Author: Hello Bangla News

  • জনগণের সেবা করলে মানুষ আপনাদের ওপর আস্থা রাখবে: প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের সেবা করলে মানুষ আপনাদের ওপর আস্থা রাখবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: জনগণের সেবা করলে মানুষ আপনাদের ওপর আস্থা রাখবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আপনারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত। জনগণের সেবা যদি আপনারা নিশ্চিত করতে পারেন তাহলে ভবিষ্যতে আপনাদের ভোটের চিন্তা থাকবে না। মানুষই আপনাদের ওপর আস্থা রাখবে, বিশ্বাস রাখবে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (এপ্রিল ০৪) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র এবং কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরগণের শপথ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দুর্নীতি, মাদক, জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের থেকে সবাই যেন দূরে থাকে।”

    সরকার প্রধান বলেন, “প্রত্যেকটা এলাকা ভিত্তিক উন্নয়ন করে যাচ্ছি, আমাদের উন্নয়নের সমস্ত লক্ষ্য গ্রামের মানুষ। সে কথা মাথায় রেখেই আমাদের প্রত্যেক গ্রামের সমান উন্নয়ন হবে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সকলের আগে যেটা দরকার, জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা। একমাত্র আওয়ামী লীগ যখন সরকার গঠন করেছে, তখন এ দেশের মানুষ অন্তত পক্ষে এটুকু পেয়েছে যে, সরকার জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করে। যে কারণে বাংলাদেশের উন্নয়নটা সম্ভব হয়েছে।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “জনগণের উন্নত সেবা প্রদান, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলা হলো সরকারের লক্ষ্য। ইতোমধ্যে আমরা ঘোষণা দিয়েছি আমার গ্রাম আমার শহর। অর্থাৎ গ্রামের মানুষ নাগরিক সকল সুবিধা পাবে।”

    তিনি বলেন, “আজকে গত ১৫ বছরে আমি অন্তত এটুকু দাবি করতে পারি, বাংলাদেশ এখন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। আজকে যার বয়স ১৫ বছর, সে হয়তো ভাবতেও পারবে না যে, ১৫ বছর আগে ২০০৯ সালের আগের বাংলাদেশ কী অবস্থায় ছিল! আজকের বাংলাদেশে সেখান থেকে অনেক পরিবর্তন এসেছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে; পাঁচ গুণ আমরা বৃদ্ধি করেছি। সব থেকে বড় কথা দারিদ্র্যের হার আমরা পেয়েছিলাম ৪১ দশমিক ৫১ শতাংশ। আমরা তা কমিয়ে ১৮ দশমিক সাত শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল যে, অন্তত আমরা ১৬ বা ১৭ শতাংশের নামিয়ে আনব। যেটা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান।”

    তিনি আর বলেন, “আমরা সেটা করতে পারতাম, যদি কোভিড-১৯ এর মহামারি না দেখা দিত। আর এই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ না হতো, স্যাংশন-কাউন্টার স্যাংশন, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি; প্রত্যেকটা খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তেলের দাম বেড়ে গেছে, জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে, গ্যাসের দাম বেড়েছে, পরিবহন খরচ বেড়েছে—এগুলো যদি না হতো, আমরা কিন্তু আরও দ্রুত এগিয়ে যেতে পারতাম। আমাদের দারিদ্র্যের হার আরও কমাতে পারতাম।”

    অতি দরিদ্র প্রায় ২৫ ভাগের ওপরে ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেটা আমরা পাঁচ দশমিক ছয় ভাগে নামিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এত দ্রুত অতি দরিদ্রের হার কমানো, আমার মনে হয়, পৃথিবীর কোনো দেশ এটা পারেনি। এটা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে, এটা আওয়ামী লীগই পারে। তার কারণ হচ্ছে, আমরা খুব পরিকল্পিতভাবে পরিকল্পনা নিয়েছি এবং আমরা লক্ষ্য স্থির করে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করেছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমাদের এখন লক্ষ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে কেউ আর ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না, অতি দরিদ্র বলে কেউ থাকবে না।”

