Category: লিড নিউজ

  • পলাতক অগ্নিসন্ত্রাসীরা এখন আন্দোলনের নামে ফিরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

    পলাতক অগ্নিসন্ত্রাসীরা এখন আন্দোলনের নামে ফিরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: অগ্নিসন্ত্রাস করে যারা পলাতক ছিল, বিএসপি-জামাত আন্দোলন শুরু করলে তারা ফিরে আসে, বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৩ সাল থেকে যারা এই অগ্নিসন্ত্রাস, মানুষ পোড়ানো, তিন হাজারের ওপরে তারা মানুষ পুড়িয়েছে। সেখানে প্রায় কয়েক হাজারের মতো মানুষ মারাই গেছে। লঞ্চ, গাড়ি, বাস, ট্রেন—কিছুই বাদ যায়নি। সেই সময় যারা আসামি ছিল তারা পলাতক ছিল। যখন এই বিএনপি-জামায়াত এবং তাদের সমমনা দলগুলি রাজনৈতিক কর্মসূচি শুরু করেছে, তারা বহাল তবিয়তে এসেছে।’

    রোববার (২৬ নভেম্বর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেওয়া হয়। ফলাফল ঘোষণার আগে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘অগ্নিসন্ত্রাসের যারা হুকুমদাতা ও অর্থদাতা তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেটাই করে যাচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘তখন কোনো বাধা দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু যখনই তারা আবার জ্বালাও-পোড়াও শুরু করলো, বিশেষ করে ২৮ অক্টোবর থেকে তাদের যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড—পুলিশকে পিটিয়ে পিটিয়ে মারা, একটা বীভৎস দৃশ্য যা দেখলে সহ্য করা যায় না। এমনকি শুনলে আপনারা অবাক হবেন যে, রেললাইন কেটে রেখে দিয়েছে যেন বগি পড়ে যায়, ‍দুর্ঘটনা হয়। দুর্ঘটনা হলে কী হবে, সাধারণ মানুষ রেলে চড়ে, অতি সাধারণ মানুষ, তারা মারা যাবে। তাদের হত্যার জন্য রেললাইন কেটেছে। যা হোক, স্থানীয় জনগণ সচেতন ছিল, তারা সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ জায়গায় জানিয়েছে বলেই কয়েকটি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তারপরও তারা ট্রেন পুড়িয়েছে, সাংবাদিকদের ওপর হামলা, নারীদের ওপর হামলা করেছে।’

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘এখন তো প্রতিনিয়ত অগ্নিসন্ত্রাস করেই যাচ্ছে। ফলে এখন ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠানো একটা ভীতির অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। অথচ যতক্ষণ তারা সঠিকভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছে, ততদিন কিন্তু তাদের কোনো অসুবিধা ছিল না। তাতে বিএনপি বা তাদের দলগুলির ভাবমূর্তিও আরও বেড়েছিল। কিন্তু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করার পর এখন জনগণের কাছ থেকে তারা আবার সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ মানুষ, একজন মানুষ হয়তো অনেক কষ্ট করে একটা বাস তৈরি করে, সেটা থেকে তার জীবন-জীবিকা চলে। সেটা যখন তার চোখের সামনে পুড়ে যায় বা বাসের ভেতরে হেলপার ঘুমিয়ে আছে, সেই অবস্থায় যখন একটা গাড়ি পোড়ায়… যারা এভাবে অগ্নিসন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত বা যারা হুকুমদাতা, যারা অর্থদাতা, তদের আমরা কী করবো? তাদের কি ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেব? না, তাদের বিরুদ্ধে আইন্শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘তাদের কেন গ্রেপ্তার করা হলো। তারা এটা বলে না, এরা অগ্নিসন্ত্রাসী, পুলিশ হত্যা করেছে, মানুষ হত্যা করেছে। এখন ডিজিটাল যুগ। সাধারণ মানুষও ছবি তোলে, সঙ্গে ছবি পাওয়া যায় এবং একেবারে চিহ্নিত। যারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। মানুষের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে, জনগণের সুরক্ষা দিতে, নিরাপত্তা দিতে। সেটাই আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী করে যাচ্ছে এবং সেটাই করা হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এভাবে মানুষকে পোড়াবে, মানুষের সম্পদ নষ্ট করবে, জাতীয় সম্পদ নষ্ট করবে, তাদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ আছে বলে আমি মনে করি না। আমি আশা করি এদের অন্তত একটু শুভবুদ্ধির উদয় হবে, এগুলো বন্ধ করবে। আর বন্ধ না করলে যা ব্যবস্থা নেওয়ার আমাদের নিতেই হবে, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থেই নিতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আমি চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা একটা উন্নত জীবন পাক। সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হোক এবং সুন্দরভাবে তারা বেড়ে উঠুক।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার মাধ্যমে আমরা যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছি তারই সৈনিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলুক।’

