Category: বাংলাদেশ

  • স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ মার্চ, ২০২৪: ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে দেশের যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । অতীতের মতো এবারও তিনি তার শুভেচ্ছার নিদর্শন স্বরুপ রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার গজনভী রোডে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে (মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১) যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য ফুল, ফল ও মিষ্টি পাঠান।

    প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস)-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু এবং সহকারী প্রেস সচিব এবিএম সরওয়ার-ই-আলম সরকার তাদের হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান এবং প্রতিটি জাতীয় দিবস এবং স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, ঈদ ও পহেলা বৈশাখের মতো উৎসবে তাদের স্মরণ করার জন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    মুক্তিযোদ্ধারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন এবং দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    তারা নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের প্রান্তিক জনগণ ভালো থাকে এবং তাদের পরিবারসহ মুক্তিযোদ্ধারা ভালো থাকে বলে তারা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

    মুক্তিযোদ্ধাদের বর্ধিত ভাতা, চিকিৎসা সেবা এবং বাসস্থান প্রদানের জন্য মুক্তিযোদ্ধারা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা মনে করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একদিন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত, সমৃদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

    মুক্তিযোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

  • ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাই: প্রধানমন্ত্রী

    ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাই: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মার্চ, ২০২৪: ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাই, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্র্রী শেখ হাসিনা। তিবি বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪তম দিবসে আসুন, সকল কুট-কৌশল-ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রাকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  আজ সোমবার (২৫ মার্চ) ‘স্বাধীনতা দিবস’ এবং ‘জাতীয় দিবস-২০২৪’ এর প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে একথা বলেন।

    ভাষণটি আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, রেডিও স্টেশন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একযোগে সম্প্রচার করা হয়।

    তাঁর ১৭ মিনিটের কিছু বেশি সময়ের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে তাঁর সরকার কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প, দারিদ্র্য বিমোচন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাসসহ দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে অভূতপূর্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন করে বাংলাদেশকে ‘উদীয়মান অর্থনীতির দেশে’ রূপান্তরিত করেছে।

    “সুতরাং, এক সময়ের দারিদ্র্য-জ্বরাক্লিষ্ট বাংলাদেশ আজ সক্ষম উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে,” বলেন তিনি ।

    ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ এখন বিশ্ব মঞ্চে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার সকল শর্ত পূরণ করেছে। আশা করা হচ্ছে ২০২৬ সাল নাগাদ বাংলাদেশ স্থায়ীভাবে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে সামিল হবে।

    তিনি বলেন, “আজকে ২০২৪ সালে স্বাধীনতার ৫৩তম বার্ষিকীতে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, আমরা দেশবাসীর প্রত্যাশা অনেকাংশেই পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। এটা কোন অসার বাগাড়ম্বর দাবি নয়। বাংলাদেশ আজ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল বিশ্বে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আমরা প্রমাণ করেছি রাজনৈতিক সদ্বিচ্ছা এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সীমিত সম্পদ দিয়েও একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায়।”

    ‘১৯৯৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ একুশ বছরের ইতিহাস এদেশের মানুষের নিপীড়ন আর বঞ্চনার ইতিহাস,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সময় লুটপাট, দুর্নীতি, ইতিহাস বিকৃতি, মৌলবাদ এবং জঙ্গিবাদ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করিয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনাকে ধূলিস্যাৎ করে বাংলাদেশকে একটি অকার্যকর এবং পশ্চাদপদ দেশের তকমা পড়িয়ে দেওয়া হয়। নিদারুণ দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অকাল মৃত্যু এবং শিক্ষা, বাসস্থান, চিকিৎসার অভাব ছিল এদেশের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। তথাপি ১৯৯৬ সালে জনগণের ভোটে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে জনবান্ধব নীতি গ্রহণ করা শুরু করে এবং সর্বপ্রথম সাধারণ মানুষ বুঝতে পারেন তাঁদেরও সরকারি সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

