Category: লিড নিউজ

  • এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এসেছে: বাইডেন

    এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এসেছে: বাইডেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১ জুন, ২০২৪: স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ বন্ধে ইসরায়েলের নতুন প্রস্তাব মেনে নিতে হামাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এ যুদ্ধ শেষ হওয়ার সময় এসেছে।”

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “তিন পর্যায়ের নতুন এই প্রস্তাবে গাজায় পুরোপুরি যুদ্ধবিরতি কার্যকরের সুযোগ রয়েছে। হামাসের উদ্দেশ্যে বাইডেন বলেন, ‘হামাস সবসময় বলে থাকে, তারা যুদ্ধবিরতি চায়। আসলেই তারা এটা চায় কিনা তা প্রমাণ করার সুযোগ এসেছে।”

    তিন ধাপের প্রস্তাবটিতে প্রথমেই রয়েছে ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি। এই ধাপে গাজার জনবহুল এলাকা থেকে ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) প্রত্যাহার করা হবে। গাজায় ব্যাপক মাত্রায় মানবিক সাহায্য বা ত্রাণ পৌঁছানো হবে, সেইসঙ্গে ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে কিছু জিম্মি বিনিময় করা হবে।

    চুক্তিটির শেষ ধাপে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং গাজার জন্য একটি বড় আকারের পুনর্গঠন পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। হামাস জানিয়েছে তারা নতুন প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে।

    শুক্রবার হোয়াইট হাউসে বাইডেন বলেন, হামাস বলে তারা যুদ্ধবিরতি চায়, এই প্রস্তাবটি তাদের সামনে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ। তিনি বলেন, এই চুক্তি গাজায় প্রতিদিন ৬শ ট্রাক সাহায্য নিয়ে যাওয়াসহ বিপর্যস্ত অঞ্চলে আরও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেবে। দ্বিতীয় ধাপে পুরুষ সৈন্যসহ অবশিষ্ট জীবিত জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা হবে। তখন এই যুদ্ধবিরতি স্থায়ীভাবে শত্রুতার অবসান ঘটাবে।

    যদিও এই পরিকল্পনায় পূর্বে ব্যর্থ হওয়া আলোচনার অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তবে হামাসের মূল দাবি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির বিষয়টি সামনে আনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে আলোচনায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রস্তাবের তৃতীয় ধাপে মৃত ইসরায়েলি জিম্মিদের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার কথাও বলা হয়েছে, সেইসঙ্গে মার্কিন এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় গাজায় বাড়ি, স্কুল এবং হাসপাতাল পুনর্নির্মাণের জন্য একটি ব্যাপক পুনর্গঠন পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

    বাইডেন মনে করেন কিছু ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করতে পারেন। তিনি বলেন, যতই চাপ আসুক না কেন আমি ইসরায়েলি নেতাদের এই চুক্তির পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

    এই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলি জনগণকে সম্বোধন করে বলেন, আমরা এই মুহূর্তটি(সুযোগটি) হারাতে পারি না।

  • সৌদি প্রো লিগের ফাইনালে হেরেছে রোনালদোর দল আল নাসর

    সৌদি প্রো লিগের ফাইনালে হেরেছে রোনালদোর দল আল নাসর

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১ জুন, ২০২৪: সৌদি প্রো লিগে পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো খেলেন আল নাসরের হয়ে। ইতোমধ্যে দেড় মৌসুম কাটিয়ে ফেলেছেন তিনি। এই সময়ের মধ্যে দারুণ কিছু অর্জনও নিজের করে নিতে পেরেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তবে সে সবই ছিল ব্যক্তিগত অর্জন। দলকে গেল দেড় বছরে কিছুই দিতে পারেননি পর্তুগালের এই তারকা ফুটবলার।

    সৌদি কিং’স কাপের ফাইনালে হারটা মেনে নিতে পারছিলেন এই পর্তুগিজ তারকা। টাইব্রেকারে হেরে যাওয়ার পর এভাবেই রোনালদোর কান্নায় সিক্ত হয় জেদ্দার কিং আব্দুল্লাহ স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়ামের আঙিনা।

