Author: Hello Bangla News

  • বঙ্গবন্ধু নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন: খাদ্যমন্ত্রী

    বঙ্গবন্ধু নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন: খাদ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মে, ২০২৪: বঙ্গবন্ধু নিপীড়িত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে ছিলেন, বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, “১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (ন্যাম) শীর্ষ সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ভাষণে মেহনতি মানুষেরই জয়গান গেয়েছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বিশ্ব আজ দু’ভাগে বিভক্ত, একদিকে শাসক, আর অন্যদিকে শোষক। আমি শোষিতের পক্ষে।’ বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে বিশ্বের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষ তাদের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু জানতেন শোষিত নিপীড়িত মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হলে সমাজে সাম্যতা আসবে না।”

    আজ বুধবার নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগ নওগাঁ জেলা শাখা আয়োজিত মহান মে দিবসের আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন,‘আমার বাংলার মাটি যদি থাকে, মানুষ যদি থাকে, একদিন এই বিধ্বস্ত বাংলাকেই আমি সুজলা, সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলায় রূপান্তরিত করব।’ বাংলাদেশ এখন খাদ্য উৎপাদনে স্বয়সম্পূর্ণ।”

    তিনি বলেন, “শ্রমিকরাই জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখে। তাই শ্রমিকদের জন্য কর্মবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। উন্নত কর্মপরিবেশ শ্রমিকের কর্মদক্ষতা ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বৃদ্ধি করে। তাই শোভন কর্মপরিবেশ তৈরিতে বিনিয়োগ করতে হবে।”

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের এ যাবতকালের সেরা উন্নয়ন হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। শ্রমিকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের কল্যাণে মালিকদের সাথে কথা বলে তাদের মজুরি বৃদ্ধি করেছেন। দেশের ভেতরে ও বাইরে কর্মরত শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। অচিরেই ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠিত হবে।”

    নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম এ খালেক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাভেদ জাহাঙ্গীর সোহেল, বিভাস মজুমদার গোপাল, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ বকুল, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. আব্দুল মজিদ, ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: বাসস

  • আগামীকাল ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে

    আগামীকাল ঢাকাসহ চার বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১ মে, ২০২৪: আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ মে) ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার রয়েছে । এমনকি আগামী দিনগুলোতে এই বৃষ্টি সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে। একইসঙ্গে ধীরে ধীরে তাপপ্রবাহের তীব্রতা কমবে।

    আজ বুধবার (১ মে) সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে তথ্য জানায় সংস্থাটি।

    জানা গেছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, পাবনা, রাজশাহী, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর এবং খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এছাড়া দেশের অন্যত্র মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

    অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এতে বিরাজমান তাপপ্রবাহ দেশের পূর্বাঞ্চলের কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

    এদিকে আজ মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে। ১৯৮৯ এর পর গত ৩৫ বছরে এটিই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

  • ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা

    ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১ মে, ২০২৪: ভারতে এখন চলছে আইপিএল খেলা। প্রায় ৪৭ টি খেলা হওয়ার পর অনেক ম্যাচেই দেখা গেছে নতুন ক্রিকেট তারকার ঝলক। কিন্তু দলে খুব একটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক রেখেই ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।

    যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের পিচের বৈচিত্র্যের কথা মাথায় রেখে দল সাজিয়েছে ভারত। তিন পেসারের পাশাপাশি দলে রাখা হয়েছে চার স্পিনার। তবে বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার বাদ পড়ায় স্কোয়াড নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    সাধারণত নির্বাচকরা দল ঘোষণা করে থাকেন। তবে এবার ভারত কিছুটা ব্যতিক্রমী পন্থায় নিজেদের দল ঘোষণা করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মেগা আসর বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে। সেটা মাথায় রেখে নিজেদেরে সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনের টাইমস স্কয়ারের সুউচ্চ ভবনের দেয়ালে গ্রাফিক্স চিত্র অঙ্কন করে ক্রিকেটারদের নাম ঘোষণা করেছে বোর্ড।

