Category: বাংলাদেশ

  • শিক্ষার সাথে কর্মের সংযোগ ঘটানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

    শিক্ষার সাথে কর্মের সংযোগ ঘটানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

    শুধু শিক্ষা বা সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য নয় বরং শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এমনভাবে শিক্ষা দিতে হবে যাতে তারা বিকশিত হতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সবাইকে শিক্ষার সাথে কর্মের সংযোগ ঘটাতে হবে।’

    শুক্রবার (৩ মার্চ) কিশোরগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

    তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ খোলার ক্ষেত্রেও বাস্তবতা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেয়ার ও তাগিদ দেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, মনে রাখবেন শুধু জ্ঞান দান শিক্ষার উপজীব্য হতে পারে না। এমন শিক্ষা দিতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা বিকশিত হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সমাজের বাতিঘর, যা থেকে সবসময় আলো ছড়ায়, মানবিকতার বিকাশ ঘটায় এবং সমাজকে আলোর পথ দেখায়।

    ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ছাত্র-শিক্ষকের বাইরে স্থানীয় জনগণকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি হামিদ।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষার সঙ্গে কর্মের সংযোগ ঘটাতে হবে। দেশের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন অনেক বিভাগ রয়েছে, যেখানে লেখাপড়া করলে হয়তো জ্ঞানার্জন সম্ভব হবে, কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ একেবারেই সীমিত। শিক্ষার্থীরাও বুঝে না বুঝে- বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, এই ভাব ধরার জন্য এসব বিভাগে ভর্তি হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় আচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ, সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় এ এলাকার শিক্ষা ও উন্নয়নের মাধ্যম হয়ে ওঠবে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হাওড়া অঞ্চলের সামাজিক উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে।

    তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

    রাষ্ট্রপতি হামিদ উল্লেখ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় অর্জিত জ্ঞানের গুদামঘর নয়। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা থেকে জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাতাদের আবির্ভাব ঘটে। নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে।”

    রাষ্ট্রপ্রধান কিশোরগঞ্জের এই নতুন বাতিঘরকে লালন করা ও পৃষ্ঠপোষকতা দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, “আমরা চাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কিশোরগঞ্জ, শুরু থেকেই গুণেমানে সমৃদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচালিত হোক। যুগের চাহিদা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম নির্ধারণ করতে হবে।”

    হাওড়বেষ্টিত জেলা কিশোরগঞ্জে ভাটি এলাকায় বিগত ১২/১৪ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এখন আমাদের ছেলেমেয়েরা যাতে লেখাপড়ায় ভাল করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    তিনি বলেন, অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারের চেয়ে শিক্ষিত বেকারের বোঝা পরিবার ও সমাজের জন্য অনেক বেশি কষ্টের। তাই খেয়াল রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র শিক্ষার জন্য শিক্ষা বা সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন না।

    “শিক্ষিত জনশক্তি দেশের জনসম্পদ-” বঙ্গবন্ধুর এই কথাটি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “আমি বাংলাদেশে এমন ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসার চাই, যা দ্বারা প্রতিটি নাগরিক দেশের প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে”।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাল করতে না পারলে কিশোরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় হলেও ভর্তির সুযোগ পাওয়া যাবে না।

    রাষ্ট্রপতি এলাকার ছেলে-মেয়েরা যাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এ ভর্তি হতে পারে এবং লেখাপড়া শেষে পরিবার ও দেশের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সে ব্যাপারেও বাবা-মা, অভিভাবকসহ সকলকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি এলাকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজগুলোতে লেখাপড়ার পরিবেশ ও মানোন্নয়নের বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “মনে রাখতে হবে অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন শিক্ষার বিস্তার ও মানোন্নয়নের জন্য যথেষ্ঠ নয়।”

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ ও সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ জাকিয়া নূর লিপি, অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। –বাসস

