www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৮ নভেম্বর, ২০২৩: শিল্পকলার আয়োজনে “গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’ ঢাকায় সমাপনী আয়োজনে মঞ্চস্থ হলো “নি:সঙ্গ লড়াই”। ১৯৭১ সালের মার্চে জাতির পিতাকে বন্দী করে রাখা হয় লালপুর থানায়। তাঁর কারাবন্দী জীবনের নানান প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক ইতিহাস নির্ভর, এই যাত্রাপালা। ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিটের এই যাত্রাপালার নির্দেশনায় ছিলেন সাইদুর রহমান লিপন, পালাকার মাসুম রেজা এবং প্রযোজনা উপদেষ্টা জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
গতকাল মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হয়েছে যাত্রাপালা ‘নি:সঙ্গ লড়াই’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির রেপাটরি যাত্রাদল পরিবেশন করে এই পালা।

এরপর যাত্রাশিল্পে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরুপ যাত্রাশিল্পী মিলন দে, – কে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক, সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও ৫০ হাজার টাকা অর্থমূল্যের চেক তুলে দেন।
সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ বলেন- “একজন যাত্রাশিল্পী হিসেবে মিলন কান্দি দে যাত্রা শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করে গেছেন, যাত্রা নট হিসেবে অভিনয়ের মাধ্যমে এই ধারাকে সচল রেখেছেন, যাত্রাকে প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন”।
সম্মাননা প্রাপ্ত যাত্রাশিল্পী মিলন কান্তি দে নিজের অনুভুতি ব্যক্ত করেন- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তিনি বলেন- “আমি শিল্পী খ্যাতি অর্জনের জন্য যাত্রাশিল্পে আসি নি, এই শিল্পের দুর্দশা দূর করতে কাজ করেছি। নীতিমালা প্রণয়ন থেকে শুরু করে যাত্রার দুর্দশা দূর করতে অনন্ত প্রাণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক”। শিল্প সংস্কৃতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা যেন অব্যাহত থাকে সেই প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।
একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী- সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি বলেন- “যাত্রা শিল্পের সাথে জড়িয়ে থাকা এক অনবদ্য শিল্পীর নাম মিলন কান্তি দে”। তিনি বলেন- “যাত্রা শিল্পীকে সম্মান জানাতে আমাদের আইন, নীতিমালা নানাভাবে সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে যা প্রণয়ণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা”।










