দূষিত খাল গুলোর জন্য জনগণ কষ্ট পাচ্ছে: ডিএনসিসি মেয়র

People are suffering DNCC Mayor - National - 20 March 2024
People are suffering DNCC Mayor - National - 20 March 2024

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ মার্চ, ২০২৪: দূষিত খালগুলোর জন্য জনগণ কষ্ঠ পাচ্ছে, বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের একটি খাল (লেক) নিয়ে বলেছেন, এর মালিকানা ঢাকা ওয়াসা ও রাজউকের। যখন আমি তাদের বললাম- এটি আমাকে দিয়ে দিন, ওয়াসা বলল- এ খাল তাদের নয়, রাজউকের। আবার রাজউক কাগজে দেখাচ্ছে এই খাল ওয়াসার।একটি খাল নিয়ে নিজেদের মধ্যেই এ ধরনের খেলা চলছে। কিন্তু কষ্ট পাচ্ছে জনগণ। খাল তাদের, কিন্তু তারা গুছিয়ে রাখছে না। তাই জনগণের কষ্ট লাঘব করতে ডিএনসিসি এ নিয়ে টানা চারবার খালটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করছে। পরিষ্কার করার পর কিছুদিনের মধ্যে আবার কচুরিপানায় ভরে যাচ্ছে।”

আজ বুধবার (২০ মার্চ) মশক নিধন ও পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে মেয়র আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। সকাল ১০টা থেকে উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টরের ওই খালে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম পরিচালনার কাজ শুরু করে ডিএনসিসি।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, “কচুরিপানার কারণে খালটি দূষিত হয়ে যাচ্ছে। এতে আশেপাশে বসবাসকারী মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ বসবাসের অযোগ্য হয়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উত্তরা এলাকার মশার ঘনত্ব অন্যান্য এলাকা থেকে অনেক বেশি। তাই উত্তরাবাসীদের সুস্বাস্থ্যের বিষয়টি মাথায় রেখে খালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি বলেন, “এ খাল যারই হোক না কেন, আমাদের সিটি করপোরেশনের কর্মীরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখবেন। যদিও এর মালিকানা ডিএনসিসির নয়, তারপরও জনগণের স্বার্থে এ খালে পরিচ্ছন্নতার কাজ আমরা করছি। এই খালে এখন পর্যন্ত সুয়ারেজ কানেকশন হয়নি। তারপরও মানুষ বসবাস করছে। আমরা দেখছি, যেকোনো কানেক্টিভ ওয়েতে এতে দূষিত পানি (কালো পানি) চলে আসছে। এতে বেশি পরিমাণে মশার লার্ভা তৈরি হচ্ছে, মশা হচ্ছে। খাল রাজউক-ওয়াসার, কিন্তু গালি খাচ্ছে সিটি করপোরেশন।”

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, “আজ আমাদের এখানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম আছেন। আমি মনে করি, এ খালের বিষয়ে দ্রুত সমাধান হবে। এটি যাতে অনতিবিলম্বে ডিএনসিসির কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাহলে আমরা এটি জনমানুষের জন্য নিরাপদ করে দিতে পারব।”

সরেজমিনে দেখা যায়, খালটির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিলেন ডিএনসিসির কর্মীরা। তবে কচুরিপানা তুলতে গিয়ে নাড়াচাড়া দিলেই অসংখ্য মশা ও ক্ষতিকর পোকা উড়তে শুরু করে। দেখে মনে হচ্ছিল, ধুলার চেয়ে যেন মশার ঘনত্ব অনেক বেশি। সেখানে থাকা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মশা ঘিরে ধরতে থাকে।

পূর্ববর্তী জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত ভিক্টোরিয়া আজ বুড়িরচর গেছেন
পরবর্তী এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দেশবাসীর জন্য ঈদ উপহার: সেতুমন্ত্রী