Category: বাংলাদেশ

  • নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার বিলি করছেন: প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার বিলি করছেন: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মার্চ, ২০২৪: নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার বিলি করছেন, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা ইফতার পার্টি করব না, এই খাবার সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেব। সারা বাংলাদেশে একমাত্র আওয়ামী লীগ এবং আমাদের সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও আমাদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার বিলি করছেন।”

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ সোমবার (১৮ মর্চ) দুপুরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ দেয়, দিতে জানে, আর সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়। যারা প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে হটাবে, উৎখাত করবে, নির্বাচন হতে দেবে না, মানুষ খুন করে, অগ্নিসন্ত্রাস করে, এখন তারা কিন্তু কোনো মানুষকে ইফতার দেয় না, নিজেরা ইফতার পার্টি খায়। ইফতার পার্টিতে গিয়েও আল্লাহ রাসুলের নাম না নিয়ে আওয়ামী লীগের গিবত গায়। নিজেরা ইফতার খায়, আওয়ামী লীগের গীবত গায়। আর কবে আওয়ামী লীগকে উৎখাত করবে সেটাই দেখে।”

    আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, “আপনারা খেয়ে দেয়ে মাইক একটা লাগিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎপাত করবেন। আওয়ামী লীগের অপরাধটা কী, এ দেশ স্বাধীন করেছে, সেটা অপরাধ? আওয়ামী লীগের অপরাধটা কী? গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ায়, দেশটা আজ উন্নত করেছে, সেটাই কি অপরাধ? তারা যে গণতন্ত্রের কথা বলে, আমরা কিন্তু গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছি।”

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেন, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, ডা. দীপু মণি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেরিনা জাহান কবিতা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।

  • সারাদেশে একদিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখতে চায় রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

    সারাদেশে একদিন রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখতে চায় রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মার্চ, ২০২৪: রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি দেশের রেস্টুরেন্ট খাতের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে রক্ষা করার জন্য সবার সহযোগিতা চিয়েছে। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী বুধবার (২০ মার্চ) মানবনন্ধন করবে তারা।একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।

    এরপরও সমস্যার সমাধান না হলে প্রতীকী হিসেবে ১ দিনের জন্য সারা দেশে সব রেস্তোরাঁ বন্ধের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হবে।

    আজ সোমবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন সংগঠনটির মহাসচিব ইমরান হাসান।

    সম্প্রতি বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের পর সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অভিযানকে নৈরাজ্য আখ্যা দিয়ে এর প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, “রমজান মাসে সিলগালা নাটক বন্ধ করুন। সরকারি সকল সংস্থার নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে অবহেলার দায় ব্যবসায়ীদের উপর চাপানো হচ্ছে। ঢালাওভাবে রেস্তোরাঁ সেক্টরটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। সিলিন্ডারের কারণে শ্রমিক কর্মচারীদের গ্রেপ্তার কারা হয়েছে। অনেক কাগজ-ডকুমেন্ট থাকার পরও রাজউক অনধিকার চর্চা করছে। স্বাধীন দেশে এটা কোনোভাবে কাম্য নয়।”

    সরকারি বিধি অনুযায়ী কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হলে কমপক্ষে ৬ মাস পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে। সময় বেধে দিতে হয় কিন্তু বিনা নোটিশে রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

    সংগঠনটির মহাসচিব বলেন, “এই প্রথম আমরা রাজউকের এফ ১ ও এফ ২ বিষয়টি শুনেছি। রাজউক যে নৈরাজ্য চালাচ্ছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। রাজউকের এফ ১ ও এফ ২ এর নামে যে নৈরাজ্য চলছে তা সঠিক নয়। রাজউক যে উদ্দেশ্যে ভবন নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিল, সেইভাবে যদি ভবনটি ব্যবহার না হয় তাহলেও আইন অনুযায়ী কমপক্ষে ১২ মাসের সময় দিয়ে নোটিশ দিতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “করোনাকালীন সময়ে সরকারি কোনো প্রণোদনা বা কোনো রকমের সহায়তা আমরা পাইনি। এর পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য ব্যবসায়ীকভাবে এই সেক্টরটি পিছিয়ে পরে। অনেক চেষ্টা করে ঘুরে দাড়াতে চাচ্ছে এই সেক্টরটি কিন্তু হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আবার ভয়াবহ সঙ্কটে এই সেক্টর। রমজানের মধ্যেও শ্রমিক কর্মচারীদের গ্রেপ্তার ও রেস্তোরাঁ অভিযান বন্ধ হয়নি। এছাড়া নীতিবাচক প্রচার-প্রচারণার প্রেক্ষিতে রেস্তোরাঁয় গ্রাহক আসা কমে গেছে। রাতারাতি এই সেক্টর গড়ে উঠেনি। নানা ধরনের লাইসেন্স বা অনুমতি নিয়ে এবং সরকারকে ভ্যাট, ট্যাক্স দিয়ে এই সেক্টর গড়ে উঠেছে।

