www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ এপ্রিল, ২০২৪: বলিউডে শাহরুখ খান, সালমান খান ও আমির খানের ভক্ত বা অনরুগির সংখ্যা কম নয়। তাই এই তিন খানের ছবির জন্য অনেক দর্শক অপেক্ষা করে থাকেন। আমির খান একটু ব্যতিক্রমি তিনি বছরে একটি বেশি ছবিতে অভিনয় করেরনা। একটি ছবির সব বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে তিনি অভিনয় করার সিদ্ধান্ত নেন। সম্প্রতি আমির খানের ভক্তরা তার জীবনের অনেক অজানা তথ্য জানতে পারলেন জনপ্রিয় একটি শোয়ের মাধ্যমে।
জানা গেছে ‘খান’ পদবীর কারণে দেশে বিভিন্ন সময় ‘দেশদ্রোহী’র তকমা পেয়েছেন। দেশের একাংশের মানুষ এই অভিনেতাকে পাকিস্তানে চলে যেতে বলেছিলেন। তার ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’ মুক্তির পর রোষের মুখে পড়তে হয় অভিনেতাকে। এবার তিনি জানালেন নিজের এক অন্য ধরণের মাহাত্ম্যের কথা।
কিছু দিন আগে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শর্মা’ শো-তে এসেছিলেন আমির খান। সেখানে তিনি জানান দু’হাত জোড় করে নমস্কার করার কী মাহাত্ম্য। আমির বলেন, ‘‘আমি মুসলিম হয়েও বুঝেছি নমস্কার করার মধ্যে একটা আলাদা শক্তি আছে।’’ এই উপলব্ধিটা তার হয়েছে পঞ্জাবে। অভিনেতা তাঁর জীবনের অন্যতম দুটি চর্চিত ছবি ‘দঙ্গল’ ও ‘রং দে বাসন্তী’-র শুটিং করতে গিয়েছিলেন সেখানে। তখনই বুঝেছেন সেখানকার মানুষেরা তেমন কিছুই চান না, শুধু দুটো হাত জোড় করে অভিবাদন জানালেই তারা খুশি।
পঞ্জাবে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করে তারকা বলেন, ‘‘দঙ্গল আমার খুব কাছের একটা ছবি। এটার শুটিংয়ের জন্য দু’মাস পঞ্জাবের একটা প্রত্যন্ত গ্রামে থাকতে হয়েছিল। তখন রোজ ভোর ৫টা-৬টার সময় শুটিং শুরু করতাম। দেখতাম, ভোরবেলাই বেরিয়ে পড়েছেন সেখানকার মানুষ। তারা রাস্তার পাশে ভিড় জমাতেন আমাদের স্বাগত জানানোর জন্য। নমস্কার করে ওরা আমায় ‘সত শ্রী অকাল’ বলতেন। আবার যখন রাতে ফিরতাম, তখন নমস্কার করে ‘শুভ রাত্রি’ বলতেন। বিন্দুমাত্র বিরক্ত করতেন না আমাদের। খুব শান্তিপূর্ণ ভাবে শুটিং করেছিলাম।’’
অভিনেতা জানান, মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে অভিবাদন জানাতে আদাবকেই বুঝতেন। কিন্তু পঞ্জাবে গিয়ে বদলে গিয়েছে সেই ধারণা। আমিরের কথায়, ‘‘মুসলিম বলে ‘আদাব’ অভিবাদন জানানোর অভ্যেস ছিল। করজোড়ে নমস্কার করার অভ্যেস খুব একটা ছিল না। হাত তুলে মাথা ঝুঁকিয়ে ‘আদাব’ বলতাম। কিন্তু পাঞ্জাবে গিয়ে নমস্কারের কী মাহাত্ম্য সেটা বুঝতে পেরেছিলাম।’
আমিরের নতুন এই অনুভূতির কথায় সবাই মুগ্ধ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবাই আমির খানের বিষয়টিকে শাধুবাদ জানিয়েছে।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা










