএনপি ঝিমিয়ে পড়েছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিরোধী দল নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে আন্দোলনের নামে সারা দেশে যে ভয় সৃষ্টি করেছে, জনগণ তাদের পাশে নেই। বিএনপি ঝিমিয়ে পড়েছে। কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছে।”

    আজ শুক্রবার (৩ মে) সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “যারা আমাদেরকে চাপে রাখতে চেয়েছিল, তারাই এখন চাপে আছে। কারণ আরব বসন্তের ছোঁয়া আটলান্টিকের ওপারেও লেগেছে। ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

    তিনি আর বলেন, “বেগম জিয়া আইনের ফাঁদে আটকা। তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এ মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ মামলা করেনি। বিএনপির নেতাকর্মীরা বেগম জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করতেও ব্যর্থ হয়েছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমরা ব্যাপক উদযাপনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পালন করব। আগামী ১৭ মে আমাদের নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে সারা দেশে কর্মসূচি পালন করব।”

    এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গে জনগণ নেই: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গে জনগণ নেই: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১ মে, ২০২৪: বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গে জনগণ নেই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আন্দোলনের শক্তি তাদের (বিএনপি) নেই। আন্দোলনে জনগণ লাগে। তাদের সঙ্গে জনগণ নেই। তাদের হাতে ১৫ আগস্টের রক্তের দাগ, তাদের হাতে ২১ আগস্টের রক্তের দাগ, এদের হাতে শ্রমিকের রক্তের দাগ। এরা আবার ক্ষমতায় আসতে পারলে রক্তে ভাসিয়ে দেবে।”

    আজ বুধবার (১ মে) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় শ্রমিক লীগের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি নেতাদের কারো সঙ্গে কারো মিল নেই। একেকজনের একেক কথা। বিএনপির মধ্যে কাউকে পছন্দ না হলে বলে সরকারের এজেন্ট। এই বিএনপিকে আমরা ভাঙতে চাই না। তারা নিজেরা নিজেদের ভাঙনের জন্য দায়ী হবে। ঘরে এত শত্রু, নিজেদের ভাঙনের জন্য বাইরের শত্রুর প্রয়োজন হবে না।”

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপির কর্মীরা ক্লান্ত, নেতারা হতাশ, কেউ কেউ বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। বিএনপির মুখে আন্দোলনের কথাটা শুনলে ঘোড়ারও হাসি পায়।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “রিমোট কন্ট্রোল নেতাকে এ দেশের মানুষ গ্রহণ করে না। সাহস থাকলে রাজপথে আসুন। লন্ডনে বসে আন্দোলন হবে না, এটা প্রমাণ হয়ে গেছে।”

  • বিএনপি গণরাজনীতিতে নতুন কোনো মাত্রা যোগ করতে পারছে না: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি গণরাজনীতিতে নতুন কোনো মাত্রা যোগ করতে পারছে না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৯ এপ্রিল, ২০২৪: বিএনপি গণরাজনীতিতে নতুন কোনো মাত্রা যোগ করতে পারছে না, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিএনপি রাজনৈতিক দল হিসেবে গণরাজনীতিতে নতুন কোনো মাত্রা যোগ করতে পারছে না।”

    আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন, “বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিয়মিতভাবে গণমাধ্যমে একই গীত গেয়ে চলেছেন; প্রতিনিয়ত অত্যাচার-নির্যাতনের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গল্পের অবতারণা করছেন। জনগণের জন্য রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচি দেওয়ার ব্যর্থতা ঢাকার জন্য তারা এই অপকৌশল অবলম্বন করছেন। সন্ত্রাসী দল বিএনপির নেতারা নিজেদের অত্যাচারিত-নির্যাতিত দেখিয়ে ‘সিম্প্যাথি কার্ড’ খেলার অপচেষ্টা করছেন। জনকল্যাণের রাজনীতি বাদ দিয়ে এ ধরনের অপকৌশল গ্রহণ করায় বিএনপি দিনে দিনে সাংগঠনিকভাবে আরও দুর্বল হচ্ছে।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার সুদৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আছে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা এবং তাদের নেতৃবৃন্দ সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে এবং তাঁর সরকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। এখন অস্তিত্ব সংকটে থাকা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া বিএনপি সরকারের অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলছে! বিএনপি কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট একটি রাজনৈতিক দল। বিএনপির নেতৃবৃন্দ টিকে থাকার জন্য সর্বদা মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে রাজনীতিতে কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা চালায়। বিএনপি নেতৃবৃন্দের বোঝা উচিত, বিরোধী দল নয় বরং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে সরকারকে কাজ করতে হয়। সুতরাং নিজেদের নেতাকর্মীদের রাষ্ট্রবিরোধী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড থেকে নিবৃত্ত রাখাটাই বিএনপির জন্য শ্রেয় হবে।”