    সৌদি প্রো লিগের পর এবার কিংস কাপের শিরোপাও ঘরে তুললো আল হিলাল। গতকাল শুক্রবার ফাইনালে আল নাস্‌রকে টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে আল হিলাল। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ শেষ হয় ১-১ সমতায়। টাইব্রেকারে রোনালদো গোল করেন ঠিকই। তবে আল নাস্‌রের শেষ দুটি শট ঠেকিয়ে আল হিলালের নায়ক গোলকিপার ইয়াসিন বোনো।

    আলেকসান্দার মিত্রোভিচের গোলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় আল হিলাল। ব্রাজিলিয়ান ম্যালকমের ক্রসে খুব কাছ থেকে হেড করে বল জালে জড়ান সার্বিয়ান এই ফরোয়ার্ড। ৮৮তম মিনিটই আয়মান ইয়াহিয়ার গোলে সমতা ফেরায় আল নাস্‌র। এরপর অতিরিক্ত সময়ে কোনো দলই আর গোল করতে পারেনি। তাতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

    গতকাল আল হিলালের শিরোপা উদযাপনে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র। ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন দলের বাইরে এই ব্রাজিলিয়ান। এর আগে লিগ শিরোপা উদযাপনেও নেইমারকে দেখা গিয়েছিল।

  • রান্না: ভাজা মশলা আলুর দম

    রান্না: ভাজা মশলা আলুর দম

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১ জুন, ২০২৪: আমাদের দেশে জনপ্রিয় সবজি গুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আলু। আলু সব রান্নার সঙ্গে ব্যবহার করা যায় আবার স্বতন্ত্র ভাবে এই সবজি দিয়ে তৈরি করা যায় বিভিন্ন খাবার। আজ দেওয়া হলো ভাজা মশলা দিয়ে তৈরি কলকাতা থেকে পাঠানো আলুর দমের রেসিপি। আপনি ইচ্ছা করলেই ঘরে বসে তৈরি করতে পারেন এই খাবার।

    Recipe given by - Sutpa De
    Recipe given by – Sutpa De

    উপকরণ:

    সেদ্ধ করা আলু ৬ পিস অর্ধেক করা, ভাজা মসলা (টেবিল চামচ জিরা, এক টেবিল চামচ মৌরি, চা চামচ ধনে, ২ পিস এলাচ), মাঝারি সাইজ এর কুচানো পেঁয়াজ, আদা বাটা ১ চামচ, রসুন বাটা হাফ চামচ, কুচানো মরিচ ২ টা, লবণ স্বাদঅনুসারে, চিনি স্বাদঅনুসারে, সর্ষের তেল ২ টেবিল চামচ, ১ চামচ হলুদ গুঁড়ো, হাফ চামচ লঙ্কা গুঁড়ো

    প্রণালী:

    প্যান এ সরিষার তেল দিয়ে তেল গরম হলে সেদ্দ করা আলু গুলোকে লবন ও হলুদ দিয়ে ভেজে নিতে হবে। ভেজে নিয়ে আলু গুলোকে তুলে সেই তেলেই দিতে হবে কুচানো পেঁয়াজ। পেঁয়াজ হালকা ভাজা হলে দিতে হবে আদা বাটা ও রসুন বাটা ও হলুদ গুঁড়ো ও মরিচ গুলো মসলা কষিয়ে নিয়ে তেল ছেড়ে এলে দিতে হবে ভেজে রাখা আলু দিয়ে আবার ও কষিয়ে দিতে হবে সামান্য জল ও ভাজা মসলা  ও স্বাদ অনুসারে নুন ও চিনি দিয়ে ২-৩ মিনিট ঢাকা দিয়ে রান্না করে ওপর থেকে কাঁচা মরিচ  দিয়ে  নিলেই তৈরি ভাজা মসলা আলুর দম l

