Category: বাংলাদেশ

  • ‘জয়িতা টাওয়ার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ‘জয়িতা টাওয়ার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ অক্টোবর, ২০২৩:  ধানমন্ডিতে জয়িতা ফাউন্ডেশনের নবনির্মিত ভবন ‘জয়িতা টাওয়ার’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার পর তিনি জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন করেন। এসময় বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা সঙ্গে ছিলেন।উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জয়িতা টাওয়ারের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

    জয়িতা টাওয়ার উদ্বোধন পর্ব শেষে গণভবন কমপ্লেক্স মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জয়িতা টাওয়ারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেবেন- প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি ও জয়িতা ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা খান।

    দেশের নারী উদ্যোক্তাদের জয়িতা ব্র্যান্ডের আওতায় নানামুখী ব্যবসা উদ্যোগ প্রসারে অত্যাধুনিক ভৌত অবকাঠামো সুবিধা সম্বলিত জয়িতা টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে।

    জয়িতা টাওয়ারে ইউনিভার্সেল এক্সেসিবিলিটিসহ দেশের নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত প্রক্রিয়াজাত বিভিন্ন ধরনের পণ্য, সাপ্লাই চেইন ও সেবা বিপণনের সুবিধা থাকবে।

    এ ভবনে নারী উদ্যোক্তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও বিকাশ কৌশলভিত্তিক প্রশিক্ষণের জন্য ভৌত অবকাঠামোগত সুবিধাদির সংস্থান রাখা হয়েছে।

    এখানে রয়েছে পর্যাপ্ত গাড়ি পার্কিং সুবিধা ও সুপরিসর লবি। এছাড়া ভবনটিতে জয়িতা ফাউন্ডেশনের থাকবে সদর দপ্তর।

    জয়িতা আইকনিক টাওয়ারে রয়েছে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, ডিজাইন সেন্টার, বিউটি পার্লার, নারীদের জন্য জিমনেসিয়াম, মহিলা ও শিশুদের জন্য সুইমিং পুল, মাল্টিপারপাস হল, সেমিনার হল, ব্যাংক, ফুডকোর্ট ও ক্যাফে। চালু করা হয়েছে ই-জয়িতা অনলাইন মার্কেট প্লেস।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির ২৭ নম্বর (পুরাতন) রোডে এক বিঘা জমির ওপর ১৬৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১২তলা বিশিষ্ট জয়িতা টাওয়ার নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    শেখ হাসিনা বাংলাদেশে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর জয়িতা ফাউন্ডেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

  • দেশে ৬৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশে ৬৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ অক্টোবর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সাত বিভাগে ২৮ জেলার ৬৫ উপজেলায় ৬৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের শুভ উদ্বোধন করেছেন ।

    আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চু্যয়াল মাধ্যমে তিনি এ কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জীবনকে সুন্দর রাখে স্বাস্থ্যসেবা। একজন মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার চোখ, যা দিয়ে মানুষ এই সুন্দর পৃথিবী ও প্রকৃতি এবং আপনজনকে দেখতে পারে, নিজের জীবনে শিক্ষা দীক্ষায় উন্নত করে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারে। অন্ধত্ব দূর করতে আমরা অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনাকালে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য আমাদের প্রতিটি নার্স-চিকিৎসককে আলাদা করে ভাতা দিতে হয়েছে। কারণ সেই সময়ে ভয়ে কেউই এগিয়ে আসতে চায়নি। এমনকি তাদের সুরক্ষায় পিপিইসহ বিভিন্ন ধরনের সুরক্ষা সামগ্রী কিনে দিতে হয়েছে। করোনার টিকা দেওয়ার জন্য ভলান্টিয়ার তৈরি করতে হয়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশে লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে, আল্লাহর রহমতে আমাদের তেমন ক্ষতি হয়নি।

    শেখ হাসিনা বলেন, ধনী দেশগুলোও বিনামূল্যে করোনার টিকা দেয়নি। কোটি কোটি টাকা খরচ করে আমরা বিনামূল্যে টিকা দিয়েছি। তখন আমাদের রিজার্ভও ভালো ছিল।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে আমরা ১০ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছি। এসব কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রথম ৪ হাজার যখন চালু করি, তখন সেগুলো ৭০ ভাগের মতো সাফল্য অর্জন করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ২০০১ সালে ক্ষমতায় আসতে পারিনি। খালেদা সরকার ক্ষমতা এসেই কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ করে দেয়। কারণ, এখানে যারা কাজ করবে, যারা সেবা নেবে, তারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবে, সুতরাং এগুলো বন্ধ করে দিতে হবে।

    উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    এছাড়াও স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা আবুল বাসার খুরশিদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ, ন্যাশনাল আই কেয়ার লাইন ডিরেক্টর এবং জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফাসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে তিন ধাপে দেশের বিভিন্ন উপজেলায় ১৩৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন ৬৫টি কমিউনিটি আই সেন্টারের উদ্বোধনের মাধ্যমে সারাদেশে মোট ২০০টি কমিউনিটি আই সেন্টারের যাত্রা শুরু হলো।

  • ফার্মগেট ফুটওভার ব্রিজ হবে হকার মুক্ত: ডিএনসিসি মেয়র

    ফার্মগেট ফুটওভার ব্রিজ হবে হকার মুক্ত: ডিএনসিসি মেয়র

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ অক্টোবর, ২০২৩: ডিএনসিসি ও ডিএমপির যৌথ প্রচেষ্টায় ফার্মগেট ফুটওভার ব্রিজ হকার মুক্ত দেখতে চান ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম । তিনি জানিয়েছেন, ফার্মগেট ফুটওভার ব্রিজ আমাদের একটি হার্ট। যদি এখানে কোনো হকার বসে তাহলে এটি নষ্ট হয়ে যাবে। এখানে মানুষজন চলতে কষ্ট পাবেন। এখানে যেন কোনো হকার না বসতে পারে এবং কোনো ভবঘুরে যেন না থাকতে পারে এ জন্য আমি ডিএমপি কমিশনারকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

    মেয়র আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি বলে দিচ্ছি, হকার উচ্ছেদের বিষয়ে আমার কোনো সুপারিশ কল আপনার কাছে যাবে না। ফুটওভার ব্রিজের উপর কোনো কাউন্সিলর দোকান বরাদ দিতে পারবে না।’

    আজ রবিবার(১৫ অক্টোবর) ফার্মগেটের ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একটি ট্রাফিক পুলিশ বক্স উঠিয়ে দিয়েছিলাম। ওই পুলিশ বক্স উঠিয়ে দেওয়ার কারণ হচ্ছে, সেখানে ৮ ইঞ্চি ঢালাই দিয়ে পুলিশ বক্স বানানো হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি সিটি করপোরেশন জানে না। এখন ব্যাঙের ছাতার মতো বিভিন্ন জায়গায় বিজ্ঞাপন নিয়ে পুলিশ বক্স হচ্ছে। এতে শহরটা নষ্ট হয়ে যায়। শহর দেখতে ভালো লাগেনা। আপনাদের বলতে চাই, আপনারা যেখানে পুলিশ বক্স বসাবেন আমরা নন্দিত পুলিশ বক্স বানিয়ে দেব।

    ফার্মগেটের আনোয়ারা উদ্যান প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, শুনলাম যারা মেট্রোরেল তৈরি করছেন তারা নাকি আনোয়ারা উদ্যানে বড় একটা মার্কেট করবে। যারা মাঠ নষ্ট করে মার্কেট করতে চান আমি তাদের বলছি, আমি জনগণকে নিয়ে এখানে প্রতিহত করব।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা প্রমুখ।

  • ঢাবির ২৯তম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মাকসুদ কামাল

    ঢাবির ২৯তম ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক মাকসুদ কামাল

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ অক্টোবর, ২০২৩: অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। আগামী ৪ নভেম্বর থেকে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