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

  • গাজায় যুদ্ধ নেতানিয়াহুর ‘ভয়ংকর প্রতিশোধ’ এর প্রকাশ

    গাজায় যুদ্ধ নেতানিয়াহুর ‘ভয়ংকর প্রতিশোধ’ এর প্রকাশ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: গত ৭ই আক্টোবর হামাস হঠাৎ করেই ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের উপর হামলা করে এবং এর পরবর্তিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। যে আক্রমণকে নেতানিয়াহু ‘ভয়ংকর প্রতিশোধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এতে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রায় ১৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে বেসারিক মানুষ, নারী ও শিশুর রয়েছে। সেখানে অনেক স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়ার পাশাপাশি আল-শিফা হাসপাতাল গুড়িয়ে দিয়েছে। বিষয়টি বিশ্ব শান্তির জন্য বিরাট হুমকি।

    যদি গাজায় চলমান যুদ্ধটি বাকি সব যুদ্ধগুলোর মত হতো তাহলে এতদিনে হয়তো সেখানে অনেক কিছুর ক্ষেত্রে আলাদা চিত্র দেখা যেতো। সম্প্রতি সেখানে যুদ্ধবিরতি হয়েছে। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে বহুদিন আগেই এই যুদ্ধবিরতি হতো।

    মৃতদের কবর দেয়া হয়ে যেত এবং ইসরায়েলকে হয়তো জাতিসংঘের সাথে তর্ক করতে হতো যে গাজার পুননির্মাণে ঠিক কী পরিমাণ অর্থের দরকার হবে। কিন্তু এই যুদ্ধটা সেগুলোর মতো নয়। কেননা এখানে হত্যাযজ্ঞের শুরুটা করেছিল হামাস গত ৭ই অক্টোবর।

    এই যুদ্ধটা অন্যগুলো থেকে ভিন্ন কারণ এটা এমন সময় হচ্ছে যখন মধ্যপ্রাচ্যকে ভাগ করার আভাষ পাওয়া যাচ্ছে।  গত দুই দশক ধরে এখানকার ভূ-রাজনীতির যে উত্তেজনাকর চিত্র, তার একদিকে ইরান এবং তার বন্ধু ও মিত্ররা, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার বন্ধু ও মিত্ররা।

    ইরানের এই নেটওয়ার্কের মূলে, যেটা কখনো পরিচিত ‘প্রতিরোধের জোট’ হিসেবে, সেই দলে রয়েছে লেবাননের হেজবুল্লাহ, সিরিয়ার আসাদ সরকার, ইয়েমেনের হুতি এবং ইরাকের সশস্ত্র বাহিনী যাদের অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে ইরান। ইরানিরা গাজায় হামাস এবং ইসলামিক জিহাদকেও সমর্থন দিয়ে আসছে।

    একইসাথে ইরান এখন চীন এবং রাশিয়ারও ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠছে। ইউক্রেনে রাশিয়া যে যুদ্ধ পরিচালনা করছে ইরান সেটার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আর চীন ইরানের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ তেল কিনে থাকে। গাজায় যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে এবং ইসরায়েল যত বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক লোক হত্যা করবে ও হাজার হাজার বাড়িঘর ধ্বংস করবে, ততই এই দুই মিত্র গোষ্ঠীর কোন কোন সদস্যের মধ্যে সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হবে।

