Tag: বাংলাদেশ

  • কমিউনিটি ক্লিনিকের বৈশ্বিক স্বীকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ

    কমিউনিটি ক্লিনিকের বৈশ্বিক স্বীকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর সন্তোষ প্রকাশ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর উদ্ভাবিত কমিউনিটি ক্লিনিকের বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা সারাদেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে।
    তিনি বলেন, ‘এমনকি আমি নিজেও জানতাম না যে প্রস্তাবটি (কমিউনিটি ক্লিনিকের বিষয়ে) কখন জাতিসংঘে উত্থাপিত হয়েছিল। প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার পর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আমাকে অবহিত করেছিলেন।’
    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) মন্ত্রিসভা কক্ষে মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে সভাপতিত্বকালে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
    মন্ত্রিসভার পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর এমন মানবিক উদ্যোগের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
    প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৭০টি দেশকে ধন্যবাদ জানাতে বলেন, যারা প্রস্তাবটি কো-স্পন্সর করেছে এবং জাতিসংঘের সবক’টি সদস্য দেশ সর্বসম্মতভাবে এটিকে সমর্থন করেছে।
    শেখ হাসিনা আরো বলেন, সবচেয়ে গুরুত্ব¡পূর্ণ বিষয় হল স্বাস্থ্যসেবা পরিষেবাগুলি প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে এবং সাধারণ মানুষ সেখানে চিকিৎসা নিতে আসছে।’
    তিনি বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে কেন্দ্র করে বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকারের কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার অভিজ্ঞতা সেসব দেশে ভাগ করে নিতে চায়, যারা এখনও তাদের দেশের তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে পারেনি।
    তিনি আরো বলেন, ‘অনেক দেশ এখনও মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে পারেনি। তারা চাইলে আমরা তাদের কাছে আমাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব।
    সব মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্যোগের স্থপতি শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তারা সীমিত সম্পদ নিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার ১১ হাজার বাড়ি তৈরি করেছে এবং ৪ হাজার বাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন করেছে।
    তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু করার ফলাফল সম্পর্কে জানার জন্য তারা এক বছর পর একটি জরিপ পরিচালনা করে এবং এর সাফল্যের হার ৭০ শতাংশের বেশি পাওয়া গেছে।
    ইতিবাচক ফলাফল দেখে তিনি বলেন, ওই সময়ে সরকার এই সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ১১ হাজার বাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়।
    শেখ হাসিনা বলেন, কিন্তু তাঁর সরকারের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তারা তা করতে ব্যর্থ হয়।
    ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামাত জোট সরকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো বন্ধ করে দেয়। কারণ তারা মনে করেছিল সেখান থেকে চিকিৎসা নেয়া জনগণ নিশ্চয়ই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে।
    আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামাত সমর্থকসহ সব মানুষ ক্লিনিক থেকে চিকিৎসা সেবা নিলেও বিএনপি-জামাত জোট কেন কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছিল সে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।
    শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ সালে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার পর যে তারা ট্রাস্ট গঠনের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে এটি আর কেউ বন্ধ করতে না পারে।
    প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোগ নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে একটি ১০ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন।
    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা এজন্য জনগণকে ধন্যবাদ জানান। কারণ তারা ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করে বারবার তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন।
    বুলেট, বোমা ও গ্রেনেড থেকে রক্ষা পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
    শেখ হাসিনা বলেন, ‘গ্রেনেড, বোমা ও বুলেট হামলার পরও আমি বেঁচে আছি বলে আল্লাহর কাছে আমার সকল কৃতজ্ঞতা। আমি এখনও দেশবাসীর কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।’
    সম্প্রতি জাতিসংঘে (ইউএন) বাংলাদেশে কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হওয়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকগুলি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে।
    এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কমিউনিটি-ভিত্তিক প্রথমিক স্বাস্থ্যসেবা : সার্বজনীন স্বাস্থ্য পরিষেবা অর্জনে একটি অংশগ্রহণমূলক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি’ শিরোনামের প্রস্তাবটি কমিউনিটি ক্লিনিকগুলিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে।
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিউনিটি ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা উদ্ভাবনী সেবা উদ্যোগ গড়ে তুলেছেন এবং সেই উদ্যোগের আওতায় জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে।
    প্রস্তাবিত রেজুলেশনে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল উদ্ভাবনী উদ্যোগকে ব্যাপকভাবে স্বীকৃতি দেয় এবং এই উদ্যোগটিকে ‘শেখ হাসিনা উদ্যোগ’ নামে অভিহিত করে।

