www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২ এপ্রিল, ২০২৪: গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। গাজার উত্তর, দক্ষিণ এবং মধ্যাঞ্চলে কোনো স্থানই ইসরায়েলি আগ্রাসন থেকে রেহাই পায়নি।প্রতিদিনই সেখানে শত শত ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংস করা হয়েছে বহু বাড়ি-ঘর, মসজিদ, স্থাপনা। হামলা থেকে বাদ যায়নি হাসপাতালও। সেখানকার বেশিরভাগ হাসপাতালেই অভিযান চালিয়ে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ফলে চিকিৎসা নেওয়ার মতো আর কোনো হাসপাতালই এখন অবশিষ্ট নেই।সেখানে দেখা দিয়েছে ত্রাণ সঙ্কট।
এদেকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাদের নির্বিচার বোমাবর্ষণে পাঁচজন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন যাদের চারজন বিদেশি নাগরিক। পশ্চিমা ত্রাণ সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন’-এর প্রতিষ্ঠাতা জোসে অ্যান্দ্রেস বলেছেন, ইসরায়েলি বিমান হামলায় তার সংস্থার কয়েকজন কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন ও পোল্যান্ডের একজন করে ত্রাণকর্মী রয়েছেন। অ্যান্দ্রেস এ ধরনের নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার জন্য তেল আবিবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
নিহত ত্রাণকর্মীরা উত্তর গাজায় রান্না করা খাবার বিতরণ শেষে দক্ষিণ গাজার রাফায় ফিরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মধ্য গাজার দেইরাল বালাহ এলাকায় তাদের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি জঙ্গিবিমান।
মধ্যগাজার আল-আকসা হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, চারজন বিদেশি ত্রাণকর্মী ও তাদের ফিলিস্তিনি গাড়িচালকের মরদেহ ওই হাসপাতালে আনা হয়েছে। চতুর্থ ত্রাণকর্মীর দেহ এতটা থেঁতলে গেছে যে, তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানেজ ইসরায়েলি হামলায় তার দেশের নারী ত্রাণকর্মী জোমি ফ্রাঙ্কমের নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রচণ্ড রকম ক্ষুধায় আক্রান্ত গাজাবাসীর জন্য যারা খাবার সরবরাহ করছিল তাদের ওপর এ হামলা ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।’ তিনি এ ঘটনার জন্য ইসরায়েলকে ‘পূর্ণ দায়’ বহন করার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটি এমন একটি দুঃখজনক ঘটনা যা কখনই ঘটা উচিত ছিল না।










