Author: Hello Bangla News

  • জাতির পিতা মাথাপিছু আয় ৯০ থেকে ২৭০ ডলার বাড়িয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

    জাতির পিতা মাথাপিছু আয় ৯০ থেকে ২৭০ ডলার বাড়িয়েছিলেন: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ মে, ২০২৪: জাতির পিতা মাথাপিছু আয় ৯০ ডলার থেকে ২৭০ ডলার বাড়িয়েছিলেন, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা যদি হিসাব করে দেখি, সেই ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এ দেশের মানুষের কোনো আয় বাড়েনি। বরং ওই সাড়ে তিন বছরে জাতির পিতা মাথাপিছু আয় যেটুকু বৃদ্ধি করেছিলেন, ৯২ ডলার থেকে ২৭০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেখা যাচ্ছে, একটানা শুধু মানুষের আয় কমেই যাচ্ছে, কমেই যাচ্ছে।কারণ জাতির পিতাকে হত্যা করে যারা ক্ষমতা নিয়েছিল, তারা প্রকৃতপক্ষে গণতান্ত্রিক ধারার না; তারা ক্ষমতা দখল করেছিল জাতির পিতাকে হত্যা করে এবং তারা এ দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে চায়নি। আমাদের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিল।”

    আজ শুক্রবার (১০ মি) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দাড়িয়াকুল গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের সঙ্গে মত বিনিময় এবং সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে কৃষি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে সার, ল্যাপটপ, ১০টি বাইসাইকেল, ১০টি রিকশাভ্যান, ৩০টি সেলাই মেশিন এবং ৩৮ জনকে ৪০,০০০ টাকা করে অনুদান দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন সেই পাকিস্তানি কারাগার থেকে ফিরে আসেন। তিনি বাংলাদেশটাকে স্বাধীন-সার্বভৌম ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন। আমাদের ভূ-খণ্ড অত্যন্ত ছোট কিন্তু আমাদের জনসংখ্যা বেশি। আর সেই সাথে সাথে আমাদের চাষ উপযোগী জমি সীমিত। তার ওপর পরিবারগুলো যখন ভাগ হয়, প্রত্যেক জমিও ভাগ হয়। ভাগ হলেই সেখানে আইল বসে, অনেক চাষ উপযোগী জমি তাতে নষ্ট হয়ে যায়।”

    তিনি বলেন, “তাছাড়া বাংলাদেশের জনগণের দুঃখ দরিদ্রতা দূর করবার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পদক্ষেপ নেন। তিনি বলেছিলেন, আমি এই ঘুণে ধরা সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলব। তিনি জানতেন, আমাদের যদি উৎপাদন বাড়াতে হয়, তাহলে সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে, শুধুমাত্র সনাতনী পদ্ধতিতে চাষ করলে হবে না—আধুনিক পদ্ধতিতে চাষ করতে হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশ, যেমন জাপানকে উদাহরণ হিসেবে তিনি দেখাতেন যে, জাপানের জমিতে তিন গুণ বেশি সফল হয়, আমাদের দেশে কেন হবে না?”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “আমরা ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর সরকারে আসি। সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা বাংলাদেশকে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করব এবং জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা কাজ করব। তখন এই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটা, ওই যে জাতির পিতা সমবায় করতে চেয়েছিলেন তারই আলোকে আমরা এটা গড়ে তুলি। প্রতিটি পরিবারের জন্য এটি হচ্ছে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যবস্থা। ক্ষুদ্র ঋণের অধিক যে ট্যাক্স দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। টাকা নিয়ে অতি মাত্রায় সুদ দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। বরং সমবায়ের মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকটা পরিবারকে যে সহযোগিতা করব, সেটা থেকে যে উৎপাদন হবে, সেই উৎপাদন থেকে কেউ যদি ১০০ টাকা জমাতে পারে তাহলে সরকারের কাছ থেকে আরও ১০০ টাকা দেওয়া হবে দুই বছরের জন্য। সেটা জমা হবে তার মূলধন হিসেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি এর জন্য একটা ব্যাংক তৈরি করেছি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। এই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে এটা থাকবে। প্রকল্প থেকে যারা একটু স্বাবলম্বী হয়ে; পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকেই তাদের টাকা থাকবে তার মূলধন হিসেবে, তিনি ব্যবসা বা যেটাই করেন—হাঁস-মুরগি পালন বা চাষ করা, যে যেই কাজ পারবে সেই কাজ করে ওই ব্যাংক থেকে লোন নেবেন এবং কাজ করে টাকা শোধ দেবেন। অর্থাৎ সম্পূর্ণভাবে স্বাবলম্বী হবে।”

    শেখ হাসিনরা বলেন, “দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ২০০১-এ বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে এটাও বন্ধ করে দেয় এক রকম বলতে গেলে। এর কার্যকারিতাই থাকে না। যা হোক, আমরা পরবর্তীতে সরকারে এসেছি এবং কাজ করে যাচ্ছি। একে একে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকটাকে আরও উন্নত করে গড়ে তোলা এবং সেই সাথে সাথে এই ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়া, আর ঋণের সাথে সাথে যারা সঞ্চয় করতে পারবে, পারলে তাদের এই আর্থিক সহায়তা দিয়েই স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। সেই কাজটা কিন্তু আমরা করে যাচ্ছি।”