    গরম গরম লুচি, রুটি, পরোটা অথবা পোলাও এর সাথে পরিবেশ করুন।

    রেসিপি দিয়েছেন-সুতপা দে

  • বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন গুতেরেস

    বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানিয়েছেন গুতেরেস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে বর্ণনা করেছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সরকারি দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্র সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।

    সেখানে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ জাতিসংঘের অনেক কর্মযজ্ঞে  উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। সেই কারণেই আমরা বাংলাদেশকে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে বিবেচনা করি।

    জাতিসংঘ মহাসচিব রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদারতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, বিশেষ করে সে দেশের সেনাবাহিনী তরুণ রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক নিয়োগ করার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন ।

    দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে মহাসচিব জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিযোজন ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার সক্ষমতার প্রশংসা করেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান নিম্ন আয়ের দেশের কাতার থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহযোগিতা কামনা করলে গুতেরেস এ বিষয়ে বিশ্বসংস্থার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এ জন্য বাংলাদেশকে পুরস্কৃত করা উচিত, শাস্তিদান নয়।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাতসহ চলমান বিশ্বের কঠিন চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় মহাসচিবকে তার নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাফায় সংঘাত এড়াতে সেখানে জাতিসংঘ মহাসচিব যেভাবে নিজে উপস্থিত হয়েছিলেন, শান্তিপ্রিয় বিশ্ববাসী তার প্রশংসা করেছে।

    এ সময় রোহিঙ্গা সংকটের ওপর বিশ্বের আলোকপাত বজায় রাখা, মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রিত প্রায় ১৩ লাখ রোহিঙ্গার মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন এবং মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতময় পরিস্থিতির উন্নতিকল্পে জাতিসংঘের জোরদার ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

    জাতিসংঘ মহাসচিব গত দশকে বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির প্রশংসা করলে ড. হাছান তাকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ অনেক আগেই সামাজিক, অর্থনৈতিক, মানবিক সূচকসহ সব সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া গত কয়েক বছরে অনেক সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়েও ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান গত ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের দৃঢ় অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়নে সহায়তার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান।বাংলাদেশের জাতিসংঘে যোগদানের অর্ধশত বছরপূর্তিতে গুতেরেসকে বাংলাদেশ সফরের সাদর আমন্ত্রণ জানান তিনি।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা ও মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

  • মানসিক অস্থিরতার মধ্যে থেকে বিএনপি সত্য কথা বলতে ভুলে গেছে: সেতুমন্ত্রী

    মানসিক অস্থিরতার মধ্যে থেকে বিএনপি সত্য কথা বলতে ভুলে গেছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৩১ মে, ২০২৪: মানসিক অস্থিরতার মধ্যে থেকে বিএনপি সত্য কথা বলতে ভুলে গেছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিএনপি একরাশ ব্যর্থতার স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে। তারা মানসিক অশান্তিতে ভুগছে। মানসিক অস্থিরতার মধ্যে সত্য কথা বলতে তারা ভুলে গেছে।”

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) সকালে ধানমন্ডিকে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বহুদলীয় গণতন্ত্রের কথা যারা বলে তাদের গণতন্ত্র ছিল হ্যাঁ/না ভোট। গণতন্ত্রকে তারা ধ্বংসের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি ভুতের মুখে রাম রাম।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার নির্বিকার নয়। আমি মন্ত্রী, আমি যদি কোনো দুর্নীতি করি সেটা কি বিনা বিচারে শেষ হয়ে যাবে? প্রধানমন্ত্রীর কাছে সব খবর আছে। প্রধানমন্ত্রী অফিসের কিছু লোককেও শাস্তি দিয়েছেন। খালেদা জিয়ার আমলে তারা কি কাউকে শাস্তি দিয়েছিল? তখন প্রধানমন্ত্রীর অফিস ছিল দুর্নীতি আখড়া।”

