Category: বাংলাদেশ

  • ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ এপ্রিল, ২০২৪: হাইকোর্ট দেশে সব ধরনের ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ।এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে ওষুধ প্রশাসনের অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের ।

    আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একইসঙ্গে অব্যাহতভাবে ওষুধের মূল্যবৃদ্ধি রোধে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। এছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রি বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আজাদ ও আনিচ উল মাওয়া।

    ‘দুই সপ্তাহে ওষুধের দাম বেড়েছে ৭ থেকে ১৪০ শতাংশ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এ রিট দায়ের করে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই মাসে দেশের বিভিন্ন কোম্পানি তাদের উৎপাদিত ওষুধের দাম লাগামহীনভাবে বাড়িয়েছে। অন্তত ৫০ ধরনের ওষুধের দাম ২০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। চলতি মার্চের প্রথম সপ্তাহেও দাম বাড়ানো হয়েছে বেশ কয়েকটি ওষুধের।

    সবচেয়ে বেশি বাড়ানো হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেট, ডায়াবেটিসের রোগীদের ইনসুলিন ও ইনজেকশনের দাম। এছাড়া হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যা, হাঁপানিসহ বিভিন্ন ওষুধ এবং ভিটামিনের দামও বেড়েছে। বাদ যায়নি জ্বর-সর্দির ট্যাবলেট-ক্যাপসুল, বিভিন্ন অসুখের সিরাপও।

    বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং বিক্রি থেকে আয়ের হিসাব পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দাম বাড়ানোর হার অস্বাভাবিক। এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির অজুহাত হিসেবে কোম্পানিগুলো ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করছে। এসময় গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও উৎপাদন খরচ বাড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ কোম্পানিগুলোর শীর্ষ স্থানীয় কর্মকর্তারা।

  • জমি সংরক্ষণ করতে সবার সহযোগিতা চাই: ভূমিমন্ত্রী

    জমি সংরক্ষণ করতে সবার সহযোগিতা চাই: ভূমিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ এপ্রিল, ২০২৪: জমি সংরক্ষণ করতে সবার সহযোগিতা চাই, বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ। তিনি বলেন, “পঞ্চগড়, দিনাজপুর, রংপুর শস্য ভাণ্ডার। এসব জমি আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে। এক্ষেত্রে আমরা সবার সহযোগিতা চাই। সুন্দর ভূমি ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য যেন খাদ্য নিশ্চিত করতে পারি, সে লক্ষ্যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।”

    আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকালে রংপুর সফরে এসে সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    ভূমিমন্ত্রী বলেন, “জরিপের ওপর নির্ভর করে খতিয়ান ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ে আসা হচ্ছে। ভূমিসেবায় ই-নামজারি, ই-খাজনা দেওয়া চালু করা হয়েছে। কোনো গ্রাহককে অফিসে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এছাড়া দেশের প্রতিটি মানুষের সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয় জড়িত। এটিতে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা দরকার। আমরা পর্যায়ক্রমে ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ভূমিসেবাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাব যেন জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে জানা যাবে একজন ব্যক্তির কি পরিমাণ এবং কোন খতিয়ানে কত জমি রয়েছে। ফলে জাল দলিলের সমস্যা আর হবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “দখল হওয়া নদী-নালা, খাল-বিল, জলাশয় উদ্ধার সময় সাপেক্ষ ও কঠিন ব্যাপার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল জরিপ অনুযায়ী সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাস জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির শ্রেণি বিন্যাস করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিটি জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। জেলা ও মৌজা অনুযায়ী খাল-বিল ও খাস জমির তালিকা রয়েছে।”

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর মণ্ডল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাসেম বিন জুম্মন, মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

  • তীব্র গরমের মধ্যেও ভোটাররা আস্থার সঙ্গে ভোট দিয়েছে: ইসি আলমগীর

    তীব্র গরমের মধ্যেও ভোটাররা আস্থার সঙ্গে ভোট দিয়েছে: ইসি আলমগীর

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ এপ্রিল, ২০২৪: তীব্র গরমের মধ্যেও ভোটাররা আস্থার সঙ্গে ভোট দিয়েছে, বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর।তিনি বলেন, “ভোটার উপস্থিতির ক্ষেত্রে আপনারা দেখেছেন, গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থানে যে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে এ তীব্র গরমের মধ্যেও কোনো কোনো কেন্দ্রে ৭০ ভাগ, কোনো কোনো কেন্দ্রে ৮০ ভাগ এবং ৬০ ভাগ ভোটার উপস্থিতি ছিল। কারণ নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে একটা আস্থা এসেছে যে এখন ভোট দেওয়া যায়, আমার ভোট আমি দিতে পারব।”

    আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলার রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

    ইসি আলমগীর বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ এখন নির্বাচনকে উৎসব মনে করে “

    তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ ভালো পরিবেশ পেলে ভোটকে উৎসব হিসেবে মনে করে। সেই উৎসবের অংশ হিসেবে আমরা মনে করি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে। হ্যাঁ তবে গরমের কারণে মানুষের একটু কষ্ট হবে। তারপরও মানুষ ভোট দিতে আসবে।”

    মো. আলমগীর বলেন, “কোনো মন্ত্রী, এমপি বা সরকারের বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত বড় কর্মকর্তার আত্মীয়-স্বজন প্রার্থী হলে তারা তাদের পক্ষে প্রচার চালাতে পারবেন না বা পক্ষ অবলম্বন করতে পারবেন না। এ বিষয়ে তাদের কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। তারপরও তারা এ কাজ করলে প্রার্থীর যেমন প্রার্থিতা বাতিল হবে, ঠিক একইভাবে ওই মন্ত্রী, এমপি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এ সময় রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আবু কায়সার খান, পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • সামাজিক নিরাপত্তায় ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    সামাজিক নিরাপত্তায় ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ এপ্রিল, ২০২৪: সামাজিক নিরাপত্তায় ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে, বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, “সামাজিক বিমার মাধ্যমে নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণে ভিয়েতনাম অনবদ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নে ভিয়েতনামের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে।”

    আজ সোমবার (২৯ এপ্রিল) ভিয়েতনামের বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, ভিয়েতনামের শ্রম, প্রতিবন্ধী ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব তার বক্তব্যে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এই সফরের মাধ্যমে আমাদের অর্জিত জ্ঞান এবং আরো বৃহৎ পরিসরে বিস্তারিত গবেষণা করে এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।”

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদল গত ২১- ২৭  এপ্রিল  ভিয়েতনামে সরকারি সফর করেন। এই সরকারি সফরের সময় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ভিয়েতনামের শ্রম, প্রতিবন্ধী ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, কুয়ান নিন প্রদেশ সরকার, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার হ্যানয়স্থ কার্যালয়, ভিয়েতনাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ভিয়েতনামের সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মডেল সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়। ভিয়েতনামের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বাংলাদেশের সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যাপক প্রশংসা করেন। তারা উভয় দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় অব্যহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত এবং এ খাতের উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১৫ সালে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল  প্রণয়ন করেছে। দারিদ্র্য ও ঝুঁকি মোকাবেলায় জীবনচক্র ভিত্তিক সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন করা এ কৌশলের প্রধান লক্ষ্য। এর আওতায় ইতোমধ্যে কর্ম-বয়সী মানুষের জন্য সফলভাবে সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, বেকারত্ব, দুর্ঘটনা, পঙ্গুত্ব এবং অসুস্থতা ঝুঁকি নিরসনের জন্য সমন্বিত সামাজিক বিমা প্রবর্তনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উত্তম চর্চা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিনিধি দল ভিয়েতনাম সফর করেন।

    সরকারি এই সফরের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল হ্যানয়স্থ হো চি মিন মাওসোলিয়াম পরিদর্শন করেন এবং ভিয়েতনামের নেতা হো চি মিনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

  • শেখ হাসিনার সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ প্রণয়ন করেন: আইনমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ প্রণয়ন করেন: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: শেখ হাসিনার সরকার ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ প্রণয়ন করেন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, “মানুষগুলোর আইনগত সহায়তা পাওয়ার অধিকারের প্রতি কেউ দৃষ্টি দেয়নি। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি ১৯৯৬ সালে প্রথমবার সরকার গঠন করেই ২০০০ সালে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ প্রণয়ন করেন। ফলে বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় অসচ্ছল ও সহায়-সম্বলহীন নাগরিকদের আইনগত অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।”

    আজ রবিবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মূল সংবিধানেই গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সামাজিক সুবিচার ও সমতার বিধানাবলিসহ বিচার প্রক্রিয়ায় ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব নাগরিকের প্রবেশাধিকারের বিধান সন্নিবেশ করে গেছেন।”