    দেশের মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা এ সময় তিনি তুলে ধরেন। শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা চাই, সারা বাংলাদেশে এভাবে মানুষকে নিয়ে যৌথভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চয়ের মাধ্যমে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে জীবনমান উন্নত করতে।”

    এ সময় পহেলা আষাঢ় থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে বৃক্ষ রোপণের আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং প্রার্থনা করেন। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    স্কোয়াড্রন লিডার আসিম জাওয়াদকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ মে, ২০২৪: মানিকগঞ্জে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বাদ জুমা সদর কবরস্থানে তৃতীয় নামাজে জানাজা শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

    দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

    এর আগে, আজ শুক্রবার (১০ মে) ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার প্যারেড গ্রাউন্ডে আসিম জাওয়াদের ফিউনারেল প্যারেড এবং দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

    আইএসপিআর জানায়, সেনাবাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও বিমান বাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন এবং নৌবাহিনী প্রধানের পক্ষ থেকে ঢাকা নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল মাসুদ ইকবাল মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের পরিবারের সদস্য, সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পদবীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে চট্টগ্রামের বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হকের প্যারেড গ্রা মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

    ফিউনারেল প্যারেড শেষে স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের মরদেহ নেওয়া হয় তার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে বিমানবাহিনীর একটি ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ নেওয়ার সময় বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। এসময় দুই পাইলট প্যারাসুট নিয়ে বিমান থেকে লাফ দেন। স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিএনএস পতেঙ্গাতে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩২ বছর ১ মাস ২০ দিন। তিনি স্ত্রী, এক কন্যা, এক পুত্র, বাবা-মা এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ ১৯৯২ সালের ২০ মার্চ মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়ার গোপালপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ডা. মো. আমান উল্লাহ এবং মাতার নাম নীলুফা আক্তার খানম। আসিম জাওয়াদ ২০০৭ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ২০১২ সালে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে বিএসসি (এ্যারো) পাশ করেন।

     

    ২০১০ সালে বিমান বাহিনীতে যোগ দেন আসিম:

    স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ১ ডিসেম্বর ক্যাডেটদের জন্য সর্বোচ্চ সম্মান সোর্ড অব অনার প্রাপ্তিসহ জিডি (পি) শাখায় কমিশন লাভ করেন।

     

    ১২ বছর বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন আসিম:

    কমিশন প্রাপ্তির পর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার চাকরিকাল ১২ বছর ৫ মাস ৯ দিন। চাকরিকালীন তিনি বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে তিনি এ্যাডজুটেন্ট ১৫ স্কোয়াড্রন বি বা, এ্যাডজুটেন্ট ৩৫ স্কোয়াড্রন বি বা, ইন্সট্রাকটর পাইলট ১১ স্কোয়াড্রন বি বা, স্টাফ ইন্সট্রাকটর-ফ্লাইং ইন্সট্রাকটরস স্কুল বি বা, ইন্সট্রাকটর পাইলট ১০৫ এজেটিইউ বি বা, কোয়ালিফাইড উইপন ইন্সট্রাকটর ২১ স্কোয়াড্রন বি বা এবং ফ্লাইট কমান্ডার (অপস্) অ্যান্ড ইন্সট্রাকটর ২১ স্কোয়াড্রন বি বা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    দেশে-বিদেশে পেশাদারী স্বীকৃতি লাভ করেন আসিম জাওয়াদ:

    স্কোয়াড্রন লিডার মুহাম্মদ আসিম জাওয়াদ পেশাদারী দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মফিজ ট্রফি’, ‘বিমান বাহিনী প্রধান ট্রফি’ ও বিমান বাহিনী প্রধানের প্রশংসাপত্র লাভ করেন। এছাড়াও ভারতীয় বিমান বাহিনীতে কোর্সে অংশগ্রহণ করে সাফল্যের স্বীকৃতি অর্জন করেন।চাকরিকালীন দেশে-বিদেশে পেশাগত বিভিন্ন কোর্সে অংশগ্রহণ করে সফলতার সঙ্গে তা সম্পন্ন করেন।তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী থেকে ওয়াটারম্যানশীপ কোর্স, বেসিক লোকাল এডমিন কোর্স, ফিজিক্যাল ফিটনেস কোর্স, জেনারেল সারভাইভাল কোর্স, অপস্ ইন্টেলিজেন্স কোর্স, ফরওয়ার্ড এয়ার কন্ট্রোলার কোর্স, এলিমেন্টারি সেফটি কোর্স, বেসিক জেট অ্যান্ড ফাইটার কনভার্সন কোর্স, অপস্ কনভার্সন কোর্স, এলিমেন্টারি লিডারশীপ কোর্স, ফ্লাইং ইনসট্রাকটরস কোর্স, ফ্লাইং সুপারভিশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কোর্স, ফিজিক্যাল ইনডকট্রিনেশন কোর্স, জুনিয়র কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স, অপস্ কনভার্সন কোর্স অ্যান্ড রেয়ার ককপিট ক্লিয়ারেন্স কোর্স ও ফ্লাইট লিডারশীপ কোর্স সম্পন্ন করেন। স্কোয়াড্রন লিডার আসিম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে এভিয়েশন ইনসট্রাকটরস পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেন।

