Category: লিড নিউজ

  • বিএনপি দলটাই জনগণের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    বিএনপি দলটাই জনগণের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের নিজেদের ওপরই আস্থা নেই। ক্রমাগতভাবে নির্বাচন থেকে পালিয়ে গেলে এক সময় বিএনপি দলটাই জনগণের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে।’

    তিনি বলেন, ‘আস্থা নেই বলেই বিএনপি জনগণ থেকে দূরে সরে গেছে, সেটা তারা জানে। যার কারণে বিএনপিকে নির্বাচনভীতি পেয়ে বসেছে। সেজন্য ছাপানো ব্যালটেও ‘না’ এবং ইভিএমেও ‘না’ বলছেন তারা। ক্রমাগতভাবে নির্বাচন থেকে পালিয়ে গেলে এক সময় পুরো বিএনপি দলটাই জনগণের কাছ থেকে পালিয়ে যাবে।’

    বুধবার বিকালে চট্টগ্রামে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের নগরীর এমএম আলী রোডের ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি শুধু ষড়যন্ত্রের পথেই হাঁটছে, আর পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে।  দেশ-বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে।  আর বিদেশিদের হাতে পায়ে ধরে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি করা যায় কিনা সেই চেষ্টায় তারা সর্বদা লিপ্ত আছে। তবে এগুলো করে কোনো লাভ হবে না।’

    এর আগে তথ্যমন্ত্রী ইউনিভার্সিটির বিশেষ সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাসেলসের চেয়ারম্যান প্রফেসর এন্ড্রে সেনকেন কে সম্মানসুচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

    বিএনপি এতদিন ইভিএমে ভোটে যাবে না বলার পর নির্বাচন কমিশন এখন প্রিন্ট ব্যালটে ভোট গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন, সেটাতেও তাদের আগ্রহ নেই বলেছেন মির্জা ফখরুল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি শুধু ষড়যন্ত্রের পথেই হাঁটছে, আর পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে। দেশ-বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আর বিদেশিদের হাতে পায়ে ধরে দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরি করা যায় কিনা সেই চেষ্টায় তারা সর্বদা লিপ্ত আছে। তবে এগুলো করে কোনো লাভ হবে না।

    সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা যদি একটু খতিয়ে দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন, বিএনপি ২০০৮ সালের নির্বাচনে সর্বশক্তি দিয়ে অংশগ্রহণ করে মাত্র ২৯টি আসন পেয়েছিল। ২০১৪ সালে নির্বাচন থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ডান-বাম, অতিডান-অতিবাম এবং তালেবানসহ সবাইকে নিয়ে ঐক্য করেছিল। ঐক্য করে তারা আসন পেয়েছিল মাত্র ছয়টি। পরে মহিলা আসনসহ হলো মোট সাতটি। সেজন্য তারা জানে এই নির্বাচনেও তাদের কোনো সম্ভাবনা নাই। সেজন্যই নির্বাচন বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর বিএনপি ও তাদের মিত্রদের কোনো আস্থা নাই।

  • তখন বাধা না দিলে বঙ্গবাজারে ভালো মার্কেট করে দিতে পারতাম: প্রধানমন্ত্রী

    তখন বাধা না দিলে বঙ্গবাজারে ভালো মার্কেট করে দিতে পারতাম: প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবাজারের আগুন অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সবচেয়ে কষ্ট লাগে বঙ্গবাজারে একবার ১৯৯৫ সালে আগুন লাগে।  এরপর ২০১৮ সালে আবার আগুন লাগে।  তারপর আমরা এখানে সুপরিকল্পিত মার্কেট করবার প্রকল্প গ্রহণ করি।  তখন সরকারের পক্ষ থেকে বহুতল মার্কেট নির্মাণ করে দেওয়ার চিন্তা থাকলেও ব্যবসায়ীদের বাধায় তা হয়নি।  শুধু বাধা নয়, একটা রিটও করে এবং হাইকোর্ট এটাকে স্থগিত করে দেয়।

    বুধবার (৫ মার্চ) গণভবনে পদ্মা সেতুর ঋণ পরিশোধের প্রথম ও দ্বিতীয় কিস্তির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন।

    সরকার প্রধান বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের কান্না সহ্য করা যায় না।  ইতিমধ্যে বলে দিয়েছি আমরা যতটুকু পারি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সাহায্য করবো। এবং কার কী রকম ক্ষতি হয়েছে তা আমরা দেখবো।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘সে সময় যদি এটা স্থগিত না করতো, তাহলে আমরা এখানে একটা ভালো মার্কেট তৈরি করে দিতে পারতাম। তাহলে আজ এই ধরনের ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতো না।’

