Tag: প্রযুক্তি

  • প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

    প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জুন, ২০২৪: প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল সিস্টেম, কম্পিউটার শিক্ষা—এই শিক্ষার প্রসার আমরা ঘটাচ্ছি। তার কারণ হচ্ছে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না। তাদেরও সেইভাবে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন একটা জাতি হিসেবে গড়ে তুলব”।

    আজ মঙ্গলবার (জুন ০৪) দুপুরে গণভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৩ এবং ১০৪তম জন্মবার্ষিকীতে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিগত বছরগুলোতে নিয়মিত অনুষ্ঠিত এসব প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৩০৪ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কয়েকজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের যারা তরুণ, শিশু তারাই হবে ২০৪১ এর স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তোমরা এ দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেভাবেই আমরা তোমাদের গড়তে চাই”।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ২০০৮ সালে আমরা ঘোষণা দিয়েছি ডিজিটাল বাংলাদেশ করার, এখন আমাদের ঘোষণা ২০২১ সালের বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। সেজন্য আমরা কম্পিউটার ল্যাব করে দিয়েছি স্কুল স্কুলে, সেই সাথে কম্পিউটার ট্রেনিং এবং ইনকিউভেশন সেন্টার করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়”।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যত দূরেই থাকি না কেন এই ছোট্ট সোনামণিরা তোমরা আছো আমার অন্তরে। আমরা শিশুদের সুরক্ষায় আইন করেছি নীতিমালা করেছি। শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করেছি। প্রাক প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। বৃত্তি উপবৃত্তি দিচ্ছি, উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা বৃত্তি দিচ্ছি। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপে সাক্ষরতার হার ৪৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৬ ভাগে উন্নীত হয়েছে”।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি জেলায় জেলায়। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্যাশন ডিজাইন বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যারো স্পেস অ্যান্ড এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বহুমুখী বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা যেন লেখাপড়া শিখতে পারে, তাদের মেধার বিকাশের সুযোগ হয়, সে সুযোগটা আমরা করে দিয়েছি”।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের প্রেসিডেন্ট প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হাশেম খান। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান।

  • প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারে হতে পারে এক ভয়াবহ অসুখ – ফোমো

    প্রযুক্তির বহুল ব্যবহারে হতে পারে এক ভয়াবহ অসুখ – ফোমো

    প্রযুক্তির অতি ব্যবহারের কারনে এক ধরনের জটিল মানসিক ভীতি, উদ্বিগ্নতা এবং উত্তেজনাপূর্ণ এক অনুভূতির প্রবনতা কাজ করে বেশিরভাগ মানুষের মাঝে যার নাম ফিয়ার অব মিসিং আউট (ফোমো)। এটি এমন একটি বিষয়, যা আপনার মধ্যে একধরনের অনিশ্চয়তা বা হারানোর অনুভূতির জন্ম দেয় । এসব বেশিরভাগই সোশ্যাল মিডিয়া কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়, যেমন আপনি ভাবছেন অন্যরা হয়তো আপনার অনুপস্থিতিতে অনেক মজা করছেন বা বন্ধুরা কে কি করছেন? অথবা, অন্যদের দেখে মনে হওয়া যে তারা আমার থেকে অনেক ভালো জীবনযাপন করছেন, অথচ আপনি তাদের মতো সুখী হতে পারছেন না ইত্যাদি।

    মোটকথা, এটি আপনার মধ্যে এমন একটি অনুভূতির সৃষ্টি করে যে আপনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু মিস করছেন। কিন্তু বাস্তবতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ভিন্ন। ফোমোর ফলে ব্যক্তির মধ্যে সামাজিক অস্বস্তি, অসন্তোষ, বিষণ্নতা, চাপের অনুভূতি, হীনম্মন্যতা, হিংসা, একাকিত্ব এবং তীব্র ক্রোধের মতো গভীর অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি এটি আপনার আত্মসম্মানকেও প্রভাবিত করতে পারে। ফোমো একটি অপেক্ষাকৃত নতুন ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ঘটনা। বিপণন কৌশলবিদ ড্যান হারম্যান ১৯৯৬ সালে একটি গবেষণাপত্রে শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় পর্যবেক্ষণ করা একটি ঘটনা বর্ণনা করার জন্য ‘ফোমো’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। ফোমোর অনুভূতি প্রায়ই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া পোস্টগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়। উদ্বেগটি আপনাকে বোঝায় যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ বা আকর্ষণীয় ঘটনা বর্তমানে অন্য কোথাও ঘটছে, যেটি সম্পর্কে আপনি অনবরত খোঁজ না রাখলে পিছিয়ে পড়বেন।

    মানুষ তাদের বাছাই করা সেরা ছবি দিয়ে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন, যা অন্যদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। নিজের মধ্যে কী কী অভাব রয়েছে, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়িয়ে তোলে।

    দ্য ওয়ার্ল্ড জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল কেস দ্বারা প্রকাশিত একটি ২০২১ সালের গবেষণায়, লেখক মায়াঙ্ক গুপ্তা এবং আদিত্য শর্মা লিখেছেন যে, যেকোনো ব্যক্তির জীবনযাপন ফোমোর কারনে বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক ভূমিকায় পরিণত হতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:

    ঘুমের অভাব, ব্যর্থ হতাশ জীবন, মানসিক উত্তেজনা, শারীরিক সুস্থতার উপর নেতিবাচক প্রভাব, উদ্বেগ, মানসিক নিয়ন্ত্রণের অভাব।

