Category: লিড নিউজ

  • রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চাইছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

    রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চাইছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

    আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে বিএনপি রমজানের পবিত্রতাও নষ্ট করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।  শনিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘অতীতে আমরা কখনোই পবিত্র রমজান মাসে আন্দোলনের ঘোষণা দেখিনি। কারণ সবাই রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকে। রমজানে ইফতার পার্টি হয়, সেখানে কথাবার্তা হয় এবং অন্যান্য কর্মসূচি হয়। বিএনপির কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে-তারা রমজানের পবিত্রতাটাও নষ্ট করতে চাইছে’

    এ সময় রমজানে দেশে পণ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকার পরেও যারা দাম বাড়াচ্ছে, তাদেরকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে রমজান কিংবা কোনো উৎসব-পার্বণ এলে আমাদের দেশের কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করার জন্য পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়।’

    পবিত্র রমজান মাসে বিএনপির নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণার বিষয় তুলে ধরলে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি রমজানেও মানুষকে স্বস্তি দিতে চায় না। রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় এবং একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা তারা করছে, যেটি অনভিপ্রেত।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের খাদ্যনীতিতে বলা আছে, দেশে যদি ১০ লাখ টন খাদ্যপণ্য মজুদ থাকে, তাহলে সেটি নিরাপদ। কিন্তু বর্তমানে বিশ লাখ টনের চেয়ে বেশি খাদ্যশস্য চাল, গম এবং ভোগ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে, কোনো কোনো পণ্য রমজানের চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত মজুদ রয়েছে।’

  • অফিস-ব্যাংক–প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে নতুন সময়সূচি

    অফিস-ব্যাংক–প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে নতুন সময়সূচি

    পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের আলাদা অফিস সময় নির্ধারণ করেছে সরকার। রোজার প্রথম দিন থেকে এ সময়সূচি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রথম তিন দিন ছুটি থাকায় আজ সোমবার থেকে তা কার্যকর হচ্ছে।

    সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান মাসের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজান মাসে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর জোহরের নামাজের জন্য বেলা সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।

    এদিকে গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ১৫ পনের রমজান পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে। এই সময়ে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে রমজানের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। রমজান মাসে ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। তবে ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

  • স্বাধীনতা দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রোববার গণভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেন তিনি। 

    পরে শেখ হাসিনা বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘মুজিবের বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী

  • ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

    ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

    আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন। সেদিন দিবাগত রাতে পাক-হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে চালায় বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা। যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ শনিবার (২৫ মার্চ) রাত ১০টা ৩০মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে।  দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী প্রদান করেছেন এবং সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে।

    ১৯৭১ সালের এইদিনে বাঙালী জাতির জীবনে এক বিভীষিকাময় রাত নেমে আসে। মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানানদার বাহিনী তাদের পূর্ব পরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকশা অনুযায়ী আন্দোলনরত বাঙালীদের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    হঠাৎ করে থেমে গেল ঢাকা। নেমে এলো কবরের নিস্তবদ্ধতা । দানবের অশুভ শক্তির পদভারে কাঁপছে পুরোদেশ। মানুষের রক্তের স্রোতে ভেসে যাচ্ছিল সোঁদা মাটি । গন্ধ মিলিয়ে গেল হাসনাহেনার। চার দিকে রক্তের গন্ধ। বাঁচার জন্যে নারি-পুরুষের আকুতি। কোন কিছুতেই পাকিস্তানি দানব , পশুশক্তি সৈন্যদের মন গলে না। ঘরে ঘরে চলে নির্বিচার হত্যাকান্ড ।

    মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট পেইন ২৫ মার্চ রাত সর্ম্পকে লিখেছেন, “সে রাতে ৭০০০ মানুষকে হত্যা করা হয়, গ্রেপ্তার হয় ৩ হাজার লোক। ঢাকায় ঘটনার শুরু মাত্র হয়েছিল। সমস্ত পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে সৈন্যরা বাড়িয়ে চললো মৃতের সংখ্যা। জ্বালাতে শুরু করলো ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট লুট। রাস্তায় রাস্তায় পড়ে থাকা মৃতদেহগুলো কাক-শেয়ালের খাবারে পরিণত হলো। সমস্ত বাংলাদেশ হয়ে উঠলো শকুনতাড়িত শ্মশান ভূমি।”