    প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার কিংবা অধিনায়ক রোহিত শর্মা এখনো দল নির্বাচন নিয়ে কথা বলেননি। ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন প্রধান নির্বাচক এবং অধিনায়ক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণার শেষ দিন আজ ১ মে। বুধবার মে দিবসের জন্য ছুটি থাকবে বিসিসিআই দফতরে। তাই ৩০ এপ্রিল বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করা হয়েছে। এদিন আবার আইপিএলে লখনৌ সুপার জায়ান্টস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের খেলা ছিল। অধিনায়ক রোহিত এই ম্যাচের জন্য ছিলেন লখনৌয়ে। তাই মুম্বাইয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব ছিল না তার পক্ষে। তাই রোহিত মুম্বাইয়ে ফেরার পর বৃহস্পতিবার তিনি এবং আগারকার বোর্ডের সদর দফতরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন।

    ভারতের ১৫ জনের দল নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বাদ পড়েছেন বেশ কয়েকজন তারকা ব্যাটার। মূল স্কোয়াডে জায়গা হয়নি মারকুটে ব্যাটার রিঙ্কু সিংয়ের। সূর্যকুমার যাদবের পাশাপাশি রিঙ্কুকে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে অটোমেটিক চয়েজ ভাবা হতো। সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতেও আস্থার প্রতিদান দিচ্ছিলেন। যদিও চলতি আইপিএলে বিশেষ কিছু করে দেখানোর সুযোগ পাননি তিনি। এ ছাড়া সুযোগ পাননি শুভমন গিলের মতো তারকা ওপেনার। নেই অভিজ্ঞ লোকেশ রাহুলও।

    গিল ও রিঙ্কু মূল স্কোয়াডে জায়গা না পেলেও তাদের রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসেবে বেছে রেখেছেন জাতীয় নির্বাচকরা। তবে লোকেশ রাহুল রিজার্ভ ক্রিকেটারদের তালিকাতেও নেই। এ ছাড়া বিবেচনায় নেওয়া হয়নি ইশান কিষাণ ও শ্রেয়াস আইয়ার এমনকী টি-টোয়েন্টির র‌্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে থাকা রবি বিষ্ণুইকেও। আর ইনজুরির কারণে ছিটকে গেছেন মোহাম্মদ শামি।

    ভারতের স্কোয়াড: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), ইয়াশভি জায়সাওয়াল, বিরাট কোহলি, সূর্যকুমার যাদব, ঋষভ পান্ত, সাঞ্জু স্যামসন, হার্দিক পান্ডিয়া, শিভাম দুবে, রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, যুবেন্দ্র চাহাল, আর্শদীপ সিং, জসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ।

    রিজার্ভ ক্রিকেটার- শুভমান গিল, রিংকু সিং, আভেষ খান, খলিল আহমেদ।

  • যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কলেজ থেকে ১০০ বিক্ষোভকারী গ্রেফতার

    যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কলেজ থেকে ১০০ বিক্ষোভকারী গ্রেফতার

    www.HelloBangla.Newsআন্তর্জাতিক – ১ মে, ২০২৪: ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি একাডেমিক ভবন দখলে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ মুক্ত করে। এ সময় কয়েক ডজন শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়।

    আজ বুধবার (১ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    অন্যদিকে একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তার বরাতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, মঙ্গলবার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্কের সিটি কলেজ থেকে ১০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রয়টার্স বলছে, পুলিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সেখানে বিপুল পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। নতুন করে কাউকে জড়ো হতে দেওয়া হচ্ছে না। গ্রেফতার হওয়া বেশিরভাগই কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের।

    গ্রেফতাররা ক্যাম্পাসে কর্মকর্তাদের প্রবেশ করতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, এ সময় তাদের অনেককে গ্রেফতার করা হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী ১৭ মে পর্যন্ত নিউইয়র্ক পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করবে। তারা নতুন করে কোনো বিক্ষোভ হতে দেবেন না।

    কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক জোনাস ডু সিএনএনকে বলেছেন, ক্যাম্পাসে বিক্ষোভগুলো ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত হয়, এখানে বহিরাগতদের জড়িত থাকার সুযোগ নেই।

