Category: বাংলাদেশ

  • বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

    বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে, বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, “রুহুল কবির রিজভী সাহেবরা যে কথা বলেন, তারা সে বাংলাদেশ দেখতে অভ্যস্ত। আজকে বাংলাদেশ এমন এক জায়গায় গেছে যে পেছনে তাকানোর সময় নেই। আজকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আজকে বিশ্ব হাতের নাগালের মধ্যে। কাজেই রুহুল কবির রিজভী সাহেবরা যে দুঃখ-কষ্টের বাংলাদেশ সৃষ্টি করেছিলেন সেই দুখঃ-কষ্টের বাংলাদেশ আজকে আর নেই। আজকের বাংলাদেশ একটি সুন্দর বাংলাদেশ, হাস্যোজ্বল বাংলাদেশ। রুহুল কবির রিজভী সাহেবরা যে যত স্বপ্নই দেখুক সে স্বপ্ন পূরণ হবে না। বাংলাদেশ আর পিছনে তাকাবার বাংলাদেশ নেই।”

    আজ সোমবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে তিনি একথা বলেন। এসময় মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, “আমরা গ্রামের মানুষ। আমরা যারা সরকারের লোক এবং সরকারে রয়েছি, আমরা কিন্তু রমজানের আগেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। রমজানের আগেই বাজার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। আমার নির্বাচনী এলাকা মোহাম্মদপুর, আদাবর, শেরে বাংলা নগরে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সুলভমূল্যে কেনাকাটার ব্যবস্থা করেছিলাম। ঢাকার মানুষ যে বাজার পরিস্থিতির মুখোমুখি ছিল মফস্বলের মানুষ কিন্তু সেই পরিস্থিতির মুখে ছিল না। ঢাকা শহরে এক পরিস্থিতি, মফস্বলের আরেক পরিস্থিতি। তৃণমূল কৃষক যে দামে বিক্রি করে ভোক্তার কাছে এসে তা ৫০-৬০ গুণ বেড়ে যায়। এটা আমরা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।”

    তিনি বলেন, “সিন্ডিকেট একটা পপুলার শব্দ। সিন্ডিকেট আমার কাছে মনে হয়েছে বড় ব্যাপার। তবে সিন্ডিকেট কাঁচাবাজারের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়। মাঝখানে যারা মালামালটা কেনে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হওয়া দরকার। সে কাজটা সরকার করবে, সেটা সরকারের দায়িত্ব। আমরা যারা সরকারের আছি আমাদের দায়িত্ব। সুলভ মূল্যের বাজারের কারণে ঢাকা শহরে ১৫ রোজার পরে বাজার ফল করেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জিনিসপত্র, কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”

    তিনি বলেন, “দেশের মানুষ দুটি বড় উৎসব পালন করলো। ঈদুল ফিতরের পর বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে। দুই উৎসব আনন্দের মধ্যে দিয়ে পালন করেছে। ধন্যবাদ জানাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সবাইকে।”

    বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী বলেন, “সচিবালয়ে আজকে আমারও ভালো লাগেনি। অনেক ভিড়ের সচিবালয়ে আজকে ভিড় কম। ঢাকার রাস্তায় অস্বাভাবিক। আসলে আমার জানামতে দুই পর্ব মিলে এতো ছুটি হয়নি। এখন স্বল্প সময়ের মধ্যে মানুষ বাড়িতে যায়। সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করে দিয়েছেন শেখ হাসিনা। গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে। এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।”

  • সদরঘাটে রশি ছিড়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    সদরঘাটে রশি ছিড়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: সদরঘাটে রশি ছিড়ে পাঁচ জনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত চলছে, বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনে বলেন, “রশি ছিড়ে পাঁচ জন নিহতের ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে।”

    ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে সোমবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    সদরঘাটে জায়গা না থাকার পরও অনেক লঞ্চ গতি নিয়ে সেখানে ঢোকার চেষ্টা করে- এ বিষয়ে দৃষ্টি দিবেন কিনা- জানতে চাইলে নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা সব লঞ্চ করে, ব্যাপারটা তা নয়। বিশেষ বিশেষ কিছু লঞ্চ করে, শক্তিশালী কোন মালিক থাকলে তাহলে এটা করে। আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। মনে করেন এটার সঙ্গে মন্ত্রী বাহাদুর যুক্ত আছে বা অন্য কেউ যুক্ত আছে, তখন তার সঙ্গে স্টাফরা এই ধরনের আচরণ করে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”