    পাইকারি এই গণহত্যার স্বীকৃতি খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেও রয়েছে। পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্কট সম্পর্কে যে শ্বেতপত্র পাকিস্তানি সরকার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রকাশ করেছিল, তাতে বলা হয়: “১৯৭১ সালের পয়লা মার্চ থেকে ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত এক লাখেরও বেশী মানুষের জীবননাশ হয়েছিল।”

    আজ সেই কালরাত ।পচিঁশে মার্চ। বাঙ্গলীর জীবনে এক দগ দগে গা। যে ক্ষত ইচ্ছে করলে ও কোন দিন মুছে ফেলা যাবেনা। স্বাধীনতার লাল টুকটুকে সূর্যটাকে ছিনিয়ে আনবে বলে বেরিয়ে পড়ে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা।

    ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়লাভ করা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের কাছে পাকিস্তানি জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের প্রক্রিয়া চলাকালে পাকিস্তানি সেনারা কুখ্যাত ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে নিরীহ বাঙালী বেসামরিক লোকজনের ওপর গণহত্যা শুরু করে। তাদের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সকল সচেতন নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা করা।

    এদিন সকালে পাকিস্তান পিপলস্ পার্টি (পিপিপি) প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে ৪৫ মিনিটি ধরে বৈঠক করেন।

    রাত ১টায় শুরু হয় পাকবাহিনীর বরর্বরচিত উন্মত্ততা।ইতিহাসের এই নিষ্টুর হত্যাকান্ডের নাম ”অপারেশন সার্চলাইট”। এই ব্লুপ্রিন্ট বাস্তবায়ন করতে ঢাকায় ডেকে আনা হয় ”বেলুচিস্তানের কসাই ” খ্যাত জেনারেল টিক্কা খান কে। বঙ্গবন্ধুর সাথে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার আলোচনা ছিল একটি শঠতা , সময়ক্ষেপন মাত্র। নইলে আলোচনার ফলাফল জানার জন্য যখন উদগ্রীব সারা বিশ্ববাসী তখন চোরের মত পালিয়ে গেল কেন ইয়াহিয়া ?

    ইয়াহিয়া পালিয়ে ঢাকা ত্যগের সাথে সাথে শুরু হয় ঘুমন্ত নিরস্ত্র জনতার উপর হানাদার বাহিনীর পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ।

    রংপুর, সৈয়দপুর ও চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর গুলিতে ১১ জন নিহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়। সেনাবাহিনীর এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ২৭ মার্চ সারা দেশে হরতাল আহ্বান করেন।

    এদিন বঙ্গবন্ধু ব্যবসা-বাণিজ্য বিশেষ করে পাট ব্যবসা ও টেলিযোগাযোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি দেশের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে সরকারের অতিরিক্ত কালক্ষেপণে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    দুপুরের পর থেকেই ঢাকাসহ সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজ করতে থাকে। এদিন সকাল থেকেই সেনা কর্মকর্তাদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। হেলিকপ্টারযোগে তারা দেশের বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করে বিকেলের মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসে ফিরে আসে।

    ঢাকার ইপিআর সদর দফতর পিলখানাতে অবস্থানরত ২২তম বালুচ রেজিমেন্টকে পিলখানার বিভিন্নস্থানে অবস্থান নিতে দেখা যায়।

    এদিন মধ্যরাতে পিলখানা, রাজারবাগ, নীলক্ষেত আক্রমণ করে পাকিস্তানি সেনারা। হানাদার বাহিনী ট্যাঙ্ক ও মর্টারের মাধ্যমে নীলক্ষেতসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দখল নেয়। সেনাবাহিনীর মেশিনগানের গুলিতে, ট্যাঙ্ক-মর্টারের গোলায় ও আগুনের লেলিহান শিখায় নগরীর রাত হয়ে উঠে বিভীষিকাময়।

    পাকিস্তানি হায়েনাদের কাছ থেকে রক্ষা পায়নি রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও। ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব ও জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, ড. মনিরুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৯ জন শিক্ষককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে চলে নৃশংসতম হত্যার সবচেয়ে বড় ঘটনাটি। এখানে হত্যাযজ্ঞ চলে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত। হত্যাযজ্ঞ চলে সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে।গোটা বিশ্ববিদ্যালয় অঞ্চল পরিণত হয় ভুতুরে এলাকায়।

    প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সকল পদক্ষেপ চুড়ান্ত করে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করে করাচি চলে যান।

    কাপুরোষোচিত ক্রেকডাউনের পর পরই বাঙ্গলীর অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বত্রিশ নম্বরের বাড়ী থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন। হানাদার বাহিনী বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমণ্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে।সেখান থেকে পরবর্তিতে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয় বঙ্গবন্ধুকে। গ্রেপ্তারের আগে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণায় যা বলেছিলেন “যে কোনো মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান। তিনি আগত জনতার উদ্দেশ্য বলেন বিশ্বের কোন শক্তিই পূর্ব বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের ন্যায়সঙ্গত দাবীকে নস্যাত করতে পারবে না ”। তিনি বলেন,জনতার দাবীকে শক্তির দাপটে যদি কেউ রক্তচক্ষু দেখায় আমরা তা বরদাশত করবোনা ।তার দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিব।

    বঙ্গবন্ধুর এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাঙালী জাতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র লড়াই শেষে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণ বিজয় অর্জন করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

  • ব্ল্যাক আউট’ থাকবে আজ রাত সাড়ে ১০টায় এক মিনিটে

    ব্ল্যাক আউট’ থাকবে আজ রাত সাড়ে ১০টায় এক মিনিটে

    এ উপলক্ষে আজ ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। তবে কেপিআই এবং জরুরি স্থাপনাসমূহ এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। আজ ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী প্রদান করেছেন এবং সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে গণহত্যা দিবসের উপর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    সারাদেশে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গীতিনাট্য এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। এছাড়া স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কন্ঠে ২৫ মার্চ গণহত্যার স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    ঢাকাসহ সকল সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে গণহত্যার ওপর দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হবে।

    ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এদিন বাদ জোহর/সুবিধাজনক সময়ে দেশের সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য উপাসনালয়গুলোতে প্রার্থনা করা হবে।

    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে কর্মসূচি পালন করা হবে। (বাসস)

  • গরুর মাংস ৬৪০, ডিম ১২০, ব্রয়লার মুরগি ৩৮০ টাকা

    গরুর মাংস ৬৪০, ডিম ১২০, ব্রয়লার মুরগি ৩৮০ টাকা

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রথম রোজার দিন থেকে রাজধানীর ২০টি পয়েন্টে এ বিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে, চলবে ২৮ রমজান পর্যন্ত। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আগামীকাল বিকাল ৩টায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। তবে বিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে প্রথম রোজার দিন থেকে। যা চলবে ২৮ রমজান পর্যন্ত।

    প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায় এবার রমজান মাসে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৪০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯৪০ টাকা, ড্রেসড (চামড়া ছাড়া) ব্রয়লার প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা এবং ডিম প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে বিক্রয় করা হবে।

    আরও জানানো হয়, প্রতিটি ভ্যানে প্রতিদিন, ২৫ কেজি খাসির মাংস, ১০০ কেজি গরুর মাংস, ৫০ কেজি ড্রেসড ব্রয়লার এবং ২০০ লিটার দুধ বিক্রি করা হবে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ, ১ কেজি খাসির মাংস, ১ কেজি গরুর মাংস, ১ কেজি ড্রেসড ব্রয়লার, ২ লিটার দুধ এবং ১ ডজন ডিম কিনতে পারবেন।