    শপথ নেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র তাহসিন বাহার সূচনা এবং  ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র একরামুল হক টিটু।

    একই অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণ করেন কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলররা।

    দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানগণকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা হলেন, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম তালুকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিল্লাল মিয়া এবং হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলেয়া আক্তার।

    পরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

  • স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ম্যান্ডেট জনগণ থেকে পেয়েছিলেন শুধু বঙ্গবন্ধু: সেতুমন্ত্রী

    স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ম্যান্ডেট জনগণ থেকে পেয়েছিলেন শুধু বঙ্গবন্ধু: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ম্যান্ডেট জনগণ থেকে পেয়েছিলেন শুধু বঙ্গবন্ধু, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “এরা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা। আজ ইতিহাসের সত্যকে জানতে হবে। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে তারা মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ করে গণহত্যা নিয়ে কোনো কথা বলেনি। আজ তারা এখনো স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক চালিয়ে যাচ্ছে। স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার ম্যান্ডেট জনগণ থেকে পেয়েছিলেন শুধু বঙ্গবন্ধু। সত্তরের নির্বাচনে একাত্তরের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার বৈধ ম্যান্ডেট কেবল বঙ্গবন্ধুই পেয়েছিলেন। কাজেই স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার অধিকার অন্য কারও ছিল না।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবস পালনের প্রস্তুতি ও খুলনা বিভাগীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির অভিভাবক দণ্ডিত পলাতক তারেক রহমান। সে যতদিন বিএনপির নেতৃত্বে থাকবে ততদিন বিএনপি সঠিক পথে আসবে না। দলটি ভুলের চোরাবালিতেই আটকে থাকবে।”

    তিনি বলেন, “লন্ডন থেকে যার হুকুমে বিএনপি চলে তার ফ্রি স্টাইল নেতৃত্ব এখন বিএনপি নেতাদের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। তারা বুঝতে শুরু করেছে, তারেক রহমান যতদিন নেতৃত্বে আছে ততদিন বিএনপি ভুলের চোরাবালিতে আটকে আছে। এখান থেকে তারা আর বের হতে পারবে না।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “রাজনীতি করবে রিমোট কন্ট্রোলে, এটা কি হয়! সাহস থাকলে দেশে আসুন, রাজনীতি করুন। জেলে যাওয়ার সাহস রাখুন। লন্ডন থেকে ডাকে আর জনগণ সাড়া দেবে না। আজ বিএনপি নেতারাও এই আন্দোলনের ডাককে ভুয়া বলে। বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েও ব্যর্থ। বিএনপি নেতাদের শোবার ঘরে, রান্নাঘরে ভারতীয় পণ্য। তথাকথিত এই ডাক ভাঁওতাবাজি। এই ভাঁওতাবাজির অবসান হয়েছে। আজকে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি দিশেহারা।”

    সেতু মন্ত্রী বলেন, “মির্জা ফখরুল কথায় কথায় চোখের জল ফেলেন। ৮০ পার্সেন্ট নেতাকর্মী নাকি নির্যাতন ও জেলে বন্দি। বলেন কোন কারাগারে তারা বন্দি আছে? আমির খসরু, মির্জা আব্বাস সবাই একে একে বাইরে। তালিকাটা প্রকাশ করুন। আর মিথ্যাচার করে জাতিকে বিভ্রান্ত করবেন না।”

    আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরুল্লাহর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ অন্যান্য নেতারা।

  • ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় কুকি-চিনকে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় কুকি-চিনকে দমন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ এপ্রিল, ২০২৪:ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় কুকি-চিনকে দমন করা হবে, হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ব্যাংকে ডাকাতি ছোট ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে না। কুকি-চিনকে কঠোরভাবে দমনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা আলোচনার মধ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (০৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলায় ব্যাংকে ডাকাতি, অস্ত্র লুট ও সোনালী ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের মতো ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের বিচার হবে, শাস্তি হবে। আমরা কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবো।”