    মহাসচিব বলেন, “আমরা বিজিএমইএ এর আদলে রেস্তোরা সেক্টরকে যুগোপোযুগী ও কর্মমুখী করে এগিয়ে নিতে চাই। এখন সময় এসেছে রোস্তোরাঁয় হয়রানি বন্ধ করে খুলে দেওয়ার। রেস্তোরাঁ যদি বন্ধ থাকে তাহলে রেস্তোরাঁর মালিক কিভাবে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে বেতন ভাতা ও বোনাস প্রদান করবে? আইনি নোটিশ, গ্রেপ্তার ও প্রতিষ্ঠান বন্ধের মাধ্যমে রেস্তোরাঁ সেক্টরে যে অবিচার ও জুলুম চলছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে সঙ্কট উত্তরণের কোনো নির্দেশনা না দিয়ে গ্রেপ্তার ও রেস্তোরাঁ বন্ধের মাধ্যমে কোনো সুফল বয়ে আসবে না। ফায়ার সেফটি ও নিরাপদ খাদ্যের বিষয়ে এসওপি প্রদান করা যেতে পারে।”

    ইমরান হাসান বলেন, “এ সঙ্কট উত্তোরণের রাস্তা বের করতে হবে। মাথা ব্যথা হয়েছে বলে মাথা কাটা যাবে না। ঝুঁকিপূর্ণ ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করা যেতে পারে। টাস্কফোর্স এর মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। সে অনুযায়ী টাস্কফোর্স নির্দিষ্ট একটি এসওপি তৈরি করবে। দেশের সব রেস্টুরেন্ট সেবাকে একটি সংস্থার অধীনে এনে লাইসেন্স প্রদান করা যেতে পারে।”

    তিনি বলেন, “আমরা একই ব্যবসার জন্য একাধিক সংস্থার নিকট যেতে চাই না, এতে আমাদের খরচ ও হয়রানি দুটাই বৃদ্ধি পায়।”

    একইসঙ্গে সঙ্কট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা প্রত্যাশার কথাও বলেন সংগঠনের সদস্যরা।

    এর আগে গত ৫ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, রাজধানীতে কয়েকদিনের অভিযানে প্রায় ৪০টির মতো রেস্তোরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার জন্য তার কার্যালয়ে সংগঠনটি চিঠি পাঠিয়েছে বলেও জানানো হয়।

    গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডের একটি রেস্টুরেন্ট ভবনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২২ জন।

  • তারা আগের মতোই খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়েছেন: আইনমন্ত্রী

    তারা আগের মতোই খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়েছেন: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ মার্চ, ২০২৪: তারা আগের মতোই খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি চেয়েছেন, বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।তিনে বলেন, “প্রথম কথা হচ্ছে এই চিঠিতেও তারা আগের মতোই স্থায়ী মুক্তি চেয়েছেন। আমি বুঝলাম না স্থায়ী মুক্তি মানে কী? এবং বিদেশ যাওয়ার জন্য অনুমতি চেয়েছেন। আমরা কাছে আজকে আমার সচিব ফাইলটা দিয়েছেন। ওনারা (খালেদার পরিবার) কী আবেদন করেছেন, সেটা দেখে ভালো করে বিবেচনা করে আমি অতি সত্বর নিষ্পত্তি করব। আগামীকাল মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) নাগাদ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।”

    আজ সোমবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

    প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে তার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার ৬ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। আবেদনে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। পরে সেই আবেদনের বিষয়ে মতামত নিতে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “ফাইলটা আজকেই পেয়েছি। আমাকে বিবেচনা করতে হবে, পড়তে হবে, আমাকে দেখতে হবে। তবে একটা বিষয় বরতে পারি সেটা হলো খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন হবে না।”

