Category: বাংলাদেশ

  • ডা. দীন মোহাম্মদ বিএসএমএমইউর উপাচার্য হিসেবে যোগ দিলেন

    ডা. দীন মোহাম্মদ বিএসএমএমইউর উপাচার্য হিসেবে যোগ দিলেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ মার্চ, ২০২৪: ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য হিসেবে যোগ দিলেন । স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ও চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক দেশব্যাপী চক্ষু রোগী ও চক্ষু বিশেষজ্ঞদের কাছে পরিচিত অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ নূরুল হক। চক্ষু চিকিৎসক হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সর্বোচ্চ সম্মাননা ডা. আলীম মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছেন এই চিকিৎসক। যিনি তার জন্মস্থান কিশোরগঞ্জ এলাকার লোকজনের কাছে ‘ননী ডাক্তার’ নামেই বেশি পরিচিত। এ অঞ্চলের সবাই তাকে ননী ডাক্তার হিসেবেই চেনে। চক্ষু বিভাগের নামিদামি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হওয়া সত্ত্বেও সময়-সুযোগ পেলেই ছুটে যান তিনি নিজের এলাকায়।

    দায়িত্ব নেওয়ার পর দীন মোহাম্মদ বলেন, “আমার কাছে সবাই সমান। আমি কারও অন্যায় আবদার শুনবো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলে দিয়েছেন। আমার অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। আমি মনে করি— আপনারা সবাই খুবই ক্যাপাবল। বছরের পর বছর এখানে শ্রম দিয়ে আসছেন। সবাইকে জড়িয়ে ধরে এক সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমি প্রশাসনিক ক্ষমতা দেখাতে আসিনি, আমি আপনাদের বন্ধু হয়ে কাজ করতে চাই। আপনাদের পাশে থেকে সব সমস্যা সমাধান করব।”

    চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে নতুন উপাচার্য বলেন, “অর্পিত দায়িত্ব পালন করলেই আমি সবচেয়ে খুশি হবো। অন্যকিছু দিয়ে আমাকে খুশি করা যাবে না। কেউ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হবে। যিনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে পারবেন, তিনিই দায়িত্ব নেবেন।”

    দীন মোহাম্মদ আরও বলেন, “আমার রুমে এসে অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যয় করা আমি পছন্দ করবো না। আপনারা সবাই অনেক কর্মঠ, কাজের মাধ্যমেই আপনাদের সঙ্গে আমার কথা হবে। অনুরোধ করবো— আমাকে সবাই সহযোগিতা করবেন। আমি আপনাদের মতোই একজন।”

  • বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে এগোতে দেওয়া হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে এগোতে দেওয়া হয়নি: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মার্চ, ২০২৪: বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশকে এগোতে দেওয়া হয়নি, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাংলাদেশ তো এক কদম এগোতে পারেনি। আমি বলি, এক কদম এগোতে দেওয়া হয়নি।”

    মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে আজ বুধবার (২৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এমন প্রশ্ন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন বিএনপি নেতারা বলেন, ২৫ মার্চ নাকি আওয়ামী লীগের নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাহলে যুদ্ধটা করলো কে? বিজয় কে আনলো? মুজিবনগর সরকার গঠন করে শপথ নিয়ে তারা যুদ্ধ পরিচালনা করলেন। সরকারপ্রধান ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তার গ্রেফতারের পর উপ-রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে সেই সরকারের অধীনে এ দেশে যুদ্ধ হলো।”

    তিনি বলেন, “যারা বলছেন, পালিয়ে গেলো- তাহলে যুদ্ধটা করলো কে? আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে জিয়াউর রহমান তো বেতনভুক্ত কর্মচারী হিসেবে চাকরি করেছেন। সামরিক অফিসার হিসেবে তিনি এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যে মেজর থেকে মেজর জেনারেল হলেন, সেটা কে দিয়েছেন? আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে। এই অকৃতজ্ঞরা ভুলে যায়।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “স্বাধীনতাযুদ্ধে আমরা প্রতিবেশীসহ অনেক দেশের সহায়তা পেয়েছি। আবার পেয়েছি, অনেক বড় বড় দেশের বৈরিতা। অবশ্য, সে দেশের নাগরিকদের সমর্থনও পেয়েছি। যারা আমাদের স্বাধীনতায় সহায়তা করেছে, তাদের আমরা সম্মানিত করেছি, স্বীকৃতি দিয়েছি। একমাত্র বাংলাদেশই এটা করেছে। এতে বাংলাদেশও সম্মানিত হয়েছে।”