    তিনি বলেন, “কেন হঠাৎ করে তারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, তা আমাদের জানা ছিল না। তবে যে উদ্দেশ্যেই তারা এসব করুক না কেন; আমরা তাদের কাউকে ছাড় দেব না। আর এমন কিছু ঘটেনি, যাতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে হবে। আমরা দেখছি, ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এর পেছনে কারা আছেন, কোনো উদ্দেশ্য আছে কি না? কোনো ধরনের নাশকতা কিংবা অন্য কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না, সেগুলো দেখে ব্যবস্থা নেব। কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যেভাবে তথ্য দিচ্ছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সেভাবেই কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

    মন্ত্রী আরো বলেন, “পয়লা বৈশাখ কিংবা অন্য কিছু নিয়ে নাশকতার কোনো তথ্য আমাদের কাছে এখনো আসেনি। আবার না এলেও আমাদের যে সতর্কতা, সেটা নেওয়া হচ্ছে।”

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা হামলার কারণ বের করবো। আর যারাই দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এর পেছনে ভূরাজনৈতিক কিছু আছে কি না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই। অনেক কিছু হতে পারে। তবে তথ্য না জানিয়ে কিছু বলতে চাচ্ছি না।”

    তিনি বলেন, “কুকি চিনের আস্তানা র‌্যাব ও আর্মি নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছিল। পরে আমাদের সীমানা পার হয়ে তারা ভিন্ন কোনো দেশে আশ্রয় নেয়। সেখানেই তারা অবস্থান করছিল। এখন তারা কোথা থেকে এসেছে কীভাবে এসেছে, মাঝে মধ্যে তাদের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। তারা শান্তি চায় বলেও জানিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে আক্রমণ ও ব্যাংক ডাকাতির ঘটনা আমাদের কাছে নতুন কিছু মনে হচ্ছে। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • স্মার্ট জেনারেশন তৈরির জন্য এআই আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী

    স্মার্ট জেনারেশন তৈরির জন্য এআই আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: স্মার্ট জেনারেশন তৈরির জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে চান এবং সেখানে স্মার্ট প্রজন্ম থাকবে। স্মার্ট জেনারেশন তৈরির জন্য এআই আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখনই কোনো না আইন প্রণয়ন করি না কেন, প্রধানমন্ত্রীর একটি কর্মপদ্ধতি আছে যে অংশীজনের সাথে কথা বলে তাদের মতামত নিই। তাদের মতামত নিয়ে আইনটা করার চেষ্টা করি। আমরা আইনের নাম প্রস্তাব এবং কাঠামো তৈরি করেছি।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) আইন, ২০২৪- এর খসড়া নিয়ে অংশীজন সভায় তিনি একথা বলেন।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে সভায় সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদসহ কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের সুবিধা এবং অসুবিধাগুলো কী, এগুলো নিয়ে আমাদের একটি আইন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।”

    তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবেলা এবং সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্যই আমরা একটি আউটলাইন তৈরি করেছি।”

    এআইয়ের ঝুঁকি কতটুকু তার উদাহরণ দিয়ে পলক জানান, “যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়ার টেকনোলজি পার্কটি ২০১৭ সালে ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছিলেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে ফেক ফটো প্রচার করা হয়েছে। এভাবে ভয়েস ও ছবি ব্যবহার করে অনেক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে সাইবার জগতে।”

  • অস্ট্রেলিয়ার কাছে টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ

    অস্ট্রেলিয়ার কাছে টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশের হোয়াইটওয়াশ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ওয়ানডে সিরিজের পর এবার টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ।দুই সিরিজে কোন খেলায় বাংলাদেশ নারী দল সামন্যতম প্রতিরোধ করতে পারেনি। হেসে খেলেই হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ টি-টোয়ন্টিতে বাংলাদেশকে ৭৭ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে অসিরা।

