প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধু টানেলে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু টানেলে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী - জাতীয় - ২৮ অক্টোবর ২০২৩
বঙ্গবন্ধু টানেলে টোল দিলেন প্রধানমন্ত্রী - জাতীয় - ২৮ অক্টোবর ২০২৩

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ অক্টোবর, ২০২৩: কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল’উদ্বোধনের পর নিজের গাড়ি বহর নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনের পরপরই গাড়ি বহর নিয়ে টানেল পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে আনোয়ারায় যান প্রধানমন্ত্রী। টানেল পার হতে তিনি নিজের হাতে টোল দেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে টানেলের টোল কালেকশন করেন ঝুমুর আক্তার।

টোল গ্রহণ শেষে ঝুমুর আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী টানেলের প্রথম টোল প্রদানকারী ব্যক্তি। তার কাছ থেকে টোল নিতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। বাংলাদেশ আজ নতুন গৌরবময় এক অধ্যায়ে পা রাখছে। এর মধ্য দিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়ন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিমসহ অন্যান্যরা।

দুপুরে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কোরিয়ান ইপিজেড মাঠে জনসমাবেশে যোগ দেবেন।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কক্সবাজারের ৪০ কিলোমিটার দূরত্ব ও এক ঘণ্টা সময় কমিয়েছে বঙ্গবন্ধু টানেল। টানেলটি পার হতে সময় লাগবে মাত্র কয়েক মিনিট।

দুটি টিউবের চার লেনের সড়কের মাধ্যমে নদীর তলদেশ দিয়ে পাঁচ মিনিটে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে যাওয়া যাবে আনোয়ারায়।

আগামীকাল রবিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সর্বসাধারণের যান চলাচলের জন্য টানেলটি খুলে দেওয়া হবে।

দেশের বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ করবে প্রকল্পটি। চট্টগ্রামের নতুন শহর গড়ে উঠবে নদীর অপর প্রান্তেও। চট্টগ্রাম নগরীর অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক আকার হবে দ্বিগুণ।

দুই টিউব সংবলিত মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এ দুই টিউব তিনটি সংযোগ পথের (ক্রস প্যাসেজ) মাধ্যমে যুক্ত থাকবে। বিপদের সময় অন্য টিউবে গমনের জন্য এ ক্রস প্যাসেজগুলো ব্যবহার হবে। টানেল টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার ও ভেতরের ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

 

টানেল কর্ণফুলী নদীর পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি আর অপর প্রান্তের চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা (সিইউএফএল) প্রান্তকে যুক্ত করেছে।

পূর্ববর্তী ট্রাভিস হেডের সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩৮৮ রান
পরবর্তী বাংলাদেশের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেদারল্যান্ডস