    আনিসুল হক বলেন, “২০০১ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এই সাড়ে সাত বছর শেখ হাসিনা সরকারে না থাকায় তাদের এই অধিকার অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। তিনি আইনি সহায়তা কার্যক্রম রাজধানী থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে যুগান্তকারী বহু পদক্ষেপ নেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো রাজধানী ঢাকায় প্রধান কার্যালয় স্থাপন করারসহ দেশের ৬৪টি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়নে লিগ্যাল এইড ও চৌকি এবং বিশেষ করে শ্রম আদালতেও লিগ্যাল এইড কার্যক্রম শুরু।”

    তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার সরকারের মূল উদ্দেশ্য দরিদ্র-অসহায় মানুষকে আইনগত সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রদান। আইনি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও সফল ও বেগবান করে তুলতে হলে এটিকে অবশ্যই জনগণের দোরগোড়ায় অর্থাৎ যারা আইনি সহায়তা পাওয়ার যোগ্য তাদের কাছে নিয়ে যেতে হবে। আর তা করতে হলে উপজেলা ও ইউনিয়ন লিগ্যাল এইড কমিটিকে অধিকতর কার্যকর করতে হবে। কারাগারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে।”

    আইনমন্ত্রী বলেন, “আইনি সহায়তা প্রদানকালে পুঁথিগত আইন প্রয়োগের দৃষ্টির পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক দৃষ্টিকোণকেও স্থান দেওয়া উচিত। পাশাপাশি আইনগত সহায়তার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ স্বপ্রণোদিত, দ্রুত ও কার্যকর আইনি সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রত্যেক লিগ্যাল এইড কমিটি, লিগ্যাল এইড অফিসার ও প্যানেল আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

    ঢাকার যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দামান্না ফারাহ্’র সঞ্চালনায় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার পরিচালক মোহাম্মদ আল মামুন।

    অনুষ্ঠানে দুজনকে সেরা লিগ্যাল এইড অফিসার ও প্যানেল আইনজীবী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়।

  • রিকশা চালকদের ৩৩ হাজার ছাতা বিতরণ করলেন মেয়র আতিক

    রিকশা চালকদের ৩৩ হাজার ছাতা বিতরণ করলেন মেয়র আতিক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: তাপপ্রবাহ থেকে কিছুটা প্রশান্তি দিতে রিকশা চালকদের মাঝে ৩৩ হাজার ছাতা বিতরণ করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। আজ রবিবার(২৮ এপ্রিল) সকালে উত্তর সিটির নগর ভবন এলাকায় ছাতা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

    এ সময় মেয়র বলেন, “যারা দিনমজুর তাদের সহায়তায় বিত্তবানরা যেন একটি করে ছাতা বিতরণ করে।

    একইসাথে নগরবাসীকে যার যার জায়গা থেকে বৃক্ষরোপন করার আহ্বান জানান উত্তরের মেয়র। তিনি বলেন, “উত্তর সিটির অনেক গাছ পরিচর্যার অভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এজন্য এবার নতুন করে ৪৭ জন মালিও নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানান মেয়র।”

    ছাতা বিতরণ কার্যক্রমটি দেখতে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ঈসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান, আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জুলকার নায়েন, বাংলাদেশে নিযুক্ত পা‌কিস্তা‌নের হাইক‌মিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ, ফিলিস্তিনের উপ রাষ্ট্রদূত।

    ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‍‍“ছাতাটা আমরা বিশেষভাবে তৈরি করেছি। এটা এডজাস্টেবল। কোন রিকশা চালক লম্বা হলে ছাতার উচ্চতা বাড়িয়ে নিতে পারবে, কেউ উচ্চতায় কম হলে ছাতার উচ্চতা কমিয়ে নিতে পারবে। প্রত্যেককে হাফ লিটার পানির কন্টেইনার দিচ্ছি। এতে একটি স্যালাইন মিশিয়ে খেতে পারবে। এক লিটার কন্টেইনার দেওয়ার কথা ভেবেছিলাম কিন্তু স্যালাইন মিশিয়ে খাওয়ার বিষয় বিবেচনা করে হাফ লিটার কন্টেইনার দিচ্ছি।‍‍”

    এই বিষয়টিও চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিনের পরামর্শে করা হয়েছে বলে জানান মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

