Category: লিড নিউজ

  • প্রধানমন্ত্রী ৪ নভেম্বর মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন

    প্রধানমন্ত্রী ৪ নভেম্বর মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, আগামী শনিবার (৪ নভেম্বর) মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    তিনি আরও জানান, আগামী রবিবার (৫ নভেম্বর) থেকে উত্তরা-মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের ট্রেন প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে মেট্রোরেলের যেসব ট্রেন চলবে সেগুলো শুধু তিনটি স্টেশনে থামবে। স্টেশনগুলো হলো- মতিঝিল, বাংলাদেশ সচিবালয় ও ফার্মগেট। এসব স্টেশনে হেডওয়ে হবে ১০ মিনিট। বেলা সাড়ে ১১টার পর মতিঝিল-আগারগাঁও অংশে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ওবায়দুল কাদের।

    মন্ত্রী বলেন, মেট্রোরেলের আগারগাঁও-মতিঝিল অংশ উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার (৪ নভেম্বর) উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশের বাণিজ্যিক চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া আগের মতো শুক্রবারও মেট্রো ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শনিবার আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশ এবং ঢাকা মহানগরীর প্রথম পূর্ব-পশ্চিম এমআরটি করিডোর ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫) নর্দার্ন রুটের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের দৈর্ঘ্য ৮ দশমিক ৭২ কিলোমিটার।

    আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে মোট ছয়টি লাইনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। আর ২০২৮ সালের মধ্যে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পাতাল রেল এবং ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল সড়কসহ মোট ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের কাজ শেষ হবে। এর আগে কমলাপুর স্টেশনে পূর্বাচলে এমআরটি লাইন-১ উদ্বোধন করা হয়েছে। মোট ৩১ কিলোমিটার লাইনের ২১ কিলোমিটার পাতাল রেল। যা আগামী বছর শেষ হবে কমলাপুর পর্যন্ত।

    এছাড়া এমআরটি লাইন ৫- নর্দার্ন রুট নির্মাণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি ও বেসিক ডিজাইন শেষ হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন সার্ভে সমাপ্ত হয়েছে। অক্টোবর পর্যন্ত বিস্তারিত নকশার অগ্রগতি ৯৪ শতাংশ। প্রকল্পটি মোট ১০টি প্যাকেজে বিভক্ত করে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্যাকেজের চূড়ান্ত ডিজাইন ও আন্তর্জাতিক দরপত্র দলিল প্রণয়নের কাজ চলমান। হেমায়েতপুর ডিপো ও ডিপো এক্সেস করিডোর নির্মাণের জন্য ৯৯ দশমিক ২৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

    ৪ নভেম্বর পুরো মেট্রোরেল প্রকল্প উদ্বোধন উপলক্ষে মতিঝিলে একটি জনসমাবেশে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

  • কলঙ্কজনক জেলহত্যা দিবস আগামীকাল

    কলঙ্কজনক জেলহত্যা দিবস আগামীকাল

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: আগামীকাল ৩ নভেম্বর কলঙ্কজনক জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর ৩ নভেম্বর  আর এক বিভিষিকাময় এই দিনটি।

    ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের পর চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পাঠানো হয়। তিন মাসেরও কমসময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চার সংগঠক ও বীর সেনানীকে কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

    জাতি আগামীকাল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতাকে যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত এই কালো অধ্যায়টি স্মরণ করবে। আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সারাদেশে পালিত হবে শোকাবহ এই দিনটি।

    বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ এবং বঙ্গবন্ধুর দুই খুনি কর্নেল (বরখাস্ত) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (বরখাস্ত) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার এ পরিকল্পনা করেন। এ কাজের জন্য তারা আগে ভাগে একটি ঘাতক দলও গঠন করে। এ দলের প্রধান ছিল রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন। সে ছিল ফারুকের সবচেয়ে আস্থাভাজন অফিসার। ১৫ আগস্ট শেখ মনির বাসভবনে যে ঘাতক দলটি  হত্যাযজ্ঞ চালায় সেই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলেহ উদ্দিন।

    বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর পরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে জাতির জনককে তাঁর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময় সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের সমধিক পরিচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কোটি কোটি বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর  ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল লন্ডনে। এসব হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচারের প্রক্রিয়াকে যে সমস্ত কারণ বাধাগ্রস্ত করেছে সেগুলোর তদন্ত করার জন্য ১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। তবে সেই প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সরকারের অসহযোগিতার কারণে এবং কমিশনের একজন সদস্যকে ভিসা প্রদান না করায় এ উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি।

    অধ্যাপক আবু সাইয়িদের ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ফ্যাক্টস এন্ড ডুকমেন্টস’ গ্রন্থে এই কমিশন গঠনের বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা, মনসুর আলীর পুত্র মোহাম্মদ সেলিম এবং সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের আবেদনক্রমে স্যার থমাস উইলিয়ামস, কিউ. সি. এমপি’র নেতৃত্বে এই কমিশন গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়। বাংলাদেশ ও বিদেশে অনুষ্ঠিত জনসভাসমূহে এ আবেদনটি ব্যাপকভাবে সমর্থিত হয়।

    ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যায় যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল তা প্রমাণিত হয়েছে বলে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বলা হয়েছে। জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় (জেল হত্যা) পলাতক দুই আসামী এলডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধা ও দফাদার মারফত আলী শাহকে নিম্ন আদালতের দেয়া মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া ২৩৫ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় ২০১৫ সালের ২ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয়।

    এর আগে ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যার পরদিন তৎকালীন উপ-কারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই ঘটনায় মামলা দায়েরের ২৩ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর অভিযোগপত্র দেয়া হয়। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. মতিউর রহমান রায় ঘোষণা করেন।

    বিচারিক আদালত রায়ে রিসালদার মোসলেম উদ্দিন (পলাতক), দফাদার মারফত আলী শাহ (পলাতক) ও এল ডি (দফাদার) আবুল হাসেম মৃধাকে (পলাতক) মৃত্যুদন্ড দেয়। এছাড়া বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত চার আসামী সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিন আহমেদসহ ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা কেএম ওবায়দুর রহমান, শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ও তাহেরউদ্দিন ঠাকুরকে খালাস দেয়া হয়।

    সূত্র: বাসস

  • স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘স্বেচ্ছায় রক্তদানসহ মরণোত্তর চক্ষুদানে দেশের তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণা কার্যক্রম আরও জোরদার করা আবশ্যক বলে আমি মনে করি। এসব কাজের জন্য তাদের বিশেষ স্বীকৃতি প্রদানের উদ্যোগ নিলে অনেকেই স্বপ্রণোদিত হয়ে আর্তমানবতার সেবায় এগিয়ে আসবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। তাই মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসার জন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও ‘জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০২৩’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সরকার গঠনের পর ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯’ প্রণয়ন করি। সেই আইনে আমরা মানবদেহে কিডনি, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, অন্ত্র, যকৃৎ, অগ্ন্যাশয়, অস্থি, অস্থিমজ্জা, চক্ষু, চর্ম ও টিস্যুসহ যেকোনো অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ সংযোজন এবং মৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আইনানুগ কোনো উত্তরাধিকারের লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে অঙ্গ নেওয়ার বিধান রেখেছিলাম। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ১নং আইনের মাধ্যমে পূর্ববর্তী আইনটিকে যুগোপযোগী করে ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৮’ প্রণয়ন করেছি। আমি নিজেও অনেকবার সন্ধানীতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছি।’

    তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিরাপদ রক্তের গুরুত্ব উপলব্ধি করে ১৯৭২ সালে তৎকালীন পিজি হাসপাতাল, বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের অন্ধত্ব সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি ১৯৭৫ সালের ১৭ জুলাই ‘দ্য ব্লাইন্ড রিলিফ অ্যাক্ট ১৯৭৫’ প্রণয়ন করেন।