    আজ বৃহস্পতিবার শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৫৫ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ গুটিয়ে গেছে ৭৮ রানে।

    অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ব্ড় রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফেরত যান ওপেনার মুর্শিদা খাতুন (২ বলে ১)। এরপর ১০ রান করে রিতু মনি আউট হলে শুরু হয় আসা-যাওয়ার মিছিল।

    মিছিলে যোগ দেন স্বর্ণা আক্তার (০), দিলারা আক্তার (১২), রাবেয়া খান (১) ও ফাহিমা খাতুন (১১)। অর্থাৎ ৩৯ রানে নেই ৬ উইকেট। এরপর তাদের দেখানো পথে হাঁটেন শরিফা আক্তার (০), নাহিদা আক্তার (১) ও মারুফা আক্তার (০)।

    ১০ উইকেটে ২৫ রানের জুটি করে একটি রেকর্ড করেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও ফারিহা তৃষ্ণা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শেষ উইকেটে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ জুটি। ৩১ বলে ৩২ রান করে আউট হন নিগার সুলতানা।

    এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৩৯ রান করে অস্ট্রেলিয়া। এরপর ৫৯ রানের মধ্যে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা হাতে নেয় বাংলাদেশ।

    তবে ষষ্ঠ উইকেটে তাহলিয়া ম্যাকগ্রা ও গ্রেস হ্যারিসের ২৭ বলে ৫৭ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের দিকে হাঁটে অস্ট্রেলিয়া। অবেশেষে ৬ উইকেটে ১৫৫ রানের বড় স্কোরই দাঁড় করায় তারা।

    বাংলাদেশের হয়ে নাহিদা আক্তার শিকার করেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন শরিফা খাতুন ও রাবেয়া খান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন তায়লা ভ্লাইমিনক।

  • আগামী ১ জুলাই থেকে মেট্রোর টিকিটে ভ্যাট দিতে হবে

    আগামী ১ জুলাই থেকে মেট্রোর টিকিটে ভ্যাট দিতে হবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: মেট্রোরেলের টিকিটের ওপর বর্তমানে ভ্যাট মওকুফ রয়েছে, যার সময়সীমা আগামী ৩০ জুন শেষ হবে। ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে ওই সুবিধা দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। কিন্তু জুন মাসের পরে ওই ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা বাতিল করছে প্রতিষ্ঠানটি।তাই আগামী ১ জুলাই থেকে মেট্রোর টিকিটে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানিকে (ডিএমটিসিএল) চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    যাত্রীদের কথা চিন্তা করে ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে মেট্রোরেলের ভাড়ায় ভ্যাট অব্যাহতি দেয় এনবিআর। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে এ সুবিধা। ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ বাড়াতে সম্প্রতি এনবিআরকে চিঠি দেয় ডিএমটিসিএল। কিন্তু এ আবেদন নাকচ করে সংস্থাটি।

    এনবিআর জানিয়েছে, উন্নয়নের চাহিদা অনুযায়ী রাজস্ব আয় বাড়াতে সব খাতেই কর ছাড় কমানো হচ্ছে। তাই এ খাতের ভ্যাট অব্যাহতির সুবিধা আর বাড়ানো হবে না। ফলে জুলাই থেকে ১০০ টাকা ভাড়ায় ১৫ টাকা ভ্যাট দিতে হবে মেট্রোরেলের যাত্রীদের।

    এনবিআর দ্বিতীয় সচিব ব্যারিস্টার মো. বদরুজ্জামান মুন্সীর সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, মেট্রোরেল সেবার ওপর ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রদত্ত অব্যাহতির মেয়াদ শেষে মূল্য সংযোজন কর আরোপ না করার জন্য ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিষয়টি পর্যালোচনা করেছে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়, রূপকল্প ২০৪১ অনুযায়ী উন্নত দেশের কাতারে শামিলের লক্ষ্য সামনে রেখে দেশে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান। উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সম্পাদনে সরকারকে প্রতিনিয়ত অর্থের জোগান দিতে হচ্ছে, যা মূলত আহরিত হচ্ছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের মাধ্যমে।

    দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশ ইত্যাদি লক্ষ্য সামনে রেখে সময়ে সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর অব্যাহতি সুবিধা দেওয়া হয়।

    সেখানে বলা হয়, উন্নয়নের বিপুল কর্মযজ্ঞে অর্থের জোগান অব্যাহত রাখাসহ দেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণ এবং কর-জিডিপি অনুপাত কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় উন্নীত করতে বিভিন্ন খাতের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে প্রদত্ত অব্যাহতি সুবিধা ক্রমান্বয়ে প্রত্যাহার করা হচ্ছে, অর্থাৎ অব্যাহতির ক্ষেত্র সংকুচিত করা হচ্ছে।

    এ অবস্থায় প্রদত্ত অব্যাহতির মেয়াদ শেষে পুনরায় আলোচ্য ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি প্রদানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অপারগতা জ্ঞাপন করছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    ভ্যাট আইন অনুযায়ী, যে কোনো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেলের টিকিটে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের বিধান আছে। মেট্রোরেল যেহেতু পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গণপরিবহন, তাই মেট্রোর ভাড়াতেও ভ্যাট আরোপ হওয়ার কথা।

    তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষের যুক্তি হলো- শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রেলের টিকিটে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের আইন আছে। কিন্তু ওইসব ট্রেনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণি ছাড়াও সাধারণ শ্রেণি আছে। টিকিটধারী যাত্রীরা তাদের শ্রেণি পছন্দ করার সুযোগ পান। অন্যদিকে ঢাকার মেট্রোরেলই পুরোপুরি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। সেখানে সব যাত্রীর একই টিকিট কাটতে হয়। এছাড়া মেট্রোরেল এখন পুরোপুরি গণপরিবহন, যেখানে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ভ্রমণ করেন।

    এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে ভ্যাট আরোপ নিয়ে এনবিআর ও মেট্রোরেল কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন করে একটি বৈঠক হয়। সেখানে এনবিআরের প্রস্তাব নাকচ করেন মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

    পরে মেট্রোরেলে কর্তৃপক্ষ টিকিটের ওপর ভ্যাট না বসানোর যুক্তি দেখিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যানকে চিঠি দেয়।

    গত বছরের ২২ জানুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার শওকত আলী সাদী ভ্যাট আরোপের আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডকে চিঠি দেন। পরে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠকও হয়। তবে ভ্যাট আরোপ থেকে এনবিআর শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে আসে।

    ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)

    আওতায় মেট্রোরেল লাইন-৬ এর মাধ্যমে প্রথমে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিল স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করছে। ২০২৫ সালের মধ্যে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত এ রেল চালু হবে বলে আশা করে ডিএমটিসিএল।

    ডিএমটিসিএলের ভাড়ার তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ভাড়া ১০০ টাকা। এছাড়া যে কোনো দূরত্বে সর্বনিম্ন ভাড়া ২০ টাকা। তবে এ ভাড়ার সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত করলে ২০ টাকার ভাড়া বেড়ে হবে ২৩ টাকা।

  • এই গরমে সজীব থাকুন এই ১০ টি নিয়ম মেনে

    এই গরমে সজীব থাকুন এই ১০ টি নিয়ম মেনে

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশাখ শুরুর দশ দিন আগে থেকেই দেশে শরু হয়েছে প্রচন্ড তাপমাত্রা। মঙ্গলবার ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বুধবার দুপুর দুইটায় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যদিও আর্দ্রতার কারণে বাস্তবে গরম ছিল আরো বেশি। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    এদিকে আবহাওয়া দপ্তর বলছে, ১৮ থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে এই নিয়মগুলো পালন করুন। কেননা এই ধরণের গরমে সতর্ক থাকলে অনেক বিপদ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