    মেয়র আতিক বলেন, ‍‍“স্প্রে ক্যাননের মাধ্যমে পানি ছিটানোর কাজটি চলমান থাকবে। পার্কগুলোতেও পানির স্পে করা হবে। যদিও পার্কে স্প্রে করার কাজটি বেশ ব্যয়বহুল। আমি আহবান করছি কেউ চাইলে সহযোগিতা করতে পারেন। কেউ ছাতা দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন। অনেক কোম্পানি অথবা ব্যক্তি এগিয়ে আসতে পারেন।‍‍”

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‍‍“আমরা গতবছর ৮০ হাজার গাছ লাগিয়েছি। এই বছর আরো ১ লাখ ২০ হাজার গাছ লাগাবো। কিছু কিছু জায়গায় কিছু গাছ মারা গিয়েছে। আসলে আমাদের আগে গাছের পরিচর্যার জন্য মালি ছিল না। ৪৭ জন মালি, ৩ জন সুপারভাইজার নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। মালি নিয়োগ হয়ে গেলে পরিচর্যা জোরদার করা হবে।‍”

    সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় শেষে ডিএনসিসি মেয়র রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে নিয়ে কয়েকজন রিকশা চালকদের মাঝে ছাতা, স্যালাইন ও পানির কন্টেইনার বিতরণ করেন। এসময় ডিএনসিসি মেয়র নিজ হাতে স্যালাইন মিশিয়ে একজন রিকশা চালককে পান করিয়ে কার্যক্রমটি উদ্বোধন করেন।

    পরে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে নিয়ে গুলশান-২ গোলচত্বরে স্প্রে ক্যাননের পানি ছিটানোর কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

    এ সময় রিকশা চালকদের মাঝে বিতরণের জন্য খাবার স্যালাইন (ওআরএস) প্রদান করেন সোস্যাল মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড (এসএমসি), পপুলার ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড, এসিআই ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড, গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড এবং এসকে-এফ ফার্মাসিটিক্যালস লিমিটেড।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসি‍‍`র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগে. জেনা. মোঃ মঈন উদ্দিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনা. ইমরুল কায়েস চৌধুরী, ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মফিজুর রহমান, সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর আমেনা বেগম প্রমুখ।

  • শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে: স্পিকার

    শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে: স্পিকার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে, বলে জানিয়েছেণ জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে। শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে। তাই শ্রমিকদের জন্য কর্মবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

    আজ রবিবার (২৮ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ‘জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন।

    স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, “স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমিকদের কল্যাণে কলকারখানা জাতীয়করণ করেন। কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশ আজ স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে চলেছে। দেশে ব্যাপক শিল্পায়ন হচ্ছে, রপ্তানি বাণিজ্য বিকাশ লাভ করছে এবং তৈরি পোশাক শিল্প, ওষুধ শিল্প ও আইসিটি খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন ও শ্রম আইন বিধিমালায় শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ গুরুত্বপূর্ণ শ্রমিক অধিকার। উন্নত কর্মপরিবেশ শ্রমিকের কর্মদক্ষতা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বৃদ্ধি করে। তাই শোভন কর্মপরিবেশ তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অতিবাহিত করেন। তাই শ্রমিকদের কর্মস্থলে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, সুপেয় পানির ব্যবস্থা ও আরামদায়ক পোশাকের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ অনুকূল রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।”

    এ সময় ২৯টি ফ্যাক্টরিকে গ্রিন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ দেওয়া হয়। স্পিকার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কল-কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশে আইএলওয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর টুওমো পোটিআইনেন, জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশীর কবির, বিজেএমইএ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. তরিকুল আলম, বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি মানসুর আহমেদ, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচএম ইব্রাহীম এমপি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

  • দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাব ছিল না: সেতুমন্ত্রী

    দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাব ছিল না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাব ছিল না, বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, “দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাব ছিল না। জাতীয় পার্টি কোন চাপে নির্বাচনে এসেছে তা দলটিকে পরিষ্কার করতে হবে।”

    আজ রবিবার(২৮ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের ৭১তম জন্মদিনে বনানী কবরস্থানে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর, দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিষয়ে জাতীয় পার্টির নেতা জি এম কাদেরের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের এই মন্তব্য করেন।

    এসময় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এবং পরে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা।