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, “শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করছে। জনগণের সেবা করাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির মূলনীতি। আওয়ামী লীগ সবসময় শাসন-শোষণ ও জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেছে। আওয়ামী লীগের হাতেই দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষিত। অন্যদিকে বিএনপি শাসনমালের দুর্নীতি-লুটপাট ও দুঃশাসনের কথা জনগণ ভুলে যায়নি। কীভাবে সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে সারা দেশকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছিল! সে সকল কাহিনী যারা প্রত্যক্ষ করেছে তারা স্মরণ করলে বা কেউ শুনলে এখনও শিউরে ওঠে। জনগণ সেই দুঃসহ সময়ের দিনগুলোতে ফিরে যেতে চায় না। আমরা জনগণের জন্য শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ।”

  • বিএনপি‘র ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো নজির নেই: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি‘র ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো নজির নেই: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ এপ্রিল, ২০২৪: বিএনপি‘র ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো নজির নেই, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল মনে করি না। তাদের ইতিহাসে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কোনো নজির নেই। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে, প্রহসনে পরিণত করেছে। গণতান্ত্রিক বিধিবিধান তারা দলের মধ্যেও কোনো দিন মানেনি। তারা বড় বড় কথা বলে, তারা কবে দলীয় কাউন্সিল করেছে তারা কোথায় দলীয় কাউন্সিল করেছে ৭-৮ বছর আগে লা মেরিডিয়ানে কেন্দ্রীয় কমিটির মিটিং হয়েছে।

    আজ শনিবার (২৭ এপ্রিল) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতায় যেতে বিএনপি বিদেশি প্রভুদের দাসত্ব করছে। বিএনপি দাসত্ব করে ক্ষমতা পাওয়ার জন্য, জনগণকে মূল বিষয় হিসেবে মনে করে না।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “এ দেশে সাধারণ মানুষের মাঝে যারা রাজনীতিকে নিয়ে গিয়েছিলেন তাদের মধ্যে জাতীয় নেতা শেরে বাংলা ছিলেন অন্যতম। সাধারণ মানুষকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শেরে বাংলাকে গ্রাম বাংলার কৃষকরা কোনোদিনও ভুলতে পারবে না। তিনি চিরদিন তাদের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রজাসত্ব ও ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে সুদ খোর মহাজনদের অত্যাচার থেকে রক্ষা করেছেন, তিনি সে জন্য এখনও স্মরণীয় হয়ে আছেন।”

    তিনি আরও বলেন, “ আজ আমাদের অঙ্গীকার বঙ্গবন্ধু, সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা লড়ে যাচ্ছি মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে। সেটাই শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের স্বপ্ন এবং সেটা আজ আমাদের অঙ্গীকার “

    এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে আওয়ামী লীগের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় নেতারা। সেখানে তারা এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, সুজিত রায় নন্দী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজীসহ অনেকে।

  • উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ৭৩ জনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় ৭৩ জনকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৬ এপ্রিল, ২০২৪: বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে সব ধরনের নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি। আগামী ৮ মে’র প্রধান ধাপের উপজেলা নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে কেউ এই নির্বাচনে অংশ নিবেনা। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় দলের ৭৩ জনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। এদের মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৮ জন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ২৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ২১ জন।

    আজ শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী ৮ মে প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপির যেসব নেতৃবৃন্দ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ ও মহিলা) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তাদেরকে দলীয় গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    যদিও তালিকায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এদের একজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। আরেকজন দলের কেউ নয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে বিএনপি।

     

    যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা হলেন-

     

    চট্টগ্রাম বিভাগ

    ১. মোসা. শিরীন আক্তার, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক, বান্দরবান জেলা মহিলাদল। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২. মো. রিটন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক, আলীকদম উপজেলা বিএনপি, বান্দরবান। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩. মোসা. জাহানারা জাহাঙ্গীর, সভাপতি, মহেশখালী উপজেলা মহিলাদল, কক্সবাজার। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪. জাহাদুল হুদা, সভাপতি, মহেশখালী উপজেলা যুবদল, কক্সবাজার। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    রাজশাহী বিভাগ

    ৫. কায়সার আহমেদ, সাবেক সহ—সভাপতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