    গতকাল মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) সকাল ছয়টার কিছু আগে থেকে বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিটের ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এখনো পুরোপুরি নেভেনি। এনেক্সকো টাওয়ারের ভেতরে ধোঁয়া বের হচ্ছে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পরদিন এসব কথা বলেছেন শেখ হাসিনা।

    বঙ্গবাজারে আগুন নেভানোর সময় ফায়ার ব্রিগেডে হামলাকারীদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি বলব আমাদের দেশের কিছু লোকের আচরণ আমাকে ক্ষুব্ধ করেছে। যখনই আগুন লেগেছে, ফায়ার ব্রিগেড সেখানে চলে গিয়েছে আগুন নেভাতে। এর সঙ্গে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার বাহিনী, ভলান্টিয়ার প্রত্যেকে সকাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। কথা নেই বার্তা নেই, দুপুরের পর একদল লোক লাটিসোঁটা নিয়ে ফায়ার সার্ভিস অফিসের ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর চালানো শুরু করে।

    স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে পুরো বঙ্গবাজারের হাজার হাজার দোকান। এখানকার কয়েকটি মার্কেটের সব দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদিও ব্যবসায়ীদের কারও কারও অভিযোগ এখানে বড় করে মার্কেট নির্মাণের জন্য ‘পরিকল্পিত’ অগ্নিকাণ্ডের।

    ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আশ্বাস দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঈদের আগে এমন একটা দুর্ঘটনায় কত মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য করেছে, তাদের সত্যিই যে কষ্টটা, তাদের কান্না, এটা সহ্য করা যায় না। ইতোমধ্যে আমি বলে দিয়েছি তাদের যতটুকু পারি সাহায্য করব এবং কার কী রকম ক্ষতি হয়েছে, এটা দেখব।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ।

  • ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফায়ার সার্ভিস যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করেছে কিংবা করবে, সেগুলো যেন ব্যবসায়ীরা পরিত্যাগ করেন। বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাটি যাতে আধুনিক ও নিরাপদ মার্কেট হতে পারে সিটি করপোরেশন সে ব্যবস্থা নেবে।

    বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

    এদিকে বঙ্গবাজারের আগুন এখনও পুরোপরি নেভেনি। বুধবার ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অতিরিক্ত পণ্য মজুত থাকায় আগুন স্থায়ীভাবে নেভাতে সময় লাগছে। তবে, পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ফের আগুনের সূত্রপাত হওয়ার আশঙ্কা নেই।
    মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়।

  • বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

    বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

    রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

    তিনি বলেন, বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ব্যথিত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, এসব দোকানের ইনস্যুরেন্স করা থাকে না, সেজন্য তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আমাদের ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।

    এই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট কাজ করেছে। এছাড়া কাজ করেছে সেনাবাহিনীর দুই শতাধিক কর্মী। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজিবি, পুলিশ, ওয়াসাও একসাথে কাজ করেছেন।

    আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। এ বিষয়ে জানতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা গিয়েছে।  পুরোপুরি তদন্তের পরই কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বলা যাবে।

    আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের আট জন কর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন।

  • বঙ্গবাজারে পুড়ে গেছে ৬টি মার্কেটের ছয় হাজার দোকান

    বঙ্গবাজারে পুড়ে গেছে ৬টি মার্কেটের ছয় হাজার দোকান

    রাজধানীর বঙ্গবাজার দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও এনেক্সকো টাওয়ারের পরিচালক জহিরুল ইসলাম এমনটা দাবি করেছেন, রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়বাহ আগুনে ছয়টি মার্কেটের পাঁচ থেকে ছয় হাজার দোকান পুড়ে গেছে। দোকান মালিকসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিগস্ত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষ এ মাসে মালিকরা মালামাল রির্জাভ করে রেখে ছিল ব্যবসায়ীরা। সবার স্বপ্ন কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সব শেষ হয়ে গেলো।

    মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে তিনি এসব কথা গুলো বলেন।

    জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কোনো অবস্থা নেই। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ কর্মরত ছিলেন। ঈদের আগে সব দোকানে মালামাল তোলা হয়েছিল। তবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখন বলা যাবে না।’

    এর আগে আজ ভোর ৬টা ১০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রাফি আল ফারুক আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, ভোর ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজার মার্কেটে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। সংবাদ পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৬টা ১২ মিনিটে। পর্যায়ক্রমে একের পর এক ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। ৫১টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে।