    আজ রবিবার (১৫ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩ এর আর্টিকল ১১ (২) অনুসারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এবং ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    আগামী ২৬ অক্টোবর বর্তমান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের দ্বিতীয় মেয়াদে সময় শেষ হবে। তার আগে প্যানেল নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও প্যানেল নির্বাচন না দিয়ে রাষ্ট্রপতি সরাসরি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক মাকসুদ কামালকে উপাচার্য হিসেবে মনোনীত করলেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন তিনি।

    অধ্যাপক ড এ এস এম মাকসুদ কামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের অধ্যাপক। ২০২০ সালের জুন মাস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের(শিক্ষা) দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির চারবারের নির্বাচিত সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী লীগ-সমর্থক শিক্ষকদের সংগঠন নীল দলের আহ্বায়কের দায়িত্বেও ছিলেন।

    এছাড়া বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য। দুই মেয়াদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারদা সূর্যসেন হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বেও ছিলেন এই শিক্ষক৷

    অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল লক্ষ্মীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ২১ নভেম্বর ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম ফরিদ আহমেদ এবং মা মরহুমা মাছুমা খাতুন ছিলেন সমাজহিতৈষী ও বিদ্যানুরাগী ব্যক্তিত্ব। তার বাবা একজন সুপরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীও ছিলেন। ড. মাকসুদ কামালের অগ্রজ প্রয়াত এ কে এম শাহজাহান কামাল বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং তিন মেয়াদে তিনি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

    ড. মাকসুদ কামালের স্ত্রী সৈয়দা আফসানা ফেরদৌসি একজন শিক্ষাবিদ এবং ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) লিবারেল আর্টস ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক।

  • আমি আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি নৌকা মার্কায় ভোট দিন: প্রধানমন্ত্রী

    আমি আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি নৌকা মার্কায় ভোট দিন: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৫ অক্টোবর, ২০২৩: উন্নয়ন চাইলে আগামী জাতীয় নির্বাচন নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা আমার এই কথাটা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেবেন যে উন্নয়ন চাইলে নৌকা মার্কা। ধ্বংস চাইলে ঐ বিএনপি-জামায়াত এরা। কাজেই, সেইদিকে লক্ষ্য রেখেই আমি আপনাদের আহ্বান জানাচ্ছি নৌকা মার্কায় ভোট দিন। আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন।

    তিনি বলেন, “এদেশে যে কোনো মূল্যে নির্বাচন হবে এবং জনগণ স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দেবে।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার অপরাহ্নে সিভিল এভিয়েশন মাঠ কাওলায় মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার একটাই কথা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছি কাজেই ভোট দিলে আছি না দিলে নাই। কিন্তু, দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব। আমরা চাই নৌকা মার্কায় ভোট দিন। যাতে আবারো আপনাদের সেবা করতে পারি।

    শেখ হাসিনা বলেন, যেভাবে হোক নির্বাচন এদেশে হবেই এবং জনগণ স্বাধীনভাবে ভোট দেবে।

    তিনি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সেটা একমাত্র নৌকা মার্কাই পারে। তাই, আপনাদের কাছে আমার এটাই আবেদন থাকবে সামনে নির্বাচন। আমি জানি বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি আসবে না তা নিয়ে তারা দ্বিধাদ্বন্দে ভোগে।’