    বিএনপি সত্যিকার অর্থে ভারতীয় পণ্য বর্জন করতে পারে কিনা, এই প্রশ্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিএনপির এক নেতা চাদর খুলে বলে দিয়েছেন;  ভারতের পণ্য ব্যবহার করবেন না। যে নেতারা বলছেন ভারতীয় পণ্য বর্জন করবেন না, তাদের বউদের কয়খানা ভারতীয় শাড়ি আছে? তাদের বউদের কাছ থেকে শাড়িগুলো এনে কেন পুড়িয়ে দিচ্ছেন না? আমি জানি, বিএনপির বহু মন্ত্রীর বউরা ওখানে গিয়ে শাড়ি কিনে এনে এখানে বিক্রি করত। আমি বিএনপি নেতাদের বলব, তাদের বউরা যেন ভারতীয় শাড়ি না পরেন। যেদিন ওগুলো এনে অফিসের সামনে পোড়াবেন, সেদিন বিশ্বাস করব; আপনারা ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেন।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেউ বলছে, গণতন্ত্র নেই। দেশের কোনো উন্নতিই হয়নি। স্বাধীনতার পরও এমন কিছু কার্যক্রম আমরা দেখেছি। জাতির পিতাকে সময় দেয়নি। স্বাধীন হওয়ার পরই শুরু হয়ে গেলো সমালোচনা। নতুন বিপ্লবসহ নানা ধরনের কথা। এদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধীরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল- মানুষের মন থেকে জাতির পিতাকে মুছে ফেলা। সফল হয়নি। যার কারণে তাকে থামিয়ে দিতে হত্যার পথ বেছে নেয়।”

    তিনি বলেন, “একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বিজয় এনে দেওয়া জাতির পিতার মতো বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিল বলে সম্ভব হয়েছে। সেই সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলা, সবই তিনি করেছেন। এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধু নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। স্বাধীনতার ৫৩ বছর পার করেছি, এর ২৯ বছর ছিল জাতির দুর্ভাগ্যের। স্বাধীনতার পরপরই মাত্র তিন বছরে একটি স্বল্পোন্নোত দেশ হিসেবে গড়ে তোলেন শেখ মুজিব। আইন, নীতিমালাসহ সবকিছু করে দিয়ে যান। একটি সংবিধান আমাদের উপহার দিয়েছেন। এতে আমাদের প্রতিটি অধিকারের কথা বলা আছে।”

    আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোশাররফ হোসেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, দলের স্বাস্থ্য সম্পাদক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রোকেয়া সুলতানা, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচি প্রমুখ।

  • ‘ট্রি অব পিস’ পুরস্কারটি ইউনেস্কোর বলে চালিয়েছেন ড. ইউনূস: শিক্ষামন্ত্রী

    ‘ট্রি অব পিস’ পুরস্কারটি ইউনেস্কোর বলে চালিয়েছেন ড. ইউনূস: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মার্চ, ২০২৪: ‘ট্রি অব পিস’ পুরস্কারটি ইউনেস্কোর বলে চালিয়েছেন ড. ইউনূস, বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “ইসরায়েলি একজন ভাস্করের দেওয়া পুরস্কার ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতারণামূলকভাবে ইউনেস্কোর পুরস্কার বলে প্রচার চালিয়েছেন।”

    আজ বুধবার (২৭ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    মুহিবুল হাসান বলেন, “শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে পদাধিকার বলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফর কমিশন ফর ইউনেস্কোর (বিএনসিউ) চেয়ারম্যান আমি। আমার সঙ্গে বিএনসিউর ডেপুটি সেক্রেটারি জুবাইদাও উপস্থিত আছেন। কিছুদিন আগে একটি প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেটি হচ্ছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইউনেস্কো একটি পুরস্কার দিয়েছে বলে প্রচার করা হচ্ছে। আমরা এ বিষয়টি নিয়ে ইউনেস্কোর সদর দফতরে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে তারা নিশ্চিত করেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইউনেস্কো কোনো সম্মাননা দেওয়া হয়নি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এখন ইউনেস্কোর কাছে আমরা একটি ব্যাখ্যা পাঠাব। ইউনূস সেন্টার ও ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বরাত দিয়ে যে সংবাদটি প্রচার হয়েছে, সেটা প্রতারণামূলক ও মিথ্যা। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য ইউনেস্কোর পুরস্কার বলে প্রচার করা হয়েছে।”