    ইসরায়েল আর লেবাননের সীমান্তে ধীরে ধীরে উত্তেজনা দানা বাঁধছে। ইসরায়েল বা হেজবুল্লাহ কোন পক্ষই অবশ্য সরাসরি যুদ্ধ চায় না। কিন্তু যেহেতু দু’পক্ষ থেকেই উত্তজনা ক্রমে বেড়ে চলেছে, তাই সেটা কোন এক সময় অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ার ঝুঁকিটাও তৈরি হয়। ইয়েমেনের হুতিরা ইসরায়েলের দিকে তাক করে মিসাইল ও ড্রোন হামলা ছুঁড়েছে। সে সবগুলোই অবশ্য প্রতিহত করেছে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং রেড সি‘তে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহর।

    ইরাকে, ইরান সমর্থিত সশস্ত্র বাহিনী মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় তাদের কিছু অবস্থান থেকে সরে এসেছে। যদিও সবপক্ষই উত্তেজনা যাতে খুব বেশি না ছড়ায় সেই চেষ্টা করছে, কিন্তু সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা সবসময়ই কঠিন।

    যুক্তরাষ্ট্রের দিকে আছে ইসরায়েল, উপসাগরীয় তেল সমৃদ্ধ রাষ্ট্রগুলো, জর্ডান ও মিশর। যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই ইসরায়েলকে জোরালো সমর্থন দিয়ে আসছে, যদিও এটা পরিষ্কার যে ইসরায়েল যে ব্যাপক পরিমাণে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক হত্যা করছে সেটা নিয়ে অস্বস্তি আছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনেরও।

    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন প্রকাশ্যেই বলেছেন যে অনেক বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হচ্ছে। উত্তর গাজা থেকে হাজারে হাজার ফিলিস্তিনের পালিয়ে প্রধান সড়ক দিয়ে হেঁটে দক্ষিণে যাওয়ার যে দৃশ্য সেটা অনেককেই ১৯৪৮ সালে আরবদের বিপক্ষে ইসরায়েলের স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

    যে সাত লাখেরও বেশি মানুষ ইসরায়েলি বাহিনীর অস্ত্রের মুখে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছে সেটাকে ফিলিস্তিনিরা মহাবিপর্যয়ের সঙ্গেও তুলনা করছে। সেই ১৯৪৮ সালের শরণার্থীদের পরের প্রজন্মের বেশিরভাগই এখন গাজা উপত্যকার বাসিন্দা।

    আর কিছু উগ্র ইহুদী জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী, যারা বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সমর্থক, তাদের অনেকের ফিলিস্তিনিদের উপর আরেকটি নাকবা আরোপের মতো ভয়ংকর কথাবার্তা, যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র শিবিরেরই কিছু আরব দেশ বিশেষ করে জর্ডান ও মিশরকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

    এমনকি নেতানিয়াহু সরকারের একজন মন্ত্রী তো হামাসকে মোকাবেলা করার জন্য গাজায় পারমাণবিক বোমা ফেলার ইঙ্গিতও দেন। তাকে তিরস্কার করা হলেও বহিষ্কার করা হয়নি। এসবকে পাগলের আলাপ বলে উড়িয়ে দেয়া যেতে পারে কিন্তু জর্ডান ও মিশরটা বিষয়টা গুরুত্ব সহকারেই নিয়েছে।

    সেটা অবশ্য পারমাণবিক বোমার ব্যাপারে না হলেও, যেটা ইসরায়েলের ঘোষিত ও অঘোষিত অনেকই আছে, বরং হাজার হাজার ফিলিস্তিনির তাদের সীমানায় ঢুকে পড়ার শঙ্কা তাদের বেশি। আর যদি গাজায় যুদ্ধের কথা বলা হয়, তাহলে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের উচ্চপদস্থ কূটনীতিকরা বিবিসিকে বলেছেন, যুদ্ধ এবং তার পরবর্তি পরিস্থিতি মোকাবেলা করা হবে খুবই ‘কঠিন এবং বিশৃঙ্খল’।

    একজন বলেছেন যে, “একমাত্র রাস্তা হবে ফিলিস্তিনের জন্য একটা রাজনৈতিক দিগন্ত পুন:নির্মান করা।” তিনি মূলত ইসরায়েলের পাশাপাশি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে ইঙ্গিত করেছেন, তথাকথিত ‘টু-স্টেট’ সমাধান, যা ব্যর্থ হয়ে এখন শুধু স্লোগানেই টিকে আছে।