    (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬. মো. কামাল উদ্দীন, সদস্য, ভোলাহাট উপজেলা বিএনপি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৭. মোসা. রেশমাতুল আরস রেখা, মহিলাদল নেত্রী, ভোলাহাট উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৮. মোহা. আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপি। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৯. বাবর আলী বিশ্বাস, সদস্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপি। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১০. আতাউর রহমান খসরু, আহ্বায়ক, মাত্রাই ইউনিয়ন বিএনপি, কালাই, জয়পুরহাট। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১১. শামীমা আক্তার (বেদেনা), সদস্য, জয়পুরহাট জেলা মহিলাদল ও

    সহ—সভাপতি, ক্ষেতলাল উপজেলা মহিলাদল। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১২. ইমতিয়াজ আহমেদ হীরা, সাবেক ভিপি, সদর উপজেলা,

    নাটোর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১৩. আফজাল হোসেন, সাবেক সিনিয়র সহ—সভাপতি, নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি, নাটোর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১৪. মোসা. মহুয়া পারভিন, সভাপতি, নলডাঙ্গা উপজেলা মহিলাদল, নাটোর। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    ময়মনসিংহ বিভাগ

    ১৫. এ বি এম কাজল সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা, হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপি, ময়মনসিংহ উত্তর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১৬. মোসা. সুমি বেগম, সহ—কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা মহিলাদল। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১৭. মোসা. মনোয়ারা বেগম, সহ—সভাপতি, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা মহিলাদল। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১৮. অ্যাডভোকেট হাসনাত তারেক, সদস্য, আইনজীবী ফোরাম হালুয়াঘাট উপজেলা, ময়মনসিংহ উত্তর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ১৯. জাহাঙ্গীর আলম খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদল, ময়মনসিংহ। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২০. শামসুর রশিদ মজনু, সাবেক সহ—সভাপতি, ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপি, ময়মনসিংহ উত্তর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২১. ইমরান হাসান পল্লব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ফুলপুর পৌর বিএনপি, ময়মনসিংহ উত্তর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২২. কামাল উদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপি, কিশোরগঞ্জ। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন)

    ২৩. নাজমুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি ও ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক, সদর উপজেলা, কিশোরগঞ্জ। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২৪. নাজমুল আলম, সদস্য, হোসেনপুর উপজেলা বিএনপি, কিশোরগঞ্জ। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২৫. ফরিদ আল—রাজি, সাবেক সদস্য, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদল। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২৬. হুমায়ুন কবির, সদস্য, হালুয়াঘাট উপজেলা যুবদল, ময়মনসিংহ উত্তর। তবে দলের কেউ নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২৭. এ বি এম সাইফুল মালেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কাকিলাকুড়া ইউনিয়ন বিএনপি, শ্রীবরদী উপজেলা, শেরপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২৮. আব্দুর রহিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক, ১ নং ওয়ার্ড, শ্রীবরদী শহর বিএনপি, শেরপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ২৯. সাদমান সৌমিক মুন, সভাপতি, গোসাইপুর ইউনিয়ন ছাত্রদল, শ্রীবরদী উপজেলা, শেরপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩০. জোবায়দুল ইসলাম রাজন, আহ্বায়ক, শ্রীবরদী উপজেলা ছাত্রদল, শেরপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩১. মো. আমিনুল ইসলাম বাদশা, সদস্য ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপি ও সদস্য, শেরপুর জেলা বিএনপি। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩২. মেহেদী হাসান মামুন, আহ্বায়ক, ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল, শেরপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    সিলেট বিভাগ

    ৩৩. সেবুল মিয়া, সহ—সাংগঠনিক সম্পাদক, যুক্তরাজ্য বিএনপি, বিশ্বনাথ উপজেলা, সিলেট। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩৪. গৌউছ খান, সাবেক আহ্বায়ক, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি, সিলেট। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩৫. ছবি চৌধুরী, সহ—সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা মহিলাদল ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, দিরাই উপজেলা বিএনপি, সুনামগঞ্জ। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩৬. রাহেলা বেগম হাসনা, সাংগঠনিক সম্পাদক, বড়লেখা উপজেলা বিএনপি ও সাধারণ সম্পাদক মৌলভীবাজার জেলা মহিলাদল। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩৭. গোলাপ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক, দিরাই উপজেলা বিএনপি, সুনামগঞ্জ। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩৮. গণেন্দ্র চন্দ্র দাস, সভাপতি, শাল্লা উপজেলা বিএনপি, সুনামগঞ্জ। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৩৯. স্বপ্না শাহীন বেগম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি, সিলেট। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪০. আব্দুল রব সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক, খাজানজি ইউনিয়ন বিএনপি, বিশ্বনাথ উপজেলা, সিলেট। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪১. কাউছার খান, যুগ্ম সম্পাদক, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল, সিলেট। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    বরিশাল বিভাগ

    ৪২. ফায়জুল কবির তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জিয়ানগর উপজেলা বিএনপি, পিরোজপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    ঢাকা বিভাগ

    ৪৩. আফরোজা রহমান লিপি, সভাপতি, সিঙ্গাইর উপজেলা মহিলাদল, মানিকগঞ্জ। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪৪. জাহিদুর রহমান তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক, হরিরামপুর উপজেলা যুবদল, মানিকগঞ্জ। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪৫. তোফাজ্জল হোসেন, সিনিয়র সহ—সভাপতি, সিঙ্গাইল উপজেলা বিএনপি, মানিকগঞ্জ। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪৬. মোশারফ হোসেন মুসা, সদস্য, হরিরামপুর উপজেলা বিএনপি, মানিকগঞ্জ। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪৭. এজাদুর রহমান মিলন, সহ—সভাপতি, গাজীপুর জেলা বিএনপি ও সদস্য, সদর উপজেলা বিএনপি, গাজীপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    কুমিল্লা

    ৪৮. সাজ্জাদ মোর্শেদ, সহ—প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল, নাসিরনগর উপজেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৪৯. ওমরাহ খান, সাবেক সহ—সভাপতি, নাসিরনগর উপজেলা বিএনপি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫০. শামীম ইস্কান্দার, সাধারণ সম্পাদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জিয়া পরিষদ। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫১. হানিফ আহমেদ সবুজ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, সরাইল উপজেলা যুবদল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫২. মাজহারুল ইসলাম, সদস্য, লাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫৩. হালিমা আক্তার শিমু, সহ—নারী অধিকার বিষয়ক সম্পাদক, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলাদল, মেঘনা উপজেলা। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫৪. দিলারা শিরীন, সহ—সাধারণ সম্পাদক, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলাদল, মেঘনা উপজেলা। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫৫. রমিজ উদ্দীন লন্ডনী, যুগ্ম আহ্বায়ক, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি ও আহ্বায়ক, মেঘনা উপজেলা বিএনপি। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    খুলনা বিভাগ

    ৫৬. মোসা. রোমানা আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক, মেহেরপুর জেলা বিএনপি ও

    সদস্য, সদর উপজেলা বিএনপি। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫৭. ইশরাত জাহান পুনম, সহ—সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা মহিলাদল, খোকসা উপজেলা, কুষ্টিয়া। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৫৮. মেহেদী হাসান মিন্টু, সদস্য, রামপাল উপজেলা বিএনপি ও আহ্বায়ক, বাগেরহাট জেলা তাঁতীদল। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    রংপুর বিভাগ

    ৫৯. সরোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহ—সভাপতি, ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপি, দিনাজপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬০. মো. সেলিম, যুব বিষয়ক সম্পাদক, ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবদল, দিনাজপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬১. মোসা. পারুল নাহার, সহ—সভাপতি, হাকিমপুর উপজেলা বিএনপি, দিনাজপুর। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬২. আব্দুল হাই, সাংগঠনিক সম্পাদক, বিরামপুর পৌর বিএনপি, দিনাজপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৩. মোসা. উম্মে কুলসুম বানু, সাধারণ সম্পাদক, বিরামপুর উপজেলা মহিলাদল, দিনাজপুর। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৪. মোসা. লতিফা আক্তার, সাবেক সভাপতি, পাটগ্রাম উপজেলা মহিলাদল, লালমনিরহাট। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৫. মোসা. মাকতুফা ওয়াসিম বেলী, আহ্বায়ক, হাতিবান্ধা উপজেলা মহিলাদল, লালমনিরহাট। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৬. ইমান আলী, সহ—সভাপতি, রৌমারী উপজেলা বিএনপি, কুড়িগ্রাম। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৭. সেকেন্দার আলী চাঙ্গা, সদস্য, রৌমারী উপজেলা বিএনপি ও সদস্য, কুড়িগ্রাম উপজেলা কৃষকদল। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৮. মোসা. তাজমিন নাহার (শাপলা), সহ—সভাপতি, রৌমারী উপজেলা মহিলাদল, কুড়িগ্রাম। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৬৯. শাহ মো. ফরহাদ হোসেন অনু, যুগ্ম আহ্বায়ক, পীরগাছা উপজেলা বিএনপি, রংপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

     