  • বঙ্গবন্ধু’র শেষ ভাষণ হতে পারতো ৩ মার্চের ভাষণ

    বঙ্গবন্ধু’র শেষ ভাষণ হতে পারতো ৩ মার্চের ভাষণ

    পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের সভায় একটি ইশতেহার পাঠ করা হয়, যেখানে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। বঙ্গবন্ধু সেই দিনের বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ। … আমি যদি নাও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে।’ তিনি বলেছিলেন, তার যদি মৃত্যুও হয়, সাত কোটি মানুষ যেন স্বাধীন দেশ দেখতে পায়। ১৯৭১ সালের ৪ মার্চ বিস্তারিতভাবে সেই দিনের নির্দেশনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।

    ১ মার্চ সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন যে ৭ মার্চ তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সম্পর্কিত কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। মার্চের প্রথম দিনের পর থেকেই একের পর এক পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। তার আগে ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ এবং শ্রমিক লীগের যৌথ সমাবেশে তিনি যে বক্তব্য রাখেন, সেখান থেকেই মানুষ মূল বার্তাটি পেয়ে গিয়েছিল। আন্দোলন যেভাবে দানা বাঁধছিল তাতে পাকিস্তানের প্রশাসন ধরেই নিয়েছিল– বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি শুরু হতে চলেছে। ফলে দমন-পীড়ন বাড়ছিল।

    ওই পরিস্থিতিতেই পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের ডাকা ছাত্র জনসভায় উপস্থিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেখানে তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সেই সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহারও পাঠ করেন।

    ইশতেহারে ছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়। ৫৪ হাজার ৫০৬ বর্গমাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের আবাসিক ভূমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ। যে দেশে থাকবে পৃথিবীর বুকে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতি পূর্ণ বিকাশের ব্যবস্থা। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করে কৃষকরাজ-শ্রমিকরাজ কায়েম করা হবে। বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালনার  প্রতিটি অঞ্চলে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করা হবে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিবাহিনী গঠন করা হবে। সাম্প্রদায়িক মনোভাব পরিহার করতে হবে। ইশতেহারের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারা অংশে বলা হয়, বর্তমান সরকারকে বিদেশি সরকার গণ্য করে— এর সব আইনকে বেআইনি বিবেচনা করা হবে। অবাঙালি সেনাবাহিনীকে শত্রু সৈন্য হিসেবে গণ্য করার পাশাপাশি সব প্রকার ট্যাক্স-খাজনা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। আক্রমণরত শক্তিকে প্রতিরোধ করতে সশস্ত্র প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতার পথে এগুনোর চূড়ান্ত রূপরেখা মিলেছিল সে দিনই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ঢাকায় দ্বিতীয় দিনের মতো এবং সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম দিনের জন্য সর্বাত্মক হরতাল হয় সে দিন। যারা সে সময় ঢাকা শহরে ছিলেন, তাদের বর্ণনায় পাওয়া যায়— শহর মূলত স্তব্ধ ছিল। কী হতে চলেছে তার আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু পুরো শহর ফুঁসে উঠেছে যেন।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, দ্বিতীয় খণ্ড,  ৬৬৬-৬৭ পৃষ্ঠায়  উল্লেখ আছে— ‘এই দিন ঘোষণা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক। সেটাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা।’ এই বিবেচনায় ৩ মার্চ সুস্পষ্টভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা হয়।

  • রো‌হিঙ্গা‌ প্রত্যাবর্তনে আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক সমর্থন চেয়েছেন ড. মোমেন

    রো‌হিঙ্গা‌ প্রত্যাবর্তনে আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক সমর্থন চেয়েছেন ড. মোমেন

    বুধবার (১ মার্চ) নয়াদিল্লিতে বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন দেওয়া এক বক্তব্যে রো‌হিঙ্গা‌দের প্রত্যাবর্ত‌নে এ সমর্থন চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তি‌নি ব‌লেন, শান্তির সংস্কৃতি প্রচারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ। সাম‌য়িকভা‌বে বাংলা‌দে‌শে আশ্রিত রো‌হিঙ্গা‌দের প্রত্যাবর্ত‌নে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন চে‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তৃতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৯৯৭ সালে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন মো‌মেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। মোমেন বর্তমানে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করছেন। তিনি আগামীকাল (২ মার্চ) জি-২০ বৈঠকে বক্তৃতা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যান্য বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে তিনি ভারতের প্রেসিডেন্সির অধীনে জি-২০ প্ল্যাটফর্ম থেকে বাংলাদেশের প্রত্যাশা তুলে ধরবেন।

