Author: Hello Bangla News

  • সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার কোটা ৩০ শতাংশ থাকছে

    সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার কোটা ৩০ শতাংশ থাকছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুন, ২০২৪: সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্র বাতিল হয়েছে।

    নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর পরিপত্র জারি করা হয়।

    ওই পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

    এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বুধবার (৫ জুন) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্র অবৈধ।

    ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন।

    রিটকারীরা তখন জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে। যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।

  • নরেন্দ্র মোদি পদত্যাগপত্র জমা দিলেন রাষ্ট্রপতির কাছে

    নরেন্দ্র মোদি পদত্যাগপত্র জমা দিলেন রাষ্ট্রপতির কাছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৫ জুন, ২০২৪: নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আজ বুধবার (৫ জুন) রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাতে পদত্যাগপত্র তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রপতি তার পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করেছেন।

    জানা গেছে, দিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে পুরো মন্ত্রিসভাসহ নিজের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিয়েছেন তিনি। তবে নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত সরকার পরিচালনা কাজ চালিয়ে যেতে নরেন্দ্র মোদির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    বুধবার ভারতের ৫৪৩ আসনের লোকসভার চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এই নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য ২৭২ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হলেও বিজেপি এককভাবে ২৪০ আসন পেয়েছে। ফলে এককভাবে সরকার গঠন করতে পারছে না দলটি।

    এখন সরকার গঠনের জন্য এনডিএ জোটের শরীকদের ৫৩ আসনের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে বিজেপিকে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৩ আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে, দেশটির বিরোধীদল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইনডিয়া ২৩৩ আসন পেয়েছে। এর মধ্যে কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছে ৯৯ আসন।

    লোকসভা আসন সংখ্যার হিসাব অনুযায়ী, সব কিছু ঠিক থাকলে কেন্দ্রে সরকার গড়বে এনডিএ। যদিও নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের একদিন পর দিল্লিতে এখন চলছে মেরুকরণের খেলা। সরকার ভাঙতে-গড়তে তৎপর হয়ে উঠেছে দু’পক্ষই।

  • মোবাইল চুরির সঙ্গে সঙ্গে একটি মামলা করবেন: ডিবি প্রধান

    মোবাইল চুরির সঙ্গে সঙ্গে একটি মামলা করবেন: ডিবি প্রধান

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুন, ২০২৪: মোবাইল চুরির সঙ্গে সঙ্গে একটি মামলা করবেন, বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।তিনি বলেন, “অনেকে মোবাইল চুরি হলে জিডি পর্যন্ত করতে চান না। তাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ মোবাইল চুরির সঙ্গে সঙ্গে একটি মামলা করবেন”।

    আজ বুধবার (৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে ধর্মমন্ত্রীর চুরি হওয়া মোবাইল উদ্ধার সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

    মামলা ছাড়াও মোবাইল চুরি রোধে মোবাইলে স্ট্রং পাসওয়ার্ড এবং নামাজ ও জানাজাতে গেলে পাঞ্জাবীর পকেটে মোবাইল ফোন না রাখার আহ্বান জানান ডিবিপ্রধান। তিনি বলেন, কেউ জানাজা বা নামাজ পড়তে যায় চোরেরা তখন সুযোগ পেয়ে মোবাইল নিয়ে যায়।

    এছাড়া অনুমোদিত বিক্রয় কেন্দ্র ছাড়া অন্য কোনো স্থান বা ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল ফোন ক্রয় না করা, পুরোনো মোবাইল ফোন না কেনা, চিকিৎসা করার টাকা নাই তাই রাস্তায় দাঁড়িয়ে মোবাইল বিক্রি করতে চাওয়া ব্যক্তির কাছ থেকে মোবাইল না কেনা এবং মোবাইলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সম্বলিত রশিদ ছাড়া মোবাইল ফোন ক্রয় না করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান হারুন অর রশীদ।

    হারুন বলেন, “চোরাই মোবাইল ফোন কেনা-বেচা দুটোই অপরাধ। চোরাই মোবাইল ফোন যার কাছে পাওয়া যাবে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে”।

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুন, ২০২৪: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পরিবেশ দূষণরোধ ও পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

    আজ বুধবার (৫ জুন) ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের ভূমির টেকসই ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

    রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভূমি প্রতিবেশ পুনরুদ্ধার এবং সংরক্ষণে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “মানবসম্প্রদায় ও প্রাণিকূলের অস্তিত্বের জন্য দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশের বিকল্প নেই। কিন্তু মানবসৃষ্ট বিভিন্ন উপায়ে আমরা প্রতিনিয়ত পরিবেশ দূষণ করছি। জনসংখ্যার তুলনায় আমাদের দেশের ভূমিসম্পদ অত্যন্ত সীমিত। খাদ্য নিরাপত্তা, আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য যথাযথ ভূমি ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”।