    ঈদের দিন সদরঘাটে লঞ্চের রশি ছিঁড়ে পাঁচজন নিহত বিষয়ে তিনি বলেন, “অভ্যন্তরীণ নৌপথে যতগুলো ঘটনা ঘটেছে, সেটা সদরঘাট হোক, ভোলায় হোক, চাঁদপুরে হোক, বরিশালে হোক, মাঝ নদীতেই হোক না কেন- প্রত্যেকটার আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন ধরনের পানিশমেন্ট হয়।”

    নৌপ্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঈদের দিন আমরা উৎসবমুখর মুডে ছিলাম। সেখানে এই ধরনের একটি ঘটনা ঈদের আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে। আপনারা জানেন জাহাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল অনেকে কিন্তু পালিয়ে গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে।”

    তিনি বলেন, “একটা মামলা হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা এই জায়গাটায় খুবই শক্ত আছি। যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে।”

    নাবিকদের মুক্তির জন্য ব্যাগে করে মুক্তিপণ দেওয়ার ছবি দেখা গেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটা এখন কোন সিনেমার ছবি আমি তো জানি না। এমন ছবি তো আমরা অনেক চলচ্চিত্রে দেখি। কোন ছবি কোথায় গিয়ে কীভাবে যুক্ত হয়েছে, কোনটার সঙ্গে কোনটা এডিট হয়েছে আমি জানি না।”

    তিনি বলেন, “জানতাম পরিত্যক্ত জিনিস পানিতে ফেলে। এত দামি জিনিস (ডলার) পানিতে ফেলে জানা ছিল না।”

  • ‘আমরা তো তিমির বিনাশী’ এই স্লোগানে মঙ্গল শোভাযাত্রায় ১৪৩১ বরণ

    ‘আমরা তো তিমির বিনাশী’ এই স্লোগানে মঙ্গল শোভাযাত্রায় ১৪৩১ বরণ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: অন্ধকার কাটিয়ে আলোর দিকে ধাবিত হওয়ার প্রত্যয়ে হলো ১৪৩১ সনের বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবারের শোভাযাত্রার স্লোগান ছিল ‘আমরা তো তিমির বিনাশী’।

    আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামাল।যাত্রা শুরুর আগে প্রথমে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়েছে।

    সমাজকল্যাণমন্ত্রী দীপু মনি, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ডিএমপি কমিশনার এতে অংশ নেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

    মঙ্গল শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা কঠোর নিরাপত্তার চাদরে মোড়ানো ছিল। মাঝপথে কারও শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না। কারণ চতুর্দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে মানবপ্রাচীর গঠন করা হয়।

    শোভাযাত্রাটি শাহবাগ মোড় হয়ে শিশুপার্কের সামনে দিয়ে ঘুরে ফের শাহবাগ হয়ে টিএসসিতে গিয়ে শেষ হয়। এ আয়োজনের পরবর্তী অংশে চারুকলার বকুলতলার মঞ্চে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে বাউল গান।

    এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রদর্শনীর জন্য বিভিন্ন মুখোশ, ঘোড়া, মূর্তি, ট্যাপা পুতুল, নকশি পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

    ১৯৮৯ সালে চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বের হয়েছিল আনন্দ শোভাযাত্রা, যা দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বাংলাশের মানুষের কাছে।

    পরে ১৯৯৬ সালে এর নাম পরির্বতন করে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ রাখা হয়। এরপর থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা বাংলা বর্ষবরণের অন্যতম অনুষঙ্গ হয়ে ওঠে।

    ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায় এ শোভাযাত্রা।

  • আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন: নৌ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন, বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশি জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’ ও জিম্মি ২৩ নাবিকের মুক্তিতে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কোনো মুক্তিপণ দেওয়া হয়নি। তাদের সঙ্গে (জলদস্যুদের) নেগোসিয়েশন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন।”

    আজ রবিবার(১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডের তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করেছি, দীর্ঘদিন কথাবার্তা চলেছে। এখানে মুক্তিপণের কোনো বিষয় নেই। আমাদের আলাপ-আলোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের চাপ আছে এখানে। সেই চাপগুলো এখানে কাজে দিয়েছে।”