     

    এই গরমে মেনে চলুন এই দশটি নিয়ম

    ১. সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা:

    সকাল ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা বেশি থাকে। এ সময় জরুরি কাজ না থাকলে বাইরে বের না হওয়াটাই ভালো।

     

    ২. ছাতা ব্যবহার:

    বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করা, যাতে সরাসরি রোদের মধ্যে থাকতে না হয়। এ সময় চওড়া কিনারাযুক্ত টুপি, ক্যাপও ব্যবহার করা যেতে পারে। যারা মাঠেঘাটে কাজ করেন, তারা মাথায় ‘মাথাল’ জাতীয় টুপি ব্যবহার করতে পারবেন, যা তাদের রোদ থেকে রক্ষা করবে।

     

    ৩. বেশি করে পানি পান করা:

    গরমে ঘাম হয়ে শরীর থেকে প্রচুর পরিষ্কার পানি বের হয়ে যায়, তখন ইলেট্রোলাইট ইমব্যালান্স তৈরি হতে পারে। এ কারণে এই সময়টাতে প্রচুর পানি পান করতে হবে। লবণ মিশিয়ে পানি পান করতে পারলে আরো ভালো। ফলের জুস খাওয়া শরীরের জন্য ভালো, তবে এ জাতীয় জুস খাওয়ার সময় দেখে নিতে হবে সেটি পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত পানি দিয়ে তৈরি কিনা। খোলা, পথের পাশের দুষিত পানি বা সরবত এড়িয়ে চলতে হবে।

     

    ৪. সূতির কাপড় পরতে হবে:

    গরমের এই সময়টায় জিন্স বা মোটা কাপড় না পরে সুতির নরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে। এ ধরণের কাপড়ে অতিরিক্ত ঘাম হবে না এবং শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করবে। গরমের সময় কালো বা গাঢ় রঙের কাপড় এড়িয়ে সাদা বা হালকা রঙের কাপর পরিধান করা ভালো, কারণ হালকা কাপড় তাপ শোষণ করে কম।

     

    ৫. সঠিক জুতা নির্বাচন:

    গরমের সময় খোলামেলা জুতা পরা উচিত, যাতে পায়ে বাতাস চলাচল করতে পারে।কাপড় বা সিনথেটিকে বাদ দিয়ে চামড়ার জুতা হলে ভালো, কারণ এতে গরম কম লাগে। সম্ভব হলে মোজা এড়িয়ে চলা যেতে পারে।

     

    ৬. ভারী ও ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন:

    এ জাতীয় খাবার হজম করতে সময় বেশি লাগে। ফলে সেটি শরীরের ওপর বাড়তি চাপ ফেলে এবং শরীরের উষ্ণতা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য সেটি আরো বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে। খাবারের মেন্যু থেকে গরমের সময় তেলযুক্ত খাবার, মাংস, বিরিয়ানি, ফাস্টফুড ইত্যাদি বাদ দেয়া যেতে পারে। বরং শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খাওয়া যেতে পারে।

     

    ৭. পুরনো বা বাসী খাবার না খাওয়া:

    গরমে খাবার-দাবার তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।ফলে বাসী খাবার বা আগের দিন রান্না করা খাবার খাওয়ার আগে দেখে নিতে হবে যে, সেটি নষ্ট কিনা। এ জাতীয় খাবার খেলে ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানাসহ পেটের অসুখ হতে পারে।

     

    ৮. ঘরে পানি ভর্তি বালতি রাখা:

    এসি না থাকলেও সমস্যা নেই। ঘরের ভেতর ফ্যানের নীচে একটি পানি ভর্তি বালতি রাখুন, যা ঘরকে খানিকটা ঠাণ্ডা করে তুলবে।