    ফোমোর মতো প্রযুক্তিনির্ভর ভয়াবহ মানসিক ক্রাইসিস অল্প অল্প করে আমাদের জীবনকে নষ্ট করে তুলছে। এর থেকে রক্ষা পেতে আমরা প্রযুক্তিকে অস্বীকার করতে পারবো না আবার প্রযুক্তিকে পৃথিবীর থেকে উধাও করেও দিতে পারবো না। সুতরাং আমাদের সতর্ক হতে হবে যেন এমন ক্রাইসিসে আমাদের না পড়তে হয়। সেজন্য প্রথমেই দরকার –

    দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনঃ

    আপনার কিসের অভাব রয়েছে, তার ওপর মনোযোগ দেয়ার পরিবর্তে আপনার কী আছে, সেদিকে মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করুন। আপনার কী নেই, সেই তালিকা যদি বেশি লম্বা করে ফেলেন, তাহলে নিজেকে অসুখী মনে হবে। তাই নিজের যা আছে, সেটার মধ্যে সুখ খোঁজার চেষ্টা করুন।

    ডিজিটাল ডিটক্স করার চেষ্টা করুন

    ডিজিটাল ডিটক্স মানে হচ্ছে- সব ডিজিটাল ডিভাইস থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিরতি নেয়ার প্রক্রিয়া। ফোমো থেকে দূরে থাকতে এবং আপনার বাস্তব জীবনের দিকে আগ্রহী হতে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার কমাতে হবে। এতে আপনার মধ্যে ফোমোর প্রবণতা কমে আসবে।

    বাস্তব সম্পর্ক স্থাপন

    বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় যেরকমভাবে একজন ব্যবহারকারী নিজেকে উপস্থাপন করে তার সাথে বাস্তব জীবনের সাথে অনেক সময়ই মিল থাকে না। আর আমরা প্রতিটি মানুষ বাস্তব দুনিয়ায় বাস করি এটা ভুলে যাওয়া যাবেনা। সব সময় যোগাযোগ ধরে রাখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দ্বারস্থ হওয়া স্বাভাবিক মনে হলেও শুধু ভার্চুয়াল জগতের ওপর নির্ভরশীল না থেকে, বাস্তবে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করতে পারেন।

    তথ্যসূত্রঃ ইউএসএটুডে

  • লাইফস্টাইলের অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে স্মার্ট চশমা- রিজজিপিটি

    লাইফস্টাইলের অন্য মাত্রায় নিয়ে যাবে স্মার্ট চশমা- রিজজিপিটি

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বিস্ময়কর চশমা উদ্ভাবন করেছেন এক মার্কিন তরুণ। ‘রিজজিপিটি’ নামের চশমাটির উদ্ভাবকের নাম ব্রায়ান চিয়াং। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভাইস নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই রিজজিপিটি চশমাটি মানুষকে কথোপকথনে সাহায্য করবে। বিশেষ করে যাদের স্মৃতিশক্তি কিছুটা দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে কথোপকথন শুনে জবাবে কি বলতে হবে তা জানিয়ে দেবে চশমাটি। কারো সঙ্গে কথোপকথনের সময় প্রায়ই আমরা বিভিন্ন তথ্য ভুলে যাই। এতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় অনেক সময়। কিংবা অনেকেই ইন্টারভিউয়ের সময় গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য মনে করতে পারেননা। এসব সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছেন মার্কিন তরুণ ব্রায়ান চিয়াং। কেউ কোনো কিছু ভুলে গেলেও ভুলবে না তার আবিষ্কৃত ‘রিজজিপিটি’ নামের চশমাটি।

    স্মার্ট এ চশমায় ব্যবহার করা হয়েছে ক্যামেরা, মাইক্রোফোনসহ একটি টু-ডি (দ্বিমাত্রিক) স্ক্রিন। কারো সঙ্গে কথা বলার সময় এসবের সাহায্যে সেটি শুনে নেবে চশমাটি। এরপর কি বলতে হবে তা জানাতে, কথোপকথনের সব তথ্য লিখিত আকারে ওয়াইফাই-এর মাধ্যমে পাঠিয়ে দেবে, কৃত্রিম চ্যাটবট চ্যাটজিপিটিতে। এরপর স্ক্রিনে ভেসে উঠবে প্রয়োজনীয় উত্তর। বিস্ময়কর চশমাটির উদ্ভাবক ব্রায়ান চিয়াং যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্সের ছাত্র। চশমাটির ডিজাইন তৈরি করেছে ‘ব্রিলিয়ান্ট ল্যাব’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

    ব্রায়ান জানিয়েছেন, ‘কৃত্রিম এ চশমা কোনোভাবেই মানুষের মস্তিষ্কের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে না বরং কথোপকথনের সময় ভুলে যাওয়া বিষয়গুলোকে মনে করিয়ে দিয়ে মানুষকে সাহায্য করবে চশমাটি।’ ব্রায়ান আরও জানান, এই চশমা কথোপকথনের সময় মানুষের ভূমিকাকে কমিয়ে দেবেনা। এটি কেবলই একটি সাহায্যকারী প্রযুক্তি। যার সাহায্যে ভুলে যাওয়া বিষয়গুলোকে মনে করতে পারবে। মূলত যারা ভুলে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন তাদের বেশি কাজে লাগবে এ চশমা।

    তথ্যসূত্রঃ রয়টার্স

  • ফেসবুক পেইজের অর্গানিক রিচ বাড়ানোর কিছু কার্যকর পরামর্শ

    ফেসবুক পেইজের অর্গানিক রিচ বাড়ানোর কিছু কার্যকর পরামর্শ

    ফেসবুক একটি বৃহত্তর সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে পরিণত হওয়ায় ঘরে বসেও অনেকেই আয় করার সুযোগ পাচ্ছে। ফেসবুকে নানারকম ব্যবসায়িক জটিলতা কম এবং ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগের ক্ষেত্রে খুব ভালো একটি মাধ্যম। পাশাপাশি সেবামূলক বা পণ্য সংক্রান্ত বিষয় বিক্রি করার প্রক্রিয়াগুলো গুছিয়ে নিতে পারলে মোটামুটি বাসায় বসেও একজন ব্যক্তি ভালো বিজনেস পরিচালনা ও আয় করতে সক্ষম হতে পারে। সেজন্য অনেকেই তার নিজের বিজনেস পেইজ তৈরি করে। কিন্তু খুব একটা রিচ অনেকেই বাড়াতে পারেনা। পোস্ট রিচ করতে হলে ফেসবুক নিজেই টাকার অপশন চালু রেখেছে, তাতে করে আপনার পোস্ট অনেকের কাছে ফেসবুক থেকেই রিচ পৌছাবে। কিন্তু আপনি যদি আপনার ক্রিয়েটিভ ট্যালেন্টের মাধ্যমে পে/ টাকা ছাড়াই পেইজের রিচ বাড়াতে চান, তাহলে অনেকগুলোর মধ্যে থেকে কিছু পরামর্শ এখানে আপনারই জন্য-

    • পোস্ট দেয়ার ক্ষেত্রে উচ্চ-মানের, আকর্ষকভাবে কনটেন্ট প্রকাশ করুন। যা আপনার দর্শকদের কাছে আকর্ষণীয় এবং প্রাসঙ্গিক হবে। প্রতিদিন কনটেন্টে ও উপস্থাপনে নতুনত্ব কিছু করার চেষ্টা করুন যেন একঘেয়েমি না আসে ফলোয়ারদের।
    • সঠিক সময়ে পোস্ট করুন। যখন আপনার পেইজের ফলোয়ারেরা অনলাইন হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
    • রিয়েল-টাইম, আকর্ষক কনটেন্ট প্রদান করতে Facebook লাইভ ভিডিও ব্যবহার করুন। এতে আপনার শ্রোতাদের এনগেজমেন্ট বাড়বে এবং ভালো প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সম্ভাব্য ক্রেতাদের আস্থা বাড়বে।
    • সবসময় ভিজ্যুয়াল কন্টেন্ট পোস্ট করুন। যেমন ফটো এবং ভিডিও, যেহেতু তারা টেক্সট-ভিত্তিক পোস্টের চেয়ে বেশি রিয়েক্ট পেতে থাকে।
    • বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপগুলি ব্যবহার করুন, তাতে করে নতুন শ্রোতাদের তৈরি হবে। আপনার ব্র্যান্ডকে ঘিরে একটি কমিউনিটি তৈরি করুন।
    • আপনার কনটেন্টগুলো সহজে খুঁজে পেতে প্রাসঙ্গিক ‘কীওয়ার্ড’ এবং ‘হ্যাশট্যাগ’ ব্যবহার করুন।
    • আপনার পোস্টে বিভিন্ন ধরনের অফার, কনটেন্ট এবং পুরষ্কার ব্যবস্থা করতে পারেন। তাতে পেইজের এক্টিভিটি বাড়বে এবং শেয়ারিং এর মাধ্যমেও পেইজের রিচ বাড়বে।
    • পোস্টের কমেন্টের রিপ্লাই এবং ম্যাসেজের রিপ্লাইয়ের মাধ্যমেও একটি পেইজের রিচ বাড়ে। সুতরাং এই বিষয়গুলো অবহেলা করা যাবে না। যতোটা আপনি পেইজের এক্টিভ মেম্বারদের সাথে আন্তরিক হবেন আপনার পেইজের সম্পর্কে নতুন সদস্যদের জন্যও ব্যাপারটি ততোই স্বস্তিকর হবে।
    • আপনার পোস্টের সময়সূচী এবং আপনার কর্মক্ষমতা বিশ্লেষণ করতেগুরুত্বপূর্ণ একটি টুল ব্যবহার করুন। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট টুল ব্যবহার করুন।

    মনে রাখবেন যে, ধারাবাহিকভাবে মানসম্পন্ন কনটেন্ট তৈরি করা এবং পোস্ট করা – আপনার ফেসবুক পেইজের অর্গানিক গ্রোথের চাবিকাঠি। আপনার কনটেন্টে বৈচিত্র্য আনুন, ফলোয়ারের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন, তাদের চাহিদা বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনার বিজনেস পেইজের রিচ বাড়বে।

    তথ্যসূত্রঃ স্প্রাউটসোশ্যাল.কম ও ব্র্যান্ডওয়াচ.কম

  • ঝুঁকি থেকে ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করা সম্ভব বলছেন প্রকৌশলীরা

    ঝুঁকি থেকে ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করা সম্ভব বলছেন প্রকৌশলীরা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভূমিকম্পের কোন আগাম বার্তা বিজ্ঞানীরা আজও আবিষ্কার করতে পারেনি। তাই ভূমিকম্প নিয়ে আমাদের বড় একটি উদ্বেগ রয়ে গেছে। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে ঢাকা ও সিলেট এই  দুটি শহর ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে। গত দুই মাসের মধ্যে ঢাকায় এনিয়ে দুবার ভূমিকম্প হলো।

    বাংলাদেশে অপরিকল্পিত নগরায়ন ভূমিকম্পে সবচেয়ে ঝুঁকি। কেননা অনেকে বিল্ডিং কোড না মেনে ভবন নির্মান করে। এ বছর তুরস্ক ও সিরিয়ার ভুমিকম্পে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পেছনে সেই কারণই উঠে এসেছিলো।