    তিনি বলেন “কারণ আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে এটা (জাহাজ) তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। কাজেই জলদস্যুরাই একদম সর্বশক্তিমান, ব্যাপারটা তা নয়। এতদিন যাবত আমরা যে সময়টা নিয়েছি, ইউরোপিয়ান নেভাল ফোর্স থেকে শুরু করে অনান্য যারা আছে, এরা (জলদস্যু) ভীষণ চাপে ছিল।”

    মন্ত্রী বলেন, “বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে নাবিক উদ্ধারে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।”

    মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর ‘এমভি আব্দুল্লাহ’কে ছেড়ে দিয়েছে জলদস্যুরা- এমন খবর প্রচার হয়েছে ইতোমধ্যে।

    মিজানুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, শনিবার রাত ১২ টা মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর দস্যুরা জাহাজ থেকে নেমে যায়। রাত ১২ টায় জাহাজটি মুক্ত হওয়ার পর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

    গত ১২ মার্চ কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে দুবাইয়ের দিকে যাওয়ার সময় ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস‍্যুদের কবলে পড়ে  ‘এমভি আবদুল্লাহ’। ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় দস্যুরা। হেত ১ মাস ধরে মোজাম্বিকের কাছাকাছি অবস্থান করছিল জাহাজটি।

  • ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্ক কে সংরক্ষণ করতে হবে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্ক কে সংরক্ষণ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “আজকে ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্ক। এখানে আমাদের ইতিহাসের অনেক স্মৃতি। বাহাদূর শাহ পার্কটি, ঐতিহাসিক স্থানটি সংরক্ষণ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে বলব এখানে বাঙালির ইতিহাসের অনেক স্মৃতি, অনেক লড়াই সংগ্রামের স্মৃতি। এই স্মৃতি ধরে রাখতে হবে এবং স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।”

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই দিন বাঙালি জাতি পরম ভালোবাসায় তাদের হৃদয়ে ধারণ করে, চেতনায় ধারণ করে। আজকের এই দিনে বেশি কথা বলার নেই। এটা আজ প্রতিষ্ঠিত সত্য, কারা বৈশাখের চেতনা বিরোধী, কারা বাঙালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী কায়দায় ’১৪ সালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার শোভাযাত্রাকে বন্ধ করে দিতে চেয়েছিল। সেই অপশক্তি আজও বাংলার মাটিতে আছে।”

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমি আজকে এই ঐতিহাসিক স্থানটিতে বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠানে আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আজকে বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে বাঙালি সংষ্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্যকে আমাদের চেতনায় ধারণ করে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। হাজার বছরের সবার সেরা বাঙালি বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিধন্য এই বাংলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি সংস্কৃতির বহমান ধারাকে আমরা বহতা নদীর মতো এগিয়ে নিয়ে যাব বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার অভিমুখে।”

    আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “বিএনপি হচ্ছে বাঙালি সংস্কৃতির, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের, চেতনার, মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ, শত্রু। আসুন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়, বাঙালির ঐহিত্যবাহী চেতনায় এই শত্রুপক্ষকে আমরা প্রতিহত করি, পরাজিত করি এবং বিজয়ের লক্ষ্য অভিমুখে এগিয়ে যাই।”

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের যে শিশু আজও সমুদ্রের মুখ দেখেনি, বাংলাদেশের যে শিশু অকালে ঝরে যায়, বনফুলের মত ফুটে বনফুলের মত অদৃশ্য হয়ে যায়, বাংলাদেশের যে শিশু কমলা রঙের অপরাহ্নের রোদ দু-হাতে গালে মাখেনি পরমানন্দে, সেই শিশুদের জন্য বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা নির্মাণ করব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের শিশুদের জন্য। গাজায় ইহুদিরা রক্তস্রোতে ভাসিয়ে দিচ্ছে, ১৪ হাজার শিশুকে এ পর্যন্ত হত্যা করেছে। আসুন আমরা সেই শিশুদের জন্য বাংলাদেশকে নিরাপদ আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তুলি।”

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাসিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ নেতারা বক্তব্য রাখেন। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ অভিমুখে যায়। এতে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

  • আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নাবিকদের উদ্ধারের আলোচনা করি: ডিএমডি শাহরিয়ার

    আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নাবিকদের উদ্ধারের আলোচনা করি: ডিএমডি শাহরিয়ার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: আমরা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নাবিকদের উদ্ধারের আলোচনা করি, বলে জানিয়েছেন কেএসআএমের ডিএমডি শাহরিয়ার জাহান রাহাত। তিনি বলেন, “জাহান মনি জাহাজ জলদস্যুর কবলে পড়ার ১৪ বছর পর দুর্ভাগ্যবশত একই ঘটনা ঘটল। গত ১২ মার্চ এ জাহাজ আক্রমণের শিকার হয়েছিল অস্ত্রের মুখে। ৩১ দিন পর ফাইনালি জলদস্যুরা জাহাজটি ছেড়ে যায়। সাধারণত দস্যুরা মালিকপক্ষকে টার্গেট করে বেশি স্বার্থ হাসিল করতে চায়। তাই আমরা তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমে জাহাজ ও নাবিকদের উদ্ধারে আলোচনা শুরু করি।”

    আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে বারিক বিল্ডিং মোড়ের কেএসআরএম ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমডি শাহরিয়ার জাহান রাহাত।

    ডিএমডি শাহরিয়ার বলেন, “আমাদের জাহাজ হাইরিস্ক এরিয়ার বাইরে ছিল। ২০০ নটিক্যাল মাইল রিস্কি। আমরা ৬০০ নাটিক্যাল মাইলে ছিলাম। তাই আর্ম গার্ড নিইনি আমরা।”

    তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ধন্যবাদ জানাতে চাই। বিদেশি যুদ্ধজাহাজ ফোর্সফুলি জাহাজটি উদ্ধারে যেতে চেয়েছিল। আমাদের সরকার কুইক রেসপন্স করেছে। সাংবাদিকরা সহযোগিতা করেছেন। ১৯-২০ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে জাহাজটি আশাকরি। এরপর নাবিকদের দেশে ফিরিয়ে আনাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    প্রথমত তারা ফ্লাইটে, দ্বিতীয়ত ওই জাহাজেই দেশে ফিরতে পারবেন।

    কেএসআরএম’র সিইও মেহেরুল করিম বলেন, “জাহান মণির সময় আমাদের জ্ঞানের অভাব ছিল। তখন উদ্ধারে সময় বেশি লেগেছিল। এবার জাহাজ দখলে নেওয়ার পর আমরা জাহাজের লোকেশন ট্রেক করতে থাকি। যোগাযোগ শুরুর পর প্রতিদিনই কথা হচ্ছিল। নাবিকরা কেমন আছে, কত তাড়াতাড়ি দস্যুরা জাহাজ ছেড়ে যাবে ইত্যাদি কথা হতো। দুই দিন আগে আমাদের দাবি ছিল, তাই প্রত্যেক নাবিকের ভিডিও নিয়েছি। মুক্তিপণের প্রতিটি কাজ আইনগতভাবে করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে করা হয়েছে৷ কত ডলার সে বিষয়টি আমরা নানা কারণে বলতে পারছি না। ইউএসএ, ইউকে, সোমালিয়া, কেনিয়ার নিয়ম মানতে হয়েছে।”

    আজ ভোর তিনটায় কথা হয় ক্যাপ্টেনের সঙ্গে। জলদস্যুরা ৬৫ জন ছিল। বোটে করে তারা চলে যায়। নাবিকদের অপশন আছে ফ্লাইটে আসা কিংবা জাহাজে আসা। জাহান মণি ১০০ দিন ছিল। নাবিকদের ভিসা সমস্যা ছিল। আবদুল্লাহ জাহাজটি দুবাই থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে আসব।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেএসআএমের ডিএমডি সরোয়ার জাহান, পরিচালক করিম উদ্দিন, মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম।

    গত ১২ মার্চ ভারত মহাসাগর থেকে ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ জিম্মি করেছিল সোমালিয়ার জলদস্যুরা।

  • বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়: মেয়র তাপস

    বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়: মেয়র তাপস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়, বলে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, “পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ রাতের বেলা ১২টা ১ মিনিটে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। আমরাই একমাত্র জাতি যারা নতুন সূর্যোদয়কে বরণের মাধ্যমে বর্ষবরণ করে থাকি। সুতরাং বাঙালি জাতি বিশ্ববাসীকে আলোর পথ দেখায়। বাঙালি জাতি আলোর দিশারী।”

    আজ রবিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে নগর ভবন প্রাঙ্গণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বর্ষবরণ উৎসব-১৪৩১ বঙ্গাব্দ’ এ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস এ মন্তব্য করেন।