    সেটাকে পুনরুজ্জীবিত করা, ইসরায়েল ও আরবের মধ্য থেকে তাদের জায়গা বের করা খুবই উচ্চভিলাষী পরিকল্পনা এবং একই সাথে সম্ভবত বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ভালো সমাধানও। কিন্তু বর্তমানে যে বেদনা, ঘৃণা আর শঙ্কার পরিবেশ চলমান সেখানে এই ধারণার প্রয়োগ করা হবে খুবই কঠিন কাজ। আর বর্তমান ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি যে নেতৃত্ব তাদের অধীনে এটা অসম্ভব। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গাজায় যুদ্ধ সমাপ্তির পর কি হবে সেই পরিকল্পনা এখনো প্রকাশ করেননি।

    কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রস্তাব, সেখানে বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সরকার সমর্থিত একটা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা, যাদের হামাস ২০০৭ সালে বিতাড়িত করেছিল, সেটিকে প্রত্যাখান করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার দ্বিতীয় অংশ হল দুই রাষ্ট্রের সমাধান নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া, যেটি নেতানিয়াহু তার পুরো রাজনৈতিক জীবন জুড়ে বিরোধীতা করে এসেছেন।

    ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার বিপক্ষে শুধু মি. নেতানিয়াহুই নন। তিনি যাদের সমর্থনে আবারও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে এসেছেন সেই গোঁড়া ইহুদী জাতীয়তাবাদী যারা তাদের বিশ্বাস, জর্ডান নদী আর ভূমধ্যসাগরের মাঝখানের যে অঞ্চল সেটা পুরোটাই ইহুদীদের জন্য ঈশ্বরের দান এবং তার ইসরায়েলের সীমানার ভেতরেই থাকতে হবে।

    ইসরায়েলের ভেতরে অনেকেই ৭ই অক্টোবরের হামলার জন্য নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা ব্যর্থতায় নেতানিয়াহুকে দায়ী করে তার পদত্যাগ চান। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের বয়স ৮০ পেরিয়ে গিয়েছে, ভোটারদের কাছেও তার সমর্থন এখন কম, যদিও ২০০৫ সাল থেকে তিনি ব্যালট বাক্স ছাড়াই ক্ষমতায়।

    ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পশ্চিম তীরে নিরাপত্তার জন্য ইসরায়েলকে সহায়তা করে আসছে কিন্তু তাদের নিজেদের লোকদেরই বসতি স্থাপনকারী অস্ত্রধারী ইহুদীদের থেকে রক্ষায় ব্যর্থ। একসময় নেতৃত্বের বদল ঘটবে। কিন্তু যদি গাজার এই মর্মান্তিক যুদ্ধ ইসরায়েল, ফিলিস্তিন ও তাদের শক্তিশালী বন্ধুদের শান্তি স্থাপনে বাধ্য না করে, তাহলে ভবিষ্যতে আরো যুদ্ধই অপেক্ষা করছে।

    বিশ্বের প্রতিটি মানুষ যুদ্ধকে ঘৃণা করে। তারা চায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে স্থায়ী শান্তি। চার দিনের যুদ্ধ বিরতি নয়, চাই স্থায়ী যুদ্ধ বিরতির মধ্যেমে শান্তির প্রতিষ্ঠা।

    সূত্র: বিসিসি বাংলা ( জেরেমি বোয়েন: বিবিসির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক)

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন: শিক্ষামন্ত্রী

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: ২০২৩ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন। গত বছর যা ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ৮২।

    সে হিসেবে মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮৩ হাজার ৭৮৭ জন।

    আজ রবিবার (২৬ নভেম্বর) বেলা আড়াইটায় সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান। এরআগে সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২১ সালে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন, ২০২০ সালে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন, ২০১৯ সালে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন।

    আর চলতি বছরে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীদের জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা বেশি। ৪৩ হাজার ২৩০ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ৩৬৫ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৬ হাজার ১৩৫ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন।

    এ বছর বিদেশের আটটি কেন্দ্রে মোট ৩২১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে পাস করেছে ৩০৩ জন। পাসের হার শতকরা ৯৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান এবং বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা কী

