আল-শিফা হাসপাতালের পরিস্থিতি বিষাদময়

আল-শিফা হাসপাতালের পরিস্থিতি বিষাদময় - আন্তর্জাতিক - ১৮ নভেম্বর ২০২৩
আল-শিফা হাসপাতালের পরিস্থিতি বিষাদময় - আন্তর্জাতিক - ১৮ নভেম্বর ২০২৩

www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৮ নভেম্বর, ২০২৩: প্রায় দেড় মাস ধরে চলা যুদ্ধে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় বেসামরিক মানুষের মৃত্যু অমানবিক পর্যায়ে পৌছেছে। এর মধ্যে গত বুধবার থেকে গাজার আল-শিফা হাসপাতালে ইসরায়েলি হামলা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক আবু সালমিয়া বলেন, আল-শিফায় পরিস্থিতি বিষাদময়। হাসপাতালটিতে ৬৫০ এর বেশি রোগী, ৫০০ মেডিকেল স্টাফ ও পাঁচ হাজার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা রয়েছেন।

তিনি আরও জানিয়েছেন, গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের অভিযান চালানো আল-শিফা হাসপাতালে অক্সিজেন ও পানি ফুরিয়ে গেছে। সেখানকার রোগীরা তৃষ্ণায় চিৎকার করছেন।

তিনি বলেন, ইসরায়েলি ট্যাংক হাসপাতালের চারদিক ঘিরে রেখেছে। মাথার ওপর ড্রোন উড়ছে। ইসরায়েলি সেনারা বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো হাসপাতালে ভেতরে তল্লাশি চালিয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, হামাসের বিরুদ্ধে বিচক্ষণতার সঙ্গে পদ্ধতিগত ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে।

হাসপাতালের ভেতরে আটকেপড়া একজন সাংবাদিক বিবিসির রুশদি আবু আলৌফকে ফোনে জানান, ইসরায়েলি সৈন্যদের সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে এবং তারা সব দিক থেকে গুলি করছে।

গত বুধবার থেকে সেখানে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী এবং বৃহস্পতিবার তারা সেখানে হামাসের টানেলের একটি সুরঙ্গের সন্ধান পাওয়ার দাবি করে। একই সাথে অস্ত্র বোঝাই একটি গাড়ী পাওয়ার কথাও জানায় তারা।

হাসপাতালটির পরিচালক জানান ইসরায়েলি সেনারা হাসপাতালটির প্রধান পানির সংযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, অভিযান চলছে। কেউ এক ভবন থেকে আরেক ভবনে যেতে পারছে না। আমরা আমাদের সহকর্মীদের সাথেও কোন যোগাযোগ করতে পারছি না।

গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে পুরো মেডিকেল কমপ্লেক্সের দক্ষিণ দিকের প্রবেশপথে একটি অংশ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে সেনারা।

ইসরায়েলি বাহিনী গত ৪২ দিনের অভিযানে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই নিহতদের মধ্যে শিশু এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা অন্তত ৫ হাজার।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে একই তথ্য জানিয়ে বলেছে, ১২ হাজার নিহত ছাড়াও গাজায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৩ হাজার ৫৭০ জন মানুষ। এই নিখোঁজদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ৮০০ জন।

শনাল) ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় অংশ নেয় এক লাখ ৫২ হাজার ৭১৭ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ ৯ হাজার ৫৭৩ জন ও ছাত্রী ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। মোট কেন্দ্র ৬৭৪টি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৮৩৪টি।

পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধার অভাবে বিশ্বে যুদ্ধ চলছে: প্রধানমন্ত্রী
পরবর্তী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