    সাবেক সেনা প্রধান আজিজ আহমেদ ও সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজির আহমেদের মতো যারা দুর্নীতি করেছেন বিএনপি তাদের তালিকা করবে, এটি তারা করতে পারে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, “লিস্ট করলে তো প্রথমে বিএনপি নেতাদের নাম লিখতে হবে। কারণ দুর্নীতি-লুটপাটের শিরোমণি তারা। বিএনপি নেতাদের নাম আগে আসবে। তারপরে অন্য লিস্ট দেখা যাবে।”

    আজিজ-বেনজিরের দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না— বিএনপির এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপির গঠনতন্ত্র পড়েছেন? মির্জা ফখরুল কত বছর থাকতে পারেন? আগামী বছর, এই ডিসেম্বরের পরের ডিসেম্বরে আমার টার্ম শেষ। সম্মেলন হবে যথাসময়ে। মির্জা ফখরুল কত বছর ধরে তার গঠনতন্ত্রকে লঙ্ঘন করে বিএনপির মহাসচিব? একটা দল, তারা নিজেদের ঘরেই গণতন্ত্রের চর্চা করে না। তারা দেশে গণতন্ত্র কীভাবে প্রতিষ্ঠা করবে?”

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপ দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী, আনিসুল ইসলাম প্রমুখ।

  • রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সন্ত্রসবাদ সৃষ্টির আলামত দেখা যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সন্ত্রসবাদ সৃষ্টির আলামত দেখা যাচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সন্ত্রসবাদ সৃষ্টির আলামত দেখা যাচ্ছে, জলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। “মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত এসব রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। আমরা আগে থেকে বলে আসছিলাম এদের দ্রুত সময়ের মধ্যে স্বদেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো না গেলে এখানে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এখানে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের হাব তৈরি হতে পারে। অস্ত্রের ঝনঝনানি হতে পারে। অনেক কিছুই হতে পারে। এই হতে পারার মধ্যে কিছু কিছু আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি।”

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সকাল ১১ টায় উখিয়ার ১৯ নম্বর ঘোনার পাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এপিবিএন কার্যালয়ে যান। সেখানে এপিবিএন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সোয়া ১২টা পর্যন্ত সভা করেন। এরপর পরই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মিয়ানমারের অভ্যন্তরে যারা যুদ্ধ করছে তাদের কয়েকজনের আনাগোনা এখানে (রোহিঙ্গা ক্যাম্পে) দেখা যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় ভয়ের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশ কোনো মাদক উৎপাদন করে না। কিন্তু মিয়ানমার থেকে মাদক আসছে অনেক আগে থেকে। এখন ক্যাম্পের কিছুসংখ্যক লোক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে। আমরা তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে অস্ত্র ও খুনে জড়িতদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনাই এখন আমাদের মূল কাজ।”

    সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরও বলেন, “আজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে নিরাপত্তা নিয়োজিত এপিবিএনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে তাদের চ্যালেঞ্জসমূহ জেনেছি। জেনেছি তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা। তাদের বলেছি, জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এপিবিএন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা দিয়ে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার সহযোগিতা করছে। এপিবিএন তাদের দায়িত্ব পালন করছে বলেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ এবং নিয়ন্ত্রিত।”

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমারের কথা ও কাজে মিল নেই বলে মন্তব্য করেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ফেরত পাঠানো নিয়ে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমার একটি অস্থির দেশ। ওখানে যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলা হচ্ছে। বিভিন্ন সময় মিয়ানমারের সঙ্গে রোহিঙ্গা ফেরত নিয়ে নানা চুক্তি বা সমঝোতায় স্বাক্ষর হলেও তা মিয়ানমারের কারণে অগ্রগতি হয়নি। আশা করি মিয়ানমার দ্রুত সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবেন।”

    এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্পটির এ-৭ ব্লকের পাহাড়ি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ওখান থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যান টেকনাফে। ওখানে বিজিবি সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করেন তিনি।

    পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, এপিবিএন প্রধান সেলিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আনোয়ার হোসেন, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক মো. আমির জাফর, ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মো. ইকবাল, ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক হাসান বারী সহ সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল কক্সবাজার হিলটপ সার্কিট হাউসে ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা’য় প্রধান অতিথি ছিলেন।

  • ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ মে, ২০২৪: ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। শুধুমাত্র তামাক আইন নয়, সব ক্ষেত্রেই সচেতনতা প্রয়োজন। সবাই প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিজ্ঞা করব যে, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করব।”

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) সকালে রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব কনভেনশন হলে ‘বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস ২০২৪’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি একথা জানান।

    জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বৈশ্বিক তামাক নিয়ন্ত্রণে আজকের এ দিনটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৭ সাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সরকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং তামাক বিরোধী সংগঠনগুলো দিবসটি পালন করে আসছে।”

    তিনি বলেন, “তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি, শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি- এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও তামাকবিরোধী র‍্যালি, মেলা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, ক্রোড়পত্র প্রকাশসহ নানা আয়োজন করা হয়েছে।”

    সামন্ত লাল সেন বলেন, “পরোক্ষ ধূমপানও অধূমপায়ীদের জন্য ক্ষতিকর। ধূমপান ও তামাক সেবনের কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যানসার, ডায়াবেটিস, ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী রোগসহ নানা অসংক্রামক রোগ দেখা দেয়। তামাকের কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর ৮৭ লাখ মানুষ অকালে মারা যায়।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান স্পিকার সামিটে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার যে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন, তা বাস্তবায়নে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি প্রনয়ন, জাতীয় তামাক কর নীতি প্রনয়ন ও বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন ও বাস্তবায়ন করার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ, কর্মশালা এবং গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা পরিচালনা করা হচ্ছে।”

    বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের দুর্বলতা দূর করে অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। তামাকের আগ্রাসন থেকে শিশু-কিশোরদের সুরক্ষা দিয়ে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিবার-ভিত্তিক সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলনের ওপর জোর দেন।

    আলোচনা সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন তামাক নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে তামাক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সম্মাননা স্মারক ২০২৪ তুলে দেন। আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী তামাকবিরোধী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং তার সুচিন্তিত মতামত দেন।

    স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জিয়াউদ্দীন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত ডিজি আহমেদুল কবীর, জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মনোজ কুমার রায় প্রমুখ।

  • শিল্পকলার আলোচনায় স্মরণ করা হলো ভাস্কর নভেরা ও শিল্পী কিবরিয়াকে

    শিল্পকলার আলোচনায় স্মরণ করা হলো ভাস্কর নভেরা ও শিল্পী কিবরিয়াকে

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩১ মে, ২০২৪: সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নিমিত্তে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন “স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ” স্মরণ অনুষ্ঠান। ১২ জুন ২০২৪ পর্যযন্ত প্রতিদিনই সাংস্কৃতিক অঙ্গণের বিভিন্ন গুণীজনদের স্মরণে অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে। আজ ৩১ মে ২০২৪, ৭ম দিনে স্মরণ করা হয় বিশিষ্ট ভাস্কর নভেরা আহমেদ এবং বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী মোহাম্মদ কিবরিয়াকে। এ বছর দেশের ৬২ জন মনীষীদের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ২৪ মে ২০২৪ থেকে ১২ জুন ২০২৪ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

    আজ শুক্রবার (৩১ মে) শুরু হয় সকাল ১০ টায় জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে। প্রথমেই বিশিষ্ট ভাস্কর নভেরা আহমেদ স্মরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রদর্শিত হয় নভেরা আহমেদের জীবন ও কর্মের উপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র। পরে ‘ভাস্কার নভেরা আহমেদ : পর্যায়ক্রমিক পাঠ’ শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক রেজাউল করিম সুমন, খন্ডকালীন শিক্ষক, অংকন ও চিত্রায়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