    যেসব স্থানে বিক্রি হবে: খামারবাড়ি, মিরপুর ষাট ফুট রাস্তা, সচিবালয়সংলগ্ন আবদুল গণি রোড, পুরান ঢাকার নয়াবাজার, আরামবাগ, নতুন বাজার, মিরপুরের কালশী, মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটি, খিলগাঁও রেলগেট, নাখালপাড়ার লুকাস মোড়, সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুরের বছিলা, উত্তরার দিয়াবাড়ি, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, আজিমপুর মাতৃসদন, হাজারীবাগ, বনানীর কড়াইল বস্তি, কামরাঙ্গীরচর ও রামপুরা।

  • পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বান

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘যাবতীয় ভোগবিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছলতা ও সংঘাত পরিহার করার আহবান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আসুন আমরা জীবনের সর্বস্তরে পরিমিতিবোধ, ধৈর্য্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। সকল প্রকার কুসংস্কার পরিহার করে আমরা শান্তির ধর্ম ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা করি। সিয়াম পালনের পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি ও ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস পবিত্র মাহে রমজান আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে ও সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্যলাভ এবং ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ হয়। সিয়াম ধনী-গরিব সবার মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে। ’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে ও সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্যলাভ এবং ক্ষমা লাভের অপূর্ব সুযোগ হয়।’

  • বিএনপির মধ্যেই সংকট, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপির মধ্যেই সংকট, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপির মধ্যেই সংকট, দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই।’

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্য অধিদফতর থেকে প্রকাশিত ‘বিজয়ের কথা বলবো’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়া ও অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার মুন্সী জালাল উদ্দীন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সাংবাদিকরা বিএনপি মহাসচিবের সাম্প্রতিক বক্তব্য ‘দেশ ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে’ নিয়ে প্রশ্ন করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব যদি কথাটা এভাবে বলতেন যে, বিএনপির মধ্যে ভয়াবহ রাজনৈতিক সংকট চলছে -সেটি বাস্তব এবং ঠিক হতো। কারণ দেশে কোনো রাজনৈতিক সংকট নেই এবং বিএনপির অভ্যন্তরেই ভয়াবহ সংকট চলছে। বিএনপির চেয়ারপার্সন সাজাপ্রাপ্ত আসামী এবং তাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন পলাতক। তাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ভারপ্রাপ্তকে চেয়ারম্যান হিসেবে মানতে নারাজ, আবার অনেকেই মির্জা ফখরুল সাহেবের নেতৃত্ব মানতে নারাজ। তাদের মধ্যে ভয়াবহ সংকট।’

    ‘বিএনপির সব অর্জন আওয়ামী লীগ ধ্বংস করছে’ এমন অভিযোগের জবাবে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘বিএনপির অর্জন হচ্ছে পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, পাঁচশ জায়গায় একযোগে বোমা হামলা। বিএনপির সৃষ্টি হচ্ছে শায়খ আব্দুর রহমান, বাংলা ভাই, সেগুলো এখন এ দেশে নাই। আমরা সেই সমস্ত অর্জন ধ্বংস করেছি। আর এ সবের বিপরীতে গত ১৪ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের ঈর্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে। এটি আজকে সমগ্র বিশ্ব স্বীকার করছে।’

    মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘পাকিস্তানের পার্লামেন্টে জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বক্তব্য দেওয়া হয়। পাকিস্তানের টেলিভিশনে তাদের নিজেদের সমালোচনা আর জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘের মহাসচিব সবাই আজকে বাংলাদেশের প্রশংসা করছে। পারছেনা শুধু বিএনপি আর বিএনপির মহাসচিবসহ নেতৃবৃন্দ।’

    ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচন থেকে আমরা বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলনের নমুনা দেখেছি। বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে, তখন মানুষের পেট্রোলবোমা, মানুষ পুড়িয়ে মহৌৎসবের কথা মনে পড়ে। বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে সেই কাজ আবার করতে দেবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কখনো ফিরে আসবে না।’

