www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: বংলাদেশের পিঠার পরম্পরা অনেক প্রাচীন। সাধারণত শীতকালেই বেশি পিঠা তৈরি হয়। তবে বর্তমান সময়ে সব মৌসুমে পিঠা পাওয়া যায়। বিশেষভাবে পিঠাকে আধুনিক ধারায় এনে এক সর্বজনীন করে তুলেছে বেশ কিছু নারী উদ্যোক্তা। আগে আঞ্চলিক ভাবে পিঠা তৈরি হতো। এখনও হয়। কিন্তু এমন কিছু পিঠা আছে যা সারাদেশেই প্রসিদ্ধ এবং জনপ্রিয়। এগুলি হচ্ছে ভাপা পিঠা, ঝাল পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা, চিতই, দুধ চিতই, বিবিখানা, চুটকি, চাপড়ি, চাঁদ পাকান, ছিট, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান, পানতোয়া, মালপোয়া, মালাই, মুঠি, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল, পাকোয়ান, গুড়ি, জামদানি, ঝালপোয়া, ঝুরি পিঠা, ঝিনুক, সূর্যমুখী, নকশি, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, নারকেল জেলাফি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া, দুধরাজ, ফুল ঝুরি, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা, সেমাই পিঠা প্রভৃতি। পিঠা তৈরির সাধারণ উপাদান হচ্ছে চালের গুঁড়া, ময়দা, গুড় বা চিনি, নারকেল, দুধ ও তেল। অনেক সময় কিছু কিছু পিঠাতে মাংস ও সবজি ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশের এই পিঠা তৈরির শিল্পীদের উৎসাহ দিতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় শুরু হতে যাচ্ছে পিঠা উৎসব। সারাদেশব্যাপী একযোগে পিঠা উৎসব উদ্বোধন হবে ৩১ জানুয়ারি। একযোগে ৬৪ জেলায় ৩ দিনব্যাপী পিঠা উৎসব চলবে ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ শিল্পকলায় পিঠা উৎসব চলবে ১০ ফিব্রুয়ারি পর্যন্ত।
যারা পিঠা তৈরী করেন তারা মেলায় “পিঠাশিল্পী” হিসেবে অংশ নিতে পারবেন। যারা পিঠা তৈরী ও ক্যাটারিং উদোক্তা হিসেবে কাজ করছেন তারাও অংশ নিতে পারবেন। আবেদন ফরম ডাউনলোড করুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ওয়েবসাইট থেকে। আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নিম্নে উল্লেখিত ঠিকানায় জমা দিন অথবা মেইল করুন।
অংশগ্রহণ করতে ফরম সংগ্রহ করুন ওয়েবসাইট থেকে: www.shilpakala.gov.bd. স্থান : তথ্যকেন্দ্র, প্রশিক্ষণ ভবন (নীচতলা), বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
অথবা ইমেইল: info@shilpakala.gov.bd