    বড় ভূমিকম্পে ঘনবসতি শহর ঢাকার ভয়াবহতা কতটা হতে পারে তার একটি চিত্র উঠে এসেছে রাজউকের আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্টের সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায়। তাদের হিসেবে টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্টে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকায় ধসে পড়তে পারে সাড়ে ৮ লাখের বেশি অর্থাৎ প্রায় ৪০% স্থাপনা। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি আড়াই হাজার কোটি মার্কিন ডলার বা আড়াই লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। আবার সিলেটের ডাউকি চ্যুতিরেখায় ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকায় ধসে পড়তে পারে প্রায় ৪১ হাজার স্থাপনা। এরপরও কিছু উপায় আছে যেগুলোর মাধ্যমে প্রকৌশলীরা ভবনকে ভূমিকম্প সহনীয় করতে পারেন।

    বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মেহেদি আহমেদ আনসারী জানিয়েছিলেন এমন সাতটি প্রযুক্তি সম্পর্কে। এর তিনটি খুব উঁচু ভবনের ভবনের জন্য যেগুলো খুব বেশ ব্যয়বহুল, আর অন্য চারটি সাধারণ ভবনের জন্য।

    (ক) প্রচলিত চারটি উপায়:

    যেভাবে সাধারণ ভবনকে ভূমিকম্পের জন্য মজবুত করা হয়, যেগুলোকে রেট্রোফিটিং বলা হয়। এগুলো দেখতে খুবই সহজ মনে হলেও যদি একজন প্রকৌশলী এর সাথে যুক্ত না থাকেন তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী কিভাবে করতে হবে সেটি নির্ধারণ করা যাবে না। প্রকৌশলীরা প্রথমে ভবনের বিভিন্ন অংশে কেটে পরীক্ষা করে দেখবেন ভেতরে কী অবস্থা। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন। রেট্রোফিটিং সাধারণত যেসব উপায়ে করা হয়।

    (১) কলাম জ্যাকেটিং:

    কলাম বা পিলারকে জ্যাকেট পরিয়ে দেয়ার মতো উপায় এটি। অর্থাৎ পিলারগুলোকে যা আছে তার চেয়ে আরো মোটা করে দেয়া যেন সেটি আরো শক্তিশালী হয়। অনেক সময় বিশেষায়িত উপকরণও দিয়েও এটি করা হয়।

    ঝুঁকি থেকে ভবন ভূমিকম্প সহনীয় করা সম্ভব বলছেন প্রকৌশলীরা

    (২) শিয়ার ওয়াল:

    শিয়ার ওয়ালে পিলারের পাশে আরো রড দিয়ে ঢালাই করে একটি দেয়ালের মতো তোলা হয়। এটি আংশিক হতে পারে (যেমন ছবিতে দ্বিতীয়) অথবা পূর্ণাঙ্গ হতে পারে (যেমন ছবিতে তৃতীয়) তবে ভবনের কোন কোন অংশে করতে এটা করা সম্ভব সেটাও নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

    (৩) স্টিল ব্রেসিং:

    এক্ষেত্রে দুই পিলারের মাঝখানে একটি ধাতব ফ্রেম বসানো হয় যেটি ভুমিকম্পের ঝাঁকুনি থেকে পিলারকে রক্ষা করতে পারে। এটি ঠিক ছবির মত না হয়ে কোণাকুণি বরাবরও হতে পারে।

    (৪) ওয়াল থিকেনিং:

    এক্ষেত্রে দুই কলামের মাঝের দেয়ালটাকেই মোটা করে ওজন বাড়িয়ে নেয়া হয়। এটিও রড ব্যবহার করে ঢালাইয়ের মত প্রক্রিয়ায় করা হয়।

    (খ) উন্নত বিশ্বের তিন প্রযুক্তি:

    (১) টিএমডি (টিউন মাস ড্যাম্পার)

    এক্ষেত্রে ভবনের ছাদের দিকে বড় আকারের একটি সিস্টেম বসানো হয়। এর ভেতরে তেল বা পানির মতো তরল পদার্থ থাকে। সেটা এমনভাবে করা হয় যেন বসানো সিস্টেমটি নিজে দুলে ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি শোষণ করতে পারে। কোনো ক্ষেত্রে এর ভেতরের তরল পদার্থ দুলবে, আবার কোনো ক্ষেত্রে সিস্টেমটাই ডানে-বামে স্লাইড করবে।

    আরেকভাবেও এটা করা যায় সেটা পেন্ডুলামের মতো। সেক্ষেত্রে তরল পাদার্থবিশিষ্ট বিশেষ পেন্ডুলামও ঝাঁকির সাথে দুলে ভবনের নড়াচড়া কমাতে পারে।

    এটা ভবনের উপরে বিশালাকারের হতে পারে যেমন তাইওয়ানের তাইপেই ওয়ান ও ওয়ান। এটি ১০১ তলা একটি ভবন যেখানে এমন বড় পেন্ডুলাম ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশে এখনো কোথাও এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি বলে জানান ড. আনসারী।

    তাইওয়ানের ১০১ তলা ভবন তাইপেই ১০১ এ ব্যবহার করা হয়েছে পেন্ডুলাম আকৃতির বিশাল টিএমডি।  তবে পেন্ডুলাম আরেকভাবেও ব্যবহার হয় বিমের মাঝে, তবে সেটিকে ঠিক এই টিএমডি প্রযুক্তি না, বরং বেজ আইসোলেটরের মধ্যে ফেলা হয়।

    (২) বেজ আইসোলেটর:

    বেজ আইসোলেটর প্রযুক্তি বসানো হয় ভবনের নিচ দিয়ে যেটি ভবনকে ভিত্তি থেকে আলাদা করে দেয়। এটিকে এমনভাবে সেট করা হবে যেনো ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে নিচের অংশটি নড়বে, কিন্তু উপরের অংশ দুলবে না।

