Tag: সিঙ্গাপুর

  • সিঙ্গাপুর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনবে সরকার

    সিঙ্গাপুর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনবে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ জুন, ২০২৪: সরকার চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ছয় মাসে সিঙ্গাপুর থেকে পাঁচটি প্যাকেজে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনতে জাহাজ ভাড়া নির্ধারণ করেছে । এতে মোট ব্যয় হবে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।

    আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে এই তেল আমদানি করতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    আাজ মঙ্গলবার (১১ জুন) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে প্রতি ছয় মাস, ছয় মাস করে অনুমোদন নেওয়া থাকে যেটা জুন মাসে শেষ হয়ে যাবে। পরবর্তী জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্রুত কোটেশন পদ্ধতিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি সম্ভব হয় সেজন্য একটি প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে সেটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, পাঁচটি প্যাকেজের মধ্যে এ এবং ই তে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং বি,সি, ডি প্যাকেজের সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এখানে নেগোসিয়েশন হয়েছে জ্বালানি তেলের প্রিমিয়ামের ওপর। জ্বালানি তেলের মূল্য কিন্তু যখন কিনবে জাহাজীকরণের আগের দুই দিন বা পরের দুই দিন ও জাহাজীকরণের দিন দুই দিন যে মূল্য থাকে আন্তর্জাতিক বাজারে সেটাকে এভারেজ বা গড় করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

    আর আজ শুধু এই পাঁচ প্যাকেজে যে তেল আমদানি করা হবে সেগুলো আনতে যে জাহাজ ভাড়া লাগবে সেটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সচিব বলেন, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্যাস ওয়েল, জ্যাটএ, ফার্নেস ওয়েল, মোগ্যাস, এবং মেরিন ফুয়েল আনবে এই কোম্পানির জাহাজগুলো। এতে ছয় মাসে জাহাজ ভাড়া পড়বে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। যখন জ্বালানি তেল আনা হবে তখন আলাদাভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

    জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে পাঁচটি প্যাকেজে বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হয়। সাতটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তার মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।

    প্রস্তাবের সকল প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশ করা রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে গ্যাস অয়েল ১০ লাখ মেট্রিক টন, জেট-এ-১ দুই লাখ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল দুই লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, মোগ্যাসেএক লাখ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করা হবে।

    নেপালের বিদ্যুৎ আসবে ভারদের গ্রিড হয়ে

    এদিকে উক্ত কমিটি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অবলম্বন করে ৫ বছরের জন্য ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।

    কবে নাগাদ চুক্তি হবে? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে সচিব মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, এটা এখন চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হবে। কারণ, বিদ্যুৎ নেপালের, আসবে ভারতের সঞ্চালনা লাইন হয়ে।

    কবে নাগাদ নেপালের বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সম্ভবত প্রধানমন্ত্রীর নেপালে একটি সফর আছে। সেখানে হয় তো এই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    সচিব বলেন, ৫ বছরের জন্য চুক্তি করা হবে। প্রতি বছরে আনুমানিক ১৩০ কোটি টাকা লাগবে। এতে পাঁচ বছরে আনুমানিক ব্যয় হবে ৬৫০ কোটি টাকা। ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

    জানা গেছে, বিদ্যুৎ আমাদনির বিষয়ে গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নেপালের ত্রিশূলী প্রকল্প থেকে ২৪ মেগাওয়াট এবং অন্য একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৬ মেগাওয়াটসহ মোট ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। ভারত হয়ে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যোগ হবে।

    নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসে ‘বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন ও আমদানি’ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওই কমিটির প্রধান ছিলেন। বৈঠকে তিনি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ট্যারিফ জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, নেপাল থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম দেশে কয়লাভিত্তিক উৎপাদিত বিদ্যুতের দামের তুলনায় কম পড়বে।

  • করোনা থেকে রক্ষায় সিঙ্গাপুরে সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ

    করোনা থেকে রক্ষায় সিঙ্গাপুরে সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৯ মে, ২০২৪: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবার করোনা ছড়িয়ে পড়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সিঙ্গাপুরেও নতুন করে ছড়িয়ে পড়ছে কোভিড। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে সপ্তাহখানেকের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার মানুষ।

    পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশটিতে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন সিঙ্গাপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। শনিবার (১৮ মে) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

    জানা গেছে, সিঙ্গাপুরে নতুন করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। গত ৫ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ। এমন অবস্থায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওং ইয়ে কুং শনিবার দেশের সবাইকে আবার মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন।

    তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, আগামী ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে সিঙ্গাপুরে করোনার সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছতে পারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওং ইয়ে কুং বলেছেন, ‘আমরা সংক্রমণের শুরুর দিকে রয়েছি, এখন এটি ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এই ভাবে চললে আর ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যেই এটা শীর্ষে পৌঁছাবে। অর্থাৎ জুনের মাঝামাঝি থেকে শেষদিকে।’

    সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৫ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৯০০ জনেরও বেশি মানুষ। এর আগের সপ্তাহে সংক্রমিত হয়েছিলেন ১৩ হাজার ৭০০ জন।

    এই পরিস্থিতিতে চারটি বিষয় খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে সকলকে। প্রথমত, বার বার হাত ধোয়ার মতো সতর্কতা অবলম্বন করা। দ্বিতীয়ত, ভিড় এলাকায় গেলে, বিশেষত সংক্রমিত হওয়ার লক্ষণ থাকলে মাস্ক পরা। তৃতীয়ত, অসুস্থতা থাকলে সামাজিক মেলামেশা বন্ধ রাখা এবং চতুর্থত, করোনাভাইরাস টিকা নেওয়া।

    এদিকে কোভিডে আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই তাদের বাড়িতে থাকলেও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে। এর আগের সপ্তাহে প্রতিদিন যেখানে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১৮১ জন, সেখানে এবার তা বেড়ে হয়েছে ২৫০। যদিও তাদের মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি হয়েছেন মাত্র ৩ জন। গত সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল ২।

    ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তি, চিকিৎসাগতভাবে দুর্বল ব্যক্তি এবং বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দা-সহ যারা গুরুতর রোগের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন তাদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের অতিরিক্ত ডোজ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।

  • সিঙ্গাপুর থেকে এলএনজি কিনছে সরকার

    সিঙ্গাপুর থেকে এলএনজি কিনছে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: দেশে গ্যাস সংকট মেটাতে সিঙ্গাপুর থেকে গ্যাস আমদানি করছে সরকার। দেশটির এমএস গুলবার সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড ও এমএস ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড এই দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিন কার্গো লিকুইডিফাইড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট খরচ হবে ১ হাজার ২৭৪ কোটি ১১ লাখ ৭৬ হাজার ৫২০ টাকা।

    আজ বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহমুদ খান সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০- এর (সংশোধনী ২০২১) আওতায় মাস্টার সেল অ্যান্ড পার্সেস অ্যাগ্রিমেন্ট (এমএসপিএ) সই করা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে কোটেশন সংগ্রহ করে কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে।

    তিনি বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের এমএস গুলবার সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৮১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪০ টাকা।

    অপর এক প্রস্তাবে সিঙ্গাপুরের একই প্রতিষ্ঠান এমএস গুলবার সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতেও ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৮১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪০ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউ এর মূল্য পড়বে ৯ দশমিক ৮৪৭০ মার্কিন ডলার। আগে ছিল ৯ দশমিক ৯৩০ ডলার।

    এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের এমএস ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে খরচ হবে ৪২২ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার ৬৪০ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউর মূল্য পড়বে ৯ দশমিক ৭৭০ মার্কিন ডলার।

    এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স ভিটল এশিয়া পিটিই লিমিটেড’ থেকে এক কার্গো এলএনজি ৪২৯ কোটি ৪০ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

    ২২ জানুয়ারি সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’ থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য এক কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি এমএমবিটিইউ ১০ দশমিক ৮৮ মার্কিন ডলার হিসাবে ওই কার্গোটি আমদানিতে ট্যাক্স ও ভ্যাটসহ মোট ব্যয় ধরা হয় ৪৭০ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

    জানা গেছে, স্পট মার্কেট থেকে চলতি ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ১৩ কার্গো এলএনজি ক্রয়ের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন। এর মধ্যে আগামী মার্চের জন্য চার কার্গো এলএনজি প্রয়োজন হতে পারে।

    স্পট মার্কেট থেকে এলএনজির মূল্য স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে বহুগুণে বেড়ে যাওয়ায় ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি বন্ধ ছিল। চাহিদার তুলনায় গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতির ফলে শিল্প খাতে উৎপাদন, ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। গ্যাসের ঘাটতির ফলে শিল্প খাতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে গ্যাস সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে এবং গ্যাসের ঊর্ধ্ব মূল্য বিবেচনায় প্রয়োজনে বর্ধিত মূল্যে হলেও গ্যাস সরবরাহের জন্য অনুরোধ করা হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যুৎ, শিল্প ও সার কারখানায় গ্যাসের সরবরাহ বাড়াতে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনা হচ্ছে।