    সূত্র : বাসস

  • আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশের অর্জন নস্যাৎ করতে দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ বুধবার (১৭ মে) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।

    তিনি বলেছেন, জনগণের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে একটা গভীর ষড়যন্ত্র চলতেই থাকবে, যেন আমাদের অর্জনগুলো নস্যাৎ হয়। তবে কেউ যাতে জনগণের ভাগ্য নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে, নজর দিতে হবে।’

    আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
    শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ।ছবি- সংগৃহীত

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগই একমাত্র দল, যারা বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণের চিন্তা করে। বাকি সব লুটেরার দল। তারা এ দেশের মানুষের কল্যাণের চিন্তা করে না। সে কথা মাথায় রেখে ওই সন্ত্রাসের দল, খুনির দল, ওই যুদ্ধাপরাধীদের দল যেন আর বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে না পারে, সেদিকে নজর দিতে হবে।

  • শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে : জয়

    শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে : জয়

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ ডিজিটাল রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক (আইসিটি) উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
    মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের  ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
    সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, শেখ হাসিনা যার প্রত্যাবর্তনে তৈরি হয় নতুন ইতিহাস, পুনরুদ্ধার হয় গণতন্ত্র গড়ে ওঠে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ ডিজিটাল রাষ্ট্র।
    তিনি বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে, মা-বাবা-ভাই হারিয়ে এক বিষাদগ্রস্থ মন, অশ্রুভেজা চোখ, নিদারুণ কষ্ট বুকে নিয়ে দেশে ফিরেছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।
    জয় বলেন, তিনি দেশে ফিরেছিলেন বলেই আজ আমরা স্বাধীনতার ফল ভোগ করতে পারছি। হিংসার রাজনীতি দূরীভূত হয়ে আজ আমরা সচ্ছল হয়ে উঠেছি, শান্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছি একটি সুজলা-সুফলা শ্যামল বাংলাদেশে।
    প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে, শহর-উপশহর-মফস্বলের প্রতিটি স্তরের মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে বৈপ্লবিক কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।এমনকি তথ্যপ্রযুক্তিসহ শিক্ষাখাতের যে আধুনিকায়ন করা হয়েছে, তার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম নিজেদের মানবিক ও স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ পাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী পরিকল্পনায় স্মার্ট প্রজন্মের হাত ধরে ক্রমেই গড়ে উঠছে স্মার্ট বাংলাদেশ। সূত্র : বাসস

     

  • দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

    দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অঞ্চলের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার্থে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন।
    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জাং-কেউনের সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘এই অঞ্চলের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার্থে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।’
    ইহসানুল করিম বলেন, শেখ হাসিনা দেশকে একটি প্রজন্মের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কোরিয়ান সাফল্যের প্রশংসা করেন।
    শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সাফল্য বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
    প্রধানমন্ত্রী কোরিয়ায় তাঁর দ’ুটি সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, দ্বিতীয় সফরে তিনি সেখানে বিস্ময়কর উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছেন।
    কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ), কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
    এ প্রসঙ্গে লি জাং-কিউন বলেন, ২০২০ সালে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১শ’ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার যা বর্তমানে ৩শ’ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২০ সালে ওডিএ ছিল ৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা এখন ৩শ’ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
    রাষ্ট্রদূত বলেন, কোরিয়া বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাত থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে আগ্রহী।
    তিনি গত ১৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
    বাংলাদেশে তার দায়িত্বপালনকালে অত্যন্ত সন্তোয় প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আমার হৃদয়ে আছে।’
    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর এ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • রিজার্ভ সংকট নেই, আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি: প্রধানমন্ত্রী

    রিজার্ভ সংকট নেই, আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি: প্রধানমন্ত্রী

    আমাদের রিজার্ভ এখনও যা আছে তাতে অন্তত এটুকু বলতে পারি, আমাদের এমন কোনো সংকট নেই। আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি।’ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ মজুত আছে।

    সোমবার (১৫ মে) জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
    রিজার্ভ সংকট সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডলার সংকট তো সারা বিশ্বেই রয়েছে। করোনার সময় আমাদের জাতীয় কেনাকাটাসহ সবকিছু বন্ধ ছিল, তাই ডলার কম খরচ হয়েছে। সে জন্য তখন ডলারের মজুত বেশি ছিল। করোনার পর বৈশ্বিক অর্থনীতি খুলে গেছে। আমাদের ক্রয় বেড়েছে, ডলার খরচ হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা রিজার্ভ নিয়ে বলতে বলতে সবার মাথায় এটা ঢুকে গেছে। আমাদের রিজার্ভ এখনও যা আছে তাতে অন্তত এটুকু বলতে পারি, আমাদের এমন কোনো সংকট নেই। আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিন মাসের খাদ্য কেনার মতো ডলার যেন আমাদের হাতে থাকে, সেটা নিয়েই আমাদের চিন্তা। রিজার্ভ নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। আমাদের তিন মাসের খাদ্য ক্রয়ের টাকা থাকলেই হয়।’

    ‘২০০৬ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল তখন রিজার্ভ ছিল শূন্য দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার, এখন ৩১ বিলিয়ন ডলার আছে। দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমাদের সব জমি আবাদ করব, আমরা অন্যের ওপর নির্ভর করব না। আমরা নিজেদেরটা দিয়েই নিজেরা চলব,’ যোগ করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতার সময়ে এক মাসের রিজার্ভও ছিল না, তখন কি দেশ চলেনি? এখন আমাদের ৩১ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ মজুত আছে। আমাদের রিজার্ভ এখনও পর্যাপ্ত রয়েছে।’

  • বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় জলবায়ু ঝুঁকি রোধে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ : তথ্যমন্ত্রী

    বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় জলবায়ু ঝুঁকি রোধে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় উদ্ভাবনী সবুজ প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্েযর ক্ষতি, সামুদ্রিক দূষণসহ পরিবেশগত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাবে বাংলাদেশ। সুইডেনের স্টকহোমে ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামে স্থানীয় সময় শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘সবুজ উদ্যোগ ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ’ গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এস্তোনিয়া, মালদ্বীপ, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় কমিশনসহ ইইউ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কয়েকটি দেশ এতে অংশ নেয়।
    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন টেকসই উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত। অতিরিক্ত তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা ও খরা, তীব্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মহাসাগরের অম্লায়ন ইত্যাদি, বিশেষত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলোর কোটি কোটি  মানুষের জীবন ও জীবিকার উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশের কার্বন নি:সরণ বৈশ্বিক অনুপাতে ০.৪৭ শতাংশের কম হলেও, আমরা পরিবেশ পরিবর্তনের অসহায় শিকার। বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় একটি দেশ হিসেবে জলবায়ু ও দুর্যোগজনিত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে ৭ম স্থানে রয়েছি আমরা। ’
    পরিবেশবিদ তথ্যমন্ত্রী এ অবস্থা উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা গোলটেবিলে তুলে ধরে বলেন, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ নিজস্ব জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নে ৮০০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন  করেছে। সরকার ২০২২-২০৪১ সালব্যাপী মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনার মাধ্যমে  নবায়নযোগ্য শক্তির সর্বাধিক ব্যবহারে কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কপ ২৬-এ আমাদের শক্তির ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আমরা ৬ মিলিয়নেরও বেশি সোলার-হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে ২০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় এনেছি, যা বিশ্বে এ ধরণের কাজের  বৃহত্তম নজীর। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্ভাবন ও স্থাপনায় বিশ্বব্যাপী অগ্রগামী ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সবুজ অংশীদারিত্বে যোগদানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ অনুকূল সাড়া দিয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন,  বাংলাদেশসহ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো উন্নত দেশগুলোর কারিগরি, আর্থিক সহায়তা ও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে। একইসাথে তিনি  বলেন, পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন এবং ঝুঁকি প্রশমনের মধ্যে ভারসাম্য ও লাভ-ক্ষতি তহবিলের প্রাথমিক কার্যক্রম চালু করার জন্য উন্নত দেশগুলো প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড় করার ক্ষেত্রে ইইউ ও অন্যান্য ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশ একত্রে কাজ করতে আগ্রহী।
    সুইডিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে তথ্যমন্ত্রীর বৈঠক : এদিকে ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ফোরামে যোগদান শেষে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টাবিয়াস বিলস্ট্রমের সাথে বৈঠক করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান। রোববার দুপুরে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় যেমন বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন, অন্যান্য উৎস থেকে সবুজ শক্তি উৎপাদন, উচ্চ প্রযুক্তি শিল্প, জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকিহ্রাস এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।সুইডেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেহেদী হাসান গোলটেবিল ও দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • সোমবার (১৫ মে) এসএসসির সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত

    সোমবার (১৫ মে) এসএসসির সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত

    ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমানের সোমবারের (১৫ মে) অনুষ্ঠেয় সব বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছে। রবিবার (১৪ মে) আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

    এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় ছয় শিক্ষাবোর্ডে রোববার ও সোমবারের এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। শনিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছিল।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কারণে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড, যশোর শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন আগামী সোমবারের (১৫ মে) পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হয়েছে। এদিন অনুষ্ঠেয় সব বোর্ডের প্রশ্ন অভিন্ন হওয়ায় ওই তারিখে সব বোর্ডের পরীক্ষাই স্থগিত করা হলো।

    ঘূর্ণিঝড় মোখার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর শিক্ষাকেন্দ্র ও শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের লার্নিং সেন্টারগুলো বন্ধ ঘোষণা করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কেন্দ্র

    কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কেন্দ্র

    উপকূল অতিক্রমরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কেন্দ্র আজ বেলা ৩ টায় মিয়ানমারের সিটুয়ের কাছ দিয়ে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করে মিয়ানমারের স্থলভাগের উপর অবস্থান করছে। সম্পূর্ণ ঘূর্ণিঝড়টি আজ সন্ধ্যা নাগাদ উপকূল অতিক্রম করে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।
    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    আজ বিকেল ৪টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২১ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
    আবহাওয়াবিদ খোঃ হাফিজুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
    উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস জানায়।
    কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার নদী বন্দরসমূহকে ৪ নম্বর নৌ-মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫ থেকে ৭ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির অগ্রবর্তী অংশ ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ু তাড়িত জলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে।
    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশাল বিভাগে ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (২৮৯ মিলিমিটার) বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের প্রভাবে কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রামের পাহাড়ী অঞ্চলের কোথাও কোথাও ভূমিধ্বস হতে পারে।
    উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

    সূত্র : বাসস

  • কেঁপে গেছে সেন্টমার্টিন, বাতাসের গতি ১৪৭ কিমি

    কেঁপে গেছে সেন্টমার্টিন, বাতাসের গতি ১৪৭ কিমি

    অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র তাণ্ডবে এখনো কাঁপছে সেন্টমার্টিনের ভবনগুলো। সমুদ্র পেরিয়ে কক্সবাজারের স্থলভাগে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। বর্তমানে টেকনাফ ও সেন্টমার্টিনের ওপর দিয়ে ঝড়টি অতিক্রম করছে। সেন্টমার্টিনে এখন বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১৪৭ কিলোমিটার।

    রোববার (১৪ মে) আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে এতথ্য জানা যায়। আবহাওয়া অফিস জানায়, মোখার তাণ্ডবে সেন্টমার্টিনের বাড়িঘর ও দুর্বল স্থাপনার রিসোর্ট ভেঙে পড়েছে। তবে ঝড়ের তাণ্ডবে প্রাণহানির বা বড় রকমের ক্ষয়ক্ষতির খবর জানা যায়নি। এর আগে আবহাওয়া দফতরের পরিচালক আজিজুর রহমান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ অতিক্রম করছে। আমরা ১১টার দিকে সেন্টমার্টিনে বাতাসের গতিবেগ পেয়েছিলাম ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার। তবে এখন তা ১০০ কিলোমিটারের বেশি। সেখানে থাকা আমাদের কর্মীরা জানিয়েছেন, ঝড়ের কারণে সেখানকার ভবন কাঁপছে। বিকেল ৩টা পর্যন্ত বাতাসের গতি আরও বাড়বে।’

    এদিকে বিকেল ৪টার দিকে জোয়ার শুরু হবে জানিয়ে জলোচ্ছ্বাস হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেন এ আবহাওয়াবিদ। তিনি বলেন, ঝড়ের প্রভাবের পাশাপাশি বিকেলে জোয়ার শুরু হলে জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হবে সেন্টমার্টিন ও টেকনাফের নিম্নাঞ্চল। ওই সময় ৮ থেকে ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা রয়েছে।