    সেটি সহজভাবে বুঝতে ধরুন একটি বাক্সের নিচে এমনভাবে চাকা বা বল বসালেন যেন তার নিচে দুললে চাকাটি এদিক-ওদিক নড়বে, কিন্তু চাকার উপরে বাক্স পর্যন্ত সেই দুলুনি যাবে না। এটি অনেক ক্ষেত্রে তেলভিত্তিক পেন্ডুলাম দিয়েও করা হয়। উন্নত বিশ্বে অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালকে নিরাপদ করতে এটি করা হয়। বাংলাদেশে কোনো ভবনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার না করা হলেও যমুনা ব্রিজে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান ড. আনসারী।

    (৩) বিআরবি (বাকলিং রিস্ট্রেইন্ড ব্রেইস):

    বিআরবিতে লাল অংশের মতো প্রযুক্তি বসানো হয় যেটি ঝাঁকুনি শোষণ করে।

    বিআরবিও একটি অতি ব্যয়বহুল প্রযুক্তি। সহজে বুঝালে স্টিল ও স্প্রিঙের মতো একটি কাঠামো যেটি সংকোচন-প্রসারণে সক্ষম। ভুমিকম্পে এর ভেতরের স্প্রিং-এর সংকোচন-প্রসারণ হয় এবং সেটি পিলারের উপর চাপ না ফেলে নিজে কাঁপুনি শোষণ করে। এটি সাধারণত আমেরিকা বা চীনে তৈরি হওয়ায় সেখানেই বেশি ব্যবহার হয়।

    তবে এসব প্রযুক্তিই অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এজন্য ভবন তৈরির পরের চেয়ে আগেই মাটি ও ভবন সংক্রান্ত বিষয়ে ভুমিকম্পের দিক বিবেচনা করে ভবন নির্মানটাই বেশি যৌক্তিক।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • ওয়াইফাই রাউটার কিনবেন? এই ৬ টি ভুল এড়িয়ে চলুন

    ওয়াইফাই রাউটার কিনবেন? এই ৬ টি ভুল এড়িয়ে চলুন

    কর্মক্ষেত্র হোক বা বিনোদন, জীবনের প্রতিটি পদে মানুষ এখন ভার্চুয়াল জগতের ওপর নির্ভরশীল। আর দৈনন্দিন জীবনে ঘরে বসেই অবাধে সেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছে ওয়াইফাই রাউটার। প্রতিটি বাসা এবং অফিসে রাউটার এখন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। করোনা পরবর্তী সময়ে এর গুরুত্ব যেন আরও বহুগুণে বেড়ে গেছে। ফলশ্রুতিতে বেড়েছে বেচাকেনার হার। ভালো ইন্টারনেট পরিষেবার জন্য একটি ভালো ওয়াইফাই রাউটারের কোনো বিকল্প নেই। ওয়াইফাই রাউটার কেনার সময় প্রায়ই আমরা কিছু সাধারন ভুল করে থাকি। এ রকম ছয়টি ভুল না করলে ওয়াইফাই কেনার বিষয়টি অনেকটাই সহজ হয়।

    ওয়াইফাই এক্সটেন্ডারের সাথে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এর পার্থক্য বুঝতে না পারা

    অনেক সময়ই দেখা যায় পুরনো ওয়াইফাইটি বদলে ফেলার প্রয়োজন হলেও আমরা তা করতে চাই না। সবগুলো ডিভাইসে সংযোগ না পাওয়া, প্রায় সময়ই সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া, গেম সেশন শেষ হওয়ার আগেই টাইম আউট হওয়া- এসবই রাউটার পরিবর্তনের আভাস দেয়। কিন্তু অনেকেই ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার দিয়ে এসব সমস্যা পাশ কাটাতে চায়। ওয়াইফাই এক্সটেন্ডার দিয়ে এসব সমস্যার একটি বা দুটি সমাধান করা যায়। কিন্তু পুরোপুরি সমাধানের জন্য রাউটার কেনাই সেরা সিদ্ধান্ত।

    কম্বো মডেম বা রাউটার ইউনিট কেনা

    ওয়াইফাই রাউটার/ইন্টারনেট মডেম ইউনিটের সাথে বেশিরভাগ মানুষই পরিচিত। এই ইউনিটের সংমিশ্রন অনেক লোকের জন্য কাজ করতে পারে তবে এক্ষেত্রে কিছু সমস্যাও থাকে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে যে পরিমান অর্থ ব্যয় করা হয় তা দিয়ে সেরা রাউটার বা মডেম পাওয়া যায় না। আরো একটি সমস্যা হচ্ছে এই ডিভাইসটি একটি নির্দিষ্ট জায়গায় একেবারে সেট করে নিতে হয়। অর্থাৎ পুরনো বাড়ি ছেড়ে নতুন বাড়িতে গেলে তা সহজেই নিয়ে যাওয়া যায় না।

    এছাড়াও ক্যাবল মডেম এবং ওয়াইফাইয়ের সংমিশ্রন থাকলে এর ক্যাবল মডেমের অংশটি কোন ফাইবার কোম্পানি অথবা ইন্টারনেট নেই এমন স্থানে কাজ করবে না। এছাড়া ক্যাবল কোম্পানি নতুন ডিওসিএসআইএস মানদন্ডে উন্নীত হলেও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিবে। এক্ষেত্রে একটি ভালো স্ট্যান্ড এলোন রাউটারে বিনিয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। নির্দিষ্ট কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে রাউটার/মডেম ইউনিটের কম্বিনেশন উপকারী হলেও সবার জন্য তা নয়।