    স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসবসমূহের মধ্যে অন্যতম। এই উৎসব অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। অথচ দেশে বিরোধী সাম্প্রদায়িক শক্তি একসময় এই উৎসবকে বানচাল করার পাঁয়তারা করেছিলো। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও এই উৎসবকে বাঙালির ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিয়েছে। তার নেতৃত্বেই বাঙালি সংস্কৃতি এগিয়ে চলেছে এবং এগিয়ে যাবে।”

    অনুষ্ঠানে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির প্রমুখ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে আগত সকলের মাঝে পান্তা-ইলিশের পাশাপাশি আলু, ডাল, লইট্টা শুটকি, বেগুন, শিম, কলা, ধনিয়া পাতা, টমেটো, চ্যাপা শুটকি, সরিষা, পেঁয়াজ ভর্তাসহ মোট ২০ ধরনের ভর্তা পরিবেশন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ড. আওলাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, করপোরেশনের সচিব আকরামুজ্জামান, করপোরেশনের কাউন্সিলরবৃন্দ ও তাদের পরিবারবর্গ, করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • সোমালিয়ায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি ২৩ নাবিক মুক্ত

    সোমালিয়ায় জলদস্যুদের হাতে জিম্মি ২৩ নাবিক মুক্ত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: গত ১২ মার্চ বাংলাদেশি কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের ‘এমভি আবদুল্লাহ’ জাহাজটি ২৩ জন নাবিকসহ জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা।এক মাসেরও বেশি সময় ধরে জিম্মি থকা জাহাজের নাবিকরা মুক্ত হয়েছে । ২৩ নাবিকই সুস্থ রয়েছেন।

    জাহাজের মালিকপক্ষ কেএসআরএম গ্রুপের পক্ষ থেকে জানা যায় শনিবার (১৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টা ৩৫ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    জানা গেছে, জলদস্যুরা জাহটি ছেড়ে দিয়েছে এবং ২৩ নাবিকই অক্ষত অবস্থায় আমরা ফেরত পেয়েছি। আজ রবিবার (১৪ মার্চ) সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

    জানা গেছে, জলদস্যুদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ নিয়ে একটি বিমান বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেলে জিম্মি জাহাজের ওপর চক্কর দেয়। এসময় জাহাজের ওপরে ২৩ নাবিক অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর বিমান থেকে ডলারভর্তি তিনটি ব্যাগ সাগরে ফেলা হয়। স্পিডবোট দিয়ে এসব ব্যাগ জলদস্যুরা সংগ্রহ করে। জাহাজে উঠে দাবি অনুয়ায়ী মুক্তিপণ গুনে নেয় জলদস্যুরা। তবে চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি যথাসময়ে ছেড়ে দেয়নি দস্যুরা। পরবর্তীতে আশপাশে কেউ আটক করছে কি না, সেটি নিশ্চিত হয়ে জাহাজ থেকে দস্যুরা নেমে যায়।

    মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার মধ্যরাতে ২৩ নাবিক নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এমভি আবদুল্লাহ।

    যদিও মুক্তিপণ কত এবং কীভাবে দেওয়া হয়েছে সেটি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জাহাজের মালিকপক্ষের কোনো কর্মকর্তা।

    কেএসআরএম গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান বলেন, সমঝোতার পর নাবিকসহ জাহাজটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। জাহাজের চারপাশে একাধিক আন্তর্জাতিক যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।

    এর আগে গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে গত ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

    কবির গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসআর শিপিংয়ের মালিকানাধীন ‘এমভি আবদুল্লাহ’ আগে ‘গোল্ডেন হক’ নামে পরিচিত ছিল। ২০১৬ সালে তৈরি বাল্ক কেরিয়ারটির দৈর্ঘ্য ১৮৯ দশমিক ৯৩ মিটার এবং প্রস্থ ৩২ দশমিক ২৬ মিটার। গত বছর জাহাজটি এসআর শিপিং কিনে নেয়। বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রুটে চলাচলকারী এরকম মোট ২৩টি জাহাজ আছে কবির গ্রুপের বহরে।

    ২০১০ সালের ডিসেম্বরে আরব সাগরে সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল বাংলাদেশি জাহাজ জাহান মণি। ওই সময় জাহাজের ২৫ নাবিক এবং প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রীকে জিম্মি করা হয়। নানাভাবে চেষ্টার পর ১০০ দিনের চেষ্টায় জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্তি পান তারা।

