Tag: হাসপাতাল

  • হাসপাতালগুলো প্রতিকূল পরিবেশের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    হাসপাতালগুলো প্রতিকূল পরিবেশের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ এপ্রিল, ২০২৪: হাসপাতালগুলো প্রতিকূল পরিবেশের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছ, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, “তাপদাহের কারণে কোল্ড কেস (যাদের এখন ভর্তি হবার দরকার নেই) এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি না করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলো প্রতিকূল পরিবেশের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

    আজ রবিবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে সারাদেশের হাসপাতালের পরিচালক এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে অনলাইনে এক সভা শেষে তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এই গরমে সবচেয়ে বেশি ভালনারেবল বয়স্ক এবং বাচ্চারা। এবার এমন একটা জলবায়ু পরিবর্তন হলো যে আমরা জীবনে কখনো শুনিনি যে দুবাই বিমানবন্দর পানিতে ডুবে গেছে। যাহোক এটা প্রকৃতির নিয়ম। আমাদের এগুলো ফেস করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আমার কাছে যখন মেসেজ আসলো (হিট অ্যালার্ট), আমি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে গিয়ে স্কুলটা বন্ধ করে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। কারণ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে বাচ্চা এবং বয়স্করা। আজকে আমরা সবাই মিলে সারা বাংলাদেশে যত হাসপাতালের পরিচালক এবং সিভিল সার্জনের সঙ্গে জুম মিটিং করি। আমার কয়েকটা নির্দেশনা ছিল তার মধ্যে একটা হলো- যারা বয়স্ক এবং বাচ্চা, তারা প্রয়োজন ছাড়া যেন বাসার বাইরে না যায়।”

    সামন্ত লাল বলেন, “হাসপাতালগুলোতে কোনো কোল্ড কেস এখন ভর্তি করতে না করেছি। কোল্ড কেস অর্থাৎ এক মাস পর অপারেশন করলে অসুবিধা না হয়, সেটা দুই সপ্তাহ পরে করুক। হাসপাতাল খালি রাখার জন্য বলছি যে যদি চাপ হয়, তাহলে বাচ্চা এবং বয়স্কদের জন্য যেন ভর্তি করা হয়। এখন কোল্ড কেস কয়েক দিন বন্ধ থাকবে।”

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের ওরাল স্যালাইনের কোথাও কোনো ঘাটতি হলে যেন আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জানানো হয়। কোনো জায়গায় কোনো ঘাটতি হলে…। এখন পর্যন্ত আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। প্রকৃতির ওপর তো আমাদের কারও হাত নেই। এটা আমাদের রেডি রাখতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আমি গতকাল শিশু হাসপাতালে গিয়েছিলাম। শিশু হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার জন্যই সারাদেশের হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দিয়েছি। কোল্ড কেসগুলোকে এখন হাসপাতালে ভর্তি না করতে বলা হয়েছে। বাচ্চাদের ব্যাপারে আজকে থেকে একটা অনলাইন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করছি সারাদেশের চিকিৎসকদের নিয়ে। মহাখালীতে করোনা চিকিৎসার জন্য ডিএনসিসি হাসপাতালে শিশু ও বয়স্কদের জন্য আলাদাভাবে বেড রাখতে বলা হয়েছে।”

  • গত তিন দিনে হাসপাতালে প্রত্যেকেই কাজ করেছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    গত তিন দিনে হাসপাতালে প্রত্যেকেই কাজ করেছেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৩ এপ্রিল, ২০২৪: গত তিন দিনে হাসপাতালে প্রত্যেকেই কাজ করেছেন, বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।তিনি বলেন, গত তিন দিনে হাসপাতালগুলো ঘুরে আমি খুব সন্তুষ্ট। চিকিৎসক, নার্স প্রত্যেকেই কাজ করছেন।

    আজ শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ঈদের ছুটিতে আমি হাসপাতালগুলো তদারকি করব বলে অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই হিসেবে গত পরশু ও আজ হাসপাতাল পরিদর্শনে বের হয়েছি। আমরা আরও হাসপাতাল পরিদর্শন করব। এখানে (কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল) যে স্বাস্থ্যসেবা দেখলাম, তাতে আমি সন্তুষ্ট। তবে একটি জিনিস আমাদের করতে হবে। এই হাসপাতালটি অনেক বড়। আমি সচিব ও ডিজিকে বলছি, আমরা যদি জনবল দিয়ে এই হাসপাতালকে আরও সচল করি, তাহলে ঢাকা মেডিকেল ও মুগদা মেডিকেলে রোগীর চাপ কমবে।”

    ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “আমি ঈদের আগে বলেছিলাম, স্বাস্থ্যসেবায় যেন কোথাও বিঘ্ন না ঘটে৷ আমি সেটি পেয়েছি। শুধু ঢাকায় নয়, আমি এই কয়দিন প্রতিটি বিভাগ, প্রতিটি মেডিকেল কলেজের বাইরে যারা তাদের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারা আমাকে জানিয়েছেন, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হয়নি। আমরা এবার ডাক্তারদের থাকা-খাওয়া ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছি। যে কারণে ডাক্তাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করছেন।”