    উল্লেখ্য, পত্রপত্রিকা ও অনলাইনে প্রকাশিত তথ্য অধিদফতরের নিবন্ধের সংকলন ২৫০ পৃষ্ঠার ‘বিজয়ের কথা বলবো’ বইটিতে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, দেশ গঠন ও উন্নয়ন-অগ্রগতি নিয়ে বিশিষ্ট রাজনীতিক, গবেষক ও ইতিহাসবিদদের ৫৩টি নিবন্ধ সংকলিত রয়েছে।

  • বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ পানির সংকট ‘আসন্ন’ : জাতিসংঘ

    বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ পানির সংকট ‘আসন্ন’ : জাতিসংঘ

    বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ মঙ্গলবার (২১ মার্চ) বিশ্ব পানি উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২৩ প্রকাশ করেছে ৷ এতে বলা হয়, বিশ্বের ২৬ শতাংশ মানুষ বিশুদ্ধ পানি পায় না ৷ আর ৪৬ শতাংশ মানুষ ভালো ব্যবস্থাপনার পয়ঃনিষ্কাশন সেবা থেকে বঞ্চিত৷ বিশ্বের প্রায় ২৩০ কোটি মানুষ সুপেয় পানির সংকট থাকা দেশগুলোতে বসবাস করছে। এমতাবস্থায় জলবায়ু সংকট আরো প্রবল হলে বৈশ্বিক সুপেয় পানির সংকট আরো বহু গুণে বেড়ে যাবে।

    প্রায় অর্ধশতাব্দী পর বুধবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের আয়োজনে বিশ্ব পানিসংকট নিয়ে একটি সম্মেলন শুরু হচ্ছে। তার আগে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, পানি নিয়ে আন্তর্জাতিক সংকট ‘আসন্ন’।

    প্রতিবেদন বলছে, গত চার দশকে প্রতিবছর বিশ্বে পানির ব্যবহার এক শতাংশ করে বেড়েছে। ২০৫০ সাল পর্যন্ত এই হার বজায় থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    অঞ্চলভেদে পানি প্রাপ্যতার মধ্যে একটি বড় ব্যবধান আছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। এটি দূর করতে চায় জাতিসংঘ। এ ছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য বিশুদ্ধ পানিও নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতিসংঘ। এসব লক্ষ্য পূরণে বছরে ৬০০ বিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান প্রতিবেদনের প্রধান সম্পাদক রিচার্ড কনোর।

    বর্তমানে বিশ্বে ব্যবহৃত মোট পানির ৭০ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে কৃষি খাতে। তবে শহরে জনসংখ্যা বাড়ছে বলে কৃষিজমি থেকে পানি সরবরাহ কমিয়ে শহরাঞ্চলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

    প্রতিবেদনে বো হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মধ্য আফ্রিকা, পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অঞ্চলে বছরের একটা সময় যে পানির অভাব দেখা দেয়, সেটা আরো বাড়বে। আর মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলে যে পানির সংকট রয়েছে, সেটাও আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

  • বাংলাদেশকে বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে রোডম্যাপ জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশকে বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে রোডম্যাপ জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

    ঢাকায় এভিয়েশন সামিটের প্রথম এভিয়েশনের উদ্বোধনী অধিবেশনে বুধবার এক ভিডিও ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশকে একটি বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে এর ভৌগোলিক-কৌশলগত সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে একটি রোডম্যাপ তৈরি করতে হব।

    যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সহযোগিতায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ এভিয়েশন সামিট-২০২৩’ এর আয়োজন করে।

    প্রধানমন্ত্রী এই শীর্ষ সম্মেলনকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে আইসিএও’র সদস্যপদ পাওয়া মাত্রই আমাদের ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে পূর্ব ও পশ্চিমকে সংযুক্ত করতে বাংলাদেশকে ‘এভিয়েশন হাব’- এ পরিণত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পরপরই এই পদক্ষেপ স্থগিত করা হয়েছিল।

    তিনি বলেন, ‘আমরা একটি এভিয়েশন হাবের উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। গত এক দশকে, আমরা আমাদের বিমানবন্দর, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এবং গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং উন্নত করার জন্য অনেকগুলো প্রকল্প বাস্তাবায়ন করেছি।’