Category: লিড নিউজ

  • ভারতে লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোন দল

    ভারতে লোকসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি কোন দল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৫ জুন, ২০২৪: ভারতের সংসদের নিম্ন-কক্ষ লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে গেলে কোনও দলকে ২৭২ টি আসন পেতে হয়। বিজেপি এককভাবে সেই সংখ্যা থেকে অনেকটা পিছিয়ে আছে। তবে এনডিএ জোট সঙ্গীদের নিয়েই যে তাদের সরকার গড়তে হবে, সেই প্রসঙ্গ বুধবারের ভারতের সংবাদপত্রগুলিতে লেখা হয়েছে।

    ভারতের ১৮তম সাধারণ লোকসভা নির্বাচনের ৫৪৩টি আসনের চূড়ান্ত ও আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

    আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) মধ্যরাতে দেশটির নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, গত দুই বারের মতো এবারও ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সবচেয়ে বেশি ২৪০টি আসন পেয়েছে।তবে তারা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। অপরদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯৯টি আসন পেয়েছে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস।

    এছাড়া অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) সাতটি ও শিবসেনা (এসএইচএস) সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। এছাড়া সাতটি আসনে জয়ের পাশাপাশি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে এনসিপিএসপি।

    সব আসনের ফলাফল ঘোষণা শেষে দেখা যাচ্ছে এবারের নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

    তবে মোদির বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট ‘এনডিএ’ ২৯২টি আসন পেয়েছে। অপরদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ‘ইন্ডিয়া’ পেয়েছে ২৩৪টি আসন। অন্যান্য দলগুলো পেয়েছে বাকি ১৭টি আসন।

    গত ১৯ এপ্রিল লোকসভার নির্বাচন শুরু হয়। যা সাত ধাপে গত ১ জুন পর্যন্ত চলেছে। নির্বাচনের আগে যেসব জরিপ চালানো হয়েছিল সেগুলোতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি ভূমিধস জয় পাবে। এছাড়া ১ জুন নির্বাচন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যে বুথ ফেরত জরিপ প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানেও বলা হয়েছিল মোদির দল একাই ৩৫০ আসন পাবে। আর জোট হিসেবে তারা চারশরও বেশি আসনে জয়ী হবে।

    তবে জরিপের সব ফলাফল ভুল প্রমাণ হওয়া শুরু করে মঙ্গলবার সকালে যখন ভোট গণনা ও ফল আসা শুরু করে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, কংগ্রেসের ‘ইন্ডিয়া’ জোট অবিশ্বাস্যরকম ফলাফল করছে। যেখানে ধারণা করা হয়েছিল এ জোট সবমিলিয়ে ১০০টি আসনও পাবে না সেখানে তারা এই সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। এর মাধ্যমে মূলত ভারতে ‘মোদি ঢেউ’ আটকে দিয়েছে জোটটি।

    গত নির্বাচনে মোদির এ জোটটি সবমিলিয়ে ৩৫৩টি আসন পেয়েছিল। আর বিজেপি একাই পেয়েছিল ৩০২টি আসন। সেখান থেকে এবার তারা প্রায় ৬০টি আসন কম পেয়েছে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটিতে বেকারত্বের সংখ্যা বেড়েছে। আর এ বিষয়টিই এবারের নির্বাচনে প্রভাব রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    পৃথিবীতে যত গণতান্ত্রিক দেশ রয়েছে তাদের মধ্যে ভারত সবচেয়ে বড়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

  • রান্না: মাছের চপ

    রান্না: মাছের চপ

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৫ জুন, ২০২৪: আমরা সাধারণত জানি মাছের তরকারি রান্না করা যায়, অথবা মাছের ভাজি হয়। কিন্তু আজকাল রন্ধন শিল্পীরা মাছ দিয়ে তৈরি করছে বিভিন্ন ধরনের মজাদার চপ। আজ দেওয়া হলো রুই মাছের চপের একটি রেসিপি।

    Recipe given by Misti Saha
    Recipe given by Misti Saha

    উপকরণ:

