Tag: সিলেট

  • সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

    সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ জুন, ২০২৪: সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিলেটের সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    আজ মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল ৯টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্যমতে, সুরমা, কুশিয়ারা, সারি, সারিগোয়াইন, ধলাই ও লোভাছড়াসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকায় পানি প্রবেশের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    এদিকে, বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গোয়াইনঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, ওসমানীনগর, বালাগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার বেশকিছু পরিবার এরই মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।

    এছাড়াও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার বিভিন্ন উপজেলার অসংখ্য মানুষ। তবে সোমবার বিকেল থেকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমায় সিলেট নগরীর জলাবদ্ধতাও কমতে শুরু করেছে।

    পাউবো সিলেটের তথ্যমতে, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

    সুরমা নদীর পানি সিলেট পয়েন্টে একই দিন সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

    কুশিয়ারা নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৯টায় আমলশীদ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল।

    এই নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে ৭৯ সেন্টিমিটারে পৌঁছায়।

    সারি নদীর পানি সারিঘাট পয়েন্টে সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপরে ছিল।

    সারিগোয়াইন নদীর পানি মঙ্গলবার সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টায় তা আরও বেড়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

  • সিলেট টেস্টে প্রথম দিনে ভালো অবস্থানে শ্রীলঙ্কা

    সিলেট টেস্টে প্রথম দিনে ভালো অবস্থানে শ্রীলঙ্কা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২২ মার্চ, ২০২৪: সিলেট টেস্টে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করেতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে শ্রীলঙ্কার ৫ উইকেট পড়ে যায় ৫৭ রানে। কিন্ত ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে কামিন্দু ও ডি সিলভা ২০২ রান করলে শ্রীলঙ্কা ঘুরে দাড়ায়।২৮০ রানে অলআউট হয়ে গেলে, দিনশেষে বাংলাদেশ তিন উইকেট হারিয়ে করে ৩২ রান।বাংলাদেশ এখনও ২৩৮ রানে পিছিয়ে।অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের নাহিদ রান নিয়েছেন ৩ উইকেট।

    আজ শুক্রবার (২২ মার্চ) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনশেষে লঙ্কানদের চেয়ে ২৪৮ রানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ২৮০ রান করে শ্রীলঙ্কা। পরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩২ রান করে স্বাগতিকরা। তাইজুল শূন্য ও জয় ৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন।

    এ ম্যাচে তরুণ পেসার নাহিদ রানার অভিষেক করে বাংলাদেশ। যদিও বোলিংয়ের শুরুটা করেন শরিফুল ও খালেদ। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে গিয়ে উইকেটও এনে দেন খালেদ। অফ স্টাম্প থেকে বেশ দূরের বলে ড্রাইভ করতে যান নিশান মাদুশকা। তৃতীয় স্লিপে বেশ জোরে যাওয়া বল ক্যাচ ধরেন মিরাজ।

    দ্বিতীয় উইকেটের জন্য অবশ্য কিছুটা অপেক্ষা ছিল বাংলাদেশের। ১২তম ওভারে গিয়ে কুশল মেন্ডিসকে ফেরান খালেদ। ২৬ বলে ১৬ রান করে দেরিতে কাট করতে গিয়ে গালিতে দাঁড়ানো জাকির হাসানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৫৭ বলে মেন্ডিসের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি ভেঙে যায় দিমুথ করুণারত্নের।

    ওই ওভারেই করুণারত্নেকেও ফেরান খালেদ। ৩৭ বলে ১৭ রান করা এই ব্যাটারকে দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড করেন খালেদ। অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢুকে বলটি। তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া শ্রীলঙ্কা আরও বেশি বিপদে পড়ে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস রান আউট হলে।

    খালেদের বলে অফ সাইডে ফেলে দৌড় শুরু করেন দিনেশ চান্দিমাল। কিন্তু দৌড়ের সময় কিছুটা অলস ছিলেন ম্যাথিউস। নাজমুল হোসেন শান্তর সরাসরি থ্রোতে স্টাম্প ভাঙে তার।

    এরপর চান্দিমালকেও ফিরিয়ে দেন শরিফুল। লেগ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ১৩ বলে ৯ রান করে ফেরেন চান্দিমাল। ৫৭ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলেই জীবন পেয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। স্লিপে তার ক্যাচ ছেড়ে দেন মাহমুদুল হাসান জয়।

    পরে এজন্য ভুগতে হয়েছে বাংলাদেশকে। হাফ সেঞ্চুরির পথ পেরিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন কামিন্দু। তার বড় জুটির সঙ্গী ধনঞ্জয়াও পান তিন অঙ্কের দেখা। এ দুজনের জুটি ভাঙেন নাহিদ রানা। অভিষেক টেস্টে শুরু থেকেই রান দিচ্ছিলেন তিনি। হুট করে দলের ত্রাতা হয়ে যান।

    প্রথমে কামিন্দু উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন। এতে ভাঙে ২৪৫ বলে ২০২ রানের জুটি। বিপদ সামলে ঝড়ো ব্যাট করা কামিন্দু ১১ চার ও ৩ ছক্কায় ১২৭ বলে করেন ১০২ রান। ওই ওভারেই আরেক সেঞ্চুরিয়ান ধনঞ্জয়াকেও ফিরিয়ে দেন নাহিদ।

    তার বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দেন ১৩১ বলে ১০২ রান করা এই ব্যাটার। এরপর আর অলআউট হতে খুব বেশি সময় লাগেনি শ্রীলঙ্কার। ১৭ ওভারে ৭২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন খালেদ। ৩ উইকেট নিতে ১৪ ওভারে ৮৭ রান দেন নাহিদ। তাইজুল ও শরিফুল পান একটি করে উইকেট।

    শেষ বিকেলে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা ভালো অবস্থায় নেই বাংলাদেশ। দুই উইকেট নিয়েছেন বিশ্ব ফার্নান্দো।   ৮ বলে ৯ রান করার পর এলবিডব্লিউ হয়ে যান জাকির হাসান। পরের ওভারে এসে নাজমুল হোসেন শান্তকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে বিশ্ব ফার্নান্দো। দুই ক্ষেত্রেই রিভিউ নিলেও কোনোটিতেই সফল হয়নি বাংলাদেশ।

    বাংলাদেশের বিপদটা আরও বাড়ে মুমিনুল হক ফিরলে। তাকে অবশ্য ফেরান কাসুন রাজিথা। ৭ বলে ৫ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন মুমিনুল।

    ২৩৮ রানে পিছিয়ে থেকে বাংলাদেশ আগমীকাল সাকলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করবে।

  • বিপিএলে তৃতীয় জয় পেয়েছে সিলেট

    বিপিএলে তৃতীয় জয় পেয়েছে সিলেট

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: প্রথম দিকে খারাপ করলেও আজ বিপিএলে সিলেট জয়ের ধারায় ফিরেছে। দলটি আজ খুলনাকে হারায় ৫ উইকেটে।

    আজ শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিপিএলের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করে খুলনা। ওই রান তাড়া করতে নেমে ১ ওভার হাতে রেখে জয় পায় সিলেট। নবম ম্যাচে এসে টুর্নামেন্টের তৃতীয় জয় পেয়েছে তারা। সপ্তম ম্যাচে এসে এটি তৃতীয় হার খুলনার।

    ব্যাট করতে নেমে শুরুর দিকে সেভাবে ছন্দ খুঁজে পায়নি খুলনা টাইগার্সের ইনিংস। ৩ চারে ১০ বলে ১২ রান করে সামিত প্যাটেলের বলে সাজঘরে ফেরত যান এভিন লুইস। ১০ ওভার শেষে দলটির রান ছিল ৫৬। এর মধ্যে আরও দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে খুলনা টাইগার্স।

    আফিফ হোসেন শুরু করেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৬ বলে ২৪ রান করে বেনি হাওয়েলের বলে এলবিডব্লিউ আউট হন তিনি। ৬ বলে ১ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়ও।

    এরপর বড় জুটি গড়েন এনামুল হক বিজয় ও হাবিবুর রহমান সোহান। চতুর্থ উইকেটে ৬৭ বলে ৯৯ রানের জুটি গড়েন তারা। ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৫৮ বলে ৬৭ রান করে অপরাজিত থাকেন বিজয়। ৩ চার ও সমান ছক্কায় ৩০ বলে ৪৩ রান করেন হাবিবুর রহমান সোহান। ৪ ওভারে স্রেফ ১৬ রান দিয়ে এক উইকেট নেন সানজামুল ইসলাম।

    রান তাড়ায় নামা সিলেটকে শুরুতেই দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ছন্দটা ধরিয়ে দেন সামিত প্যাটেল। যদিও ৯ বলে ১৩ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৩৪ বলে ৩২ রানের জুটি গড়েন হ্যারি টেক্টর। কিন্তু ৩ চারে ১৬ বলে ১৮ রান করার পর শান্ত ক্যাচ তুলে দেন মার্ক দেয়ালের বলে নাহিদুল ইসলামের হাতে।

    ওই ওভারেই কোনো রান করার আগে ফেরেন জাকির হাসানও। এরপর আবার দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ মিঠুন। তার সঙ্গী হিসেবে থাকেন শুরু থেকেই উইকেট আগলে থাকা হ্যারি টেক্টর। ৩৫ বলে দুজনের ৪২ রানের জুটি অবশ্য ভেঙে যায় এর মধ্যেই। এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিং হন মিঠুন। ১৯ বলে তার ব্যাটে আসে ২৪ রান।

    শেষদিকে জমে ওঠে ম্যাচ। ১৩ বলে যখন ১৯ রান দরকার তখন আউট হয়ে যান হ্যারি টেক্টর। এই ব্যাটার ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ বলে ৬১ রান করে আউট হন। কিন্তু ১৯তম ওভারে রুবেলকে তিন ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচ জেতান বার্ল। ১৬ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার।

    ৯ ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়েই আছে সিলেট। অন্যদিকে ৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে খুলনা।

  • বিপিএলে প্রথম জয় পেলো সিলেট

    বিপিএলে প্রথম জয় পেলো সিলেট

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪: বিপিএলে আজ দুর্দান্ত ঢাকাকে ১৫ রানে হারিয়ে প্রথম জয়ে দেখা পেলো সিলেট স্ট্রাইকার্স। এই ম্যাচ হারলে, অর্ধেক পথ বাকি থাকতেই সিলেট টুর্নামেন্টের চলতি আসরে নিজেদের বিদায় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলত। তবে ঘরের মাঠ সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আরেকটি তিক্ত হার দেখতে হয়নি তাদের। দু’দিনের বিরতির পর বিপিএলের সিলেট পর্বে ব্যতিক্রমী দৃশ্যের জন্ম দিলো স্বাগতিকরা।

    আগে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়া সিলেটকে খাদ থেকে টেনে তুলেছেন অধিনায়ক মিঠুন। তার ৫৯ এবং সামিত প্যাটেলের ৩২ রানে ভর করে তারা কোনোরকমে ১৪২ রানের লড়াইয়ের পুঁজি পায়। ঢাকার তারকা পেসার শরিফুল ইসলাম সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের দলও একই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। যদিও শেষদিকে তাদের নিশ্চিত পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছেন টেল-এন্ডারে নামা তাসকিন আহমেদ। নির্ধারিত ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ১২৭ রানে।

    রান তাড়ায় শুরু থেকেই সিলেটের বোলারদের তোপের মুখে পড়ে ঢাকা। পাকিস্তানি ওপেনার সাইম আইয়ুব ভিন্ন কিছুর আভাস দিয়েও তিনি ফেরেন মাত্র ১৩ (৯ বল) রানে। এরপর দলীয় ১৯ রানেই ঢাকার দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে। সাইম ও নাঈম শেখ দুজনকেই ফিরিয়েছেন জিম্বাবুইয়ান পেসার রিচার্ড এনগারাবা। পুরো ম্যাচেই বাঁ-হাতি এই বোলার দাপট দেখিয়েছেন। তৃতীয় উইকেটে ঢাকা কিছুটা কামব্যাকের সুযোগ তৈরি করলেও, সেটি ভেস্তে যায় সাইফ হাসান রানআউট হয়ে গেলে। ব্যক্তিগত ১৭ রানে ফেরেন সাইফ।

    এরপর নিয়মিত বিরতিতে ঢাকা উইকেট হারাতে থাকে। সমান ১৮ বল করে খেলে অ্যালেক্স রস ২০ ও গুলবাদিন নাইব করেন মাত্র ১২ রান। বরাবরের ন্যায় বড় রান পাননি ইরফান শুক্কুরও (৯ বলে ৪)। মাত্র ১১ রান করেন ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক। ৯২ রানে ৯ উইকেট হারানো ঢাকার হার প্রায় নিশ্চিতই ছিল। তবে শেষদিকে ঝলক দেখিয়েছেন তাসকিন। ১১ বলের ইনিংসে ৬টি চারের বাউন্ডারিতে তিনি ২৭ করেন। যা ঢাকার হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। যদিও সেটি দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। জয় থেকে ১৫ রান দূরত্বে ঢাকার ইনিংস থেমে যায়।

    সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন এনগারাবা। এছাড়া রেজাউর রহমান রাজা ২টি এবং নাইম হাসান ও বেনি হাওয়েল একটি করে শিকার করেন।