     

    ৯. প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করা:

    গরমের সময় প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করতে হবে, যা শরীর ঠাণ্ডা রাখবে। দিনে একাধিকবার হাত, মুখ, পায়ে পানি দিয়ে ধুতে পারলে ভালো। বাইরে বের হলে একটি রুমাল ভিজিয়ে সঙ্গে রাখতে হবে, যা দিয়ে কিছুক্ষণ পর পর মুখ মুছে নেয়া যাবে।

     

    ১০. হিট স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা:

    প্রচণ্ড গরমে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে তাপমাত্রা বেড়ে গেলে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে।

    ফলে মাংসপেশি ব্যথা, দুর্বল লাগা ও প্রচণ্ড পিপাসা হওয়া, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব ইত্যাদি লক্ষণ দেখা গেলে প্রেশার পরীক্ষা করে দেখতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

    এই রমহানে সেহেরি ও ইফতারের সময় প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে। ইফতারে রাখতে হবে ফল ও শরবত।তবেই প্রচন্ত গরম থেকে নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • কেএনএফের সঙ্গে শান্তি কমিটির শান্তি আলোচনা স্থগিত

    কেএনএফের সঙ্গে শান্তি কমিটির শান্তি আলোচনা স্থগিত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শান্তি কমিটির আহ্বায়ক ক্য শৈ হ্লা জানিয়েছেন বান্দরবানে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সঙ্গে শান্তি কমিটির শান্তি আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ সভা কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

    ক্য শৈ হ্লা বলেন, “সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্য ২০২৩ সালের ২৯ মে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে অরুণ সারকী টাউন হলে মতবিনিময় সভা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বছরের ৯ জুন স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে ১৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি গঠিত হয়। পরে শান্তি প্রতিষ্ঠা কমিটি ও কেএনএফের মধ্যে কয়েক দফা ভার্চ্যুয়াল সভার পর উভয়পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে সরাসরি সংলাপে বসার সুযোগ সৃষ্টি হয়।”

    ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর এবং পরে ২০২৪ সালের ৫ মার্চ দুই দফা সরাসরি সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। উভয় সংলাপে কেএনএফের সশস্ত্র কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা ও অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত দুটি সমঝোতা স্মারক সম্পাদন হয়। কিন্তু তারা সম্পূর্ণভাবে চুক্তি ভঙ্গ করে বিভিন্ন সময় সশস্ত্র কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। কমিটির তরফ থেকে এ বিষয়টির ব্যাপারে বারবার জানানো হলেও তারা কর্ণপাত করেনি। বরং বিক্ষিপ্তভাবে বিভিন্ন সময় স্থানীয়দের ওপর হামলা, চাঁদাবাজি, অপরহণসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

    সর্বশেষ গত ২ এপ্রিল রুমায় তারাবির নামাজিদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, সরকারি কর্মকর্তা ও পথচারীদের জিম্মি করে হামলা, অর্থ লুটের উদ্দেশে সোনালী ব্যাংকে হামলা, ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণ, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর ১৪টি অস্ত্র লুট করে নেওয়া এবং ৩ এপ্রিল থানচি উপজেলায় স্থানীয়দের জিম্মি করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ ও দুটি ব্যাংক লুট করে কেএনএফ সদস্যরা।

    এসব অপকর্মের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান তিনি। কয়েক দফায় চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করায় কুকি-চিনের সঙ্গে শান্তি কমিটির সব শান্তি আলোচনা স্থগিতের ঘোষণা দেন তিনি।

  • ঢাকা রিজেন্সিতে বৈশাখী ঈদ উদযাপনে এক্সক্লুসিভ অফার

    ঢাকা রিজেন্সিতে বৈশাখী ঈদ উদযাপনে এক্সক্লুসিভ অফার

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ঈদের আনন্দে একটি বিশেষ ঈদ উল ফিতর অফার ঘোষণা করেছে। পহেলা বৈশাখের ধারাবাহিকতায়- বাংলা বছরের প্রথম দিন, ঢাকা রিজেন্সি আপনাকে আমাদের জমকালো ভোজের স্বাদ উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে।

    ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা প্রদানের অঙ্গীকারের অংশ হিসাবে, অতিথিরা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সুস্বাদু খাবার এবং আন্তর্জাতিক রন্ধনপ্রণালী সমন্বিত একটি সুস্বাদু খাবার গ্রহণ করতে পারেন। পৃষ্ঠপোষকরা এর জনপ্রিয় গ্র্যান্ডিওজ রেস্তোরাঁয় ৪৯৯৯ টাকা মূল্যের একটি বিশেষ ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ ফ্রি অফার সহ বুফে ডিনারে আপনি ও আপনার প্রিয়জনের সাথে ঈদ উদযাপনে আনন্দ ভাগ করে নিতে পারেন।

    এছাড়াও, ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়াতে, হোটেলটি আপনার ঈদ উদযাপন যে অসাধারণ কিছু নয় তা নিশ্চিত করে, অন্যান্য বিভিন্ন পরিষেবার উপর ছাড় দিতে পেরে খুশি। এটি একটি আরামদায়ক স্পা ট্রিটমেন্ট, পুলে সতেজ সাঁতার, বা হোটেলের মার্জিত আবাসনে বিলাসবহুল থাকার ব্যবস্থাই হোক না কেন, ঢাকা রিজেন্সিতে সবার জন্য উপভোগ করার মতো কিছু রয়েছে। বিলাসবহুল আবাসন থেকে শুরু করে ২০% ডিসকাউন্টের সাথে স্পা ট্রিটমেন্টগুলিকে উপভোগ করা পর্যন্ত, অতিথিরা তাদের ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে যাওয়ার সময় বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।

    এই অফারটি ব্যতিক্রমী আতিথেয়তার অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য ঢাকা রিজেন্সির অঙ্গীকারের একটি প্রমাণ, যেখানে অতিথিরা একটি বিলাসবহুল এবং স্বাগতপূর্ণ পরিবেশে ঈদের উৎসবের চেতনায় নিজেকে নিমজ্জিত করতে পারেন।

    এই ঈদে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আমাদের সাথে যোগ দিন চমৎকার খাবার ও দিনটি ‍উপভোগ করার জন্য। রিজার্ভেশন এবং অনুসন্ধানের জন্য, অনুগ্রহ করে ০১৭১৩৩৩২৬৬১ এ যোগাযোগ করুন বা ভিজিট করুন: https://fb.me/e/1XMJTnP7K

  • পাহাড়ে স্থায়ীভাবে শান্তি স্থাপনে সেনাবাহিনী কাজ করছে: রিজিয়ন কমান্ডার

    পাহাড়ে স্থায়ীভাবে শান্তি স্থাপনে সেনাবাহিনী কাজ করছে: রিজিয়ন কমান্ডার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ এপ্রিল, ২০২৪: পাহাড়ে স্থায়ীভাবে শান্তি স্থাপনে সেনাবাহিনী কাজ করছে বলে জানয়েছেন খাগড়াছড়ির রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার শরীফ মোহাম্মদ আমান হাসান। তিনি বলেন, “পাহাড়ে স্থায়ীভাবে শান্তি স্থাপনে সেনাবাহিনী কাজ করছে। সেখানে কোনো গোষ্ঠী বা দলের অপতৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করবে। আজ বৃহস্পতিবার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    এ সময় খাগড়াছড়ি রিজিয়নের বিএম মেজর সাদাত রহমান, খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাবের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান, খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরী, টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি জীতেন বড়ুয়াসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    রিজিয়ন কমান্ডার বলেন, অপারেশন উত্তরণের আওতায় পাহাড়ে সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সন্ত্রাসীদের নির্মূল করে পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করবে।

    জেলায় শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।