    তিনে আরও বলেন, “এখন পর্যন্ত ইউনূস সেন্টারের ওয়েবসাইটের ইউনেস্কোর পুরস্কার হিসেবেই লেখা রয়েছে। এটা প্রতারণা ও শঠতামূলক কার্যক্রম। একজন ইসরাইলি ভাস্কারের দেয়া পুরস্কারকে তিনি ইউনেস্কোর পুরস্কার হিসেবে প্রচার করেছেন। আমরা ইউনেস্কোর একটি সদস্য রাষ্ট্র। ইউনেস্কো কমিশন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। বাংলাদেশ ইউনেস্কো কমিশনের পক্ষ থেকে ইউনেস্কোর সদর দফতরে আমরা একটি ব্যাখ্যা পাঠাব এবং অবগত করবো। আমরা বলবো, ইউনেস্কোর নাম নিয়ে ড. ইউনূস বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন, যেটা অনৈতিক ও অপরাধমূলক।”

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল ও অপমানজনকও বটে। আমরা ইউনেস্কোকে এটা বলব। এছাড়া শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য ইউনূস যে দণ্ডিত হয়েছেন, সেটাও ইউনেস্কোকে জানাব। একজন দণ্ডিত ব্যক্তি ইউনেস্কোর নাম নিয়ে যে অপপ্রচার করছেন, এটি থেকে ইউনেস্কোকে সতর্ক করবো।”

     

    বাংগত ২১ মার্চ ইউনূস সেন্টার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, আজারবাইজানের বাকুতে ১৪-১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত একাদশ বিশ্ব বাকু ফোরামের শেষ দিনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘দ্য ট্রি অব পিস’ পুরস্কারে ভূষিত করে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো।

    এদিকে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন ঢাকার শ্রম আদালত-৩ এর বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানা।

    রায়ে তাদের শ্রম আইনের ৩০৩ (ঙ) ধারায় সর্বোচ্চ ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে ৩০৭ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন আদালত।

  • শ্রমিকদের ছুটি সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

    শ্রমিকদের ছুটি সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মার্চ, ২০২৪: শ্রমিকদের ছুটি সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে, বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী।তিনি বলেন, ঈদের আগেই শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ করতে হবে। মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে যাতায়াতের সুবিধা অনুযায়ী ঈদের ছুটি দিতে হবে। কোনোভাবেই ঈদের ছুটি সরকারি ছুটির চেয়ে কম হবে না।

    বুধবার (২৭ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঈদের আগে কোনো শ্রমিককে ছাঁটাই করা যাবে না। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরআগে তৈরি পোশাক খাত ও ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) বৈঠক হয়েছে। আজ সব খাতকে নিয়ে জাতীয় পরামর্শ পরিষদের বৈঠক হয়েছে। তৈরি পোশাক খাত নিয়ে এরইমধ্যে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

    তিনি বলেন, “মালিকপক্ষকে আমরা বারবার তাগাদা দিচ্ছি। তারা আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছেন যে কোনো অবস্থায় শ্রমিকরা রাস্তায় নামবেন না। যে কোনো কিছুর বিনিময়ে তাদের পাওনা মিটিয়ে দেওয়া হবে।”

    কবে শ্রমিকদের পাওনা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঈদের আগেই দেওয়া হবে। একেকটি কারখানা একেক সময় দেবে। সবাই একসঙ্গে দিতে পারবে না। তবে ঈদের ছুটির আগে শ্রমিকদের পাওনা দিতে হবে। ঈদের আগে লে-অফ ঘোষণা করা যাবে না।”

  • ঈদে ২ দিন ছুটি বাড়ানোর দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

    ঈদে ২ দিন ছুটি বাড়ানোর দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মার্চ, ২০২৪: ঈদযাত্রা নিরাপদ ও ভোগান্তিমুক্ত করতে ৮ এবং ৯ এপ্রিল দু-দিন ছুটি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।তাছাড়া পথে পথে যাত্রী হয়রানি, ভাড়া নৈরাজ্য ও সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ছুট বাড়ানোটা জরুরি মনে করছে সংগঠনটি।