    বাংলাদেশে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা কী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: আগামী ২০২৪ সালের সাতই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল তফসিল ঘোষণার সময় এই তথ্য জানিয়েছেন। এই নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী প্রচারণা। সাধারণত রাজনৈতিক নেতারাই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু বিগত কয়েক বছর  ধরে দেখা গেছে ক্রীড়াবিদ, অভিনয় ও গানের শির্ল্পী, অবসরপ্রপ্ত সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদরাও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কিন্তু আমরা কি জানি একজন সংসদ সদস্য হতে গেলে কি কি যোগ্যতা লাগে। এখন আমরা সেসব বিষয়ে  কিছু জেনে নেবো।

    এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে পহেলা ডিসেম্বর থেকে আগামী চৌঠা ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    প্রার্থী হতে হলে বাংলাদেশের নাগরিকদের কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে। কিন্তু সেগুলো আসলে কী?

     

    সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা কী:

    বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-

    ১. কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং তার বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।

    ২. কোন আদালত কতৃক ওই ব্যক্তিকে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল বলে ঘোষণা করা হয়নি

    ৩. কোন ব্যক্তি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে বা বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার বা ঘোষণা করলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

    ৪. কোনো ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধের দায়ে দুই বছরের কারাদণ্ডের পর মুক্তি পাওয়ার পাঁচ বছর পার না হলে তিনি প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন।

    ৫. কেউ দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী হলে প্রার্থী হতে পারবেন না।

    ৬. সরকারের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে তিনি প্রার্থী হওয়ার যোগ্য হবেন না।

     

    সংবিধান ছাড়াও ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ ধারাতেও সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

     

    কোন ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন না যদি:

    ১. তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত না থাকেন

    ২. তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন না পান বা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হন

    ৩. সরকারি কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন

    ৪. যেকোন কারণে কোনো ব্যক্তির উপর কোনো আসনে তার নির্বাচন অবৈধ বলে ঘোষিত হয় এবং এই ঘোষণার পর পাঁচ বছর পার না হয়।

    ৫. তিনি দুর্নীতির কারণে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত না হন এবং এই ঘটনার পর যদি পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়।

    ৬. সরকারি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ করলে ওই পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর পার না হলে তিনি সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ সহজ করে বলতে গেলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যদি না তার অবসরের পর তিন বছর পার না হয়।

    ৭. কোন ব্যক্তি সরকারের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কে জড়িত থাকলে তিনি সংসদ সদস্য পদে লড়তে পারবেন না। পণ্য সরবরাহ, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং আইনি পরামর্শমূলক সেবাও ব্যবসায়িক সম্পর্কের আওতায় পড়ে।

    ৮. বিদেশি কোন রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান বা তহবিল গ্রহণ করে এমন কোন বেসরকারি সংস্থার কার্যনির্বাহী পদে কর্মরত থাকলে বা এই পদ থেকে পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর পার না হলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

    ৯. এমন কোন কোম্পানি বা ফার্মের অংশীদার হলে যারা কোন ব্যাংক থেকে ঋণ পরিশোধ বা কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে

    ১০. মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা সরকারের সেবাদানকারী কোন সংস্থানের কোনো বিল মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে সাত দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলেও তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

     

    প্রার্থী হিসেবে কেউ যোগ্য হলে পরবর্তী ধাপ হিসেবে তাকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।

     

    মনোনয়নপত্রে যেসব তথ্য দিতে হয়:

    নির্বাচন কমিশন থেকে প্রকাশিত নির্দেশিকার তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীর মনোনয়ন পত্রে তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য যেমন প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মতারিখ, ভোটার নম্বর, ভোটার তালিকায় ক্রমিক নম্বর, ভোটার এলাকার নাম, উপজেলা, জেলার তথ্য দিতে হয়। এর সাথে আরো যেসব তথ্য দিতে হয় তা হলোঃ

    ১. প্রার্থীর পক্ষে প্রস্তাবকের নাম ও ভোটার নম্বর, সমর্থকের নাম ও ভোটার নম্বর, প্রস্তাবক ও সমর্থকের স্বাক্ষর।