     

    চীন ও ভারত থেকে ফাইটার কোর্স করেন স্কোয়াড্রন লিডার আসিম:

    এছাড়া, তিনি চীন থেকে ফাইটার পাইলটস ফাউন্ডেশন ট্রেনিং কোর্স, ভারত থেকে অপারেশনাল ট্রেনিং ইন এভিয়েশন মেডিসিন ফর ফাইটার পাইলটস কোর্স, বেসিক এয়ার স্টাফ কোর্স ও কোয়ালিফাইড ফ্লাইং ইন্সট্রাকটরস কোর্স সম্পন্ন করেন।

  • নৈরাজ্য করলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়বো: সেতুমন্ত্রী

    নৈরাজ্য করলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়বো: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১০ মে, ২০২৪: নৈরাজ্য করলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়বো. বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “সম্প্রতি বিএনপি নেতারা জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন। বিচার বিভাগ স্বাধীন বলে সেটা সম্ভব হচ্ছে। তবে, বিএনপি আবার নৈরাজ্য করলে আগে তো একটা শিক্ষা পেয়েছে, এবার ডাবল শিক্ষা পাবে। আমরা বসে নেই। নৈরাজ্য, সন্ত্রাস বা অরাজকতা করলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়বো।”

    আজ শুক্রবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রতিবেশী দেশকে খুশি করতে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করে, ভারত আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে পারবে না’- বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের এমন বক্তব্যের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, “ভারতকে খুশি করার আমাদের দরকার নেই। আমরা নিজেদের শক্তিতে টিকে আছি, ভারতের দয়ায় নয়। তবে, ভারত আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনের সময় যে ভূমিকা নিয়েছিল, তখন কিন্তু ভারত কোনো কথা বলেনি, কোনো ভূমিকা রাখেনি। নিজের দেশকে এভাবে ছোট করা গয়েশ্বরের ক্ষেত্রেই মানায়।”

    এসময় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের শঙ্কার কথা উল্লেখ করে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ চলছে, আমরা কয়েকবার বলেছি, দুষ্টু ছেলে ইসরায়েল এখন আমেরিকাকেও মানে না। হিটলার যে গণহত্যা চালিয়েছে, আজ নেতানিয়াহু গাজায় সেটিই করছেন। যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র না দিলেও এখন একাই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নেতানিয়াহু। এটি সারাবিশ্বের জন্য আতংকের বিষয়। সারাবিশ্ব এ নিয়ে সোচ্চার। আমেরিকা-ইউরোপে গাজার প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে কর্মসূচি করছে। আমাদের ছাত্রলীগও বড় সমাবেশ করেছে, তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

    ১৭ মে’র কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগরসহ সব শাখা ও সহযোগী সব সংগঠন কেন্দ্রীয় কার্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসূচি নেবে। সবচেয়ে বড় প্রোগ্রাম হবে ২৩ জুন, আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, সারাদেশে আমরা ব্যাপকভাবে পালন করবো।”

    প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচন খুব বেশি ভালো হয়নি জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, “প্রাণহানির একটি ঘটনাও নেই, এমন একটা নির্বাচন আমরা করেছি। এই কৃতিত্ব আমাদের দিতে হবে। তবে যেভাবে ভোট হয়েছে, তাতে খুব বেশি ভালো বলবো না, তবে সন্তোষজনক। বিএনপি-জামায়াতসহ অনেক দল বর্জন করেছে। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভোটার উপস্থিতি ৩৬ থেকে ৪০ শতাংশ কম নয়।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ভুল আর ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকে বিএনপি কিছুই আদায় করতে পারবে না। তারা মুখে বড় কথা বললেও নেতাদের ভেতরে হতাশা ভর করেছে। যতদিন ফিরে না আসবে, আরও জনবিচ্ছিন্ন হবে।”

    যৌথ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, আইন সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

  • সাকিবের ৪ উইকেটের সুবাদে বাংলাদেশের জয় ৫ রানে

    সাকিবের ৪ উইকেটের সুবাদে বাংলাদেশের জয় ৫ রানে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১০ মে, ২০২৪: সাকিব ব্যাট হাতে এক রানে ফিরলেও বোলিং করে চার উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে জিতালেন ৫ রানে।অনেক দিন পর দলে ফিরলেন তিন ক্রিকেটার। সাকিব, সৌম্য আর মোস্তাফিজুর রাহমান। তবে তিন ক্রিকেটার দলে টিকে থাকার মত খেলেছেন। সৌম্য করেছেন ৩৪ বলে ৪১ রান। আর মোস্তাফিজ নিয়েছেন ৩ উইকেট।

    শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে সাকিব আল হাসান দিলেন এক রান, পরের বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ আবার জমিয়ে তোলেন ব্লেসিং মুজারাবানি। এমন উত্তেজনা থাকল জিম্বাবুয়ের ইনিংসের পুরোটাতেই। শেষ অবধি বাংলাদেশ জয় পেল।

