Tag: সাধারণ ছাত্র

  • সারাদেশে সহিংসতায় অন্তত ৮৩ জন নিহত

    সারাদেশে সহিংসতায় অন্তত ৮৩ জন নিহত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ আগস্ট, ২০২৪: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা ‘সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন’ চলাকালে সহিংসতায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৮৩ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সিরাজগঞ্জে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৩ জনই পুলিশ সদস্য বলে বাহিনীটি নিশ্চিত করেছে। কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জে পৃথক হামলায় হাইওয়ে থানার এক পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। অনেক স্থানে সরকারি স্থাপনা ও গাড়িতে আগুন দেয়া ও ভাঙচুর করা হয়েছে।

    আজ রবিবার (৪ আগস্ট) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সরকার সমর্থক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষে তারা মারা গেছেন । (সূত্র বিবিসির খবর) ।

    রাত ৮টা ৪০ মিনিটের পর পাওয়া তথ্যে জানা গেছে ঢাকায় মারা গেছেন কমপক্ষে ছয় জন, যাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের একজন নেতা রয়েছেন। এছাড়া ফেনীতে আটজন, নরসিংদীতে ছয়জন, রংপুরে দুইজন, মুন্সিগঞ্জে তিনজন, মাগুরায় দুইজন, বগুড়ায় তিনজন, পাবনায় তিনজন, সিলেটে দুইজন, কিশোরগঞ্জে তিনজন, কুমিল্লায় দুইজন এবং বরিশালে একজন নিহত হয়েছেন ।

    ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘাত-সহিংসতা বাড়তে শুরু করলে রবিবার দুপুর থেকে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে এ সময় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট চালু রয়েছে। তবে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটকসহ বন্ধ রয়েছে বেশ কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

    রবিকার দুপুরে আন্দোলনকারীদের উপর সরাসরি গুলি না চালানোর নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

  • শাহবাগে এখন সাধারণ ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে

    শাহবাগে এখন সাধারণ ছাত্ররা অবস্থান নিয়েছে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৪ আগস্ট, ২০২৪: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন একদফা দাবিতে আজ রবিবার (৪ আগস্ট) সারাদেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে । কর্মসূচির অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় রাজধানীসহ সারাদেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালিত হবে। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

    সরেজমিন দেখা যায়, আজ (৪ আগস্ট) সকালে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা এলে সেখানে ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতাকার্মীরা প্রথমে ধাওয়া দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে শিক্ষার্থীরা তাদের পাল্টা ধাওয়া দিলে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢুকে অন্যদিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে অবস্থান করছেন। শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিলে ওই এলাকার সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

    একদফা দাবিতে আজ রবিবার সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ। তিনি জানান, এদিন বেলা ১১টায় রাজধানীসহ সারা দেশের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিক্ষোভ ও গণসমাবেশ পালিত হবে।

    এদিকে, অবরোধ কর্মসূচির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সড়কে, চলছে শুধু রিকশা-সিএনজি। সড়কে মাঝে মাঝে বাসের দেখা মিললে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়তে দেখা গেছে যাত্রীদের। গণপরিবহন সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামী যাত্রী, জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়া মানুষ, হাসপাতালগামী রোগী ও স্বজনরা।

    শনিবার দুপুরের পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলে দলে মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও এর আশপাশের অবস্থান নেওয়া শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কোটা আন্দোলনের সমর্থনে অভিভাবক ও অনেক শ্রেণি-পেশার মানুষও এতে অংশ নেন। এসময় অনেকের হাতে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

  • সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

    সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ আগস্ট, ২০২৪: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেছে।

    আজ শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সমাবেশে এই দাবি তুলে ধরেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা আর তাদের কাছে কী বিচার চাইব? তারাই তো খুনি। আমাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আপনাদের আন্দোলনের কারণে আমরা ছাড়া পেয়েছি। আজকেও গুলি চলেছে। এই পরিস্থিতিতে এক দফা ঘোষণা করছি। শেখ হাসিনা বলেছেন, আলোচনার দরজা খোলা রয়েছে। তিনি আগেই বুঝেছেন, দরজা খোলা রাখার সময় হয়েছে। আমরা আসছি। এই যে খুন-হত্যা হয়েছে, এজন্য তাকে পদত্যাগ করতে হবে এবং বিচারের আওতায় আনতে হবে। শুধু শেখ হাসিনা নন, সব মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে “

    তিনি বলেন, “আমাদের এক দফা হলো শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং এই সরকারের লুটপাট-দুর্নীতির বিচার। আমরা জেলের তালা ভেঙে আমাদের ভাইদের আনব। যে অভ্যুত্থান শুরু হয়েছে এতে সব জনতা যোগ দিন। আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে সম্মিলিত মোর্চা গঠন করব। আমরা আমাদের দেশের রূপরেখা ঘোষণা করব। আগামীকাল থেকে সর্বত্র অসহযোগ আন্দোলন হবে।”

    এই সমন্বয়ক বলেন, “যদি ইন্টারনেট বন্ধ, কারফিউ জারি হয় আমরা মেনে নেব না। এখন ছাত্র-জনতার এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে অসহযোগ আন্দোলন পালন করবেন। সরকার যদি জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, এটা জনগণ মানবে না। আপনারা যদি অস্ত্র চালান তাহলে প্রতিরোধ হবে। আমরা সব গণহত্যার বিচার করব বাংলার মাটিতে।”

    বাংলাদেশের জনগণ অসহযোগের নেতৃত্ব দেবে জানিয়ে তিনি দেশের সর্বস্তরের মানুষকে ছাত্রদের ঘোষিত অসহযোগ আন্দোলন সফল করার আহ্বান জানান।

    ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে:

    এসময় নাহিদ ইসলাম ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। তিনি বলেন, যেহেতু বর্তমান সরকারের নির্দেশে নির্বিচারে গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। নারী-শিশু-ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক কেউ এই গণহত্যা থেকে রেহাই পাননি।

    যেহেতু, সরকার এই হত্যাযজ্ঞের বিচার করার পরিবর্তে নির্বিচারে ছাত্র-জনতাকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করছে।

    যেহেতু, সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রাণঘাতী আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে হত্যাযজ্ঞ সংঘটন করেছে।

    যেহেতু, ছাত্র-শিক্ষক-শ্রমিক-মজুরসহ আপামর জনগণ মনে করছে এই সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ বিচার এবং তদন্ত সম্ভব নয়।

    সেহেতু, আমরা বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করছি।

    একই সঙ্গে সবার নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় সরকার গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

    এর আগে দুপুর দেড়টার থেকে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ শহীদ মিনারে জড়ো হতে শুরু করেন। ক্ষণে ক্ষণে বাড়তে থাকে সেই জনস্রোত। এক পর্যায়ে শহীদ মিনার এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

    বিকেল ৪টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পায়ে হাঁটার পাশপাশি রিকশা, সিএনজিসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শহীদ মিনারে আসছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে দেখা গেছে অভিভাবকদেরও। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক এমনকি রিকশাচালকদেরও এই কর্মসূচিতে দেখা যায়। যেন জনতার ঢল নামে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সমাবেশে যোগ দেওয়া জনমানুষের ভিড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রাঙ্গণ থেকে ছড়িয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জগন্নাথ হলসহ অন্যান্য রাস্তায়।

  • সাধারণ ছাত্রদের মুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    সাধারণ ছাত্রদের মুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩ আগস্ট, ২০২৪: কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় আটক সাধারণ ছাত্রদের মুক্ত করে দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ শনিবার (৩ আগস্ট) গণভবনে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সহিংসতার ঘটনায় আটক সাধারণ ছাত্রদের মুক্ত করে দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে৷ প্রত্যেকটি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “গণভবনের দরজা শিক্ষার্থীদের জন্য সব সময় খোলা। কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আমি বসতে চাই, তাদের কথা শুনতে চাই। সব বিষয় নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। আমি আর সংঘাত চাই না।”