Category: লিড নিউজ

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে পণ্য রপ্তানির থেকে কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বেশি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে পণ্য রপ্তানির থেকে কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বেশি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রীর কাছে পণ্য রপ্তানির থেকে কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বেশি, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পণ্য রপ্তানির থেকে বেশি কর্মসংস্থানের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমরা কত টাকার পণ্য আমদানি করলাম, কত টাকার পণ্য রপ্তানি করলাম, সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা আমরা কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলাম। আমরা যত বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবো, তত আমাদের মূল্য সংযোজন হবে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ‘বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতি: বিবর্তন, বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    টিসিবি ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্সটিটিউটের (বিএফটিআই) কনফারেন্স রুমে এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা একাধিক দেশের সঙ্গে ইকোনমিক পার্টনারশিপ নিয়ে কাজ করছি, রিজিওনাল কানেকটিভিটি নিয়ে কাজ করছি। এই মুহূর্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রায় ২৬টি দেশের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে কাজ করছে। আমরা সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রচার করছি। কিন্তু সেইভাবে আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি না। তাই আমাদের এফটিএ-এর মাধ্যমে চেষ্টা করতে হবে। আমরা এই বছর লজেস্টিক পলিসি লঞ্চ করেছি। এটাকে কীভাবে আমরা গ্লোবাল ভ্যালু চেইনের সঙ্গে যোগ করতে পারি সেটি নিয়ে কাজ করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সরকারে দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন, যেভাবে তৈরি পোশাক খাত সুবিধা পাচ্ছে, একইভাবে চামড়া ও পাট শিল্পও যেন সুবিধা পায়। আমরা আমাদের জনশক্তিকে যদি কাজে লাগাতে পারি এবং চামড়া ও পাট শিল্পকে যদি আমরা উন্নত করতে পারি, তাহলে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এক সময় আমাদের চা এবং পাট ছাড়া কোনো রপ্তানিযোগ্য পণ্য ছিল না। সে জায়গা থেকে আমরা উত্তরণ করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলছি। সেই স্মার্ট বাংলাদেশের বাণিজ্যের জন্য ইলেক্ট্রনিকস পণ্য একটি বড় খাত হতে পারে। এটি শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা নয়, বিদেশে রপ্তানিরও একটি বড় সম্ভাবনাময় খাত।”

    বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুব আলম।

    অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার। এর ওপর আলোচনা করেন বিএফটিআই এর সিইও ড. জাফর উদ্দিন, বিল্ডের সিইও ফৈরদৌস আরা বেগম ও ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ।

  • মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের প্রধান লক্ষ্য: রাষ্ট্রপতি

    মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের প্রধান লক্ষ্য: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জুন, ২০২৪: মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের প্রধান লক্ষ্য, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য।”

    আগামীকাল (২০ জুন) নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী। কবির ১১৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ বুধবার (১৯ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “কবি সুফিয়া কামাল রচিত সাহিত্যকর্ম নতুন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গভীর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। কবির জীবন ও আদর্শ এবং তার কালোত্তীর্ণ সাহিত্যকর্ম নতুন প্রজন্মের প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।”

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “কবি সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তৎকালে বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া করেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। সুললিত ভাষা ও ব্যঞ্জনাময় ছন্দে তার কবিতায় ফুটে উঠত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের পাশাপাশি সমাজের সার্বিক চিত্র। নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়া ছিলেন তার অনুপ্রেরণার উৎস।”

    তিনি বলেন, “কবির প্রথম কবিতা ‘বাসন্তী’ প্রকাশিত হয় সওগাত পত্রিকায় ১৯২৬ সালে। ১৯৩৮ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাঁঝের মায়া’ প্রকাশিত হলে রবীন্দ্রনাথ এ কাব্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন, যার ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। সুফিয়া কামাল দীর্ঘকাল সাহিত্যচর্চা, সমাজসেবা ও নারী কল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।”

    মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন বাংলাদেশের নারী সমাজের এক অনুকরণীয় উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। তিনি নারী সমাজকে কুসংস্কার আর অবরোধের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। দেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। নারীদের সংগঠিত করে মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, দেশাত্মবোধ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে তিনি ছিলেন অগ্রদূত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ একটি মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই ছিল সুফিয়া কামালের জীবনব্যাপী সংগ্রামের প্রধান লক্ষ্য।”

  • জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বয় চান পরিবেশমন্ত্রী

    জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সমন্বয় চান পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জুন, ২০২৪: পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরিবেশ দূষণ রোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কার্যকর ও ফলপ্রসূ পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী । সেই লক্ষ্যে আজ বুধবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন এবং সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খানের সাথে পৃথক পৃথক বৈঠক করেছেন সাবের হোসেন চৌধুরী।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “যানবাহনের কালো ধোঁয়া এবং সড়ক মহাসড়ক নির্মাণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর সাথে তাঁর কার্যালয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সহযোগিতায় দূষণকারী পরিবহন বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

    সাবের চৌধুরী বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব হতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে একযোগে কাজ করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এজন্য জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনার সাথে স্বাস্থ্য বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় কিভাবে একসাথে কাজ করবে সে বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর সাথে তাঁর অফিস কক্ষে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন রকমের পরিবেশ দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে। এবিষয়ে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করা হয়েছে। যাত্রা, বাউল গান, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দূষণ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হবে।”

    বৈঠকগুলোতে মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সমন্বয়মূলক পদক্ষেপ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা একসাথে কাজ করে বাংলাদেশের পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে চাই। সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়ে ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারিত থাকবে, যার সাথে সমন্বয় করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো হতে পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সাথেও বৈঠক করা হবে।”

    সূত্র: বাসস

  • বড় দেশগুলো যুদ্ধ করছে আমরা এর শিকার হচ্ছি: সেতুমন্ত্রী

    বড় দেশগুলো যুদ্ধ করছে আমরা এর শিকার হচ্ছি: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জুন, ২০২৪: বড় দেশগুলো যুদ্ধ করছে আমরা এর শিকার হচ্ছি, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “পুরো বিশ্বই এখন অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়েছে। সবাই ব্যয় সংকোচন করছে। সারা বিশ্বই এখন রণক্ষেত্র। বড় বড় দেশগুলো বিশ্বযুদ্ধের মহড়া দিচ্ছে। আমরাও এর শিকার হচ্ছি। এ কারণে বড় বড় প্রকল্পগুলো অনেকটা স্লো হয়ে গেছে। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থ সংকোচন নীতি গ্রহণ করেছে। সারা বিশ্বে অর্থ সংকট কবে শেষ হবে তা বলা যাচ্ছে না।”

    আজ বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) সচিবালয়ে ঈদুল আজহার পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ইদানিং বেপরোয়া ড্রাইভিং, মোটরবাইক ও ইজিবাইকের কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও দায় আছে। ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে তারা ইজিবাইকগুলোকে মহাসড়কে চলতে দিচ্ছেন।”

    তিনি বলেন, “রাজধানীতে একটি মোটরসাইকেলে দুজন এবং হেলমেট পরার বাধ্যবাধকতা থাকায় দুর্ঘটনা অনেক কমেছে। এটা শুধু শহর নয়, মফস্বল ও‌ গ্রামেও মানছে। ‘নো‌ হেলমেট, নো‌ ফুয়েল’ কার্যকর করায় এটা সম্ভব হয়েছে।”

    মন্ত্রী বলেন, “বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে দেশের অনেক জেলায় রাস্তা নষ্ট হয়ে গেছে। এসব রাস্তা‌ মেরামত করা জরুরি হয়ে পড়েছে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়কগুলো শিগগিরই সংস্কার ও মেরামত করা হবে। এ ছাড়া এসব কাজের নিয়মিত মনিটরিং অব্যাহত রাখতে হবে।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “পুরো বিশ্বই এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সব দেশের রাজনীতি এখন কঠিন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় বিদেশি ফান্ডিং কমে এসেছে। আমাদের এখন শ্যাম ও কুল দুটিই রক্ষা করে চলতে হচ্ছে।”

    বিএনপি অভিযোগ করেছে সেন্ট মার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “বিরোধীদলের একটা ভাষা আছে সরকারি দলের সিদ্ধান্তকে তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক না। সেন্ট মার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরকান আর্মি নামে যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি। যেকোনো উস্কানির মুখে বাংলাদেশ যুদ্ধে না জড়িয়ে আলাপ-আলোচনায় সমাধানে বিশ্বাসী। সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়, সে জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মিয়ানমার উস্কানি দিলে আমরা তাদের সাথে আলাপ-আলোচনা করবো। একটা সমাধান বের করবো। যুদ্ধে জড়াব না।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি যুদ্ধে জড়াতে চান, তাহলে উস্কানির ফাঁদে আমরা পড়তে পারি? আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ, এ জাতির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিকার লড়াইয়ে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।”

    তিনি আরও বলেন, “ফখরুল তখন (মুক্তিযুদ্ধের সময়) কী করেছেন, কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন, তা জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়, যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকব, আমরা বসে বসে আঙুল চুষবো? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে।”

  • উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু

    উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পাহাড় ধসে ৯ জনের মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জুন, ২০২৪: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আটজন রোহিঙ্গা ও একজন স্থানীয় শিশু।

    আজ বুধবার (১৯ জুন) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও নারী রয়েছেন।

    কক্সবাজার জেলার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মূলত মঙ্গলবার রাতে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একাধিক স্থানে একাধিক পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    নিহতরা হলেন- রোহিঙ্গা মো. হারেস (২), মোছা. ফুতুনি (৩৪), মো. কালাম, মোছা. সেলিনা খাতুন, আবু মেহের, জয়নব বিবি, মো. হোসেন আহমদ (৩০), তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও স্থানীয় শিশু আবদুল করিম (১২)।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ক্যাম্পের একাধিক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। ক্যাম্পে পাহাড় ঘেঁষে অনেক বসতি রয়েছে। জানমাল এড়াতে লোকজনকে নিরাপদে সরে যেতে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে।

    এদিকে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের চারটি বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসঙ্গে দুই বিভাগে ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

  • তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ডের জন্য জমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে: মেয়র আতিক

    তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ডের জন্য জমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে: মেয়র আতিক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জুন, ২০২৪: তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ডের জন্য জমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম তিনি বলেন, “তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে নগরবাসীর জন্য গলার কাটা হয়েছিল। এটি সরানোর জন্য তেজগাঁও আনিসুল হক সড়কের পাশে ১৫ বিঘা জমি বরাদ্দ পাওয়া গেছে।”

    আজ বুধবার (১৯ জুন) তেজগাঁও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে ইতিহাসের গতিধারায় বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা’ শীর্ষক সংবাদচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

    মেয়র আতিক বলেন, “এই স্ট্যান্ডে পাঁচ হাজার ৮০০ ট্র্যাক থাকে। তেজগাঁও থেকে ট্রাক স্ট্যান্ডটি সরিয়ে ১৫ বিঘা জমিতে একটি উন্নত ও বহুতল ট্রাক স্ট্যান্ড করার মাধ্যমে ঢাকা শহরের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারব।”

    মেয়র আতিক বলেন, “আজ পর্যন্ত সবাই কিন্তু বলেছে ট্রাক স্ট্যান্ডের জন্য জায়গা দেব কিন্তু কখনো দেওয়া হয়নি। ১৫ বিঘা জায়গা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা শহরের মধ্যে ট্রাক এবং বাস রাখার জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন।”

    ১৫ বিঘা জায়গায় ট্রাক রাখা হবে কবে থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখনই যদি এই জায়গার দেয়াল ভেঙে দেওয়া হয় তাহলে কাল থেকেই এখানে ট্রাক থাকতে পারবে। কিন্তু এখনই এখানে ট্রাক না রেখে, আমরা ট্রাক চালকদের সঙ্গে কথা বলছি কি ধরনের ডিজাইন তারা চান ট্রাক রাখার জন্য। এখানে ট্রাক যারা রাখবেন তাদের বিশ্রামাগার কোথায় হবে, ট্রাক কোথায় রাখবেন এই সব কিছু নিয়ে একটি মাল্টি প্ল্যান আমরা তৈরি করছি।”

    মেয়র আতিক বলেন, “ট্রাক রাখার জন্য আগামী মাস থেকেই জায়গার একটি অংশ খুলে দেওয়া হবে।”

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য বেনজীর আহমদ।

  • তীব্র গরমে মক্কায় ৫৫০ হজযাত্রীর মৃত্যু

    তীব্র গরমে মক্কায় ৫৫০ হজযাত্রীর মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৯ জুন, ২০২৪: সৌদি আরবের মক্কায় হজ চলাকালে তীব্র গরমে অন্তত ৫৫০ জন হজ যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রকাশিত সংবাদ ও একটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে। মৃত হজযাত্রীদের সবাই যথাযথ নিয়ম-বিধি মেনে হজে আসেননি।

    উষ্ণ মরু জলবায়ুর দেশ সৌদি আরবে গ্রীষ্মকালে গড় তাপামাত্রা থাকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। গত কয়েক দিন ধরে দেশটির দৈনিক তাপমাত্রা ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি এক দশকে সৌদি আরবের তাপমাত্রা বাড়ছে দশমিক ৪ ডিগ্রি করে।

    মৃতদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি মিসর থেকে আসা হজযাত্রী— ৩২৩ জন। এর বাইরে মৃতদের তালিকায় জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান এবং সেনেগালের হজযাত্রীরাও রয়েছেন।

