জাতিসংঘ পুলিশের কাজে অর্থবহ অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত

Unit Police Meaningful Ceremony 4 National Commitment - 28 June 2020
Unit Police Meaningful Ceremony 4 National Commitment - 28 June 2020

www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৮ জুন, ২০২৪: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের চতুর্থ সম্মেলনে জাতিসংঘ পুলিশের কার্যক্রমে ফলপ্রসূ অবদান রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও প্রস্তুতি পুনর্ব্যক্ত করে‌ছেন

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্প‌তিবার (২৭ জুন) জা‌তিসং‌ঘে ‘শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অভিনব কৌশল ও সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্র’ শীর্ষক সম্মেলনের প্রধান সেশনে এ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে‌ন মন্ত্রী।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ পুলিশ প্রধানদের চতুর্থ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত, বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক কামরুল আহসান এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রাসঙ্গিক ও নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক বিশেষায়িত পুলিশিং-এর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। শান্তিরক্ষা কার্যক্রম চলমান দেশগুলোর আইন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংস্থাগুলোর দক্ষতাবৃদ্ধির ওপরও জোর দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে মহিলা পুলিশ সদস্য প্রেরণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে নানাবিধ অপপ্রচার রোধে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরেন। পাশাপাশি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের গুরুত্ব বর্ণনা করে, এ ধরনের প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়ে জোর দেন।

সম্মেলন চলাকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গাম্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদৌলে সানিয়াং, জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ফর পিস অপারেশন্স জ্যঁ পিয়েরে লাখোয়া এবং আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ফর অপারেশনাল সাপোর্ট অতুল খারের সাথে তিনটি পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।

জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতি ও সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন।

এ ছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানো ও জাতিসংঘের সাথে অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির নানা ক্ষেত্র আলোচনায় উঠে আসে।

এ সময় উভয় আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলই শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের পেশাদারিত্ব ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশ থেকে আরও শান্তিরক্ষী পাঠানোর অনুরোধ জানান।

গাম্বিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গাম্বিয়ার অংশগ্রহণে বাংলাদেশ সহযোগিতা প্রদান করায় ধন্যবাদ জানান।

এ ছাড়া এই বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

পূর্ববর্তী দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
পরবর্তী তারা আবারও ভুল পথে হাঁটছে: সেতুমন্ত্রী