    নতুন বা আপগ্রেড রাউটার না কেনা

    রাউটার কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে বাজারে যে নতুন রাউটার এসেছে তা কেনা। পুরনো মডেলের নতুন রাউটার কেনা এক অর্থে অর্থেরই অপচয়। নতুন বক্সে থাকা পুরনো মডেলের রাউটারটি মূলত পাঁচ বছর আগের প্রযুক্তির। ফলে এই রাউটার কিনলে সেখানে কখনোই নতুন ওয়াইফাই প্রযুক্তি থাকবে না। প্রতি তিন থেকে পাঁচ বছর অন্তর ওয়াইফাই রাউটার হালনাগাদ করা উচিত। তাই যদি প্রথম কেনা রাউটারটিই যদি পাঁচ বছর আগের প্রযুক্তির হয় তাহলে এমনিই ওয়াফাই প্রজন্মের কার্ভে পিছিয়ে থাকবেন আপনি।

    তাই ওয়াইফাই রাউটার কেনার সময় শুধুমাত্র রিভিউ এবং রেটিংয়ে কান দিলে হবে না; এটি কখন তৈরি করা হয়েছে সে বিষয়ের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

     ওয়াইফাই কভারেজ এরিয়া মাথায় না রাখা

    শুধুমাত্র একটি ডিভাইসে সংযোগ দেয়ার জন্য কেউ কখনো রাউটার কেনে না। অনেকগুলো ডিভাইসে ব্যবহারের জন্যই তা ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে অনেকেই বলে থাকেন বাড়ির কিছু কিছু জায়গায় তারা ওয়াইফাই সংযোগ পাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে ওয়াইফাই মেশ সিস্টেম কিনে নেয়া যায় যা বাড়ির প্রতিটি কোনা কভার করবে।

     স্মার্ট হোম চাহিদা এড়িয়ে যাওয়া

    যখন নতুন রাউটার কেনার বিষয়টি চিন্তা করা হয় তখন শুধুমাত্র স্মার্ট টিভি অথবা ফোনের বিষয়টিই ভেবে থাকি আমরা। তবে এক্ষেত্রে বাসায় থাকা ভিডিও ডোরবেল, স্মার্ট ক্যামেরা, স্মার্ট প্লাগ ও স্মার্ট স্পিকারের মতো অন্যান্য হোম নেটওয়ার্কের কথাও মাথায় রাখা উচিত।

    একটি ভালো আধুনিক রাউটার এমনভাবে তৈরি থাকে যা শুধুমাত্র ল্যাটপট ও স্মার্টফোনের মতো গুটিকয়েক ডিভাইসের সংযোগে সীমাবদ্ধ থাকে না। স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের বিষয়টি সেখানে অন্তর্ভূক্ত থাকে।

     অতি সাধারন বা অতি টেকনিক্যল রাউটার বাছাই করা

    কয়েক বছর ধরে রাউটার নির্মাতারা বিশেষ করে মেশ নেটওয়ার্ক তৈরি করে আসছে তারা ব্যবহারীরর অভিজ্ঞতাকে আরো সহজ করার চেষ্টা করছে। নেটওয়াার্ক প্রযুক্তি সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানা না থাকলে সেক্ষেত্রে মেশ রাউটারের মতো রাউটার প্লাটফর্ম বাছাই করা খুব ভুল কিছু নয়। বেশিরভাগই কাস্টম ভার্চুয়াল ল্যানস সেট আপ করতে, রাউটারে স্টার্ট আপ স্ক্রিপ্ট অথবা সফটওয়্যার চালাতে অথবা এসএসএইচ টানেল করতে চায় না। তবে কেউ যদি এধরনের কিছুতে আগ্রহি হয় তাহলে ইয়েরোর মতো ইন্টারফেস সেটআপ নিলে হতাশ হতে হবে।

    আর একটি মেশ প্লাটফর্ম চাইলে এএসইউএস জেনওয়াইফাই প্লাটফর্মের বিষয়টি ভাবা যেতে পারে।
    সূত্রঃ টেকশহর

  • ইলন মাস্কের নিউরালিংক অনুমতি পেলো মানবমস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের

    ইলন মাস্কের নিউরালিংক অনুমতি পেলো মানবমস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের

    মানব মস্তিষ্কে বিশেষ ধরনের চিপ স্থাপনের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন নিউরালিংক। এর ফলে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। সম্প্রতি এক টুইটে বিষয়টি জানিয়েছে নিউরালিংক।

    বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি (এফডিএ) নিউরালিংককে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার অনুমতি দিয়েছে। নিউরালিংক হলো এমন একটি প্রকল্প, যার মাধ্যমে মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপন করা হবে। যার ফলে সেই ব্যক্তির মস্তিষ্কের সঙ্গে কম্পিউটারের সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। টেসলা, স্পেসএক্স ও টুইটারসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানার পাশাপাশি এ উদ্যোগের মালিকও ইলন মাস্ক। এ প্রযুক্তিতে নিউরালিংকই প্রথম চিপ বসাতে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠানটি টুইটে বলেছে, ‘এ খাতে এটিই প্রথম ঘটতে যাচ্ছে।’ তারা আরও বলেছে, ‘আমরা উচ্ছ্বসিত যে, আমরা প্রথমবার মানুষের মস্তিষ্কে চিপ স্থাপনের (ইমপ্ল্যান্ট) বিষয়ে পরীক্ষা চালানোর জন্য এফডিএ-র অনুমতি পেয়েছি।’

    নিউরালিংক টুইটে আরও বলেছে, ‘এটি মূলত নিউরালিংকের সঙ্গে এফডিএ-র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ফলাফল।’ তবে কারা নিউরালিংকের প্রথমবারের ইমপ্ল্যান্টে অংশ নেবেন, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এর আগে, গত বছর ইলন মাস্ক বলেছিলেন, ‘আমরা আমাদের প্রথম মানব ইমপ্ল্যান্টের জন্য প্রস্তুত হতে কঠোর পরিশ্রম করছি এবং স্পষ্টতই আমরা অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে চাই। পাশাপাশি একজন মানুষের মধ্যে ডিভাইসটি স্থাপন করার আগে তা ভালোভাবে কাজ করবে কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাই।’

    নিউরালিংক দল জানিয়েছে মস্তিষ্কের চিপটি প্যারালাইজড এবং অন্যান্য স্নায়বিকভাবে-অক্ষম রোগীদের নড়াচড়া এবং আবার যোগাযোগ করার ক্ষমতা দেওয়ার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।  আরও বলেছে যে এটি কারও দৃষ্টি পুনরুদ্ধার করতেও সক্ষম হতে পারে।
    তথ্যসূত্রঃ আলজাজিরা

  • ব্যক্তিগত তথ্য সরানোয় মেটাকে রেকর্ড অংকের জরিমানা

    ব্যক্তিগত তথ্য সরানোয় মেটাকে রেকর্ড অংকের জরিমানা

    ইউরোপে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভারে স্থানান্তর করায় ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটাকে রেকর্ড অংকের জরিমানা করেছে ইউরোপিয়ান ডাটা প্রটেকশন বোর্ড। সোমবার এক বিবৃতিতে ১৩০ কোটি ডলার জরিমানার কথা জানায় ইউরোপীয় সংস্থাটি।

    আইরিশ ডাটা প্রটেকশন কমিশনের তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে ওই জরিমানা করা হয়। খবর এএফপি ও সিএনএনের ইউরোপে মেটার পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে আইরিশ ডাটা প্রটেকশন কমিশন। ইউরোপের তথ্য সুরক্ষা আইন বা জিডিপিআরের অধীনে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন বা ১৩০ কোটি ডলারই সবচেয়ে বড় অঙ্কের জরিমানা। এর আগে ২০২১ সালে আমাজনকে ৮০৫ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়।

    ছয় মাসের মধ্যে ইউরোপীয় ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তর বন্ধ করতে বলা হয়েছে মেটাকে। ইউরোপিয়ান ডাটা প্রটেকশন বোর্ডের চেয়ার আঁন্দ্রে জেলিনেক বলেন, ‘ইউরোপে লাখ লাখ ব্যবহারকারী রয়েছে ফেসবুকের। তাদের তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরের বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কারণ স্থানান্তরের কাজটি নিয়মিত পদ্ধতিগতভাবে করা হয়।’ তবে ইউরোপে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়নি বলে জানায় ইউরোপিয়ান ডাটা প্রটেকশন বোর্ড।

    প্রযুক্তি

    ফেসবুকের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আয়ারল্যান্ডের ডেটা প্রটেকশন কমিশন জানিয়েছে, মেটা তথ্য নিরাপত্তা আইনের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ ভঙ্গ করেছে। কারণ, অনলাইনে ফাঁস হওয়া তথ্যগুলো কাজে লাগিয়ে স্প্যাম বার্তা পাঠানোর পাশাপাশি বিভিন্নভাবে প্রতারণা করা সম্ভব। তাই এ জরিমানা করা হয়েছে।

    তথ্যসূত্রঃ টাইমস.কম

  • হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট লকঃ আপনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কথোপকথনকে গোপন রাখবে

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট লকঃ আপনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ কথোপকথনকে গোপন রাখবে

    গোপন কথোপকথন, সবাই গোপনেই রাখতে চায়। কেউ তা দেখে ফেলুক বা শুনে ফেলুক, এমনটা কেউ চান না। এবার হোয়াটসঅ্যাপে নিজের কথোপকথন গোপনে রাখতে মেটা নিয়ে এসেছে ‘চ্যাটলক’। এই ফিচারটি সেই সমস্ত লোকেদের জন্য দুর্দান্ত হবে যারা সময়ে সময়ে তাদের প্রিয়জন বা পরিবারের সদস্যের সাথে চ্যাটিংয়ে মুহুর্তগুলো ভাগ করে নেয়। এমন মুহুর্তগুলিতে যদি অন্য কেউ আপনার ফোন ধরে এবং ঠিক সেই মুহূর্তে একটি ব্যক্তিগত অতিরিক্ত-বিশেষ চ্যাট আসে তাহলে তা সত্যিই বিব্রতকর।

    এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যে কথোপকথনগুলো গোপন রাখতে চান, সেগুলো একটি বিশেষ ফোল্ডারে স্টোর করা থাকবে। সেখানে কার সঙ্গে কথা হচ্ছে, তার নাম লুকানো থাকবে। মেসেজ নোটিফিকেশনও আসবে না। হোয়াটসঅ্যাপ লক করার জন্য বায়োমেট্রিক বা পিন কোড দিয়ে তা লক করার ব্যবস্থা রয়েছে। এটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস দুটিতেই রয়েছে। এতে যেকোনো গোপন চ্যাট নিরাপদে রাখা যায়। আপনার ফোনে কেউ গোপনে দেখতে চাইলেও এই চ্যাট তিনি খুঁজে বের করতে পারবেন না পিন কোড বা বায়োমেট্রিক্স ছাড়া।

    কীভাবে করবেন ইনস্টল

    হোয়াটসঅ্যাপ ইতোমধ্যেই প্রাইভেসি সেটিংয়ে একাধিক বিষয় যুক্ত করেছে। তারমধ্যে রয়েছে ডিসঅ্যাপিয়ারি মেসেজ, স্ক্রিনশট ব্লকিং, কে স্টেটাস মেসেজ দেখবেন তা নির্ধারণ করা, লাস্ট সিন বন্ধ রাখা। নতুনটি হলো চ্যাটলক। এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ভার্সান ডাউনলোড করুন। তারপর যার সঙ্গে চ্যাটটি লক করতে চান তার প্রোফাইল পিকচারে যান। সেখানেই পাবেন নতুন অপশন চ্যাটলক। ডিস অ্যাপিয়ারিং মেসেজের নিচেই পাবেন অপশন। সেটিকে ‘এনাবেল’ করুন। এরপর অথেন্টিকেট করুন আপনার ফোনের পাসওয়ার্ড ও বায়োমেট্রিক্স দিয়ে।