    রুই মাছ-৫০০ গ্রাম( যেকোনো তেলওয়ালা মাছ নেওয়া যাবে), পেঁয়াজ-২৫০ গ্রাম, আদা কুচি-১ চা চামচ, রসুন কুচি-১ চা চামচ, জিরা গুড়া-১/২ চা চামচ, ধনিয়া গুড়া-১/২ চা চামচ, লবণ-পরিমান মতো, কাঁচা মরিচ-৪/৫ টা কুঁচি, শুকনা মরিচ গুড়া (যতটুকু ঝাল খাবেন), হলুদ গুড়া- চা চামচ, চিনি( লবণ যতটুকু ততটুকু চিনি), সরিষার তেল-এক টেইল চামচ, লেবু-১ চা চামচ, ব্রেড ক্রাম ও ময়দা-১ টেবিল চামচ, ডিম-১ টা ও সয়াবিন তেল ভাজার জন্য।

    প্রস্তুত প্রণালি:

    মাছ হলুদ লবণ আর সামান্য রসুন বাটা দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এরপরে ভালো করে কাটা বেছে রাখতে হবে।

    একটা কড়াই তে সরিষার তেল দিয়ে তাতে কুচানোর পেঁয়াজ দিয়ে ভাজতে হবে, সোনালী রং এর হলে রসুন কুচি ও আদা কুচি দিয়ে ভাজতে হবে, এরপরে জিরে গুড়া, লবণ, হলুদ গুঁড়া, শুকনা মরিচ গুড়া, ধনিয়া গুড়া দিয়ে হালকা ভেজে নিতে হবে। এরপরে সেদ্ধ করা কাটা বাছা মাছ দিয়ে দিতে হবে।এরপরে কাঁচা মরিচ কুঁচি দিতে হবে, এবার মাছের জল শুকালে মিশ্রণ টা নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে।

    অন্য পাত্রে একটা ব্রেড ক্রাম এবং আরেকটা তে ময়দার সাথে লবণ ও গোল মরিচ এর গুড়া মিশিয়ে রেডি করে রাখতে হবে।আরেক পাত্রে ডিম ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার মিশ্রণ টা লম্বা লম্বা সেপ করে ময়দায় গড়িয়ে, ডিমে চুবিয়ে,  ব্রেড ক্রাম এর গড়িয়ে নিতে হবে। এভাবে সব গুলো হলে কড়াই তে সয়াবিন তেল দিয়ে চপ গুলো বাদামী করে ভেজে নিতে হবে।

    এরপরে গরম গরম টমেটো সস বা কাসন্দির সাথে পরিবেশন করুন

    রেসিপি দিয়েছেন: মিষ্টি সাহা

  • প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

    প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জুন, ২০২৪: প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল সিস্টেম, কম্পিউটার শিক্ষা—এই শিক্ষার প্রসার আমরা ঘটাচ্ছি। তার কারণ হচ্ছে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, প্রযুক্তির যুগে আমাদের ছেলেমেয়েরা পিছিয়ে থাকবে না। তাদেরও সেইভাবে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন একটা জাতি হিসেবে গড়ে তুলব”।

    আজ মঙ্গলবার (জুন ০৪) দুপুরে গণভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯, ১০০, ১০১, ১০২, ১০৩ এবং ১০৪তম জন্মবার্ষিকীতে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিগত বছরগুলোতে নিয়মিত অনুষ্ঠিত এসব প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৩০৪ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কয়েকজনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের যারা তরুণ, শিশু তারাই হবে ২০৪১ এর স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। তোমরা এ দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেভাবেই আমরা তোমাদের গড়তে চাই”।