    জানা গেছে, এরআগে ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং এই সময়ে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না- এ দুটি শর্তে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ আটবার বাড়ানো হয়েছে। এবার বাড়ানো হলে নয়বারের মত খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়বে।

    সর্বশেষ গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ আগামী ২৪ মার্চ শেষ হবে।

    রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা শেষে গত ১৪ মার্চ গুলশানের বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এরআগে ১৩ মার্চ রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতা বাড়লে মাঝেমধ্যে তাকে হাসপাতালে নিতে হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে তার দণ্ড স্থগিত রয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

    একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

    এরপর ২০২০ সালের মার্চে করোনা মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত করে কারাবন্দি খালেদা জিয়াকে সরকার শর্ত সাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য মুক্তি দেয়।

  • খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ মার্চ, ২০২৪: খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা নিতে হবে, বলে জানয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনে বলেন, ‘লেখাপড়া খুবই দরকার কিন্তু এই লেখাপড়ার নামে তাদের ওপর কোন চাপ সৃষ্টি করবেন না। আমরা এখন চাচ্ছি খেলাধুলা এবং নানা সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্য দিয়েই তারা তাদের লেখাপড়া শিখবে। যাতে তার ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা বিকাশের সুযোগ হয়।’

    শেখ হাসিনা আজ রবিবার(১৭ মার্চ) সকালে জাতির পিতার সমাধি সৌধ প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং ‘জাতীয় শিশু দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র ভাষণে একথা বলেন।

    জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট বোন শেখ রেহানা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শিশুকাল থেকেই সততা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার শিক্ষা, জাতীয় দিবসগুলো সম্পর্কে শিক্ষাদান এবং রাস্তায় চলার নিয়ম কানুন তথা ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সম্যক ধারনা ছোটবেলা থেকেই প্রদানের জন্যও অভিভাবক-শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান।

    সরকার প্রধান বলেন, “আজকের শিশুদের কাছে এটাই আমার অনুরোধ গুরুজনদের মানতে হবে, শিক্ষককে মানতে হবে, বাবা-মা’র কথা শুনে চলতে হবে, বাবা মা’র সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। তাহলে কেউ বিপথে যাবে না।”

    তিনি বলেন, “সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির থেকে দূরে থাকার জন্য ছোটবেলা থেকেই সততার শিক্ষা দিতে হবে। সেই সাথে গান-বাজনা ও লেখাপড়া, ছবি আঁকা থেকে শুরু করে ধর্মীয় শিক্ষাসহ সব ধরনের কারিকুলামের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অভিভাবক ও শিক্ষক আপনাদের কাছেও আমার এই অনুরোধ থাকবে ছোটবেলা থেকেই তাদের ভেতরে যেন মানবিক গুণগুলো গড়ে উঠতে পারে সেদিকে যেমন দেখবেন তেমনি এই শিশুদের ভেতরে যে সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা রয়েছে সেই সুপ্ত প্রতিভা ও মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগ যেন তারা পেতে পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখবেন।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ। এখন তো শিশুরা বিশ্বকে চোখের সামনে দেখতে পায়। কাজেই ক্লাসে শুধু বই পড়া নয়, চোখে দেখেও যেন তারা শিখতে পারে। আর আজকের শিশুরাই হবে আগামী দিনের ‘স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট নাগরিক’। আর সেটাই আমাদের সরকারের কাম্য।”

    তিনি বলেন, “আমি চাই আমাদের দেশের প্রতিটি শিশু যাতে সুন্দর, নিরাপদ এবং উন্নত জীবন পায় সেটাই আমার সরকারের কাম্য।”

    মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রীমি) বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক স্বাগত বক্তৃতা করেন। শিশু বক্তা তায়্যেবা তাসনীমও স্বাগত বক্তৃতা করেন। অপর শিশু পিয়াসা জামিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। আব্দুর রহমান এবং লামিয়াতুল বারী শিশুদের এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধু ও শিশু অধিকার শীর্ষক একটি প্রামান্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস -২০২৪ উপলক্ষ্যে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    এ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ জেলার ১০৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে মোট ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী পেয়েছেন ৫ হাজার টাকা করে। নির্বাচিত দুই শিক্ষার্থী-টুঙ্গিপাড়া উপজেলার মুশফিকা জান্নাতী ও কোটালীপাড়া উপজেলার আরাফাত শেখ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন।

    আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী। সারাদেশে দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে জাতির পিতার জবানিতে তাঁর বাবার (শেখ লুৎফর রহমান) প্রণিধানযোগ্য উপদেশ উদ্ধৃতি করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণে সততায় ব্রতী হবার জন্য কোমলমতিদের প্রতি আহবান জানান।

    ‘সেখানে আমার দাদা কিন্তু একটা কথাই বলেছেন- যাই কিছু করো পড়াশোনা করতে হবে। লেখাপড়া শিখতে হবে। লেখাপড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হতে হবে,এটাই তাঁর উপদেশ ছিল বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। অর্থাৎ ‘সিনসিয়েরিটি অব পারপাস এন্ড অনেস্টি অব পারপাস’ এই দু’টো যদি থাকে জীবনে কখনো ব্যর্থ হবে না। সবসময় সফলতা আসবে।

    তিনি বলেন, “সততা এবং আন্তরিকতা থাকলে যে কোন কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব।”

    প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে শিশুকাল থেকেই কোমলমতিরা রাস্তায় চলার উপযোগী হয়ে গড়ে উঠতে পারে এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে পারে সেই শিক্ষা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিভাবকসহ সকল মহলের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    তিনি বলেন, “এ সম্পর্কে ছোটবেলা থেকেই শিক্ষা দেওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন। যাতে তারা কোন দুর্ঘটনার শিকার হতে না পারে। এজন্য আইন এবং রাস্তায় চলাচল সম্পর্কে সম্যক শিক্ষা প্রদান করা একান্তভাবে দরকার। পাশাপাশি শিশুদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার শিক্ষা দিতে হবে। অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী শিশুদের সঙ্গে কেউ যেন দুর্ব্যবহার না করে বরং সহানুভূতিশীল দৃষ্টি দিয়ে দেখে তাদের যেন আপন করে নেয় সেজন্য ও ছোটবেলা থেকে শিক্ষা দিতে হবে। যেকোনো অপচয় রোধ করা তাদের শিক্ষা দিতে হবে। তাহলেই তাদের মানুষের মতো মানুষ এবং মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে গড়ে তোলা যাবে।”

    তিনি এ সময় জাতীয় দিবসগুলো সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট অভিভাবক শিক্ষক সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস, ১৬ ডিসেম্বর আমাদের বিজয় দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ জাতীয় শিশু দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন তাহলে আমাদের শিশু কিশোর বা ছাত্ররা এই বিষয়গুলো জানবে না কেন? প্রশ্ন করা হলে তারা এড়িয়ে যাবে কেন? কাজেই এই শিক্ষাগুলো তাদেরকে যথাযথভাবে দিতে হবে। বিজয় জাতি আমরা। আমরা কী করে ভুলে যাব যে যুদ্ধ করে আমরা এই দেশকে স্বাধীন করেছি।”

    তিনি বলেন, “আমাদের সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছে এবং ২০৪১ সাল নাগাদ ‘উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চায় যার নেতৃত্ব দেবে আজকের শিশুরা। সেভাবে আমরা তাদেরকে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মত উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। একই সাথে ছেলেমেয়েদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা এই গুলোর দিকেও মনোনিবেশ করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকে গাজায় শিশু ও নারীদের যে অবস্থা আমরা দেখি, আমি জানিনা তা বিশ্ব বিবেক কেন নাড়া দেয়না,সেটাই আমার প্রশ্ন।”

    বাংলাদেশ সবসময় নির্যাতিতদের পাশে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের সংঘাত চলাকালে বাস্তুচ্যুত নারী-শিশুসহ ১০ লাখের অধিক মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন।

  • টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ মার্চ, ২০২৪: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল অনার গার্ড প্রদান করেন। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

    পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধের পাশে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন। পরে দলীয় নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    এর আগে আজ রবিবার (১৭ মার্চ) সকালে হেলিকপ্টারে করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান। এসময় রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান, ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান, সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাব উদ্দিন আজমসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এরপর বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি শিশু সমাবেশে যোগ দেবেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রিমি)।

