www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪: কঠিন চ্যালেঞ্জ আমরা অতিক্রম করতে পারি, বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন। তবে আমি মনে করি কোনো চ্যালেঞ্জই অনতিক্রম্য নয়। সব চ্যালেঞ্জ আমরা অতিক্রম করতে পারি।”
আজ রবিবার (১৪ জানুয়ারি) চতুর্থবারের মতো সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
সেতুমন্ত্রী বলেন, “আমাদের অনেকগুলো কাজ আছে, চ্যালেঞ্জ অনেক আছে। আমি এখনো বলি, সড়কে শৃঙ্খলা, যানবাহনে শৃঙ্খলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখনো তা পুরোপুরিভাবে অর্জন করতে পারিনি। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আমরা একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, আমি আশা করি যে এই পরিকল্পনাটা বাস্তবায়ন হলে সড়কে নিরাপত্তা, রোড সেফটির প্রোগ্রাম আমরা সফলতার দিকে নিয়ে যেতে পারব।”
তিনি বলেন, “আমরা যখন পদ্মাসেতুর কাজ শুরু করেছিলাম তখন কেউ ভাবেনি এটা শেষ করা সম্ভব হবে৷ বিশ্বব্যাংকও পাশে ছিল না৷ কিন্তু আমরা পদ্মাসেতু করতে পেরেছি৷ মেট্রোরেল দিয়ে যে এ শহর সমৃদ্ধ হবে এ কথাও কেউ ভাবেনি৷ কিন্তু সেটাও শেখ হাসিনার সরকার উপহার দিয়েছে৷ আমাদের অনেক কাজ আছে সামনে৷ অনেক চ্যালেঞ্জ আছে৷ তবে এখনো আমরা সড়কে যানবাহনের শৃঙ্খলা আনতে পারিনি৷ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একযোগে আমরা একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছি৷ এটা করতে পারলে রোড সেফটি নিশ্চিত হবে৷ আজ অনেক রাস্তা হচ্ছে৷ রাস্তাগুলো স্মার্ট করতে হবে৷ এ বিষয়গুলোও আমরা দেখব৷ অনেক সড়কের নির্মাণকাজ শেষ করতে হবে৷”
মন্ত্রিসভায় দেশি বিদেশি চাপ প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, “দেশি বিদেশি চাপ প্রসঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন চাপ বিদেশ থেকে আছে৷ দেশে তো আছেই৷ আমরা সব চাপ মোকাবিলা করার সক্ষমতা রাখি৷ আমাদের শক্তি এ দেশের জনগণ৷ দেশের জনগণ সঙ্গে থাকলে কোনো চাপই মোকাবিলা করা অসম্ভব নয়৷ অনেকেই ভেবেছে নির্বাচন করতে পারবেনা৷ কিন্তু তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে৷ অর্থনৈতিক চাপও রয়েছে৷ এগুলোকে ভয় পেলে হবে না৷ আজকাল আমাদের গ্রামীণ বাজার পর্যন্ত ভরপুর খাদ্য সামগ্রী, ফলমূল সব আছে৷ সীমান্তেও একই অবস্থা৷কিছু নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে৷ মানুষ যাতে সহজে দ্রব্যমূল্য কিনতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা জোর দেব৷”
তিনি আরও বলেন, “এ দেশটা সকলের৷ দেশ যে শুধু আওয়ামী লীগের সেটা তো বলতে পারি না৷ সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চায় আসতে হবে৷ আমরা চিরজীবন ক্ষমতায় থাকব না৷ একটা দল চিরজীবন ক্ষমতায় থাকেও না৷ এ দেশের সকল সম্পদ জনগণের৷ বিরোধী দলের যারা আছে তারাও এ সম্পদের অংশীদার৷ কাজেই উন্নয়নের যে যাত্রা শুরু হয়েছে সেটা ২০৪১ সাল অবধি আমাদের ভিশনে নিয়ে যেতে হবে৷”