    শুক্রবার মিরপুরে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থটিতে জিম্বাবুয়েকে ৫ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ১৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায় স্বাগতিকরা। সেই রান তাড়া করতে নেমে সব উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানের বেশি করতে পারেনি সফরকারীরা।

    টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। একের পর এক বাউন্ডারি মারতে থাকেন তানজিদ হাসান তামিম, প্রথম দিকে অনেকক্ষণ আরেক প্রান্তে দাঁড়িযে সেটি দেখেন সৌম্য। পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৫৭ রান করে বাংলাদেশ। তানজিদের রান তখন ২৭ বলে ৪০, সৌম্যের ৯ বলে ৬।

    পাওয়ার প্লের ঠিক পরের ওভারে ব্রায়ান বেনেটকে রিভার্স সুইপে ছক্কা হাঁকিয়ে প্রথম বাউন্ডারি পান সৌম্য। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তানজিদ, এই সিরিজেই অভিষেক হওয়া তানজিদ এ নিয়ে চার ম্যাচে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি পান। ১২তম ওভারের প্রথম বলে গিয়ে তিনি আউট হলেই উদ্বোধনী জুটি ভাঙে।

    ৩৭ বলের ইনিংসে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫২ রান করেন তানজিদ। ওই ওভারেই আউট হন তার উদ্বোধনী সঙ্গী সৌম্য সরকার। ৩৪ বল খেলে ৪১ রান করা এই বোলার ইয়র্কারে এলবিডব্লিউ হন।

    দুই ওপেনারকে হারানোর পরের গল্পটা বাংলাদেশের জন্য কেবলই হতাশার। তিনে খেলতে নামা তাওহীদ হৃদয় আউট হন সিকান্দার রাজার বলে। ৮ বলে ১২ রান করে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন বেনেটের হাতে। পরের ওভারে বল হাতে এসে বাংলাদেশের আরও দুই উইকেট তুলে নেন বেনেট।

    তার করা প্রথম বল ব্যাট ও প্যাডের মাঝখান দিয়ে গিয়ে আঘাত করে সাকিব আল হাসানের স্টাম্পে। ৩ বলে ১ রান করে ফেরেন তিনি। শেষ বলে শান্তকেও বোল্ড করেন বেনেট, বাংলাদেশ অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৭ বলে ২ রান।

    পাঁচ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে আর টেনে তুলতে পারেননি জাকের আলি অনিক, রিশাদ হোসেনরা। ১৭তম ওভারে এসে ৭ বলে ৬ রান করা জাকেরকে আউট করেন রিচার্ড এনগারাভা। ওই ওভারেই রান আউট হন তাসকিনও।

    পরের ওভারে এসে রিশাদ হোসেনকে ইয়র্কারে বোল্ড করেন লুক জংওয়ে। ৪ বলে তিনি করেন ২ রান। শেষ অবধি এক বল বাকি থাকতে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ।

    জিম্বাবুয়ের হয়ে ৩ ওভারে ২০ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন লুক জংওয়ে। দুটি করে উইকেট পান ব্রায়ান বেনেট ও রিচার্ড এনগারাভা। একটি করে পান সিকান্দার রাজা ও ব্লেসিং মুজারাবানি।

    রান তাড়ায় নেমে শুরুতে সুবিধা করতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। ইনিংসের চতুর্থ বলে কোনো রান করার আগেই ব্রায়ান বেনেটকে আউট করেন তাসকিন আহমেদ। তার শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মিড অনে দাঁড়ানো সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন জিম্বাবুয়ে ব্যাটার।

    নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে আরও এক উইকেট তুলে নেন তাসকিন। ৪ চারে ১০ বলে ১৭ রান করে তাসকিনের বলে বোল্ড হয়ে যান সিকান্দার রাজা। পরের ওভারে এসে মারুমানিকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। এরপর ২৯ বলে ২৫ রানের জুটি গড়েন ক্লাইভ মাদানদে ও জনাথন ক্যাম্পবেল।

    তাদের জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। তার বলে এলবিডব্লিউ আউট হন ১৮ বলে ১২ রান করা মাদানদে। এর মধ্যে তাওহীদ হৃদয় ক্যাচ ছাড়েন ক্যাম্পবেলের, রায়ান বার্লের ক্যাচ গ্লাভস হাতে অনেকটুকু দৌড়ে স্কয়ার লেগে গিয়ে ছাড়েন জাকের। বার্লের সঙ্গে ক্যাম্পবেলের জুটিতে নতুন করে আশা দেখা শুরু করে জিম্বাবুয়ে।

    এর মধ্যে তানজিম হাসান সাকিবের ১৩তম ওভারে ২০ রান নেন তারা। বলের সঙ্গে রানের ব্যবধানও কমে আসে তাতে। তবে ১৫তম ওভারে এসে দুই উইকেট নিয়ে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। তৃতীয় বলে অনেকটুকু দৌড়ে দারুণ ক্যাচ নেন সৌম্য সরকার। ২০ বলে ১৯ রান করে আউট হন বার্ল, ৩০ বলে তার ৩৫ রানের জুটি ভেঙে যায় ক্যাম্পবেলের সঙ্গে। ওই ওভারের শেষ বলে পয়েন্টে রিশাদের হাতে ক্যাচ দেন জংওয়ে।