    বেলা সাড়ে ১১ টায় প্রধানমন্ত্রী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করবেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী অসচ্ছল, মেধাবী শিশু শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণ করবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফটোসেশনে অংশ নেবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী বইমেলা ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন।

    এর আগে সকাল ৭টার পর রাজধানীর ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    উল্লেখ্য, জাতির মহানায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২০ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। নানা ঘাত-প্রতিঘাত, ত্যাগ-তিতিক্ষা আর আন্দোলন-সংগ্রামে মুজিব হয়ে ওঠেন বঙ্গবন্ধু। আর বঙ্গবন্ধু থেকে জাতির পিতা। জাতির পিতা হয়ে ওঠার পেছনেও রয়েছে হাজারো ত্যাগ-তিতিক্ষার গল্প। এই দিনে তার জন্মের মধ্য দিয়ে যেন এসেছিল শোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির বার্তা। কিশোর বয়সেই জানান দিয়েছিলেন তিনিই বাঙালির ভবিষ্যৎ কাণ্ডারি।

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন হবে: সেতুমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ মার্চ, ২০২৪: শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, আজকে আমাদের শপথ নিই, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা অবিরাম লড়াই করে যাব। আজকে আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন। আমরা সে বাংলাদেশ গঠনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার অভিমুখে আমাদের অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

    আজ রবিবার (১৭ মার্চ) সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বহুদিনের আকাঙ্ক্ষা স্বাধীনতা এনে দিতে টুঙ্গীপাড়ার এক বীর প্রসূতি মা যাকে জন্ম দিয়ে ধন্য করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি প্রথম বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাধীন সত্তা বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছেন।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আজকে তিনি (বঙ্গবন্ধু) আমাদের মাঝে নেই কিন্তু তিনি চিরদিন আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস। তিনি আমাদের সব সংকটে আমাদের চলার পথে পাথেয় হয়ে থাকবেন, বাতিঘর হয়ে থাকবেন। তিনি বাঙালির দুঃখের একমাত্র বাতিঘর।”

  • নরসিংদীতে অগ্নিকাণ্ডে ৩০ টি কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই

    নরসিংদীতে অগ্নিকাণ্ডে ৩০ টি কাপড়ের দোকান পুড়ে ছাই

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ মার্চ, ২০২৪: নরসিংদীর শেখেরচর-বাবুরহাটে দেশের বৃহৎ পাইকারি কাপড়ের বাজার ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় প্রায় ৩০টি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    শনিবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে বাজারের জিয়া উদ্দিন মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নরসিংদী, মাধবদী ও ঢাকাসহ ফায়ার সার্ভিসের মোট ৯টি ইউনিট রাত ৩টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায় শেখেরচর-বাবুরহাট বাজারের জিয়া উদ্দিন মার্কেটে রাত সোয়া একটার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ৩০টি দোকান ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এসব দোকানের মধ্যে বেশিরভাগ লেপ-তোষক ও পর্দার কাপড়ের দোকান ছিল।

    নরসিংদী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শিমুল মো. রফি জানান, নরসিংদীর ৬টি ও ঢাকা থেকে ৩টি ইউনিট এসে রাত তিনটার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এতে প্রায় ৩০টি মত দোকান পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শটসার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

    জানা গেছে, শেখেরচর-বাবুরহাট বাজারে প্রায় সাড়ে ৩ হাজারের মতো দোকান ঘর রয়েছে যেখানে শুধু মাত্র কাপড় বিক্রি করা হয়। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার দুপুর পযর্ন্ত হাট চলে। তবে ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা রাত পর্যাপ্ত কাপড় নিয়ে বসেছিল বেচাকেনার জন্য। এই অবস্থায় এই অগ্নিকাল বিপুল ক্ষতি হয় ।

    অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত দুইটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ড. বদিউল আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

    উল্লেখ্য মাত্র সাড়ে ৪ মাস আগে বিগত বছরের ৩০ অক্টোবর শেখেরচর-বাবুরহাটে এ যাবৎকালের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সে ঘটানায় ৮০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছিল।

  • সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার সক্রিয় আছে: সেতুমন্ত্রী

    সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার সক্রিয় আছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ মার্চ, ২০২৪: সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সরকার সক্রিয় আছে, বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “সিন্ডিকেট যে বা যাহারা করুক এর সূত্র খুঁজতে হবে। প্রকৃত সত্য বের করতে হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকার এখানে সক্রিয় আছে। সংকট সমাধানের যোগ্য নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।”

    আজ শনিবার (১৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের যে সন্দেহ ও অবিশ্বাসের দেয়াল ছিল তা ভেঙে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বলে ছিটমহল বিনিময়, ৬৮ বছরের যে সমস্যা তার শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছেন। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর সমাধানও অবশ্যই হবে, ধৈর্য ধারণ করতে হবে। গায়ে পড়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত করে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।”

    তিনি বলেন, “সামাজিক মাধ্যমে যে ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেইন, এটি সমীচীন নয়। যারা নির্বাচনে আসেনি এটি তাদের অপপ্রচারের একটা ঢাল। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন ভারত বিরোধীতায় লিপ্ত হয় একটি মহল। এখনো তারা সেটি করছে “

    দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, “সংখ্যালঘু ধারণাটাই একটা দাসত্বের শেকল, ভেঙে ফেলতে হবে। দাসত্ব কেন করবেন? বাংলাদেশের সংবিধান কী বলে। কেন নিজেদের সংখ্যালঘু ভাবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সব ধর্মের মানুষের সমান অবদান ছিল।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার যতদিন আছে ততদিন পাশে আছে। আওয়ামী লীগ আগেও পাশে ছিল, এখনো আছে এবং আগামীতেও থাকবে। অন্য দল ক্ষমতায় এলে ২০০১ সালের মতো আবার পরিস্থিতি তৈরি হবে।”

    এর আগে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা।

    বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দারের সঞ্চালনায় সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাস গুপ্তসহ সনাতন ধর্মের অন্যান্য নেতারা।

  • গুলশান লেক পরিষ্কার করছে উত্তর সিটি করপোরেশন

    গুলশান লেক পরিষ্কার করছে উত্তর সিটি করপোরেশন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ মার্চ, ২০২৪: গুলশান লেকটি যদিও এখনো রাজউকের অধীনে আছে তার পরেও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নিজ দায়িত্বে এটি পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। কেননা লেকটি  দীর্ঘদিন ধরে শুষ্ক অবস্থায় ছিল, পড়তো ময়লা আবর্জনায়, ছিল দুর্গন্ধ। বিষয়টি জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম।

    আজ শনিবার (১৬ মার্চ) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও গুলশান সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে গুলশান লেক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    সিটি মেয়র বলেন, “গুলশান লেক, বারিধারা লেক এখনো রাজউকের অধীনে আছে। তাদের আমি চিঠি দিয়েছি এগুলোকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে দিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু এই লেক এখনো রাজউকের অধীনে রয়ে গেছে। আমরা তাদের বলেছি এই লেক পরিস্কার করার জন্য, কিন্তু তারা করেনি, সিটি করপোরেশনকেও দেয়নি। কিন্তু কে আসলো, না আসলো আমরা সেটা দেখবোনা।”

    তিনি বলেন, “গুলশান মসজিদের সামনে লেকে জাহান্নাম থেকেও খারাপ অবস্থা হয়ে আছে। এই এলাকার মলমূত্র সব এখানে ফেলা হয়। এটি মেনে নেয়া যায়না। এই লেক গুলোতে মাছের চাষ হয়না, মশার চাষ হচ্ছে। আমি চাই এই লেক গুলোতে শিশুরা খেলবে। ওয়াটার টেক্সি চলবে। আরো আধুনিক যন্ত্র থাকবে যা দিয়ে তারা খেলবে। কিন্তু পানি হয়ে আছে শতভাগ দূষিত। এখানকার কোনো মানুষ এই লেক থেকে উপকৃত হচ্ছেনা। এই এলাকায় অতিরিক্ত মশা, তা এই লেক গুলো থেকে হয়। গুলশান এলাকার মানুষের জন্য ঈদ উপহার হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এই লেককে পরিষ্কার করে দিচ্ছে।”