    প্রধানমন্ত্রী এ সময় নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য সমবেত জনতার অঙ্গীকার চাইলে সকলে দুই হাত তুলে সমম্বরে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, শুধু নিজে ভোট দিলে হবে না পরিবার, বন্ধু-বন্ধব, দেশে-বিদেশে সকলের কাছে প্রচার করতে হবে। প্রচার করতে হবে যে এইদেশের উন্নয়নের জন্য একমাত্র আওয়ামী লীগই রয়েছে। তারাই একমাত্র এদেশের উন্নয়ন করতে পারে, গণতন্ত্র দিতে পারে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে টার্মিনাল উদ্বোধনের দিনে গত ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় এই সমাবেশটি দুর্যোগাপূর্ণ আবহাওয়ার জন্য পিছিয়ে দিয়ে এদিন অনুষ্ঠিত হয়। প্রখর সূর্যের তাপ উপেক্ষা করে সকাল থেকেই নানা রংয়ের পোশাক পরে স্লোগানে স্লোগানে আকাশ বাতাস মুখরিত করে দলে দলে উৎফুল্ল নেতা-কর্মী এবং সাধারণ জনগণ সমাবেশে যোগ দেন এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সমগ্র এলাকাটি জনসমুদ্রে রূপ লাভ করে।

     

     

     

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের ঢাকার বদলে যাওয়া, আজকে বাংলাদেশ বদলে গেছে, যানজট দূর করার জন্য সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ইতোমধ্যে মেট্রোরেল চালু হয়েছে। এই মেট্রোরেল এরপর ধাপে ধাপে মতিঝিল হয়ে কমলাপুর রেলষ্টেশন পর্যন্ত যাবে। মেট্রোরেলের সঙ্গে পাতাল রেলও যাতে হয় সে প্রকল্পের কাজও চালু হয়েছে। বিদ্যুৎ নিরাপত্তার জন্য পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। সেই সাথে ঢাকায় সার্কুলার ওয়াটার ওয়েজ নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছি। প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এমনকি আগামীতে পুরো ঢাকাকে ঘিরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। কিন্তু এজন্য কোন জমি অধিগ্রহণ করার প্রয়োজন পড়বে না।

    ’৯৬ সালে সরকার গঠন করে যমুনা নদীর ওপর রেল সংযোগসহ বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু নির্মাণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এরফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে টানা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে তাঁর সরকার জনগণের আস্থা ও বিশ^াসকে পুঁজি করে আজকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছে। এখন পদ্মা নদীর উপর দিয়ে গাড়ি ও রেল দুটোই যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের শুরুতে এখানে দুর্নীতি হয়েছে বলে বিশ^ব্যাংক যে অপবাদ দিয়েছিল তাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে সরকার নিজস্ব অর্থে এই সেতু নির্মাণ করেছে এবং কানাডার আদালতে প্রমাণ হয়েছে বিশ্বব্যাংকের সব অভিযোগ ভুয়া ও মিথ্যা। কেননা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মেয়ে দুর্নীতি নয়, মানুষের সেবা করতেই ক্ষমতায় এসেছে। আর নিজস্ব অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।

    সরকার প্রধান বলেন, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল হচ্ছে, সমুদ্র বন্দরগুলো করা হয়েছে। মহেশখালীতে ‘ডিপ সি’ পোর্ট হয়েছে এখন কতৃর্পক্ষ গঠন করে পুনরোদমে চালু করা হবে।

    রাজধানীর ফ্লাইওভারগুলো নির্মাণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার নির্মাণ করেছি, মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভার, বনানী ওভারপাস, কালশি ফ্লাইওভার এবং আরো নতুন নতুন ফ্লাইওভার করে যাচ্ছি। বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর পর্যন্ত মাস র‌্যাপিড ট্রানজিটও প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