    মনোনয়নপত্রের সাথে হলফনামা দিতে হবে। হলফনামার মধ্যে প্রার্থী নিজের এবং তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও দায়ের বিস্তারিত তথ্য, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিবরণ, দায়ের হিসাব, এর আগে নির্বাচনে জয়লাভ করে থাকলে ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি এবং তার কী পরিমাণ অর্জন করা হয়েছে তার বিস্তারিত বর্ণনা, ঋণের হিসাবের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করতে হয়।

    এছাড়া হলফনামার মধ্যে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সে সম্পর্কিত নথি, বর্তমানে বা অতীতে কোন ফৌজদারি মামলা থাকলে সে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যও হলফনামায় তুলে ধরতে হবে।

    ২. নির্বাচনে ব্যয় নির্বাহ করার জন্য অর্থের উৎসের বিবরণ, নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যাংক একাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম, আয়করের তথ্য, সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব, সম্পদের বিবরণী সম্বলিত রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ কপি এবং কর পরিশোধের প্রমাণপত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে। নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য তফসিলি ব্যাংকে প্রার্থীর নামে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং সেই একাউন্ট নম্বর ফরমে উল্লেখ করতে হবে। এটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগেই করতে হবে। এই ব্যাংক হিসাব থেকেই সব নির্বাচনী ব্যয় সম্পাদন করতে হবে।

    ৩. একই সাথে ওই প্রার্থী যে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাবেন সেই দলের মনোনয়নের কপি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে।

    ৪. আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ১৯৭২ এর ১২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে, তিনি সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসায়িক কোন সম্পর্ক বা সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন কিনা সে বিষয়ক তথ্য।

    ৫. জামানত হিসেবে জমাকৃত ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালান বা রশিদের কপি জমা দিতে হবে।

    ৬. এর আগে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে কিনা এবং নির্বাচিত হয়ে থাকলে সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। যেমন তিনি কততম সংসদ নির্বাচনে কোন নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন তার নাম ও নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

    ৭. আর এর আগে নির্বাচিত হয়ে না থাকলে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তিনি যে নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রার্থিতা করবেন তার নাম ও নম্বর উল্লেখ করে ওই এলাকার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা সংযুক্ত করতে হবে।

     

    মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কারণ:

    ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৪ নম্বর বিধান অনুসারে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাছাইয়ের পর সেটি বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন রিটার্নিং অফিসার।

    প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল কেন হয় সে বিষয়ে এর আগে বিবিসি বাংলার সাথে কথা বলেছিলেন সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দীন আহমেদ।

    তিনি সেসময় জানিয়েছিলেন, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্যানেল যাচাই করে থাকে যে, মনোনয়ন পত্রে যেসব তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে প্রার্থীরা সেগুলো যথাযথভাবে দিয়েছেন কিনা।

     

    মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কিছু কারণ থাকে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    ১. প্রার্থীর নামে ফৌজদারি মামলা থাকলে বা প্রার্থী যদি কোনো তথ্য গোপন করেন তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।

    ২. প্রার্থী অভিযুক্ত আসামী হলে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।

    ৩. প্রার্থী ঋণ খেলাপি হলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।

    ৪. এমনকি প্রার্থী যদি মনোনয়ন পত্রে ভুলবশত: স্বাক্ষরও না করেন, তাহলেও তার বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ৫. মনোনয়নপত্র যদি অসম্পূর্ণ থাকে যেমন হলফনামা কিংবা আয়কর রিটার্নের কপি সংযুক্ত করা না হলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে।

    তবে নাম বা ঠিকানায় ভুলের মতো ছোটখাটো ভুলত্রুটিকে সাধারণত উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু বড় ধরণের ভুলের ক্ষেত্রে নমনীয় হওয়ার কোন সুযোগ থাকে না।

    মনোনয়ন পত্র বাতিল হলে কি নির্বাচনের সুযোগ আছে?