    মক্কার বৃহত্তম হাসপাতাল আল মুয়াইসেমের মর্গে সব মৃতদের লাশ রাখা হয়েছে।

    হিটস্ট্রোক, জ্বর ও অন্যান্য গরম জনিত শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে আল মুয়াইসেম হাসপাতালে বর্তমানে ২ হাজারেরও বেশি হজযাত্রী চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলেও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    হজ মৌসুমে সৌদিতে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ হজযাত্রীর সমাগম ঘটে। এই হজযাত্রীদের সবাই যে যথাযথ নিয়ম-বিধি মেনে দেশটিতে প্রবেশ করেন— এমন নয়। হাজার হাজার যাত্রী দেশটিতে প্রবেশ করেন বৈধ কাগজপত্র বা নথিপত্র ছাড়াই। প্রত্যেক বছরই এমন ঘটে।

    ফলে, বৈধ হজযাত্রীদের জন্য সৌদির সরকার যেসব সুযোগ-সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে, সেসবের প্রায় কিছুই তারা পান না। এমনকি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবুতেও তাদের প্রবেশাধিকার নেই।

    ফলে ভয়াবহ গরম থেকে পর্যাপ্ত সুরক্ষার অভাবই অনেক হজযাত্রীকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে। সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, ‘যে হজযাত্রীরা মারা গেছেন, তাদের অধিকাংশই যথাযথ নিয়ম-বিধি মেনে সৌদিতে প্রবেশ করেননি। দীর্ঘ সময় ধরে তারা খাবার, পানি ও এয়ার কন্ডিশন পরিষেবা পাননি। মূলত এটিই তাদের অসুস্থতা ও তার পরবর্তীতে মৃত্যুর জন্য দায়ী।’

    গত বছর হিটস্ট্রোক ও অন্যান্য শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ২৪০ জন হজযাত্রী মারা গিয়েছিলেন। এবার মৃত্যু হলো তার দ্বিগুণেরও বেশি সংখ্যক যাত্রীর।

  • তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

    তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জুন, ২০২৪: ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ বুধবার (১৯ জুন) সকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি উঠতে শুরু

    প্রবল স্রোতে প্রবাহিত হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে দুই পাড়ের মানুষ। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রংপুরের নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড।

    পাউবো সূত্রে জানা যায়, রংপুর জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় লালমনিরহাটে ১১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

    আজ বুধবার দুপুর ১২টায় তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে শূন্য দশমিক ২২ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার দুপুর ১২টায় পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৮৮ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ২৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সকাল ৯টায় যা রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৯২ সেন্টিমিটার। যা বিপদ সীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচদিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। ডালিয়া পয়েন্টে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে বিপৎসীমা অতিক্রম করে।

    পাউবোর নিয়ন্ত্রণকক্ষ জানায়, রংপুর জেলার সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর অঞ্চলে ২২১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল নয়টায় তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে শূন্য দশমিক ২০ সেন্টিমিটার পানি প্রবাহ বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর আগে ভোর ছয়টায় ওই পয়েন্টে পানি প্রবাহ বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা ২৮ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার ধরা হয়।

    পীরগাছা উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব পানিয়ালের ঘাট এলাকায় দেখা যায়, নদীতে ঘোলা পানির স্রোত বইছে। চরের অধিকাংশ জমি পানি নিচে নিমজ্জিত। কৃষকের ফসলি জমিতে ধরেছে ভাঙন। কেউ কেউ নদীর পাড়ে বাদাম তুলে স্তূপ করে রেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরে পানি প্রবাহ বেড়েছে। কখনো পানি বাড়ছে আবার কমছে। ফলে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

    রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল আর গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাতের কারণে ডালিয়া ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ডালিয়া ব্যারেজের সবকটি গেই খুলে রাখা হয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে কিছুটা বাড়ছে পানি প্রবাহ। এছাড়া ভাটির অঞ্চলে সার্বক্ষণিক নদীপাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

    রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান বলেন, বন্যা মোকাবিলায় মাঠ পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরে থাকা মানুষজনকে নিরাপদে থাকার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এদিকে, তিস্তাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে লালমনিরহাট সদর, জেলার পাটগ্রাম, হাতিবান্ধা, কালিগঞ্জ, আদিতমারী, নীলফামারীর ডিমলা, জলঢাকা, রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা, কুড়িগ্রামের রাজারহাট, উলিপুর এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। কিছু কিছু এলাকায় বাদাম, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়েছে।

    এ বিষয়ে তিস্তা বাঁচাও, নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, অসময়ের বন্যা ও ভাঙনে প্রতি বছর এক লাখ কোটি টাকার সম্পদ তিস্তার গর্ভে চলে যায়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য তিস্তা খনন, সংরক্ষণ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা ছাড়া বিকল্প নেই।