    তবে কলম্বিয়া সানডিয়াল সম্পাদক বলেছেন, কলম্বিয়ার হ্যামিল্টন হল থেকে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা ছাত্র নাকি প্রতিষ্ঠানের বাইরের লোক তা বলা মুশকিল।

    এর আগে ফিলিস্তিনিপন্থী বিক্ষোভকারীরা তাদের চলমান প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি একাডেমিক ভবন দখলে নেয়। মঙ্গলবার ভোরে কয়েক ডজন ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়টির হ্যামিল্টন হল দখল করে ব্যারিকেড দেয়।

  • শ্রমিকদের অধিকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে: আইনমন্ত্রী

    শ্রমিকদের অধিকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: শ্রমিকদের অধিকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে, বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। তিনে বলেন, “শ্রম আইন যখন প্রণয়ন করা হয়, তখন বিশ্বের প্রাকটিসগুলো আমরা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছি। সেখানে আইএলওয়ের একটি অংশগ্রহণ থাকে। আপনারা এও জানেন যে, আইএলওয়ের যে গর্ভনিং বডিতে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কিছু দেশ নালিশ করা হয়েছিল ২০১৯ সালে। তারপর আমরা বহুবার আইএলওয়ের গর্ভনিং বডির মিটিংয়ে বলেছি, আমাদের শ্রমিকদের শুধু অধিকার রক্ষাই হয়নি। শ্রমিকদের অধিকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বিরুদ্ধে যে অহেতুক একটা নালিশ করা হয়েছে, সেটা শেষ হওয়া উচিত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে ও আমাদের শ্রম আইন নিয়ে কথা বলার জন্য তাদের সঙ্গে বসেছি।”

    আজ মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের(আইএলও) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন করলে তাদের সাজা বাড়ানোর বিষয়ে আইনে একটা ধারা আছে, সেখানে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ছিল। সেটা এখন ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। হয়তোবা সেটা ২৫ হাজার টাকা করা হতে পারে “

    এর আগেও শ্রম আইন নিয়ে আইএলওয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, আজকেও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে বিদেশিদের সঙ্গে দর কষাকষি হচ্ছে এ বিষয়টিকে আপনারা কিভাবে দেখছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “আমরা কোনো দর কষাকষির মধ্যে নেই। আইএলও হচ্ছে সারা বিশ্বের একটি সংগঠন। এখানে সব সময় শ্রমিকদের অধিকার যাতে রক্ষা হয়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। সে বিষয়ে তাদের বক্তব্য সব সময় তাদের থাকে। তাদের সঙ্গে আমরা আজকে বসেছিলাম।”

    তিনি বলেন, “আপনারা জানেন আমরা এখন শ্রম আইন সংশোধন করছি। এটা সংশোধিত হয়েছিল গত সংসদে। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে যায়, সেখানে পৌঁছানোর পরে দেখা যায় কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি ছিল, যে জন্য এটা আবার ফেরত আনা হয়েছে।”

    আইনমন্ত্রী বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত শ্রম আইনটাকে সঠিকভাবে সম্পূর্ণভাবে সংশোধন না করছি ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা স্টেক হোল্ডার এবং আন্তর্জাতিক যেসব সংস্থা আছে, যারা শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কথা বলে তাদের কথা শোনাব। তার কারণ হচ্ছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ অনুযায়ী, তার নির্দেশনা অনুযায়ী যে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা হয়। তার সঙ্গে নতুন যারা পরামর্শ দিচ্ছেন তার কোনো মৌলিক পার্থক্য আছে কি না। আমরা কিন্তু কোনো মৌলিক পার্থক্য খোঁজে পাইনি।”

    আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “শ্রমিকদের অধিকার যাতে রক্ষা হয় সেজন্য আমরা সব সময় চেষ্টা করবো। শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, সংরক্ষণসহ যা কিছু করার জন্য যার যার কথা শোনা দরকার আমরা শোনাবো। সেই কারণেই আমরা আলোচনায় বসেছি। আমরা তাদের পরামর্শ শুনেছি। আজকের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ৭ মে আইএলওয়ের যে কিছু পরামর্শ আছে সেটা তারা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যে টেকনিক্যাল কমিটি আছে সেখানে তারা উপস্থাপন করবেন। ১২ মে সেটা সম্পন্ন করার জন্য একটি সভা ডাকবো এবং সেখানে আমরা শ্রম আইন সংশোধনের বিষয়ে আইএলওয়ের যে বক্তব্য বিষয়ে চূড়ান্ত বক্তব্য রাখবো।”

    আইএলওয়ের কি পরামর্শ ছিল, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সুনির্দিষ্টভাবে তারা যে পরামর্শ দিয়েছেন সেগুলোর সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, আগে ৩০ হাজারের অধিক শ্রম আছে যেসব কারখানায় সেখানে শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন বা সংগঠন করতে হলে ২০ শতাংশ সমর্থনের প্রয়োজন হতো। এখন সেটা কমিয়ে সব কারখানার জন্য ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। আমরা তাদেরটা মেনে নিয়েছি। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানে সংঘ কিছু সার্বিক পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে সেটা করা হবে।”

    আইএলও তো ১০ শতাংশের কথা বলেছিল, সেটার কি হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “সেটা নিয়ে আজকে কোনো কথা হয়নি। তারা ১৫ শতাংশেই রাজি হয়েছেন। কারণ আমি অত্যন্ত পরিষ্কারভাবে বলেছি, এখন ১৫ শতাংশ হবে। কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্য ১০ শতাংশে যাওয়া সেটা আমরা ধীরে ধীরে যাবো।”

    আইএলও মালিকদের সাজার জরিমানা আরও বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন, সেই বিষয়ে জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, “মালিকদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে, তাদের বিচার হচ্ছে, এখানে মালিকদের সাজা বাড়ানোর কথা ঠিক না। বিষয়টা হচ্ছে, শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন করলে তাদের সাজা বাড়ানোর বিষয়ে আইনে একটা ধারা আছে সেখানে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ছিল। সেটা এখন ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। হয়তোবা সেটা ২৫ হাজার টাকা করা হতে পারে, তবে সেটা সব স্টেক হোল্ডারের সঙ্গে আলাপ করে, মালিক, শ্রমিক এবং অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেই করা হবে।”

    শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “আইএলওয়ের সর্বশেষ মিটিংয়ে আমরা আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে গিয়েছিলাম। সেখানে তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আমার মনে হয়নি, আমাদের সাথে তাদের কোনো পার্থক্য আছে। আমরাও চাই আমাদের বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের শ্রমিকদের সব চাহিদা পূর্ণ করে, শ্রমিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে কাজ করবো৷ আইএলও যেসব পরামর্শ দিচ্ছে সেগুলোর সঙ্গে আমাদের আইন একই আছে। কোনো পার্থক্য আছে বলে আমার মনে হয় না। আমরা চাচ্ছি, শ্রমিকদের ভালো রাখতে। এরমধ্যে যদি তাদের কোনো পরামর্শ থাকে যদি সেটা নেওয়ার মতো হয় তাহলে নেবো।”

  • বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর বন্ধ রাখতে হবে: মেয়র তাপস

    বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর বন্ধ রাখতে হবে: মেয়র তাপস

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর বন্ধ রাখতে হবে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।তিনি বলেন, চলমান তাপদাহের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর বন্ধ রাখার যে আহ্বান বিদ্যুৎ বিভাগ রেখেছে, তা সবাইকে মানতে হবে।

    রাত ৮টার পর দোকান বন্ধ রাখার এ নিয়ম যে নতুন নয়, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে মেয়র তাপস বলেন, “আমরা কয়েক বছর আগেই এ ঘোষণা দিয়েছি। আমরা অভিযান পরিচালনা করবো। এখন থেকে প্রত্যেক অঞ্চলে যৌথ অভিযান পরিচালনা করবো।”

    তিনি আরও বলেন, “যারা রাত ৮টার পরে দোকানপাট খোলা রাখবে, বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করার চেষ্টা করবে, আমরা ডিপিডিসিকে সঙ্গে নিয়ে তাদের সংযোগগুলো বিচ্ছিন্ন করবো, যাতে ৮টার পর আর কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য করতে না পারে।”