    রিটার্নিং অফিসারের বিবেচনা সাপেক্ষে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হলেও সেই প্রার্থীর সামনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য কিছু বিকল্প রয়েছে।

    রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল হওয়ার পর প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রাথমিক পর্যায়ে আপিল করতে পারেন।

    নির্বাচন কমিশনও যদি প্রার্থীর আবেদন বাতিল করে দেয় তখন প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন। হাইকোর্ট যদি তার আবেদন মঞ্জুর করেন তাহলে ঐ প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • এবারও পিএসএলে খেলবেন সাকিব

    এবারও পিএসএলে খেলবেন সাকিব

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: বিভিন্ন দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান অপরিহার্য। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে যাচ্ছে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল)। প্রায় মাসব্যাপী চলে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ। আর নিলাম অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ আগামী ১৪ ডিসেম্বর।

    ড্রাফটে মোট ৪৯৩ জন বিদেশি খেলোয়াড়কে রাখা হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশি খেলোয়াড় আছেন ২৮ জন। সবচেয়ে দামি প্লাটিনাম ক্যাটাগরিতে আছেন একমাত্র সাকিবই। এ ক্যাটাগরির ভিত্তিমূল্য ১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় দেড় কোটি টাকা)।

    এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে ডায়মন্ড ক্যাটাগরিতে আছেন তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ। তাদের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৬০ হাজার ডলার (প্রায় ৬৬ লাখ টাকা)।

    পিসিএলের গেল আসরটা অবশ্য সুখকর ছিল না সাকিবের জন্য। পেশোয়ার জালেমির হয়ে  মাত্র একটি ম্যাচে খেলতে পেরেছিলেন সাকিব। স্ত্রী শারীরিকভাবে অসুস্থ হওয়ায় পাকিস্তান থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিতে হয় তাকে।

    পিএসএলে এর আগে আরও দুটি আসরে খেলেন সাকিব। ২০১৭ সালে এই পেশোয়ারের হয়েই খেলেছিলেন তিনি। এর আগে খেলেছিলেন করাচি কিংসের হয়ে। এবারও সাকিবের পিএসএলে পুরো আসর খেলার সম্ভাবনা কম।

    গতবারের মতো এবারও বিপিএলের সঙ্গে সাংঘার্ষিক পিএসএলের সূচি। তার ওপর বিপিএলের পরপরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে সাকিব এবার থাকবেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলায়। অবশ্য এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাকিব যদি সংসদ সদস্য হয়ে আসেন তাহলে দুই দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন তিনি। তবে ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেবেন আগে।

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছর পাসের গড় হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

    আজ রবিবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ওয়েবসাইট ও স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    দুপুর ২টায় সংবাদ সম্মেলনে ফলের সার্বিক বিষয় তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারেও এগিয়ে ছাত্রীরা। ছাত্রীদের পাসের হার ৮০ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৭৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৬৫ শিক্ষার্থী । গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ জন।

    ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৮০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭৩ দশমিক ৮১ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ ও রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ বলে জানা গেছে।

    গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়েছিল এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৭ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪৫৫ জন। সারাদেশে মোট কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৫৮টি এবং মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ১৬৯টি। এর আগে ২০২২ সালে সব বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন। সেই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ জন ।

     

    যেভাবে জানা যাবে ফল :

    বেলা ১১টায় পর স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd  এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

    সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে। ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। ফিরতি ম্যাসেজে ফল পাওয়া যাবে।

    ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে (যেমন HSC Dha 123456 2022 send to 16222)। ফিরতি এসএমএসেই ফল পাওয়া যাবে।

    আলিমের ফল পেতে ALIM লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

  • প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন

    প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা । তিনি সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি।

    আগামী রোববার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গণভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা জানানো হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সব সদস্য এবং আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সব প্রার্থীকে (জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, মনোনয়ন পত্রের রিসিভ কপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনলাইন ফরমের ফটোকপিসহ যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

    সূত্র: বাসস

  • যাদের জনপ্রিয়তা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    যাদের জনপ্রিয়তা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: যাদের জনপ্রিয়তা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, মনোনয়নের ব্যাপারে শরিকদের কথা এখনই আমরা ভাবছি না।’

    আজ শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নতুন-পুরাতন মিলিয়েই আমরা মনোনয়ন দিচ্ছি। যেখানে পুরোনোরা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে সেখানে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। ইলেকট্যাবল ক্যান্ডিডেট যারা সেটাই হচ্ছে বিচারের মানদণ্ড। এছাড়া কতজনকে বাদ দেব, কতজন রাখব এ ধরনের সংখ্যা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আমাদের মাথায় রয়েছে কাকে দিলে আমাদের দল নির্বাচনে জনগণের কাছে অধিকতর যোগ্য হবে।’