    তিনি জনগণের  ম্যান্ডেট নিয়ে বিগত ১৫ বছরের কিছু অধিকসময়ের দেশপরিচালনাকালে প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ, মহামারি, যুদ্ধ, আন্তর্জাতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সর্বোপরি দেশি-বিদেশি শক্তির নানা ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে শুধু আমাদের দেশের নয়, গোটা বিশ্বের অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছিল। সে ধকল কাটতে না কাটতেই ২০২২ সালের গোড়ার দিকে শুরু হয় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক অবরোধ-পাল্টা অবরোধ আরোপের ফলে আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশগুলি চরম সঙ্কটের মুখে পড়েছে। নিত্যপণ্যের উৎপাদন ও বিপণন যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি এসব পণ্যের স্বাভাবিক চলাচলও বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরসঙ্গে গত বছরের শেষে যুক্ত হয়েছে গাজায় ফিলিস্তিনের উপর ইসরাইলী বাহিনীর গণহত্যা।

    ২০১৩-১৪ সময়ে এবং ২০১৬ সালে বিএনপি-জামাতের দেশব্যাপী হরতাল-অবরোধ, অগ্নি-সন্ত্রাস, অগণিত মানুষ হত্যার মত নৃশংসতাকে মনুষ্য সৃষ্ট দুর্যোগ আখ্যায়িত করে সরকার প্রধান বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি এবং তার মিত্ররা এবারও হরতাল-অবরোধ, অগ্নি সংযোগের মত সন্ত্রাসী কর্মকা-ের সূচনা করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রতিরোধের মুখে এবার তারা পিছু হটতে বাধ্য হতে হয়। তবুও তাদের হাতে বেশ কয়েকজন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান এবং কয়েক ’শ কোটি টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়।

    টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকায় নানা প্রতিক’লতা অতিক্রম করেও দেশকে আর্থসামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ায় তাঁর সরকারের সাফল্যের খন্ডচিত্র ও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, দারিদ্র্যের হার ২০০৬ সালের ৪১.৫ শতাংশ হতে হ্রাস পেয়ে এখন দাঁড়িয়েছে ১৮.৭ শতাংশে এবং হতদরিদ্রের হার ২৫.১ হতে ৫.৬ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে। আজ খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ং-সম্পূর্ণ। বর্তমানে দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৯৩ লাখ মেট্রিক টন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতু, ঢাকায় মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু ট্যানেল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল, বিভাগীয় শহরগুলির সঙ্গে চার বা তারও বেশি লেনের মহাসড়ক চালু, ইত্যাদি অবকাঠামো সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যোগাযোগ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করেছে। দেশের শতভাগ এলাকা বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

    চলমান রমজানে বৈশি^ক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাবে মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সাধারণ জনগণের কল্যাণে তাঁর সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, রমজান মাসের শুরু হতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জন্য রাজধানী ঢাকার অন্তত ২৫টি স্থানে ট্রাকে করে মাছ, মাংস, ডিম এবং দুধ সুলভমূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, টিসিবি প্রথম পর্যায়ে সারাদেশের ১ কোটি কার্ডধারী পরিবারের জন্য সুলভমূল্যে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি এবং ছোলা – এই ৫টি পণ্য বিতরণ  করেছে।  দ্বিতীয় পর্যায়ে ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার কার্ডধারী পরিবারের জন্য  চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, চিনি, ছোলা ও খেজুর – এই ৬টি পণ্য বিতরণ করছে। ঈদ উপলক্ষে সারাদেশের ১ কোটি ৬২ হাজার ৮০০ পরিবারের জন্য সরকার এক লাখ ৬২৮ মেট্রিক টন চালের বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছে। প্রতি পরিবার বিনামূল্যে ১০ কেজি করে চাল পাবেন।

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি এ সম্পর্কে আরও বলেন, আমরা এ বছর সরকারিভাবে এবং দলগতভাবে ইফতার পার্টির আয়োজন নিরুৎসাহিত করেছি। আওয়ামী লীগ এবং এর সকল সহযোগী সংগঠন নির্দেশমত তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত গরিব-দুঃস্থদের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করছে।