    শেখ হাসিনা বলেন, “আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ২০০৮ সালে আমরা ঘোষণা দিয়েছি ডিজিটাল বাংলাদেশ করার, এখন আমাদের ঘোষণা ২০২১ সালের বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। সেজন্য আমরা কম্পিউটার ল্যাব করে দিয়েছি স্কুল স্কুলে, সেই সাথে কম্পিউটার ট্রেনিং এবং ইনকিউভেশন সেন্টার করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে বিশেষ প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়”।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যত দূরেই থাকি না কেন এই ছোট্ট সোনামণিরা তোমরা আছো আমার অন্তরে। আমরা শিশুদের সুরক্ষায় আইন করেছি নীতিমালা করেছি। শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করেছি। প্রাক প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। বৃত্তি উপবৃত্তি দিচ্ছি, উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা বৃত্তি দিচ্ছি। আমাদের গৃহীত পদক্ষেপে সাক্ষরতার হার ৪৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭৬ ভাগে উন্নীত হয়েছে”।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি জেলায় জেলায়। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্যাশন ডিজাইন বিশ্ববিদ্যালয়, অ্যারো স্পেস অ্যান্ড এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়, বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বহুমুখী বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা যেন লেখাপড়া শিখতে পারে, তাদের মেধার বিকাশের সুযোগ হয়, সে সুযোগটা আমরা করে দিয়েছি”।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের প্রেসিডেন্ট প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী হাশেম খান। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান।

  • সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জুন, ২০২৪: সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, “নির্বাচনে হেরে গিয়ে এখন তারা (বিএনপি-জামাত) নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। লাভ হবে না, সব ষড়যন্ত্র আমরা আল্লাহর রহমতে মোকাবিলা করেছি। ভবিষ্যতেও সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ এগিয়ে যাবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে”।

    আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে আদালত স্বাধীনভাবে কাজ করে এবং আমাদের দেশের দুর্নীতি দমন কমিশনও স্বাধীনভাবে কাজ করে। কাগজে দেখলাম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব কারও কারও রেফারেন্স দিয়ে বলেছেন, এরাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের শাসনের মুখ। বিএনপির দুঃশাসন একটু মনে করিয়ে দিতে চাই। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের কাছেও একটু তুলে ধরতে চাই, আপনারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন, বাংলাদেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চারবার এককভাবে চ্যাম্পিয়ন, আর একবার হয়েছে যুগ্মভাবে”।

    তিনি আরও বলেন,  “আর আপনাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের (তারেক) বিরুদ্ধে এফবিআই এসে সাক্ষ্য দিয়ে গিয়েছে। তার (তারেক) এবং তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতির টাকা বিদেশ থেকে ফেরত আনা হয়েছে। ২১ আগস্ট হামলার কারণে এবং দুর্নীতির কারণে তার (তারেক) সাজা হয়েছে। খালেদা জিয়ারও শাস্তি হয়েছে দুর্নীতির কারণে। আপনাদের দুর্নীতি-সন্ত্রাসের মুখ হচ্ছে তারেক রহমান। বিএনপির দুর্নীতি-দুঃশাসনের বরপুত্র তারেক রহমান। আর তাদের মুখপাত্র হচ্ছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। চোরের মায়ের বড় গলা কথাটি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য”।

    তিনি আরও বলেন, “আমরা অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছি। কেউ দুর্নীতি, অন্যায়, অনিয়ম করলে বিচার হয় আমাদের দেশে। আর আপনারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন আপনারা হাওয়া ভবন প্রতিষ্ঠা করে দুর্নীতি এবং দুঃশাসনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন”।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নিউইয়র্কে জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়। তিনি তখন আমাকে বললেন, তোমরা তো তোমাদের অঞ্চলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে এগিয়ে। কিন্তু আজকে যখন দেশ এগিয়ে যায় তখন বিএনপি-জামায়াত এবং কিছু কিছু নামধারী বিশেষজ্ঞ-বুদ্ধিজীবী পরিচয়ধারী, তারা কোনো কিছু দেখতে পায় না। তারা শুধু সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে চলেছে। কোনো উন্নয়ন হলেই তারা সেখানে কিন্তু খোঁজে। কিছু নামধারী বুদ্ধিজীবী সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়”।

    হাছান মাহমুদ বলেন, “আজকে আমি আপনাদের মাধ্যমে বলবো, চোরের মায়ের এখন বড় গলা। দুর্নীতি দুঃশাসনের বরপুত্র তারেক রহমানের মহাসচিবেরও আজ বড় গলা। সুতরাং সবাইকে আজকে একটু সাবধান হতে হবে”।

    স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজুর সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন টয়েলের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, আওয়ামী লীগ নেতা এম এ করিম, বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাহ আলী খান জিন্নাহ প্রমুখ।

  • প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারকারীরা দূষণের জন্য দায়ী: পরিবেশ মন্ত্রী