    ফরিদপুর

    ৭০. জানে আলম, সদস্য সচিব, চরভদ্রাসন উপজেলা কৃষকদল, ফরিদপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৭১. ফারুক মৃধা, প্রাথমিক সদস্য, চরভদ্রাসন উপজেলা বিএনপি, ফরিদপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৭২. শাহিদ আল—ফারুক, যুগ্ম আহ্বায়ক, ফরিদপুর জেলা কৃষকদল, সদর উপজেলা, ফরিদপুর। (ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৭৩. এ কে এম নাজমুল হাসান, সাবেক সদস্য কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল ও সদর উপজেলা, ফরিদপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৭৪. রউফ উন—নবী, সাবেক সভাপতি, সদর উপজেলা বিএনপি, ফরিদপুর। (উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী)

    ৭৫. শারমিন আক্তার টুকটুকি, সহ—সভাপতি, রাজবাড়ী জেলা মহিলাদল, সদর, রাজবাড়ী। (মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী)

  • বিএনপির নেতারা হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়েছে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপির নেতারা হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়েছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২৫ এপ্রিল, ২০২৪: বিএনপির নেতারা হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়েছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিএনপি যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাদের নেতারা হিতাহিত জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়েছে। তাদের বোধগম্য হয় না যে, আওয়ামী লীগ জনগণের কাতারে দাঁড়িয়ে রাজনীতি করে; জনকল্যাণে পরিকল্পনা গ্রহণ ও কর্মসূচি নির্ধারণ করে। আমরা সর্বদা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ওবায়দুল কাদের এ সব কথা বলেন।

    বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি গণবিরোধী রাজনীতি করে আসছে। রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে তারা জনগণকে শত্রুজ্ঞান করে শাসন-শোষণ ও অত্যাচারের স্টিম রোলার চালিয়েছিল। সন্ত্রাস ও উগ্র-জঙ্গিবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে সারা দেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। আর এখন সাংবিধানিকভাবে বৈধ ও গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ও নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করে জনগণকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার অপচেষ্টা করছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে সরকারবিরোধী তথাকথিত আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস-সহিংসতার পথ বেছে নেয়। বিএনপি ও তার দোসরদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনী সরকারের সুমসৃণ পথচলা এবং দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু দেশের জনগণ ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ।”

    তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, পূর্বের ধারাবাহিকতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের নামেও তারা অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে। আর দেশের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী ও মহামান্য আদালত জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বিএনপি নেতৃবৃন্দ সেটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালায়। বিএনপি প্রকৃতপক্ষে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন, সন্ত্রাসীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত। বিএনপি ক্ষমতায় থেকে নিজেদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীর পাশাপাশি বাংলা ভাইয়ের মতো দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীর সৃষ্টি করেছিল এবং তাকে রক্ষা করার জন্য ‘বাংলা ভাই মিডিয়ার সৃষ্টি’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত সরকার জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসীগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর।”

    বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী বলেন, “সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা জগদ্দল পাথরের মতো জেঁকে বসা বিচারহীনতার সংস্কৃতির অর্গল ভেঙে বিচারের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। সন্ত্রাসী বা অপরাধী যে-ই হোক তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। রাজনৈতিক বক্তব্যের আড়ালে সন্ত্রাসীদের রক্ষার অপকৌশল সফল হবে না।”

  • বিএনপি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২১ এপ্রিল, ২০২৪: বিএনপি জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিভিন্ন সময় বিএনপি ও তার দোসরদের যৌথ উদ্যোগে প্রযোজিত ও পরিচালিত সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে এবং দেশের জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে উসকানি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে।”

    আজ রবিবার (২১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমে এ বিবৃতি পাঠানো হয়।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনগণের কাছে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ঝাঁকুনি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। অথচ বিএনপি নিজেই রাজনৈতিকভাবে টালমাটাল অবস্থায় রয়েছে।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “বিএনপি ব্যর্থ রাজনীতির ধারায় হাঁটায় হোঁচট আর ঝাঁকুনির প্রকোপে পর্যুদস্ত। এ ঝাঁকুনি হলো বার বার পরাজয়ের ঝাঁকুনি। হতাশার গভীরে নিমজ্জিত হয়ে বিএনপি নেতাদের বোধশক্তি লোপ পেয়েছে। দিন দিন তারা দেশ, রাষ্ট্র ও জনগণকে শত্রুতে পরিণত করে চলেছে।”

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে দুরভিসন্ধিমূলক, কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অভূতপূর্ব উন্নয়ন-অগ্রগতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশ ও দেশের জনগণকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, যা দেখে বিএনপির গাত্রদাহ হয়।”