    সেট হয়ে যাওয়া ক্যাম্পবেলকে ১৭তম ওভারের প্রথম বলেই ফিরিয়ে দেন সাকিব। ২৭ বলে ৩১ রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেন ক্যাম্পবেল। তাকে ফেরালেও ওই ওভারে ১৪ রান দিয়ে দেন সাকিব। ১৮ বলে ২৭ রানের সমীকরণে চলে আসে ম্যাচ।

    ১৯তম ওভারের প্রথম বলে ক্যাচ সাকিবের মাথার সামান্য উপর দিয়ে ছক্কা হয়ে যায়। তৃতীয় বলে দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে ১০ বলে ১১ রান করা ফারাজ আকরামকে ফেরান তানজিদ হাসান তামিম।

    শেষ ওভারে ১৪ রানের সমীকরণ। প্রথম বলেই তানজিদ হাসান তামিম ছেড়ে দেন সহজ ক্যাচ। দ্বিতীয় বলে ডট দিলেও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন মুজারাবানি। কিন্তু পরের বল ওয়াইড করেন সাকিব, সেটিও ছিল বেশ জোরে। এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন মুজারাবানি। পরের বলে রিচার্ড এনাগারাভাকে বোল্ড করে খেলা শেষ করেন সাকিব। সবমিলিয়ে সাকিব নেন চার উইকেট, মোস্তাফিজ তিন ও তাসকিনের ঝুলিতে গেছে দুই উইকেট।

    মোস্তাফিজ ৪ ওভার বল করে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ।

  • বহিরাগতদের হলে প্রবেশ ঠেকাতে কার্ড পাঞ্চ পদ্ধতি চালু হবে: ঢাবি উপাচার্য

    বহিরাগতদের হলে প্রবেশ ঠেকাতে কার্ড পাঞ্চ পদ্ধতি চালু হবে: ঢাবি উপাচার্য

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ মে, ২০২৪: বহিরাগতদের হলে প্রবেশ ঠেকাতে কার্ড পাঞ্চ পদ্ধতি চালু হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।তিনি বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। আগামী বছর থেকে হলে প্রবেশের সময় শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত কার্ড পাঞ্চ করে প্রবেশ করতে হবে। ফলে মেয়াদোত্তীর্ণ ও বহিরাগতরা হলে প্রবেশ করতে পারবে না।”

    আজ শুক্রবার (১০ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আয়োজিত গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নবীনবরণ ও অগ্রায়ন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

    বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবুল মনসুর আহাম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. রাশেদা ইরশাদ নাসির এবং বিভাগের শিক্ষকরা।

    উপাচার্য বলেন, “এখন লাইব্রেরিতে সবাই বিসিএস পড়তে যায়। দু-একজন হয়তো শ্রেণির বই পড়ার জন্য যায়। এর অর্থ, যে বিষয়ে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে, সে বিষয়ে তারা আনন্দ পায় না। আনন্দ পেলে পাঠ্যসূচি নির্ভর পড়াশোনা তাদের ধ্যান-জ্ঞান হওয়ার কথা।”

    তিনি বলেন, “সে কারণে আমরা বর্তমানে যে পরিমাণ শিক্ষার্থী ভর্তি করি, সে পরিমাণ শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে ভর্তি করার প্রয়োজন আছে কি না, তা ভাবতে হবে। এখন কেবল আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ভর্তি পরীক্ষা হয়। সে পরীক্ষার ভিত্তিতেই মাস্টার্সে ভর্তি করানো আইনগতভাবে বৈধ কি না, তাও আমাদের ভাবতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মাস্টার্সে যারা যাবে, তারা সংখ্যায় বেশি হবে না। যারা বিষয়ের ওপর গবেষণা করবে, ক্যারিয়ার নির্মাণ করবে— তারা হয়তো মাস্টার্সে পড়াশোনা করবে।”

    উপাচার্য বলেন, “লাইব্রেরিতেও একই প্রক্রিয়ায় চালু করছি। যারা কেবল বিসিএস পড়তে যায়, তারা আগামী মাস থেকে লাইব্রেরিতে প্রবেশ করতে পারবে না।”

    সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ বলেন, “আমার শেকড় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল বলেই বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছাতে পেরেছি। সাংবাদিকতা বিভাগ বৈচিত্র্যময়। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা নানা জায়গায় অবদান রাখছেন।”

    সাংবাদিকতা পেশায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এখন যে কেউ চাইলে সাংবাদিক হয়ে যান। হাতে একটি ফোন থাকলেই হয়; এটি অপ-সাংবাদিকতা। এসব বিষয় নিয়ে একটি সেমিনার করা যেতে পারে।”

    সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদ বলেন, “করোনার কারণে অনেকগুলো ব্যাচকে আমরা নবীনবরণ ও অগ্রায়ন দিতে পারিনি। দীর্ঘদিন পর আবারও সে সুযোগ হলো। সামনে তা অব্যাহত থাকবে।

    দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বিভাগের ৯ম, ১০ম, ও ১১তম ব্যাচকে অগ্রায়ন এবং ১৫তম, ১৬তম ও ১৭তম ব্যাচকে নবীনবরণ দেওয়া হয়।”

  • জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর আয়োজন শেষ হলো আজ

    জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর আয়োজন শেষ হলো আজ

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১০ মে, ২০২৪: আজ শেষ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান। ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আজ শুক্রবার(১০ মে)সমাপনী দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে সকাল ১০.০০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে।

    আজ‘সোনার বাংলার স্বপ্ন ও বাস্তবতা: রবীন্দ্রনাথ থেকে বঙ্গবন্ধু’ প্রতিপাদ্যে আলোচনায় স্মারক বক্তব্য প্রদান করেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: শাহ্ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব খলিল আহমদ এবং সভাপতিত্ব করেন প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত আয়োজনে অতিথিদের স্বাগত জানান বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

    Rabindranath Tagore Birth Anniversary Celebrations at National Level - Entertainment - 10 May 2024 (2)
    Rabindranath Tagore Birth Anniversary Celebrations at National Level – Entertainment – 10 May 2024 (2)

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মাননা প্রাপ্ত, বরেণ্য রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী ড. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, “বঙ্গবন্ধু রবীন্দ্রনাথ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সাথে সবসময় রবীন্দ্র রচনাবলী থাকতো। রবীন্দ্রনাথের দর্শন, মানবতা বোধ নানাভাবে বঙ্গবন্ধু তার বক্তৃতায় উচ্চারণ করেছেন, যখনই প্রয়োজন হয়েছে তিনি রবীন্দ্রনাথের আশ্রয় নিয়েছেন। একইভাবে অজানাকে জানার রহস্যটা রবীন্দ্রনাথের কাছে পরিপূর্ণ হয়েছে পূর্ববঙ্গে এসে। বাউলদের চিন্তা দর্শন, তাদের গান, আধ্যাত্মবাদ কবিকে পরিপূর্ণ করে। তাদের সাহচর্যে এবং পূর্ববঙ্গের ধানক্ষেত, মাঠ, কৃষক, প্রাকৃতিক পরিবেশে কবি নিজেকে খুঁজে পেয়েছিলেন।”

    তিনি আরো বলেন “কবির আধ্যাত্ম ভাবনা, দার্শনিকতা, মানবতা ও বিশ্বভাবনায় ছাপ ফেলেছিলো পূর্ববঙ্গ, বাংলাদেশ যেমন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কাছে ঋণী তেমনি তিনিও পূর্ববঙ্গের কাছে ঋণী”।

    সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান এমপি বলেন “কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কেবল বিশেষ দিনগুলোতে স্মরণে সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের দৈনন্দিন যাপিত জীবনে তার দর্শন, সাহিত্য ভাবনা অনুসরণ ও চর্চা করতে হবে।”

    এরপর সমাপনী সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় সমবেত সংগীত ‘সখা মোদের বেঁধে রাখো প্রেমডোরে’ এবং ‘আমি মারের সাগর পাড়ি দেব’ পরিবেশন করে সুরের ধারা। রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশন করে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নৃত্যনাট্য ‘চিত্রাঙ্গদা’। ১ ঘন্টার এ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় ৩ দিনব্যাপী আয়োজন।

  • ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদের জন্য সমর্থন দিচ্ছে সাধারণ পরিষদ

    ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদের জন্য সমর্থন দিচ্ছে সাধারণ পরিষদ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১০ মে, ২০২৪: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদের জন্য যোগ্য বলে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে । আজ শুক্রবার (১০ মে) ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্য হওয়া নিয়ে আবারও ভোট হতে চলেছে। এসময় ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার যোগ্য বলে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

    গত মাসে ১৫ সদস্যের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের সদস্যপদ দেওয়ার প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এরপরই সেই আবেদন নবায়ন করে পুনরায় জমা দেয় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। সেই প্রস্তাবেই ভোট হতে চলেছে আজ। এই ভোটাভুটি সফল হলে কার্যকরভাবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পাবে ফিলিস্তিন। কূটনীতিকরা বলেছেন, খসড়া প্রস্তাবটি এবার পাস হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন পেতে পারে।

    ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিতব্য এই ভোট ফিলিস্তিনিদের সমর্থনের বৈশ্বিক সমীক্ষা হিসেবে কাজ করবে। জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য একটি আবেদন প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদ ও পরে সাধারণ পরিষদে অনুমোদিত হতে হয়।

    সাধারণ পরিষদ একা জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদের অনুমোদন দিতে পারে না। তবে খসড়া প্রস্তাবটিতে শুক্রবার ভোট হওয়ার পর, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে কিছু অতিরিক্ত অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবে ফিলিস্তিন। যেমন, সাধারণ পরিষদের অ্যাসেম্বলি হলে জাতিসংঘের অন্য সদস্যদের মতো একটি আসন পাবে তারা। তবে ভোট প্রয়োগের কোনো ক্ষমতা তাদের হাতে থাকবে না।