    আগামীতে ক্ষমতায় আসতে পারলে ঢাকা উত্তর এলাকার যে সব জায়গায় রেল ক্রসিং রয়েছে সেগুলোতেও ওভারপাস করে দেবে আওয়ামী লীগ সরকার, যাতে রেলের জন্য আটকে থাকতে না হয়। কেননা, সকলের সুযোগ-সুবিধা দেখাটাই আমাদের দায়িত্ব, বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে একটাই কারণে ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে নৌকায় মার্কায় আমাদের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে আওয়ামী লীগকে সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছেন বলে। সে কারণেই বলবো নৌকাই হচ্ছে একটি মার্কা যে মার্কা স্বাধীনতা দিয়েছে, উন্নয়ন দিয়েছে, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছে, পানি সমস্যার সমাধান করেছে, যোগাযোগ সহজ করেছে, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে, সারাদেশে ১শ’ টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছে যাতে দেশে কর্মসংস্থান হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, একমাত্র নৌকা মার্কা, এই মার্কা ক্ষমতায় থাকলেই সব হবে। আর ঐ লুটেরা দুর্নীতিবাজ, খুনী, ডাকাত, চোর- এরা ক্ষমতায় আসলে দেশকে ধ্বংস করে দেবে। আপনাদের কাছে অনুরোধ এই দেশকে এরা যেন ধ্বংস করতে না পারে।

    শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়ার আমলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট, নাইকো, গ্যাটকো- সবকিছুতেই তারা দুর্নীতি করেছে। বিদ্যুৎ প্রকল্পে, সড়কে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছিল কিন্তু ওদের ওই মেরুদ- ছিল না যে তারা চ্যালেঞ্জ করে। কারণ, তারাতো দুর্নীতিবাজই ছিল। জনগণের অর্থ আত্মসাত করেছে। আর আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা কওে, তাদের কল্যাণেই কাজ করে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনার পুরোপুরি চালু হলে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরফলে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ আরো উন্নত হবে। কক্সবাজারে সর্বাধুনিক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও আওয়ামী লীগ সরকারই করেছে।

    তিনি বিএনপি’র প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, তারা বিদেশে এখানে সেখানে ধর্না দেয়। ঐসব ধর্না দিয়ে কোন কাজ হবে না। জনগণের শক্তি বড় শক্তি। আমি সেই জনগণের শক্তিতেই বিশ্বাস করি। তাদের ওপরই আমার আস্থা আছে।

    ’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় স্মরণ করে তিনি বলেন, সেদিন বাবা, মা-ভাই-সব হারিয়েছি। সব হারিয়ে দেশে ফিরে এসে পেয়েছি এই বাংলাদেশের জনগণ। আজকে বাংলাদেশের জনগণই আমার পরিবার। আমার আপনজন। কাজেই তাদের জন্য কাজ করাকে কর্তব্য দায়িত্ব হিসেবেই নিয়েছি।

    সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে কক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের’ দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্য ও সম্পচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আজম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা সিটি উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণ সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন উত্তরের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কোচি।

    সূত্র: বাসস

  • কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভায় শেখ হাসিনা

    কাওলায় আওয়ামী লীগের জনসভায় শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ অক্টোবর, ২০২৩: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে রাজধানীর কাওলায় ক্ষমতাসীন দলের জনসভা চলছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ শনিবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সোয়া ৩টায় তিনি জনসমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে স্লোগানে স্লোগানে স্বাগত জানালে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জবাব দেন।

    এ জনসভা গত শনিবার ( ৭ অক্টোবর) হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে তারিখ পরিবর্তন হয়। এ উপলক্ষে এরই মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন শাখা ও ইউনিট থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জড়ো হয়েছেন কাওলা মাঠে। দুই ঘণ্টা আগেই জনসভার মাঠ লোকে লোকারণ্য। রোদের মধ্যে আশপাশের এলাকায় গাছের ছায়াও অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।

    রাজধানীর কাওলায় এলাকায় অবস্থিত সিভিল এভিয়েশন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    সকাল থেকে সমাবেশস্থলে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা জড়ো হন। মিছিল-স্লোগানে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরি হয়।

  • নারীদের এগিয়ে নিতে পি-টুয়েন্টি সম্মেলন ভূমিকা রাখবে: স্পিকার

    নারীদের এগিয়ে নিতে পি-টুয়েন্টি সম্মেলন ভূমিকা রাখবে: স্পিকার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ অক্টোবর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের নারীরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জসমূহ থেকে উত্তরণের মাধ্যমে নারীদের এগিয়ে নিতে পি-টুয়েন্টি সম্মেলন ভূমিকা রাখবে।