    স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সন্ধানী বিগত চার দশকের অধিক সময়কাল যাবৎ আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বেচ্ছায় রক্তদানকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে সন্ধানীর ভূমিকা প্রশংসনীয়। এর পাশাপাশি সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি মানুষকে মরণোত্তর চক্ষুদানে উদ্বুদ্ধ করতে কাজ করে যাচ্ছে।’

    এখানে উল্লেখ থাকে যে মানুষ মৃত্যুর পর দেহের বেশ কিছু অঙ্গ  জীবিত থাকে তার মধ্যে অন্যতম চোখ। ব্যক্তির মৃত্যুর পর মানবদেহ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে চোখের কর্ণিয়া সংগ্রহ করে তা অন্ধ ব্যক্তির চোখে সংযোজন করা যায়। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে মরণোত্তর চক্ষুদানে অনেকে এগিয়ে আসছে।

  • শিল্পকলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’

    শিল্পকলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: আজ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হচ্ছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’। ১৯ দিনব্যাপী চলা এই যাত্রাপালা উৎসব শেষ হবে ২০ নভেম্বর।

    ‘শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখরে’ এই প্রতিপাদ্যে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দেশব্যাপী শিল্পযজ্ঞ পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। লোক ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ রুপায়ব যাত্রাপালা। ঐতিহ্য, চিন্তা, মূল্যবোধকে ধারণ করেই যাত্রাপালার বিস্তার। আবহমান বাংলার চিরায়ত লোকসংস্কৃতির অন্যতম শাখা যাত্রাপালা বরাবরই গণমানুষের সংস্কৃতি হিসেবে বিবেচিত। তৃণমূল মানুষের অন্তরে বাস্তবিক উন্নয়নের এক দর্পন স্বরুপ কাজ করে যাত্রাপালা।

    উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশব্যাপী ১২০ টি যাত্রাদলের পরিবেশনায় ৪২টি জেলায় আগামী ০২-২০ নভেম্বর পর্যন্ত ‘গণজাগরণের যাত্রাপালা উৎসব ২০২৩’ আয়োজন করেছে। উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজন ০২ নভেম্বর, সন্ধ্যা ৬.০০ টায়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী দিন ০২ নভেম্বরসহ আগামী ০৬ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ১৫টি যাত্রাদলের অংশগ্রহণে যাত্রাপালা পরিবেশিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালেদ এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    আজ বৃহস্পতিবার উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজনে শুরুতেই যাত্রাদল লোকনাট্য গোষ্ঠীর পরিবেশনায় পরিবেশিত হবে যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ।’ যাত্রাদল জ্যোতি অপেরা পরিবেশন করবে যাত্রাপালা ‘জননীর স্বপ্নপূরণ’ এবং যাত্রাদল বাংলার বাণী অপেরা পরিবেশন করবে যাত্রাপালা ‘জাগো মানুষ জাগাও দেশ’।

  • ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো

    ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম আবার বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

    ঘোষণায় বলা হয়েছে, বেসরকারি এলপিজির রিটেইলার পয়েন্টে ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১৫ টাকা ৯ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহকৃত বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে মূসকসহ মূল্য প্রতি কেজি ১১১ টাকা ২৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

    এছাড়া ভোক্তাপর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম মূসকসহ প্রতি লিটারের মূল্য ৬৩ টাকা ৩৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে।

    এর আগে অক্টোবর মাসে ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৮৪ টাকা থেকে ৭৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি।

  • নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনাল নিশ্চিত

    www.HelloBangla.News –  খেলাধুলা –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে শক্তিশালী দল অবশ্যই দক্ষিণ আফ্রিকা। আর ব্যাটিং লাইনটা সবচেয়ে ভয়ানক। যে কোন দেশের বোলারদের চুরমার করে দিতে পারে কুইন্টন ডি কক, রাসি ফন ডার ডুসেনের, মার্করাম, ডেভিড মিলার ও জানসেন টস জিতে বাঁকি ম্যাচগুলোতে অবশ্যই দলটি। টস জিতলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ভুলেও আগে ব্যাটিংয়ে পাঠাবে না প্রতিপক্ষ। টস জিতে ব্যাটিং না করে বিরাট ভুল করে বসলেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার নেওয়া ৩৫৭ রান তাড়া করতে নেমে মুখ থুবড়ে পড়ে তাদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। ন্যূনতম লড়াইও দেখাতে না পারা কিউইদের ১৯০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা।

    বিশ্বকাপের শীর্ষস্থান দখল নিয়ে লড়াই বেশ জমে উঠেছে। এবার উড়তে থাকা নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শীর্ষে উঠে এলো দক্ষিণ আফ্রিকা।

    পুনেতে আগে ব্যাট করে কুইন্টন ডি কক ও রাসি ফন ডার ডুসেনের সেঞ্চুরির সঙ্গে ডেভিড মিলারের ঝোড়ো ফিফটিতে ভর করে ৪ উইকেটে ৩৫৭ রান তোলে দ. আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়ায় ৩৫ ওভার ৩ বলে ১৬৭ রানে গুটিয়ে যায় কিউইরা।

    রান তাড়ায় শুরুর দিকেই ডেভন কনওয়ে ও রাচিন রবীদ্রর উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। দ্রুত ফেরেন উইল ইয়াংও। দলীয় রান এক শ ছোঁয়ার আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে কিউইরা। উইল (৩৩) আর গ্লেন ফিলিপস (৬০) ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন কেশব মহারাজ।

    এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা দক্ষিণ আফ্রিকাও ভালো শুরু পায়নি। দলীয় ৩৮ রানে ব্যক্তিগত ২৪ রানে আউট হন অধিনায়ক বাভুমা। অন্য প্রান্তে ১২ রানে জীবন ফিরে পাওয়া ডি কক ৬২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে ব্যক্তিগত ৫৫ রানে দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করেন। ছাড়িয়ে যান জ্যাক ক্যালিসকে। ২০০৭ বিশ্বকাপে ৯ ইনিংসে ৪৮৫ রান করে এক বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বাধিক রান সংগ্রহক ছিলেন ক্যালিস। তাকে ছাড়ানো সঙ্গে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫০০ রান করেন ডি কক।

    দ্বিতীয় উইকেটে ডুসেনের সঙ্গে ২০০ রানের জুটিতে এবারের বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ শতক তুলে নেন। সেঞ্চুরির পর অবশ্য আউট হন ডি কক। ১১৬ বলে ১১৪ রানের ইনিংসে ১০টি চারের সঙ্গে ছয় মারেন তিনটি।

    ডি কক বিদায় নিলেও  ১০১ বলে এবারের বিশ্বকাপে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। তৃতীয় উইকেটে ডেভিড মিলারের সঙ্গে ৭৮ রান যোগ করে টিম সাউদির দ্বিতীয় শিকার হন ১১৮ বলে ১১৩ রানে। ৯টি চারের সঙ্গে পাঁচটি ছয় মারেন ডুসেন।

    শেষ দিকে মিলারের ৩০ বলে ৫৩ রানের ঝড় ও এইডেন মারক্রামের ৭ বলে অপরাজিত ১৫ রানে ৩৫৭ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা।

    এই জয়ে রোহিত শর্মাদের দুইয়ে নামিয়ে এক নম্বরে উঠে এলো বাভুমাবাহিনী। এতে ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটের হিসেবে এগিয়ে থেকে শীর্ষে প্রোটিয়ারা। ১২ পয়েন্টে থাকা ভারত অবশ্য ১ ম্যাচ কম খেলেছে।

    ম্যাচ সেরা হয়েছেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর :

    দক্ষিণ আফ্রিকা : ৩৫৭/৪, ৫০ ওভার (ডুসেন ১৩৩, ডি কক ১১৪, সাউদি ২/৭৭)।

    নিউজিল্যান্ড : ১৬৭/১০, ৩৫.৩ ওভার (ফিলিপস ৬০, ইয়ং ৩৩, মহারাজ ৪/৪৬)।

  • গাজায় আটকা পড়ে আছে ২০ হাজার আহত লোক

    গাজায় আটকা পড়ে আছে ২০ হাজার আহত লোক

    www.HelloBangla.News –  আন্তর্জাতিক –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: ডক্টরস উইদাউট বডার্স (এমএসএফ) জানিয়েছে গাজা উপত্যকায় এখনও ২০ হাজারেরও বেশি আহত লোক আটকা পড়ে আছে।

    তবে বিদেশী পাসপোর্টধারী ও মারাত্মক আহত ফিলিস্তিনীদের মিসর সীমান্ত পাড়ি দেয়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

    এমএসএফ এক বিবৃতিতে বলেছে, গুরুতর আহত যেসব লোক রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পাড়ি দিয়েছে তাদের মধ্যে ২২ জন আন্তর্জাতিক স্টাফ রয়েছে।

    এমএসএফ আরো বলেছে, অবরুদ্ধ অবস্থার কারনে গাজায় এখনও ২০ হাজারেরও বেশি আহত লোক সামান্য স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। এমএসএফ আরো বেশি সংখ্যক লোককে গাজা ত্যাগের সুযোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

    গত ৭ অক্টোবর হামাস ইরাইলে হামলা চালালে ইসরাইলও গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এ আক্রমণ অব্যাহতভাবে চলছে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, ইসরাইলের অব্যাহত হামলায় এ পর্যন্ত ৮,৮০০ লোক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২২ হাজারেরও বেশি লোক।

    অপরদিকে জানা গেছে, গাজার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খান ইউনিসে বুধবার ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১২ জনের প্রাণ গেছে। আরও দুই ডজনের মতো লোক হামলায় আহত হয়েছেন।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রী আজ তিন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন

    বাংলাদেশ-ভারতের প্রধানমন্ত্রী আজ তিন প্রকল্প উদ্বোধন করলেন

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ১ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ যৌথভাবে ভারতীয় সহায়তায় বাস্তবায়িত তিনটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন।

    আজ বুধবার (১ নভেম্বর) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রকল্প তিনটি উদ্বোধন করেন।

    প্রকল্প তিনটি হলো আখাউড়া-আগরতলা আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ; খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন এবং মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ইউনিট-২।

    আখাউড়া-আগরতলা আন্তঃসীমান্ত রেল সংযোগ প্রকল্পটি ভারত সরকারের অনুদান সহায়তার অধীনে বাংলাদেশকে প্রদত্ত ভারতীয় ৩৯২.৫২ কোটি রুপি ব্যয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশে ৬.৭৮ কিলোমিটার ডুয়াল গেজ ও ত্রিপুরায় ৫.৪৬ কিলোমিটার রেললাইনসহ এই রেল সংযোগের দৈর্ঘ্য ১২.২৪ কিলোমিটার।

    খুলনা-মোংলা বন্দর রেললাইন প্রকল্পটি ভারত সরকারের কনসেশনাল লাইন অব ক্রেডিটের অধীনে বাস্তবায়িত হয়েছে যার মোট প্রকল্প ব্যয় ৩৮৮.৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পে মোংলা বন্দর ও খুলনায় বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মোংলা ব্রডগেজ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে।

    ভারতীয় কনসেশনাল ফাইন্যান্সিং স্কিমের আওতায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার ঋণের অধীনে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট হলো বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের রামপালে অবস্থিত একটি ১৩২০ মেগাওয়াট (২X৬৬০) সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট (এমএসটিপিপি)।

    প্রকল্পটি বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) কর্তৃক বাস্তবায়িত হয়েছে, যা ভারতের এনটিপিসি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে একটি ৫০৫০ জয়েন্ট ভেঞ্চার কোম্পানি।

    ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উভয় প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ইউনিট-১ উন্মোচন করেন। মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টের কার্যক্রম বাংলাদেশে বিদ্যুৎ নিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে।

    প্রকল্পগুলো এই অঞ্চলে কানেক্টিভিটি ও বিদ্যুৎ নিরাপত্তা জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • প্রধানমন্ত্রী ‘টাকা পে’ কার্ড উদ্বোধন করলেন

    প্রধানমন্ত্রী ‘টাকা পে’ কার্ড উদ্বোধন করলেন

    www.HelloBangla.News –  অর্থনীতি –  ১ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ন্যাশনাল কার্ড স্কিম‘টাকা পে’ উদ্বোধন করেছেন। আজ বুধবার (নভেম্বর ০১) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এই ডেবিট কার্ড উদ্বোধন করেন তিনি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হওয়া এই কার্ড ভিসা কার্ড, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প। পুরোপুরি দেশীয় মধ্যস্থতায় চলবে এই সেবা।

    তিনি বলেন, আমরা স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। আমাদের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও স্বাধীন সার্বভৌম ব্যবস্থায় গড়ে তুলতে পারছি। আমাদের পরনির্ভরশীলতা কমে যাবে। কারণ, আমরা এখন যেসব কার্ড ব্যবহার করি সেগুলো বিদেশি সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত। সেখানে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রাও পে করতে হয়। এখন আর সেটা করা লাগবে না। আমাদের বিদেশি নির্ভরতাও হ্রাস পাবে। নিজস্ব নেটওয়ার্ক আমরা ব্যবহার করব, যাতে তথ্য কেউ না নিতে পারে। প্রতিটি মানুষের তথ্য যাতে সুরক্ষিত থাকে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ক্যাশলেস সোসাইটি করতে চাই। আজ যে ন্যাশনাল স্কিম টাকা পে অর্থাৎ ক্যাশলেস সোসাইটি করার যে পদক্ষেপ, এটা বাংলাদেশের জন্য একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

    ‘টাকা-পে’ কার্ডের মতো ভারতের রয়েছে ‘রুপি কার্ড’। একইভাবে শ্রীলঙ্কার ‘লঙ্কা-পে’, পাকিস্তানের ‘পাক-পে’, এবং মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবের ‘মাদা-কার্ড’ নামে নিজস্ব কার্ড রয়েছে। এবার ‘টাকা-পে’ চালুর মধ্য দিয়ে সেই তালিকায় যুক্ত হলো বাংলাদেশও।

    টাকা-পে কার্ড হল এক ধরনের ডেবিট কার্ড। এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ব্যাংক ইস্যু করতে পারবে। নিয়ন্ত্রণ থাকবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে। এই কার্ডের মাধ্যম প্রচলিত কার্ডের (ভিসা, মাস্টার) মতো লেনদেন করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    বর্তমানে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি বিদেশি মুদ্রা খরচ করছে প্রতিবেশী দেশ ভারতে। আগামী ডিসেম্বরে ডুয়েল কারেন্সি বা দ্বৈত মুদ্রা ব্যবহারের সুবিধা যুক্ত হলে ‘টাকা-পে’ কার্ডের মাধ্যমে ভারতীয় মুদ্রা রুপিও ব্যবহার করতে পারবেন বাংলাদেশিরা।

    দ্বিপক্ষীয় লেনদেন চালু করতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক ইন্ডিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মাধ্যমে টাকা ও রুপি বিনিময় করতে ‘টাকা পে’ কার্ড ‘ডুয়েল কারেন্সি কার্ড’-এ পরিণত হবে।