  • নবাগত জর্জিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে তুরস্ক

    নবাগত জর্জিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে তুরস্ক

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৯ জুন, ২০২৪: ইউরো ২০২৪–এ ইতোমধ্যে অংশগ্রহণকারী ২৪ দলের প্রায় সবাই এক ম্যাচ করে খেলে ফেলেছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে নবাগত জর্জিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে তুরস্ক। দুর্দান্ত এক গোলে দেশটির মেসি–খ্যাত আর্দা গুলার ২০ বছর আগে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর করা একটি রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছেন।

    প্রথমবারের মতো ইউরো খেলতে নেমেছিলেন গুলার। তার মাঠে নামটা হয়েছে এরকম– এলাম, দেখলাম আর জয় করলাম। অভিষেক ম্যাচে দুর্দান্ত গোলের পর তিনি ম্যাচসেরাও হয়েছেন। এর আগে ৬৫ মিনিটের আগপর্যন্ত তুরস্ক-জর্জিয়া ম্যাচটি সমতায় ছিল ১–১ গোলে। এরপরই নজরকাড়া গোল করে গুলার তুরস্ককে লিড এনে দেন।

    সতীর্থের বাড়ানো বল পেয়ে কিছুটা এগিয়ে গিয়ে ২৫ গজ দূর থেকে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে বাঁ পায়ে বুলেট গতির শট নেন ১৯ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। সেই বল দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। বাঁকানো সেই শটে তাকিয়ে থাকা ছাড়া জর্জিয়া গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না। আর এর মধ্য দিয়ে তিনি ভেঙে দিলেন পর্তুগাল সুপারস্টার রোনালদোর অভিষেক ম্যাচে করা রেকর্ড।

    গুলার ইউরো অভিষেকে গোল করলেন সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে। এই কীর্তি গড়ার সময় তার বয়স ছিল ১৯ বছর ১১৪ দিনে। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা সিআরসেভেন ২০০৪ সালে ইউরোতে যখন প্রথম গোল করেন, তখন বয়স ছিল ১৯ বছর ১২৮ দিন। মহাদেশীয় টুর্নামেন্টটিতে গ্রিসের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে গোল করেছিলেন রোনালদো। দুজনের নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে রিয়াল মাদ্রিদের নামও, একজন সাবেক এবং আরেকজন উদীয়মান তারকা। ইতোমধ্যে গুলারও লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন এবার।

    তুরস্কের মেসির গত জানুয়ারিতে রিয়ালের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল। ২০২৩-২৪ মৌসুমে ইউরোপের সফলতম দলটির হয়ে ১২ ম্যাচে মাত্র ৪৪৭ মিনিট খেলে ৬ গোল করেন তিনি। তুরস্কের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে পান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বাদ। সেই ফর্ম এবার নিজ দেশের হয়েও টেনে নিয়ে গেলেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ৮ ম্যাচে তিনি দ্বিতীয় গোল করলেন।

    অভিষেক রাঙানো এমন ম্যাচের পর গুলারের উচ্ছ্বাসটাও দেখার মতো। ম্যাচ শেষে দর্শকদের অভিবাদনের জবাব দিয়েছেন টাচলাইনে দাঁড়িয়ে। পরে প্রতিক্রিয়া জানান এভাবে, ‘আমার অনুভূতি ভাষায় বর্ণনা করার মতো নয়, আমি খুবই রোমাঞ্চিত। সবসময় এমন গোলের স্বপ্ন দেখেছি। অসাধারণ ভালোবাসা পাচ্ছি, তার প্রতিদান দেওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রমও করছি আমি। এভাবে গোল করতে পেরে আমি খুবই খুশি। কার্লো আনচেলত্তি (রিয়াল কোচ) আজ ম্যাচের আগেও আমাকে বার্তা পাঠিয়ে শুভকামনা জানিয়েছিলেন।’

    পর্তুগাল হারিয়েছে চেক প্রজাতন্ত্রকে

    ইউরোয় নিজেদের প্রথম ম্যাচে হোঁচট খাওয়ার মুখে থাকলেও চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে পর্তুগাল। এ ম্যাচে সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার হিসেবে ইউরো খেলার রেকর্ড গড়েন পেপে। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ৬টি আসর খেলে ইতিহাসে নাম লেখান অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

  • কবি অসীম সাহার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

    কবি অসীম সাহার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ জুন, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি অসীম সাহার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    আজ এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, অসীম সাহার মৃত্যুতে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি হলো। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে অসীম সাহা দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মননা ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। এছাড়া সামগ্রিকভাবে সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার অর্জন করেন।

    উল্লেখ্য আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় কবি অসীম সাহা শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।