    আজ ভারতের নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত নবম জি-টুয়েন্টি পার্লামেন্টারি স্পিকারস সামিট (পি-টুয়েন্টি) সম্মেলনের ‘মেইনস্ট্রিমিং জেন্ডার ইক্যুায়ালিটি ফ্রম উইমেন্স ডেভলপমেন্ট টু ঊইমেন লেড ডেভলপমেন্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্পিকার বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নের  নারীদের অবদান অর্ধেক। উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে ঘর-গৃহস্থালির কাজে নারীরা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছে।নারীর ক্ষমতায়নে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বকে সকলে স্বাগত জানাতে হবে।

    ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা জরুরি। অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রযাত্রার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব। মেয়েদের যথাযথ শিক্ষা অর্জন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। নারীদের অর্থনীতির মূল ধারায় সম্পূর্ণরূপে সম্পৃক্ত করতে পারলে টেকসই অর্থনীতি অর্জন করা যাবে। নারীরা দেশের সম্পদ।

    এসময় তিনি আরও বলেন, নারী বৈষম্য দূরীকরণ, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, নারীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন, চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ইত্যাদি বিষয়গুলোতে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে সকলকে সহযোগিতা করতে হবে। নারীদের অর্থনৈতিক ভূমিকা শক্তিশালী হলে দেশের অর্থনীতি অধিকতর স্থিতিশীল হবে বলে স্পিকার মন্তব্য করেন।

    সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অস্ট্রেলিয়ার সিনেটের প্রেসিডেন্ট সুয়ে লিয়েন্স, মেক্সিকোর  চেম্বার অব ডেপুটিস এর স্পিকার মার্সেলা গুয়েরা ক্যাস্টিলো, দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার নোসিভিয়ে নোলুথান্ডা মাপিসা এনকুয়ালা, স্পেনের কংগ্রেস অব ডেপুটিস এর স্পিকার  ফ্রান্সিসকো সোসিয়াস, নাইজেরিয়া সিনেটের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট জিবরিন বারাউ এবং ওমানের স্টেট কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাদরিয়া আল সাহিহি বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় বিভিন্ন দেশের স্পিকারগণ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • আপামর বাঙালি সাম্প্রদায়িক নয়: তথ্যমন্ত্রী

    আপামর বাঙালি সাম্প্রদায়িক নয়: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ অক্টোবর, ২০২৩: ‘আপামর বাঙালি সাম্প্রদায়িক নয়’, বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ।তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাঙালি, তারপর ধর্মের পরিচয়। কিন্তু এই চেতনার বেদীমূলে আঘাতের ফলে পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সব সম্প্রদায়ের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতে ৩০ লাখ শহীদ ও ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম হানির বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি, লাল সূর্য খচিত সবুজ পতাকা ছিনিয়ে এনেছি।’

    আজ শনিবার (১৪ আক্টোবার) সকালে রাজধানীর বনানী মাঠে স্থাপিত পূজামন্ডপে গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত শুভ মহালয়া ১৪৩০ অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেখা যায়, যখন নির্বাচন আসে, তখন এই অপশক্তি আবার ফণা তোলার অপচেষ্টা চালায়। তাই এদের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আজ ও সেই সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আমাদের দেশে আছে এবং তারা সময়ে সময়ে তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়।’

    নির্বাচনকে সামনে রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গত ১৫ বছরের পথচলায় চেষ্টা করেছি, ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশের যে মূল চেতনা হারিয়ে গিয়েছিল তা ফিরিয়ে আনার।’

    তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশে সবকিছু ছাপিয়ে বড় উৎসব, বাঙালির উৎসব হয়ে দাঁড়িয়েছে পয়লা বৈশাখ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের দেশে যেভাবে বাংলা প্রতিবেশি কোনও দেশেও নেই।’

    সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বারবার বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, ধর্ম যার যার রাষ্ট্র ও সবার। আর সেটির প্রতিফলন আমরা দেখি দুর্গাপূজা, ঈদ, প্রবারণা পূর্ণিমাসহ সকল ধর্মীয় পার্বণে, যেখানে সকল ধর্মের মানুষ উৎসব মুখর পরিবেশে শামিল হয়।’

    অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গুলশান-বনানী পূজা উদযাপন ফাউন্ডশনের সভাপতি পান্না লাল দত্ত, সাধারণ সম্পাদক প্রাণকৃষ্ণ ঘোষ, সন্তোষ শর্মা প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন, মনোজ সেনগুপ্ত।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেষে, ফাউন্ডশনের শিল্পীরা মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।

    সূত্র: বাসস

  • আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূল স্লোগান হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’: কৃষিমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূল স্লোগান হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’: কৃষিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ অক্টোবর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মূল স্লোগান হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, নির্বাচনী ইশতেহার কমিটির আহ্বায়ক ও কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ।

    আজ শনিবার (১৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলের ইশতেহার কমিটির বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, সব নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে প্রতিশ্রুতি প্রণয়ন করে থাকে। অতীতে আমরা কি করেছি, কি আমাদের অর্জন, সেগুলো আমরা পর্যালোচনা করি। সে আলোকে আমরা সব নির্বাচনের আগে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়ন করি। এবারও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্বাচনের জন্য ইশতেহার কমিটি করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০২০ সালে করোনা মহামারি এবং পরে ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে আমাদের অর্থনীতির ওপর বিরাট আঘাত আসে। সেই আঘাতের কারণে আমাদের প্রবৃদ্ধির যেই লক্ষ্যমাত্রা ছিল, সেটি অর্জন করা সম্ভব হয়নি। আমাদের অর্থনীতিও টানাপোড়েনের মধ্যে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও কিছু পণ্যের অস্বাভাবিকভাবে দাম বেড়েছে। সেগুলো মোকাবিলা করেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক টানাপোড়েন কাটিয়ে উঠতে আমাদের আরও কিছু সময় লাগবে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ইশতেহার কমিটির সদস্য সচিব এবং আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, অধ্যাপক সাদেকা হালিম, সাজ্জাদুল হাসান এমপি, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ।

  • ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর মেট্রোরেল বন্ধ থাকবে

    ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর মেট্রোরেল বন্ধ থাকবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ অক্টোবর, ২০২৩: ১৩ থেকে ১৫ অক্টোবর, এই তিন দিন মেট্রোরেল বন্ধ থাকবে । কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এমআরটি লাইন-৬ এর উত্তরা-আগারগাঁও অংশ এবং আগারগাঁও-মতিঝিল অংশের সিস্টেম ইন্টেগ্রেশনের কাজ চলবে এই তিন দিন।

    আজ শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও আগামী ১৪ ও ১৫ অক্টোবর সিস্টেম ইন্টেগ্রেশনের জন্যে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেল।

    ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গত মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ।

    তাতে বলা হয়েছে, এমআরটি লাইন-৬ এর উত্তরা থেকে আগারগাঁও অংশ এবং আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশের সিস্টেম ইন্টেগ্রেশন করার জন্য আগামী শনিবার ও রবিবার (১৪ ও ১৫ অক্টোবর) উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও অংশের মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক চলাচল বন্ধ থাকবে। যথারীতি শুক্রবারও (১৩ অক্টোবর) মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ থাকবে।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী সোমবার (১৬ অক্টোবর) থেকে আগের সময়সূচী অনুযায়ী উত্তরা-আগারগাঁও অংশে মেট্রোরেল নিয়মিত চলাচল করবে।

    মেট্রোরেলে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সাময়িক এই অসুবিধার জন্য মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।