    তথ্যসূত্রঃ হোয়াটসঅ্যাপ ব্লগ

  • ভার্চুয়াল জগতের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

    ভার্চুয়াল জগতের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (টুএফএ) একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যা পেতে হলে একটি নিয়মিত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড ছাড়াও একটি অতিরিক্ত শনাক্তকারী ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়। ব্যাংক, ইমেইল প্রদানকারী এবং প্রিয় গেমিং প্লাটফর্ম থেকেও এই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেটআপ করার অনুরোধ আসে। অনেকেই এই টু ফ্যাক্টর অথিনটিকেশনের বিষয়টি বুঝতে পারে না বা কেন এটি ব্যবহার করতে হয় সেটাও পরিস্কার নয় তাদের কাছে।

    টুএফএ বঝতে হলে ওয়ান ফ্যাক্টর অথিনটিকেশন আগে বোঝতে হবে। এরপর একে বাস্তব বিশ্ব এবং ভার্চুয়াল সিকিউরিটি মডেলের সাথে তুলনা করতে হবে। বিষয়টি এভাবে বোঝানো যায়। যখন আমরা কাজ থেকে ফিরে ঘরে প্রবেশ করতে চাই তখন চাবি দিয়ে দরজার তালা খুলি। এখানে সাধারন ওয়ান ফ্যাক্টর অথিনটিকেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চাবিটি ঘরের মালিক নাকি তার প্রতিবেশি অথবা অপরাধীর হাতে রয়েছে সেটি কোন বিষয় নয়। এখানে শুধুমাত্র চাবিই মুখ্য বিষয়। একইভাবে শুধুমাত্র ইউজারনেম অথবা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইট বা কোন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়।

    ঘরের চাবি অথবা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড যদি চুরি না হয় তাহলে তো ভালই। তবে যদি চাবি চুরি হয় তাহলে ঘরের জিনিসপত্র হাওয়া হবে; ভার্চুয়াল জগতে এটি আরো জটিল আকার ধারণ করে। ফলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রয়োজন।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কি?

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন হচ্ছে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের (এমএফএ) একটি অংশ। সব টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনই মাল্টি-ফ্যাক্টর। তবে সব মাল্টিফ্যাক্টরই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন নয়। এমএফএ সিস্টেমের জন্য তিন ,চার অথবা এরও বেশি অতিরিক্ত প্রমানীকরনের প্রয়োজন হয়। টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনে দুই বা তিন প্রমানীকরনের ব্যবহার হয়। যেমন-

    -আপনি যা জানেন (ব্যাংক কার্ডের পনি অথবা ইমেইল পাসওয়ার্ড)
    -আপনার কাছে যা আছে (ব্যাংক কার্ড বা প্রমানীকরন টোকেন)
    -যা আপনি (ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো বায়োমেট্রিক্স অথবা আইরিস প্যাটার্ন)

    আপনি যদি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের সহজ রূপ ব্যবহার করেছেন। তবে এক্ষেত্রে পিন জানা অথবা হাতে কার্ড থাকাই যথেষ্ট নয়। এটিএমএ ব্যাংক অ্যাক্সেসস রাখতে উভয়ই প্রয়োজন হবে।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বিভিন্ন রূপ নিতে পারে এবং এখনো ২ থেকে ৩ প্রমানীকরনের শর্ত পূরণ করতে পারে। এটি আরএসএ সিকিউরআডির মতো ফিজিক্যল টোকেন হতে পারে যা ক্রমাগত সিকিউর কোড তৈরি করে।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কেন ও কোথায় ব্যবহার করা হবে?

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা যায় এমন সবক্ষেত্রেই এটি ব্যবহার করা উচিত। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং পরিচয় চুরি, আর্থিক লোকসান ও সর্বোপরি নানারকম ঝক্কি এড়াতে এটি খুবই ঝামেলাবিহীন সহজ উপায়। ২০১৯ সালে সম্পন্ন মাইক্রোসফটের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেখানকার ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশেরই টু অথেনটিফিকেশন সক্রিয় ছিলো না।

    সবকিছুর ক্ষেত্রেই কি এই টুএফএ প্রয়োজন? তার প্রয়োজন নেই। ব্যক্তিগত তথ্য থাকে না এবং প্রকৃত ইমেইল অথবা অর্থ সংক্রান্ত তথ্য থাকে না এমন ক্ষেত্রগুলোয় এই টুফ্যাক্টর প্রয়োজন হয় না।

    ক্রেডিট কার্ড অথবা প্রাথমিক ইমেইল অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় স্তরের অথেনটিকেশন থাকলে তা খুবই চমৎকারভাবে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে। অ্যাকাউন্ট চুরি অথবা অন্য কোনভাবে অবৈধ প্রবেশের ফলে যে ব্যক্তিগত এবং আর্থিক ট্রমা সৃষ্টি হয় তা টু অথেনটিফিকেশন চালুর মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

    যদি ব্যাংক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালুর অফার দেয় তাহলে এটি গ্রহন করাই উচিত। পেপলের মতো ফিন্যান্সিয়াল টুলের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভুলে যাওয়া চলবে না। এছাড়া যেসব পরিষেবা থেকে টাকা পাঠানো বা গ্রহন করা হয় সেক্ষেত্রে ২এফএ ব্যবহার করতে হবে। ফাইল ব্যাকআপ, ছবির ব্যাকআপের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহে রাখে এমন ক্ষেত্রেও ২এফএ ব্যবহার করতে হবে। ভিডিও গেম প্লাটফর্মের ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োজনীয়।

    তথ্যসূত্রঃ আরএপি