    প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারকারীরা দূষণের জন্য দায়ী: পরিবেশ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জুন, ২০২৪: প্লাস্টিক পণ্য র্ববহারকারীরা দূষণের জন্য দায়ী, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “যারা প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহার করবে, তাদের আমরা দূষণের জন্য দায়ী করব। এজন্য তাদের একটি অর্থনৈতিক মূল্য নির্ধারণ করে দেবো। উৎপাদন ও নকশায় কীভাবে তারা প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনবে, সেটাও বলা হবে। আমাদের ১০০ দিনের কর্মসূচিতে বলেছিলাম, চলতি মাসের মধ্যেই এ সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত করব, আমাদের সেই কাজ চলছে”।

    আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উপলক্ষ্যে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, “পৃথিবীর ১০টি নদী সবচেয়ে বেশি দূষিত, এরমধ্যে ২টি বাংলাদেশের—পদ্মা ও যমুনা। এখানে শুধু আমাদের দেশের পলিথিন ও প্লাস্টিক না, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোরও দূষণ আছে।

    মন্ত্রী বলেন, “আমাদের যে অবস্থান, তাতে এসব দূষণ আমাদের নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে যাচ্ছে। কাজেই আমাদের নিজস্ব দূষণ ও পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসা দূষণও আছে। আমাদের ১০০ দিনের কর্মসূচিতে এক্সটেন্ডেন্ট প্রডিউসার রেসপন্সি‌বিলিটির কথা আছে”।

    সাবের হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, “ইপিআরের খসড়া বড় বড় কোম্পানি ও চেম্বারের কাছে পাঠিয়েছি। তাদের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমরা যখন প্লাস্টিকের কথা বলি, সেটা ইপিআর পরবর্তী সার্কুলার ইকোনমির সঙ্গে জড়িত। আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি”।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “ঢাকা শহরের কোন কোন জায়গায় আমরা বনায়ন করতে পারি, কী কী গাছ লাগাতে পারি, তা ঠিক করতে স্থানীয় সরকার বিভাগ, পূর্ত মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও দুই সিটি করপোরেশনের সঙ্গে মিলে আমরা একটা ছক দাঁড় করানোর চেষ্টা করছি। আমরা সবুজ এলাকা হারিয়েছি, জলাশয়ও নেই। কাজেই আমরা মনে করি, নগর উন্নয়নে আমাদের যে মূল পরিকল্পনা আছে, সেটার মধ্যে এসবও নিয়ে আসতে হবে। আমরা যেটা করতে পারি, কত শতাংশ থাকতে হবে, সেটা নির্ধারণ করতে পারি”।

    তিনি আরও বলেন, “কিন্তু বিশ্বজুড়ে যে মান আছে, সেটা বাংলাদেশে কতটুকু কার্যকর করতে পারব আমরা জানি না। ঢাকা বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শহর। এখানে আমরা কীভাবে সেই জায়গাটা বের করব? এরইমধ্যে আমরা কিছু কিছু কাজ শুরু করেছি। রাজউকের যে পূর্বাচল প্রকল্প আছে, সেখানে একটি বড় অংশ আমরা বনায়নের জন্য রেখে দিয়েছি—১৪০ একর ভূমি। এটা বনায়নের জন্য আলাদাভাবে রাখা হয়েছে। কিন্তু পুরো এলাকা যদি কংক্রিট হয়ে যায়, তাহলে সেখানে কোনো সুযোগ আমাদের থাকছে না।

    পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, “পরিবেশগত যে ন্যূনতম চাহিদা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত বলে আমরা মনে করি, সেটা আমরা করতে পারবো। সেটা করা না হলে ঢাকা শহর তার বাসযোগ্যতা হারাবে”।

    এসময় পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ বলেন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা আনতে কৃষিতে অনেক ধরনের জেনেটিক্যালি মডিফাইড খাবার নিয়ে কাজ হচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে অনেক টিকা নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিকভাবে এ ক্ষেত্রে তথ্য আদান-প্রদান হচ্ছে। এগুলো যাতে নিরাপদভাবে হয়। মানুষের জনস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্য আছে, তাদের জন্য এ ধরনের কার্যক্রম আমরা কীভাবে নিরাপদ করতে পারি, এখানে যাতে কোনো অপরাধ কিংবা অনৈতিক কিছু না হতে পারে, সেজন্য আমরা একটি পলিসি করেছি।

  • ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৪ জুন, ২০২৪: ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় যে ফলাফল দেখা যাচ্ছে, তা বুথ ফেরত জরিপের সম্পূর্ণ বিপরীত। এতে বিপাকে পড়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। তাদেরকে এখন নির্ভর করতে হচ্ছে এনডিএ জোটের ওপর।

    ভারতে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা নির্বাচনী কর্মকাণ্ড শেষে এবার চলছে ভোট গণনা। বিজেপি নাকি কংগ্রেস, এনডিএ জোট (নরেন্দ্র মোদি) নাকি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট (রাহুল গান্ধী); লোকসভা নির্বাচনে কারা বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার গঠন করবে, এগিয়ে চলছে সেই প্রক্রিয়া।

    এপ্রিল মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে দেশটির লোকসভার ৫৪৩টি আসনের নির্বাচন সাত ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে কোনো দল বা জোটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হলে কমপক্ষে ২৭২টি আসনে জিততে হবে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় নির্বাচন বলে পরিচিত এই প্রক্রিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ভোটার ছিলেন, যার মধ্যে ৬৪ কোটি ২০ লাখ মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে।

    আনন্দবাজার পত্রিকার সূত্রে প্রপ্ত তথ্যে জানা গেছে ভারতে এককভাবে সরকার গঠন করতে হলে কোনো দলকে অন্তত ২৭২ আসনে জয় পেতে হয়। কিন্তু কোনো দলই এই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। ফলে জোট নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।

    বিজেপি পেয়েছে ২৪১, কংগ্রেস ৯৮, অন্যান্য দল পেয়েছে ২০৪ টি আসন।

    এখন দেখার বিষয় কে সরকার গঠন করছে। তবে নির্বাচনে বিপর্যয় ঘটেছে বিজেপির।

  • চা শ্রমিকদের মাথাগোঁজার ঠাঁই করে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

    চা শ্রমিকদের মাথাগোঁজার ঠাঁই করে দেবো: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ জুন, ২০২৪: চা শ্রমিকদের মাথাগোঁজার ঠাঁই করে দেবো, বলে জানয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “চা শ্রমিকদের প্রতি যত্নবান হলে তাদের থেকে বেশি কাজ করিয়ে নিতে পারবেন। তাদের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া, চিকিৎসাসহ নানান বিষয় দেখবেন। চা শ্রমিকদের নাগরিকত্ব দিয়েছেন জাতির পিতা। তাদের মাথাগোঁজার ঠাঁই, আপন ভূমি নেই। আমরা তাদের সেই মাথাগোঁজার ঠাঁই করে দেবো”।

    আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মানুষের রুচি বদলে গেছে। বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভারের চায়ের চাহিদা বেড়েছে। বাজারে হার্বাল টি, মশলা টি, তুলসি পাতার চা, জেসমিন টি, এগুলো চলে। পাট পাতা থেকেও চা তৈরি হয়। এ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। খামারিরা বলছেন, এটি নাকি ডায়াবেটিকসের জন্য ভালো”।

    শেখ হাসিনা বলেন, “চা অর্থকরি ফসল হচ্ছে। দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে। এ নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। গবেষণার ওপর বিশেষ গুরত্ব দিতে হবে”।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন আমাদের চা চাষ বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছে। যেখানে আমাদের সামান্য চা উৎপাদন হতো, সেখানে চা উৎপাদন এবং গ্রহণও বেড়েছে”।

    তিনি বলেন, “উত্তরাঞ্চল চায়ের যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে সেটাকে সম্প্রসারণ করা, যত্ন করা, কীভাবে আরো চা উৎপাদন বাড়ান যায় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এ ছাড়া চা বোর্ড, ক্ষুদ্র চাষিদের প্রযুক্তি সহায়তা, প্রণোদনা, সবদিক থেকে সরকার সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। পঞ্চগড়ের পাশাপাশি লালমনিরহাটেও চা বোর্ডের স্থায়ী অফিস নির্মাণ করা হয়েছে”।