    শেখ জামালকে স্মরণ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করতেই ৭৫ এর ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড। খুনিদের মদদ দিয়েছে জিয়া- মোশতাক চক্র। এর মধ্যদিয়ে দেশে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্তের রাজনীতি শুরু। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বন্ধ করে উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা সূচিত করেন। বর্তমানে সরকারের ধারাবাহিকতায় স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত আছে।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “কালো চশমা পরা বিএনপি নেতারা দেশের উন্নয়ন দেখতে পায় না। বাংলাদেশকে নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপির লজ্জা পাওয়া উচিত।”

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও আফজাল হোসেনসহ অনেকে।

  • ঢাকার তাপমাত্রা বিবেচনায় সারা দেশের স্কুল বন্ধ রাখা ঠিক হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    ঢাকার তাপমাত্রা বিবেচনায় সারা দেশের স্কুল বন্ধ রাখা ঠিক হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: ঢাকার তাপমাত্রা বিবেচনায় সারা দেশের স্কুল বন্ধ রাখা ঠিক হবে না, বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাঁচটি জেলায় তাপমাত্রা ৪০ এর পর্যায়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাংলাদেশে তো নতুন নয়। সুতরাং, পাঁচটি জেলায় তাপমাত্রা ৪০ এর উপরে যাওয়ার পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে সারা দেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। শুধু ঢাকা শহরের তাপমাত্রা বিবেচনা করে সারা দেশের বিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে হবে।”

    আজ রবিবার (২৮ এপ্রিল) কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “কিছু হলেই স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার এত আলোচনা কেন আসে? বাংলাদেশে কি অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান নেই? এখন সবকিছু খোলা থাকবে আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, এই প্রত্যাশাটি যথাযথ নয়।”

    তিনি বলেন, “একটি পরিস্থিতিতে শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ দেওয়া হয়েছিল। নতুন কারিকুলামের যে প্রক্রিয়া সেখানে পুরো বছর শনিবার বন্ধ দেওয়া উচিত কি না, সেটি নিয়ে আমাদের আলোচনা আছে। এই মুহূর্তে যেহেতু আমরা ১০ দিন পাঠদান মিস করেছি, তাই এই মুহূর্তে শনিবার স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরে সেটি যদি প্রয়োজন না হয়, তাহলে অন্য সিদ্ধান্ত আসতে পারে।”

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিভাবকরা আলোচনা-সমালোচনা বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এই আলোচনা-সমালোচনার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় না। আমাদের শিক্ষার্থীদের শিখন ফল অর্জন করার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কারিকুলামের কাজ চলছে। তাই জনপ্রিয়তার নিরিখে আমারা সিদ্ধান্ত নিতে পারি না, বাস্তবতার নিরিখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর ঢাকা শহরের তাপমাত্রাই বাংলাদেশের তাপমাত্রা নয়। কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা যদি অসহনীয় পর্যায়ে যায় তাহলে বিদ্যালয় সেখানে নিজস্ব পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু আমরা এমনও দেখছি, বিভাগীয় শহরে কিছু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্কুলও বন্ধ করে দিয়েছে অভিভাবকদের চাপে। এটা তো গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এই ধরনের মানসিকতা পরিহার করি।”

    তিনি আরও বলেন, “কোনো জেলায় যদি ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রা যায়, সেখানে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আছেন, তারা আঞ্চলিক পর্যায়ে আলোচনা করে সেই জায়গার প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ ও পাঠদানের সময়ও পরিবর্তন করতে পারেন।”

    এর আগে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বেগম শামসুন নাহার, এনএসডিএ-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) নাসরীন আফরোজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আজিজ তাহের খান।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ঢাকা মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

  • আগামী ৯ থেকে ১১ মে’র মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে

    আগামী ৯ থেকে ১১ মে’র মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ এপ্রিল, ২০২৪: চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল মে মাসের ৯ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে প্রকাশিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার।

    আজ শনিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

    তিনি আরো বলেন, আগামী ৯, ১০ ও ১১ মে ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদয় অনুমতি পেলে সেদিনই ফল প্রকাশ করা হবে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল ১৬ লাখ ৬ হাজার ৮৭৯ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় মোট ২ লাখ ৪২ হাজার ৩১৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষা দেয় ১ লাখ ২৬ হাজার ৩৭৩ জন। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মার্চ।