    তিনি বলেন, “ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দিতে আমরা ইতোমধ্যে মিটিং করেছি। সচিবরাও মিটিং করছেন। স্যালাইনের ঘাটতি যাতে না হয়, সেজন্য আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি, ভবিষ্যতে আরও নেব। তবে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভালো ট্রিটমেন্ট হচ্ছে প্রিভেনশন। প্রিভেনশন না করতে পারলে আমি যতই হাসপাতালে নিয়ে আসি লাভ হবে না। সঠিক সময়ে সঠিক রোগীরা যদি হাসপাতালে আসেন, তাহলে সমস্যা হবে না। ডেঙ্গু সম্পর্কে ডাক্তাররা এখন অভিজ্ঞ।”

    এরআগে, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, ডায়ালায়সিসসহ বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। এমনকি তিনি হাসপাতালের শৌচাগারের পরিবেশ কেমন সেটিও ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

    পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

  • ওসমানী হাসপাতালেও রোগী মেঝেতে শুয়ে থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ওসমানী হাসপাতালেও রোগী মেঝেতে শুয়ে থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ মার্চ, ২০২৪: তিনি বলেন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমি আগেও এসেছি। তবে আজকে এসেছি একটা দায়িত্ব নিয়ে। এসে যা দেখলাম অন্যান্য হাসপাতালগুলোর যে অবস্থা, একই অবস্থা এখানেও। এখানে রোগীদের মেঝেতে শুয়ে থাকতে হচ্ছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৭ মার্চ) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    এর আগে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহিঃবিভাগ ঘুরে সেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এছাড়া হাসপাতালের নানা সংকট নিয়েও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতে বলেন, আজকে ৭ মার্চ। তাই কথা বলার আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

    ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “গতকাল বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। সমস্যাটা আমি চিহ্নিত করতে পেরেছি। এখানে বিভিন্ন উপজেলাতে জনবলের খুব অভাব। আমরা যদি ঠিকমতো কনসালটেন্ট দিতে পারি সার্জারি, মেডিসিন, গাইনি, তাহলে উপজেলাগুলোতে ভালো কাজ হবে। আর এইখানে মেঝেতে রোগী শুয়ে থাকতে হবে না।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সারা দেশে গ্রামেগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসক ধরতে ও অবৈধভাবে চিকিৎসা বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে চিহ্নিত করে ভূমিকা নিতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আমরাতো গ্রামেগঞ্জে গিয়ে অভিযান পরিচালনা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যান-মেম্বাররা এগুলো চিহ্নিত করে রিপোর্ট দিলে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে আমরা ব্যবস্থা নেব। এছাড়াও ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল দ্রুতই সেবার জন্য খুলে দেওয়া হবে।”

    ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এবং অত্র হাসপাতালের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

    মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মোস্তাফিজ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: মাথায় বলের আঘাত পেয়েছেন জাতীয় দলের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। রক্তাক্ত অবস্থায় মোস্তাফিজকে চট্টগ্রাম ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে চট্রগ্রামে নেটে অনুশীলন করার সময় তিনি আহত হন। সম্ভবত বিপিএলে আর দেখা যাবেনা মোস্তাফিজকে।

    আজ রবিবার সকালে (১৮ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নেটে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স দল অনুশীলন করছিল। এই সময় মাথায় আঘাত পেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি।

    বিপিএলে আজ কোনো খেলা নেই। তবে সিলেট স্ট্রাইকার্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে আজ সকালে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুশীলন করতে আসে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ক্রিকেটাররা। সেখানেই নেটে বল করছিলেন মোস্তাফিজ।

    একটি ডেলিভারি দিয়ে মোস্তাফিজ ফিরে যাচ্ছিলেন নিজের বোলিং মার্কে, আরেকটি ডেভিলারি দেয়ার জন্য। এ সময় কুমিল্লার প্রধান কোচ সালাউদ্দিন ডাক দেন তাকে। কোচের ডাকে সাড়া দিতে মাথা ঘুরিয়ে হাঁটতে শুরু করলেই অন্য নেট থেকে আশা একটি শট পেছনে থেকে মোস্তাফিজের মাথায় আঘাত করে।

    সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে লুটিয়ে পড়েন জাতীয় দলের এই বাঁ-হাতি কাটার মাস্টার। মাথা ফেটে রক্তও বের হতে দেখা যায়। দ্রুত দলের চিকিৎসকরা এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করেন।

    পরে তাকে চট্টগ্রামের অ্যাপোলো ইমপেরিয়াল হাসপালে নিয়ে যাওয়া হয়। চোট কতটা গুরুতর, এখনও জানা সম্ভব হয়নি।

    হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছে আঘাত খুব গুরুতর নয়। মোস্তাফিজের মাথার চামড়া কেটে গেছে। সিটি স্ক্যানে মাথায় ফাটল ধরা পড়েনি।

    এবারের বিপিএলে এখনও পর্যন্ত ৯ ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজ। তার শিকার ১১ উইকেট। ৩২ রান দিয়ে ৩ উইকেট ছিল এবারের বিপিএলে মোস্তাফিজের সেরা বোলিং।