    মেয়র আতিক বলেন, “এলাকায় অনেক গুলশান সোসাইটি মসজিদ আছে। এখানকার মুসল্লিরা প্রায়ই অভিযোগ জানায় পাশের লেক থেকে দুর্গন্ধ আসে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ আরাফাতকে পরিচ্ছন্নতা ও লেক পুনর্জাগরণ করার এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বললে তারা নিজ থেকে স্বতঃস্পূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে এসেছেন। সরকারের একার পক্ষে একটা সোসাইটিকে সুন্দর করা সম্ভব না যতক্ষণ না এখানকার মানুষই এগিয়ে আসে। আজকে এখানকার বিভিন্ন স্বনামধন্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা ও শিশুরা এই কার্যক্রমে উপস্থিত হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ফাউন্ডেশন ও এখানে উপস্থিত হয়েছে।”

    সিটি মেয়র আরও বলেন, “আজকে থেকে এই এলাকায় অভিযান চলবে। যারা বর্জ্য সরাসরি ফেলবে তাদের ড্রেনে আমি কলাগাছ থেরাপি দিবো। যাতে করে এই বর্জ্য আবার তাদের দিকে ফিরে যায়। ড্রেনের সাথে কেনো কানেক্ট দিয়েছে মানুষ। এখানকার একেকটি ফ্ল্যাট ২৫ কোটি, ৫০ কোটি। সেখানে ড্রেনের সাথে একটি চোরাই পাইপ সংযুক্ত করা হচ্ছে। এই ড্রেন দিয়ে শুধু বৃষ্টির পানি যাওয়ার কথা। একটা ছোট ইপিপি প্ল্যান্ট মাত্র ৩ লাখ টাকা। এসব প্ল্যান্ট করতে রাস্তার নিচে যতটুকু জায়গা লাগে সিটি করপোরেশন ব্যবস্থা করে দিবে। আমরা চাই শুধু সরকার না এলাকাবাসীও এগিয়ে আসুক।”

  • ৩০ লক্ষ পরিবার পাচ্ছে ন্যায্য মূল্যে খাদ্য সামগ্রী: পলক

    ৩০ লক্ষ পরিবার পাচ্ছে ন্যায্য মূল্যে খাদ্য সামগ্রী: পলক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ মার্চ, ২০২৪: ৩০ লক্ষ পরিবার পাচ্ছে ন্যায্য মূল্যে খাদ্য সামগ্রী, জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। তিনি সারাদেশে এক কোটি ৩০ লক্ষ পরিবারকে টিসিবি’র স্মার্ড কার্ড প্রদান করে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী ন্যায্য মূল্যে সরবরাহ করে যাচ্ছেন। আমৃত্য আমরা অসহায় মানুষের জন্যে কাজ করে যাবো।”

    প্রতিমন্ত্রী আজ শনিবার ( ১ মার্চ ) সকাল দশটায় সিংড়া উপজেলা সরকারি খাদ্য গোডাউন চত্বরে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সৌদি আরবের বাদশাহ এঁর পক্ষ হতে প্রাপ্ত উপহার সামগ্রী বিতরণকালে এ কথা বলেন।

    উপজেলার ৫০০ অসহায় পরিবারের মাঝে বিতরণকৃত উপহার সামগ্রী প্যাকেটের মধ্যে রয়েছে ১০ কেজি চাল, সাত কেজি মসুরের ডাল, তিন লিটার সয়াবিন তেল, তিন কেজি চিনি এবং দুই কেজি লবন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিগত বছরগুলোতে করোনা মহামারীর বিস্তার, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ফিলিস্তিনী মুসলিমদের উপর অমানুষিক নির্যাতন ও হত্যার কারণে সারা বিশ্বে আর্থিক সংকট তৈরী হয়েছে। বৈশ্বিক এ সংকটের জন্যে আমরা দায়ী নই, কিন্তু আমরা ভুক্তভোগী। জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা এ সংকট অতিক্রম করে যেতে চাই। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি ইফতার মাহফিলের মত ব্যয়বহুল আনুষ্ঠানিকতা পরিহার করতে বলেছেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের এ রমজানে অসহায় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা সক্রিয় রয়েছি। ব্যক্তিগত সামর্থ্য এবং সাংগঠনিকভাবে আমরা অসহায় মানুষের অভাব মেটাতে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।”

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার রোজী এবং সিংড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ডালিম আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন।

    সূত্র: বাসস