  • এলডিসি-ফইভে অংশ নিতে কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    এলডিসি-ফইভে অংশ নিতে কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    আগামী ৫ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এলডিসি-৫ এর দ্বিতীয় পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করবেন। এবারের সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন বলেও আশা করা হচ্ছে।

    পাঁচ দিনের সফরে তিনি কাতারের আমির ও প্রধানমন্ত্রীর সাথেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। আগামী ৪ মার্চ শনিবার তিনি দোহার উদ্দেশে রওনা হবেন।

  • পলাতক জঙ্গিদের ধরতে চেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পলাতক জঙ্গিদের ধরতে চেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পলাতক জঙ্গিদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের ধরা যাচ্ছে না তা নয়, আমরা অনেক জঙ্গিকে ধরেছি। অনেক জঙ্গিকে খুঁজে বের করেছি। যারা পালিয়েছে তাদের ধরার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। নিশ্চয় আমরা ধরে ফেলব। গত বুধবার (১ মার্চ) সকালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২৩ উপলক্ষে, পুলিশ স্টাফ কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন মন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি উত্থান ও তৎপরতা রোধে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। যখনই যে ইনফরমেশন তারা পাচ্ছেন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমরা কিন্তু জঙ্গিদের মূলোৎপাটন করে নিঃশেষ করে দিতে পারিনি। তবে আমরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। আমাদের নিরাপত্তা সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র‌্যাব ভালো কাজ করছে বলেই সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    সামনে নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি গরম হচ্ছে, উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবেলা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন আসলে সব দলই তৎপর হয় দলই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা, ব্যানার ফেস্টুন প্রচার ও নিজস্ব মতো কর্মসূচি প্রচার করেন। এটাই আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি। নির্বাচন আসলে সবার মধ্যে উৎসুক দৃষ্টি থাকে। সেই সময় সব রাজনৈতিক দল তাদের মতামত, চিন্তা নিয়ে কাজ করেন। সামনে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়নি। সবাই কাজ করছেন। আমার মনে হয় নির্বাচন কেন্দ্রীক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হবার কোনো কারণ নেই।

    দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মৃত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে প্রতি বছর ১ মার্চ পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন করছে বাহিনী। তবে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যাওয়া পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ পেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। ডিসিদের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেবার কারণে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতায় বিলম্ব হচ্ছে। এ ব্যাপারে এসপিদের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা গত বছর বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপিকে উত্তর দেওয়ার অনুরোধ জানান। আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছি। বিবেচনায় আছে। আশা করছি খুব শিগরিরি আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পাব।

  • স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা কোনও অংশে কারও থেকে পিছিয়ে থাকবো না। কারও কাছে হাত পেতে চলবো না। স্বাধীন বাংলাদেশ ১৪ বছরে বাংলাদেশের বিরাট পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্মার্ট জনগোষ্ঠী। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট অর্থনীতি। আত্মসামাজিক ক্ষেত্রে স্মার্ট উন্নতি আমরা করবো। কৃষি, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার  ২ মার্চ) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ ও বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

    স্বাস্থ্য খাতে গবেষণার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে গবেষণাটা আমাদের খুবই দরকার। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে গবেষণা খুবিই সীমিত কয়েকজন করছেন। আরও বেশি যেন গবেষণা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জে আমাদের লোকবল কম লাগবে কিন্তু টেকনোলজি ব্যবহার করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। তার জন্য আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। তবে আমরা সম্পূর্ণ সেদিকে যেতে চাই না। আমরা শ্রমনির্ভর শিল্পও করতে চাই কারণ আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দুটো মিলিয়ে কীভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, সেই চিন্তাটা সবার মাথায় থাকতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে উপিস্থিত সরকারি দলের এমপি ডাক্তার রুহুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি চিকিৎসক। উনি যেন স্বাস্থ্যের গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন।’