    এদিকে বঙ্গবাজারের আগুন ছড়িয়ে পড়ে মহানগর শপিং কমপ্লেক্সে। সেই আগুনে পুড়েছে হেড কোয়ার্টারের ভেতরের চারতলা পুলিশ ব্যারাক ভবন।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার জানান, পুলিশ হেড কোয়ার্টারের ভেতর পুলিশ ব্যারাকের চারতলা ভবনে আগুন লেগেছে। এতে ওই ভবনের সবকটি কক্ষ পুড়ে গেছে। ১১টা ১৫ মিনিটে জলকামান এসেছে। ফায়ার সার্ভিস পানি দিয়েছে। ভবনটি মহানগর শপিং কমপ্লেক্স লাগোয়া।

    প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টায় কয়েকটি মার্কেটের কয়েক হাজার দোকান পুড়িয়ে নিয়ন্ত্রণে আসে বঙ্গবাজার মার্কেটের আগুন। দুপুর ১২টা ৩৬ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: মাইন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে

    বঙ্গবাজারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসতে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সময় লাগে

    অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়েছে রাজধানীর বঙ্গবাজার। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪৭টি ইউনিট। একইসঙ্গে যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনীর সম্মিলিত দলও। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ভোরের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় ।

    পানি স্বল্পতা এবং উৎসুক জনতার ভিড়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয় বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিজি। তিনি জানান, ফায়ার সার্ভিসের ৪৮টি ইউনিট দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের ডিজি।

    মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার রিমা খানম জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৮ ফায়ার কর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে। তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল ও শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

    তবে বঙ্গবাজার দোকান মালিক সমিতির নেতারা জানান, অগ্নিকাণ্ডে ৫ থেকে ৬ হাজার দোকান পুড়ে গেছে। এতে হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

  • আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে : জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসে তথ্যমন্ত্রী

    আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে : জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসে তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘ আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের দারিদ্র্য হার মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের বেশি থেকে এখন ১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। বিশ্বে আমরা ৩৫তম জিডিপির দেশ আর পারচেজিং পাওয়ার প্যারিটি বা পিপিপিতে আমাদের অর্থনীতি হচ্ছে ৩১তম। এখন জিডিপির আকারে মালয়েশিয়ার চেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ আমরা এবং আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমাদের দেশ ২৭তম অর্থনীতির দেশ হবে।’

    ৩ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে সোমবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) জহির রায়হান কালার ল্যাব মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতায় মন্ত্রী দেশের অগ্রযাত্রা বর্ণনায় এ কথা বলেন। এর আগে বিএফডিসি চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে তথ্যমন্ত্রী দিবসটির সূচনা করেন তিনি। এর পরপরই চলচ্চিত্র অঙ্গণের শিল্পী-কুশলীদের সাথে মন্ত্রী র‌্যালিতে অংশ নেন এবং পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। চলচ্চিত্র তারকা রোজিনা, অঞ্জনা, পরিচালক কাজী হায়াৎ, বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, শিল্পী-কলাকুশলী ও কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে যোগ দেন।

    চলচ্চিত্রের কথা উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দিন দিন আমরা উন্নতি লাভ করছি। বস্তুগত বা অবকাঠামোগত উন্নতির পাশাপাশি মানুষের আত্মিক উন্নতিও প্রয়োজন আর আত্মিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে চলচ্চিত্র। এমন সব সিনেমা বানানো হোক তা যেন মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখতে পারে এবং তা বিনোদনের পাশাপাশি দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র গঠনে ভূমিকা রাখে, মানুষের তৃতীয় নয়ন খুলে দিতে পারে। তাহলে সেই সব সিনেমা বিনোদনের পাশাপাশি দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে, রাষ্ট্রকে জাগ্রত করতে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।

    দেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৫৭ সালের এই দিনে তৎকালীন তরুণ নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন বিল উত্থাপন করেছিলেন। তিনি অনুধাবন করেছিলেন যে, সংস্কৃতির সমস্ত শাখার সন্নিবেশে যা সৃষ্টি হয়, সেটি হলো চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রে গান থাকে, নৃত্য থাকে, চলচ্চিত্র সমস্ত শাখার সন্নিবেশ ঘটায়। জাতির পিতা এ সকল কিছু তখনই অনুধাবন করেছিলেন বলেই বিলটি উত্থাপন করেছিলেন।’

    বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আবার আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প ঘুরে দাঁড়িয়েছে, এ জন্য অনেকগুলো পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সিনেমা হল নির্মাণ এবং পুরনো হল সংস্কারের জন্য সহজ শর্তে ১ হাজার কোটি টাকার এক বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেকেই দরখাস্ত করেছেন। ইতিমধ্যেই অনেকে সিনেপ্লেক্স চালু করেছে এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হলও চালু হয়েছে। দু’বছর করোনা মহামারির বেড়াজালে আবদ্ধ না থাকলে আরো সিনেমা হল চালু হতো।

    হাছান মাহমুদ জানান, ‘চলচ্চিত্রে অনুদানের পরিমাণ ও সংখ্যা দুইই বেড়েছে। এফডিসিতে নতুন দৃষ্টিনন্দন কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ চলছে, সেখানে চারটি শুটিং স্পট থাকবে এবং একজন নির্মাতা সেখান থেকে একটা সিনেমা বানিয়ে মুক্তি দিতে পারবে। এছাড়াও চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য নেওয়ায় ১শ’ একর জায়গায় চলচ্চিত্র নির্মাণের সকল সুবিধা সৃজন করা হচ্ছে।

    এ সময় নির্বাচন কমিশন থেকে সদ্য পাওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকরা মন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘আমরা দেশকে ডিজিটাল করতে পেরেছি। বহু নাগরিক সেবা ও সুবিধা এখন ডিজিটাল। তবে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। কী পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের আছে। আমি এই মাত্র আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম তারা ঘোষণা করেছে যে, ৩০০ আসনেই প্রচলিত পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে। এ নিয়ে আমাদের দল দলীয়ভাবে আলাপ আলোচনা করে জানাবে। তবে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন এবং স্বাধীনভাবেই যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

    মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ইভিএম কেনা আর মেরামতের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে যে বাজেট চাওয়া হয়েছে সেটি এক বিলিয়ন ডলারের বেশি। আজকের পরিস্থিতিতে এই এক বিলিয়ন ডলার খরচ করার যৌক্তিকতা আছে কি না সে নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছে।’

    বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, পরিচালক মতিন রহমান এবং প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।

  • ইতালিতে জরিমানা গুনতে হবে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করলে

    ইতালিতে জরিমানা গুনতে হবে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করলে

    ইতালিতে দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বা সরকারি কোন ক্ষেত্রে ইংরেজি বা অন্য কোনো বিদেশি শব্দ ব্যবহার করা হলে জরিমানার বিধান রেখে নতুন আইন প্রস্তাব করেছে দেশটির সরকার।

    দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইতালীয় ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি বা অন্য কোনো ভাষার শব্দ ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ ১ লাখ ইউরো (১ লাখ ৮ হাজার ৭০৫ মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই বিধানসহ একটি নতুন আইন পাস করতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির দল ব্রাদার্স অব ইতালি। রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি জানা গেছে।

    ইতালির আইনপ্রণেতা ফাবিও রামপেল্লি এই আইনের খসড়া উত্থাপন করবেন। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এ আইনে সমর্থন জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

    নতুন এ আইনে সকল বিদেশী ভাষার কথা বলা হলেও এটি মূলত ‘অ্যাংলোম্যানিয়া’ বা মাত্রাতিরিক্ত ইংরেজি শব্দের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে। খসড়া আইন অনুযায়ী, এ ধরনের কার্যক্রম ইতালীয় ভাষার ‘অবমাননা ও ক্ষতি’ করে থাকে।

    রোববার (২ এপ্রিল) সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবে বলা হয়েছে ইতালীয় ভাষার পরিবর্তে বিদেশি শব্দ ব্যবহার করা হলে সর্বোচ্চ ১ লাখ ইউরো (১ লাখ ৮ হাজার ৭০৫ মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই বিধানসহ একটি নতুন আইন পাস করতে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির দল ব্রাদার্স অব ইতালি।

    এই খসড়া বিলে আরও প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যারা জনপ্রশাসন সংক্রান্ত কার্যালয়ের প্রধান হবেন, তাদেরকে অবশ্যই ‘ইতালীয় ভাষায় লেখা ও কথা বলায় দক্ষ’ হতে হবে। এতে আনুষ্ঠানিক নথিতে ইংরেজির ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা বলা হয়েছে। এমন কী, দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কারো পদবী বা এর সংক্ষিপ্ত রূপের ক্ষেত্রেও ইংরেজি ব্যবহার করা যাবে না, যেমন ম্যানেজার, সিইও, ইত্যাদি।

    সিএনএন এই খসড়া আইনের একটি অনুলিপি হাতে পেয়েছে। খসড়া অনুযায়ী, সকল বিদেশী ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব নীতিমালা ও চাকরির চুক্তিনামার ইতালীয় ভাষায় লেখা সংস্করণ তৈরি করতে হবে।

