প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল ও হযরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারত করেছেন

প্রধানমন্ত্রী মাজার জিয়ারত করেছেন - জাতীয় - ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ (ফাইল ছবি)
প্রধানমন্ত্রী মাজার জিয়ারত করেছেন - জাতীয় - ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ (ফাইল ছবি)

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ ডিসেম্বর, ২০২৩: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার (২০ ডিসেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৬০১ এর একটি ফ্লাইটে বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর তিনি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারে পৌঁছে জিয়ারত করেন।

হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটাই কথা, আওয়ামী লীগ সরকারে এলে জনগণের কল্যাণ হয়। ২০০৯-২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিল। আজকে সিলেটে এসেছি, এখানে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষ নেই। প্রত্যেকটি মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে যাচ্ছি। বাকিগুলো অচিরেই পূরণ করব ইনশাহআল্লাহ। ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জনগণ যদি ভোট দেয়। আমরা যদি আবার সরকার গঠন করতে পারি। তাহলে পুরো বাংলাদেশটাকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ হিসেবে গড়তে পারব। কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। বাংলাদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। ইতোমধ্যে আমরা উন্নত বিশ্বের মর্যাদা পেয়েছি। ক্ষমতায় আসার পরেই সেটি কার্যকর করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা নির্বাচন করবে না, আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারে, আগুন দিয়ে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে। এটা জনগণের সম্পত্তি। রেললাইন অ্যাক্সিডেন্ট করিয়ে মানুষ হত্যা করে। এটা হচ্ছে জঙ্গিবাদী কাজ। এই কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি জামায়াত জোট। বিএনপির একটাই কাজ মানুষ পুড়িয়ে মারা। ২০১৩ ও ২০১৪ তেও দেখেছি তারা মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে। এটা কি ধরনের আন্দোলন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই কাজ করি। এদিকে রেলে আগুন দিল, একাটা মা-সন্তান পুড়িয়ে মরলো। এর চেয় কষ্টের কি হতে পারে? কি করে তারা মানুষ হত্যা করে। পুলিশ, সাংবাদিক, বিচারক, জনগণের ওপর হামলা করে। এটা কি ধরনের খেলা। একজন লন্ডন বসে হুমুক দেয়। আর দেশে কিছু চ্যালা আছে আগুন দেয়। মানুষ মেরে ভীতি সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচাল করতে চেষ্টা করছে।

এর আগে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে অভ্যর্থনা জানান কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

সিলেট সফর শেষে আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি বরিশাল, গোপালগঞ্জ জেলা সফর করবেন। এছাড়া বেশ কয়েকটি জেলায় ভার্চ্যুয়ালি সংযুক্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন তিনি।

আগামী ২১ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় রংপুর বিভাগের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট, রাজশাহী বিভাগের নাটোর ও পাবনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়িতে ভার্চ্যুয়ালি নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

২৯ ডিসেম্বর বরিশাল সফরে যাবেন শেখ হাসিনা। এদিন বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা সদরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

এরপর আগামী ৩০ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর জেলা সফর করবেন আওয়ামী লীগ প্রধান। এদিন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া) আসন নিজের নির্বাচনী এলাকায় জনসভায় বক্তব্য দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এ ছাড়া এদিন মাদারীপুর-৩ আসনেও আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা।

পূর্ববর্তী রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের সঙ্গে সিইসির মতবিনিময়
পরবর্তী ২৪ কোটি ৭৫ লাখ রুপিতে স্টার্ক খেলবেন কলকাতায়