    ২য় পর্বে অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রদর্শিত হয় বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী মোহাম্মদ কিবরিয়ার জীবন ও কর্মের উপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র। অনুষ্ঠানে চিত্রশিল্পী কিবরিয়ার উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক রাফি হক। ‘স্মৃতির আয়নায় মোহাম্মদ কিবরিয়া’ শিরোনামে প্রবন্ধ পাঠ করেন তিনি। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. বজলুর রশীদ খান, (রশীদ আমিন), চেয়ারম্যান, ছাপচিত্র বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সভাপতিত্ব করেন বরেণ্য চারুশিল্পী শিল্পী শহীদ কবীর।

  • উগান্ডায় ক্রিকেট অনুশীলনের সরঞ্জাম নেই অথচ তারা খেলবে বিশ্বকাপে

    উগান্ডায় ক্রিকেট অনুশীলনের সরঞ্জাম নেই অথচ তারা খেলবে বিশ্বকাপে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩১ মে, ২০২৪: উগান্ডা এমন একটি দেশ যাদের ক্রিকেট অনুশীলনের জন্য নেট নেই, যেখানে পাওয়া যায়ন ক্রিকেট সরঞ্চাম। তারা এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে।বিষয়টি ভাবতেই অবাক লাগে। তাছাড়া উগান্ডার কাম্পালায় যে অনুশীলনের জায়গা সেখানে একজন ফাস্ট বোলারের দৌড়ানোর মতো জায়গা নেই।

    স্থলবেষ্টিত দেশটি ‘আফ্রিকার মুক্তা’ হিসেবে পরিচিত, কফি চাষের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত উর্বর এই ভূমি থেকে উঠে এসেছেন কজন ক্রিকেটার যারা এবারে বিশ্বকাপও খেলবে।বছর খানেক আগেও যা ছিল কল্পনার বাইরে।

    ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি খেলেছে পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকা নামে। এবারে আর মহাদেশীয় অঞ্চল না একেবারে দেশের নাম দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ইভেন্ট খেলবে উগান্ডা। এই বিশ্বকাপটা উগান্ডার ক্রিকেটারদের জন্য ‘স্বপ্নের মতো’, পৃথিবীর অনেক দেশের মতো উগান্ডাতে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল, ক্রিকেটাররা কিছুটা নজরে আসতে চান কারণ ক্রিকেট খেলাটা চালিয়ে যেতে হলে তাদের পৃষ্ঠপোষক প্রয়োজন একই সাথে প্রয়োজন সরকারের সমর্থন। সেটা হয়তো এখন থেকে পাওয়া শুরু করবেন বলে আশা করছেন উগান্ডার পুরুষ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা। তিনি বলেন, “আমাদের যে সুযোগ সুবিধা দেয়া হয় দেশে সেটাকে খুব ভালো বলা যাবে না, তাই আমার মতে উগান্ডার বিশ্বকাপ খেলাটা একরকম অলৌকিক বটে। এটা একতা স্বপ্নের মতো ব্যাপার”।

    বিশ্বকাপে উগান্ডার গ্রুপে আছে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আফগানিস্তান ও পাপুয়া নিউ গিনি। এই ক্রিকেটারদের বিপক্ষে মাঠে নামাটাকে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের বড় ব্যাপার মনে করেন মাসাবা।

    উগান্ডার ক্রিকেটীয় উত্থান:

    ১৯৯৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী দেশ হিসেবে ক্রিকেটের পরিসরে ঢোকে উগান্ডা, কিন্তু আদতে উগান্ডার ক্রিকেট গুছিয়ে ওঠে ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে। এই সময়ে কোচ লরেন্স মাহাটলেইন, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার লক্ষ্যে উগান্ডা ক্রিকেট দলের সাথে কাজ করেন।

    দলটির অধিনায়ক মাসাবা বলেন, “কোচের কাজ ছিল সুনির্দিষ্ট। তিনি এই টি২০ বিশ্বকাপে খেলানোর একটা কার্যকর পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন এবং সফল হয়েছেন”।

    প্রথমত ক্রিকেটারদের চুক্তিবদ্ধ করা হয় যাতে উগান্ডার ক্রিকেটাররা একটা পেশাদার মঞ্চ পান, এরপর দলটিকে প্রচুর ম্যাচ খেলানোর সুযোগ দেয়া হয়। ২০২১ সালের পর থেকে উগান্ডা পুরুষ আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে, এটা প্রমাণ করে কতোটা সংকল্পবদ্ধ ছিল দলটির পরিকল্পনা।

    এই সময়ের মাঝে উগান্ডা বেশিরভাগ ম্যাচ খেলেছে রুয়ান্ডা ও তানজানিয়ার বিপক্ষে, গত ২ বছরে ৫৯ ম্যাচে মাত্র ৮টিতে হেরেছে দলটি। এতে করে দলটি খুব শক্তিমত্তা অর্জন না করলেও টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে কীভাবে ম্যাচ বের করতে হয় সেই ধারণাটুকু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সাবেক টেস্ট খেলুড়ে দেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত করে উগান্ডা।

    উগান্ডার ক্রিকেট ইতিহাসে কখনো কোনও জার্সিতে স্পন্সর ছিল না, এবার দলটি জার্সি স্পন্সর পেয়েছে, এটাই প্রমাণ করে দলটির জন্য এই অর্জন কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। মাসাবা বলেছেন, “এই ইতিহাসের অংশ হবো, এটা কখনো ভাবনাতে আসেনি।”

    “এটা একটা লম্বা যাত্রা, আমার অভিষেক হয়েছিল ২০১১ সালে, তাই আমি জানি এই জায়গায় আসতে আমাদের কতোটা কষ্ট করতে হয়েছে।”

    উগান্ডার প্রথম লক্ষ্য মাঠে নেমে একটা প্রভাব ফেলার চেষ্টা করা, অধিনায়ক মাসাবা বলেছেন, “আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো আমাদের সংস্কৃতি তুলে ধরা, ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক দর্শকরা যাতে দেখে উগান্ডা নামের একটা দেশ ক্রিকেট খেলছে।”

    উগান্ডা ক্রিকেট দলের ডাকনাম ‘দ্য ক্রেইন্স’:

    ক্রিকেট ক্রেইন নামের পেছনে আছে একটি পাখি, ক্রেস্টেড ক্রেইন, এটি উগান্ডার জাতীয় পাখি। অধিনায়ক ব্রায়ান মাসাবা বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের অনুষ্ঠান স্টাম্পডে বলেন, “উগান্ডার জাতীয় পাখি ক্রেস্টেড ক্রেইনের নাম ধরেই আমাদের ক্রেইন বলে ডাকা হয়।”

    সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার ফ্রাঙ্ক নাসবুগা:

    অফস্পিনার ফ্রাঙ্ক নাসবুগা ১৬ বছর বয়স থেকে উগান্ডার জাতীয় দলে খেলছেন। প্রায় তিন দশক পরে তার বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। পাঁচ বছর আগে উগান্ডা বিশ্ব ক্রিকেট লিগের চতুর্থ ধাপে অবনমিত হয়েছিল তখনও দেশটির ক্রিকেটাররা ভাবতে পারেননি কখনো তাদের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা হবে।

    নাসবুগা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমাদের জন্য এটা ছিল চমকের মতো। জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে বিশ্বকাপে খেলবো আমরা, ছেলেরা খুবই উচ্ছ্বসিত এবং এই অভিজ্ঞতা নিতে মুখিয়ে আছে। আমি তো ২৭ বছর ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম”।

    অগাস্টেই এই ক্রিকেটারের বয়স হবে ৪৪ বছর। তিনি এরপর কোচিং করানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এছাড়াও উগান্ডার ক্রিকেট নিয়ে কাজ করবেন তিনি, “আমাদের ক্রিকেটকে গ্রামে নিয়ে যেতে হবে, নানা জায়গা থেকে ক্রিকেটার তুলে আনতে হবে। আমাদের আপাত কিছুটা পেশাদারিত্ব আসছে, যেটা ভালো।”

    ফ্রাংকের ব্যাপারে অধিনায়ক মাসাবা প্রশংসায় পঞ্চমুখ, “কী বলবো তার ব্যাপারে, তিনি একেবারে শুরু থেকে আছেন, আমি ছোট ছিলাম যখন ফ্রাঙ্কের খেলা দেখেছি। তিনি উগান্ডার ক্রিকেটের সাথে সবসময় আছেন। আমরা যতদূর এসেছি এর পেছনে ফ্রাঙ্কের অবদান আছে।”

    ফ্রাঙ্ক নাসবুগা বিশ্বকাপের পরে আর খেলবেন না বলে জানিয়েছেন।

    উগান্ডা ক্রিকেটের এই পর্যন্ত আসার পেছনে অবদান আছে এক অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট ক্লাবেরও, কাম্পালার ক্রিকেট পাড়ায় গেলে প্রায়ই চোখে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার পুরনো সবুজ হেলমেট বা নিউ সাউথ ওয়েলসের জার্সি। ২০০৪ সালে অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার যুবদলের দেখাশোনা করছিলেন ব্রায়ান ফ্রিম্যান, তখন তার নজরে আসে উগান্ডার ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা, যাদের কাছে ক্রিকেট সামগ্রী ছিলনা বললেই চলে, মাঠেই তারা সতীর্থদের সাথে সামগ্রী শেয়ার করে ক্রিকেট খেলতেন। ব্রায়ান ফ্রিম্যান ২০০৫ সাল থেকেই নানা ধরনের ক্রিকেট সরঞ্জাম উগান্ডায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

    ফ্রিম্যান দ্য গার্ডিয়ানকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়াটা অনেক বড় ব্যাপার, এখানে আমরা অবদান রাখতে পেরে খুশি, আমরা তাদের থেকে অনেক ধন্যবাদ পেয়েছি, আমরা অভিনন্দন জানিয়েছি। তবে মনে রাখবেন, এই অর্জনটা একান্ত তাদের”।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • আগামী ১ জুন থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে

    আগামী ১ জুন থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৩১ মে, ২০২৪: ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়নো হয়।কিন্তু এবার ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ মে) রাতে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ হয়েছে। নতুন এই মূল্য আগামী ১ জুন থেকে কার্যকর হবে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী ডিজেল ও কেরোসিনের বর্তমান মূল্য প্রতি লিটার ১০৭ টাকা থেকে ৭৫ পয়সা বৃদ্ধি করে ১০৭ টাকা ৭৫ পয়সা, প্রতি লিটার পেট্রলের বর্তমান মূল্য ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা থেকে দুই টাকা ৫০ পয়সা বৃদ্ধি করে ১২৭ টাকা এবং প্রতি লিটার অকটেনের বর্তমান মূল্য ১২৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে দুই টাকা ৫০ পয়সা বৃদ্ধি করে ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কিছুটা হ্রাস পেলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে এই মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানায়, মূল্য সমন্বয়ের পরও ভারতের কলকাতায় বর্তমানে ডিজেল লিটার প্রতি ৯০ দশমিক ৭৬ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৫ টাকা ৭০ পয়সায় এবং পেট্রল ১০৩ দশমিক ৯৪ রুপি বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৩ টাকা ৯৬ পয়সায় বিক্রি হচ্ছে, যা বাংলাদেশ থেকে লিটার প্রতি যথাক্রমে প্রায় ১৭ টাকা ৯৫ পয়সা ও ১৬ টাকা ৯৬ পয়সা বেশি।