    তিনি আরো বলেন, “পঞ্চগড়ে আঙ্গিনায়ও চা হচ্ছে, তারা তরকারিও ফলায়, চায়ের গাছও লাগায়। চা আমাদের অর্থকরী ফসল হচ্ছে। যেটা দেশের মানুষের আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিতে সহায়তা করছে”।

    শেখ হাসিনা বলেন, “চা আমার খুব প্রিয়। আমি চা পান করি। কারণ, জাতির পিতা চা বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। আর বিশেষ করে, চা শ্রমিকরা নৌকায় ভোট দেয়। অনেকে অনেকভাবে চেষ্টা করেছে, কিন্তু তাদের অন্য দিকে নিতে পারে নাই। তাদের (শ্রমিক) ভালোবাসা, আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করে”।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

  • বেনজীর ও আজিজের বিচার করার সৎ সাহস সরকারের আছে: সেতুমন্ত্রী

    বেনজীর ও আজিজের বিচার করার সৎ সাহস সরকারের আছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৪ জুন, ২০২৪: বেনজীর ও আজিজের বিচার করার সৎ সাহস সরকারের আছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বেনজীর আহমেদ আমাদের দলের লোক নয়। সিনিয়রিটি নিয়ে সে আইজিপি হয়েছে। আজিজ আহমেদও আমাদের দলের লোক নয়। সেনাপ্রধান হয়েছেন নিজ যোগ্যতায়, সিনিয়রিটি নিয়ে। আমরা তাকে বানাইনি। যখন কোনো অপরাধ করে সরকারের কাছে খবর আসে, তার বিচার করার সৎ সাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে”।

    আজ মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক প্রতিনিধি সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এ সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে কাউকে পুলিশ, সেনা, র‌্যাব প্রশাসনের বড় পদে বসায়নি। ৮ জনকে পাশ কাটিয়ে ৯ নম্বর ব্যক্তি মঈন উদ্দিনকে কে সেনাপ্রধান বানিয়েছে? বেগম খালেদা জিয়া। সাবেক আইজিপি শামসুল হুদা, এসপি কহিনুর কার সৃষ্টি? মির্জা ফখরুল ভুলে গেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অস্ত্র মামলায় দশ বছর, অর্থপাচারে আজ পলাতক আসামি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে বিদেশে একজন সৎ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত। তার সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদারতায় সাজা স্থগিত করে বাসায় বসে চিকিৎসা নিতে পারছেন। আজ সেই বিএনপি দুর্নীতি ও অর্থপাচারের বিরুদ্ধে কথা বলে”।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি হচ্ছে দুর্বৃত্তের জন্মদাতা। আমাদের দলের নেতৃত্বে কোনো দুর্নীতি থাকলে তথ্য প্রমাণ নিয়ে আসেন। আজ বিএনপি তাদের দুর্নীতিবাজ পলাতক আসামি তারেক রহমানকে ভালো লোক সাজানোর চেষ্টা করছে”।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করছেন। ১৫ বছর আগের বাংলাদেশ আর এখনকার বাংলাদেশ আমূল পরিবর্তন। শেখ হাসিনা যেটা করেছেন সেটা হলো উন্নয়ন। যার কোনো তুলনা নেই। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্ণফুলী টানেল- বাংলাদেশের যে দিকে তাকাই শুধু উন্নয়ন”।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক দলীয় নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা মেনে চলার উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, “কষ্টে থাকলে জানাবেন, অপকর্ম করবেন না। আমাদের নিজের দুর্বলতার খবর শত্রু জানলে নিজেদেরই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে”।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “আওয়ামী লীগ অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা করে। আমাদের দল জন্মলগ্ন থেকেই দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা হয়। আমি তৃতীয় বারের সাধারণ সম্পাদক। আমাদের একটা সম্মেলন কেউ বলতে পারবে না সময় রেখা অতিক্রম করেছে। আমরা ডিসেম্বরের সময় সীমার মধ্যেই জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন করি। আগামী সম্মেলনও ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আমাদের জাতীয় সম্মেলন হবে”।

    ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচির সঞ্চালনায় প্রতিনিধি সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।