    এই প্রস্তাবিত আইনের প্রথম ধারায় বলা হয়েছে, এমন কী, যেসব কার্যালয়ে ইতালীয় নন এরকম কর্মীদের প্রাধান্য, সেখানেও প্রাথমিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ইতালীয় ভাষা ব্যবহার করতে হবে।

    দ্বিতীয় ধারায় বলা হয়েছে, (ইতালির) জাতীয় ভূখণ্ডের মাঝে সরকারি পণ্য ও সেবা ব্যবহার ও এর প্রচারণার ক্ষেত্রে ইতালীয় ভাষা ব্যবহার আবশ্যক’। এ নিয়ম না মানলে ৫ হাজার থেকে ১ লাখ ইউরো জরিমানা হতে পারে।

    এছাড়াও, প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ১টি কমিটি গঠন করবে, যাদের অন্যতম কাজ হবে স্কুল, গণমাধ্যম, বাণিজ্য ও বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে ‘শুদ্ধ উচ্চারণে, নিখুঁত ভাবে ইতালীয় ভাষার ব্যবহার’ নিশ্চিত করা।

  • কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছেছে বাংলাদেশ-ফ্রান্সের সম্পর্ক

    কৌশলগত অংশীদারিত্বে পৌঁছেছে বাংলাদেশ-ফ্রান্সের সম্পর্ক

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন এটি একটি উদ্দেশ্যমূলক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকে আরো প্রসারিত হয়েছে।

    সোমবার (৩ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসডুপে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। 

    মেরি মাসডুপে বলেন, ফ্রান্স সব সময়ই বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অংশীদার। আমাদের টেকসই উন্নয়নে অভিন্ন লক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত একটি উদ্দেশ্যমূলক এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বের দিকে সম্পর্ক আরো প্রসারিত হয়েছে।’

    সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    সাক্ষাতে শেখ হাসিনা বলেন, ফ্রান্স বরাবরই বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অংশীদার। টেকসই উন্নয়নে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য দ্বারা দুই দেশ বাস্তব ভিত্তিক এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও প্রসারিত হয়েছে।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যকার সম্পর্ক গত পাঁচ দশকে বিভিন্ন খাতে বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • পাঁচ সিটির নির্বাচনি তফসিল: ভোট হবে ইভিএমে ও সিসি ক্যামেরা থাকবে

    পাঁচ সিটির নির্বাচনি তফসিল: ভোট হবে ইভিএমে ও সিসি ক্যামেরা থাকবে

    পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সব সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ও সিসি ক্যামেরা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

    সোমবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সভা শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম এই তথ্য জানান।  তিনি আরও জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হবে ২৫ মে। খু লনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে ভোট অনুষ্ঠিত হবে ১২ জুন।  রাজশাহী ও সিলেটে ভোট হবে ২১ জুন।  ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়ন দাখিল করা যাবে বলেও তিনি জানান।

    গাজীপুরসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনের ভোট গ্রহণে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে ১২ জুন এবং রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ২১ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই পাঁচ সিটিতেই ভোটগ্রহণ করা হবে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)।

    সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত ১৭তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে কমিশন সচিব মো জাহাংগীর আলম বিস্তারিত তফসিল ঘোষণা করেন। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে কমিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম জানান, পাঁচ সিটির ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এসব নির্বাচনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে থাকছে সিসি ক্যামেরাও। ঘোষিত তারিখে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। সব সিটি নির্বাচনে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তারা রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন।

    তিনি জানান, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৭ এপ্রিল। মনোনয়ন বাছাই করা হবে ৩০ এপ্রিল এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ৮ মে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৫ মে।

    ইসি জানায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে সর্বশেষ ভোট হয়েছে ২০১৮ সালের ২৭ জুন। নির্বাচিত করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০১৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সময়গণনা শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের ১১ মার্চ থেকে। অর্থাৎ আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গাজীপুর সিটির ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

    গাজীপুরের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই সিটিতে করপোরেশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৬ মে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই করা হবে ১৮ মে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ মে। এই দুই নগরে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ জুন।

    কমিশন সূত্রে জানা গেছে,  এবং তৃতীয় পর্যায়ে রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এক্ষেত্রে খুলনা ও রবিশালের ভোটগ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ জুন এবং রাজশাহী ও সিলেটে ২১ জুন।

    তৃতীয় পর্যায়ে রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই দুই সিটি করপোরেশনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ২৩ মে। মনোনয়ন বাছাই করা হবে ২৫ মে, প্রত্যাহারের শেষ সময় ১ জুন ও ভোট ২১ জুন।