    শরিকদের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ১৪ দলীয় জোটের চেয়ারম্যান। আমরা শরিকদের বিষয়ে এখনো ঠিক করিনি। কারণ জোটের বিপরীতে জোট হয়। এখানে আমাদের প্রতিপক্ষের যদি একটা বড় জোট করি সেখানে সেটার বিপরীতে আমাদের জোট হবে। তাছাড়া আমরা কেন অহেতুক জোট করতে যাব। প্রয়োজন না থাকলে জোট করব না। জোট করব যাদের নিয়ে মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।’

    সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামীকাল রবিবার বিকেল চারটায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দল মনোনীত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।’

  • আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

    আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না, উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পোড়ায়, হাসপাতালে হামলা চালায়, কোরআন পোড়ায়, গাড়ি ও স্কুল ঘর পোড়ায়, তারা কোন রাজনৈতিক দল নয়। এগুলো কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিও নয়। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়। কিন্তু আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না। বরং তাদের নির্মূল করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

    আজ শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের জামালখান সড়কে ‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ’ শীর্ষক ম্যুরাল ও তথ্যচিত্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি। গত ১৪ জুন সমাবেশে যাওয়ার সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা ইতিহাস ঐতিহ্যের তথ্যচিত্রগুলো ভাঙচুর করে। এরপর সেগুলো পুনরায় স্থাপন করা হয়।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। উল্টো তারা এখন গাড়ি-ঘোড়া পোড়াচ্ছে, মানুষের ওপর আগুন সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ওরা দেশটাকে ধ্বংস করতে চায়। বিএনপি-জামায়াত দেশ-জাতি, সমাজ ও জনগণের শত্রু। সুতরাং এদের সবার চিহ্নিত করে রাখা দরকার। এরা যতদিন এভাবে ফণা তুলবে ততদিন দেশ ও সমাজ হুমকির মুখে থাকবে।’

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে। তাদের অনুকরণে বিএনপি-জামায়াত পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। রাজনীতির নামে পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন সন্ত্রাস দুনিয়ার কোনো জায়গায় হয়নি। যেটি বিএনপি-জামায়াত করেছে। সুতরাং এরা দেশ-জাতি এবং সমাজের শত্রু। সুতরাং এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আজকে বাচ্চারা নির্ভয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। এর মধ্যে একটি স্কুল ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। এই বাচ্চারা কী অপরাধ করেছে ? আমাদের সরকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকেও করা হয়েছে, কেউ আগুন সন্ত্রাস চালালে কিংবা কেউ চালানোর উদ্যোগ নিচ্ছে এরকম জানতে পারলেও তাদের ধরিয়ে দেবেন। তাহলে এদেরকে নির্মূল করা সম্ভব হবে।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য গত ১৪ জুন বিএনপি-জামায়াতের মিছিল থেকে এখানে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও ইতিহাস ঐতিহ্যের চিত্রগুলো ভাঙচুর করা হয়। তারা ভাঙচুর করে শুধু ক্ষান্ত হয়নি, ভাঙচুর করার সময় তারা উল্লাসও করেছে। অর্থাৎ এগুলো ধ্বংস করে তারা উল্লসিত হয়েছে। আজকে আবার সেগুলোকে নতুন আঙ্গিকে স্থাপন করা হয়েছে।’

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ  আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের এই অবরোধ কেউ মানছে না। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া চলছে, অফিস আদালত খোলা। স্কুল-কলেজও খোলা। তারা কিছু কিছু জায়গায় পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে মানুষের মাঝে ভয় সঞ্চার করা ছাড়া আর কিছু করতে পারেনি।’

  • আগামীকাল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে

    আগামীকাল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: আগামীকাল রবিবার (২৬ নভেম্বর) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে । এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।

    আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে জাান গেছে, কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

    সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে। ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়াও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।

    যেমন- ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    গত ১৭ আগস্ট ৮টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট। ১১ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।