  • আগামীকাল সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হবে

    আগামীকাল সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ এপ্রিল, ২০২৪: আগামীকাল রবিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে নববর্ষ উদযাপনের ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড এ এস এম মাকসুদ কামাল।

    আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) চারুকলা অনুষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

    উপাচার্য বলেন, “আমরা আগামীকাল বাংলা নববর্ষ উদযাপন করতে যাচ্ছি। আশা করছি, বিগত বছরের তুলনায় এ বছরও ভালো কাটবে। এবারের উপজীব্য বিষয় হলো ‘অন্ধকারকে কাটিয়ে আলোর দিকে ধাবিত হওয়া’। প্রতিবারের মতো এবারও চারুকলা অনুষদ দিবসটি উদযাপন করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।”

    তিনি বলেন, “আগামীকাল সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হবে। যাত্রাটি চারুকলা থেকে শুরু হয়ে ঢাকা ক্লাব ও শিশু পার্ক ঘুরে টিএসসিতে এসে শেষ হবে। এছাড়া বিকেল ৫টা পর্যন্ত চারুকলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।”

    উপাচার্য বলেন, “পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে ঢাবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ সিসি ক্যামেরা ও আর্চওয়ে থাকবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো রকম ভুভুজেলা বাঁশি বাজানো ও বিক্রি করা যাবে না। এছাড়া ইভটিজিং প্রতিরোধ পুলিশ প্রশাসন ও প্রক্টোরিয়াল টিম প্রস্তুত থাকবে। এ শোভাযাত্রায় কোনো বাণিজ্যিক প্রচারণা করা যাবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গেটি বন্ধ রাখা হবে। আগত দর্শনার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত পানি ও মোবাইল টয়লেটের সুবিধা রাখা হয়েছে।”

  • কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ১৪ কিলোমিটার সড়কে বৈশাখী আলপনা অঙ্কন হচ্ছে

    কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে ১৪ কিলোমিটার সড়কে বৈশাখী আলপনা অঙ্কন হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ এপ্রিল, ২০২৪: অষ্টমবারের মতো কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে আয়োজিত হচ্ছে আলপনায় বৈশাখ ১৪৩১ উৎসব। এর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বাঙালির আবহমান ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা। কিশোরগঞ্জের হাওরের মিঠামইনে ১৪ কিলোমিটার সড়কে বৈশাখী আলপনা বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে ঠাঁই করে নিতেই এই আয়োজন।

    গতকাল শুক্রবার বিকেল ৫টায় কিশোরগঞ্জের মিঠামইন এলাকায় আলপনা আঁকার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি আসাদুজ্জামান নূর এমপি। আরটিভি

    মিঠামইন জিরোপয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কে এই আলপনা আঁকার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আলপনা অঙ্কন করছেন ৬৫০ জন শিল্পী মিলে। আলপনা অঙ্কন শুরু হয়েছে শুক্রবার এবং শেষ হবে আগামী রবিবার পহেলা বৈশাখের দিন।

    এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড ও বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগের এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে আলপনায় বৈশাখ ১৪৩১। এই সড়কের আলপনা আঁকার পর বিশ্বরেকর্ড হিসেবে গিনেস বুকে নথিভুক্ত করার উদ্যোগ নেবেন আয়োজকরা।

    কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর এমপি, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও ডিআইজি মো. হারুন অর রশীদ, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ রাসেল শেখ, চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান, বার্জার পেইন্ট লিমিটেডের পরিচালক মহসিন হাবিব চৌধুরী, বাংলালিংক লিমিটেডের চিফ হিউমেন রিসোর্স কর্মকর্তা মন্জুলা মোর্শেদ প্রমুখ।

    যারা বক্তব্য দিয়েছেন তারা বলেন,বিশ্বরেকর্ড গড়ার অদম্য এই প্রচেষ্টা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে, সম্প্রীতির আরও সুদৃঢ় হবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ গ্রিনেজ বুক ওয়াল্ডে, বিশ্বের সর্ববৃহৎ আলপনা’র স্বীকৃতি পাবে, কিশোরগঞ্জ হাওরাঞ্চল বিশ্ববাসীর নিকট নতুনভাবে পরিচিত হবে। পর্যটন শিল্প আরো বিকশিত হবে। আগামী ১৪ এপ্রিল  ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। মিঠামইনে ১৪ কিলোমিটার আলপনা আঁকা পরিদর্শন করবেন