    এপ্রিলের শুরু থেকে চলছে একটানা তাপদাহ। তীব্র গরমের মধ্যে ভোগান্তি বাড়িয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। ওই সময়ে বিদ্যুৎ বিতরণ হয়েছে ১২ হাজার ৭৫৩ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ঘাটতি ছিল তিন হাজার ৪৪৭ মেগাওয়াট। চাহিদা ও সরবরাহের এ ঘাটতির কারণে গত কয়েক দিনে দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে।

    এ অবস্থায় গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সেখানে বলা হয়েছে, গত ১৫ বছরে বিদ্যুৎ খাতে ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ অর্জিত হলেও চলমান তাপদাহে বিদ্যুতের চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। তা সত্ত্বেও গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে বিদ্যুৎ বিভাগ আন্তরিকভাবে কাজ করছে। একইসঙ্গে গ্রাহকদের আরও পরিমিত ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ ব্যবহারে আহ্বান জানাচ্ছে।

    বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে গ্রাহকদের সহযোগিতা চেয়ে ৮ দফা করণীয় তুলে ধরা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এগুলো হলো-

    ১. রাত ৮টার পর শপিংমল ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখুন।

    ২. নিম্নহারে বিদ্যুৎ বিল সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে দোকান, শপিংমল, পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত বাতি ব্যবহারে বিরত থাকুন।

    ৩. সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী হলিডে স্ট্যাগারিং প্রতিপালন করুন।

    ৪. এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর ওপরে রাখুন।

    ৫. দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যে হুকিং বা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিরত থাকুন।

    ৬. বেআইনিভাবে ইজিবাইক ও মোটরচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জিং থেকে বিরত থাকুন।

    ৭. বিদ্যুৎ অপচয় রোধে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করুন।

    ৮. বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন।

    এছাড়া বিদ্যুৎ সেবা নিয়ে যেকোনো অভিযোগ বা তথ্যের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের হট লাইন নম্বর ১৬৯৯৯ এ যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

  • ঢাকার তাপমাত্রা কমাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী

    ঢাকার তাপমাত্রা কমাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: ঢাকার তাপমাত্রা কমাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, “ঢাকা মহানগরে তাপমাত্রা কমাতে বৃক্ষরোপণের জন্য জায়গা খুঁজে বের করে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে এবং জলাশয় রক্ষা করতে হবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এডিপিভুক্ত প্রকল্পগুলোর মার্চ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ ক্লাইমেট ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে প্রকল্প বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী আশি নম্বর না পেলে কোনো প্রকল্প বিবেচনা করা হবে না।”

    তিনি বলেন, “জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকা, উদ্বাস্তু এবং অভিযোজন মূলক কর্মকাণ্ডে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ করা হবে।”

    সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. মোশাররফ হোসেন, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীসহ প্রকল্প পরিচালক এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পরিবেশমন্ত্রী প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন যথাসময়ে এবং লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশনা দেন।

  • সবুজায়ন ফিরিয়ে আনতে হবে দাবি বাপা’র নেতাদের

    সবুজায়ন ফিরিয়ে আনতে হবে দাবি বাপা’র নেতাদের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: এখন দেশে যে তাপপ্রবাহ চলছে সেকারণে সবুজায়ন ফিরিয়ে আনার দাবি করেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা)নেতারা। বাপার নেতারা বলেন, “এখন গরম অনুভূত হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। যার মূল কারণ ভুল নগর পরিকল্পনা। সেজন্য বন ও বনভূমি সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তি দিতে হবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) ‘নগর তাপদাহের তীব্রতা: দায় কার? করনীয় কি?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের নেতারা।