    এদিকে সন্ধ্যা নাগাদ পুরো উপকূল অতিক্রম করবে মোখা। যদিও এর অগ্রভাগের প্রভাবে শনিবার গভীর রাত থেকেই উপকূলে শুরু হয় বিরূপ পরিস্থিতি।

    এর আগে দুপুর ১টায় আবহাওয়া অফিসের সবশেষ ব্রিফিংয়ে পরিচালক মো. আজিজুর রহমান বলেন, মোখার কেন্দ্রের আঘাত পড়ছে টেকনাফের ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে মিয়ানমার উপকূলে। এতে পুরো কক্সবাজার উপকূল হুমকিতে থাকলেও, বড় ধরনের ক্ষতির শঙ্কা নেই।

    আবহাওয়া দফতর কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকত দেখিয়ে যেতে বলেছে।

    এ ছাড়া উপকূলীয় আরও ১১টি জেলায় বহাল থাকছে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত।

    ঝড়ের প্রভাবে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপর, ভোলাসহ উপকূলীয় ১০ জেলায় ৫ থেকে ৭ ফুট জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে।

  • ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ফোরামে তথ্যমন্ত্রী :  যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, পর্তুগালের সাথে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক

    ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ফোরামে তথ্যমন্ত্রী : যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, পর্তুগালের সাথে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক

    স্টকহোমে দ্বিতীয় ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামে যোগ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    জনসংযোগ মন্ত্রণালয়ের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদ জানান, শনিবার স্টকহোমে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এ ফোরামের সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন এবং পাশাপাশি বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদজা লাহাবিব (Hadja Lahabib), যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী লর্ড আহমদ (Lord Ahmad) এবং পর্তুগালের সেক্রেটারি অভ স্টেট ফ্রান্সিসকো আন্দ্রের (Francisco Andre) সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

    রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা করবে যুক্তরাজ্য ও বেলজিয়াম

    যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও জাতিসংঘ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লর্ড আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বহুমুখী সম্পর্কের সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করেন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনায় যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়া অব্যাহত রাখবে এবং দেশটি রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সক্রিয় থাকবে।

    ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ফোরামে তথ্যমন্ত্রী : যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, পর্তুগালের সাথে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক
    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সুইডেনের স্টকহোমে শনিবার অনুষ্ঠিত ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামের সাইডলাইনে পর্তুগালের সেক্রেটারি অভ স্টেট ফ্রান্সিসকো আন্দ্রের (Francisco Anfre) সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

    বৈঠকে তারা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে বিশেষ আলোকপাত করেন। যুক্তরাজ্যের প্রতিমন্ত্রী এ সময় রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলার ঐতিহাসিক অভিষেক অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ জানান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের  অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন।

    বেলজিয়ামের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদজা লাহাবিবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে আলোচনা হয় এবং বেলজিয়ামের মন্ত্রী এ বিষয়ে আন্তরিক সহায়তার মনোভাব জানান। দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ওপরও জোর দেন তারা।

    আগামী বছর ঢাকায় কনসুল্যার মিশন খুলতে পারে পর্তুগাল

    পর্তুগালের সেক্রেটারি অভ স্টেট ফ্রান্সিসকো আন্দ্রে বৈঠকে মন্ত্রী হাছান মাহমুদকে জানান, পর্তুগাল সরকার আগামী বছরের মধ্যে ঢাকায় একটি কনস্যুলার মিশন খোলার প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে। এতে করে বাংলাদেশিদের পর্তুগাল ভ্রমণ সহজ হবে। তথ্যমন্ত্রী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।

    ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ফোরামে তথ্যমন্ত্রী : যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, পর্তুগালের সাথে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক
    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সুইডেনের স্টকহোমে শনিবার অনুষ্ঠিত ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামের সাইডলাইনে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী লর্ড আহমদের (Lord Ahmad) সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন।

    ফ্রান্সিসকো আন্দ্রে পর্তুগালে ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশিদের উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মকান্ড এবং পরিশ্রমী মনোভাবের প্রশংসা করে বলেন, পর্তুগিজ সমাজের সাথে মিলেমিশে তারা অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখছে।

    সুত্রঃ পরিচালক-জনসংযোগ মন্ত্রণালয়