    রমজান মাসের শুরুতে খেজুর, আমদানি করা ফল, লেবু, তরমুজ, পেঁয়াজসহ কয়েকটি পণ্যের দাম কিছুটা চড়া ছিল। তবে এসব পণ্যের দাম কয়েকদিনের মধ্যেই স¦াভাবিক ও সহনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    “জিনিসপত্রের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে সীমিত আয়ের মানুষের কষ্ট হয়। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি মানুষের কষ্ট লাঘবের,” যোগ করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহবান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও পঁচাত্তরের ঘাতক এবং তাদের দোসররা এখনও তৎপর রয়েছে পরাজয়ের বদলা নিতে। সুযোগ পেলেই তারা আঘাত হানবে। তাদের সামনে একমাত্র বাধা আওয়ামী লীগ। হাজারও শহিদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কখনই ভুলুণ্ঠিত হতে দেবে না। আওয়ামী লীগকে ছলে-বলে-কৌশলে নিচিহ্ন বা দুর্বল করতে পারলেই পরাজিত শক্তির উত্থান অনিবার্য। কাজেই কা-ারি হুঁশিয়ার।

    তিনি বলেন, বাঙালি বীরের জাতি। যুদ্ধ করে আমরা এদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয় – জাতির পিতা নির্দেশিত এই বৈদেশিক নীতি অনুসরণ করেই আমরা দেশ পরিচালনা করি। আমাদের কোন প্রভু নেই, আছে বন্ধু। তাই কারও রক্তচক্ষু বাঙালি জাতি কোনদিন মেনে নেবে না। প্রয়োজন হলে বুকের রক্ত দিয়ে বাঙালি জাতি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব-সম্মান রক্ষা করবে।

    দেশবাসীর উদ্দেশ্যে জাতির পিতার কন্যা বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের উপর আবারও আস্থা রাখার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়ই সংবিধানকে সমুন্নত রেখে রাষ্ট্র পরিচালনা করে আসছে এবং জাতীয় সংসদকে রাষ্ট্রের সকল কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

    তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য দেশের যে উন্নয়ন সাধন করেছি তা থেকে থেকে দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। যে বাংলাদেশ হবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্য-মুক্ত অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশ ও ভুটান মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    বাংলাদেশ ও ভুটান মধ্যে তিনটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মার্চ, ২০২৪: যে কয়টি দেশ স্বাধীন বাংলাদেশকে সবার আগে স্বীকৃতি দিয়েছে তার মধ্যে ভুটান অন্যতম। বাংলাদেশ ও ভুটান আজ সোমবার (২৫ মার্চ) তিনটি নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে এবং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি নবায়ন করেছে।

    নতুন সমঝোতা স্মারকগুলো হলো- কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, থিম্পুতে একটি বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপন এবং ভোক্তা অধিকার বিষয়ে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা।

    এছাড়া সাংস্কৃতিক বিনিময়ের আরেকটি সমঝোতা স্মারকও নবায়ন করা হয়।

    সফররত ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভুটানের রানী জেৎসুন পেমা ওয়াংচুক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্তিত ছিলেন।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে ভুটানের রাজা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

    ওয়াংচুক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে শেখ হাসিনার সঙ্গে একটি প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকও করেন।

    তাদের মাঝে একটি একান্ত বৈঠকও হয়।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ও ভুটানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তান্দিন ওয়াংচুক থিম্পুতে প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট স্থাপনের বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন এবং ভুটানের বাণিজ্য সচিব তাশি ওয়াংমো নিজ নিজ পক্ষে কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

    জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান এবং ভুটানের বাণিজ্য সচিব তাশি ওয়াংমো ভোক্তা অধিকার বিষয়ে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

    সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব খলিল আহমেদ এবং ভুটানের পররাষ্ট্র সচিব পেমা চোডেন নিজ নিজ পক্ষে সাংস্কৃতিক বিনিময় সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক নবায়নে স্বাক্ষর করেন।

    এছাড়াও, বাংলাদেশ ভুটানি শিক্ষার্থীদের জন্য বার্ষিক মেডিকেল আসন সংখ্যা ২২ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

    বাংলাদেশের ফরেন সার্ভিস একাডেমি প্রতি বছর ভুটানি ফরেন সার্ভিস অফিসারদের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দুটি আসনের প্রস্তাব দিয়েছে এবং ভুটানে একটি কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্থাপনে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

    এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) ভুটানের তিন ব্যাচের কর্মকর্তাদের তিন বছরের জন্য বার্ষিক বিশেষ প্রশিক্ষণেরও প্রস্তাব করা হয়েছে।

    এদিকে, সদিচ্ছা ও বন্ধুত্বের বিশেষ অঙ্গীকার হিসেবে বাংলাদেশ ভুটানের সরকারি কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কম্পিউটার ও ল্যাপটপ হস্তান্তর করেছে।

    সূত্র: বাসস

  • দালালদের জন্য আজও আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা পাইনি: সেতুমন্ত্রী

    দালালদের জন্য আজও আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা পাইনি: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মার্চ, ২০২৪: দালালদের জন্য আজও আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা পাইনি, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না, তারা কোনো দিনও মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে না। তারা দালাল। এ দালালদের জন্য ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আজও আমরা পাইনি। এ দালালদের জন্য আজও আমরা আমাদের ন্যায্য পাওনা পাইনি। পাকিস্তানের নাগরিকেরা বছরের পর বছর আমাদের ঘাড়ে বোঝা হয়ে আছেন। কথা দিয়েও পাকিস্তান তাদের নাগরিকদের ফেরত নেয়নি।”

    আজ সোমবার (২৫ মার্চ) বিকেলে গণহত্যা দিবস স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “আজ দুপুরবেলা নয়াপল্টনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করেছেন। আমি জানতে চাই, মির্জা ফখরুল আপনি একাত্তরে কোথায় ছিলেন? একাত্তরে কোথায় মুক্তিযুদ্ধ করেছেন? কোন সেক্টরে আপনি যুদ্ধ করেছেন? ২৫ মার্চের গণহত্যা নিয়ে তারা একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। তারা কারা? তারা পাকিস্তানের দালাল। মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ভুয়া।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তান একাত্তরের গণহত্যার জন্য একটিবারও দুঃখ প্রকাশ করেনি। পাকিস্তানের কোনো সরকার, সরকারি দল প্রকাশ্যে যুদ্ধাপরাধের জন্য বাংলাদেশের জনগণের কাছে এ পর্যন্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। সেই পাকিস্তানের যারা দালালি করে, তারা স্বাধীনতার শত্রু। বিএনপি পাকিস্তানের দালালি করে, তারা আমাদের শত্রু। এই শত্রুরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে, জেলে চার নেতাকে হত্যা করে। এই বিএনপি আমাদের জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ করে, ৭ মার্চ নিষিদ্ধ করে, ১৬ ডিসেম্বরের নায়ককে নিষিদ্ধ করে, ২৬ মার্চের স্বাধীনতার স্থপতিকে নিষিদ্ধ করে। কে করেছিলেন? জিয়াউর রহমান।”

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, “ক্ষমতার দিবাস্বপ্ন দেখছে তারা। ফখরুল সিঙ্গাপুর থেকে এসে দিবাস্বপ্নে বিভোর। বিদেশে আমাদের (আওয়ামী লীগ) বন্ধু আছে, প্রভু না। বিএনপির প্রভু আছে। যারা তাদের স্বার্থের পক্ষে ওকালতি করে। আমাদের বন্ধুরা একাত্তরেও আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো বিদেশি বন্ধু হস্তক্ষেপ করেনি। বিএনপির প্রভুরা যখন এ নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত করেছিল, তখন আমাদের বন্ধুরা আমাদের পক্ষে, নির্বাচনের পক্ষে, শেখ হাসিনার পক্ষে সেদিন দাঁড়িয়েছিল।”

