শিল্পকলায় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত

‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত - বিনোদন - ৭ আগস্ট ২০২৩ (ক)
‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত - বিনোদন - ৭ আগস্ট ২০২৩ (ক)

www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে একাডেমি। ‘শোক থেকে শক্তির অভ্যুদয়, স্বপ্নপূরণের দৃঢ় প্রত্যয়’ শিরোনামে মাসব্যাপী কার্যক্রম পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল ২২ শে শ্রাবণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ৮২ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিান।

বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি প্রথম দুই ব্যক্তি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিশ্ববরেণ্য এই দুই ব্যক্তির স্মরণে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

আলোচনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ড. কাজল রশীদ। আলোচনায় তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ তার সমস্ত লেখালেখির মধ্যে বাঙালি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করেছেন, রবীন্দ্রনাথের সমস্ত গল্প, কবিতায় বাঙালি সংস্কৃতির একটা শক্তিশালী উপস্থাপন দেখি”। আলোচক ড. কাজল রশীদ বলেন – “বঙ্গীয় রেঁনেসা বা বঙ্গীয় নবজাগরণের পূর্ণতা, পরিপূর্ণ হয় রবীন্দ্রনাথের মাধ্যমে। একইভাবে বাংলাদেশের সকল মানুষকে একত্রে করতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাঙালি সংস্কৃতির মৌলিকত্ব তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বলেই বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নিতে পেরেছিলেন”।

সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন – “কবিগুরুকে বঙ্গবন্ধু গুরুর মতো মানতেন। ‘সাত কোটি বাঙালিরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ কর নি–কবিগুরুর সেই বাণীকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু ১৯৭৫ এ ১৫ আগস্ট আবারো যেন সেই বাণীই সত্য হয়ে ওঠলো”।

‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত - বিনোদন - ৭ আগস্ট ২০২৩ (খ)
‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত – বিনোদন – ৭ আগস্ট ২০২৩ (খ)

আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান কবিতা নিয়ে সাজানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো দলীয় রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশনা ‘আলো আমার আলো/আনন্দলোকে মঙ্গলালোক/আমরা নতুন যৌবনের দূত’ পরিবেশন করেন একাডেমির শিশু-কিশোর দল।

এরপর শিল্পীরা পরিবেশন করের একজ সংগিত। আশরাফুল আলম পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘বাসা বাড়ী’। সবশেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত দল পরিবেশন করে রবীন্দ্র সংগীত ‘কান্না হাসির দোল দোলানো’ ও ‘সমুখে শান্তি পারাবার’।

বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

পূর্ববর্তী ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক’ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা
পরবর্তী আজ আরও ১২টি জেলাকে গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী