গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবে মুখরিত শহীদ মিনার চত্বর

গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব - বিনোদন - ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ (১)

www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: গতকাল বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৪ দিনব্যাপী আয়োজনের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয়ের মাসে বাংলার জয়গান থেকে শুরু করে গ্রামীণ লোক ঐতিহ্য, অ্যাক্রোবেটিক, জাদু, নৃত্য এবং সঙ্গীত অনুষ্ঠান । বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ঢাকা মহানগর এবং জেলা শিল্পীদের অংশগ্রহণে ধারাবাহিক এ উৎসব চলছে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পুরো আয়োজনের ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

শুরুতেই দীপা সরকারের পরিচালনায় ‘খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি ‘ও ‘ধন ধান্যে’ গানে নৃত্য পরিবেশন করে কল্যানী নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। এরপর পরিবেশিত হয় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী ‘রোলার ব্যালেন্স’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল ।

গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব - বিনোদন - ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1
গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসব – বিনোদন – ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)_1

এরপর ধারাবাহিক পরিবেশনায় সমবেত নৃত্য ‘নোঙ্গর তোল তোল’ পরিবেশিত হয়। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন সেলিনা হক। এরপর পরিবেশন করে নৃত্যসুর নৃত্যদল।

দলীয় সংগীত ‘আমরা করবো জয় ‘ ও ‘আমরা সবাই বাঙালী’ গান পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল স্বরলিপি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল পরিবেশন করে অ্যাক্রোবেটিক শো- চেয়ার সেটিং। আবার সমবেত নৃত্য ‘আনন্দধারা বহিছে’ পরিবেশন করে নৃত্যদল ‘অংশী’, নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন আনন্দিতা খান। এরপর আবৃত্তি করেন সামীউল আজিজ। ধারাবাহিক অনুষ্ঠানমালায় পরিবেশিত হয় ম্যাজিক শো। এরপর একক সংগীত ‘হিংসা নিন্দা ছাড়ো’ পরিবেশন করেন বিমান চন্দ্র বিশ্বাস। এরপর আবার দলীয় সংগীত। দলীয় সংগীত ‘চল চল চল ’ ও ‘বান এসেছে মরা গাঙে’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল সুরধ্বনি। এরপর ‘দে তালি’ শিরোনামের গানে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল ‘নৃত্যাক্ষ। আবার প্রদর্শীত হয় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী ‘হাড়ি ও লাঠি ব্যালেন্স’, পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক দল। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন সামিউন জাহান রিমি।

আবার পরিবেশিত হয় দলীয় সংগীত ‘আজ জীবন খুঁজে পাবি’ ও ‘শোন একটি মুজিবুরের থেকে’। সংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল সংগীতদল সুরসপ্তক। আবারো সমবেত নৃত্য ‘ঢোল বাজে ঢোল বাজে’, বাংলাদেশের ঢোল’ পরিবেশন করে পরম্পরা নৃত্যদল। এরপর পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষিত অ্যাক্রোবেটিক দলের শো-নেক আয়রনবার। বহ্নিশিখা নৃত্যদল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য-‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ ও ‘আমরা সবাই বাঙালি’। এরপর তারকা শিল্পী খান আসিফুর রহমান আগুন পরিবেশন করেন ‘একাত্তরের মা জননী’ ও ‘ও আমার বন্ধুগো’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু দল পরিবেশন করে সমবেত নৃত্য ‘ আমরা সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরী’। আবারও পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় ‘বঙ্গবন্ধু প্রিয় গান’। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন-মাশকুরে সাত্তার কল্লোল।