    তিনি বলেন, “আজ বিএনপির লোকদের বাড়িঘরে গিয়ে বুঝতে হবে, রান্নাঘরে যা যা তারা ব্যবহার করে, এর মধ্যে ভারতীয় পণ্য কোনটি কোনটি। রান্নাঘরে যান, প্রত্যেকের ঘরে ভারতীয় পণ্য। শোয়ার ঘরে যান, প্রত্যেকের শাড়ি-কাপড় ভারতীয় পণ্য। এখন রিজভী রাজনীতি করার জন্য গা থেকে কাশ্মীরি শাল ফেলে আগুনে পুড়িয়েছেন। আরও কয়টি শাল রিজভীর ঘরে আছে, কে জানে! ভারতীয় পণ্য ছাড়া খাবার জোটে না।”

    বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে সেতুমন্ত্রী বলেন, “ফখরুল সাহেব, আপনিও রিজভীর মতো মাথা গরম করবেন না। বেশি কথা বললে আমরা হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেবো। বেশি কথা বললে খুঁজে খুঁজে বের করব, বিএনপির লোকেরা কী কী ভারতীয় পণ্য ব্যবহার করে।”

    তিনি আরও বলেন, “বিএনপির আন্দোলন ভুয়া, বিএনপির অভ্যুত্থান ভুয়া, বিএনপির ২০ দফা ভুয়া, বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ভুয়া। ডাবল ভুয়া। এর চেয়ে ভুয়া আর কিছু নেই। মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা নেই, বঙ্গবন্ধু নিয়ে কথা নেই, গাজা-ইসরায়েল নিয়ে কথা বলে।”

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এস মান্নান কচির পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. কামরুল ইসলাম, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, জাতীয় সংসদের হুইপ সানজিদা খানম, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি প্রমুখ।

  • এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের নাবিকদের উদ্ধারে আলোচনা করছে মালিকপক্ষ

    এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের নাবিকদের উদ্ধারে আলোচনা করছে মালিকপক্ষ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ মার্চ, ২০২৪: গত ১২ মার্চ এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের ২৩ নাবিককে ভারত মহাসাগরে জিম্মি করে সোমালি জলদস্যুরা।সেই নাবিকদের উদ্ধার করতে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানের পক্ষে নয় মালিকপক্ষ। এ বিষয়ে জাহাজের মালিকপক্ষ এবং সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্ট মহলে বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে নাবিকদের উদ্ধারে জলদস্যুদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে মালিকপক্ষ।

    এ বিষয়ে জাহাজের মালিকপক্ষ সোমবার (২৫ মার্চ) জানিয়েছেন, নাবিকদের অক্ষত অবস্থায় মুক্ত করে আনা আমাদের লক্ষ্য। এজন্য আমরা জলদস্যুদের সঙ্গে যোগাযোগ করে যাচ্ছি। তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। তবে জিম্মি জাহাজে সোমালি পুলিশ কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেভাল ফোর্সসহ যেসব সামরিক অভিযানের কথা আসছে, এগুলো আমরা জানি না। আমাদের বার্তা স্পষ্ট। আমরা কোনো ধরনের সামরিক অভিযানের পক্ষে নই। কারণ আমরা নাবিকদের ঝুঁকিতে ফেলতে পারি না। সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক মাধ্যমে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নাবিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষ যোগাযোগ চলিয়ে যাচ্ছে। তারা ভালো আছেন। তাদের পরিবারের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ রাখছি। সবমিলিয়ে আমরা নাবিকদের সুস্থভাবে উদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর।

    গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জিম্মি করে সোমালি জলদস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। দুই দফা স্থান পরিবর্তন করে জাহাজটিকে সবশেষ সোমালিয়ার গদভজিরান উপকূলের কাছে নোঙর করে রাখা আছে।

    ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

    কবির গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসআর শিপিংয়ের মালিকানাধীন ‘এমভি আবদুল্লাহ’ আগে ‘গোল্ডেন হক’ নামে পরিচিত ছিল। ২০১৬ সালে তৈরি বাল্ক কেরিয়ারটির দৈর্ঘ্য ১৮৯ দশমিক ৯৩ মিটার এবং প্রস্থ ৩২ দশমিক ২৬ মিটার। গত বছর জাহাজটি এসআর শিপিং কিনে নেয়। বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী এরকম মোট ২৩টি জাহাজ আছে কবির গ্রুপের বহরে।

  • সশস্ত্র বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    সশস্ত্র বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মার্চ, ২০২৪: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে শুরু হয়েছে ৫ দিনব্যাপী সশস্ত্র বাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শনী।

    আজ রবিবার (মার্চ ২৪) রাজধানীর তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ফিতা কেটে বেলুন উড়িয়ে সমরাস্ত্র সশস্ত্র বাহিনীর এই সমরাস্ত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এই সময় হেলিকপ্টার থেকে সেনাবাহিনীর প্যারাট্রুপারদের অবতরণ অনুষ্ঠানটিকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।

    প্রধানমন্ত্রী তিন বাহিনীর বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেন। তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সৈন্যদের ব্যবহৃত বিভিন্ন হালকা ও ভারী অস্ত্র প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে  সমরাস্ত্র সম্পর্কে ব্রিফ করেন।

    প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য অতিথিরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীদের পরিবেশিত একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তাদের সাথে একটি ফটো সেশনে যোগ দেন।

    আইএসপিআর জানায়, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর এই যৌথ সমরাস্ত্র প্রদর্শনী-২০২৪ আগামী ২৬, ২৭, ২৮, ২৯ ও ৩০ মার্চ প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

    সমরাস্ত্র প্রদর্শনী এলাকায় কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র অথবা বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য বহন করা যাবে না।

    এর আগে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, সচিব, বিদেশি রাষ্ট্রদূত, ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • আরও ১১৮ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ

    আরও ১১৮ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মার্চ, ২০২৪: চতুর্থ ধাপে আরও ১১৮ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক আজ রবিবার (২৪ মার্চ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের এই তালিকা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে চার দফায় ৫৬০ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা প্রকাশ করলো সরকার।

    তাদের মধ্যে শিক্ষক, রাজনীতিক, সমাজকর্মী, চিকিৎসক, আইনজীবী, চাকরিজীবী, প্রকৌশলী, নাট্যকার, সংগীতশিল্পী এবং সংস্কৃতিকর্মী রয়েছেন।

    প্রথমে ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল ১৯১ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২২ সালের ২৯ মে দ্বিতীয় তালিকায় ১৪৩ জন এবং সর্বশেষ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয় আরও ১০৮ জন শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকা।

    চতুর্থ দফার শহীদ বুদ্ধিজীবী তালিকায় ৩ জন সাহিত্যিক, একজন বিজ্ঞানী, একজন চিত্রশিল্পী, ৫৪ জন শিক্ষক, ৪ জন আইনজীবী, ১৩ জন চিকিৎসক, ৩ জন প্রকৌশলী, ৮ জন সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, ৯ জন রাজনীতিক, ১৩ জন সমাজসেবী রয়েছেন।

    এছাড়া সংস্কৃতিসেবী এবং চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত এবং শিল্পকলার অন্যান্য শাখার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৯ জন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে শহীদ বুদ্ধিজীবীর তালিকায়।

  • এ সাতটি ফ্লাইওভার জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: সেতুমন্ত্রী

    এ সাতটি ফ্লাইওভার জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মার্চ, ২০২৪: এ সাতটি ফ্লাইওভার জনগণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনে বলেন, “এ সাতটি ফ্লাইওভার দিয়ে যান চলাচল করতে পারবে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য এ সাতটি ফ্লাইওভার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে উপহার। এ প্রকল্প নির্মাণে দেরি হয়েছে। যথাসময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। এটি বাস্তবায়নে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাও ঘটেছে। তারপরও দেরিতে হলেও কাজটি শেষ হওয়ার পথে।”

    আজ রবিবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট) সাতটি ফ্লাইওভার যান চলাচলের জন্য উদ্বোধনের পর এ মন্তব্য করেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “আশা করছি এ বছরই এটি দিয়ে বাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে পারবো। আমাদের অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজগুলো শেষ হয়ে গেছে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৯১ শতাংশ। আমরা আশা করছি ডিসেম্বর নাগাদ বাকি কাজ শেষ হবে। বিআরটি করিডোর দিয়ে বাস চলাচল করতে পারবে।”

    এখন থেকে এই ফ্লাইওভারগুলো দিয়ে যান চলাচল করতে পারবে। যার মধ্যে রয়েছে ৩২৩ মিটার এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার (বাম পাশ), ৩২৩ মিটার এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার (ডান পাশ), ১৮০ মিটার জসীমউদ্দীন ফ্লাইওভার, ১৬৫ মিটার ইউ-টার্ন-১ গাজীপুরা ফ্লাইওভার, ১৬৫ মিটার ইউ-টার্ন-২ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফ্লাইওভার, ২৪০ মিটার ভোগড়া ফ্লাইওভার এবং গাজীপুরের চৌরাস্তায় ৫৬৮ মিটার ফ্লাইওভার।

    এর আগে গত ১৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, এ বছরের জুনের মধ্যে বিআরটি প্রকল্প শেষ হবে। এখনই নিচের অংশের আর ভোগান্তি নেই। মাত্র ৪০ মিনিটে গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত যাতায়াত করা যাবে।

    যানজট কমিয়ে আনতে ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট’ প্রকল্পের (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট) আওতায় উড়াল সড়ক তৈরি হচ্ছে গাজীপুর থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ উত্তরা হাউস বিল্ডিং থেকে টঙ্গী চেরাগ আলী মার্কেট পর্যন্ত এলাকার সড়কের কাজ করছে। বাকিটা হচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে। ঢাকার সঙ্গে গাজীপুরের যোগাযোগে মানুষের ভোগান্তি দূর করতে শুরুতে এ প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা ছিল চার বছরের মধ্যে, যদিও তা গড়িয়েছে ১২ বছরে। প্রকল্পের সময় আর অর্থ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে মানুষের ভোগান্তিও বেড়েছে অনেক।

    ২০১১ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক প্রকল্পের প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে। ২০১২ সালের ১ ডিসেম্বর একনেকে বিআরটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। শুরুতে ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে। এরপর কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    প্রকল্পের সবশেষ ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ কোটি ৩২ লাখ ৪৩ হাজার টাকা। শুরুতে প্রকল্পের দৈর্ঘ্য ছিল চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত। কিন্তু পরে সময় বাড়িয়ে প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হলেও পথ ছোট করে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে কেরানীগঞ্জের পরিবর্তে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত করা হয়।

    বিআরটি প্রকল্পের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, বিআরটি বাস্তবায়িত হলে ১০০টি আর্টিকুলেটেড বাসের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করবে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজট অনেকটাই কমে যাবে।

  • আইপিইউ সেক্রেটারির সঙ্গে স্পিকারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    আইপিইউ সেক্রেটারির সঙ্গে স্পিকারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ মার্চ, ২০২৪: ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। শনিবার (২৩ মার্চ) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থানীয় সময় বিকেলে ১৪৮তম আইপিইউ অ্যাসেম্বলি উপলক্ষে আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেলের আমন্ত্রণে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন তিনি।

    এসময় তাঁরা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইপিইউ সম্মেলন, ওয়ার্ল্ড স্পীকার সামিটসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।

    আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেল মার্টিন চুংগং ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপিকে ধারাবাহিকভাবে চতুর্থবারের মত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পীকার নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।

