www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১ মার্চ, ২০২৪: নিয়ম মানা না হলে প্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ করা হয়নি, বলে জানতে চেয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন। তিনি বলেন, “যারা রেগুলেটরি বোর্ডে আছে তাদের কোনো শাস্তি হয় না, তারা শুধু নোটিশ দেন। নোটিশ বড় কোনো ব্যবস্থা না, আপনারা কেন সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেন না, সেটা হচ্ছে প্রশ্ন।”
আজ শনিবার (২ মার্চ) বেইলি রোডে পুড়ে যাওয়া ভবন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন।
হেলাল উদ্দিন বলেন, “যেসব রেগুলেটরি বোর্ড এ ভবনে ব্যবসার অনুমতি দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিক। এ ধরনের ঘটনা আবার ঘটুক এটা আমরা চাই না। যার ত্রুটি থাকবে তার বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। সেটা যদি কোনো ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে হয় তবে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে, আর যদি কোনো সংস্থার বিরুদ্ধে হয় তবে সেটা সংস্থার বিরুদ্ধে।”
তিনি আরও বলেন, “আপনারা সবকিছু বাণিজ্যিকিকরণ করবেন আর সেটার মাধ্যমে মানুষের জীবন চলে যাবে, এটা হতে পারে না। যে রেগুলেটরি বোর্ডের সমস্যা, সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।”
তিনি বলেন, “এখানে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হয়েছে, কাস্টমারদেরও ক্ষতি হয়েছে। তাদের জীবন চলে গেছে। আমাদের শত কোটি টাকা এখানে নষ্ট হয়েছে। আমরা বিডা এবং এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাররা বিভিন্ন মার্কেটগুলো পরিদর্শন করলাম। সেখানে আমরা দেখলাম কোথাও বিদ্যুতে সমস্যা, কোথাও ফায়ার সেফটির সমস্যা। সমস্যা যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন ফায়ার সেফটিতে যারা কাজ করেন তারা একসময় ফায়ার সার্ভিসে কাজ করতেন। তারা এখন ফার্ম খুলেছে, এখন একেক মার্কেটে গিয়ে বলছেন ৩/৪/৫ কোটি টাকা লাগবে ফায়ার সেফটির জন্য।”
হেলাল উদ্দিন বলেন, “এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এত বৃহৎ টাকা আমরা কোথায় পাব? সরকার বলেছে ফায়ার সেফটির জন্য বিদেশ থেকে যত মালামাল আসবে সেগুলো ট্যাক্স ফ্রি থাকবে। এটা দেশের মানুষের জন্য করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা যখন বিভিন্ন সংস্থার কাছে যাচ্ছি, তখন তারা সেই কাজটি করছে না।”
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতরা হাসপাতলে আছেন। মৃত্যুর ঘটনয় পুলিশ মানলা করেছে।