    আজ বুধবার (২৭ মার্চ) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

    বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ বলছে, “এবারের ঈদে ঢাকা থেকে ১ কোটি, গাজীপুর থেকে ৪০ লাখ, নারায়ণগঞ্জ থেকে ১২ লাখসহ ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করবে। এসব যাত্রীদের ঈদের আগের চারদিনে বাস-মিনিবাসে ৩০ লাখ, ট্রেনে ০৪ লাখ, প্রাইভেটকার, জিপ ও মাইক্রোবাসে ৩৫ লাখ, মোটরসাইকেলে ১২ লাখ, লঞ্চে ৬০ লাখ, উড়োজাহাজে প্রায় ১ লাখ যাত্রীর যাতায়াত হতে পারে। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্যের কারণে বাসের ছাদে, ট্রেনের ছাদে এবং খোলা ট্রাক ও পণ্যবাহী পরিবহনে ১৮ লাখ যাত্রীর যাতায়াত হতে পারে। এছাড়াও আন্তঃজেলা যাতায়াত করবে প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি যাত্রী। এতে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ঈদবাজার, গ্রামের বাড়ি যাতায়াতসহ নানা কারণে দেশের বিভিন্ন শ্রেণির পরিববহনে বাড়তি প্রায় ৬০ কোটি ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াত হতে পারে।

    এজন্য গণপরিবহনে সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে এবারের ঈদযাত্রায় নারকীয় পরিস্থিতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    কেননা, এবার রোজা ৩০টি সম্পন্ন হলে ১১ এপ্রিল ঈদ হতে পারে। ঈদের আগে ১০ এপ্রিল মাত্র ১ দিন সরকারি ছুটি রয়েছে। ১০ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ দিনের লম্বা ছুটি রয়েছে। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ। যে কারণে এবারের ঈদযাত্রায় মুসলমানদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও পহেলা বৈশাখ উদযাপনে লম্বা ছুটির সুবাদে গ্রামের বাড়ি যাবেন। তাই যাত্রীসংখ্যা বাড়বে। অর্থাৎ ৯ ও ১০ এপ্রিল প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ লাখ হারে মানুষ রাজধানী ছাড়বে। অথচ আমাদের গণপরিবহনগুলোতে ২২ থেকে ২৫ লাখের মত মানুষ পাড়ি দেওয়ার সক্ষমতা আছে। এমন পরিস্থিতিতে ঈদের আগে ছুটি না বাড়ালে দেশের সকল পথে যাতায়াত পরিস্থিতি কোমায় চলে যেতে পারে। তাই ৮ এবং ৯ এপ্রিল ২ দিন ঈদের ছুটি বাড়ানো হলে ৫ এপ্রিল থেকে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যে, ধাপে ধাপে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ পাবে। গণপরিবহন সংকট ও যাত্রী ভোগান্তি থেকেও মুক্তি মিলবে। এ কারণে ৮ ও ৯ এপ্রিল দুই দিন ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

    লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এবারের ঈদে দেশে ৭১৪টি স্পটে যানজট হতে পারে এমন খবর গণমাধ্যমে এসেছে। যার মধ্যে ১৪০টি স্পটে কড়া নজরদারি দরকার। ১০টি জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের ২১৮টি অতিঝুঁকিপূর্ণ দুর্ঘটনার স্পটের বিষয়ে পুলিশ ও  বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সরকারকে সতর্ক করেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এসব স্পটেই ৬০ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এবারের ঈদযাত্রায় রাজধানীবাসী যানজটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বে। তাই এই মুহূর্ত থেকে রাজধানীর প্রতিটি সড়কের ফুটপাত হকার ও অবৈধ পার্কিং মুক্ত করার দাবি জানানো হয়।

    রাজধানী থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় যাতায়াতের প্রবেশদ্বারগুলোতে যাত্রীদের অসহনীয় যানজটে পড়তে হবে। এসব যানজট নিয়ন্ত্রণে রাস্তার মোড় পরিষ্কার রাখা ও ছোট যানবাহন বিশেষ করে রিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজিবাইক প্রধান সড়কে চলাচল বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তারা।

    তা না হলে আগামী ২৫ রমজান থেকে ঈদের দিন সকাল অবধি রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চল অচল হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়।

    এছাড়া কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পরিবহন নেতাদের চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন টোল পয়েন্টের কারণে জাতীয় মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানজট হয় বলে দাবি করে সংগঠনটি।

    ঈদযাত্রায় সড়কে চাঁদাবাজি ও টোল পয়েন্টগুলো যানজটমুক্ত করার দাবি জানান যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহিদুল হক লিটন, যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল প্রমুখ।

  • ২৮ মার্চ পাওয়া যাবে ৭ এপ্রিলের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট

    ২৮ মার্চ পাওয়া যাবে ৭ এপ্রিলের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ মার্চ, ২০২৪: বাংলাদেশ রেলওয়ে ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে ৷ আজ বুধবার (২৭ মার্চ) চতুর্থ দিনের মতো অনলাইনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়৷ এদিন ৬ এপ্রিলের ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়েছে।

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) টিকিট দেওয়া হবে ৭ এপ্রিলের৷ ওইদিন যারা অগ্রিম টিকিট নেবেন তারা আগামী ৭ এপ্রিল ভ্রমণ করতে পারবেন৷ অনলাইনে এ টিকিট সংগ্রহ করতে হবে৷ এর আগে গতকাল মঙ্গলবার যারা অগ্রিম টিকিট নিয়েছেন তারা আগামী ৫ এপ্রিল ভ্রমণ করতে পারবেন।

    যাত্রীদের টিকিট সংগ্রহ সহজ করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলরত সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা থেকে এবং পূর্বাঞ্চলে চলাচল আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট দুপুর ২টা থেকে ইস্যু করা হচ্ছে৷

    ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার শতভাগ টিকিট অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রয় করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। যাত্রীরা অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন৷ একজন যাত্রী সর্বাধিক চারটি টিকিট কিনতে পারবেন৷ তবে এ টিকিট রিফান্ড (ফেরত দেওয়া) করা যাবে না৷

    এছাড়া আন্তঃনগর ট্রেনের সব আসনের টিকিট বিক্রি শেষে বরাদ্দকৃত সাধারণ শ্রেণির মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট কাউন্টার থেকে বিক্রয় করা হবে৷

  • ৫৪ তম স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    ৫৪ তম স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ মার্চ, ২০২৪: আজ ৫৪ তম স্বাধীনতা দিবস। এই দিনে রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সফররত ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক আজ সকালে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।

    ৫৪ তম ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উদযাপনের অংশ হিসেবে, রাষ্ট্রপতি প্রথমে  ৫টা ৫৭ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী এবং ভুটানের রাজা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    ৫৪ তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ আমন্ত্রণে ভুটানের রাজা এখন চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

    ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভুটানই প্রথম বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর ওয়াংচুক তাঁর পত্নীসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছেন। এর আগে ২০১৩ সালে রাজাও রাণী বাংলাদেশ সফর করেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ভুটানের রাজা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল এই সময় রাষ্ট্রীয় সালাম জানায় এবং বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়। রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান এবং ভুটানের রাজাও স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইতে স্বাক্ষর করেন।

    পরে দলের নেতাদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে আরেকটি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এই সময় জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা, কূটনীতিক, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।পরে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতিও মহান জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    প্রতি বছর ২৬ মার্চ ইতিহাসের অন্ধকার অধ্যায়ের সবচেয়ে করুণ স্মৃতিকথা নিয়ে আসে। যা অন্ধকার সরিয়ে মুক্তির আলোয় উদ্ভাসিত। যার শুরুটা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কাল রাতে।

    জাতির পিতার নেতৃত্বে বাঙালির অসহযোগ আন্দোলন চলাকালীন ১৯৭১ এর ২৫ মার্র্চ রাতে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সশস্ত্র অভিযান ও গণহত্যা শুরুর পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চ রাতে তৎকালীন ইপিআর (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) ওয়ারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আর এরমধ্য দিয়েই শুরু হয় পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র জনযুদ্ধ। যদিও তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণেই তিনি সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্দীপিত করেছিলেন। ত্রিশ লাখ শহীদের বুকের তাজা রক্ত আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয়। বিশ^ মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

    ২৬ মার্চ ও মহান স্বাধীনতা দিবস তাই বাঙালির কাছে খুব পবিত্র ও মহামূল্যবান।

  • স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ মার্চ, ২০২৪: ৫৪ তম ‘স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।

    তিনি আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে রক্ষিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    এ সময় বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।

    পরে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা তাঁর দলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