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের সাত মাস পেরিয়ে গেছে। এরই মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বিস্তৃত করে চলেছে ইসরায়েল। বিষয়টিকে বেআইনি বলে মনে করে জাতিসংঘ। তাই জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পেতে বারবার চাপ দিচ্ছে ফিলিস্তিন।

    বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য নয় এমন একটি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ফিলিস্তিন। ২০১২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের পাস হওয়া দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান চুক্তির আওতায় এই স্বীকৃতি পায় দেশটি। আর পূর্ণ সদস্যপদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য রাষ্ট্রের অনুমোদন প্রয়োজন।

    ধারণা করা হচ্ছে পূর্ণ সমস্যপদ লাভ করেল ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে সংঘাতের অবসান ঘটবে।

  • রান্না: সজিনা দিয়ে সোনামুগ ডাল

    রান্না: সজিনা দিয়ে সোনামুগ ডাল

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১০ মে, ২০২৪: বিভিন্ন তথ্য থেকে পাওয়া গেছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রিয় একটি খাবার ছিলো সজিনা দিয়ে ডালের রান্না। আজ দেওয়া হলো সজিনা দিয়ে সোনামুগ ডালের একটি রেসিপি।

    Recipe by Farzana Baten (2)
    Recipe by Farzana Baten (2)

    উপকরণ:

    সোনা মুগ ডাল-৫০০ গ্রাম, সজিনা ডাঁটা-৫টা, কাঁচা আম-১টি, তেল (সরষের) ১ কাপ, শুকনা মরিচ  আস্ত ৭টা, আস্ত জিরা-১ চামচ, সাদা সরষে-১ চা চামচ, আদা কুচি-২ চা চামচ, তেজপাতা-২টা ও  লবন-স্বাদমতো।

     

    প্রণালী:

    ডাল ধুয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার কড়াইতে তেজপাতা, সরষে ফোড়ন, আদা কুচি দিয়ে তেলে নেড়ে ছোট করে কাটা শাজিনা ডাঁটা দিন। নাড়ুন। কিছুটা নেড়ে ডাল ঢেলে দিন। কিছুক্ষণ নেড়ে আম দিয়ে দিন। ঘন হয়ে গেলে ১ কাপ গরম পানি দিন। লবন দিন। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের “সজিনা দিয়ে সোনা মুগ ডাল”

    রেসিপি দিয়েছেন: ফারজানা বাতেন

  • ১৮৪ জন পেলেন সিআইপি সম্মাননা

    ১৮৪ জন পেলেন সিআইপি সম্মাননা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ মে, ২০২৪: এবার সিআইপি সম্মাননা পেলেন ১৮৪ জন । রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সিআইপি (রপ্তানি ও ট্রেড) সম্মাননা দেওয়া হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকেলে রাজধানীর রেডিসন ব্লু  ঢাকার ওয়াটার গার্ডেনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সিআইপি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।

    অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা রপ্তানিকারকদের সিআইপি (রপ্তানি ও টেড) কার্ড প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজকে বাংলাদেশের যে অর্জন, বিশেষ করে ২০০৯ থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের যে অর্জন তা সারা পৃথিবীতে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এ জায়গায় পৌঁছাবে তা অনেকে বিশ্বাস করতো না। ২০০৯ সালে যেখানে রপ্তানি ছিল ১৫ বিলিয়ন ডলারের একটু বেশি, আজকে সেই রপ্তানি আয় প্রায় চার গুন বেড়ে ৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বাংলাদেশ আজকে বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। যার জিডিপির আকার প্রায় ৪৬০ বিলিয়নের ওপরে। এসবগুলো অর্জনই সম্ভব হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে। উনি ব্যবসা-বাণিজ্যে লজিস্টিক যে সাপোর্ট দিয়েছেন এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন হয়েছে, সেটি অনস্বীকার্য। আজকে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি যোগাযোগ ব্যবস্থা।”

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা রপ্তানি বাণিজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আমরা ১৪০ জনকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য সিআইপি প্রদান করেছি। সেই সঙ্গে এ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই তাদের স্বীকৃত স্বরূপ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশ মোতাবেক ৪৪ জনকে সিআইপি ট্রেড হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।”

    দেশের রপ্তানিকারক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও পারস্পরিক সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার আবহ সৃষ্টি করাই সিআইপি (রপ্তানি) কার্ড প্রদানের উদ্দেশ্য। নীতিমালা অনুযায়ী ২০২২ সালের জন্য ২২টি খাতের মধ্যে ১৮টি পণ্য ও সেবা খাত এবং ইপিজেডভুক্ত ‘সি’ ক্যাটাগরিতে মোট ১৪০ জনকে সিআইপি (রপ্তানি) এবং ৪৪ জন ব্যবসায়ী নেতাকে সিআইপি (ট্রেড) সম্মানে ভূষিত করা হয়।

    এ বছর পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট ২০টি খাতে মোট ৩২৮টি আবেদন পাওয়া যায়। মেলামাইন ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প খাতে কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। ন্যূনতম আয়ের নিচে রপ্তানি আয় হওয়ায় চা খাতের একটি আবেদন অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