    মার্টিন চুংগং এসময় স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইপিইউ সম্মেলনের কথা স্মরণ করে ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং  ২০২৫ সালে জেনেভায় অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড স্পীকার সম্মেলনের প্রিপারেটরি কমিটিতে সদস্য হিসেবে যোগ দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

    স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আইপিইউ সেক্রেটারি জেনারেলকে এ প্রস্তাব প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ওয়ার্ল্ড স্পীকার সম্মেলনের প্রিপারেটরি কমিটিতে সদস্য হিসেবে যোগ দেয়ার ব্যাপারে সম্মতি প্রদান করেন।

    এদিকে শনিবার অপরাহ্নে সম্মেলনের ১ম দিনে বিভিন্ন প্রোগ্রামে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এপিএ সংক্রান্ত সভায় আখতারুজ্জামান এমপি ফিলিস্তিন ইস্যুতে বক্তব্য প্রদান করেন।

    এসময় সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সদস্য হিসেবে জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এমপি, শফিকুল ইসলাম এমপি, মাহবুব উর রহমান এমপি, শাহাদারা মান্নান এমপি, নীলুফার আনজুম এমপি, এইচ এম বদিউজ্জামান এমপি, মো. মুজিবুল হক এমপি এবং  আখতারুজ্জামান এমপি উপস্থিত ছিলেন।

  • আন্তর্জাতিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ ভূমিকা রাখছে: প্রধানমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ ভূমিকা রাখছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ মার্চ, ২০২৪: আন্তর্জাতিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ ভূমিকা রাখছে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

    আজ শনিবার (২৩ মার্চ) বিশ্ব আবহাওয়া দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিসবটি পালনা করা হচ্ছে। দিবসটির এবছরের প্রতিপাদ্য,- ‘এ্যাট দ্যা ফ্রন্টলাইন অব ক্লাইমেট এ্যাকশন’।

    বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরে আধুনিক কারিগরি ও প্রযুক্তি সন্নিবেশ করা হয়েছে। দিবসটি পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন,  যথোপযুক্ত, সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলির মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আওয়ামী লীগ সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সরকার জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে ১০০ বছর মেয়াদি বদ্বীপ পরিকল্পনা, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। পর্যায়ক্রমে এ সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন ও ২০৪১ সালে একটি উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভে সক্ষম হবে।”

    তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরে আধুনিক কারিগরি ও প্রযুক্তি সন্নিবেশ করেছে। ফলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সার্বিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অন্যান্য চরম আবহাওয়ার বিভিন্ন মেয়াদী পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আগাম পূর্বাভাস প্রদানে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ ও প্রভাব থেকে উত্তরণের জন্য পরিবেশের বিপর্যয় রোধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহায়ক কৌশল নির্ধারণ, প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, জলবায়ুর পরিবর্তনের অভিঘাত সহিষ্ণু বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল। আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে বাংলাদেশ তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সরকার আবহাওয়ার বিদ্যমান পর্যবেক্ষণাগারগুলোর সাথে কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাস সেবার মান উন্নয়নে আরো ৭টি নতুন কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার স্থাপনসহ কৃষি আবহাওয়া বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করেছে।’ এছাড়াও ৫টি আবহাওয়া ভূপৃষ্ঠ পর্যবেক্ষণাগার, ১৩টি ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ৩টি স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড রিসিভিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কালবৈশাখী ও বজ্রঝড়ের সতর্কবার্তা প্রদানসহ নিরাপদ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণে জয়দেবপুরে ১টি আধুনিক ডপলার রাডার স্থাপন করা হয়েছে এবং রংপুরে অপর ১টি ডপলার রাডার স্থাপনের কাজ চলমান আছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন, সকলে মিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আজীবন স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট সোনার বাংলা গড়ে তুলি’। তিনি ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস-২০২৪’র সার্বিক সফলতা কামনা করেন।”