    বাঙালি জাতির কাছে দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান।

  • আগামী বছর শনিবার স্কুল খোলা রাখার পরিকল্পনা করবো: শিক্ষামন্ত্রী

    আগামী বছর শনিবার স্কুল খোলা রাখার পরিকল্পনা করবো: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ মার্চ, ২০২৪: আগামী বছর শনিবার স্কুল খোলা রাখার পরিকল্পনা করবো, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “বছরে ৫৩ সপ্তাহে ৫২টি শনিবার রয়েছে। সেখানে যদি কিছুটা বিদ্যালয় খোলা রাখি, তাহলে রমজানের ক্ষেত্রে যে বিতর্ক সৃষ্টির অপপ্রয়াস যারা করছে তাদের সেই অপপ্রয়াসকে বন্ধ করতে পারি সেই লক্ষ্যে আমরা একটা পরিকল্পনা করবো। যাতে এটা নিয়ে আবারও আদালতে গিয়ে মিথ্যা বুঝিয়ে বিভ্রান্তি করে রায় নিয়ে এসে অপচেষ্টা করতে না পারে, রাস্তায় এসে মানববন্ধন করতে না পারে। আমরা সংবেদনশীলতার জায়গায় শ্রদ্ধাশীল। আমরা আলেম-ওলামার সাথেও আলোচনা করবো। তাদেরও একটা অবস্থান আছে এটা নিয়ে।”

    আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ বিষয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “পবিত্র রমজান মাসে বিদ্যালয় খোলা থাকা নিয়ে নানা ধরনের প্রচার-অপপ্রচার হয়েছে। যেহেতু এ বছর বিষয়টা এভাবে এসেছে, আগামীতে আমরা চেষ্টা করবো কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে।”

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব ও দেশের উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন নাহার। এ সময় আরও বক্তব্য দেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরে প্রাথমিক বিদ্যালয় রমজানে ১০ দিন এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৫ দিন খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। বিষয়টি আদালত পর্যন্তও গড়ায়।

  • আগামীকাল ২৭ মার্চ থেকে ১ ঘন্টা বাড়ছে মেট্রোরেলের সময়

    আগামীকাল ২৭ মার্চ থেকে ১ ঘন্টা বাড়ছে মেট্রোরেলের সময়

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ মার্চ, ২০২৪: রাজধানী ঢাকার মানুষ মেট্রোরেল আর্শিবাদ হয়ে এসেছে।কেননা যানজটের কারণে এতদিন মানুষ সময় মতো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারনি। তাই প্রতিনিয়ত বাড়ছে মেট্রোরেলের যাত্রীসংখ্যা । ঢাকাবাসীর দবি ছিলো মেট্রোরেলের সময় বাড়ানোর। এই বিষয়টি বিবেচনার রেধে আগামীকাল বুধবার (২৭ মার্চ) থেকে এক ঘণ্টা বাড়ছে মেট্রোরেলের চলাচলের সময়।

    আজ মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর ইস্কাটনের প্রবাসীকল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এমএএন ছিদ্দিক।

    তিনি বলেন, “আমরা মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেই কাজটি সম্পন্ন করেছি। বুধবার (২৭ মার্চ) থেকে মেট্রোরেল এক ঘণ্টা বেশি চলবে। উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিলের উদ্দেশে এতদিন রাত ৮টায় সর্বশেষ মেট্রোরেল ছেড়ে যেত। সেটি এখন এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সর্বশেষ রাত ৯টা পর্যন্ত চলাচল করবে। অপরদিকে, মতিঝিল স্টেশন থেকে উত্তরা উত্তরের উদ্দেশে এতদিন সর্বশেষ মেট্রোরেল রাত ৮টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যেতে। এখন রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সর্বশেষ মেট্রোরেল মতিঝিল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাবে। সেই ট্রেনটি উত্তরা উত্তর স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ১০টা ১৪ মিনিটে।”

    তিনি আরও জানান, “নতুন করে বাড়ানো এক ঘণ্টা সময়ে উভয়দিকেই মেট্রোরেল ১২ মিনিট পর পর চলাচল করবে। এছাড়া অন্য সময়সূচি আগের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে।  তবে সকাল ৭টা ১০ মিনিট এবং সকাল ৭টা ২০ মিনিটে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া মেট্রোরেল দুটিতে এবং রাত ৯টার পর থেকে মতিঝিল স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া মেট্রোরেলগুলোয় শুধুমাত্র এমআরটি র‍্যাপিড পাস ব্যবহারকারীরা চলাচল করতে পারবেন।”

    এমএএন ছিদ্দিক বলেন, “এই বর্ধিত সময়ে আরও ১০ বার মেট্রোরেল চলাচল করবে। এতে দৈনিক ১৯৪ বার মেট্রোরেল চলাচল করবে এবং প্রতি ট্রেনে দুই হাজার ৩০৮ জন করে মোট চার লাখ ৪৭ হাজার ৭৫২ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।”