    রপ্তানি খাতে অবদানের জন্য এক বছর মেয়াদে সিআইপি (রপ্তানি) নির্বাচন করা হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে নির্বাচিত সিআইপিরা পরবর্তী বছরের সিআইপি (রপ্তানি) ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত সিআইপি (রপ্তানি) মর্যাদায় ভূষিত থাকবেন।

    ২০২২ সালের পণ্য বা সেবার খাতওয়ারি মনোনীত সিআইপিদের (রপ্তানি ও ট্রেড) মধ্যে কাঁচাপাটে দুই জন, পাটজাত পণ্যে চারজন, চামড়াজাত দ্রব্যে ছয়জন, হিমায়িত খাদ্যে চারজন, তৈরি পোশাকে (ওভেন) ১৮ জন মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া কৃষিজাত দ্রব্যে পাঁচজন, অ্যাগ্রোপ্রসেসিং এ পাঁচজন, হালকা প্রকৌশলী পণ্যে চারজন, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে তিনজন, হস্তশিল্পজাত পণ্যে চারজন, স্পেশালাইজড বা হোমটেক্সটাইল পণ্যে চারজন, তৈরি পোশাকে (নিটওয়্যার) ৩৪ জন, সিরামিক পণ্যে একজন, প্লাস্টিকজাত পণ্যে চারজন, টেক্সটাইলে (ফেব্রিক্স) সাতজন, কম্পিউটার সফটওয়্যারে দুইজন, আসবাবে একজন, বিবিধ পণ্যে ২৭ জন ও ইপিজেডভুক্ত ‘সি’ ক্যাটাগরিতে পাঁচজন সিআইপি হয়েছেন। একইসঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সিআইপি (ট্রেড ক্যাটাগরি) মনোনীত হয়েছেন ৪৪ জন।

    সিআইপি (রপ্তানি)-২০২২ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিআইপি (রপ্তানি) নীতিমালা-২০১৩ অনুসরণ করা হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালকের নেতৃত্বে প্রাথমিক বাছাই কমিটি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের (রপ্তানি) নেতৃত্বে চূড়ান্ত বাছাই/নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে প্রতিটি আবেদনপত্র মূল্যায়ন করা হয়। আবেদনপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি আয় এবং নতুন বাজারে প্রবেশ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা হয়। এছাড়া রপ্তানিকারকের বাণিজ্য বিরোধের সংশ্লিষ্টতা, আয়কর, ভ্যাট, শুল্ক এবং ঋণ গ্রহণ/পরিশোধ ইত্যাদি সম্পর্কিত বিষয়াদিও যাচাই করা হয়। খেলাপি ঘোষিত আবেদনকারীদের আবেদন চূড়ান্ত মূল্যায়নে বিবেচনা করা হয় না।

    সিআইপি (রপ্তানি)-২০২২ হিসেবে নির্বাচিত ব্যবসায়ীরা সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাস ও গাড়ির স্টিকার প্রাপ্তি, জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ প্রাপ্তি, ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেলপথ, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার, ব্যবসায়িক কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে Letter of Introduction প্রাপ্তি, নির্বাচিত সিআইপি তার স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন প্রাপ্তির অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার সুবিধা পাবেন।

    সরকারিভাবে প্রদত্ত সিআইপি কার্ডধারী ব্যক্তি বিদেশি ক্রেতার কাছে আস্থা ও সুনামের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরতে পারেন, যা তার ব্যবসায়িক সম্পর্ককে সুদৃঢ়করণের পাশাপাশি দেশের সার্বিক রপ্তানি প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

  • ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ১০৬৩৮ জন

    ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ ১০৬৩৮ জন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ মে, ২০২৪: বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। ৪৬তম এই পরীক্ষায় এবার ১০ হাজার ৬৩৮ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকেলে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) বিশেষ সভা শেষে এ ফলাফল প্রকাশ করে।

    পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুল্লাহ আল মামুন ফল প্রকাশের তথ্যটি জানিয়েছেন। তিনি জানান, আগামী আগস্টে এই উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

     

    যেভাবে মিলবে ফলাফল:

    ফলাফল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইটে (http://bpsc.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে।

    তাছাড়া টেলিটকের মাধ্যমে নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে যে কোনো মোবাইল হতে এসএমএস করেও জানা যাবে  ফলাফল। এজন্য PSC<Space>46<Space>Registration Number লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজে Registration Number-সহ Qualified অথবা Not Qualified হিসেবে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য ৪৬তম বিসিএস প্রিলিমিনারি টেস্ট (এমসিকিউ টাইপ) পরীক্ষা ২৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়।

    ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ বিসিএসে ৩ হাজার ১৪০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন, শিক্ষা ক্যাডারে শিক্ষায় ৫২০ জন। প্রশাসন ক্যাডারে ২৭৪ জন, পররাষ্ট্রে ১০, পুলিশে ৮০, আনসারে ১৪, মৎস্যে ২৬ ও গণপূর্তে ৬৫ জনকে নেওয়া হবে।

    মোট ৩ হাজার ১৪০ শূন্য পদের বিপরীতে ৩ লাখ ৩৮ হাজার আবেদন জমা পড়ে।