    সম্মেলনে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের সহ-সভাপতি ইকবাল হাবিব বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে দায় আমাদের, সরকারের, সরকারের যন্ত্রের ও ব্যক্তিগত লোভ। ঢাকার বিভিন্ন খালের সঙ্গে নদীর সংযোগস্থল ভরাট করে ফেলেছে, নদী ও খালের সঙ্গে সংযোগ থাকা জরুরি। প্রয়োজনে নদী ও খালের সংযোগের জমি অধিগ্রহণ করা হোক। মাত্র কয়েক হাজার মানুষের জন্য কোটি মানুষের জীবন বিপন্ন হতে পারে না।”

    ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান অবস্থার জন্য সরাসরি রাষ্ট্র দায়ী। আমরা যদি সবুজায়ন ফিরিয়ে আনতে না পারি তাহলে দেশের অবস্থা প্রতিনিয়ত খারাপের দিক যাবে।”

    অধ্যাপক মিহির লাল শাহা বলেন, “সবুজে ঘেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় অন্যান্য স্থানের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রির বেশি তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। এর মূল কারণ, সেসব স্থানে গাছ না থাকা। আগামী বছরগুলোতে গরমের তীব্রতা আরও বাড়বে।”

    অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, “আমরা শহরে এন্টি ন্যাচারাল কাজ করছি। সরকারি কর্মকর্তারা সবুজায়ন করার নানা প্রকল্প গ্রহণ করলেও, ভালো ফলাফল কোনোটিতেও আসেনি। আর সময় নেই আমাদের হাতে। অত্যন্ত সবুজায়নের জন্য একটি দাবি বাস্তবায়ন করা হোক।”

    বাপার সভাপতি নূর মোহাম্মদ তালুকদার বলেন, “আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের নেতারা প্রকৃতি নিয়ে চিন্তা করেন না। রাজনীতিবিদদের দেশের সবুজায়ন নিয়ে আরও সচেতন হওয়া জরুরি। দেশে বিপরীতমুখী উন্নয়ন চলছে। যা দেশ ও জনগণের জীবনের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা লক্ষ্য করছি যশোর রোডের গাছগুলো কাটার পাঁয়তারা চলছে।”

    মূল প্রবন্ধে স্থপতি ইকবাল হাবিব আরও বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশে ভূখণ্ডের মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা অপরিহার্য। বাংলাদেশের বন বিভাগের প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে বন আচ্ছাদিত এলাকার পরিমাণ মোট ভূমির ১২ দশমিক ৮ শতাংশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) হিসেব মতে, বাংলাদেশে বার্ষিক ২ দশমিক ৬ শতাংশ হারে বন উজার হয়েছে যা বার্ষিক বৈশ্বিক গড় হারের প্রায় দ্বিগুণ।”

    তিনি বলেন, “গত ১৭ বছরে বাংলাদেশে প্রায় ৬৬ বর্গকিলোমিটার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রেইন ফরেস্ট ধ্বংস করা হয়েছে। ‘রাইজিং টাইডস, বোরিং ফিউচার্স: দ্য সুন্দরবনস কোয়েস্ট ফর সারভাইভাল-২০২৪’ শীর্ষক গবেষণা মতে, ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ দশকে সুন্দরবনের ঘন বনাঞ্চল ২৭ ভাগ কমেছে। ৯০ শতকের প্রায় ৩৬ শতাংশ বৃক্ষশোভিত এই মহানগরীতে বর্তমানে উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় গাছ রয়েছে মাত্র ১৪ শতাংশ (ইউএস এইড জরিপ, ২০২২) এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১০ শতাংশেরও কম। অথচ একটি নগরে জনজীবনের জন্য ৩০-৪০ শতাংশ সবুজায়ন জরুরি।”

    তিনি আরও বলেন, “গত ২৮ বছরে শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকা থেকেই প্রায় ৮৫ ভাগ জলাভূমি হারিয়ে গেছে। পাশাপাশি এ সময়ে নির্মাণ এলাকা বা স্থাপনা বেড়েছে ৭৫ ভাগ। অর্থাৎ সবুজ গাছপালা এবং জলাশয় ধ্বংস করে কংক্রিটের স্থাপনা তৈরি হচ্ছে। ফলে, বাতাসের আনুভূমিক চলাচল সড়ক করিডোরের বাইরে নেই বললেই চলে। এভাবে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য নগরীর বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত দ্বীপের মতো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তাপীয় দ্বীপ বা ‘হিট আইল্যান্ড’এ রূপান্তরিত হয়েছে।”

  • রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ: রাষ্ট্রপতি

    রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ: রাষ্ট্রপতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ, বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বলেন, রাজনীতির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনকল্যাণ। সরকার ও রাজনীতিবিদদের সকল সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেই জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (এপ্রিল ৩০) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কমিউনিটি ক্লিনিকের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয় এবং জনগণের ভোগান্তি বাড়ে এ ধরণের কর্মসূচি পরিহারের অনুরোধ জানান।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “জনস্বার্থে গৃহীত সরকারের সকল উদ্যোগকে সফল করতে দলমত নির্বিশেষে একযোগে কাজ করুন।”

    রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন দেশের জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কমিউনিটি ক্লিনিকের টেকসই অগ্রযাত্রায় সকলকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

    কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্যোক্তাদের সার্বিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন বাঙালির স্বাধীনতার জন্য কাজ করে গেছেন এবং বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিতে কমিউনিটি ক্লিনিকের জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন।”

    সরকারের কার্যক্রমের প্রতিটি ক্ষেত্রে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত উল্লেখ করে মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে চিকিৎসা সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।”

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ২০০০ সালের ২৬ এপ্রিল গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গায় প্রথম কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু করেন। কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বর্তমানে সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবার ‘অনন্য মডেল’ হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “কিন্ত ২০০১ সালের নির্বাচনে ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর তৎকালীন সরকারের একটি প্রতিহিংসামূলক জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্তে বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রান্তিক মানুষের জন্য এই জননন্দিত স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগটি।”

    তিনি বলেন, “আজ প্রান্তিক মানুষের, বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে কমিউনিটি ক্লিনিক জনগণের ভরসার স্থলে পরিণত হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিকের উপযোগিতা ও সুনাম গ্রাম-শহর ছেড়ে জাতীয় পর্যায়ে, এমনকি বিশ্ব-পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি আশ্রয়ণ, সবার জন্য বিদ্যুৎ, আমার বাড়ি আমার খামার, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ মোট দশটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।”

    ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ জাতি গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত এই দশটি বিশেষ উদ্যোগ ইতোমধ্যে জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “জাতিসংঘ কমিউনিটি ক্লিনিককে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি সরকারি, বেসরকারি অংশীদারত্বে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় আমাদের সরকারের উদ্ভাবনী নেতৃত্বের প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।”

    রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর অনন্য উদ্যোগ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ ছড়িয়ে পড়বে পুরো বিশ্বে এবং মানবকল্যাণে ভূমিকা রাখবে।

    কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের  মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অতিরিক্ত সচিব এ কে এম নুরুন্নবি কবীর এবং কমিউনিটি বেইসড হেলথ কেয়ারের (সিবিএইচসি) লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. কাইয়ুম তালুকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা ও অধিকতর উন্নয়নের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। পদকপ্রাপ্তরা হলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এমিরিটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ, জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির গেস্ট লেকচারার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির, গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ফেরদৌস।

    অনুষ্ঠানে ‘স্মার্ট কমিউনিটি ক্লিনিক: কমিউনিটি ক্লিনিকের বিশ্বায়ন’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

  • অন্য খাতে থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক কলকারখানায় কোনো শিশুশ্রম নেই: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

    অন্য খাতে থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক কলকারখানায় কোনো শিশুশ্রম নেই: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: অন্য খাতে থাকলেও প্রাতিষ্ঠানিক কলকারখানায় কোনো শিশুশ্রম নেই, বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী।তিনি বলেন, “প্রাতিষ্ঠানিক কলকারখানায় কোনো শিশুশ্রম নেই। তবে যেগুলো আছে সেগুলো অনানুষ্ঠানিক খাত। একটা বাসায় কাজের ছেলে কিংবা কাজের মেয়ে রাখা বা গ্যারেজে কোনো গরিব ঘরের সন্তানকে কাজ শেখানোর জন্য কাজে লাগানো হয়। এসব খাতে আমরা হস্তক্ষেপ করলেও বন্ধ করা সম্ভব হয় না।”