    তিনি বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাবের কারণে ভূমির অবক্ষয় ঘটছে। ক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুময়তার বিরুদ্ধে লড়াই এবং খরা সহনশীলতা বৃদ্ধি করা আমাদের অস্তিত্বের জন্য জরুরি”।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভূমি পুনরুদ্ধার, মরুময়তা রোধ এবং খরা সহিষ্ণুতা অর্জনে ঐতিহ্যগত ও প্রথাগত জ্ঞানের সঙ্গে বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞানকে একীভূত করে উদ্ভাবনী ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। এছাড়াও অবক্ষয়প্রাপ্ত ভূমি পুনরুদ্ধারে বৃক্ষরোপণসহ টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করা হলে জীববৈচিত্র্য যেমন সুরক্ষিত হবে, তেমনি এর মাধ্যমে জনগণের নিরাপদ জীবিকা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে”।

    তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তাহলেই আগামী প্রজন্মের জন্য সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব হবে”।

  • এবছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    এবছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৫ জুন, ২০২৪: এবছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১১টি আইন, নীতি, বিধিমালা ও প্রবিধানমালা প্রণনয়ন করি। আমাদের ১০টি বিশেষ উদ্যোগের একটি পরিবেশ রক্ষা করা। বৃক্ষরোপণ, বন সংরক্ষণ ও বনায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা ২৫ ভাগ বনায়ন করতে পেরেছি। এরই মধ্যে ছাদ বাগান করার উপরও জোর দিয়েছি। এতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নিজের খাদ্য যোগানও দেওয়া যায়। এবছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে”।

    আজ বুধবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৪ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যদি গাছ লাগান, গরমে ছায়ায় আরাম পাবেন। ফল গাছ হলে তো খেতেও পারবেন। নিজের গাছের ফলের তৃপ্তিই আলাদা। আমরা সবাই মিলে গাছ লাগিয়ে নিজেদের পরিবেশটা সুরক্ষায় মনোযোগ দেই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দেশকে ও দেশের মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা ও প্রকৃতিকে রক্ষা করা”।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ গাছ লাগায় আর বিএনপি তা ধ্বংস করে। আমাদের বৃক্ষরোপণ এবং প্রকৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া”।

    তিনি আরও বলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত জোট এবং তার পরবর্তী দুই বছর এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয়নি। ২০১৩ সালে সরকার উৎখাতের আন্দোলনের নামে মানুষকে যেমন হত্যা করা…তাছাড়া বাস, ট্রাক, গাড়ি, রেল, লঞ্চ, সেগুলো আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া আর বৃক্ষ নিধন করা হয়। লক্ষ লক্ষ বৃক্ষ কেটে ফেলে দেয় জামায়াত-বিএনপি। আমরা যেখানে গাছ লাগিয়েছে সেগুলো তারা ধ্বংস করেছে। এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্যের বিষয়”।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালনের জন্য ১৯৮৪ সালে আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেয় এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়। মূল দল আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনের প্রত্যেকটা সদস্য বৃক্ষরোপন করবে। আমাদের নির্দেশ ছিল এবং সেই নির্দেশনা আমরা এখনও পালন করে যাচ্ছি”।

    রিমালের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, “এত দীর্ঘস্থায়ী ঘূর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছ্বাস হয়নি। এবারই প্রথম হয়েছে। ৮ লাখ মানুষকে আমরা শেল্টারে আনতে পেরেছি। এত চাপেও আমাদের উপকূলে দেওয়া উপহারের ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য করে দেওয়া ঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি”।

    বিশ্বের ২ বিলিয়ন মানুষ মরুময়তার ঝুঁকিতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এরই মধ্যে মরুময়তা ও খরা প্রতিরোধে নানান উদ্যোগ নিচ্ছি। লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন করেছি, এটায় সফলতা পেয়েছি। খরা সহিষ্ণু এবং জলমগ্ন সহিষ্ণু ধানের জাত নিয়েও গবেষণা করছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা। আশা করি, এটিতেও সফলতা আসবে। অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিকভাবে বিকল্প ব্যবস্থা কীভাবে করা যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে”।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইট আমাদের উৎপাদন করতে হবে, তবে সেটা যাতে পরিবেশবান্ধব হয়। বিকল্প ব্যবস্থায়ও জোর দিচ্ছি। প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে এখনো। তবে সুখবর হলো, পাটের থেকে এমন কিছু পণ্য তৈরি করা যায়, যা মাটির সঙ্গে মিশেও যায়। এটার জন্য আমরা নানান ব্যবস্থা নিচ্ছি”।

    তিনি বলেন, “সামাজিক বনায়নে মাত্র ৩০ ভাগ লভ্যাংশ পেতো, এখন এটা ৭০ ভাগ করে দিয়েছি। যার কারণে সবাই সামাজিক বনায়ন আন্তরিকতার সঙ্গে করে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২২টি এলাকা সংরক্ষণ করেছি। সরকার জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে মুজিব অ্যাকশন প্ল্যান করেছি”।

    তিনি বলেন, “পিতার হত্যাকাণ্ডের পর আমার অবর্তমানে আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৯৮১ সালে আমি দেশে ফিরি। ফিরে আসি এজন্যই যে, স্বাধীনতার সুফল বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হবে। বাবার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে”।

    অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।