  • শর্তহীনভাবে যারা সংলাপে আসবেন তাদের স্বাগত জানাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শর্তহীনভাবে যারা সংলাপে আসবেন তাদের স্বাগত জানাব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News –  জাতীয় –  ১ নভেম্বর, ২০২৩: শর্তহীনভাবে সংলাপের বিষয়টি আমরা স্বাগত জানাই, বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল । তিনি বলেন, শর্তহীনভাবে যারা আসবেন তাদের স্বাগত জানাব। আমরা দরজা বন্ধ রাখিনি। তবে সবকিছু হতে হবে সংবিধান অনুসারে।

    বুধবার (১ নভেম্বর) বাংলাদেশে ব্রিটেনের হাইকমিশনার সারাহ ক্যাথেরিন কুকের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে আলাপ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উল্লেখযোগ্য কোনো আলাপ হয়নি। তিনি বলেছেন, সংলাপ হচ্ছে প্রধান হাতিয়ার। আমরা বলেছি, আমরা সবসময় সংলাপকে স্বাগত জানাই। সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত বলে আমরাও মনে করি। সংবিধান আমাদের যেভাবে কাঠামো করে দিয়েছে, সেটা অনুসারে সংলাপ করতে হবে। এটা সারাহ কুকও স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনিও বলেছেন, সংলাপের বিকল্প নেই।

    মন্ত্রী বলেন, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারে মতো আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছেন। আমাদের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্ক অনেকদিনের, সেটা স্মরণ করেই তিনি আমাদের কাছে এসেছেন। আমাদের অবৈধ কিছু অভিবাসী ব্রিটেনে রয়েছেন, আপনারা জানেন, ইউরোপের সঙ্গে আমাদের এসওপি হয়েছে, যারা অবৈধভাবে সেখানে বসবাস করেন, তাদের কীভাবে ফিরিয়ে দেবেন, সে জন্যই একটি এসওপি সই হয়েছিল। তারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসবেন, যে কারণে তাদের সঙ্গেও একটি এসওপি করার কথা বলেছেন। আমরাও বলেছি, খুব শিগগিরই আমরা এই এসওপিতে সই করবো।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তারা আমাদের দেশের সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করতে চান। তারা আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিতে চাচ্ছেন। জিআইজেড নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কারাগার নিয়ে কাজ করছেন, এটা অব্যাহত রাখতে চাচ্ছে।

    আসাদুজ্জামান খান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবসময় বলছেন, আমরা সবকিছু শান্তিপূর্ণভাবে করতে চাই। সংবিধান মাথায় রেখেই আমরা আলোচনা করতে চাই। আমরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই, সহিংসতা চাই না। তিনি আলাপ-আলোচনা করার জন্য সবসময় নির্দেশ দেন, যাতে পরিস্থিতি শান্ত থাকে, সেটা আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।

    আপনারা কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন কিনা, প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যারা আসবে, তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলবো। শর্তহীনভাব আসতে হবে। সংবিধানের কাঠামো মেনেই আমাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। সংবিধানের বাইরে যদি কেউ কিছু বলেন, তাহলে তো সেটা হবে না।

    আপনারা ক্ষমতায় আছেন তাদেরকে তো আপনাদের ডাকতে হবে- এমন কথা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অনেকেই তো আসছেন। তাদের প্রয়োজনে আমাদের ফোন করছেন। তারা তো বলতে পারেন, আমরা কথা বলতে চাই, আমরা হরতাল চাই না, এটা তো তারা বলেননি কোনোদিন। আমরা তো বলছি, দরজা তো বন্ধ হয়নি। আমরা যেকোনো আলোচনায় রাজি আছে, সেটা সংবিধানর কাঠামোর মধ্য থেকে।

    শনিবার ৪৪টি রাজনৈতিক দলকে ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে বিএনপি বলে দিয়েছে, তারা আলোচনায় যাবে না। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেটা তারা সবসময় বলে থাকে। ২০১৪ সালেও বলেছে। যে দলের প্রতি দেশের জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন, সেই দল নিশ্চিতভাবে নির্বাচনে এলে জয়লাভ করতে পারবে না। তারা সংলাপ চায় না, সহিংসতা চায়।