www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ এপ্রিল, ২০২৪: আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন, বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, “বাংলাদেশি জাহাজ ‘এমভি আবদুল্লাহ’ ও জিম্মি ২৩ নাবিকের মুক্তিতে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কোনো মুক্তিপণ দেওয়া হয়নি। তাদের সঙ্গে (জলদস্যুদের) নেগোসিয়েশন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও সোমালিয়া পুলিশের সহযোগিতায় নাবিকরা মুক্ত হয়েছেন।”
আজ রবিবার(১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডের তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করেছি, দীর্ঘদিন কথাবার্তা চলেছে। এখানে মুক্তিপণের কোনো বিষয় নেই। আমাদের আলাপ-আলোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের চাপ আছে এখানে। সেই চাপগুলো এখানে কাজে দিয়েছে।”
তিনি বলেন “কারণ আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে এটা (জাহাজ) তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। কাজেই জলদস্যুরাই একদম সর্বশক্তিমান, ব্যাপারটা তা নয়। এতদিন যাবত আমরা যে সময়টা নিয়েছি, ইউরোপিয়ান নেভাল ফোর্স থেকে শুরু করে অনান্য যারা আছে, এরা (জলদস্যু) ভীষণ চাপে ছিল।”
মন্ত্রী বলেন, “বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে নাবিক উদ্ধারে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।”
মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর ‘এমভি আব্দুল্লাহ’কে ছেড়ে দিয়েছে জলদস্যুরা- এমন খবর প্রচার হয়েছে ইতোমধ্যে।
মিজানুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, শনিবার রাত ১২ টা মুক্তিপণের অর্থ পাওয়ার পর দস্যুরা জাহাজ থেকে নেমে যায়। রাত ১২ টায় জাহাজটি মুক্ত হওয়ার পর দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।
গত ১২ মার্চ কয়লা নিয়ে আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিক থেকে দুবাইয়ের দিকে যাওয়ার সময় ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে ‘এমভি আবদুল্লাহ’। ২৩ নাবিকসহ বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজটিকে জিম্মি করে নিয়ে যায় দস্যুরা। হেত ১ মাস ধরে মোজাম্বিকের কাছাকাছি অবস্থান করছিল জাহাজটি।