    সরকার গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রেখেছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করি। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যাপক গবেষণার জন্য বিভিন্ন ইন্সস্টিটিউট তৈরি করি।’

    জাতির পিতা আণবিক শক্তি কমিশন, ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, ইউজিসি, স্থলসীমানা চুক্তি সমুদ্রসীমা আইন করে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পচাত্তরের পরবর্তী সরকার কোনও উদ্যোগ নেয়নি। তবে আমরা এসে সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতির পিতা ভিত্তিটা তৈরি করে গেছেন। আমরা সেটাকে ধরে কাজ করতে চেষ্টা করেছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নভোথিয়েটার করতে যাওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া দুটি মামলা দিয়েছিল। কেন দিয়েছিল জানি না। যে কাজই করতে গিয়েছি মামলা খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে এসব কারণে এক ডজন মামলা দিয়েছিল। আমরা এখন বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে নভোথিয়েটার করে দিচ্ছি। আমাদের যত বেশি গবেষণা বাড়বে জাতি হিসেবে তত বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমরা অবদান রাখতে পারবো।’

    প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা ভোকেশনাল শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কর্মসংস্থান হাইটেক পার্ট, হাইটেক সিটি, ইনকিউভেশন সেন্টার করে দিচ্ছি। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি সবকিছুতেই আমরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারছি।’

    তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন, পাল্টা স্যাংশনে আমাদের আমাদানি পণ্যে ব্যাপক বাধা পেতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাপীর মূল্যস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। তারপরও আমরা এই সব পরিবেশকে মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি গবেষণায় সব থেকে বেশ সফলতা আমরা পেয়েছি। লবণাক্তসহিষ্ণু ধান আমরা দক্ষিণাঞ্চলে উৎপাদন করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আসবে। সেটাকে মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে চলার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের আরও দক্ষ বিজ্ঞানী দরকার। আমরা সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যারা ফেলোশিপ পেয়েছেন আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণা করবেন। জানতেও চাই কী কী উদ্ভাবন করলেন, এটা কতটুকু দেশের জন্য কাজে লাগবে।’

  • সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিঙ্গাপুরের অধীন ইন্সটিটিউট অফ সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের উদ্যোগে ‘দ্যা রোল অফ পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি ইন এড্রেসিং পোভার্টি এন্ড ইনইকুয়েলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে গেস্ট স্পিকার হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো নাগরিক যেন গৃহীত উন্নয়ন কৌশলের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কৌশল ও সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
    স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নের পাশাপাশি শতভাগ বিদ্যুতায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা আনয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব বিবেচনায় টেকসই উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে ডেল্টাপ্লান-২১০০ প্রণয়ন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতিদরিদ্র শ্রেণির উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।’
    ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য’ উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, পাসপোর্টে মায়ের নাম লিপিবদ্ধকরণ, স্থানীয় সরকারে নারীদের প্রতিনিধিত্বকরণ, বিধবা ভাতা, ল্যাকটেটিং মায়েদের ভাতা, নারী শিক্ষায় ব্যাপক অগ্রগতি, ছয় মাস স্ববেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণসহ সব ক্ষেত্রে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।’

  • বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৩-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ‘কারো চাপের কাছে আপনারা মাথা নত করবেন না। আমিই বলেন বা আমাদের মন্ত্রি পরিষদের সদস্যদের কাছে নানা ধরনের লোক আসে, তদবিরও করতে পারে সেক্ষেত্রেও আপনাদের দেখতে হবে প্রকৃত ক্ষতি কতটুকু। দাবিদার দাবি করবে বড় একটা কিন্তু তার প্রকৃত ক্ষতি যাচাই-বাছাই করেই আপনারা অর্থ পরিশোধ করবেন।’
    যে কোনো স্থানের বা প্রভাবশালীদের চাপের মুখে অগ্নিকান্ডে কোনো সম্পত্তির ক্ষতির জন্য যথাযথ তদন্ত না করে বীমার অর্থ ছাড় না করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।

    বীমা কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বীমার অর্থ দাবির ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে স্বার্থান্বেষী মহলের অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়েও বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলেন আজকে এ কথা বলবেন, কারণ তিনি যেহেতু এই পরিবারেরই একজন সদস্য (জাতির পিতাও বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেছিলেন) তাই এর বদনাম হোক তা তিনি চান না।’
    সরকার প্রধান বলেন, ‘ঘন ঘন একটা জায়গায় আগুন লাগবে কেন? ইন্সুরেন্সের দাবিদার হয়ে যায়- টাকা পায়। সেক্ষেত্রে আমার অনুরোধ থাকবে বিভিন্ন ইন্সুরেন্স কোম্পানি এবং যে কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি তাদের এ ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা দরকার। কতটুকু ক্ষতি হলো তার যথাযথভাবে তদন্ত হওয়া দরকার।’
    তিনি উল্লেখ করেন তৈরি পোষাক কারখানাগুলোতে এক সময় ঘন ঘন অগ্নিকান্ড ঘটার প্রসঙ্গ টেনে তদন্ত করে তিনি বীমার মোটা অংকের মিথ্যা অর্থ দাবির প্রমাণ পেয়েছেন। তিনি আরও, কোন একটি কোম্পানির এক নারী কর্মীকে দিয়ে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অগ্নিকান্ড ঘটানো হয় বলেও তদন্তে বেরিয়েছে।

    তিনি উদাহারণ দিয়ে বলেন, একটি ফ্ল্যাটে আগুন লাগার ক্ষেত্রে ৪০ কোটি টাকার বীমা দাবিরও তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে আছে। একটি ফ্লাটে ৪০ কোটি টাকার কী সম্পদ থাকতে পারে, সে প্রশ্ন তুলে এর তদন্ত করাবেন বলেও জানান শেখ হাসিনা।
    ১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তাই সরকার প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং গত বছর একে ‘ক’ ক্যাটাগরি ভুক্ত দিবস হিসেবে উন্নীত করে।

  • প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আয়োজিত এক জনসভায় বলেন: মহান মুক্তিযুদ্ধে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক অবদান ছিল। এই অঞ্চলের উন্নয়ন হাওরবাসীদের প্রাপ্য। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।
    তিনি আরও বলেন: এই হাওরাঞ্চল সবসময় অবহেলিত ছিল। গত ১৪ বছরে আমরা বিরাট পরিবর্তন করছি। এরই মধ্যে মিঠামইন-মরিচখালি উড়াল সেতু অনুমোদন দিয়েছি। এখন থেকে এখানে যত সড়ক হবে, সব উড়াল সেতু হবে। সারা বছরই যেন মানুষ চলাফেরা করে সেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বলেই দেশের মানুষ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারছে।
    হাওরাঞ্চলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস ছাড়া কিছুই বোঝে না। যারা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসতে চায়, যারা বিদেশে অর্থ পাচার করে তারা অন্তত দেশবাসীর ভাল করতে পারে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণে আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

  • করোনা পজিটিভ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ

    করোনা পজিটিভ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ

    বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ নিয়ন্ত্রনে শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে। যা আওয়ামী লীগ সরকার বড় একটি অর্জন। বর্তমানে করোনা শনাক্তের হার পরীক্ষার বিপরীতে শূণ্য দশমিক ৪৫।
    এদিকে বর্তমান সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। খবরটি তিনি তার নিজের ভেরিফাইড ফেইজবুক পেইজে জানিয়েছেন। ফেইজবুক পেইজের স্যাস্টাসে তিনি লিখছেন,‘ আজ মন্ত্রিপরিষদ সভা থাকায় গতকাল করোনার নমুনা পরীক্ষা করেছিলাম। নমুনা পরীক্ষায় আমার করোনা পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। বর্তমানে আমি বাসায় আইসোলেশনে আছি।’

    প্রতিমন্ত্রী জনসাস্থ্যের জন্য সর্তক করে আরো লিখেছেন,‘ গত কয়েকদিনে আমার সংস্পর্শে যারা ছিলেন তাদের সবাইকে করোনার নমুনা পরীক্ষাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি।’
    প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাবার কাছে দোয় চেয়েছেন।