    মে দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য বলেন।

    শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, “তৈরি পোশাক খাত থেকে বেশির ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা আসে। তারা যখন বিদেশি অর্ডার বাস্তবায়ন কিংবা রপ্তানি তাড়াতাড়ি করাতে শ্রমিকদের ওভারটাইম করান। এজন্য তাদের পাওনা দেওয়া হয়। শ্রমিকরা স্বতঃপ্রণোদিত হয় এই অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। এটা পারস্পরিক বিষয়, সমঝোতার ভিত্তিতে করা হয়। আবার অনানুষ্ঠানিক খাতে এগুলো হয়। যেমন দোকানে আট ঘণ্টার বেশি শ্রম দিতে হচ্ছে। এসব বিষয় নিরসনে আমরা কাজ করছি।”

    ট্রেড ইউনিয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের বিষয়ে বিধান অনেক শিথিল করা হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধন আমরা দিচ্ছি। সেক্ষেত্রে তাদের বাধাগুলো শিথিল করে তারা যাতে সহজে ট্রেড ইউনিয়ন পেতে পারেন, আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শ্রম আইনটি শ্রমিকবান্ধব করা হবে। এতে আইএলও কিছু সংযোজন করেছে। তাদের অনুরোধেই আইনটি পাস হওয়ার ক্ষেত্রে একটু বিলম্ব হচ্ছে। তবে আমাদের আগ্রহের কোনো কমতি নেই। আশা করছি, সংসদের আগামী অধিবেশনে অর্থাৎ বাজেট অধিবেশনেই এটি পাস হয়ে যাবে।”

    শ্রম আইন কতটুকু মানা হচ্ছে, “প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গত ঈদের আগে আমরা একটি সভা করেছিলাম। মালিক, শ্রমিক ও সরকার মিলে। সেখানে সমস্যা চিহ্নিত করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বছরই প্রথম শ্রম খাতে ঈদের আগে বেতন-ভাতা দেওয়া হয়েছে। এর আগে সড়ক অবরোধ করা হতো, বিভিন্ন বিশৃঙ্খলা হতো। আগে শ্রমিক-মালিক বৈরী সম্পর্ক ছিল। এবার আমরা আলোচনা করে সেটা সমাধান করেছি। ছুটির আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেওয়া হয়েছে। সরকারের কাছে পাওনা প্রণোদনা মালিকপক্ষকে দেওয়া হয়েছে। যে কারণে যথাযথ সময়ে শ্রমিকদের পাওনা দেওয়া হয়েছে। যে কারণে এবার আনন্দঘন পরিবেশে শ্রমিকরা ঈদ উদযাপন করেছে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইন না মানলে শ্রম আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে। সেটা বাস্তবায়ন করতে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে পরিদর্শকরা আছেন। তারা পরিদর্শন করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কাজেই শ্রম আইন না মানলে লাইসেন্স বাতিলের ক্ষমতা আছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হয় না, এমনটা বলা যাবে না। আমি আশ্বস্ত করতে চাই, গেল দুই মাসে আমার মন্ত্রণালয়কে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছভাবে এই পরিচালনা করা হয়েছে।”

    এ সময় শ্রমসচিব মাহবুব হোসেন বলেন, “আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় থেকে শতভাগ চেষ্টা করা হবে। তবে ২০২৫ সালের মধ্যে শিশুশ্রম নিরসন করা হবে। যদিও সেটা খুবই উচ্চাভিলাষী। মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুতই শিশুশ্রম নিরসন করা যায়। তৈরি পোশাক খাতসহ বিভিন্ন কলকারখানার মালিকরা আইএলওর কনভেনশন মেনে চলার অঙ্গীকার করেছেন।”

    শ্রম সচিব আরও বলেন, “কলকারখানা পরিদর্শন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কাজ করছে। ১৩টি শ্রম আদালত আছে। শ্রমিকদের বকেয়া না দেওয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকে হাজতে যেতে হয়েছে।”